ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপট
চট্টগ্রাম ৫: মীর হেলাল নাকি অধ্যাপক মালেক কার পাল্লা ভারী হাটহাজারীর ভোটে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম ৫ বা হাটহাজারী বায়েজিদ আসনে ভোটের রাজনীতি এখন তুঙ্গে। এই আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং জামায়াতে ইসলামীর নতুন প্রার্থী অধ্যাপক আবদুল মালেক চৌধুরীর মুখোমুখি অবস্থান নির্বাচনী উত্তাপ বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। বিশেষ করে জামায়াতের প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত এবং বিএনপির বিশাল শোডাউন সাধারণ ভোটারদের মাঝে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বিশাল শোডাউনের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেছেন। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পথে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়। এরপর তিনি নগরীর শাহ আমানত রহমতুল্লাহি আলাইহির মাজার জিয়ারত এবং ফাতেহা পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেন। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মীর হেলাল বলেন জীবন ও পরিবারের মায়া ত্যাগ করে গুম খুন ও হামলা মামলার ভয় উপেক্ষা করে ১৭টি বছর তিনি হাটহাজারী ও বায়েজিদ এলাকার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন করেছেন। তিনি বলেন দল ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষকে আমার মাধ্যমে এলাকার জনগণের কাছে আমানত হিসেবে দিয়েছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে জনগণ এই আমানতের সম্মান দেখিয়ে ধানের শীষকে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী করবেন।
অন্যদিকে এই আসনে বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলের সাবেক আমির ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলামের পরিবর্তে হাটহাজারী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আবদুল মালেক চৌধুরীকে নতুন প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। দলের নীতিনির্ধারকরা সিরাজুল ইসলামের স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তরুণ ও সাংগঠনিক দক্ষতাসম্পন্ন অধ্যাপক মালেককে বেছে নিয়েছেন। অধ্যাপক আবদুল মালেক চৌধুরী গত ২৭ বছর ধরে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত আছেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে তাঁর পরিচিতি রয়েছে।
মনোনয়ন পাওয়ার পর অধ্যাপক মালেক বলেন দল যে দায়িত্ব দিয়েছে তা আমি আল্লাহর সাহায্যে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করব। জনগণের সেবা ও দেশের ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। জামায়াতের নেতাকর্মীরা মনে করছেন অধ্যাপক মালেকের শিক্ষা ও সাংগঠনিক দক্ষতা হাটহাজারীতে দলের ভিত্তি আরও শক্ত করবে। প্রার্থী পরিবর্তনের এই ঘোষণার পর ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম ও নতুন প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল মালেক চৌধুরীর নেতৃত্বে বিশাল মিছিল বের করে জামায়াত যা বিএনপির শোডাউনের পাল্টা জবাব হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন হাটহাজারীতে এবার লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। একদিকে ব্যারিস্টার মীর হেলালের পারিবারিক ঐতিহ্য ও দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজপথের সংগ্রাম অন্যদিকে জামায়াতের সুশৃঙ্খল ভোটব্যাংক ও নতুন প্রার্থীর ক্লিন ইমেজ। বিএনপি ও জামায়াত দুই দলই এই আসনটিকে মর্যাদার লড়াই হিসেবে নিয়েছে। শেষ হাসি কে হাসবেন তা নির্ভর করছে হাটহাজারী ও বায়েজিদের সাধারণ ভোটাররা কার ওপর শেষ পর্যন্ত আস্থা রাখেন তার ওপর।
তেল আছে শুধু সংসদে, বাংলাদেশে নেই: জামায়াত আমির
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সরকারের জ্বালানি নীতি ও সংসদীয় কার্যক্রমের তীব্র সমালোচনা করেছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের কৃষিতে বিশ্ব জ্বালানি সংকটের প্রভাব: উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, ‘তেল আছে শুধু সংসদে, বাংলাদেশে নেই।
সরকারি দলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে।’ তিনি অভিযোগ করেন যে, বর্তমানে গোটা সমাজ চলছে ‘গোঁজামিল’ আর ‘টপ-ড্রেসিংয়ের’ মাধ্যমে, যেখানে ব্যাংকিং খাতে টাকা না থাকলেও খাতায় লাভ দেখানো হচ্ছে।
সংসদীয় গণতন্ত্রের বর্তমান অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত সংসদ থেকে জাতির জন্য ভালো কিছু ‘ডেলিভারি’ দেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি জনগণের ট্যাক্সের প্রতিটি পয়সার হিসাব নিশ্চিত করার আহ্বান জানান এবং মেধাভিত্তিক সমাজ (মেরিটোক্রেসি) গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
এ সময় তিনি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও নেতৃত্ব দখলের চেষ্টার কঠোর সমালোচনা করে এই ‘ব্যাড কালচার’-এর অবসান দাবি করেন। তিনি সতর্ক করেন যে, কৃষির বিপর্যয় ঘটলে কোনো বিদেশি ঋণ জাতিকে রক্ষা করতে পারবে না।
জ্বালানি সংকটকে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে অভিহিত করে জামায়াত আমির বলেন, একদিকে সরকার জ্বালানি মজুতের কথা বলছে, অন্যদিকে বাস্তবে পাম্পগুলোতে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলছে। তিনি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে কমপক্ষে ৬০ থেকে ৯০ দিনের জ্বালানি বাফার স্টক গড়ে তোলা এবং সিন্ডিকেট ভেঙে সোলার এনার্জির মতো বিকল্প বিদ্যুৎ উৎপাদনে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সিন্ডিকেট আর ফ্যাসিজমের পথে হাঁটা হলে তারা রাজপথে শক্ত বাধা হয়ে দাঁড়াবেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধে জানানো হয়, দেশের জ্বালানির ১৮ শতাংশ কৃষিতে ব্যবহৃত হয় এবং বর্তমান সংকটে বোরো চাষে বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
/আশিক
চলতি অধিবেশনে চতুর্থবার ওয়াকআউট: বিরোধী দল ও সরকারের মধ্যে দূরত্ব তুঙ্গে
সংসদে আজ আবারও নাটকীয় মোড় নিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। প্রবল আপত্তি আর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের পর ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ পাস করার প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে প্রধান বিরোধী দল। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এই ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটে।
বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সরকারি দলের বিরুদ্ধে স্পষ্ট ‘বিশ্বাস ভঙ্গের’ অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, বিশেষ কমিটির বৈঠকে যে সমঝোতা হয়েছিল, বিলটি পাসের সময় তার ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওয়াকআউটের আগে তিনি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধেও নিরপেক্ষতা হারানোর অভিযোগ তোলেন।
উল্লেখ্য, চলতি অধিবেশনে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটলো। গতকালও একটি বিলকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেছিল বিরোধী দল। আজকের এই ঘটনার পর সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
/আশিক
গণবিরোধী বিল পাসকে কেন্দ্র করে বিরোধীদলের ওয়াকআউট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে পাস হওয়া একাধিক বিলকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে বিরোধী দল হঠাৎ করে ওয়াকআউট করেছে, যা সংসদ অধিবেশনে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। দিনের শেষ ভাগে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক সমঝোতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল প্রায় ৬টার দিকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন এবং তার নেতৃত্বে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা কক্ষ ত্যাগ করেন।
ওয়াকআউটের আগে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বিরোধী দলের আপত্তি ও যুক্তিসঙ্গত প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেই কয়েকটি বিল পাস করা হয়েছে। এসব বিলকে জনগণের স্বার্থবিরোধী উল্লেখ করে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের দায় তারা নিতে চান না, তাই সংসদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওই সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিরোধী দল কক্ষ ত্যাগের সময় তিনি জানতে চান, তারা সাময়িকভাবে বের হচ্ছেন নাকি পুরো অধিবেশন বর্জন করছেন। তবে লাইভ সম্প্রচারে দেখা যায়, বিরোধী সদস্যরা আর ফিরে আসেননি এবং ওয়াকআউট কার্যকর রাখেন।
এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্ন সুরে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, বিরোধী দল শুরু থেকেই সংসদের কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে এবং বিভিন্ন ধাপে সহযোগিতা করেছে। এমন অবস্থায় শেষ মুহূর্তে অধিবেশন বর্জনের সিদ্ধান্তকে তিনি যৌক্তিক মনে করেন না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও আশা প্রকাশ করেন যে, বিরোধী দল মাগরিবের পর পুনরায় অধিবেশনে যোগ দিতে পারে। তবে বাস্তবে তারা আর ফিরে না আসায় রাজনৈতিক অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
-রফিক
বিসিবি এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর তোপ
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। বিসিবির বর্তমান অবস্থাকে তিনি “বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড” হিসেবে অভিহিত করে ক্রিকেট প্রশাসনে চরম বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। ওই সময় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ বিল-২০২৬’ উত্থাপনের আবেদন করলে হাসনাত আবদুল্লাহ ফ্লোর নিয়ে এর বিরোধিতা করেন এবং বিসিবির প্রসঙ্গটি টেনে আনেন।
হাসনাত আবদুল্লাহর এমন মন্তব্য দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, “বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড” বলার মাধ্যমে তিনি মূলত বোর্ডের অভ্যন্তরে থাকা স্বজনপ্রীতি, পক্ষপাতিত্ব এবং স্বচ্ছতার অভাবকে তুলে ধরেছেন।
দেশের ক্রিকেট বোর্ড দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং দলীয় ব্যবস্থাপনার কারণে সমালোচনার মুখে থাকলেও, সংসদের ভেতরে একজন প্রভাবশালী নেতার এমন সরাসরি আক্রমণ বিষয়টিকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে গেছে। হাসনাত আবদুল্লাহর এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সর্বত্র ক্রিকেট বোর্ডের সংস্কার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।
/আশিক
সংস্কার থেকে সরে এলে আবারও চব্বিশ হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ
রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তনের মূল দাবি থেকে বর্তমান সরকার সরে এলে দেশে আবারও গণ-অভ্যুত্থান হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি অভিযোগ করেন, সময়ের পরিবর্তন ও ক্ষমতার চেয়ারে বসার সাথে সাথেই সরকারের মানসিকতা বদলে গেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ‘ভয়েস ফর রিফর্ম’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ স্পষ্ট করে বলেন, সরকারকে কাঠামোগত পরিবর্তনের জায়গায় একনিষ্ঠ হতে হবে; অন্যথায় ২০২৪ সালের মতো আরেকটি অভ্যুত্থান ঘটা অনিবার্য।
হাসনাত আব্দুল্লাহর মতে, যারা ২০২৪ সালে রাজপথে নেমেছিল, তারা কাউকে সংসদ সদস্য বা উপদেষ্টা বানানোর জন্য আন্দোলন করেনি। বরং তারা রাষ্ট্র ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যেই জীবন বাজি রেখেছিল। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি পুরোনো শাসন ব্যবস্থা এবং সিস্টেম অক্ষুণ্ণ রাখা হয়, তবে যেকোনো ব্যক্তিই ভবিষ্যতে ‘হাসিনা’ হয়ে উঠতে পারেন। তাঁর ভাষায়, হাসিনা কেবল একজন ব্যক্তি নন, বরং এটি অনেকগুলো ফ্যাসিবাদী চিন্তাধারার একটি সমষ্টি। তাই ব্যক্তি পরিবর্তন নয়, বরং কাঠামোগত সংস্কারই ছিল গণ-অভ্যুত্থানের প্রকৃত উদ্দেশ্য।
আলোচনা সভায় সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের বিরোধিতার তীব্র সমালোচনা করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি উল্লেখ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের অনেক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি যারা অতীতে নিজেরাই ভুক্তভোগী ছিলেন, এখন তারাই সংস্কারের বিরোধিতা করছেন, যা অত্যন্ত অসম্মানজনক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ক্ষমতার আসনে বসে কেন তারা আগের অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছেন? মেজরিটি বা সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে আটকে রাখার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, নির্বাচনের পর সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি বা তারা কোনো লাভবান হয়নি। উল্টো রাজনৈতিক অঙ্গনের অনেকেই কেবল সুবিধাভোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, রাষ্ট্র যেন জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে এবং সাধারণ মানুষ যেন আর আশাহত না হয়। অন্যথায় জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে আরেকটি বড় ধরনের গণজাগরণের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
/আশিক
নর্দমা থেকে ফ্যাসিবাদ তুলে আনার চেষ্টা রুখে দেবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সরকারের বর্তমান জ্বালানি নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, সরকারি দলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বক্তব্য শুনলে মনে হয় বাংলাদেশ যেন তেলের ওপর ভাসছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি অভিযোগ করেন যে, পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের জন্য যানবাহন ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন থাকলেও সরকার রিজার্ভের মিথ্যা দাবি করে প্রকৃত সত্য আড়াল করার চেষ্টা করছে। এমনকি সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনার কোনো সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না বলেও তিনি দাবি করেন।
বর্তমান সংসদের গঠন প্রকৃতি তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সংসদে যারা স্থান পেয়েছেন তাদের প্রায় সকলেই কোনো না কোনোভাবে মজলুম। তাঁদের মধ্যে কেউ জেল খেটেছেন, কেউ আয়নাঘরে বন্দি ছিলেন, আবার কেউ ফাঁসির মঞ্চ বা নির্বাসন থেকে ফিরে এসেছেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত সংসদ যদি জনগণের দুঃখ না বোঝে, তবে আর কে বুঝবে? তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ৫৪ বছর ধরে যে ফ্যাসিবাদ বাঙালি জাতিকে দাবিয়ে রেখেছিল, ২০২৪ সালের বিপ্লবীরা তাকে বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলেছে। এখন যারা সেই নর্দমা থেকে পুনরায় ফ্যাসিবাদকে তুলে আনতে চাইছে, তরুণ প্রজন্ম ও জামায়াতে ইসলামী তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে জামায়াত আমির ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে বলেন, বর্তমান প্রজন্ম কেবল ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেনি, তারা চেয়েছিল ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। তিনি দাবি করেন, বিগত নির্বাচনে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হা’ ভোটের মাধ্যমে জামায়াতকে সমর্থন দিলেও সেই জনরায়কে ‘হাইজ্যাক’ ও ‘ডাকাতি’ করা হয়েছে। তাঁর মতে, যেদিন থেকে গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, সেদিন থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। সংসদ এই রায় মানুক আর না মানুক, জামায়াতে ইসলামী ইনসাফ কায়েমের লক্ষ্যে রাজপথে ফিরে যাবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।
দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যারা নিজেদের দলের ভেতরে গণতন্ত্র ও ইনসাফের চর্চা করতে পারে না, তারা দেশের ১৮ কোটি মানুষকে নিরাপত্তা বা গণতন্ত্র উপহার দিতে পারবে না। সংসদে উপস্থিত জামায়াতের ৭৭ জন সদস্য জনগণের অধিকার রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে এবং জাতির ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেবে না বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। জাগপা-র মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সভায় তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদের ফিরে আসা যেকোনো মূল্যে রুখে দেওয়া হবে।
/আশিক
ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টাকে রাজপথে নামার ডাক দিলেন নাহিদ ইসলাম
বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগগুলো রক্ষায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তৎকালীন সকল উপদেষ্টাকে রাজপথে নামার ডাক দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিস্ফোরক আহ্বান জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের পর যে রক্তের বিনিময়ে সংস্কারের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, বর্তমান বিএনপি সরকার গণভোটের রায় উপেক্ষা করে এবং গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত না করে সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ করছে। বিশেষ করে গুম প্রতিকার, মানবাধিকার কমিশন এবং বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল করে সরকার পুনরায় একটি স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে হাঁটছে বলে তিনি তীব্র সমালোচনা করেন।
নাহিদ ইসলাম সরাসরি ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলসহ সাবেক উপদেষ্টাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, তারা যে সংস্কারের অধ্যাদেশগুলো করেছিলেন, সেগুলো এখন বাতিল হচ্ছে অথচ তারা মুখ খুলছেন না। তিনি অভিযোগ করেন যে, একটি 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং'-এর মাধ্যমে বিএনপির হাতে ক্ষমতা দিয়ে তারা নিজেদের ক্যারিয়ারে ফিরে যেতে পারেন না।
সংসদের ভেতরে উপযুক্ত সমাধান না পাওয়ায় রাজপথেই এখন এর ফয়সালা করতে হবে উল্লেখ করে তিনি জানান, ড. ইউনূসসহ সাবেক উপদেষ্টাদেরও এই দায় নিতে হবে এবং প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের সাথে রাজপথে আন্দোলনে অংশ নিতে হবে। বর্তমান অর্থনৈতিক মন্দা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের বদলে বিএনপি সরকার জনগণের আস্থা হারাচ্ছে বলেও তিনি হুশিয়ারি দেন।
/আশিক
তারেক রহমানের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে? হাসনাত আব্দুল্লাহর রহস্যময় পোস্ট
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশ পরিচালনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা নিয়ে এক বিস্ফোরক প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ তার পোস্টে গত ২৯ নভেম্বরের একটি বক্তব্যের উদ্ধৃতি টেনে উল্লেখ করেন যে, সেই সময় তারেক রহমান দেশে ফেরার আকুতি জানালেও বলেছিলেন যে এটি তার একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে না। এমপির প্রশ্ন, গত ২৫ ডিসেম্বর দলের অনেকের দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও তিনি যখন দেশে ফিরলেন, তখন সেই সিদ্ধান্তটি আসলে কাদের ছিল এবং গুম ও মানবাধিকার অধ্যাদেশ বাতিলের মতো স্পর্শকাতর বিষয়েও কি সেই অদৃশ্য শক্তির প্রভাব রয়েছে?
ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ সরাসরি জানতে চান, তারেক রহমান কি প্রকৃতপক্ষেই নিজের স্বাধীন সিদ্ধান্তে দেশ পরিচালনা করতে পারছেন, নাকি নেপথ্যে এমন কেউ রয়েছেন যাদের সাধারণ জনগণ চেনে না। তিনি আরও গভীর প্রশ্ন তোলেন যে, দেশে ফেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে যদি অন্যদের প্রভাব থাকে, তবে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রেও কি তিনি সেই একই শক্তির দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছেন?
সবশেষে এনসিপির এই নেতা সেই নেপথ্যের কারিগরদের পরিচয় স্পষ্ট করার দাবি জানান, যাদের সিদ্ধান্তের ওপর তারেক রহমানের দেশে ফেরা থেকে শুরু করে বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের মতো বিষয়গুলো নির্ভর করছে বলে তিনি মনে করেন। তার এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।
/আশিক
উত্তাল রাজধানী! গণভোটের রায়ে সরকারের বাধার মুখে ১১ দলের বিক্ষোভ
গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকা। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) বিকেল সোয়া ৫টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়েছে।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সমাবেশে যোগ দিতে দুপুরের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন। আন্দোলনকারীদের হাতে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই’ ও ‘গণভোট মানতে হবে’ লেখা সম্বলিত শত শত প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে, যেখান থেকে সরকারবিরোধী ও গণভোটের স্বপক্ষে তীব্র স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।
সমাবেশে ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে অভিযোগ করেন যে, সরকারি দল সংসদ পরিচালনায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে এবং তারা দেশের গণতন্ত্রের ওপর একতরফা ফ্যাসিবাদী প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আরও হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে, জনস্বার্থ রক্ষা এবং জনগণের রায় প্রতিষ্ঠিত করতে রাজপথের আপসহীন আন্দোলন ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।
এর আগে গত বুধবার বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারি দলের কর্মকাণ্ডে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত গণভোটের রায়কে বর্তমান সরকার সুকৌশলে উপেক্ষা করছে। এই প্রতিবাদে সংহতি জানিয়ে সংসদের ষষ্ঠ দিনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলো সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ১১ উপজেলায় একযোগে যাত্রা শুরু! কৃষক কার্ড নিয়ে বড় ঘোষণা
- শিগগিরই খুলছে হরমুজ প্রণালি! বিশ্বকে বড় বার্তা দিলেন ট্রাম্প
- গুরুতর আহত হয়েও ইরান চালাচ্ছেন নতুন সর্বোচ্চ নেতা
- শান্তি আলোচনার মাঝে অর্থের প্যাঁচ! ৬ বিলিয়ন ডলার নিয়ে লুকোচুরি
- কফিশপ নয়, ডেটিংয়ের জন্য এখন কবরস্থানই পছন্দ জেন-জিদের!
- তেল আছে শুধু সংসদে, বাংলাদেশে নেই: জামায়াত আমির
- সাবধান! ফোনের এই অ্যাপগুলো এখনই মুছে ফেলুন, না হলে সব শেষ
- সড়কে রক্তক্ষয়ী মাস! লাশের মিছিলে যোগ হলো ৫৩২ প্রাণ
- নিউজিল্যান্ড সিরিজে পূর্ণ শক্তির টাইগার দল! অধিনায়ক মিরাজ
- বিশ্বের নজর এখন পাকিস্তানে: অবরুদ্ধ ইসলামাবাদ!
- পাকিস্তানগামী বিমানে শিশুদের ছবি! কী বোঝাতে চাইলেন গালিবাফ?
- কিডনিতে পাথর কেন হয়? খাবারের এই ভুলগুলো আজই শুধরে নিন
- ইসলামাবাদে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল, শুরু হচ্ছে মূল পর্ব
- যুদ্ধবিরতি হলেও কাটবে না জ্বালানিসংকট: ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ওয়াশিংটনে মুখোমুখি হচ্ছে ইসরায়েল-লেবানন: শান্তির পথে বড় মোড়
- আজকের মুদ্রার রেট: জেনে নিন কোন দেশের কত টাকা
- যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন সমীকরণ: ইরানকে অত্যাধুনিক মিসাইল দিচ্ছে চীন!
- আজ শনিবার: রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকান বন্ধ থাকবে
- পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়লেই মিলবে ইরানের সাথে চুক্তি: ট্রাম্প
- চাঁদ জয় করে ফিরল ‘আর্টেমিস-২’: প্রশান্ত মহাসাগরে নাসার ঐতিহাসিক অবতরণ
- লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
- আজকের নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন সম্পূর্ণ তালিকা
- ক্রেতাদের জন্য সুখবর, কমলো স্বর্ণের দর
- আজকের লাইভ খেলা, কখন কোথায় দেখবেন
- শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ, জানুন এলাকা
- নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান
- পর্দার আড়ালে চীনের মাস্টারস্ট্রোক: রক্ষা পেল যুদ্ধবিরতি
- বিল পাসের পর 'বুঝলাম না' বলা গ্রহণযোগ্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- সৌদি লিগে ‘রোনালদো-পক্ষপাত’! রেফারিদের নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড
- ইরান না কি ইসরায়েল, কে জিতল? ইসরায়েলিদের জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- যুদ্ধ না কি শান্তি? যেকোনো একটি বেছে নাও: ইরান
- চলতি অধিবেশনে চতুর্থবার ওয়াকআউট: বিরোধী দল ও সরকারের মধ্যে দূরত্ব তুঙ্গে
- কালো সোনার মহাকাব্য: যেভাবে ‘তেল’ হয়ে উঠল বিশ্ব শাসনের মূল চাবিকাঠি
- শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চলবে: হিজবুল্লাহ প্রধান
- ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি: লেবানন ইস্যুতে আলোচনার শুরুতেই হোঁচট
- ১৬ বছরের লুটপাটে ধ্বংসের মুখে অর্থনীতি: অর্থমন্ত্রী
- ঢাকাসহ ৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: নদীবন্দরগুলোতে সতর্কতা
- বিপাকে বাংলাদেশি জাহাজ: হরমুজ প্রণালিতে বাধা দিল ইরান
- রাডার থেকে উধাও যুক্তরাষ্ট্রের ২০ কোটি ডলারের ড্রোন: নেপথ্যে কি ইরান?
- আওয়ামী প্রশ্ন: নিষিদ্ধের রাজনীতি নাকি ফ্যাসিবাদী কাঠামোর ব্যবচ্ছেদ?
- যুদ্ধবিরতির আড়ালে আগুন: লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, বাড়ছে মানবিক বিপর্যয়
- নানিয়ারচর জোন কমান্ডার কর্তৃক বিদায়ী সংবর্ধনা ও ক্রীড়া পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
- দেবিদ্বারে ইমামকে মারধর ও হেনস্তা: বিচারের দাবিতে ইউএনও’কে স্মারকলিপি
- বদলে যাবে কুমিল্লা নগরীর চিত্র: ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প
- কানেক্ট বাংলাদেশ ইউকে'র উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
- টানা দুই দিন ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- দুপুরের মধ্যে ৪ জেলায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবের শঙ্কা: ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- ফি আদায় বন্ধ না করলে যুদ্ধের হুমকি: ইরানের ওপর চটলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- জ্বালানি সংকটে স্বস্তি: ৫ দিনে ৫ জাহাজ ভর্তি এলএনজি-এলপিজি আসছে দেশে
- যুদ্ধের পর আদালতে নেতানিয়াহু, শুরু দুর্নীতি বিচার
- সোনায় সোহাগা নয়, আগুনের ছোঁয়া! ভরিতে নতুন রেকর্ড উচ্চতা
- বাজুসের নতুন ঘোষণা, স্বর্ণে রেকর্ড উত্থান
- আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ডসহ ৩০ আসামির সাজা ঘোষণা
- শান্তির খোঁজে ইরানের সঙ্গে সৌদির যোগাযোগ
- আজকের বাজারে কারা এগিয়ে, দেখুন শীর্ষ তালিকা
- ৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের শেয়ারবাজারে বেশি লোকসানে যেসব কোম্পানি
- আল জাজিরার লাইভ: ইরান থেকে সফলভাবে ফিরেছেন মার্কিন পাইলট
- মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা: নীরবতার বদলে জবাবদিহি দরকার
- শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
- শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
- আজকের শেয়ারবাজারে কারা সবচেয়ে বেশি লোকসানে
- সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, স্থায়ী সমাধান চাই: যুক্তরাষ্ট্রকে শর্ত জানাল ইরান
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নাটকীয়তা: যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে ইসরায়েলের হামলা








