অন্তর্বর্তী সরকারের ‘গায়েবানা জানাজা’ পড়লেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ২১:২১:৫২
অন্তর্বর্তী সরকারের ‘গায়েবানা জানাজা’ পড়লেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা
ছবিঃ সংগৃহীত

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা প্রকৌশল খাতে বৈষম্য দূরীকরণ এবং মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। আজ বুধবার বিকেল পাঁচটা থেকে চট্টগ্রামের ২ নম্বর গেট এলাকায় শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতীকী গায়েবানা জানাজা পড়েন।

জানাজা শেষে শিক্ষার্থীরা এক ঘণ্টার জন্য অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত রাখেন। তারা জানান, কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও দাবি

শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের কথা থাকলেও প্রকৌশল খাতে এখনো কোটা ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অযোগ্যদের আধিপত্য বজায় আছে। এতে মেধাবী বিএসসি ডিগ্রিধারী প্রকৌশলীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাঈদ আফ্রিদি অভিযোগ করে বলেন, “ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীরা অবৈধভাবে দশম গ্রেড দখল করেছে। শুধু দশম গ্রেডেই নয়, লবিংয়ের মাধ্যমে নবম গ্রেডেও ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পদ দখল করে রেখেছে।” তিনি বলেন, তারা চান ২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে কোনো কোটা থাকবে না এবং সকল নিয়োগ মেধার ভিত্তিতে হবে।

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাবাবা তামান্না বলেন, “যোগ্য বিএসসি ইঞ্জিনিয়াররা পদে বসতে পারছেন না। অথচ অযোগ্যরা গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে দেশের জন্য ক্ষতিকর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।”

শিক্ষার্থীরা তাদের তিন দফা দাবি তুলে ধরেন:

১. শুধুমাত্র ডিপ্লোমা পাসধারীদের ‘ডিপ্লোমা’ হিসেবে সম্বোধন করতে হবে, ‘ইঞ্জিনিয়ার’ নয়।

২. বিএসসি পরীক্ষা ছাড়া কেউ নবম গ্রেডে যেতে পারবে না।

৩. দশম গ্রেডের পদ সকলের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে এবং পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দিতে হবে।

শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

সাধারণ মানুষের ভোগান্তি

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন কর্মসূচির কারণে শহরের ২ নম্বর গেটসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে যায়, এতে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। অফিস ছুটির সময় হওয়ায় অফিস ফেরত মানুষজন সীমাহীন যানজটে আটকে পড়েন।

ভুক্তভোগী কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করুক কিন্তু সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কেন? এই দেশে কি কোনো আইন নেই? প্রতিবারই দেখা যায় কোনো দাবি আদায়ে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।”

/আশিক


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৪ প্রতিনিধির ছাত্রদলে যোগদান

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ১২:০৫:১৫
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৪ প্রতিনিধির ছাত্রদলে যোগদান
ছবিঃ সংগৃহীত

বরগুনার আমতলীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চারজন প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। বুধবার (২৭ আগস্ট) আমতলী উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তারা ছাত্রদলের নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে দলটিতে যোগ দেন।

যোগদানকারী ছাত্র প্রতিনিধিরা হলেন—মো. নাসিম মাহমুদ, ইমামুল হাসান আশিক, মো. রেদোয়ান মৃধা এবং আব্দুল্লাহ আল নোমান। এই প্রসঙ্গে তারা বলেন, “আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

এ সময় আমতলী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. হেলাল চৌকিদার, সদস্যসচিব মো. ইমরান খানসহ উপজেলা ও কলেজ শাখার ছাত্রদলের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আমতলী উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. ইমরান খান বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল একটি সুশৃঙ্খল, আদর্শভিত্তিক ও নীতিনিষ্ঠ ছাত্রসংগঠন। গণতন্ত্র, জাতীয়তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ছাত্রদল সবসময় আপসহীন। দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে ছাত্রদল নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।”

/আশিক


বিকেলে ব্যাংকে ঢুকে লুকিয়ে ছিল যুবক, রাতে ডাকাতির চেষ্টার সময় আটক

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ১১:০৪:০৮
বিকেলে ব্যাংকে ঢুকে লুকিয়ে ছিল যুবক, রাতে ডাকাতির চেষ্টার সময় আটক
ছবিঃ সংগৃহীত

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক শাখায় ডাকাতির চেষ্টার সময় সহিদুল হক (২৮) নামের এক যুবককে স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (২৭ আগস্ট) রাতে উপজেলার ভজনপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণা, বিকেলে ওই যুবক ব্যাংকে ঢুকে লুকিয়ে ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে ব্যাংকের নাইটগার্ড রাতের খাবারের জন্য বাইরে গেলে হঠাৎ ব্যাংকের ভেতরে আলো ও শব্দ দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ব্যাংক ম্যানেজার ও স্থানীয়দের খবর দেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ব্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করে সহিদুলকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছে থাকা একটি ব্যাগ থেকে ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকের ভল্টে ডাকাতির চেষ্টার চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়।

ব্যাংকের প্রহরী আনিস বলেন, “রাতে হঠাৎ ব্যাংকের ভেতর আলো জ্বলতে ও কিছু একটা শব্দ আসতে দেখেছিলাম। আমি একা ভেতরে যেতে সাহস পাইনি। তাই ম্যানেজারসহ স্থানীয়দের ডেকে আনি। পরে সবাই মিলে ভেতরে গিয়ে ওই ডাকাতকে দেখতে পাই।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য তবিবর রহমান বলেন, “আটক হওয়া যুবক সম্ভবত বিকেলে ব্যাংকে এসে লুকিয়ে ছিল এবং রাতে সবাই বের হওয়ার পর ডাকাতির চেষ্টা করে।”

তেঁতুলিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদ ডাকাতির চেষ্টার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


লুঙ্গি-গেঞ্জি পরে পালিয়েছেন শামীম ওসমান: যুবদল নেতা রনি

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ০৯:৫৭:৪২
লুঙ্গি-গেঞ্জি পরে পালিয়েছেন শামীম ওসমান: যুবদল নেতা রনি
শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান সম্পর্কে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্যসচিব মশিউর রহমান রনি বলেছেন, “যিনি নারায়ণগঞ্জের গডফাদার ছিলেন, তিনি কাপড়চোপড় পরে পালাতে পারেননি। তিনি লুঙ্গি ও গেঞ্জি পরিধান করে পালিয়েছেন। এর চেয়ে জঘন্য পতন বাংলাদেশে আর হয় না।”

বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে শহরের ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত শাওন চত্বর নির্মাণ নিয়ে যুবদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্থান পরিদর্শন শেষে মশিউর রহমান রনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যারা রাজনীতি করেন, তাদের শুধু জনগণের জন্য রাজনীতি করা উচিত। তাহলে কারও এমন পরিণতি হবে না।

মশিউর রহমান রনি বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মানুষের জন্য কাজ করতে বিএনপি গঠন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বেগম খালেদা জিয়া এবং তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান বিএনপিকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার কথা বলেছেন।

তিনি আরও বলেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ তাকে শাওনের স্মৃতিতে কোনো প্রতিকৃতি করা যায় কি না—সে বিষয়ে খোঁজ নিতে বলেছেন। ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে এই স্থানটিতেই পুলিশের গুলিতে শাওন নিহত হয়েছিলেন।

/আশিক


চিংড়ির ভেতরে জেলি, অতঃপর... টাঙ্গাইলের বাজারে যা ঘটল!

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ১৯:০৩:২৭
চিংড়ির ভেতরে জেলি, অতঃপর... টাঙ্গাইলের বাজারে যা ঘটল!
মাছ বাজারে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ছবি : কালবেলা

টাঙ্গাইলে চিংড়ির খোলের ভেতর জেলি ভরে এবং নকল পণ্য বিক্রি করার দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে সহযোগিতা করেছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে শহরের পার্ক বাজার এবং টাঙ্গাইল ক্লাবের বাটার গলিতে এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের শুরুতে পার্ক বাজারে চিংড়ি মাছের খোলের ভেতর জেলি ব্যবহার করে মাছ বিক্রির দায়ে মিজানুর নামের এক আড়তদারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এরপর একই বাজারে মুরগিতে ওজনে কম দেওয়ার কারণে আরশাফ নামের এক বিক্রেতাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে টাঙ্গাইল ক্লাবের পেছনে বাটার গলিতে একটি কসমেটিকসের দোকান ‘তাজ কালেকশন’-এ অভিযান চালিয়ে অবৈধ ও নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি করার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। তিনি জানান, তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ছাড়াও পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সাহিদা আক্তার, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জলসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


‘মানবিকতার দৃষ্টান্ত’: বৈদ্যুতিক তারে আটকা পাখি উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ১৮:২২:১০
‘মানবিকতার দৃষ্টান্ত’: বৈদ্যুতিক তারে আটকা পাখি উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস
ছবিঃ সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ভালুকায় বৈদ্যুতিক তারে আটকা পড়া একটি শালিক পাখিকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে পাখিটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

এর আগে দুপুরে স্থানীয়রা বৈদ্যুতিক তারে আটকা পড়া অবস্থায় পাখিটিকে ছটফট করতে দেখে।

পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন আন্দোলন ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক শিব্বির আহমেদ লিটন বলেন, “পাখিটি বৈদ্যুতিক তারে আটকে থাকায় কষ্ট পাচ্ছিল। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে পাখিটিকে উদ্ধার করে মুক্ত আকাশে উড়ার সুযোগ সৃষ্টি করায় ফায়ার সার্ভিসের ওই সদস্যরা প্রশংসার দাবিদার।”

এ বিষয়ে ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা পাখিটিকে জীবন্ত উদ্ধারের জন্য রওনা দিই। এরপর আমাদের একজন সদস্য বৈদ্যুতিক খুঁটিতে উঠে শালিকটিকে উদ্ধার করে। দীর্ঘক্ষণ তারে পা আটকে থাকায় পাখিটি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। তবে নিচে নামানোর পর এটি সুস্থ হয় এবং মুক্ত আকাশে উড়াল দেয়।


প্রধান শিক্ষকের ফাঁদে পড়ে, ইংরেজী শিক্ষক এখন গরুর রাখাল

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ১৬:৪৫:০৮
প্রধান শিক্ষকের ফাঁদে পড়ে, ইংরেজী শিক্ষক এখন গরুর রাখাল
বাঁ থেকে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জোবায়দুর রহমান ও ভুক্তভোগী শিক্ষক মতিউর রহমান। ছবি : কালবেলা

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার পবনতাইড় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক মো. মতিউর রহমান। ২০০৪ সালে এই স্কুলে যোগদানের পর থেকে দীর্ঘ ২০ বছর তিনি বিনা বেতনে শিক্ষকতা করেছেন, এই আশায় যে স্কুল এমপিওভুক্ত হলে তার চাকরি স্থায়ী হবে। তবে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর তার সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়। অভিযোগ উঠেছে, প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা জোবায়দুর রহমান তার ক্ষমতা ব্যবহার করে ১৫ জনেরও বেশি শিক্ষক-কর্মচারীকে বাদ দিয়ে লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে নতুন করে নিয়োগ দিয়েছেন।

মতিউর রহমান, যিনি ২০ বছর ধরে বিনা বেতনে চাকরি করেছেন, এখন বয়সের ভারে অন্য কোনো কাজ করতে পারছেন না। জীবন বাঁচানোর তাগিদে বাড়িতে গরু পালন করে সংসার চালাচ্ছেন। যে হাতে তার পাঠ্যপুস্তক থাকার কথা ছিল, সেই হাতে এখন গো-খাদ্য ও গোবর। সারাদিন গরু লালনপালন করেই দিন কাটছে তার।

শুধু মতিউর রহমান নন, তার মতো আরও অন্তত ১৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী একই ধরনের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে শাহ আলম, মাহফুজা আক্তার সাথী, আনিছুর রহমান, আব্দুর রশিদ সরকার, আবুল কালাম আজাদ, আনোয়ার হোসেন এবং আলী আজমসহ অনেকেই রয়েছেন। তারা এখন অনাহারে-অর্ধাহারে জীবন পার করছেন। কেউ কেউ চাকরি খুঁজতে গেছেন অন্য জেলায়, কেউবা ব্যবসা করছেন, আবার অনেকে চাকরি ফেরত পেতে শিক্ষা অফিসের বারান্দায় ধরনা দিচ্ছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষক মতিউর রহমান বলেন, “১৫ লাখ টাকা না দিতে পারায় প্রায় ২০ বছর চাকরি করার পর প্রধান শিক্ষক আমাকে বাদ দেন। এখন পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। বর্তমানে গরু লালনপালন করে জীবিকা নির্বাহ করছি। আমি আমার চাকরিটা ফেরত চাই।”

দীর্ঘ দুই মাসের অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জোবায়দুর রহমান ৬ নম্বর ঘুড়িদহ ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি। রাজনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে তিনি শিক্ষক নিয়োগের নাম করে বহু মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রয়াত সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও এমপি ফজলে রাব্বির ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য করে অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন এবং একটি রাজকীয় বাড়িও নির্মাণ করেছেন।

আরেক ভুক্তভোগী, ধর্ম শিক্ষক পদে থাকা গোলাম আজম অভিযোগ করেন, তাকে ধর্ম শিক্ষক বানানোর কথা বলে দফায় দফায় মোট ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, জোবায়দুর রহমান যুবলীগ নেতা হওয়ায় তাকে ‘জামায়াত-শিবির’ বলে জেলে ভরার হুমকি দিতেন।

শিক্ষিকা মাহফুজা আক্তার সাথী জানান, ২০১৫ সালে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছে ১৬ লাখ টাকা দাবি করা হয়। তিনি জমি বিক্রি করে ১৪ লাখ টাকা দিলেও তার চেয়ে বেশি টাকা দিয়ে অন্য একজনকে চাকরি দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “বর্তমানে সে চাকরিও দেয় না, টাকাও ফেরত দেয় না। সরকারের কাছে এরকম প্রতারকের শাস্তি দাবি করছি।”

স্থানীয় মো. আলতাফ হোসেন বলেন, “উনি হঠাৎ করে স্কুলকে ব্যবসা বানিয়ে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছেন। এই প্রধান শিক্ষক শিক্ষক নামের কলঙ্ক।”

মতিউর রহমানের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বলেন, “প্রথমে সাড়ে তিন লাখ টাকা দিলেও এমপিওভুক্ত হলে জোবায়দুর স্যার আবার ১৫ লাখ টাকা চান। তা না দিতে পারায় তিনি আমার স্বামীকে চাকরি থেকে বাদ দেন। কোনোরকম দিন যাচ্ছে আমাদের।”

ভুক্তভোগীরা প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানালেও কোনো কাজ হয়নি। উল্টো জোবায়দুরের দাপটের কাছে তারা অসহায় আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জোবায়দুর রহমান বলেন, “এসব অভিযোগ পুরোপুরি ভুয়া, ভিত্তিহীন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।”

এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আতাউর রহমান কালবেলাকে বলেন, “ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নামে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


গোপালপুরে যুবদল নেতাকে থানায় থাপ্পড়

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ১৬:১৭:৫৮
গোপালপুরে যুবদল নেতাকে থানায় থাপ্পড়
ছবিঃ সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানায় আলমনগর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলামকে থাপ্পড় দেয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল মিয়াকে প্রত্যাহার করে ক্লোজড করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাতে তাকে থানার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। বিষয়টি বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন।

ঘটনাটি ঘটেছিল মঙ্গলবার দুপুরে। গোপালপুর থানার ভেতরে কথোপকথনের এক পর্যায়ে এসআই রাসেল যুবদল নেতা আমিনুল ইসলামের বাম কানে একাধিক থাপ্পড় দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে আহত আমিনুলকে দ্রুত টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং ঘটনার পর থেকে কানে অসুবিধা অনুভব করছেন বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নবগ্রাম উত্তর পাড়ার মৃত আ. মান্নানের দুই ছেলে মিঠু আকন্দ ও মিজু আকন্দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। সোমবার বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয়রা সালিস বৈঠকের আয়োজন করে। বৈঠকে মিঠু আকন্দ উপস্থিত না থাকলেও পরদিন মঙ্গলবার তিনি পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গোপালপুর থানার পক্ষ থেকে যুবদল নেতা আমিনুল ইসলামকে ফোনে থানায় ডাকা হয়। পরে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকতের উপস্থিতিতে থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) কক্ষে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে উত্তেজনা দেখা দিলে আমিনুল ইসলাম ও এসআই রাসেলকে রুম থেকে বের হয়ে যেতে বলা হয়।

আমিনুল ইসলামের অভিযোগ, রুম থেকে বের হওয়ার পর তাকে পাশের আরেকটি কক্ষে নিয়ে এসআই রাসেল হঠাৎ করেই সজোরে থাপ্পড় মারেন। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন এবং কান দিয়ে শোনার ক্ষমতায় সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে এসআই রাসেল মিয়া এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তিনি কারও ওপর শারীরিক আঘাত করেননি।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এসআই রাসেলকে গোপালপুর থানা থেকে প্রত্যাহার করে ক্লোজড করা হয়েছে এবং পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

-রফিক


বরগুনায় ৬ কোটি টাকার সেতু এখন বাঁশের মইয়ে নির্ভর

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ১১:৩০:১৫
বরগুনায় ৬ কোটি টাকার সেতু এখন বাঁশের মইয়ে নির্ভর
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলী উপজেলার আমড়াগাছিয়া ও গুলিশাখালী গ্রামের খালের ওপর প্রায় ৬ কোটি ২২ লাখ টাকার ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি এখনো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলস্বরূপ তিন ইউনিয়নের ২০ গ্রামের প্রায় ৩৫ হাজার মানুষকে প্রতিদিন বাঁশের মই দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সেতুতে উঠানামা করতে হচ্ছে।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে আমড়াগাছিয়া বাজারের পশ্চিম পাশে ৬৬ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৬.৭৭ মিটার প্রস্থের গার্ডার সেতু নির্মাণের চুক্তি হয়। প্রায় ৬ কোটি ২২ লাখ ৫৮ হাজার টাকায় বরিশালের মেসার্স কোহিনূর এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ত্রিপুরা জেডি প্রকল্পটির দায়িত্ব পায়। ২০২৩ সালের ১৯ মে কার্যাদেশ পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালের জুনের আগেই মূল সেতুর কাজ শেষ করে। কিন্তু সংযোগ সড়ক নির্মাণে জটিলতা দেখা দেওয়ায় সেতুটি এখনো চালু হয়নি।

সেতুর পশ্চিম পাশে মাত্র ৫ ফুট দূরে রয়েছে পূর্ব খেকুয়ানী গ্রামের একটি সড়ক। সেতুর উচ্চতা অনুযায়ী সংযোগ সড়ক নির্মাণ করলে ওই সড়কটি বন্ধ হয়ে যাবে। এ কারণে প্রায় ১১ মাস ধরে সেতুটি ব্যবহারযোগ্য হয়নি। ফলে স্থানীয়রা বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী মই ব্যবহার করে চলাচল করছে। এতে বিশেষ করে শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের জীবনের ঝুঁকি বেড়েছে।

সংযোগ সড়ক না থাকায় যানবাহন চলাচল একেবারেই বন্ধ। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে পণ্য পরিবহনের জন্য অতিরিক্ত ১০ কিলোমিটার ঘুরে মহিষকাটা সেতু ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সময় যেমন বাড়ছে, তেমনি পরিবহন খরচও দ্বিগুণ হচ্ছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে এ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, রোগী পরিবহন থেকে শুরু করে কৃষিপণ্য বাজারজাত করায় ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সজিব মিয়া বলেন, “এই সেতুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনটি ইউনিয়নের মানুষ নিয়মিত চলাচল করে। সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেছে, কিন্তু সড়ক না থাকায় সেতুটি অকেজো হয়ে আছে।”

আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পৌর বিএনপির সভাপতি মশিউর রহমান যুগান্তরকে বলেন, “কুকুয়া, চাওড়া ও গুলিশাখালী ইউনিয়নের প্রায় ৪০ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা এই সেতু। তাই দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা করতে হবে।”

আমতলী উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী ইদ্রিস মিয়া জানান, সেতুর উচ্চতা অনুযায়ী সরাসরি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করলে পাশের সড়ক বন্ধ হয়ে যাবে। তাই বিকল্প সমাধান হিসেবে আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এজন্য নতুন নকশা ও বাজেট তৈরি করে প্রকল্প পরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্রুত দরপত্র আহ্বান করে কাজ শুরু করা হবে।

বরগুনা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, “সেতুর মূল কাজ শেষ হয়েছে। এখন কেবল এপ্রোচ সড়কের কাজ বাকি। নকশা পরিবর্তন করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই টেন্ডার করে কাজ শুরু হবে। জানি মানুষ ভোগান্তিতে আছে, তবে অচিরেই সমাধান হবে।”

-রাফসান


গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ: ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ৭ দফা দাবি

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৬ ২১:২১:১১
গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ: ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ৭ দফা দাবি
ছবি: কালের কণ্ঠ

ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের হেনস্তা এবং ‘প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন’-এর অযৌক্তিক ৩ দফা দাবির প্রতিবাদে গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তায় তারা এই কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা সরকারের কাছে ৭ দফা দাবি পেশ করেন।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নগরীর শিমুলতলী সড়কের সিটিটি মোড় থেকে মিছিল নিয়ে তারা চান্দনা চৌরাস্তায় এসে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরোধের পর পুলিশের অনুরোধে রাত পৌনে ৮টার দিকে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও ৭ দফা দাবি

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, স্পর্শকাতর সরকারি বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে যারা দেশের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়াও, যারা কারিগরি শিক্ষা ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অযৌক্তিক ৩ দফা দাবি নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। অন্যথায়, দেশের লক্ষাধিক ডিপ্লোমা প্রকৌশলী এবং পাঁচ লক্ষাধিক পলিটেকনিক শিক্ষার্থী আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এ সময় তারা সরকারের কাছে ৭ দফা দাবি পেশ করেন, যার মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দাবি হলো:

উপ-সহকারী প্রকৌশলী এবং সমমানের পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ছাড়া অন্য কাউকে নিয়োগ বন্ধ করতে হবে।

সকল প্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামোতে সহকারী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের অনুপাত ১:৫ করতে হবে।

ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদ থেকে সহকারী প্রকৌশলী পদে ৩৩ শতাংশ পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন খান জানান, অবরোধের কারণে ঘণ্টাখানেক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি শেষ করে চলে যান।

/আশিক

পাঠকের মতামত: