মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের Q2 প্রকাশ এবং সংশোধন

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১২ ১২:৪৫:৫৯
মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের Q2 প্রকাশ এবং সংশোধন
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (MIRACLEIND) তাদের ২০২৫–২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক ও অর্ধবার্ষিক (জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি একই দিনে প্রকাশিত আগের ঘোষণার কিছু অংশ সংশোধিত (Revised) হিসেবেও জানিয়েছে কোম্পানিটি, যাতে ইপিএস (EPS) ও পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ (NOCFPS) সংক্রান্ত সংখ্যা হালনাগাদ করা হয়।

কোম্পানির সর্বশেষ (সংশোধিত) তথ্যমতে, অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৫ প্রান্তিকে ইপিএস দাঁড়িয়েছে মাইনাস ০.৬১ টাকা, যেখানে অক্টোবর–ডিসেম্বর ২০২৪ প্রান্তিকে ইপিএস ছিল মাইনাস ০.১৮ টাকা। একই সঙ্গে জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৫ ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে মাইনাস ১.৩৮ টাকা, যা জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৪ ছয় মাসের মাইনাস ০.৯৯ টাকা থেকে আরও দুর্বল অবস্থান নির্দেশ করে।

নগদ প্রবাহের ক্ষেত্রে কোম্পানি জানিয়েছে, জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৫ সময়ে NOCFPS (প্রতি শেয়ারে পরিচালন নগদ প্রবাহ) মাইনাস ০.১৩ টাকা, আর আগের বছরের একই সময়ে এটি ছিল মাইনাস ১.৪৯ টাকা। অর্থাৎ, পরিচালন নগদ প্রবাহ এখনও ঋণাত্মক থাকলেও তুলনামূলকভাবে ঘাটতি কমেছে, যা ক্যাশফ্লো ব্যবস্থাপনায় কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যেতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫ তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (NAV) ৯.৯৪ টাকা, যা জুন ৩০, ২০২৫ তারিখে ১১.৩২ টাকা ছিল। NAV কমে আসা মানে কোম্পানির নিট সম্পদ ভিত্তি আগের তুলনায় সঙ্কুচিত হয়েছে, যা লোকসান ও আর্থিক চাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

লোকসানের কারণ ব্যাখ্যা করতে কোম্পানি বলেছে, পণ্যের বিক্রয়মূল্য আরও কমে যাওয়া এবং সুদ ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা লোকসান থেকে পুরোপুরি বের হতে পারেনি। তবে একই সময়ে লোকসানের অংক কিছুটা কমেছে: নেট লস ২.৭২ কোটি টাকা থেকে ২.১৬ কোটি টাকায় নেমেছে। অর্থাৎ মোট ক্ষতি কমলেও আয় ও ব্যয়ের কাঠামোগত চাপ এখনও কোম্পানির ফলাফলে প্রভাব ফেলছে।

-রফিক


১২ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১৭:৪২:৫৭
১২ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

আজ ১২ এপ্রিল ২০২৬, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (DSE) বড় ধরনের লেনদেনের মাধ্যমে চাঙ্গা ভাব লক্ষ্য করা গেছে। আজকের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, লেনদেন হওয়া মোট ৩৯৯টি ইস্যুর মধ্যে ১৮৮টির দাম বেড়েছে এবং ১৪৫টির দাম কমেছে। ৬৬টি ইস্যুর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৮৩৭ কোটি ১০ লাখ ৪ হাজার ৪৭৬ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

ক্যাটাগরি ভিত্তিক লেনদেন

বাজারের মূল ভিত্তি 'এ' ক্যাটাগরির ২১২টি কোম্পানির মধ্যে ১০৬টির দাম বেড়েছে এবং ৭৩টির দাম কমেছে। 'বি' ক্যাটাগরির ৮০টি কোম্পানির মধ্যে ৫০টির দাম বেড়েছে এবং ২০টির দাম কমেছে। অন্যদিকে, 'জেড' ক্যাটাগরির ১০৭টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৩২টির দাম বেড়েছে, যেখানে ৫২টি কোম্পানির শেয়ার দরপতন হয়েছে। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে; ৭টি ফান্ডের দাম বাড়লেও ৭টির দাম কমেছে এবং ২০টি ফান্ডের দাম অপরিবর্তিত ছিল।

মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন ও লেনদেনের পরিমাণ

আজকের লেনদেনে মোট ট্রেডের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ৪৯টি এবং ভলিউম ছিল ২৮ কোটি ৫৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৯টি শেয়ার। দিন শেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯৩২ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ৮৪১ টাকায়। এর মধ্যে ইক্যুইটির পরিমাণ ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫৪২ কোটি ৯৪ লাখ ৯১ হাজার ৬৬৪ টাকা।

ব্লক মার্কেট লেনদেন

আজ ব্লক মার্কেটে মোট ৪০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ব্লকে সবচেয়ে বেশি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে জি কিউ বলপেন (GQBALLPEN), যার মূল্য ৬৪.২৪৪ মিলিয়ন টাকা। এছাড়া সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স (৬২.২০৬ মিলিয়ন), লাভেলো (৬১.৫ মিলিয়ন), এসিআই (৬০.৯৮৬ মিলিয়ন) এবং প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল (৬০.৫৮৬ মিলিয়ন) উল্লেখযোগ্য লেনদেন করেছে। ব্লকে মোট ২১.৫৭ মিলিয়নের বেশি শেয়ার ১৪৪টি ট্রেডের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে, যার মোট আর্থিক মূল্য ৬৭৩.৬০৬ মিলিয়ন টাকা।

সামগ্রিকভাবে আজকের বাজারে ইক্যুইটি ও বীমা খাতের সক্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ব্লক মার্কেটে বড় কোম্পানিগুলোর শেয়ার হাতবদল হওয়ার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

/আশিক


১২ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১৭:৩৬:১৯
১২ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

আজ ১২ এপ্রিল ২০২৬, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (DSE) গেইনার তালিকায় বীমা খাতের দাপট থাকলেও বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ার দর উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ক্লোজিং প্রাইস এবং ওপেনিং প্রাইসের ব্যবধান বা বিচ্যুতি—উভয় দিক থেকেই বস্ত্র, স্টিল ও আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলো লোজার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে।

ক্লোজিং প্রাইস ও গতকালের সমাপনী মূল্যের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ দরপতন

শতাংশের হিসেবে আজকে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে তুং হাই নিটিং (TUNGHAI)। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৮.৩৩৩ শতাংশ কমে ৩.৩ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ (SHURWID) ৪.৫৪৫ শতাংশ দর হারিয়ে লেনদেন শেষ করেছে ৬.৩ টাকায়। তৃতীয় স্থানে থাকা নর্দান ইন্স্যুরেন্সের (NORTHERN) দর ৪.১৭ শতাংশ কমে হয়েছে ১১২.৬ টাকা।

অন্যান্য লোজার কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে জিএসপি ফাইন্যান্স (GSPFINANCE), যার দর ৪.১৬৬ শতাংশ কমে ৪.৬ টাকা হয়েছে। এরপর যথাক্রমে পঞ্চম স্থানে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ (ALIF) ৪ শতাংশ কমে ৪.৮ টাকা, ষষ্ঠ স্থানে প্রিমিয়ার লিজিং (PREMIERLEA) ৪ শতাংশ কমে ২.৪ টাকা, সপ্তম স্থানে উসমানিয়া গ্লাস (USMANIAGL) ৩.৭৩৫ শতাংশ কমে ৩৩.৫ টাকা, অষ্টম স্থানে প্রাইম টেক্সটাইল (PRIMETEX) ৩.৭২৩ শতাংশ কমে ১৮.১ টাকা, নবম স্থানে আরএসআরএম স্টিল (RSRMSTEEL) ৩.৬৫ শতাংশ কমে ৭.৯ টাকা এবং দশম স্থানে আইসিবি ই পি এম এফ ১ (ICBEPMF1S1) ৩.৬৩৬ শতাংশ দর হারিয়ে ১৫.৩ টাকায় দিন শেষ করেছে।

ওপেনিং প্রাইস ও লাস্ট ট্রেড প্রাইসের বিচ্যুতির ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ দরপতন

দিনের শুরুতে যে দামে লেনদেন শুরু হয়েছিল, তার তুলনায় দিনের শেষ দামের (LTP) সবচেয়ে বড় পতন বা বিচ্যুতি (Deviation) দেখা গেছে আরএসআরএম স্টিল (RSRMSTEEL)-এ। শেয়ারটির দর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ৯.৩০২ শতাংশ কমেছে। এর পরেই রয়েছে আরামিট সিমেন্ট (ARAMITCEM), যার বিচ্যুতি ৭.০৩১ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে থাকা প্রাইম টেক্সটাইল (PRIMETEX)-এর বিচ্যুতি রেকর্ড করা হয়েছে ৬.৭০১ শতাংশ।

এই তালিকার অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল (SALAMCRST)-এর বিচ্যুতি ৫.৯৮৮ শতাংশ, এটলাস বাংলাদেশ (ATLASBANG) ৫.৬০১ শতাংশ এবং বিডি ল্যাম্পস (BDLAMPS) ৫.৫৭১ শতাংশ। এছাড়া লোজার তালিকায় থাকা সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইল (CNATEX) ৫.৪০৫ শতাংশ, রিং শাইন টেক্সটাইল (RINGSHINE) ৫.৪০৫ শতাংশ, বসুন্ধরা পেপার মিলস (BPML) ৪.৮৭৮ শতাংশ এবং দশম স্থানে থাকা মাইডাস ফাইন্যান্সের (MIDASFIN) বিচ্যুতি ৪.৮৩৮ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে আজকের বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, তুং হাই ও রিং শাইন টেক্সটাইলের মতো দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারের পাশাপাশি আরএসআরএম স্টিল এবং বসুন্ধরা পেপার মিলসের মতো কোম্পানির শেয়ার দরও আজ নিম্নমুখী ছিল। বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয়ের ক্ষেত্রে বাজারের বর্তমান অস্থিরতা ও কোম্পানির আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

/আশিক


১২ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে সেরা ১০ গেইনার শেয়ার তালিকা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১২ ১৭:০৯:০২
১২ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে সেরা ১০ গেইনার শেয়ার তালিকা

আজ ১২ এপ্রিল ২০২৬, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (DSE) বীমা খাতের শেয়ারগুলোর একচ্ছত্র আধিপত্য লক্ষ্য করা গেছে। দিনের লেনদেন শেষে ক্লোজিং প্রাইসের ভিত্তিতে শীর্ষ গেইনার তালিকার প্রথম চারটি স্থানই বীমা কোম্পানিগুলোর দখলে।

ক্লোজিং প্রাইস ও গতকালের সমাপনী মূল্যের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০

আজকের বাজারে শতাংশের হিসেবে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের (STANDARINS); কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯.৮৯৫ শতাংশ বেড়ে ৪২.২ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের (RELIANCINS) দর ৯.৮৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৩.৪ টাকা।

তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা পায়োনিয়ার ইন্স্যুরেন্স (PIONEERINS) এবং ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের (PHENIXINS) দর যথাক্রমে ৯.৮৩৯ শতাংশ ও ৯.৭০৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫৪.৭ টাকা এবং ৩৩.৯ টাকায় লেনদেন শেষ হয়েছে।

পঞ্চম স্থানে থাকা পিএফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের (PF1STMF) দর ৯.৪৩৪ শতাংশ বেড়ে ৫.৮ টাকা হয়েছে। এরপর যথাক্রমে ষষ্ঠ স্থানে গোল্ডেন সন (GOLDENSON) ৯.৩৭৫ শতাংশ বেড়ে ১৪.০ টাকা, সপ্তম স্থানে গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো (GHAIL) ৮.৪০৩ শতাংশ বেড়ে ১২.৯ টাকা, অষ্টম স্থানে বিডি অটোকার্স (BDAUTOCA) ৮.৩৭৮ শতাংশ বেড়ে ২৪০.৬ টাকা, নবম স্থানে বিডি থাই ফুড (BDTHAIFOOD) ৮.৩৩৩ শতাংশ বেড়ে ১৯.৫ টাকা এবং দশম স্থানে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল (PTL) ৭.২৭২ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়ে ৫৯.০ টাকায় দিন শেষ করেছে।

ওপেনিং প্রাইস ও লাস্ট ট্রেড প্রাইসের ব্যবধান বা বিচ্যুতির ভিত্তিতে শীর্ষ ১০

দিনের শুরু বা ওপেনিং প্রাইসের তুলনায় লাস্ট ট্রেড প্রাইসের (LTP) ব্যবধান বিবেচনায় আজ সবচেয়ে বেশি চমক দেখিয়েছে ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটির বিচ্যুতি (Deviation) ছিল ১২.৬২৪ শতাংশ। এরপরেই রয়েছে পায়োনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, যার বিচ্যুতি ৯.৮৩৯ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে থাকা গোল্ডেন সনের বিচ্যুতি ৯.৩৭৫ শতাংশ।

এই তালিকার অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের বিচ্যুতি ৮.৭৬২ শতাংশ, গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রোর ৮.৪০৩ শতাংশ এবং বিডি অটোকার্সের ৮.৩৭৮ শতাংশ।

এছাড়া তালিকার সপ্তম স্থানে থাকা বঙ্গজ লিমিটেডের (BANGAS) বিচ্যুতি ৭.৮১৯ শতাংশ, অষ্টম স্থানে বিডি থাই ফুড ৭.৭৩৪৮ শতাংশ, নবম স্থানে পিএফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৭.৪০৭ শতাংশ এবং দশম স্থানে থাকা বিডিকম অনলাইন লিমিটেডের (BDCOM) বিচ্যুতি ৭.৩১৭১ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে আজকের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বীমা খাতের পাশাপাশি খাদ্য, বস্ত্র এবং অটোমোবাইল খাতের বেশ কিছু শেয়ার বিনিয়োগকারীদের পছন্দের শীর্ষে ছিল। বিশেষ করে বিডি অটোকার্সের মতো বড় মূলধনী শেয়ারের বড় উত্থান এবং গোল্ডেন সনের শক্ত অবস্থান বাজারের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

/আশিক


৯ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৯ ১৮:৪৪:৫৪
৯ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের লেনদেন শেষে বাজারে ব্যাপক দরপতনের চিত্র ফুটে উঠেছে, যেখানে অধিকাংশ শেয়ারের দাম কমেছে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, দিনশেষে মোট লেনদেন হওয়া ৩৯০টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৭০টির শেয়ারদাম বেড়েছে, বিপরীতে ৩০৬টির দর কমেছে এবং ১৪টি অপরিবর্তিত রয়েছে।

এই পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে বাজারে বিক্রির চাপ প্রাধান্য পেয়েছে। বিশেষ করে এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে ১৫৩টি কোম্পানির শেয়ারদাম কমেছে এবং মাত্র ৪২টি বেড়েছে। একইভাবে বি ক্যাটাগরিতে ৬১টি শেয়ার পতনের মুখে পড়ে, যা বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করেছে।

জেড ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোর ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রবণতা বজায় ছিল, যেখানে ৯২টি কোম্পানির দর কমেছে এবং মাত্র ১২টি শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ২৭টি ফান্ডের দাম কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা প্রতিফলিত হয়েছে।

দিনের মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৭৬৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকার বেশি, যা তুলনামূলকভাবে সক্রিয় লেনদেনের ইঙ্গিত দেয়। তবে উচ্চ লেনদেন সত্ত্বেও দরপতনের আধিক্য বাজারে নেতিবাচক মনোভাবের প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মোট লেনদেনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৩৮৯টি, এবং শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৭ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ইউনিট।

বাজার মূলধনের দিক থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। ইক্যুইটি সেক্টরে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৩ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকার বেশি, আর মোট বাজার মূলধন ৬৮ লাখ কোটি টাকারও বেশি অতিক্রম করেছে, যা বাজারের আকার ও গভীরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

এদিকে ব্লক ট্রানজেকশন বা বড় অংকের লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম দেখা গেছে। মোট ৩৯টি কোম্পানির শেয়ারে ব্লক ট্রেড হয়েছে, যেখানে প্রায় ৬২ লাখের বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে এবং এর মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৮১ কোটি টাকার কাছাকাছি। এর মধ্যে লাভেলো, ফাইন ফুডস, গিকিউ বলপেন এবং আল-হাজ টেক্সটাইলসহ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে বড় অংকের লেনদেন হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে এই ধরনের ব্যাপক দরপতনের পেছনে তারল্য সংকট, বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতি এবং সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বড় ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে চাপ অব্যাহত থাকায় বাজারের সামগ্রিক প্রবণতা নেতিবাচক দিকে ঝুঁকছে।

তারা আরও বলেন, লেনদেনের পরিমাণ বেশি থাকা সত্ত্বেও যদি অধিকাংশ শেয়ারের দাম কমে যায়, তবে তা বাজারে ‘ডিস্ট্রিবিউশন ফেজ’ বা বিক্রির প্রবণতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের আরও সতর্ক হয়ে মৌলিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।

সার্বিকভাবে, ৯ এপ্রিলের বাজার চিত্র বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি সতর্ক বার্তা বহন করছে। বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নীতিগত সহায়তা, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

-রাফসান


৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৯ ১৮:৪১:৩৮
৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে আজকের লেনদেন শেষে শীর্ষ লুজার তালিকায় ব্যাংক ও আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর আধিপত্য স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। দিনজুড়ে বিক্রির চাপ বাড়ায় একাধিক শেয়ারের দামে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটে, যা বাজারে এক ধরনের সতর্ক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ডিএসইতে ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের ক্লোজিং প্রাইসের তুলনায় তৈরি তালিকায় সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের শেয়ারে। কোম্পানিটির শেয়ারদাম ৯.০৯ শতাংশ কমে ৩ টাকায় নেমে আসে, যা দিনের সর্বোচ্চ পতন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের শেয়ারদাম কমেছে প্রায় ৮.৮৯ শতাংশ, যা আর্থিক খাতের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার ইঙ্গিত দেয়। একইভাবে বিআইএফসি এবং ফ্যামিলি টেক্সটাইলস উভয়ই ৮.৩৩ শতাংশ হারে দর হারিয়ে তালিকার তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে অবস্থান করেছে।

পরবর্তী অবস্থানে থাকা জেননেক্স ইনফোটেক প্রায় ৮.১১ শতাংশ পতনের সম্মুখীন হয়েছে। অন্যদিকে এটলাস বাংলাদেশ, ফেয়ারইস্ট ফাইন্যান্স, ফাস ফাইন্যান্স এবং পিএলএফএসএল-এর শেয়ারদামও প্রায় ৮ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে, যা আর্থিক ও শিল্প খাতের বিস্তৃত দুর্বলতাকে নির্দেশ করে।

তালিকার শেষদিকে থাকা রিং শাইন টেক্সটাইলসের শেয়ারদামও প্রায় ৭.৯ শতাংশ কমেছে, যা টেক্সটাইল খাতে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, আজকের এই লুজার তালিকায় আর্থিক খাতের আধিক্য বাজারের তারল্য সংকট, বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা এবং কিছু প্রতিষ্ঠানের দুর্বল মৌলিক অবস্থার প্রতিফলন হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে টানা দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

-রাফসান


৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে সেরা ১০ গেইনার শেয়ার তালিকা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৯ ১৮:৩৮:১৪
৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে সেরা ১০ গেইনার শেয়ার তালিকা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে আজকের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে বিভিন্ন খাতের কোম্পানির শেয়ারদামে উত্থান বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। দিনশেষে মূল্যবৃদ্ধির দিক থেকে এগিয়ে থাকা শেয়ারগুলো বাজারে ইতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ডিএসইতে ক্লোজিং প্রাইস ও আগের দিনের ক্লোজিং প্রাইস (YCP) তুলনায় তৈরি করা তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বেঙ্গল ডব্লিউটিএল। কোম্পানিটির শেয়ারদাম ৮.৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২১.৮ টাকায় লেনদেন শেষ করে, যা দিনের সর্বোচ্চ গেইন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এসিএমই পিএলসি’র শেয়ারদাম বেড়েছে প্রায় ৬.৮৪ শতাংশ, দিনশেষে যার ক্লোজিং মূল্য দাঁড়ায় ২৫ টাকায়। একইভাবে মনোস্পুল ইন্ডাস্ট্রিজ প্রায় ৬.৪১ শতাংশ বৃদ্ধি নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে, যা শিল্পখাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এছাড়া বিডি ল্যাম্পস, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার এবং এপেক্স ট্যানারি যথাক্রমে ৪ থেকে ৪.৪ শতাংশের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এই কোম্পানিগুলোর ধারাবাহিক পারফরম্যান্স বাজারে স্থিতিশীল প্রবণতা তৈরি করছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

তালিকার পরবর্তী অংশে রয়েছে আরামিট, ওয়াটা কেমিক্যাল, বিএনআইসিএল এবং এসআইপিএলসি, যেগুলোর শেয়ারদাম প্রায় ৩.৭ থেকে ৩.৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কোম্পানিগুলোর মধ্যে বৈচিত্র্যময় খাত যেমন কেমিক্যাল, বীমা ও উৎপাদন খাতের উপস্থিতি বাজারের বিস্তৃত অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শেয়ারবাজারে এই ধরনের গেইনার তালিকা বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে তারা সতর্ক করে বলেন, শুধুমাত্র দৈনিক মূল্যবৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে বিনিয়োগ না করে কোম্পানির মৌলিক ভিত্তি, আয় প্রবৃদ্ধি এবং বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

সার্বিকভাবে, আজকের বাজারে শেয়ারদামের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিলেও দীর্ঘমেয়াদে বাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে নীতিগত সহায়তা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা অপরিহার্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

-রাফসান


৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ১৫:৫৪:২৫
৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবারের লেনদেনে ব্যাপক ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে, যেখানে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বাজারজুড়ে একধরনের শক্তিশালী পুনরুদ্ধারের (rebound) চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। দিনশেষে মোট লেনদেন হওয়া ৩৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ৩৬৭টির শেয়ারদর বেড়েছে, বিপরীতে মাত্র ১৫টির দর কমেছে এবং ১১টি অপরিবর্তিত রয়েছে, যা বাজারে ক্রেতাদের সুস্পষ্ট আধিপত্য নির্দেশ করে।

বিভিন্ন ক্যাটাগরির পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ‘এ’ ক্যাটাগরির ২০৫টি কোম্পানির মধ্যে ১৯১টির দর বেড়েছে, যা ব্লু-চিপ ও শক্তিশালী মৌলভিত্তির শেয়ারগুলোর ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। একইভাবে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৭৪টি এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে ১০২টি কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারের প্রায় সব স্তরে ইতিবাচক সাড়া প্রতিফলিত করছে।

মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। এ খাতে লেনদেন হওয়া ৩৪টির মধ্যে ৩০টির দর বেড়েছে এবং কোনো পতন হয়নি, যা দীর্ঘদিন পর বিনিয়োগকারীদের আস্থার পুনরুদ্ধারের লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

লেনদেনের পরিমাণেও বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গেছে। দিনের মোট লেনদেন মূল্য প্রায় ৯,৯১৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। একইসঙ্গে মোট লেনদেনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি এবং শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৩৪৩ মিলিয়ন ইউনিট, যা বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

বাজার মূলধনও এদিন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ কোটি টাকায়, যা পূর্ববর্তী দিনের তুলনায় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নির্দেশ করে।

ব্লক মার্কেটেও বড় আকারের লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, জিকিউ বলপেন, ফাইন ফুডস এবং লাভেলো আইসক্রিমসহ বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর এই ধরনের শক্তিশালী উত্থান বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা মনে করছেন, ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রবণতা বজায় থাকলে বাজারে নতুন বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়তে পারে এবং সামগ্রিকভাবে একটি স্থিতিশীল ঊর্ধ্বমুখী ট্রেন্ড গড়ে উঠতে পারে।

-রাফসান


৮ এপ্রিল: দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ১৫:২১:০০
৮ এপ্রিল: দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবারের লেনদেনে শীর্ষ দরপতনকারী কোম্পানিগুলোর তালিকায় তুলনামূলকভাবে সীমিত মাত্রার পতন লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে বড় ধরনের ধসের পরিবর্তে একটি স্বাভাবিক সংশোধনী প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দিনশেষে ড্যাকাডাইং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড শীর্ষ লুজার হিসেবে অবস্থান নিয়েছে, যার শেয়ারদর প্রায় ১.২১ শতাংশ কমে ১৬.৩ টাকায় নেমে এসেছে।

এরপরের অবস্থানে থাকা টেকনোড্রাগ লিমিটেডের শেয়ারদর প্রায় ১.০৭ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৩৬.৯ টাকায় দাঁড়িয়েছে। একইভাবে অ্যাপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেড এবং অ্যাপেক্স ট্যানারি লিমিটেড যথাক্রমে প্রায় ০.৯৫ শতাংশ ও ০.৭৯ শতাংশ দর হারিয়েছে, যা ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেক্সটাইল সংশ্লিষ্ট খাতে কিছুটা বিক্রয়চাপের প্রতিফলন।

খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতেও মৃদু দরপতন দেখা গেছে। মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ফাইন ফুডস এবং বাটা শু কোম্পানির শেয়ারদর সামান্য কমেছে, যদিও পতনের হার তুলনামূলকভাবে সীমিত। এ ধরনের প্রবণতা সাধারণত স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার (profit booking) কারণে ঘটে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বীমা খাতের জনতা ইন্স্যুরেন্স এবং সাপোর্টালসহ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারেও সামান্য নিম্নগতি লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে সামগ্রিকভাবে সতর্ক বিনিয়োগ আচরণের প্রতিফলন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের সীমিত পতন বাজারের জন্য নেতিবাচক নয়; বরং এটি একটি স্বাস্থ্যকর সংশোধন (healthy correction) হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কারণ ধারাবাহিক উত্থানের পর কিছু শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়া স্বাভাবিক এবং এটি বাজারকে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে।

তারা আরও উল্লেখ করেন, বড় পতনের পরিবর্তে ক্ষুদ্র পরিসরের এই দরপতন বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি পুনঃপ্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে যেসব কোম্পানির মৌলিক ভিত্তি শক্তিশালী।

-রাফসান


৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ১৪:৫০:২৭
৮ এপ্রিল: দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবারের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় শক্তিশালী উত্থান লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে বিভিন্ন খাতের কোম্পানিগুলো উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে। দিনশেষে শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলদেশ গ্যাস (বাংগ্যাস), যার শেয়ারদর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩৪.২ টাকায় পৌঁছেছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিডি ল্যাম্পস, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.৯৭ শতাংশ বেড়ে ১৫৭.৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে। একইভাবে কেবিপিপি ওয়াটার বিল, কেডিএস অ্যাক্সেসরিজ এবং এবিব্যাংকের শেয়ারদর যথাক্রমে প্রায় ৯.৯৪ শতাংশ, ৯.৮১ শতাংশ এবং ৮.৯৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ব্যাংকিং খাতে এদিন উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। এবিব্যাংক ও আইএফআইসি—উভয় ব্যাংকের শেয়ারদর যথাক্রমে ৮.৯৩ শতাংশ এবং ৭.৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা খাতটিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতেও চাঙ্গাভাব লক্ষ্য করা গেছে। এক্সিম ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং প্রাইম আইসিবিএ ফান্ড উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিকল্প বিনিয়োগ মাধ্যমের প্রতি আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অটোমোবাইল খাতের কোম্পানি বিডিএ অটোকারও শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, যার শেয়ারদর প্রায় ৮.৭৪ শতাংশ বেড়ে ২১৮.৯ টাকায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে ইন্স্যুরেন্স খাতের পিপলস ইন্স্যুরেন্সও প্রায় ৭.১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে শীর্ষ তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি, স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং কার্যক্রম এবং খাতভিত্তিক বিনিয়োগ প্রবণতার পরিবর্তনের কারণে এই উত্থান দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাংক, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির এই ধারা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে কিনা তা নির্ভর করবে কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি, আয় প্রবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর। তাই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ বিশ্লেষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: