তিশার গালে ৯ আর ফারিয়ার হাতে ১০০০ আসলে এই সংখ্যাগুলোর মানে কী

বিনোদন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৭ ১২:৫৭:২৩
তিশার গালে ৯ আর ফারিয়ার হাতে ১০০০ আসলে এই সংখ্যাগুলোর মানে কী
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের জনপ্রিয় নারী তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে হঠাৎ করেই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন সংখ্যা যা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ফেসবুক খুললেই চোখে পড়ছে সংখ্যা লেখা তাঁদের অদ্ভুত সব ছবি। হাতে গালে কিংবা শরীরের বিভিন্ন অংশে কেউ লিখেছেন ৯ কারও হাতে ২৪ কেউবা লিখছেন ১০০০ বা ৯৯ প্লাস। অনেকেই প্রথমে ভেবেছিলেন এটি হয়তো নতুন কোনো নাটক বা সিনেমার প্রচারণা কিন্তু এই সংখ্যার নেপথ্যে লুকিয়ে আছে এক নির্মম বাস্তবতা যার প্রতিবাদেই একত্রিত হয়েছেন তারকারা।

ডিজিটাল সহিংসতা ও সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা ছড়াতে মাই নাম্বার মাই রুলস নামে নতুন এক আন্দোলনে একযোগে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী মডেল ও সংগীতশিল্পীসহ দেশীয় বিনোদন অঙ্গনের অসংখ্য পরিচিত মুখ। তাঁরা প্রতিদিন অনলাইনে কতবার হয়রানি বা নোংরা মন্তব্যের শিকার হন সেই সংখ্যাই প্রকাশ করছেন নিজেদের ছবির সঙ্গে। এই অভিযানের সূচনা করেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। ২৫ নভেম্বর নিজের ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি যেখানে দেখা যায় তাঁর গালে বড় করে লেখা ৯। ক্যাপশনে তিনি জানান প্রতিদিন কমপক্ষে ৯টি সাইবার হয়রানির শিকার হন তিনি। তিনি লেখেন মানুষ হয়তো কেবল একটি সংখ্যা দেখছে কিন্তু এর পেছনে রয়েছে আমার প্রতিদিনের সংগ্রাম ভয় অপমান এবং সে সবকিছু কাটিয়ে ওঠার গল্প।

তিশার পর একে একে এই প্রতিবাদে যোগ দেন আরও অনেকে। অভিনেত্রী রুনা খান প্রকাশ করেন ২৪ শবনম ফারিয়া জানান ১০০০ প্রার্থনা ফারদিন দীঘি ৩ মৌসুমী হামিদ ৭২ এবং সংগীতশিল্পী সাজিয়া সুলতানা পুতুল ও আশনা হাবিব ভাবনা পোস্ট করেন ৯ এবং ৯৯ প্লাস। সংখ্যাগুলো ভয়াবহ হলেও এগুলো বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। নারীরা প্রতিদিন অনলাইনে কী ভয়াবহ অপমান কটূক্তি ও মানসিক নির্যাতনের মধ্যে থাকেন সেটিই সামনে আনছেন তাঁরা।

রুনা খান তাঁর হাতের তালুতে ২৪ লিখে সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়রানি নিয়ে বলেন তারকা তো বটেই সাধারণ নারীও প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় অগণিত হয়রানির শিকার হন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন গত দশ বছরে সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের হাতে যত দ্রুত পৌঁছেছে তার ব্যবহারবিধি শেখেনি অনেকেই। অন্যদিকে গালে ৯৯ প্লাস লিখে ভাবনা ক্যাপশনে নারীদের উৎসাহিত করতে লিখেছেন তোমার নম্বরের গল্প বলো এবং আরও জোরে আওয়াজ তোলো। তিনি আরও জানান বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পর নারীদের অনলাইন পরিবেশ আরও অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।

জানা গেছে আন্তর্জাতিকভাবেও চলমান ডিজিটাল সহিংসতা বিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে এই মাই নাম্বার মাই রুলস আন্দোলন বাংলাদেশে ১৬ দিনব্যাপী চলবে। তারকারা চাইছেন নিজেদের অভিজ্ঞতা সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করে সমাজের ভেতরকার এই সমস্যাকে আরও বড় করে তুলতে। সবার উদ্দেশে তাঁদের আহ্বান একটাই যে চুপ না থেকে সংখ্যাই হোক প্রতিবাদের ভাষা।


বিচ্ছেদ হলেই ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করতে চান পাকিস্তানি মুফতি

বিনোদন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৯ ২০:৩৮:০৮
বিচ্ছেদ হলেই ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করতে চান পাকিস্তানি মুফতি
ছবিঃ সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে অগণিত ভক্তের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে নিয়ে এবার অদ্ভুত ও বিতর্কিত ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের আলোচিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুফতি আব্দুল কাভি। তিনি জানিয়েছেন অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হলে তিনি ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করতে চান। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন যা মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

মুফতি আব্দুল কাভি দাবি করেন যে তিনি অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার দাম্পত্য জীবনের চলমান সমস্যা সম্পর্কে অবগত আছেন। পডকাস্টে তিনি বলেন তাদের দুজনের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেলেই ঐশ্বরিয়া নিজেই তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তবে তিনি এও বলেন যে তিনি কখনোই চান না তাদের বিচ্ছেদ হোক কিন্তু যদি সত্যিই তাদের মধ্যে এমন কিছু ঘটে তাহলে নিশ্চয়ই ঐশ্বরিয়া তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক যখন তাঁকে প্রশ্ন করেন যে একজন অমুসলিম নারীকে তিনি কীভাবে বিয়ে করবেন তখন মুফতি নিজের পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন ঐশ্বরিয়াকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করে তাঁর নাম পরিবর্তন করে আয়েশা রাখা হবে এবং তারপরই তিনি তাঁকে বিয়ে করবেন। তিনি মন্তব্য করেন যে ঐশ্বরিয়ার মতো একজন সুন্দরী নিজের নাম হিসেবে আয়েশা রাই লিখবেন এটা দেখে তাঁর সত্যিই মজা লাগবে।

উল্লেখ্য পাকিস্তানের এই মৌলভি এর আগেও নানা সময়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে চর্চায় উঠে এসেছেন। ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে এমন মন্তব্য করার আগে তিনি ভারতীয় আরেক অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্তকে নিয়েও বিস্ফোরক দাবি করেছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন তাঁর উপদেশ মেনেই নাকি রাখি ধর্ম পরিবর্তন করে নিজের নাম ফাতিমা রেখেছেন এবং তখন তিনি রাখিকেও বিয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। এবার ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে তাঁর এমন মন্তব্যে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

সূত্র : বলিউড লাইফ


স্ট্রেঞ্জার থিংস এর ক্রেজ সামলাতে হিমশিম খেল নেটফ্লিক্স

বিনোদন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৭ ১৮:৫৭:০৩
স্ট্রেঞ্জার থিংস এর ক্রেজ সামলাতে হিমশিম খেল নেটফ্লিক্স
ছবিঃ সংগৃহীত

জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয় সিরিজ স্ট্রেঞ্জার থিংস এর ফাইনাল সিজনের প্রথম ভলিউম মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্ল্যাটফর্মটি সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। অতিরিক্ত দর্শকের চাপে বিশ্বব্যাপী বহু ব্যবহারকারী অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে ভিডিও চালাতে ব্যর্থ হন যা নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ডাউনডিটেক্টরের তথ্যে জানা যায় নেটফ্লিক্স ডাউন হওয়া নিয়ে প্রায় ১০ হাজারের বেশি রিপোর্ট জমা হয়েছে। তাদের হিসাবে ৫১ শতাংশ ব্যবহারকারী ভিডিও লোড করতে পারেননি এবং ৪৯ শতাংশ ব্যবহারকারী সার্ভার সংযোগ সমস্যার অভিযোগ করেছেন। হঠাৎ করে স্ট্রিমিং সেবা ব্যাহত হওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক দর্শক।

তবে প্রযুক্তিগত এই বিভ্রাটকে নেটফ্লিক্সের জন্য এক অর্থে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা কারণ সিরিজটি ঘিরে দর্শকের বিপুল আগ্রহই প্ল্যাটফর্মকে ডাউন করে দেয়। ডাফার ব্রাদার্সের নির্মাণ করা স্ট্রেঞ্জার থিংস শুরুর পর থেকেই ব্যাপক উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে দর্শকদের মধ্যে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সিরিজটির জনপ্রিয়তা কেবল বেড়েই চলেছে।


শান্তিতে ঘুমান ধরমজি বলে বলিউড কিং খান জানালেন শেষ শ্রদ্ধা

বিনোদন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৫ ১৫:৫২:২৪
শান্তিতে ঘুমান ধরমজি বলে বলিউড কিং খান জানালেন শেষ শ্রদ্ধা
ছবিঃ সংগৃহীত

বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুতে শোকে ভাসছে বলিউড তথা পুরো ভারতীয় সিনেমাপ্রেমীরা। সোমবার সকালে নিজ বাড়িতেই শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তাঁর এই চলে যাওয়ায় ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক সোনালি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটল।

অভিনেতার বিদায়ে শোক প্রকাশ করেছেন অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু করে শাহরুখ খান পর্যন্ত সবাই। বিশেষ করে ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে আবেগঘন এক পোস্টে কিং খান লিখেছেন শান্তিতে ঘুমান ধরমজি। তিনি উল্লেখ করেন আপনি আমার কাছে বাবার মতো ছিলেন। শাহরুখ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন আপনি যেভাবে আমাকে আশীর্বাদ ও ভালোবাসা দিয়েছেন তার জন্য ধন্যবাদ।

বলিউড বাদশাহ তাঁর শোকবার্তায় আরও বলেন শুধু পরিবারের জন্য নয় বরং সারা বিশ্বের সিনেমা ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এটা একটা অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি বিশ্বাস করেন ধর্মেন্দ্র অমর এবং তাঁর আত্মা তাঁর চলচ্চিত্র এবং সুন্দর পরিবারের মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবে। সবশেষে তিনি বলেন আপনাকে সব সময় ভালোবাসব।

পাঞ্জাবের সাহনেওয়াল থেকে এসে মুম্বাইয়ের গ্ল্যামার দুনিয়ায় নিজের জায়গা করে নেওয়া ধর্মেন্দ্র ছিলেন এক জীবন্ত কিংবদন্তি। পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত এই অভিনেতা তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন একের পর এক হিট সিনেমা। অ্যাকশন থেকে কমেডি সব চরিত্রেই সাবলীল ছিলেন বলিউডের এই জনপ্রিয় হি ম্যান।


ভারতীয় সিনেমার টাকা নিয়ে প্রযোজককে আইনি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তিশা

বিনোদন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৫ ১৫:০২:৫৯
ভারতীয় সিনেমার টাকা নিয়ে প্রযোজককে আইনি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তিশা
ছবিঃ সংগৃহীত

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা সম্প্রতি ভারতীয় পরিচালক এম এন রাজের ভালোবাসার মরশুম সিনেমাটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ভুল তথ্য ও গুজব নিয়ে মুখ খুলেছেন। এক অফিসিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রটনা বলে দাবি করেছেন তিশা। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া ওই বিবৃতিতে তিনি পুরো ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।

তানজিন তিশা জানিয়েছেন চুক্তিপত্র অনুযায়ী তাঁর বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত যাবতীয় দায়িত্ব যেমন ভিসা করানো ফ্লাইটের টিকিট এবং সেখানে থাকা খাওয়ার সকল দায় দায়িত্ব পরিচালক ও প্রযোজকের ওপর ন্যস্ত ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত পরিচালক ও প্রযোজনা সংস্থা তাঁর ভিসা করাতে পারেনি। অভিনেত্রী নিজেও ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করেও ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা যেহেতু চুক্তিপত্র অনুযায়ী পরিচালকের দায়িত্বে ছিল তাই এই ব্যর্থতার জন্য আইনত কোনো দায় তাঁর নয় বরং এটি সরাসরি পরিচালকের ব্যর্থতা।

তিনি ঘটনার ক্রমধারা বর্ণনা করে জানান দুই মাস ভিসার জন্য অপেক্ষার পরেও যখন তা হয়নি তখন প্রযোজনা সংস্থা অন্য একজন অভিনেত্রীকে চুক্তিভুক্ত করে তাঁর চরিত্রে অভিনয় করায়। এর ফলে বাধ্য হয়েই তিনি এই প্রজেক্ট থেকে সরে আসেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের একটি নতুন সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হন যার শুটিং বর্তমানে চলছে। তিশা বলেন একটি সিনেমা আমার পেশাগত সম্মানের জায়গা এবং আমি কখনোই তা নষ্ট করতে চাইনি। কিন্তু পরিচালক যেহেতু তাঁর ব্যর্থতার কারণে শিডিউল অনুযায়ী কাজ শুরু করতে পারেননি এবং নতুন একজনকে সেখানে চুক্তিবদ্ধ করে নিয়েছেন তাই বাধ্য হয়েই আমাকে সরে আসতে হয়েছে।

টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি প্রসঙ্গে লাইন প্রোডিউসার শরিফের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন তিশা। তিনি বলেন লাইন প্রোডিউসার শরিফ এখন একবার আমাকে বলছেন এক তৃতীয়াংশ টাকা ফেরত দিতে আবার আমার আইনজীবীকে বলছেন কিছু টাকা ফেরত দিলেই হবে। আবার সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন যা একটি অপচেষ্টা মাত্র।

আইনি অবস্থানের বিষয়ে তিশা জোর দিয়ে বলেন আমার সাথে যে চুক্তিপত্র হয়েছে সেখানে ডিরেক্টর ফল্টের বা পরিচালকের ভুলের কারণে কোনো সমস্যা হলে আমাকে টাকা ফেরত দিতে হবে এমন কোনো ক্লজ বা শর্ত নেই। তিনি বলেন আমি সর্বদা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন মানুষ। আইন আদালতে যদি তারা প্রমাণ করতে পারে যে আমি টাকা ফেরত দিতে বাধ্য এবং আদালত এমন নির্দেশনা প্রদান করেন তাহলে আমি অবশ্যই তা মেনে নেব এবং টাকা ফেরত দেব।

বিবৃতির শেষে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিশা বলেন যেসব সাংবাদিক ভাইয়েরা না জেনে কিংবা ভুল তথ্য জেনে আমার সাথে কথা না বলেই প্রচার করছেন এবং যেসব সাংবাদিক ভাইয়েরা আমার সত্যটা তুলে ধরার চেষ্টা করছেন সবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই আপনারা সবটুকু জেনে সত্যটাই প্রকাশ করবেন আমি এইটুকু আপনাদের কাছে আশা করতে পারি।


বলিউডের হি ম্যান খ্যাত কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই

বিনোদন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৪ ১৪:৫২:৩১
বলিউডের হি ম্যান খ্যাত কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গেছেন। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারতের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফিল্মফেয়ার পত্রিকাটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নিশ্চিত করা হয়েছে যে বলিউডের হি ম্যান খ্যাত অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই। ৮৯ বছর বয়সে তিনি আজ সোমবার ২৪ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ভারতের সিনেমার ছয় দশকের একটি সোনালি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি হলো।

সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। তখন তাঁর মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল কিন্তু অবশেষে সব গুঞ্জন থামিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত আর রক্ষা হলো না। ফিল্মফেয়ার তাদের ফেসবুক পেজে ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর জানিয়ে শোক প্রকাশ করেছে।

বলিউডের সোনালি যুগে যখন প্রেম মানেই কবিতা এবং নায়ক মানেই আকর্ষণ ও আভিজাত্যের প্রতীক ঠিক তখনই আবির্ভাব হয় এক এমন অভিনেতার। তিনি ছিলেন একই সঙ্গে কোমল হৃদয়ের প্রেমিক এবং নির্ভীক যোদ্ধা ও পরিপূর্ণ ভদ্রলোক। তিনিই ধর্মেন্দ্র যিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসে হ্যান্ডসাম হিরো উপাধি অর্জন করেন নিজের অভিনয় ব্যক্তিত্ব ও মানবিকতা দিয়ে।

১৯৩৫ সালের ৮ ডিসেম্বর পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় ধর্মেন্দ্র সিং দেওলের জন্ম। ছোটবেলায় সিনেমার প্রতি গভীর টানই তাঁকে মুম্বাইয়ে নিয়ে আসে। ১৯৬০ সালে দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। তবে তাঁর আসল সাফল্যের শুরু হয় ষাটের দশকের মাঝামাঝি যখন তিনি একের পর এক হিট ছবির মাধ্যমে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন।

ব্যক্তি জীবনে ধর্মেন্দ্র দুটি বিয়ে করেছেন। একজন নন্দিত অভিনেত্রী হেমা মালিনী এবং সেই সংসারে তাঁর একমাত্র কন্যা এষা দেওল। ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং সেই সংসারে আছে দুই পুত্র সানি দেওল ও ববি দেওল এবং দুই মেয়ে বিজেতা দেওল ও অজিতা দেওল।

সর্বশেষ করণ জোহর পরিচালিত রকি ওউর রানি কি প্রেম কাহানি সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের মনে নতুন করে জায়গা করে নেন ধর্মেন্দ্র। এই সিনেমায় শাবানা আজমির সঙ্গে তাঁর রোমান্টিক দৃশ্য বলিউডে আলোড়ন তোলে। এদিকে তাঁর অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে শ্রীরাম রাঘবনের পরিচালনায় নির্মিত ইক্কিস সিনেমাটি।


অ্যাপোনিয়ার পর এবার তিশার বিরুদ্ধে কলকাতার প্রযোজকের গুরুতর অভিযোগ

বিনোদন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৩ ১৮:৫৭:১০
অ্যাপোনিয়ার পর এবার তিশার বিরুদ্ধে কলকাতার প্রযোজকের গুরুতর অভিযোগ
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা আবারও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন। কিছুদিন আগেই অনলাইনভিত্তিক ফ্যাশন হাউজ অ্যাপোনিয়া তাঁর বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে তাঁর বিরুদ্ধে উঠল অর্থ আত্মসাৎ ও চরম অপেশাদারিত্বের গুরুতর অভিযোগ। কলকাতার সিনেমা ভালোবাসার মরশুম এ অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়ে মোটা অঙ্কের অগ্রিম টাকা নিয়েও এখন তা ফেরত দিচ্ছেন না তিশা এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন সিনেমাটির প্রযোজক শরীফ খান।

জানা যায় এম এন রাজ পরিচালিত ভালোবাসার মরশুম সিনেমায় বলিউডের থ্রি ইডিয়টস খ্যাত অভিনেতা শরমণ যোশির বিপরীতে অভিনয়ের কথা ছিল তানজিন তিশার। বাংলাদেশ ও ভারতের দর্শকদের জন্য এটি ছিল দারুণ এক চমক। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ভিসা জটিলতার কথা বলে সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ান তিশা। তবে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ভিন্ন গল্প। সিনেমাটির প্রযোজক শরীফ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান তিশার অসহযোগিতা ও বারবার মিথ্যাচারের কারণেই তাঁকে সিনেমা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাদ পড়ার পর অগ্রিম নেওয়া টাকা ফেরত দিতে টালবাহানা করছেন এই অভিনেত্রী।

টাকার অঙ্ক ও লেনদেনের বিষয়ে প্রযোজক শরীফ খান জানান তাঁরা চরিত্রটির জন্য তিশাকেই পারফেক্ট মনে করেছিলেন। বাংলাদেশে এসে তাঁর সঙ্গে এগ্রিমেন্টও করা হয়। প্রথমে তাঁকে ৩০ হাজার ভারতীয় রুপি অগ্রিম দেওয়া হয় এবং এরপর তিশার এক বোনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তাঁরা তাঁকে বাংলাদেশি ৪ লাখ ১২ হাজার টাকা পাঠান।

টাকা নেওয়ার পর থেকেই মূলত শুরু হয় তিশার টালবাহানা। প্রযোজক অভিযোগ করেন সবকিছু চূড়ান্ত হওয়ার পর তাঁদের প্রোডাকশন হাউজ থেকেই তিশার ভিসা প্রসেসিং ও স্লট রেডি করে দেওয়া হয়। কিন্তু বিপত্তি ঘটে স্লট ডেটের মাত্র দুদিন আগে। ভারতীয় হাই কমিশন থেকে স্লট পাওয়া কতটা কঠিন তা সবাই জানেন। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে স্লট নেওয়ার পর হঠাৎ তিশা জানান তিনি যেতে পারবেন না। অথচ এটা তাঁর আরও আগে জানানো উচিত ছিল। প্রযোজক আরও জানান তিশার এই হুটহাট সিদ্ধান্তের কারণে তাঁকে পুরো শুটিং শিডিউল বদলাতে হয় যা ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। শরমণ যোশির শিডিউল থেকে শুরু করে লোকেশন বুকিং সবকিছুতেই বড় লোকসানের মুখে পড়েন প্রযোজক।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন তিশা শাকিব খানের সিনেমায় অভিনয়ের অজুহাত দেখান। প্রযোজক বলেন ভিসা স্লট নিয়ে অনেক ঝামেলার পরেও আমরা সব ম্যানেজ করেছিলাম। কিন্তু এর মধ্যেই তিনি শাকিব খানের সোলজার সিনেমায় যুক্ত হন। আমাকে ফোন দিয়ে বলেন শাকিব খানের সিনেমার জন্য কলকাতার কাজটি আরও এক দুমাস পিছিয়ে দিতে হবে। তখনই আমার ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে। শরীফ খান বলেন আমি তাঁকে স্পষ্ট জানিয়ে দিই তোমাকে আর এই সিনেমা করতে হবে না। আমরা তোমাকে বাদ দিয়ে দিলাম। তুমি আমার টাকাটা ফিরিয়ে দাও। কিন্তু সিনেমা থেকে বাদ পড়ার পর তিনি আর সেই টাকা ফেরত দিচ্ছেন না। ডকুমেন্টস চাইলেও ২০ থেকে ২৫ দিন ঘুরিয়ে ফেরত দেন কিন্তু টাকার বিষয়ে তিনি নীরব।

একই সিনেমায় অভিনয়ের কথা ছিল বাংলাদেশের আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা খাইরুল বাসারের। তাঁর প্রসঙ্গ টানতেই প্রযোজক প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। তিনি বলেন বাসারও আমার সিনেমায় ছিলেন। কিন্তু চরিত্রটি তাঁর সঙ্গে যাবে না মনে করে তিনি নিজেই সরে দাঁড়ান এবং না করার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি অগ্রিম নেওয়া টাকা ফেরত পাঠিয়ে দেন। কোনো ঝামেলা বা ঘোরানোর চেষ্টা করেননি। খাইরুল বাসারের এই পেশাদারিত্বের উল্টো চিত্র দেখা গেল তানজিন তিশার ক্ষেত্রে। বর্তমানে কলকাতার এই সিনেমাটিতে তিশার বদলে নেওয়া হয়েছে উড়িষ্যার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শিবানী সঙ্গীতাকে।

পরপর এমন সব প্রতারণার অভিযোগ ওঠার পর তানজিন তিশার পেশাদারিত্ব ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই। এ বিষয়ে মন্তব্য জানার জন্য একাধিকবার অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।


মৃত্যুর ঝুঁকি মাথায় নিয়ে এবার নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে সালমান খানকে

বিনোদন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২২ ১১:২০:৪৪
মৃত্যুর ঝুঁকি মাথায় নিয়ে এবার নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে সালমান খানকে
ছবিঃ সংগৃহীত

জীবনের ঝুঁকি মাথায় নিয়েই বড় দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন বলিউডের ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান। যদিও তাঁর মাথায় ঝুলছে মৃত্যুর খাঁড়া এবং নিরাপত্তা নিয়ে রয়েছে নানান শঙ্কা। তবে এসব সামলে এবার তিনি সিনেমার পর্দায় ও পর্দার পেছনে দ্বৈত ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছেন বলে জোর গুঞ্জন উঠেছে।

সালমান খানের ক্যারিয়ারে অন্যতম সফল ফ্র্যাঞ্চাইজি হলো দাবাং। এই সিরিজের দাবাং দাবাং ২ ও দাবাং ৩ তিনটি সিনেমাই বক্স অফিসে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। তবে এর মধ্যেই প্রথম দাবাং সিনেমার পরিচালক অভিনব কাশ্যপের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয় ভাইজানের। এমনকি সালমানকে অপরাধী বলেও আক্রমণ করেন ওই পরিচালক। তাই আসন্ন দাবাং ৪ পরিচালনা কে করবেন সেই প্রশ্ন ভক্তদের মনে বারবার উঁকি দিচ্ছিল।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে দাবাং ৪ সিনেমার শুটিং শুরু হবে আগামী বছর। এতে আবারও আইকনিক চরিত্র চুলবুল পান্ডের ভূমিকায় সালমান খানকেই দেখা যাবে। তবে বড় চমক হলো অভিনয়ের পাশাপাশি সেই সিনেমার পরিচালনার দায়িত্বও নাকি তিনি নিজেই কাঁধে তুলে নিচ্ছেন। যদিও এখনো সালমান ও তাঁর সহযোগী দলের তরফ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে ২০১০ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল সিরিজের প্রথম সিনেমা দাবাং। সেটি ছিল অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহার অভিষেক সিনেমা যা বক্স অফিসে ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছিল। এরপরের দুটি সিনেমা যথাক্রমে পরিচালনা করেছিলেন আরবাজ খান ও প্রভু দেবা। তবে এবার আর অন্য কোনো পরিচালকের ওপর ভরসা না করে সালমান নিজেই মেগাফোন হাতে নিচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

ভাইজানের বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের পরিচালক অভিনব কাশ্যপ নানা গুরুতর অভিযোগ এনেছিলেন। এমনকি আরবাজ খানের সঙ্গে সালমানের ঝগড়া হতো বলেও দাবি করেন তিনি। অভিনব বলেছিলেন তাঁর সামনে একবার আরবাজ খান ও সালমান খুব ঝগড়া করেছিলেন এবং রাগের মাথায় সালমান বাসন ছুড়তে শুরু করেছিলেন যা দেখে তিনি খুব ভয় পেয়েছিলেন। এমনকি এমন একদিন আসবে যেদিন সালমানকে তাঁর সামনে হাঁটু মুড়ে ভিক্ষা চাইতে হবে বলেও দাবি করেছিলেন অভিনব কাশ্যপ।

উল্লেখ্য সালমান খান বর্তমানে নানা ব্যস্ততার মধ্যেও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এখন বিগ বস ১৯ এর সঞ্চালনা করছেন এবং সম্প্রতি সফলভাবে শেষ করে এসেছেন দ্য ব্যাং টুর। এর মধ্যেই দাবাং ৪ পরিচালনার খবর ভক্তদের মাঝে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।


পরীমনির মতো ভাইরাল হতে এসেছেন? পুলিশের মন্তব্যে চটলেন ডাকসু নেত্রী

বিনোদন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১৯ ২০:৪৯:২২
পরীমনির মতো ভাইরাল হতে এসেছেন? পুলিশের মন্তব্যে চটলেন ডাকসু নেত্রী

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দিন ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় এক অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়। গত সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায়ের দিন সেখানে আবারও দুটি বুলডোজার আনা হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের সরানোর চেষ্টা করলে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়ার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তর্কবিতর্ক শুরু হয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা রাফিয়া যখন পুলিশের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করছিলেন, তখন এক পুলিশ সদস্য তাকে উদ্দেশ্য করে একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেন। ওই পুলিশ সদস্য প্রশ্ন করেন, "পরীমনির মতো ভাইরাল হতে এসেছেন এখানে?" এমন মন্তব্যে প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ডাকসু নেত্রী। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের দিকে এগিয়ে গিয়ে বারবার জানতে চান কে এই কথা বলেছে এবং কেন তাদের মনে হলো যে তিনি ভাইরাল হতে সেখানে গেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলে বেশ হট্টগোল ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সৃষ্টি হয়।

এই ঘটনার পর উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। সেখানে তিনি ভবিষ্যতে রাজনীতিতে জড়ানো নিয়ে তার অনাগ্রহের কথা জানান। পোস্টে তিনি লেখেন, ভবিষ্যতে তার রাজনীতিতে জড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতি তার আশা ছিল, কিন্তু সেই আশাও আস্তে আস্তে নিভে যাচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কেবল 'মন্দের ভালো' বলে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হবেন না।

নিজের রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে রাফিয়া বলেন, তার কোনো নির্দিষ্ট দল বা রাজনৈতিক স্বার্থ নেই। তবে তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান ধরে রাখবেন। তিনি লেখেন, যতদিন মজলুমের ওপর লাঠিচার্জ হবে এবং স্বৈরাচারের প্রেতাত্মা রাষ্ট্রযন্ত্রে সিন্দাবাদের ভূতের মতো চেপে থাকবে, ততদিন তিনি জালিমের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাবেন। অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ছাড়া তার আর কোনো উদ্দেশ্য নেই বলেও তিনি ওই পোস্টে উল্লেখ করেন।


বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন মিথিলা, সঙ্গী ঐতিহ্যবাহী জামদানি

বিনোদন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১৯ ১৬:৪৪:২৮
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন মিথিলা, সঙ্গী ঐতিহ্যবাহী জামদানি
তানজিয়া জামান মিথিলা I ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশি মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা বর্তমানে মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে বিশ্বের সেরা সুন্দরীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছেন। কিছুদিন আগে তিনি বিকিনি পরে আলোচনার জন্ম দিলেও, এবার তিনি ধরা দিয়েছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন সাজে। বাংলাদেশের গর্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক জামদানি শাড়ি পরে বিশ্বমঞ্চে সবাইকে চমকে দিয়েছেন এই সুন্দরী।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অনুভূতি এবং এই বিশেষ পোশাকের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন মিথিলা। তিনি লিখেছেন, মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে তার জাতীয় পোশাকটি একটি রাজকীয় জামদানি শাড়ি দিয়ে সাজানো হয়েছে, যা বাংলাদেশের রাজকীয় ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী। শত শত বছর ধরে মুঘল সম্রাট, নবাব এবং বাংলার অভিজাতদের জন্য এই শাড়ি বোনা হতো, যা আমাদের সাংস্কৃতিক গর্বের প্রতীক। মিথিলার মতে, এই কাপড়ের প্রতিটি সুতোয় মিশে আছে শিল্পকলা, নিষ্ঠা এবং চিরন্তন সৌন্দর্য।

বাংলার তাঁতশিল্প থেকে উঠে আসা এই জাতীয় পোশাকটি মূলত একটি হাতে বোনা জামদানি শাড়ি। এটি সৌন্দর্য, ঐতিহ্য এবং টিকে থাকার এক অনন্য উদাহরণ। জামদানির এই ঐতিহ্য শুরু হয়েছিল ১৭ শতকের মুঘল আমলে। সেই সময়ে রানি এবং অভিজাত নারীদের কাছে এটি ছিল অত্যন্ত মূল্যবান। জামদানিকে তখন বিলাসিতা এবং রাজকীয় আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। জানা গেছে, মিথিলার এই পোশাক তৈরিতে সবচেয়ে উন্নত মানের সুতির তন্তু ব্যবহার করা হয়েছে এবং এতে স্বর্ণালি জরির নকশা বা মোটিফ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

জামদানির জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের তাঁতশিল্পীরা অত্যন্ত নিপুণভাবে এই বিশেষ শাড়িটি বুনেছেন। মিথিলা জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ হাতে তৈরি এই শাড়িটি শেষ করতে ১২০ দিনেরও বেশি সময় লেগেছে। শাড়িটির নকশা করেছেন ডিজাইনার আফ্রিনা সাদিয়া সৈয়দা।

মিথিলার পরনে থাকা এই জামদানি শাড়িতে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলার স্নিগ্ধ নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। শুধু পোশাকেই নয়, তার স্বর্ণের গয়নাতেও একই শাপলা ফুলের নকশা শোভা পাচ্ছে। গয়নাগুলোর নকশা করেছেন ৬ ইয়ার্ডস স্টোরির লরা খান।

পাঠকের মতামত:

ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়তে হলে রাষ্ট্রকে অবশ্যই তার সামাজিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতা পুনরুদ্ধার করতে হবে

ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়তে হলে রাষ্ট্রকে অবশ্যই তার সামাজিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতা পুনরুদ্ধার করতে হবে

রাষ্ট্রের ধারণাটি একসময় কেবল প্রশাসনিক ক্ষমতা, আইনের শাসন এবং নিরাপত্তা প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। কিন্তু আধুনিক বিশ্বে রাষ্ট্রের ভূমিকা এখন... বিস্তারিত