রোজকার শেয়ারবাজার

৩০ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনে শীর্ষ লুজার তালিকা প্রকাশ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ৩০ ১৫:০৩:৫৫
৩০ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনে শীর্ষ লুজার তালিকা প্রকাশ

রবিবার (৩০ নভেম্বর) শেয়ারবাজারের লেনদেনে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। দুটি ভিন্ন মানদণ্ডে এই দরপতন পরিমাপ করা হয়েছে। গতকালের সমাপনী মূল্যের (YCP) তুলনায় আজকের সমাপনী মূল্যে (CloseP) সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে LRBDL। অন্যদিকে দিনের লেনদেনের উদ্বোধনী মূল্যের (Open) তুলনায় সর্বশেষ মূল্যে (LTP) সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে FAREASTLIF এর।

Close Price vs YCP

গতকালের সমাপনী মূল্যের সাথে আজকের সমাপনী মূল্যের শতাংশ পরিবর্তন বিবেচনায় দরপতনের তালিকার শীর্ষে রয়েছে LRBDL। কোম্পানিটির শেয়ার দর ১৮ দশমিক ৮৯৭৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এটির ওয়াইসিপি ছিল ১২ টাকা ৭ পয়সা যা আজ লেনদেন শেষে ১০ টাকা ৩ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে FAREASTFIN যার দর কমেছে ১০ শতাংশ। একই পরিমাণ অর্থাৎ ১০ শতাংশ দর হারিয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে PLFSL এবং PREMIERLEA।

শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো SIMTEX (৯.৯৬৯৮ শতাংশ), MAKSONSPIN (৯.৩৭৫ শতাংশ), ILFSL (৯.০৯০৯ শতাংশ), GSPFINANCE (৮.৬৯৫৭ শতাংশ), APOLOISPAT (৮.৩৩৩৩ শতাংশ) এবং AIBL1STIMF (৮.১০৮১ শতাংশ)।

Opening Price vs LTP (Intra-day)

দিনের লেনদেনের মধ্যে অর্থাৎ উদ্বোধনী মূল্যের তুলনায় সর্বশেষ লেনদেন মূল্যের ডেভিয়েশন বা পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে FAREASTLIF এর। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার দর দিনের মধ্যেই ১১ দশমিক ৩৯২৪ শতাংশ হ্রাস পায়। এটির লেনদেন শুরু হয়েছিল ২৩ টাকা ৭ পয়সা দিয়ে এবং সর্বশেষ এলটিপি দাঁড়ায় ২১ টাকায়।

এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে NEWLINE যার ডেভিয়েশন মাইনাস ১১ দশমিক ১১১১ শতাংশ। SIMTEX মাইনাস ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ ডেভিয়েশন নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

তালিকায় থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো SHURWID (৯.৮০৩৯ শতাংশ), MAKSONSPIN (৯.৩৭৫ শতাংশ), DBH1STMF (৮.৬২০৭ শতাংশ), APOLOISPAT (৮.৩৩৩৩ শতাংশ), NURANI (৮.৩৩৩৩ শতাংশ), MIDASFIN (৮.১৬৩৩ শতাংশ) এবং GQBALLPEN (৭.৫৩৩৩ শতাংশ)।

পর্যালোচনা করে দেখা যায় SIMTEX, MAKSONSPIN এবং APOLOISPAT এই তিনটি প্রতিষ্ঠান উভয় তালিকাতেই দরপতনের শীর্ষ দশে স্থান পেয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে এই কোম্পানিগুলো গতকালের তুলনায় যেমন দর হারিয়েছে তেমনি আজকের দিনের লেনদেনের শুরুতেও তীব্র বিক্রয় চাপের মুখে ছিল।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে প্রদত্ত তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও বাজার বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই যোগ্য পরামর্শকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

/আশিক


৩০ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকা প্রকাশ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ৩০ ১৪:৫৯:৫৪
৩০ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকা প্রকাশ

রবিবার (৩০ নভেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতের কোম্পানিগুলো। সপ্তাহের এই দিনে শেয়ারের দরবৃদ্ধির দুটি ভিন্ন মানদণ্ডেই শীর্ষস্থান দখল করেছে বিডি থাই ফুড (BDTHAIFOOD)। গতকালের সমাপনী মূল্যের সাথে আজকের সমাপনী মূল্যের তুলনা এবং দিনের লেনদেনের উদ্বোধনী মূল্যের সাথে সর্বশেষ মূল্যের তুলনা—উভয় ক্ষেত্রেই কোম্পানিটি সবার উপরে ছিল।

Close Price vs YCP

গতকালকের সমাপনী মূল্য বা ওয়াইসিপি-র সাথে আজকের সমাপনী মূল্য বা ক্লোজ প্রাইসের শতাংশ পরিবর্তন বিবেচনায় গেইনারের তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে BDTHAIFOOD। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল এর ওয়াইসিপি ছিল ১০ টাকা ৬ পয়সা যা আজ লেনদেন শেষে ১১ টাকা ৬ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে RAHIMAFOOD যার দর বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ দশমিক ৬২৯৬ শতাংশ। ৫ দশমিক ২৩২১ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে WATACHEM।

শীর্ষ দশে থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো HAKKANIPUL (৫.১৭১ শতাংশ), SONALIANSH (৪.১৯২২ শতাংশ), LEGACYFOOT (৪.০৫৬৪ শতাংশ), AL-HAJTEX (৩.৩২৫৮ শতাংশ), CVOPRL (৩.২৪৩৬ শতাংশ), ASIATICLAB (২.৮৯৫ শতাংশ) এবং BDAUTOCA (২.৮৬৬৮ শতাংশ)।

Opening Price vs LTP (Intra-day)

দিনের লেনদেনের মধ্যে অর্থাৎ উদ্বোধনী মূল্য বা ওপেন প্রাইসের তুলনায় সর্বশেষ লেনদেন মূল্য বা এলটিপি-র ডেভিয়েশন পরিবর্তনেও সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল BDTHAIFOOD। কোম্পানিটির শেয়ার দর দিনের মধ্যেই ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এটির লেনদেন শুরু হয়েছিল ১০ টাকা ৬ পয়সা দিয়ে এবং সর্বশেষ এলটিপি দাঁড়ায় ১১ টাকা ৬ পয়সায়।

এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ICBAMCL2ND যার ডেভিয়েশন ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ। HAKKANIPUL ৪ দশমিক ২০২৯ শতাংশ ডেভিয়েশন নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

তালিকায় থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো WATACHEM (২.৯৭২৭ শতাংশ), NITOLINS (২.৭৬৬৮ শতাংশ), RAHIMAFOOD (২.৫৮৯৯ শতাংশ), CVOPRL (২.৫৫৩২ শতাংশ), BSC (২.৩০৭৭ শতাংশ), RUPALILIFE (২.২৬৭ শতাংশ) এবং LEGACYFOOT (২.২৫৩ শতাংশ)।

পর্যালোচনায় দেখা যায় BDTHAIFOOD, RAHIMAFOOD, WATACHEM, HAKKANIPUL, CVOPRL এবং LEGACYFOOT এই কোম্পানিগুলো উভয় তালিকাতেই শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। বিশেষ করে খাদ্য খাতের কোম্পানিগুলোর ব্যাপক উপস্থিতি আজ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের মূল কারণ ছিল।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে প্রদত্ত তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও বাজার বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই যোগ্য পরামর্শকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

/আশিক


২৬ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনের সারসংক্ষেপ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৬ ১৫:০৮:২৭
২৬ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনের সারসংক্ষেপ

বুধবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (DSE) লেনদেন শেষে বাজারের সামগ্রিক চিত্রে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। সপ্তাহের এই কার্যদিবসে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দরবৃদ্ধির তুলনায় দরপতনের সংখ্যা সামান্য বেশি ছিল। দিনশেষে ১৫৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর বিপরীতে দর কমেছে ১৭৪টির। এছাড়া ৫৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায় মোট ৩৮৫টি ইস্যুর মধ্যে এই লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। ক্যাটাগরিভিত্তিক লেনদেনে 'এ' ক্যাটাগরিতে ১০৫টি কোম্পানির দর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ৮৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২১টি। তবে 'বি' ক্যাটাগরিতে নেতিবাচক প্রবণতা বেশি ছিল যেখানে মাত্র ২৩টি ইস্যু এগিয়েছে এবং কমেছে ৪২টি। একইভাবে 'জেড' ক্যাটাগরিতেও ২৯টি কোম্পানির দর বাড়লেও পতন হয়েছে ৪৬টির।

মিউচুয়াল ফান্ড (MF) খাতেও দিনের শেষে দরপতনের চিত্র দেখা গেছে। এই খাতে মাত্র ৮টি ফান্ডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ১৬টির দর হ্রাস পেয়েছে। বাকি ১১টি ফান্ডের দর ছিল অপরিবর্তিত।

এদিন বাজারে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫,২৭৮.৭২ মিলিয়ন টাকা বা প্রায় ৫২৭ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা। মোট ১,৮২,৮৬৩টি ট্রেডের মাধ্যমে ১৮ কোটি ৬৫ লক্ষ ৬৭ হাজার ১১১টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।

ব্লক মার্কেটে ১১৬ মিলিয়নের লেনদেন

মূল বাজারের পাশাপাশি ব্লক মার্কেটে আজ ১১৬.৩৫১ মিলিয়ন টাকার বা প্রায় ১১ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে। মোট ৩১টি স্ক্রিপের লেনদেন হয় এখানে।

ব্লক মার্কেটে লেনদেনের শীর্ষে ছিল BRACBANK যার একাই ৩২.৯৫০ মিলিয়ন টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা CITYGENINS ১৫.৭৫২ মিলিয়ন এবং তৃতীয় স্থানে FINEFOODS ১২.১৩৭ মিলিয়ন টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য লেনদেনের মধ্যে SIMTEX ৯.০৪৯ মিলিয়ন এবং DOMINAGE ৭.৭০০ মিলিয়ন টাকার লেনদেন সম্পন্ন করে।

দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মোট বাজার মূলধন (Total Market Capitalisation) দাঁড়িয়েছে ৬,৯২৭,৫৬৮.৯০ মিলিয়ন টাকায়।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে প্রদত্ত তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও বাজার বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই যোগ্য পরামর্শকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

/আশিক


২৬ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনে শীর্ষ লুজার তালিকা প্রকাশ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৬ ১৫:০২:১১
২৬ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনে শীর্ষ লুজার তালিকা প্রকাশ

বুধবার (২৬ নভেম্বর) শেয়ারবাজারের লেনদেনে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দামে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। দুটি ভিন্ন মানদণ্ডে এই দরপতন পরিমাপ করা হয়েছে। গতকালের সমাপনী মূল্যের (YCP) তুলনায় আজকের সমাপনী মূল্যে (CloseP) সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে HFL। অন্যদিকে দিনের লেনদেনের উদ্বোধনী মূল্যের (Open) তুলনায় সর্বশেষ মূল্যে (LTP) সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে ILFSL এর।

Close Price vs YCP

গতকালকের সমাপনী মূল্যের (YCP) সাথে আজকের সমাপনী মূল্যের (CloseP) শতাংশ পরিবর্তন বিবেচনায় দরপতনের তালিকার শীর্ষে রয়েছে HFL। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ২৩০৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এটির YCP ছিল ৬ টাকা ৫ পয়সা যা আজ লেনদেন শেষে ৫ টাকা ৯ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে RINGSHINE যার দর কমেছে ৮ দশমিক ৫৭১৪ শতাংশ। ৮ দশমিক ৩৩৩৩ শতাংশ দর হারিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে NBL। একই পরিমাণ অর্থাৎ ৮ দশমিক ৩৩৩৩ শতাংশ দরপতন হয়েছে PREMIERLEA এর।

শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো SHURWID (৮.১৬৩৩ শতাংশ), CNATEX (৭.১৪২৯ শতাংশ), FAMILYTEX (৬.৬৬৬৭ শতাংশ), NEWLINE (৬.৬৬৬৭ শতাংশ), EXIM1STMF (৬.২৫ শতাংশ) এবং ISNLTD (৫.৪৪৬৬ শতাংশ)।

Opening Price vs LTP (Intra-day)

দিনের লেনদেনের মধ্যে অর্থাৎ উদ্বোধনী মূল্যের (Open) তুলনায় সর্বশেষ লেনদেন মূল্যের (LTP) ডেভিয়েশন বা পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে ILFSL এর। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার দর দিনের মধ্যেই ১৫ দশমিক ৩৮৪৬ শতাংশ হ্রাস পায়। এটির লেনদেন শুরু হয়েছিল ১ টাকা ৩ পয়সা দিয়ে এবং সর্বশেষ LTP দাঁড়ায় ১ টাকা ১ পয়সায়।

এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ABB1STMF যার ডেভিয়েশন মাইনাস ৯ দশমিক ৩৭৫ শতাংশ। PLFSL মাইনাস ৯ দশমিক ০৯০৯ শতাংশ ডেভিয়েশন নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

তালিকায় থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো PREMIERLEA (-৮.৩৩৩৩ শতাংশ), GSPFINANCE (-৭.৪০৭৪ শতাংশ), FAREASTLIF (-৭.৩৪৬৯ শতাংশ), CNATEX (-৭.১৪২৯ শতাংশ), ICBIBANK (-৭.১৪২৯ শতাংশ), MITHUNKNIT (-৬.৭৫৬৮ শতাংশ) এবং PADMALIFE (-৬.৭৪১৬ শতাংশ)।

পর্যালোচনা করে দেখা যায় PREMIERLEA এবং CNATEX এই দুটি প্রতিষ্ঠান উভয় তালিকাতেই দরপতনের শীর্ষ দশে স্থান পেয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে এই কোম্পানিগুলো গতকালের তুলনায় যেমন দর হারিয়েছে তেমনি আজকের দিনের লেনদেনের শুরুতেও তীব্র বিক্রয় চাপের মুখে ছিল।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে প্রদত্ত তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও বাজার বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই যোগ্য পরামর্শকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

/আশিক


২৬ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকা প্রকাশ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৬ ১৪:৫৭:১৪
২৬ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকা প্রকাশ

বুধবার (২৬ নভেম্বর) শেয়ারবাজারের লেনদেনে বীমা খাতের কোম্পানিগুলোর আধিপত্য লক্ষ্য করা গেছে। এদিন লেনদেনে মূল্যবৃদ্ধির দুটি ভিন্ন মানদণ্ডেই শীর্ষস্থান দখল করেছে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স (PRAGATIINS)। গতকালের সমাপনী মূল্যের (YCP) তুলনায় আজকের সমাপনী মূল্যে (CloseP) এবং দিনের লেনদেনের উদ্বোধনী মূল্যের (Open) তুলনায় সর্বশেষ মূল্যে (LTP) উভয় ক্ষেত্রেই কোম্পানিটি সবার উপরে ছিল।

Close Price vs YCP

গতকালের সমাপনী মূল্যের (YCP) সাথে আজকের সমাপনী মূল্যের (CloseP) শতাংশ পরিবর্তন বিবেচনায় শীর্ষ দশ গেইনারের তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে PRAGATIINS। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৮ দশমিক ১৫৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল এর YCP ছিল ৬৬ টাকা ২ পয়সা যা আজ লেনদেন শেষে ৭১ টাকা ৬ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে MONNOFABR যার দর বৃদ্ধি পেয়েছে ৭ দশমিক ৭৩২ শতাংশ। ৬ দশমিক ৪৫১৬ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে AMANFEED।

শীর্ষ দশে থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো CRYSTALINS (৬.০০৪১ শতাংশ), GREENDELT (৫.৬৬৪১ শতাংশ), EBL1STMF (৫.৪০৫৪ শতাংশ), SUMITPOWER (৫.২৬৩২ শতাংশ), ACMEPL (৫.১২৮২ শতাংশ), PEOPLESINS (৪.৯১৩৩ শতাংশ) এবং PIONEERINS (৪.৭২১ শতাংশ)। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, এই তালিকার অর্ধেকই বীমা খাতের কোম্পানি।

Opening Price vs LTP (Intra-day)

দিনের লেনদেনের মধ্যে অর্থাৎ উদ্বোধনী মূল্যের (Open) তুলনায় সর্বশেষ লেনদেন মূল্যের (LTP) ডেভিয়েশন বা পরিবর্তনেও সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল PRAGATIINS। কোম্পানিটির শেয়ার দর দিনের মধ্যেই ৮ দশমিক ১৫৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। এটির লেনদেন শুরু হয়েছিল ৬৬ টাকা ২ পয়সা দিয়ে এবং সর্বশেষ LTP দাঁড়ায় ৭১ টাকা ৬ পয়সায়।

এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ACMEPL যার ডেভিয়েশন ৭ দশমিক ৮৯৪৭ শতাংশ। MONNOFABR ৬ দশমিক ৬৩২৭ শতাংশ ডেভিয়েশন নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

তালিকায় থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো AMANFEED (৬.৪৫১৬ শতাংশ), GQBALLPEN (৬.৩৮৪৬ শতাংশ), CONTININS (৫.৬০৩৪ শতাংশ), ITC (৫.৫২৭৬ শতাংশ), GREENDELT (৫.৪৪৭৫ শতাংশ), SUMITPOWER (৫.২৬৩২ শতাংশ) এবং EASTERNINS (৫.১৭২৪ শতাংশ)।

পর্যালোচনায় দেখা যায় PRAGATIINS, MONNOFABR, AMANFEED, ACMEPL, GREENDELT এবং SUMITPOWER এই কোম্পানিগুলো উভয় তালিকাতেই শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। বিশেষ করে বীমা খাতের কোম্পানিগুলোর (PRAGATIINS, CRYSTALINS, GREENDELT, PEOPLESINS, PIONEERINS, CONTININS, EASTERNINS) ব্যাপক উপস্থিতি আজ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে প্রদত্ত তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও বাজার বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই যোগ্য পরামর্শকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

/আশিক


ইস্টার্ন কেবলসের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৬ ১১:৫০:১০
ইস্টার্ন কেবলসের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন কেব্লস লিমিটেড (ECABLES) ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই–সেপ্টেম্বর ২০২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করেছে, যেখানে কোম্পানির আর্থিক অবস্থায় মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা যায়, কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (EPS) এখনও নেতিবাচক থাকলেও আগের বছরের তুলনায় লোকসানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির EPS দাঁড়িয়েছে Tk. (0.63), যা গত বছরের একই সময়ে ছিল Tk. (1.44)। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে লোকসান প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, যা প্রতিষ্ঠানটির অপারেশনাল দুর্বলতা কিছুটা কমছে বলে ধারণা দেয়। তবে কোম্পানি এখনও মুনাফায় ফিরতে পারেনি।

অন্যদিকে ইস্টার্ন কেব্লসের নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো পার শেয়ার (NOCFPS) চিত্রে নাটকীয় ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। চলতি প্রান্তিকে NOCFPS দাঁড়িয়েছে Tk. 4.15, যেখানে গত বছরের একই সময়ে তা ছিল Tk. (1.88)। বিশ্লেষকদের মতে, এই উল্লম্ফন নির্দেশ করে যে কোম্পানি মূল ব্যবসা পরিচালনা থেকে আগের তুলনায় অনেক বেশি নগদ আয় করতে সক্ষম হয়েছে। এটি ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা বাড়ালেও EPS নেতিবাচক থাকায় লাভজনকতায় ফেরার পথ এখনো কঠিন।

সম্পদভিত্তিক সূচক NAV per share খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত NAV ছিল Tk. 338.69, যা ৩০ জুনের Tk. 339.32 থেকে সামান্য কম। NAV-এর এই সীমিত তারতম্য কোম্পানির সম্পদ ও ইকুইটি কাঠামোতে স্থিতিশীলতার প্রতিচ্ছবি বহন করে। যদিও নগদ প্রবাহ শক্তিশালী হওয়ায় কোম্পানির স্বল্পমেয়াদি আর্থিক চাপ কমছে, কিন্তু টেকসই মুনাফায় ফেরার জন্য অপারেশনাল ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও বিক্রয় বৃদ্ধির ওপর আরও জোর দিতে হবে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, লোকসান কমানো এবং ক্যাশ ফ্লো বাড়ানো স্বস্তির বার্তা হলেও EPS-এ নেতিবাচকতা, উৎপাদন ব্যয়ের চাপ এবং বাজার চাহিদার অনিশ্চয়তা এখনও কোম্পানির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সার্বিকভাবে, ECABLES-এর প্রথম প্রান্তিকের ফলাফলকে ‘মিশ্র এবং সতর্কতার ইঙ্গিতবাহী’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। কোম্পানির সামনে এগিয়ে যেতে হলে খরচ ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা বৃদ্ধি ও রাজস্ব পুনরুদ্ধারে কৌশলগত পরিবর্তন প্রয়োজন হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

-রফিক


গোল্ডেন সনের টানা লোকসানে ডিভিডেন্ড বন্ধ ঘোষণা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৬ ১১:৪৬:১৩
গোল্ডেন সনের টানা লোকসানে ডিভিডেন্ড বন্ধ ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গোল্ডেন সন লিমিটেড (Trading Code: GOLDENSON) ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোনো ডিভিডেন্ড ঘোষণা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার প্রকাশিত কোম্পানির বিবৃতিতে জানানো হয়, পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে টানা লোকসানি পারফরম্যান্স এবং নগদ প্রবাহের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় এনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোম্পানিটি জানায়, বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) অনুষ্ঠিত হবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে, যেখানে হাইব্রিড পদ্ধতিতে (কারখানা চত্বরে শারীরিক ও অনলাইন উভয় মাধ্যমে) সভা পরিচালনা করা হবে। ডিভিডেন্ড না পাওয়ার কারণে শেয়ারহোল্ডারদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫।

সংস্থাটির প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরে কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস দাঁড়িয়েছে Tk. (1.83), যা আগের বছরের Tk. (0.68) থেকে আরও খারাপ। এটি কোম্পানির কার্যক্রমে অকার্যকারিতা, বিক্রির সংকোচন, এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি সব কিছুর সম্মিলিত প্রভাব নির্দেশ করে।

  • NAV কমেছে, তবে NOCFPS কিছুটা ইতিবাচক
  • NAV per share কমে দাঁড়িয়েছে Tk. 16.06, আগের বছর ছিল Tk. 17.99
  • NOCFPS বেড়ে Tk. 0.28 এ উন্নীত হয়েছে, যেখানে আগের বছর ছিল Tk. (0.32)

এর অর্থ হলো, কোম্পানির নগদ প্রবাহে সামান্য উন্নতি দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সামগ্রিক সম্পদ মূল্য ও মুনাফা–ক্ষমতা এখনও দুর্বল।


এমটিবি পারপেচুয়াল বন্ডের কুপন রেট ঘোষণা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৬ ১১:৩৭:৩০
এমটিবি পারপেচুয়াল বন্ডের কুপন রেট ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) জানিয়েছে যে MTB Perpetual Bond–এর আগামী ছয় মাসের কুপন রেট নির্ধারণে ট্রাস্টি বোর্ডের বৈঠক আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৫, বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ডিসেম্বর ৬, ২০২৫ থেকে জুন ৫, ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালের জন্য এই কুপন রেট ঘোষণা করা হবে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পারপেচুয়াল বন্ডগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এমটিবি পারপেচুয়াল বন্ড যা মূলত ব্যাংকটির অতিরিক্ত টিয়ার–১ ক্যাপিটাল শক্তিশালী করার উদ্দেশ্য নিয়ে ইস্যু করা সেই অর্থেই কুপন রেট ঘোষণার এই বৈঠক বিনিয়োগকারীদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সুদের হার, মুদ্রাস্ফীতি, অর্থবাজারে তারল্য পরিস্থিতি এবং ব্যাংকের আর্থিক কার্যকারিতার মতো বিভিন্ন সূচক বিবেচনায় নিয়ে এই কুপন রেট নির্ধারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারের অস্থিরতা এবং ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের বন্ডের কুপন রেট বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, পারপেচুয়াল বন্ডের রিটার্ন সাধারণত প্রচলিত বন্ডের তুলনায় বেশি হলেও ঝুঁকির স্তরও তুলনামূলকভাবে বেশি। তাই প্রত্যাশিত কুপন রেট কী হবে তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।

-শরিফুল


ডিএসই–৩০ সূচকে মিশ্র প্রবণতা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৬ ১০:৫৪:৩২
ডিএসই–৩০ সূচকে মিশ্র প্রবণতা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ডিএসই–৩০ সূচকে বুধবার (২৬ নভেম্বর ২০২৫) সকাল ১০টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে বাজারে মিশ্রধারার প্রবণতা স্পষ্ট। অধিকাংশ ব্লু–চিপ শেয়ারে দরপতন হওয়ায় সূচকে চাপ বাড়তে থাকে, যদিও কয়েকটি আর্থিক ও শিল্পখাতের কোম্পানি বাজারকে কিছুটা স্থিরতা দিয়েছে। দিনের শুরুতেই বড় পুঁজিবাজার-নির্ভর কোম্পানি যেমন ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (BATBC), বিকন ফার্মা, বেক্সিমকো ফার্মা, গ্রামীণফোন, রবি ও ওয়ালটন সীমিত দরপতনের মুখে পড়ে। এদের দরপতন সূচকের সার্বিক অবস্থাকে লালমুখী করে তোলে।

অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতে তুলনামূলক স্থিতিশীল লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে। সিটি ব্যাংক বাজারে সর্বোচ্চ ভলিউমের শেয়ার লেনদেন করে এগিয়ে রয়েছে, যার মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ১২ কোটি টাকার। প্রাইম ব্যাংক, পাবনা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক ও আইডিএলসির লেনদেনও নজরকাড়া। KBPPWBIL দিনের সবচেয়ে আলোচিত কোম্পানি হিসেবে উঠে এসেছে, যার শেয়ারমূল্য ১.২৭ শতাংশ বেড়েছে এবং লেনদেন হয়েছে প্রায় ৫৫ কোটি টাকার শেয়ার। লংকা বাংলা ফাইন্যান্স, ডেল্টা লাইফ ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজও সামান্য উত্থান ধরে রেখেছে।

বাজারে অংশগ্রহণকারী বিনিয়োগকারীদের মনোভাব এখনো সতর্ক। দিনে মোট ৩০টি ডিএসই–৩০ কোম্পানির মধ্যে ২৪টি কোম্পানি লালমুখ দেখেছে, যা বাজারে সেল প্রেসারের ইঙ্গিত দেয়। ওয়ালটন ও গ্রামীণফোনে নগণ্য দরপতন বাজারে মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করেছে। তবে DELTALIFE, OLYMPIC, LANKABAFIN সেক্টরে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে কিছুটা ভারসাম্য আনে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজার এখনো মুদ্রাস্ফীতি, নগদ টানাপোড়েন, তারল্যসংকট এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অপেক্ষমাণ অবস্থার কারণে স্থিতিশীল নয়। তারা মনে করছেন, বড় কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম আরও সমন্বয় হলে নতুন বিনিয়োগকারীদের প্রবেশ বাড়তে পারে। সার্বিকভাবে দিনের লেনদেনে অংশগ্রহণ বেশি থাকলেও শেয়ারমূল্য পতনের কারণে বাজারের মনোভাব দুর্বলই ছিল।

-রাফসান


ডিএসই মিউচুয়াল ফান্ডে এনএভি হালনাগাদ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৬ ১০:৪৯:৩০
ডিএসই মিউচুয়াল ফান্ডে এনএভি হালনাগাদ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত একাধিক ক্লোজ এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডের নেট অ্যাসেট ভ্যালু বা এনএভি হালনাগাদ করেছে ট্রাস্টি ও অ্যাসেট ম্যানেজাররা। ২৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে দিনশেষে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ ফান্ডই এখনো কস্ট প্রাইসের তুলনায় কম দামে লেনদেন হচ্ছে, ফলে ইউনিটপ্রতি এনএভি কস্ট প্রাইসের চেয়ে কম হলেও ফান্ডভিত্তিক মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য অঙ্কে রয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী এনসিসিবিএল এমএফ ওয়ান ফান্ডটি ইউনিটপ্রতি বর্তমান বাজারদর ভিত্তিক এনএভি দেখিয়েছে ৯ দশমিক ১৯ টাকা এবং কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ০৮ টাকা, যার বিপরীতে মোট নেট সম্পদ দাঁড়িয়েছে বাজারদরে প্রায় ৯৯৬ দশমিক ৬৩ কোটি টাকা। অপরদিকে এলআর গ্লোবাল এমএফ ওয়ান ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৫৫ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১০ দশমিক ৯৯ টাকা হলেও এই ফান্ডের মোট নেট সম্পদ বাজারদরে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬৫৯ দশমিক ৮০ কোটি টাকা, যা এ ক্যাটাগরির বড় ফান্ডগুলোর একটি শক্ত অবস্থানকে নির্দেশ করে।

ক্যাপিএম আইবিবিএল এমএফ, এমবিএল ফার্স্ট এমএফ, এআইবিএল ফার্স্ট আইএমএফ এবং ক্যাপিএম বিডিবিএল এমএফসহ ইসলামী এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ফান্ডের এনএভি প্রতিবেদনেও একই প্রবণতা দেখা যায়। ক্যাপিএম আইবিবিএল এমএফ ইউনিটপ্রতি বর্তমান এনএভি দেখিয়েছে ৭ দশমিক ৮১ টাকা, কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ৩৮ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ প্রায় ৫২২ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। এমবিএল ফার্স্ট এমএফ এর বাজারদর ভিত্তিক এনএভি ৮ দশমিক ৫৩ টাকা এবং কস্ট ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ০৯ টাকা, মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ৮৫৩ দশমিক ২৭ কোটি টাকার বেশি।

গ্রিন ডেল্টা এমএফ এবং ডিবিএইচ ফার্স্ট এমএফ উভয় ফান্ডই আকারে বড় এবং তুলনামূলক স্থিতিশীল পোর্টফোলিও নির্দেশ করছে। গ্রিন ডেল্টা এমএফ এর ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৭৫ টাকা ও কস্ট প্রাইসে ১১ দশমিক ১০ টাকা, মোট নেট সম্পদ বাজারদরে প্রায় ১৩১২ দশমিক ১৬ কোটি টাকা। ডিবিএইচ ফার্স্ট এমএফ এর ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৪৭ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১০ দশমিক ৯৫ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ১০১৬ দশমিক ৪৮ কোটি টাকারও বেশি।

শরিয়াভিত্তিক ফান্ডগুলোর মধ্যে এসইএমএল এফবিএসএল গ্রোথ ফান্ড, এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়া ফান্ড এবং এসইএমএল এলইসি এমএফ উল্লেখযোগ্য। এসইএমএল এফবিএসএল জিএফ ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৯ দশমিক ৩৭ টাকা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ দশমিক ২৪ টাকা, মোট নেট সম্পদ প্রায় ৬৮৩ দশমিক ৩৭ কোটি টাকা। এসইএমএল আইবিবিএল এসএফ এর বাজারদর ভিত্তিক এনএভি ৯ দশমিক ৬৭ টাকা এবং কস্ট ভিত্তিক এনএভি ১১ দশমিক ৭৩ টাকা, মোট নেট সম্পদ প্রায় ৯৬৬ দশমিক ৬৪ কোটি টাকা। এসইএমএল এলইসি এমএফ ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ৯ দশমিক ৮০ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১১ দশমিক ৭২ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ প্রায় ৪৯০ দশমিক ১৭ কোটি টাকা।

বিভিন্ন ব্যাংক এবং ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন সংশ্লিষ্ট ফান্ড যেমন ট্রাস্ট ব্যাংক ওয়ান এমএফ, পপুলার ওয়ান এমএফ, পিএইচপি এমএফ ওয়ান, ক্যাপিটেক জিবি ফান্ড, আইএফআইসি ফার্স্ট এমএফ, এফবিএফআইএফ, এক্সইএম ফার্স্ট এমএফ, ইবিএল এনআরবিএমএফ, ভিএএমএল আরবিবিএফ, ইবিএল ফার্স্ট এমএফ এবং এবিবি ফার্স্ট এমএফ সবগুলোর ক্ষেত্রেই একই চিত্র দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ ট্রাস্ট ব্যাংক ওয়ান এমএফ ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ৬ দশমিক ৫৩ টাকা, কস্ট এনএভি ১১ দশমিক ৪৩ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ বাজারদরে প্রায় ১৯৮১ দশমিক ৪৯ কোটি টাকা। পপুলার ওয়ান এমএফ এর বাজার এনএভি ৭ দশমিক ০২ টাকা, কস্ট এনএভি ১১ দশমিক ৪১ টাকা, মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ২১০০ দশমিক ৬৭ কোটি টাকা।

এ ছাড়া ওয়ান জনতা এমএফ, প্রাইম ভিএএমএল আইসিবিএ ফান্ড, ভিএএমএল বিডি এমএফ ওয়ান, রিলায়েন্স ওয়ান, গ্রামীণ দ্বিতীয় ফান্ডসহ অন্যান্য পুরনো ও পরিচিত ফান্ডগুলোও তুলনামূলক ভালো আকারে পোর্টফোলিও ধরে রেখেছে। ওয়ান জনতা এমএফ এর ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ৬ দশমিক ০৯ টাকা হলেও মোট নেট সম্পদ বাজারদরে ১৭৬৫ দশমিক ৩৮ কোটি টাকা। ভিএএএমএল বিডি এমএফ ওয়ান ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৮ দশমিক ৯৫ টাকা, কস্ট প্রাইসে ১০ দশমিক ০১ টাকা এবং মোট নেট সম্পদ প্রায় ৯৩৪ দশমিক ১৩ কোটি টাকা। রিলায়েন্স ওয়ান ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ১০ দশমিক ৬৩ টাকা এবং গ্রামীণ দ্বিতীয় ফান্ডের ইউনিটপ্রতি বাজার এনএভি ১৫ দশমিক ৬৭ টাকা, যা তালিকাভুক্ত ফান্ডগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ এনএভিগুলোর একটি।

-রফিক

পাঠকের মতামত:

ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়তে হলে রাষ্ট্রকে অবশ্যই তার সামাজিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতা পুনরুদ্ধার করতে হবে

ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়তে হলে রাষ্ট্রকে অবশ্যই তার সামাজিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতা পুনরুদ্ধার করতে হবে

রাষ্ট্রের ধারণাটি একসময় কেবল প্রশাসনিক ক্ষমতা, আইনের শাসন এবং নিরাপত্তা প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। কিন্তু আধুনিক বিশ্বে রাষ্ট্রের ভূমিকা এখন... বিস্তারিত