‘ভাই’ ডাকার জেরে এমন ঘটনা, দেখে অবাক নেটিজেনরা

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ১১ ২০:২১:০১
‘ভাই’ ডাকার জেরে এমন ঘটনা, দেখে অবাক নেটিজেনরা
ছবি: সংগৃহীত

রাখি উৎসবে ভাই-বোনের মজার ঝগড়া ভাইরাল, হাস্যরসের ছোঁয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে

রাখি বন্ধন উপলক্ষে দেশের অনেক পরিবারের ঘরে ঘরে আনন্দের মাতম দেখা যায়। তবে অনেকেই এই উৎসবে মনখারাপের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়েন, কারণ তাদের কোনো ভাই, দাদা কিংবা বোন নেই। মাঝে মাঝে রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও মেয়েরা এমন কাউকে ভাই বলে রাখি পরিয়ে দেন, যা কখনো কখনো হাসির উৎসব হলেও অনেকের চোখে রাগ জন্মায়।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যা নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি স্কুটারে করে যাচ্ছিলেন এক তরুণী ও আরেক যুবক। পথ চলার সময় পাশের আরেক যুবকের সঙ্গে তাদের স্কুটারের সংঘর্ষের সুযোগ তৈরি হয়, কিন্তু তারা সময়মতো সতর্ক হয়ে দুর্ঘটনা এড়াতে সক্ষম হয়। এরপর ওই দুই যুবকের মধ্যে দোষ কার—এই নিয়ে কথাকাটাকাটি শুরু হয়।

হঠাৎ ওই পাশের যুবক বললো, “আমার কোনো বোন নেই, তাই তাকে টেনে আনবেন না।”

এ কথা শুনে তরুণী স্কুটার থেকে নেমে ওই যুবকের কাছে গিয়ে বলেন, “আপনার কোনো বোন নেই, তাই আমি আজ থেকে আপনার বোন হয়ে যাবো। আমি আপনাকে রাখি পরিয়ে দেব।”

যুবক প্রশ্ন করে, “সত্যিই? আপনি আমার বোন হবেন?”

এরপরই অপ্রত্যাশিতভাবে তিনি তরুণীর হাত ধরে চড়-থাপ্পড় শুরু করেন।তরুণীকে মারতে মারতেই যুবক বলেন, কেন পরপুরুষের সঙ্গে স্কুটার করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি? মারতে মারতেই বলেন, এবার পরিবারকেও জানিয়ে দেবেন তার কীর্তি।

এমনকি স্কুটার থেকে ওই যুবককে টেনে নামিয়েও মারধর শুরু করেন ওই যুবক। মারতে মারতে বলেন, ‘তোমার সাহস তো কম নয়। আমার চোখের সামনে দিয়ে আমার বোনের সঙ্গেই ঘোরাঘুরি করছ! কেন ঘুরছিল বলো?’

অবশেষে আহত অবস্থায় তরুণী হাত জোড় করে ক্ষমা চান এবং বলেন, “আমি আর এমন করব না।”

ভিডিওটি মজার ছলে তৈরি হলেও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে এবং নেটিজেনরা নানা রকম মন্তব্য করছেন।

ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন সুলভ মৌলিক নামে এক ব্যক্তি। হাজার হাজার লাইক ও কমেন্ট হয়েছে, যেখানে অনেকেই হাসিমুখে মন্তব্য করেছেন, আবার কেউ বলেছেন, “ভাই-বোনের মধ্যে এমন বন্ধুত্বই হওয়া উচিত।”

নেটিজেনদের মধ্যে ভিডিওটি মজার এবং প্রাঞ্জল বন্ধুত্বের এক চমৎকার উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র : আজকাল


এ দেশে দাম বাড়ে সবকিছুর, কমে শুধু মানুষের: মিজানুর রহমান আজহারি

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ১১:৩৪:২৩
এ দেশে দাম বাড়ে সবকিছুর, কমে শুধু মানুষের: মিজানুর রহমান আজহারি
ছবি : সংগৃহীত

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মায় তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারি। বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের এক স্ট্যাটাসে কমেন্ট করে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। এ দেশে দাম বাড়ে সবকিছুর, কমে শুধু মানুষের।”

আজহারি তাঁর স্ট্যাটাসে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া একাধিক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কথা স্মরণ করেন। তিনি লেখেন, “ঈদের আগে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের পিষ্ট হওয়ার নির্মম দৃশ্য ও কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে প্রাণহানির দৃশ্য এখনো স্মৃতিতে ভাসছে। তার মধ্যে বুধবার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে সংঘটিত দুর্ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন অনেক যাত্রী।” তিনি আরও যোগ করেন যে, এই দৃশ্যগুলো এখন আর দেখা সম্ভব নয় এবং দেশে জীবনের যেন কোনো মূল্যই অবশিষ্ট নেই।

যোগাযোগ ব্যবস্থার নাজুক পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি প্রতিটি জেলায় নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি লেখেন, “দেশের প্রতিটি জেলায় নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিশ্চিত করতে হবে। সব অব্যবস্থাপনা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।” সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।

/আশিক


 মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১২ ২১:৫৮:১০
 মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য মির্জা আব্বাস অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া চেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই শুভকামনা জানান।

ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘মির্জা আব্বাসের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’ তাঁর এই সহমর্মিতামূলক বার্তাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। ওই নির্বাচনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। অন্যদিকে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে অবস্থান করেন। ভোটের লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও অসুস্থতার এই সময়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এমন সৌজন্যবোধ রাজনৈতিক শিষ্টাচারের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বর্তমানে মির্জা আব্বাস এভারকেয়ার হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। তাঁর পারিবারিক সূত্র থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। সংসদীয় ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় দলের নেতা-কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিলেও চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

/আশিক


প্রশাসনে জামায়াত-এনসিপির দুর্গ চুরমার করে দিচ্ছে বিএনপি: রনি

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৫ ১৯:২১:০৪
প্রশাসনে জামায়াত-এনসিপির দুর্গ চুরমার করে দিচ্ছে বিএনপি: রনি
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির বর্তমান সরকার ক্ষমতা লাভের পর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করে যাচ্ছে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তাদের দৃশ্যত তৎপরতা চোখে পড়ার মতো বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি। আজ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।

রনি বলেন যে গত ১৭ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন শাসন কিংবা দীর্ঘ সময়ের আওয়ামী লীগ আমলে মন্ত্রণালয়ের যে স্থবিরতা ছিল, বর্তমান মন্ত্রীরা তা কাটিয়ে উঠতে অত্যন্ত তৎপর। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে গত কয়েকদিনে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে একের পর এক চমক সৃষ্টি করে চলেছেন যা রাজনীতির মাঠে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

গোলাম মাওলা রনি আরও দাবি করেন যে গত ১৭ মাস ধরে প্রশাসনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় জামায়াত এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যে শক্তিশালী দুর্গগুলো তৈরি করেছিল, বর্তমান সরকার সেই দুর্গগুলো তছনছ করে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যেখানেই জামায়াত-এনসিপির লোক ছিল, তাদের টার্গেট করে একটি বিরাট অংশকে ইতিমধ্যে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে এবং অনেকে আবার পরিস্থিতি বুঝে নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ করে চলে গেছেন।

তিনি মনে করেন যে গত মাত্র দুই দিনের মধ্যেই বিএনপি সরকার প্রশাসনিক ক্ষেত্রে মোটামুটি একটা ‘দফারফা’ করে দিয়েছে। বিশেষ করে পুলিশ বাহিনী এবং সিটি করপোরেশনের মতো জায়গাগুলোতে জামায়াত ও এনসিপির যে একক আধিপত্য তৈরি হয়েছিল, সেই আধিপত্য বর্তমানে পুরোপুরি চুরমার করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি তাঁর বিশ্লেষণে উল্লেখ করেন। সরকারের এই হার্ডলাইন অবস্থান এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বিএনপির প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মনে করেন।

/আশিক


‘সেলফি’ ভবিষ্যদ্বাণী মিলল বাস্তবের সঙ্গে

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ১৬:৩৩:২৮
‘সেলফি’ ভবিষ্যদ্বাণী মিলল বাস্তবের সঙ্গে
ছবি: সংগৃহীত

নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছে জুলকারনাইন সায়ের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস, যেখানে তিনি অতীতের একটি ব্যক্তিগত মুহূর্ত স্মরণ করেছেন।

নিজের পোস্টে তিনি লিখেছেন, শেষবার যখন তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা হয়েছিল, তখন মজা করে একটি সেলফি তোলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কারণ পরবর্তী সময়ে তিনি যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অতিক্রম করে এমন স্বতঃস্ফূর্ত ছবি তোলা কঠিন হয়ে যাবে। সময়ের ব্যবধানে সেই কথাই যেন বাস্তবে রূপ নিয়েছে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

তারেক রহমান মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রীয় পদে আসীন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তা ও প্রটোকলের বলয় স্বাভাবিকভাবেই কঠোর হয়ে ওঠে। ফলে ব্যক্তিগত ও অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।

-রাফসান


দেড় বছরের সাধনা ও অধ্যবসায়ের ফল নিয়ে হাজির শায়খ আহমাদুল্লাহ

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ২১:৪৬:০৩
দেড় বছরের সাধনা ও অধ্যবসায়ের ফল নিয়ে হাজির শায়খ আহমাদুল্লাহ
শায়খ আহমাদুল্লাহ (ফাইল ছবি)

দীর্ঘ দেড় বছরের নিরবচ্ছিন্ন সাধনা ও গভীর অধ্যবসায়ের পর নতুন একটি বই প্রকাশের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছেন জনপ্রিয় ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ শিরোনামের এই গ্রন্থে কোরআন ও হাদিসের আলোকে ঈমানের মৌলিক বিষয়গুলো অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি তাঁর ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানান, একসময় বইয়ের প্রতি তাঁর গভীর নিমগ্নতা দেখে এক শিক্ষক তাঁকে মজা করে ‘জিন’ বলে ডাকতেন। নতুন এই বইটি রচনার সময় তিনি আবারও সেই পুরনো ‘বইপাগল’ ছাত্র হিসেবে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন। গত কয়েক মাস প্রায় গৃহবন্দি হয়ে নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি বইটির কাজ শেষ করেছেন। শুরুতে সামগ্রিক ইসলামকে এক মলাটে আনার পরিকল্পনা থাকলেও, বিষয়ের গভীরতা ও ব্যাপ্তির কারণে তিনি শুধু ঈমান নিয়ে এই আলাদা গ্রন্থটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন।

বইটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এর নাম চূড়ান্ত করার আগে শায়খ আহমাদুল্লাহ পাঠকদের মতামত চেয়েছিলেন, যেখানে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ অংশ নেন। তাঁদের মতামতের ভিত্তিতেই ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ নামটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বইটিতে সমকালীন বিভিন্ন কুফর, নিফাকের লক্ষণ এবং বিশ্বাসগত সংকট থেকে উত্তরণের পথ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ঈমান বিষয়ক এই বইয়ের পর পর্যায়ক্রমে ইবাদত, আখলাক ও লেনদেন নিয়ে পৃথক গ্রন্থ প্রকাশের পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।

/আশিক


২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার নিয়ে প্রস্তুত শায়খ আহমাদুল্লাহ: এবার যুক্ত হচ্ছে বিশেষ উপহার

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ০৯:১৬:১১
২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার নিয়ে প্রস্তুত শায়খ আহমাদুল্লাহ: এবার যুক্ত হচ্ছে বিশেষ উপহার
ছবি : সংগৃহীত

বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ দেশের দরিদ্র মানুষের কল্যাণে এক বিশাল উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’ এবারের রমজানে ৩৩ হাজার ৩০০ দরিদ্র পরিবারের জন্য ২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত করছে। শনিবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান যে, নির্বাচনের ছুটির মাঝেও আস-সুন্নাহ স্কিলের শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দিনরাত এই ইফতার সামগ্রী প্যাকেজিংয়ের কাজ করে যাচ্ছেন।

শায়খ আহমাদুল্লাহর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪টি জেলার মোট ৬২৭টি নির্দিষ্ট স্পটে এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে। প্রতিটি পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত ইফতার প্যাকেজে থাকছে ২ কেজি ছোলা, ২ কেজি মসুর ডাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি উন্নত মানের খেজুর এবং ১ কেজি মুড়ি। এটি গত কয়েক বছরের তুলনায় বড় একটি আয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে এবারের আয়োজনে বড় চমক হিসেবে যুক্ত হয়েছে ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়টি। শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, কেবল খাদ্য সহায়তা নয়, বরং রমজানের আমলকে সমৃদ্ধ করতে এবারই প্রথম প্রতিটি ইফতার প্যাকেজের সঙ্গে 'মাহে রমজানের ২৭ আমল' নামক একটি বই উপহার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। এই মানবিক ও ধর্মীয় উদ্যোগের খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে এবং বহু মানুষ এই সেবামূলক কাজের সাথে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

/আশিক


গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শায়খ আহমাদুল্লাহ: দিলেন বিশেষ বার্তা

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ ১১:৪০:৫৪
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শায়খ আহমাদুল্লাহ: দিলেন বিশেষ বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে নিজের সুষ্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে যেকোনো ইতিবাচক সংস্কারে তাঁর সমর্থন রয়েছে।

শায়খ আহমাদুল্লাহ তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে তাঁরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে। তবে এই সংস্কার কার্যক্রম অবশ্যই দেশের ধর্মীয় এবং সামাজিক মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অর্থ কেবল পরিবর্তন নয়, বরং মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি সুন্দর আগামীর অঙ্গীকার করা।

রাষ্ট্র ও নির্বাচিত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এই জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের বিচ্যুতি না ঘটে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের সম্পৃক্ত করারও দাবি জানান তিনি। তাঁর মতে, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলেমদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ধর্মীয় মূল্যবোধের সুরক্ষা দেওয়া সহজ হবে এবং জনমনে আস্থার জায়গা তৈরি হবে।


গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান ড. মিজানুর রহমান আজহারীর

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১০ ১৭:৫৩:৩২
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান ড. মিজানুর রহমান আজহারীর
ছবি : সংগৃহীত

রাষ্ট্র গঠনে ভারসাম্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনপ্রিয় আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদ ড. মিজানুর রহমান আজহারী। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই দেশাত্মবোধক আহ্বান জানান।

নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে ড. আজহারী উল্লেখ করেন, একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে গণভোটে 'হ্যাঁ' দিন। তিনি ইংরেজি অক্ষরে লিখেছেন— "Say ‘YES’ for Future Bangladesh." তার এই আহ্বানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ করা গেছে। অনেকে তার এই অবস্থানকে রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এবারের ভোট উৎসবের ভিন্নতা হলো—সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি 'জুলাই সনদ' অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কার প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, এদিন প্রত্যেক ভোটার দুটি পৃথক ব্যালটে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

১. সংসদীয় ব্যালট: এখানে ভোটাররা তাদের নিজ নিজ সংসদীয় আসনের পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে ভোট দেবেন।

২. গণভোট ব্যালট: এই ব্যালটটি হবে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত। সেখানে প্রস্তাবিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন আছে কি না, সেই প্রশ্নে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ বক্সে সিল দেবেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ড. আজহারীর মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের এই আহ্বান সাধারণ ভোটারদের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে গণভোটের গুরুত্ব বুঝতে এবং সংস্কার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে উৎসাহিত করবে।


পিজ্জা ডেলিভারি করা তরুণকে স্কুলবন্ধুর তাচ্ছিল্য, ভিডিও ভাইরাল

সোশাল মিডিয়া ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ৩১ ১২:৪২:৫৫
পিজ্জা ডেলিভারি করা তরুণকে স্কুলবন্ধুর তাচ্ছিল্য, ভিডিও ভাইরাল
ছবি: সংগৃহীত

জীবিকা নির্বাহের তাগিদে পিজ্জা ডেলিভারির কাজ করেন এক তরুণ। রাস্তায় হঠাৎ দেখা হয়ে যায় স্কুলজীবনের এক বান্ধবীর সঙ্গে। সেই মুহূর্তেই তার পেশাকে কেন্দ্র করে তাচ্ছিল্য ও বিদ্রুপের শিকার হতে হয় তরুণকে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।

যদিও ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং কোথায় বা কবে ঘটনাটি ঘটেছে সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি, তবুও ভিডিওটি ইতোমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ব্যস্ত সড়কের সিগন্যালে স্কুটি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ওই তরুণ। পেছনে পিজ্জা রাখার ডেলিভারি বক্স। ঠিক তখনই সেখানে উপস্থিত হন তার স্কুলের বান্ধবী। তরুণকে দেখামাত্রই তিনি হাসতে শুরু করেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।

ভিডিওতে তরুণীকে তাচ্ছিল্যের সুরে বলতে শোনা যায়, স্কুলজীবনে ওই তরুণ নাকি বন্ধুদের অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও পাঠাতেন। অথচ এখন ৩০ বছর বয়সে তিনি পিজ্জা ডেলিভারির কাজ করছেন। ভিডিওটি তিনি অন্যদেরও দেখাবেন বলেও মন্তব্য করেন। এসব কথা শুনে তরুণকে বিব্রত ও লজ্জিত অবস্থায় হাসতে দেখা যায়।

ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট তরুণ ও তরুণীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, পুরো ঘটনাটি সাজানো ছিল। তবে এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ নেটিজেনদের একটি বড় অংশ। তাদের মতে, জনমতের চাপে পড়েই বিষয়টিকে ‘স্ক্রিপ্টেড’ বলে চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে X–এর একটি অ্যাকাউন্ট থেকে, যার নাম ‘স্যাফরন চার্জার্স’। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি বিপুল সংখ্যক দর্শক দেখেন। লাইক, শেয়ার ও মন্তব্যে ভরে ওঠে পোস্টটি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশিরভাগ প্রতিক্রিয়াই তরুণের পক্ষে গেছে। বহু ব্যবহারকারী তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং তরুণীর আচরণকে নিন্দনীয় ও শিক্ষার অভাবের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন।

একজন নেটিজেন লিখেছেন, “কোনও কাজই ছোট নয়। সংসার চালাতে অনেককেই ডেলিভারি বয়ের কাজ করতে হয়। কাউকে এভাবে অপমান করা মানসিক দীনতার পরিচয়।”

আরেকজন মন্তব্য করেন, “জীবন সব সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে না। কখনও দায়িত্ব হঠাৎ কাঁধে এসে পড়ে। তখন স্বপ্ন থেমে গেলেও দায়িত্ব পালন করাটাই আসল। এই তরুণ বাস্তব জীবনের নায়ক।”

অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন, সামাজিক মর্যাদা কি শুধু পেশার সঙ্গে যুক্ত? পড়াশোনা ও বাস্তব জীবনের সংগ্রামের মধ্যকার এই বৈপরীত্য সমাজের শ্রেণিভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিকেই সামনে এনেছে বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

এই ভাইরাল ভিডিওটি সত্য হোক বা সাজানো এটি একটাই প্রশ্ন সামনে এনেছে: জীবিকা নির্বাহের জন্য পরিশ্রম করা মানুষকে তাচ্ছিল্য করার অধিকার কারও আছে কি না?

সূত্র:আনন্দবাজার

পাঠকের মতামত: