ওয়াশিংটনের নতুন সমরকৌশলে কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য: যুদ্ধের মেঘ কি তবে সুদূরপ্রসারী?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১২:০৬:৩৯
ওয়াশিংটনের নতুন সমরকৌশলে কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য: যুদ্ধের মেঘ কি তবে সুদূরপ্রসারী?
ছবি : সংগৃহীত

ওয়াশিংটন এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বর্তমানে সামরিক উত্তেজনার পারদ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক যুদ্ধংদেহী মনোভাব এবং তার বিশেষায়িত ‘আক্রমণ করো আর সটকে পড়ো’ বা ‘হিট অ্যান্ড রান’ কৌশলের কারণে ইরান ও ভেনেজুয়েলার মতো দেশগুলো এখন চরম ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়েছে। আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন এখন আর পূর্বসূরিদের মতো দীর্ঘমেয়াদী সেনা মোতায়েন বা রাষ্ট্র গঠনের মতো অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ পথে হাঁটতে রাজি নয়। বরং তারা ক্ষিপ্র গতির সুনির্দিষ্ট সামরিক অভিযান চালিয়ে দ্রুত রাজনৈতিক ও সামরিক জয় হাসিল করার নতুন এক নীতি গ্রহণ করেছে। ভেনেজুয়েলায় সাম্প্রতিক মার্কিন অভিযান এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সফলভাবে অপহরণের ঘটনা ট্রাম্পকে এই আগ্রাসী কৌশলে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার সেই অভিযানে কোনো শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ বা আন্তর্জাতিক বড় ধরণের বাধা না আসায়, ট্রাম্পের পরবর্তী প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ ইরান।

ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বর্তমানে বেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছে, যা ওয়াশিংটনকে উৎসাহিত করছে। দেশটিতে সরকারের বিরুদ্ধে চলমান তীব্র বিক্ষোভ দমনে তেহরানের কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প প্রশাসন এখন দেশটিতে সরাসরি বিমান হামলার পরিকল্পনা করছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে। রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, ট্রাম্প ইরানের শক্তিশালী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি এবং বাসিজ আধাসামরিক বাহিনীর প্রধান ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন। যদিও গত বুধবার এক বিবৃতিতে ট্রাম্প কিছুটা নমনীয় সুর বজায় রেখে বলেছিলেন যে বিক্ষোভকারীদের হত্যা থামানো হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, তবে পর্দার আড়ালে মার্কিন সামরিক প্রস্তুতির কোনো কমতি দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যে কাতার থেকে মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা চিরতরে ধ্বংস করতে আকাশপথে বড় ধরণের অভিযানের ছক কষছে পেন্টাগন।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ট্রাম্পের এই নতুন মডেলটি হলো ‘স্বল্প খরচে সরকার পরিবর্তন’। যেখানে আগের মার্কিন প্রশাসনগুলো হাজার হাজার সেনা পাঠিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে বছরের পর বছর পড়ে থাকত এবং বিপুল জনবল ও অর্থের ক্ষয় হতো, ট্রাম্প সেখানে প্রক্সি বা ছায়াযুদ্ধ এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত হামলার মাধ্যমে অতি দ্রুত উদ্দেশ্য হাসিল করতে চাইছেন। ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে এই কৌশল সফল হওয়ার একটি বড় কারণ ছিল দেশটির ভঙ্গুর সামরিক ব্যবস্থা এবং দুর্নীতির কারণে ভেতর থেকে ফেটে পড়া শাসনকাঠামো। ইরানের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র একই ধরণের কাঠামোগত দুর্বলতাকে কাজে লাগাতে চায়। বছরের পর বছর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থনৈতিক ধসে বিপর্যস্ত ইরান এখন ভেতর থেকেই চরম অস্থির হয়ে উঠেছে। এই সুযোগে সরাসরি স্থলযুদ্ধ এড়িয়ে ইসরায়েলি গোয়েন্দা তৎপরতা এবং আকাশপথের নিরঙ্কুশ শক্তি প্রয়োগ করে ইরানকে কোণঠাসা করাই এখন ওয়াশিংটনের মূল রণকৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ভেনেজুয়েলার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও সংগঠিত হওয়ায় এই সম্ভাব্য অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরণের ঝুঁকির কারণও হতে পারে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন সেনাবাহিনী একই সাথে ভেনেজুয়েলা এবং ইরানের মতো দুটি ভিন্ন মহাদেশের বড় ফ্রন্টে জটিল সামরিক পরিকল্পনা পরিচালনা করার সক্ষমতা নিয়ে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন পেন্টাগনের জন্য সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ। তা সত্ত্বেও, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে আকণ্ঠ নিমজ্জিত থাকা এবং চীন তাইওয়ান নিয়ে বেশি মনোযোগী থাকায় বৈশ্বিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই একাধিপত্য বিস্তার করা অনেকটা সহজ হয়ে গেছে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্পের এই নতুন সামরিক দর্শন ইরানের ওপর প্রয়োগ করলে তা মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রকে স্থায়ীভাবে পাল্টে দেয়, না কি অঞ্চলটিকে এক অনিয়ন্ত্রিত মহাযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই


জিনপিং আমাকে জড়িয়ে ধরবেন: চীনের প্রতি ট্রাম্পের নমনীয় বার্তায় অবাক বিশ্ব

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ২২:১৪:০৩
জিনপিং আমাকে জড়িয়ে ধরবেন: চীনের প্রতি ট্রাম্পের নমনীয় বার্তায় অবাক বিশ্ব
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বরাজনীতিতে নাটকীয় মোড় নিয়ে এলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ এক পোস্টে তিনি ঘোষণা করেছেন যে, বিশ্ববাণিজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি এখন 'স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত'। শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিনের বৈরী দেশ চীনের প্রতি অভাবনীয় নমনীয়তা প্রদর্শন করে ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, বেইজিং এখন ইরানের কাছে সমরাস্ত্র না পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ট্রাম্পের এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এল যখন ইরান লোহিত সাগর ও ওমান উপসাগরসহ তিনটি প্রধান সমুদ্রপথ বন্ধ করে দেওয়ার চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, "আমি স্থায়ীভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছি।

এতে চীন খুবই খুশি হবে। আমি এটা তাদের এবং পুরো বিশ্বের ভালোর জন্যই করছি। এমন অচলাবস্থা ভবিষ্যতে আর কখনও ঘটবে না।" চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে তাঁর আসন্ন বৈঠকের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প আরও বলেন, "শি জিনপিং আমাকে উষ্ণ আলিঙ্গন দেবেন। আমরা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ করছি, যা সংঘাতের চেয়ে অনেক শ্রেয়।"

এর আগে ইরানের সামরিক বাহিনী সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান আলী আবদুল্লাহি হুমকি দিয়েছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকলে ইরান পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরের সমস্ত বাণিজ্য রুট অচল করে দেবে।

কিন্তু ট্রাম্পের এই নতুন কূটনৈতিক চাল এবং চীনের সাথে সমঝোতার দাবি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ নতুন সমীকরণ তৈরি করল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পর্দার আড়ালে বড় কোনো রফা হয়ে থাকতে পারে, যার ফলে যুদ্ধের মেঘ কিছুটা হলেও কাটতে শুরু করেছে।

সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল


আমেরিকাকে বুড়ো আঙুল! চড়া দামে বিশ্ব কাঁপিয়ে দিচ্ছে ইরানি তেল

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ২১:৫২:১৩
আমেরিকাকে বুড়ো আঙুল! চড়া দামে বিশ্ব কাঁপিয়ে দিচ্ছে ইরানি তেল
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের উথাল-পাথাল চলছে। ওপেকের (OPEC) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ মাসে ইরানের ভারী তেল (Iran Heavy Oil) কুয়েতের তেলের পরেই ওপেকভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামী তেলের মর্যাদা পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি এবং উচ্চমানের কারণে ইরানের এই তেল ব্রেন্ট ক্রুড তেলের তুলনায় প্রায় ২১ ডলার বেশি দামে লেনদেন হয়েছে।

ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মার্চে কুয়েতের তেলের দাম ছিল প্রতি ব্যারেল ১২৪ ডলার ২৫ সেন্ট। অন্যদিকে, ইরানের ভারী তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ১২৪ ডলার ১০ সেন্ট—যা কুয়েতের চেয়ে মাত্র ১৫ সেন্ট কম। এই আকাশচুম্বী দামের কারণে ইরান ওপেকের তেল বাজারের দ্বিতীয় শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে।

মজার ব্যাপার হলো, যেখানে ওপেক তেলের গড় ঝুড়ির (Basket Price) দাম থেকে ইরানের তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮ ডলার বেশি ছিল, সেখানে ব্রেন্ট তেলের চেয়েও এটি প্রায় ২১ ডলার বেশি মূল্যে বিক্রি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে অস্থিরতার কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এর ফলে ফিউচার মার্কেটের চেয়ে ফিজিক্যাল মার্কেটে তেলের দাম অনেক বেশি বেড়ে গেছে। ইরানের তেলের এই বিশাল মূল্যবৃদ্ধি প্রমাণ করে যে, বিশ্ববাজারে অবরোধ ও যুদ্ধের হুমকি সত্ত্বেও ইরানি তেলের একচেটিয়া চাহিদা এবং নির্ভরতা কমেনি।

সূত্র: ফার্স নিউজ এজেন্সি


দ্বিতীয় দফার সংকেত! তেহরানে পাকিস্তান প্রতিনিধিদের এন্ট্রি: উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১৯:১৩:১৫
দ্বিতীয় দফার সংকেত! তেহরানে পাকিস্তান প্রতিনিধিদের এন্ট্রি: উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামাবাদে প্রথম দফার শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলেও কূটনীতির দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এখনো নিয়মিত বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে। এই বার্তাগুলোতে ইরান তার বর্তমান অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্টভাবে মার্কিন প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাঘাই বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির যে অভিযোগ ইরানের বিরুদ্ধে আনা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইরান সবসময়ই শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে তার পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। আলোচনার ধারাবাহিকতায় আজ বুধবারই পাকিস্তানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বর্তমান অবস্থান এবং মতবিরোধগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

ইরান তার পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে। তবে ইসমাইল বাঘাই একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়ে জানিয়েছেন যে, ইরান তার প্রয়োজন অনুযায়ী পরমাণু সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে গেলেও এর ধরন ও মাত্রা নিয়ে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। মূলত দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই পাকিস্তানের এই প্রতিনিধি দল তেহরান সফর করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র : বিবিসি


ট্রাম্পের দাবি বনাম বাস্তবতা: আগামী ২ দিনে কি আসলেই বসছে ইসলামাবাদ সংলাপ?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১৭:৩৪:৪৫
ট্রাম্পের দাবি বনাম বাস্তবতা: আগামী ২ দিনে কি আসলেই বসছে ইসলামাবাদ সংলাপ?
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে জল্পনা তুঙ্গে থাকলেও, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামাবাদে বড় কোনো বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী দুই দিনের মধ্যে ‘কিছু একটা ঘটার’ ইঙ্গিত দিলেও কূটনৈতিক বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলছে। বিশেষ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কে যাওয়ায় ১৮ এপ্রিলের আগে তাঁর দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ (IRNA) জানিয়েছে, পরবর্তী বৈঠক সম্পর্কে তেহরানের কাছে এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই এবং ট্রাম্পের মন্তব্যের ওপর কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াও জানায়নি তারা।

আলজাজিরার সাংবাদিক কামাল হায়দারের মতে, এটি একটি দীর্ঘ কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এবং দুই পক্ষ থেকে ইতিবাচক সংকেত পাওয়া গেলেও পরবর্তী দুই দিনেই চূড়ান্ত কিছু হবে—এমনটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। উল্লেখ্য, ৮ এপ্রিল শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হতে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তেহরানে এক বৈঠকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল যদি ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করতে চায়, তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হবে।

তিনি স্পষ্ট করেন যে, ইরান যুদ্ধ বা অস্থিরতা চায় না এবং সবসময় গঠনমূলক আলোচনায় বিশ্বাসী, কিন্তু জাতির মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে কোনো আত্মসমর্পণে যাবে না। ২২ এপ্রিলের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে এই আলোচনা ঘিরে অনিশ্চয়তা এবং উত্তেজনা—উভয়ই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।

/আশিক


২৩ কোটি ডলারের অত্যাধুনিক ড্রোন হারিয়ে দিশেহারা যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১২:২৫:০৫
২৩ কোটি ডলারের অত্যাধুনিক ড্রোন হারিয়ে দিশেহারা যুক্তরাষ্ট্র
ছবি : সংগৃহীত

পারস্য উপসাগরে নজরদারি চালানোর সময় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং অত্যাধুনিক এমকিউ-৪সি ট্রাইটন (MQ-4C Triton) ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। গত ৯ এপ্রিল কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে মার্কিন নৌবাহিনীর নাভাল সেফটি কমান্ড। ‘ডানাযুক্ত উপগ্রহ’ হিসেবে পরিচিত এই ড্রোনটি মার্কিন সামরিক অস্ত্রাগারের অন্যতম শক্তিশালী নজরদারি যন্ত্র, যার একেকটির নির্মাণ ব্যয় প্রায় ২৩ কোটি ৮১ লাখ ডলার—বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২,৮০০ কোটি টাকারও বেশি।

নৌবাহিনীর তথ্যমতে, সিসিলির সিগোনেল্লা নাভাল এয়ার স্টেশন থেকে পরিচালিত এই ড্রোনটি সেদিন রুটিন মাফিক তিন ঘণ্টার অভিযানে বের হয়েছিল। কিন্তু মিশন শেষে ফেরার পথে হঠাৎ এটি বিপদ সংকেত পাঠাতে শুরু করে এবং এক পর্যায়ে রাডার থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, ড্রোনটি যখন প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থান করছিল, তখন হঠাৎ করে সেটি ১০ হাজার ফুটের বেশি নিচে নেমে আসে এবং এরপর আর সেটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

মার্কিন নৌবাহিনী এই ঘটনাকে ‘ক্লাস এ মিসহ্যাপ’ (Class A mishap) বা সর্বোচ্চ পর্যায়ের দুর্ঘটনা হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। তবে এটি কোনো শত্রুপক্ষের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত পেন্টাগন কোনো স্পষ্ট মন্তব্য করেনি। বিশেষ লক্ষণীয় বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র দুই দিনের মাথায় হরমুজ প্রণালির মতো সংবেদনশীল এলাকায় এই ড্রোনটি নিখোঁজ হলো। নর্থরোপ গ্রুম্যানের তৈরি এই হাই-টেক ড্রোনটি হারানো মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য কেবল আর্থিক নয়, বরং একটি বড় ধরনের কৌশলগত ক্ষতি হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

/আশিক


যুদ্ধ এখন শেষের পথে: ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১২:০৭:০৩
যুদ্ধ এখন শেষের পথে: ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার মাঝে এক বড় ধরনের ‘শান্তি সংকেত’ দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে দাবি করেছেন যে, চলমান এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এখন সমাপ্তির একদম দ্বারপ্রান্তে। ট্রাম্পের মতে, পরিস্থিতি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখান থেকে খুব শীঘ্রই একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন বিশ্বজুড়ে ২১ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়া নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার প্রস্তুতির মাঝেই ট্রাম্পের এই ‘পজিটিভ’ বার্তা বিশ্ব তেলের বাজার এবং আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তেহরানের ওপর কঠোর নৌ-অবরোধ এবং অর্থনৈতিক চাপের পর এই কূটনৈতিক বার্তার মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত ইরানকে একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে আসতে রাজি করানোর কৌশল নিচ্ছেন।

যদিও হোয়াইট হাউস থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তির খসড়া প্রকাশ করা হয়নি, তবুও ট্রাম্পের মতো শীর্ষ নেতৃত্বের মুখে যুদ্ধ শেষের কথা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় এক আশার আলো। বিশেষ করে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো, যারা তেলের উচ্চমূল্যে ধুঁকছিল, তারা এখন ইসলামাবাদের পরবর্তী আলোচনার দিকে তাকিয়ে আছে। তবে সমালোচকরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি ও পারমাণবিক ইস্যুর মতো স্থায়ী সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই স্বস্তি কতটুকু দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

সূত্র: আল জাজিরা


যুক্তরাষ্ট্রের ২ কঠিন শর্ত: মানলেই কেবল আলোচনায় বসবে ট্রাম্প প্রশাসন!

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১১:৪৪:১০
যুক্তরাষ্ট্রের ২ কঠিন শর্ত: মানলেই কেবল আলোচনায় বসবে ট্রাম্প প্রশাসন!
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার ইঙ্গিতের পরপরই এবার ইরানের সামনে দুটি অত্যন্ত কঠিন শর্ত জুড়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সপ্তাহে ইসলামাবাদের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় বসার আগে ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এবার আর কোনো অস্পষ্টতা রাখা হবে না।

প্রথমত, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ এবং অবাধে উন্মুক্ত করার শর্ত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, ইরান যদি এই পথে অন্য দেশের জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়, তবে পারস্পরিক নীতির ভিত্তিতে ইরানি কোনো জাহাজকেও ওই পথ দিয়ে চলতে দেওয়া হবে না।

দ্বিতীয়ত, আলোচনার টেবিলে আসা ইরানি প্রতিনিধি দলকে অবশ্যই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা সম্পন্ন হতে হবে।

বিশেষ করে কোনো চুক্তিতে পৌঁছালে তাতে যেন ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী বা ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) পূর্ণ সমর্থন থাকে, সেই গ্যারান্টি চাইছে হোয়াইট হাউস।

মূলত আলোচনার স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতেই এই শর্তারোপ করা হয়েছে। এদিকে, ইরানের ভেতরে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর মধ্যে তীব্র মতভেদের খবর পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ এক পক্ষে থাকলেও আইআরজিসি-র কর্মকর্তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। এমনকি গত দফার আলোচনায় আইআরজিসি-র শীর্ষ কর্মকর্তাদের অসহযোগিতার অভিযোগও উঠেছে।

পাকিস্তানের একটি সূত্র রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে যে, তেহরান দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে এবং চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ আবারও ইসলামাবাদে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর এটিই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক তৎপরতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, মার্কিন এই ‘কঠোর’ শর্তগুলো মেনে নিয়ে ইরান আবারও আলোচনার টেবিলে ফেরে কি না।

সূত্র: এনডিটিভি।


কাউন্টডাউন শুরু! যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ফুরানোর আগেই বাড়ছে সংঘাতের মেঘ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১১:৩১:১৮
কাউন্টডাউন শুরু! যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ফুরানোর আগেই বাড়ছে সংঘাতের মেঘ
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহুপ্রতিক্ষিত ইসলামাবাদ শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। দীর্ঘ ২০ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা নতুন করে বাজতে শুরু করেছে। এই উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে এক ভয়ংকর পরিণতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূলত তিনটি প্রধান ইস্যুতে দুই পক্ষই অনড় অবস্থানে ছিল: ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করা, মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের আঞ্চলিক প্রভাব কমানো এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ। দ্য ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির গবেষণা পরিচালক প্যাট্রিক ক্লসন সতর্ক করেছেন যে, ২১ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুনরায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হওয়ার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে।

তবে আলোচনার দরজা এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি বলে দাবি করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। মার্কিন বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন এখন একদিকে নিষেধাজ্ঞা ও নৌ-অবরোধের মাধ্যমে চাপ বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক যোগাযোগের পথও খোলা রেখেছে।

পাকিস্তানসহ আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা এখন ২১ এপ্রিলের চূড়ান্ত সময়সীমার আগে নতুন কোনো বৈঠকের আয়োজন করতে পারে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ববাসী। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্ব তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ যাতায়াত করায় এই সংকটের সমাধান না হলে বিশ্ব অর্থনীতি মহাবিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

/আশিক


৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম! পাকিস্তানে ‘বড় কিছু’ ঘটার ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৫ ১০:২৮:০২
৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম! পাকিস্তানে ‘বড় কিছু’ ঘটার ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র ছয় দিন বাকি। এর মধ্যেই বিশ্বজুড়ে উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানে ‘বড় কিছু’ ঘটতে পারে। মূলত ইরানের বন্দরে মার্কিন নৌ-অবরোধ এবং চরম উত্তেজনার মধ্যেই দ্বিতীয় দফায় আলোচনার টেবিলে বসতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন ও তেহরান।

নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, দ্বিতীয় দফার এই আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন প্রতিনিধি দল আবারও ইসলামাবাদে যাওয়ার ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অবরোধের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ইরানের কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারেনি। এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মাঝেই জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। রয়টার্সের তথ্যমতে, এ সপ্তাহের শেষ দিকেই ইসলামাবাদে আবারও মুখোমুখি হতে পারেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

এবারের আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আবারও থাকছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে বিশেষ চমক হিসেবে তাঁর সঙ্গে থাকতে পারেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রভাবশালী জামাতা জ্যারেড কুশনার। ট্রাম্প তাঁর এই শীর্ষ তিন উপদেষ্টার ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছেন যুদ্ধ থেকে উত্তরণের পথ খোঁজার জন্য।

অন্যদিকে, লেবানন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধি দলও যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় বসতে ওয়াশিংটন যাচ্ছে, যেখানে মধ্যস্থতা করবেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। যদিও হিজবুল্লাহ এই আলোচনাকে ‘নিরর্থক’ বলে আখ্যা দিয়েছে এবং ইসরায়েল তাদের নিরস্ত্র করার দাবিতে অনড় রয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত শেষে এখন সবার নজর ইসলামাবাদের ‘দ্বিতীয় দফা সংলাপের’ দিকে। ২১ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কি মিলবে শান্তির পথ, নাকি মধ্যপ্রাচ্য তলিয়ে যাবে আরও বড় কোনো মহাপ্রলয়ে—সেদিকেই তাকিয়ে আছে পুরো বিশ্ব।

/আশিক

পাঠকের মতামত:

ডিএসই আপডেট, লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

ডিএসই আপডেট, লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

দেশের শেয়ারবাজারে আজকের লেনদেনে কিছু নির্বাচিত কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে, যা বাজারে আংশিক ইতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দিনশেষে... বিস্তারিত