কোন ফান্ডের এনএভি সবচেয়ে বেশি, দেখে নিন

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ২২ ১২:২২:১৪
কোন ফান্ডের এনএভি সবচেয়ে বেশি, দেখে নিন
ছবি: সংগৃহীত

২১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একাধিক মিউচুয়াল ফান্ড তাদের দৈনিক নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) প্রকাশ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, অধিকাংশ ফান্ডের বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি এখনো অভিহিত মূল্য ১০ টাকার নিচে অবস্থান করছে, যদিও কস্ট প্রাইসের ভিত্তিতে প্রায় সব ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এই বৈপরীত্য বাজারের বর্তমান মূল্যায়ন ও ফান্ডগুলোর অন্তর্নিহিত সম্পদমূল্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য তুলে ধরছে।

বাজারদরের ভিত্তিতে এনএভি পর্যালোচনায় দেখা যায়, বেশিরভাগ মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি মূল্য ৬ থেকে ৯ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। এর মধ্যে কিছু ফান্ড তুলনামূলক শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। বিশেষ করে গ্রামীণস টু (GRAMEENS2) ফান্ডের বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ১৫ টাকার বেশি, যা অন্যান্য ফান্ডের তুলনায় ব্যতিক্রমী। পাশাপাশি রিলায়েন্স ওয়ান (RELIANCE1), ক্যাপিটেক জিবিএফ (CAPITECGBF), এসইএমএল এলইসি এমএফ (SEMLLECMF) ও এসইএমএল আইবিবিএলএসএফ (SEMLIBBLSF)–এর মতো কয়েকটি ফান্ডের এনএভি অভিহিত মূল্যের কাছাকাছি বা তার ওপরে রয়েছে। অন্যদিকে, জানাতা, ইবিএল, ট্রাস্ট ব্যাংক ও পপুলার ব্যাংক–সংশ্লিষ্ট কিছু ফান্ডের বাজারদরের এনএভি তুলনামূলকভাবে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে।

তবে কস্ট প্রাইসের ভিত্তিতে হিসাব করলে চিত্রটি ভিন্নভাবে ধরা পড়ে। প্রায় সব মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি কস্টভিত্তিক এনএভি ১০ টাকার অনেক ওপরে রয়েছে, যা ফান্ডগুলোর প্রকৃত সম্পদমূল্যের শক্ত অবস্থান নির্দেশ করে। কিছু ফান্ডের ক্ষেত্রে এই কস্ট এনএভি ১২ থেকে ১৬ টাকারও বেশি, যা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সম্ভাবনার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রাইম ফার্স্ট, আইসিবি–সংশ্লিষ্ট একাধিক ফান্ড এবং কিছু ব্যাংক–স্পন্সরড ফান্ড কস্ট প্রাইসে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে।

মোট নিট সম্পদের দিক থেকেও ফান্ডগুলোর মধ্যে বড় পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। কয়েকটি বড় ফান্ডের নিট সম্পদের পরিমাণ কয়েক শ কোটি থেকে হাজার কোটিরও বেশি, যা বাজারে তাদের প্রভাব ও বিনিয়োগ বিস্তৃতির ইঙ্গিত দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, বাজারদরে এনএভি কম থাকলেও কস্ট প্রাইসে শক্ত অবস্থান থাকা ফান্ডগুলো দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, শুধু এনএভি নয়, ফান্ডের পোর্টফোলিও গঠন, ডিভিডেন্ড ইতিহাস, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত।

-শরিফুল


শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৬ ১৭:৪১:২৭
শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

গত সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্পষ্টভাবে সতর্কতা ও অনিশ্চয়তার মনোভাব লক্ষ করা গেছে। সপ্তাহজুড়ে সূচকের নিম্নমুখী গতি, লেনদেন ও ভলিউমে উল্লেখযোগ্য পতন এবং অধিকাংশ শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় বাজারে নেতিবাচক আবহ তৈরি হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি কেবল স্বল্পমেয়াদি কারেকশন নয়; বরং এটি অর্থনৈতিক ও নীতিগত অনিশ্চয়তার প্রতিফলন।

সপ্তাহ শেষে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)–এর প্রধান সূচকগুলো ধারাবাহিক চাপের মধ্য দিয়ে গেছে, যা বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতা স্পষ্ট করে।

প্রধান সূচকের অবস্থা: ধীর কিন্তু ধারাবাহিক পতন

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহ শেষে নেমে এসেছে ৪,৯৫৮.৯৯ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ০.৮ শতাংশ কম। সূচক পতনের গতি খুব তীব্র না হলেও ধারাবাহিক হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার ঘাটতি আরও গভীর হয়েছে।

শীর্ষ ৩০ কোম্পানির সূচক ডিএস৩০ সামান্য কমে ১,৯১২.৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে বড় ও তুলনামূলক শক্তিশালী কোম্পানিগুলোও বাজারচাপের বাইরে নেই। অন্যদিকে, শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস প্রায় ১.৫ শতাংশ কমে সপ্তাহ শেষ করেছে, যা শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগকারীদের বিক্রির প্রবণতা বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

তবে ব্যতিক্রম হিসেবে এসএমই বোর্ডের সূচক তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। যদিও সপ্তাহে সামান্য কমেছে, তবুও বছরের শুরু থেকে এই সূচক দ্বি-অঙ্কের প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্প শেয়ার সংখ্যা ও সীমিত ফ্লোটের কারণে এসএমই বোর্ডে এখনো স্পেকুলেটিভ আগ্রহ টিকে আছে।

লেনদেন ও ভলিউম: তারল্যের ঘাটতি স্পষ্ট

সপ্তাহজুড়ে গড় দৈনিক লেনদেন কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কম। একইভাবে শেয়ার লেনদেনের ভলিউম কমেছে ২২ শতাংশের বেশি।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পতন মূলত বড় বিনিয়োগকারীদের অপেক্ষাকৃত নিষ্ক্রিয়তার ফল। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বড় অঙ্কের বিনিয়োগে যাচ্ছেন না, বরং বিদ্যমান পোর্টফোলিও ধরে রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

ডলারে হিসাব করলে গড় দৈনিক লেনদেন নেমে এসেছে প্রায় ৩১ মিলিয়ন ডলারে, যা বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

বাজার মূলধন: সূচক কমলেও ভিত্তি পুরোপুরি নড়বড়ে নয়

সূচক ও লেনদেনে দুর্বলতা থাকলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সপ্তাহ শেষে বাজারের মোট মূলধন সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। এটি নির্দেশ করে যে বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ব্যাপক ধস এখনো দেখা যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে এখনো একটি ন্যূনতম ভিত্তি বিদ্যমান রয়েছে, যা ভবিষ্যতে অনুকূল কোনো নীতিগত বা অর্থনৈতিক সংকেত পেলে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।

বাজার প্রস্থ: বিক্রেতাদের আধিপত্য

এই সপ্তাহে ডিএসইতে দর বেড়েছে মাত্র ৯৩টি শেয়ারের, বিপরীতে দর কমেছে ২৬৮টি শেয়ারের। অপরিবর্তিত ছিল ২৫টি, আর লেনদেন হয়নি ২৭টি শেয়ারের।

অ্যাডভান্স-ডিক্লাইন রেশিও নেমে এসেছে ০.৩৫–এ, যা স্পষ্টভাবে বিক্রেতাদের আধিপত্য নির্দেশ করে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের রেশিও সাধারণত বিনিয়োগকারীদের মানসিক চাপ ও আস্থাহীনতার প্রতিফলন।

খাতভিত্তিক চিত্র: ব্যাংক ও টেক্সটাইল সবচেয়ে দুর্বল

ব্যাংক খাতে এই সপ্তাহে গড় দৈনিক লেনদেন ৫০ শতাংশের বেশি কমেছে। খেলাপি ঋণ, সুদের হার, এবং ভবিষ্যৎ মুনাফা নিয়ে অনিশ্চয়তা এই খাতের ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে।

টেক্সটাইল খাতেও বড় ধস দেখা গেছে। যদিও মোট লেনদেনে এই খাতের অংশ এখনো উল্লেখযোগ্য, তবে দরপতন ও ভলিউম কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এই খাত থেকে দূরে থাকছেন।

ফার্মাসিউটিক্যাল ও কেমিক্যাল খাতে লেনদেন তুলনামূলক বেশি হলেও অধিকাংশ শেয়ারের দর নিম্নমুখী ছিল। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা গেলেও সেখানে শক্তিশালী উত্থানের কোনো ইঙ্গিত নেই।

করপোরেট বন্ড ও বিকল্প বিনিয়োগ

এই সপ্তাহে করপোরেট বন্ড খাতে লেনদেন হঠাৎ বেড়ে যাওয়াকে বিশ্লেষকরা গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ার থেকে সরে গিয়ে বিনিয়োগকারীরা তুলনামূলক নিরাপদ আয়ের দিকে ঝুঁকছেন।

এটি বাজারে ঝুঁকিবিমুখ (risk-averse) মানসিকতার বিস্তার নির্দেশ করে।

শীর্ষ দরবৃদ্ধি ও দরপতন: অস্থিরতার প্রতিচ্ছবি

সপ্তাহজুড়ে কয়েকটি জেড ক্যাটাগরির শেয়ারে বড় দরবৃদ্ধি দেখা গেছে, কোথাও কোথাও ৩০ শতাংশের বেশি। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এসব উত্থান মৌলভিত্তির চেয়ে স্বল্পমেয়াদি কারসাজি বা স্পেকুলেশনের ফল হতে পারে।

অন্যদিকে, বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ১০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়িয়েছে।

মূল্যায়ন: কম পিই হলেও আস্থা ফেরেনি

সপ্তাহ শেষে বাজারের গড় পিই রেশিও দাঁড়িয়েছে ৮.৭৭, যা ঐতিহাসিকভাবে কম। সাধারণত এমন পিই বাজারকে ভ্যালু জোনে নির্দেশ করে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, কেবল কম পিই যথেষ্ট নয়।

তাদের মতে, বাজারে টেকসই পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজন-

  • নীতিগত স্থিতিশীলতা
  • তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি
  • প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ

এই উপাদানগুলো অনুপস্থিত থাকলে বাজারে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে।

সামনের দিকনির্দেশনা: সতর্ক আশাবাদ

বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজার বিশেষজ্ঞরা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। স্বল্পমেয়াদে বাজারে বড় উত্থানের সম্ভাবনা সীমিত হলেও, দীর্ঘমেয়াদে মৌলভিত্তি শক্ত কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

-রাফসান


শেয়ারবাজারে ১৫ জানুয়ারির টার্নওভার চিত্র

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১৫:২২:০২
শেয়ারবাজারে ১৫ জানুয়ারির টার্নওভার চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার Dhaka Stock Exchange–এর প্রধান বোর্ডে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেনের পরিমাণ ছিল উল্লেখযোগ্য। দিনভর বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বাজারে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯৫টি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের গড় লেনদেনের তুলনায় মাঝারি মাত্রার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, এদিন প্রধান বোর্ডে মোট ১১ কোটি ৫৮ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনের এই পরিমাণ বাজারে তারল্য বজায় থাকার ইঙ্গিত দিলেও, দরপতনের আধিক্যের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্ক মনোভাব স্পষ্ট ছিল বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

আর্থিক পরিমাপে দেখা যায়, বৃহস্পতিবারের লেনদেনে মোট ৩ হাজার ৭৯৮ কোটি ১ লাখ ৭ হাজার টাকা সমপরিমাণ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় টার্নওভারে বড় ধরনের উল্লম্ফন না হলেও, ধারাবাহিক লেনদেন বাজারকে স্থবিরতা থেকে দূরে রেখেছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

-রাফসান


১৫ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১৫:১২:৩৫
১৫ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার Dhaka Stock Exchange–এ লেনদেন হয়েছে নেতিবাচক প্রবণতায়। এদিন অধিকাংশ শেয়ারের দর কমায় বাজারে বিক্রির চাপ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান, স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং সামগ্রিক অনিশ্চয়তা এ দরপতনের প্রধান কারণ।

দিনশেষে ডিএসইতে মোট ৩৯০টি সিকিউরিটিজে লেনদেন হয়। এর মধ্যে মাত্র ১০২টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ২২০টির দর কমেছে এবং ৬৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সংখ্যাগতভাবে দরপতনকারী শেয়ারের আধিক্য বাজারের দুর্বল মনোভাবকে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করেছে।

‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতেও নেতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। এই ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২০৫টি শেয়ারের মধ্যে ১২১টির দর কমেছে, যেখানে মাত্র ৫২টির দর বেড়েছে এবং ৩২টি অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারেও বিক্রির চাপ থাকায় বাজারে আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত মিলেছে।

‘বি’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ৮০টি শেয়ারের মধ্যে ৫৫টির দর কমে যায়, বিপরীতে ১৪টির দর বাড়ে এবং ১১টির দর স্থিতিশীল থাকে। এই ক্যাটাগরিতে ঝুঁকিবিমুখ বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা কম থাকায় দরপতন তুলনামূলক বেশি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

‘জেড’ ক্যাটাগরিতেও নেতিবাচক প্রবণতা বজায় ছিল। এই ক্যাটাগরির ১০৫টি শেয়ারের মধ্যে ৪৪টির দর কমেছে, ৩৬টির দর বেড়েছে, আর ২৫টি অপরিবর্তিত রয়েছে। লোকসানি ও দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের অনীহা এ চিত্রের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এদিন লেনদেন হওয়া ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৯টির দর কমেছে, ৪টির দর বেড়েছে, এবং ২১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। স্বল্পমূল্যের ইউনিটে সীমিত ক্রয়চাপ থাকলেও সামগ্রিকভাবে খাতটি নিস্তেজ ছিল।

করপোরেট বন্ড বাজারে মাত্র ২টি বন্ডে লেনদেন হয়, যার মধ্যে ১টির দর বেড়েছে এবং ১টির দর কমেছে। অন্যদিকে সরকারি সিকিউরিটিজ বাজারে লেনদেন হওয়া ৪টি সরকারি বন্ডের সবকটিতেই দরপতন লক্ষ্য করা গেছে, যা বন্ড মার্কেটেও বিক্রির চাপের ইঙ্গিত দেয়।

লেনদেন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদিন ডিএসইতে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯৫টি লেনদেন সম্পন্ন হয়। মোট লেনদেন হওয়া শেয়ারের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ কোটি ৫৮ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯টি, আর লেনদেনের আর্থিক পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা। আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের গতি কিছুটা কম ছিল বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

দিনশেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৮ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ইক্যুইটি খাতে বাজার মূলধন ছিল প্রায় ৩২ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে প্রায় ২ হাজার ২৩৬ কোটি টাকা, আর ঋণপত্র বা ডেট সিকিউরিটিজ খাতে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা।

এদিন ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। মোট ২৪টি কোম্পানির শেয়ারে ১১৩টি ব্লক লেনদেন সম্পন্ন হয়। ব্লক মার্কেটে মোট ৩৭ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯৭টি শেয়ার হাতবদল হয়ে লেনদেনের আর্থিক পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৭৭ কোটি টাকা। ব্লক লেনদেনে এপেক্স স্পিনিং, গ্রামীণফোন, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ফাইন ফুডস ও বেক্সিমকো সুকুকের মতো শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে।

-রাফসান


১৫ জানুয়ারি দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১৫:০৭:৪৬
১৫ জানুয়ারি দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন চলাকালে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার Dhaka Stock Exchange–এ বেশ কয়েকটি শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কিছু কোম্পানির শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা, মৌলভিত্তিগত দুর্বলতা এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে এদিন লুজার তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়।

বাজার বন্ধ হওয়ার আগে বিকেল ২টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দরপতনের শীর্ষে উঠে আসে শুরউইদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৭ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৩ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে আসে। দিনের সর্বোচ্চ দরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পতন বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরপতন দেখা যায় বিচ হ্যাচারি লিমিটেড–এর শেয়ারে। প্রায় ৭ শতাংশ দর কমে শেয়ারটি ২৯ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানিটির আর্থিক পারফরম্যান্স নিয়ে অনিশ্চয়তা দরপতনের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা টাং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড–এর শেয়ার দর ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ১ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে আসে। স্বল্পমূল্যের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিবিমুখ মনোভাব এ দরপতনে ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এরপর রয়েছে অ্যাপোলো ইস্পাত কম্পোজিট লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৫ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়ায়, যা ইস্পাত খাতে সাম্প্রতিক চাপের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

টেক্সটাইল খাতের আরেক প্রতিষ্ঠান জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড–এর শেয়ার দর ৫ শতাংশ কমে ৫ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। খাতভিত্তিক নেতিবাচক প্রত্যাশা এ দরপতনে প্রভাব ফেলেছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মত দিয়েছেন।

রপ্তানিমুখী কোম্পানি ওআইমেক্স লিমিটেড–এর শেয়ার দরও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। প্রায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ পতনে শেয়ারটির দাম নেমে আসে ১২ টাকায়।

এদিন বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড–এর শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১০ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়ায়। শিল্প খাতে চাহিদা কমার আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির চাপ তৈরি করেছে।

ব্যাংক খাতেও দরপতনের প্রভাব পড়ে। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড–এর শেয়ার দর ৪ দশমিক ৪ শতাংশের বেশি কমে ১৩ টাকায় নেমে আসে। ব্যাংকিং খাতে সাম্প্রতিক অনিশ্চয়তা এ পতনে ভূমিকা রেখেছে।

ইস্পাত খাতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান আরএসআরএম স্টিল লিমিটেড–এর শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৬ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

দরপতনের তালিকার দশম স্থানে ছিল ঢাকা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৩৬ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এদিনের শীর্ষ দরপতনকারী তালিকা থেকে স্পষ্ট যে স্বল্পমূল্যের শেয়ার, টেক্সটাইল ও শিল্প খাতে বিক্রির চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং মৌলভিত্তিক অনিশ্চয়তা দরপতনের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

-রাফসান


১৫ জানুয়ারির শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধির তালিকা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১৫:০৫:১০
১৫ জানুয়ারির শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধির তালিকা
ছবি: সংগৃহীত

১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন চলাকালে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার Dhaka Stock Exchange–এ একাধিক শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী বছর, কিছু নির্দিষ্ট খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি এবং স্বল্পমূল্যের শেয়ারে চাহিদা বাড়ার কারণে এদিন গেইনার তালিকায় বড় ধরনের নড়াচড়া দেখা যায়।

বাজার বন্ধ হওয়ার আগে বিকেল ২টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেড়ে ২০৩ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। দিনের সর্বোচ্চ দরে বিক্রিও হয়েছে এই শেয়ারটি, যা বিনিয়োগকারীদের শক্ত আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।

দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৯ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৬৫ টাকা ৫০ পয়সায় পৌঁছায়। ট্যানারি খাতে রপ্তানি সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক প্রত্যাশা এ দরবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও গেইনার তালিকায় উপস্থিতি ছিল। এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এর ইউনিট মূল্য ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ৪ টাকায় উন্নীত হয়। স্বল্পমূল্যের ইউনিটে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধিই এর প্রধান কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ ও লাইটিং খাতের কোম্পানি বিডি ল্যাম্পস লিমিটেড এর শেয়ার দরও এদিন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। প্রায় ৫ শতাংশ দরবৃদ্ধির মাধ্যমে শেয়ারটি ১৪৪ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে শক্তিশালী পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতের আরেকটি ইউনিট ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড দরবৃদ্ধির তালিকায় উঠে আসে। ইউনিটটির দাম ৪ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ২ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়ায়।

একই খাতের ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড এর ইউনিট মূল্যও প্রায় সাড়ে ৪ শতাংশ বেড়ে ২ টাকা ৪০ পয়সায় উন্নীত হয়, যা স্বল্পঝুঁকির বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

টেক্সটাইল খাতের বড় শেয়ার রহিম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড এদিন ৪ শতাংশের বেশি দরবৃদ্ধি নিয়ে গেইনার তালিকায় অবস্থান করে। শেয়ারটি ২২৮ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে, যা মাঝারি মেয়াদে ইতিবাচক প্রবণতার প্রতিফলন বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতের পরিচিত কোম্পানি এপেক্স ফুডস লিমিটেড এর শেয়ার দর প্রায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ২৪৩ টাকা ৯০ পয়সায় পৌঁছায়। রপ্তানিমুখী এই কোম্পানিকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে।

ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের মডার্ন হাউজিং সল্যুশনস লিমিটেড এর শেয়ার দরও প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ বাড়ে। শেয়ারটি ১৪ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

গেইনার তালিকার দশম স্থানে ছিল আইবিপি লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১১ টাকা ৯০ পয়সায় দাঁড়ায়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এদিনের শীর্ষ গেইনার তালিকা থেকে স্পষ্ট যে টেক্সটাইল, মিউচুয়াল ফান্ড এবং রপ্তানিনির্ভর কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা এসব শেয়ারে সক্রিয় থাকায় দরবৃদ্ধির এই প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

-রাফসান


৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ, কোথায় সুযোগ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১২:৫৯:২৮
৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ, কোথায় সুযোগ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত একাধিক কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড তাদের গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট ঘোষণা ও দৈনিক নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) প্রকাশ করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, একটি কোম্পানির বোর্ড সভার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের হালনাগাদ এনএভি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এসকোয়ার নিটের বোর্ড সভা ২৮ জানুয়ারি

তালিকাভুক্ত কোম্পানি ESQUIRENIT জানিয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্তি বিধিমালা ২০১৫–এর ১৬(১) ধারা অনুযায়ী আগামী ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, দুপুর ৩টায় তাদের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (Q2) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে থাকবে। বিনিয়োগকারীরা এই সভার সিদ্ধান্তের দিকে বিশেষ নজর রাখছেন।

মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর দৈনিক এনএভি: বাজারমূল্য বনাম ক্রয়মূল্য

১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন শেষে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, অধিকাংশ মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি এখনো ফেস ভ্যালু ১০ টাকার নিচে বাজারমূল্যে অবস্থান করছে, তবে ক্রয়মূল্য ভিত্তিতে বেশিরভাগ ফান্ডই উল্লেখযোগ্যভাবে উচ্চ এনএভি ধরে রেখেছে।

উদাহরণস্বরূপ-

SEMLFBSLGF–এর বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ছিল ৯.৩৯ টাকা, যেখানে ক্রয়মূল্যে এনএভি দাঁড়িয়েছে ১১.২৭ টাকা।

SEMLIBBLSF জানিয়েছে বাজারদরে এনএভি ৯.৫৯ টাকা, আর ক্রয়মূল্যে ১১.৭৪ টাকা।

RELIANCE1 ফান্ডের বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ১০.৭১ টাকা, যা ফেস ভ্যালুর ওপরে অবস্থান করছে।

বড় তহবিলগুলোর সম্পদ পরিস্থিতি

বৃহৎ তহবিলগুলোর মধ্যে GRAMEENS2–এর বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি ছিল ১৫.৮৪ টাকা, যা তালিকাভুক্ত ফান্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। এই ফান্ডটির মোট নিট সম্পদ বাজারমূল্যে প্রায় ২,৮৮৮ কোটি টাকা এবং ক্রয়মূল্যে প্রায় ১,৯৫৩ কোটি টাকা।

অন্যদিকে-

FBFIF–এর মোট নিট সম্পদ বাজারমূল্যে প্রায় ৫,৪৯৩ কোটি টাকা,

TRUSTB1MF–এর বাজারমূল্যভিত্তিক নিট সম্পদ প্রায় ১,৯৮৫ কোটি টাকা,

POPULAR1MF–এর মোট নিট সম্পদ বাজারমূল্যে ২,১১২ কোটি টাকার বেশি।

ডিসকাউন্টে থাকা ফান্ডগুলোর চিত্র

অনেক ফান্ড এখনো গভীর ডিসকাউন্টে লেনদেন হচ্ছে। যেমন-

1JANATAMF–এর বাজারদর এনএভি ৬.০৩ টাকা,

EBL1STMF–এর এনএভি ৬.৩২ টাকা,

PHPMF1–এর বাজারদর এনএভি নেমে এসেছে ৬.৮৪ টাকা।

এগুলোতে ক্রয়মূল্য ভিত্তিতে এনএভি দ্বিগুণের কাছাকাছি থাকলেও বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট।

বিশ্লেষকদের মতে, ফান্ডগুলোর ক্রয়মূল্য ও বাজারমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে সুদের হার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপ এবং বাজারের তারল্য সংকটের কারণে স্বল্পমেয়াদে এই ডিসকাউন্ট অব্যাহত থাকতে পারে।

-রাফসান


রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ড ও দুই কোম্পানীর লেনদেন শুরু

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১৩:০৯:০৫
রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ড ও দুই কোম্পানীর লেনদেন শুরু
ছবি: সংগৃহীত

Dhaka Stock Exchange–এ তালিকাভুক্ত একাধিক দীর্ঘমেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড (BGTB) এবং দুইটি কোম্পানির শেয়ারের ক্ষেত্রে রেকর্ড ডেট–পরবর্তী লেনদেন পুনরায় শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ঘোষণাগুলো বাজারে তারল্য ও বিনিয়োগকারীদের কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত রেকর্ড ডেট শেষ হওয়ার পর আগামী ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এসব সরকারি সিকিউরিটিজ এবং শেয়ারে পুনরায় স্বাভাবিক লেনদেন চালু হবে।

১৫ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডে লেনদেন পুনরায় চালু

১৮ জুলাই ২০২৭ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য ১৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড, যার ট্রেডিং কোড TB15Y0727, সেটির লেনদেন রেকর্ড ডেট শেষে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পুনরায় শুরু হবে। দীর্ঘমেয়াদি নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে এই বন্ডটি প্রাতিষ্ঠানিক ও রক্ষণশীল বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

একই দিনে ১৮ জানুয়ারি ২০২৭ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য আরেকটি ১৫ বছর মেয়াদি সরকারি ট্রেজারি বন্ড TB15Y0127–এর লেনদেনও আবার চালু হবে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, একসঙ্গে একাধিক দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের লেনদেন চালু হওয়ায় বন্ড মার্কেটে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসবে।

১০ বছর মেয়াদি বন্ডেও ফিরছে লেনদেন

সরকারি ঋণপত্র বাজারে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট হলো TB10Y0127 ট্রেডিং কোডভুক্ত ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড। ১৮ জানুয়ারি ২০২৭ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য এই বন্ডটির লেনদেনও রেকর্ড ডেট শেষে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পুনরায় শুরু হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উভয় ধরনের বন্ডে একযোগে লেনদেন শুরু হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা তাদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যকরণ আরও কার্যকরভাবে করতে পারবেন।

২০২৮ মেয়াদি ১৫ বছর বন্ডেও সবুজ সংকেত

১৬ জানুয়ারি ২০২৮ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য ১৫ বছর মেয়াদি BGTB, যার ট্রেডিং কোড TB15Y0128, সেটির ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এই বন্ডটির লেনদেন ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে পরিশোধযোগ্য এসব সরকারি বন্ডে লেনদেন পুনরায় শুরু হওয়া রাষ্ট্রীয় ঋণ ব্যবস্থাপনা ও সেকেন্ডারি মার্কেটের জন্য ইতিবাচক সংকেত।

দুটি কোম্পানির শেয়ারেও লেনদেন পুনরারম্ভ

শুধু সরকারি বন্ড নয়, একই সঙ্গে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুইটি কোম্পানির শেয়ারের লেনদেনও রেকর্ড ডেট শেষে পুনরায় চালু হচ্ছে।

রেকর্ড ডেট সম্পন্ন হওয়ার পর ICICL–এর শেয়ারের লেনদেন ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পুনরায় শুরু হবে। বিনিয়োগকারীরা আবার স্বাভাবিকভাবে কোম্পানিটির শেয়ার কেনাবেচা করতে পারবেন।

একইভাবে, তালিকাভুক্ত টেক্সটাইল খাতের কোম্পানি AL-HAJTEX–এর শেয়ারেও একই দিনে লেনদেন চালু হচ্ছে। ফলে সংশ্লিষ্ট খাতের বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রেকর্ড ডেট–পরবর্তী সময়ে একসঙ্গে সরকারি বন্ড ও শেয়ারের লেনদেন পুনরায় চালু হওয়া বাজারের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে সহায়ক। এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠন এবং তারল্য বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে যেসব বিনিয়োগকারী নিরাপদ ফিক্সড ইনকাম উৎস হিসেবে সরকারি বন্ডে এবং দীর্ঘমেয়াদি রিটার্নের জন্য শেয়ারে বিনিয়োগ করেন, তাদের জন্য এই ঘোষণা সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ।

-রাফসান


সরকারি বন্ড বাজারে স্থগিতাদেশ ও ডিলিস্টিং একসঙ্গে

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১৩:০৩:৪৩
সরকারি বন্ড বাজারে স্থগিতাদেশ ও ডিলিস্টিং একসঙ্গে
ছবি: সংগৃহীত

Dhaka Stock Exchange–এ তালিকাভুক্ত দুইটি ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড (BGTB)–কে কেন্দ্র করে বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ঘোষণাগুলো মূলত রেকর্ড ডেট সংক্রান্ত লেনদেন স্থগিতাদেশ এবং একটি বন্ডের মেয়াদপূর্তি–জনিত ডিলিস্টিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।

সরকারি বন্ড বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা, স্থিতিশীলতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এ ধরনের সিদ্ধান্তকে নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখা হয়। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি বন্ডে যারা নিরাপদ ও নির্ধারিত আয়ের ওপর নির্ভর করেন, তাদের জন্য এসব ঘোষণা সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।

TB10Y0726: রেকর্ড ডেট উপলক্ষে সাময়িক লেনদেন বন্ধ

২০ জুলাই ২০২৬ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড, যার ট্রেডিং কোড TB10Y0726, সেটির ক্ষেত্রে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ জানুয়ারি ২০২৬। এই রেকর্ড ডেটকে কেন্দ্র করে বন্ডটির লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, রেকর্ড ডেটের আগের দিন অর্থাৎ ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ এবং রেকর্ড ডেটের দিন ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ উভয় দিনই এই সরকারি সিকিউরিটিজে কোনো ধরনের লেনদেন হবে না। এর মাধ্যমে কুপন সুবিধা ও মালিকানা নির্ধারণের প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল রাখা হয়।

তবে বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক দিক হলো, এই স্থগিতাদেশ সম্পূর্ণ অস্থায়ী। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে TB10Y0726 পুনরায় স্বাভাবিকভাবে লেনদেনে ফিরে আসবে এবং বাজারে আগের মতোই ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম চালু থাকবে।

TB10Y0126: মেয়াদপূর্তির পর ডিএসই থেকে স্থায়ী ডিলিস্টিং

অন্যদিকে, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ মেয়াদে পরিশোধযোগ্য ১০ বছর মেয়াদি আরেকটি সরকারি ট্রেজারি বন্ড TB10Y0126–এর ক্ষেত্রেও একইভাবে ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন স্থগিত থাকবে। এই স্থগিতাদেশও রেকর্ড ডেট সংক্রান্ত নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ।

তবে TB10Y0126–এর ক্ষেত্রে একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বন্ডটির মেয়াদ সম্পূর্ণ হওয়ায় ২০ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে স্থায়ীভাবে ডিলিস্ট করা হবে। অর্থাৎ উক্ত তারিখের পর এই বন্ডে আর কোনো ধরনের লেনদেন বা বাজার কার্যক্রম থাকবে না।

ডিলিস্টিংয়ের মাধ্যমে বন্ডটির জীবনচক্র আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে এবং বিনিয়োগকারীরা নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী তাদের মূলধন ও প্রাপ্য সুবিধা গ্রহণ করবেন।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ঘোষণা

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি ট্রেজারি বন্ডে রেকর্ড ডেটের আগে ও পরে লেনদেন স্থগিত থাকা একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিয়ম। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত মালিকদের কুপন সুবিধা নিশ্চিত করা এবং বাজারে বিভ্রান্তি দূর করা।

একই সঙ্গে মেয়াদপূর্তি–জনিত ডিলিস্টিং বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মরণ করিয়ে দেয় যে, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপদ বিনিয়োগ হলেও সরকারি বন্ডের একটি নির্দিষ্ট জীবনকাল রয়েছে। সেই মেয়াদ শেষ হলে বিনিয়োগ কৌশল নতুন করে সাজানো প্রয়োজন।

-রাফসান


বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ডিএসইর আইনি সতর্কতা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১১:১৯:৫৪
বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ডিএসইর আইনি সতর্কতা
ছবি: সংগৃহীত

শেয়ারবাজারে গুজব, ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা রোধে বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতামূলক বার্তা দিয়েছে Dhaka Stock Exchange পিএলসি। ডিএসই স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের নাম বা লোগো ব্যবহার করে কোনো ধরনের গুজব বা অনুমাননির্ভর তথ্য প্রচার করা হলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

ডিএসইর পক্ষ থেকে জানানো হয়, যদি কেউ ডিএসইর প্যাটেন্ট, নাম বা পরিচিতি ব্যবহার করে গুজবভিত্তিক তথ্য ছড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কপিরাইট আইন, ২০০০ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ১৭ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

সচেতনতামূলক বার্তায় আরও বলা হয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কোনো ধরনের বাজারসংক্রান্ত তথ্য বা ডেটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে না। ফলে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, লিংকডইনসহ যেকোনো অননুমোদিত প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত শেয়ারবাজারসংক্রান্ত তথ্যের ওপর নির্ভর না করার জন্য বিনিয়োগকারীদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডিএসই কর্তৃপক্ষের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অনেক তথ্যই যাচাইহীন, গুজবনির্ভর বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে, যা বিনিয়োগকারীদের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এ ধরনের তথ্য বিশ্বাস করে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিলে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত