বিশেষ প্রতিবেদন
ভারতের পণ্যে উচ্চ শুল্ক: যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির জন্য সুবর্ণ সুযোগ নাকি সীমিত সম্ভাবনা?

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পাল্টা শুল্ক নীতির কারণে ভারতীয় পণ্যে উচ্চ কর আরোপ হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার রপ্তানি প্রতিযোগিতার মানচিত্র বদলে যেতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, যেটি ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ তিন পোশাক রপ্তানিকারকের মধ্যে রয়েছে, এই পরিবর্তনের ফলে উল্লেখযোগ্য সুযোগ পেতে পারে। তবে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করছেন, এই সুযোগ স্থায়ী নাও হতে পারে যদি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা দ্রুত গড়ে তোলা না হয়।
দুই সপ্তাহ আগেও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক নীতিকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার বাজার-অংশ দখলের পরিকল্পনা করছিল ভারতের ব্যবসায়ীরা। তাঁদের ধারণা ছিল, এই দেশগুলোর পণ্যে বেশি শুল্ক আরোপ হবে, অথচ ভারতীয় পণ্যে তুলনামূলক কম শুল্ক বসবে। কিন্তু ৩১ জুলাইয়ের ঘোষণায় চিত্র পাল্টে যায়। ওইদিন যুক্তরাষ্ট্র কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ১৯ শতাংশ এবং বাংলাদেশের পণ্যে ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করলেও ভারতীয় পণ্যে শুল্ক ধরা হয় ২৫ শতাংশ। এর মাত্র এক সপ্তাহ পর, রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির ‘শাস্তি’ হিসেবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানোর ঘোষণা দেন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় পণ্যে মোট শুল্ক দাঁড়াচ্ছে ৫০ শতাংশে।
যদিও এই অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে ২১ দিন পর, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য পাল্টা শুল্ক ইতোমধ্যে কার্যকর হয়ে গেছে। ভারতীয় রপ্তানিকারকের জন্য এটি বড় ধাক্কা, আর বাংলাদেশের জন্য এটি সম্ভাবনার জানালা খুলে দিয়েছে।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য লাভের খাতসমূহ
শুল্ক বৃদ্ধির ফলে ভারতীয় রপ্তানিকারকেরা কিছু খাতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারাবেন। রপ্তানি সম্ভাবনা বেশি এমন খাতগুলো হলো:
তৈরি পোশাক (RMG) – যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের গড় শুল্ক ৬০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে, যেখানে বাংলাদেশের গড় শুল্ক হবে ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ। এতে নিট ও ওভেন পোশাকে অর্ডার সরতে পারে।
হোম টেক্সটাইল – ভারত গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ২৯৩ কোটি ডলারের হোম টেক্সটাইল রপ্তানি করেছে, বাংলাদেশ মাত্র ১৫ কোটি ডলার। উচ্চমূল্যের পণ্যে অর্ডার সরার সম্ভাবনা বেশি।
কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্য – উচ্চ শুল্কের কারণে ভারতীয় কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যে দাম বাড়বে, যা বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি করবে।
চামড়াজাত পণ্য – ভারতীয় পণ্যে শুল্ক বৃদ্ধি এই খাতে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকারের সুযোগ বাড়াবে।
হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি – মূল্য প্রতিযোগিতায় ভারত পিছিয়ে পড়বে, ফলে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা বাড়তে পারে।
আসবাব – ভারত যুক্তরাষ্ট্রে ১১৫ কোটি ডলারের আসবাব রপ্তানি করেছে, বাংলাদেশ মাত্র ১ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। হাতিলসহ কয়েকটি ব্র্যান্ড সক্ষমতা বাড়ালে বাজার দখলের সুযোগ রয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের সতর্কতা
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মনে করেন, ট্রাম্পের এই শুল্কনীতি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতির পরিপন্থী। রাশিয়া, ভেনেজুয়েলা ও ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনলে অতিরিক্ত শুল্কের হুমকি বাংলাদেশের জন্যও উদ্বেগজনক, কারণ বাংলাদেশ রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করে। এছাড়া অন্য দেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করে রপ্তানি করলে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলকে অস্থিতিশীল করেছে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল শুল্কনীতির কারণে বিদেশি ক্রেতারা তড়িঘড়ি ব্যবসা স্থানান্তর করবে এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তাই বাজার পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
সম্ভাব্য কৌশল
সম্ভাব্য বাজার কৌশলগুলোকে কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি। সর্বপ্রথম, দ্রুত সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। বিশেষ করে পোশাক, হোম টেক্সটাইল এবং আসবাবপত্র খাতে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক মানের গুণমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। এর মধ্যে আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন, দক্ষ জনবল প্রশিক্ষণ এবং গুণগত মান যাচাইয়ের আন্তর্জাতিক সনদপ্রাপ্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এছাড়া, সরকারি নীতি সহায়তা রপ্তানি প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি। কাঁচামাল আমদানিতে বন্ড সুবিধা নিশ্চিত করা, রপ্তানি প্রণোদনার হার বৃদ্ধি, এবং বন্দর ও লজিস্টিক অবকাঠামো উন্নয়ন এই খাতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে কাস্টমস প্রক্রিয়া দ্রুততর করা ও সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করার পদক্ষেপ নিতে হবে।
বাজার গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন ও বজায় রাখা অপরিহার্য। পাশাপাশি বাজার প্রবণতা ও চাহিদার পরিবর্তন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং শুল্ক নীতির যেকোনো পরিবর্তন দ্রুত শনাক্ত করে তার ভিত্তিতে রপ্তানি কৌশল হালনাগাদ করতে হবে।
বৈচিত্র্যকরণও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। শুধুমাত্র তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভর না করে চামড়াজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি, এবং হোম ডেকর পণ্যের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে বাজার সম্প্রসারণ করতে হবে। এর ফলে একদিকে বাজারের ঝুঁকি কমবে, অন্যদিকে আয় বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
সবশেষে, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের সাথে স্থায়ী সরবরাহ সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন। এতে শুধু অর্ডারের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে না, বরং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতি ক্রেতাদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। স্থায়ী ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরির জন্য নির্ভরযোগ্য ডেলিভারি, মানসম্মত পণ্য এবং প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নীতি বজায় রাখা হবে মূল চাবিকাঠি।
আবারও কমলো সোনার দাম, ভরিতে বড় পতন
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যে আবারও বড় ধরনের অস্থিরতায় পড়েছে আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজার। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। ফলে নতুন করে কমানো হয়েছে সোনার দাম।
আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার (২১ মে) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৫৩৬ দশমিক ৭২ ডলারে নেমে আসে। যদিও একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের জুন ডেলিভারি গোল্ড ফিউচারস সামান্য বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৩৭ দশমিক ৯০ ডলারে পৌঁছায়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে বৈশ্বিক বাজারে নিরাপদ বিনিয়োগের ধরণ বদলাতে শুরু করেছে। একদিকে তেলের উচ্চমূল্য মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে মার্কিন ডলার শক্তিশালী থাকায় স্বর্ণের বাজারে চাপ তৈরি হচ্ছে।
Bybit–এর প্রধান বাজার বিশ্লেষক হান তান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Reuters–কে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের পর মার্কিন ডলার শক্ত অবস্থানে থাকায় স্বর্ণের দাম এখনো বড় উল্লম্ফন করতে পারছে না। তার মতে, মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি ও কড়াকড়ি মুদ্রানীতির কারণে স্বর্ণের বাজার একটি সীমিত পরিসরে আটকে গেছে।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের Federal Open Market Committee–এর সর্বশেষ বৈঠকের কার্যবিবরণীতে সুদের হার নিয়ে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত মিলেছে। এতে স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কিছুটা কমেছে।
বাজারসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাত শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ১৪ শতাংশের বেশি কমেছে। একই সময়ে জ্বালানি তেলের দামের ঊর্ধ্বগতিও বাজারে নতুন চাপ তৈরি করেছে।
শুধু স্বর্ণ নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও পতন দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৫ দশমিক ৬০ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৪৩ দশমিক ২৫ ডলারে। তবে প্যালাডিয়ামের দাম অপরিবর্তিত থেকে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩৬৯ দশমিক ৪৮ ডলারে স্থির ছিল।
এদিকে দেশের বাজারে নতুন স্বর্ণদর ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।
-রফিক
ডলার থেকে ইউরো, জেনে নিন আজকের কারেন্সি রেটের লেটেস্ট আপডেট
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন। প্রবাসী আয় তথা রেমিট্যান্স দেশে পাঠানো ও ব্যবসায়িক আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের সুবিধার্থে প্রতিদিনই বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে ২০২৬) দেশের ব্যাংকিং চ্যানেল ও মানি এক্সচেঞ্জগুলোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার আনুষ্ঠানিক ক্রয় ও বিক্রয় হার প্রকাশ করা হয়েছে।
আজকের সর্বশেষ রেট অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান মুদ্রা ইউএস ডলারের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য উভয়ই নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর ক্রয়মূল্য ১৪৩ টাকা ৩৪ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪৩ টাকা ৩৫ পয়সা।
অন্যদিকে ব্রিটেনের পাউন্ড স্টার্লিং আজ কেনা হচ্ছে ১৬৫ টাকা ৩৮ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকা ৪৫ পয়সায়।
এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী মুদ্রা জাপানি ইয়েনের ক্রয় ও বিক্রয় দর আজ সমান, যা প্রতি ইয়েনে মাত্র শূন্য দশমিক ৭৭ টাকা (৭৭ পয়সা)।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বাণিজ্যিক হাব সিঙ্গাপুরের ডলার আজ কেনা হচ্ছে ৯৫ টাকা ৭৭ পয়সায় এবং বিক্রি করা হচ্ছে ৯৫ টাকা ৮২ পয়সায়।
অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্রয়মূল্য ৮৭ টাকা ৩৫ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৮৭ টাকা ৩৬ পয়সা।
এছাড়া বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ চীনের মুদ্রা বা চাইনিজ ইউয়ানের ক্রয়মূল্য আজ ১৭ টাকা ৯২ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৭ টাকা ৯৩ পয়সা।
বাংলাদেশের প্রতিবেশি দেশ ভারতের মুদ্রা বা ইন্ডিয়ান রুপির ক্রয় ও বিক্রয় হার আজ অপরিবর্তিত রয়েছে, যা প্রতি রুপিতে ১ টাকা ২৯ পয়সা।
তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারের অস্থিরতার কারণে যেকোনো সময় এই বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে বিধায় লেনদেনের আগে ব্যাংকের লাইভ রেট চেক করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
/আশিক
চলতি বছরেই ৬৭ বার দামের খেলা! দেশের বাজারে বাজুসের স্বর্ণের মূল্যে নতুন রেকর্ড
টানা কয়েক দফা কমার পর দেশের বাজারে আবারও আকাশচুম্বী হতে শুরু করেছে স্বর্ণের দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার অজুহাতে এবার ভরিতে এক ধাক্কায় ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
নতুন এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের ইতিহাসে রেকর্ড গড়ে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত এই চড়া দাম আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই দেশজুড়ে কার্যকর করা হয়েছে।
বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা। এর আগে মাত্র একদিন আগে অর্থাৎ গত ২০ মে সকালে সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করার সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছিল বাজুস; যার ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নেমেছিল ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকায়।
কিন্তু মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সেই কমানো দাম উধাও হয়ে স্বর্ণের বাজার আবারও পুরনো চড়া অবস্থানে ফিরে গেল। এই নিয়ে চলতি বছরে দেশের বাজারে রেকর্ড মোট ৬৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করল বাজুস, যার মধ্যে ৩৬ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩১ দফা কমানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিগত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দামের হেরফের করা হয়েছিল।
স্বর্ণের দাম বাজুসের ইচ্ছেমতো দফায় দফায় বাড়লেও দেশের বাজারে রুপার দাম বর্তমানে সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রেখেছে সংগঠনটি। নতুন তালিকায় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৪১ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম মোট ৩৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২১ বার দাম বেড়েছে এবং ১৮ বার কমেছে। বাজুস জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও স্থানীয় বাজারের সাপ্লাই চেইনের ওপর ভিত্তি করেই এই দ্রুত দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তবে বিয়ের মরসুমে হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
/আশিক
তৃতীয় বছরে মিলবে নতুন বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা: নবম পে-স্কেলের ভেতরের খবর
দেশের লাখ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া নতুন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর থেকেই কার্যকর হচ্ছে বহুল আলোচিত ‘নবম পে-স্কেল’ বা নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো। তবে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে এই বিশাল আর্থিক বোঝা একবারে না চাপিয়ে আগামী তিন বছরে ধাপে ধাপে (Phasewise) এই বেতন কাঠামো পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার মহাপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট সংক্রান্ত দুটি হাই-প্রোফাইল বৈঠকে এই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ছকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী বাজেটে নতুন বেতন কাঠামোর বাস্তবায়ন নিশ্চিতভাবে শুরু হচ্ছে।
একটি জাতীয় দৈনিকের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের কমিটির সুপারিশকেই মূল ভিত্তি হিসেবে আমলে নিচ্ছে। কমিটির ফর্মুলা অনুযায়ী, তিন অর্থবছরে তিন ধাপে এই পে-স্কেল কার্যকর হবে।
প্রথম দুই অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন (Basic Salary) বাড়ানো হবে ৫০ শতাংশ করে এবং চূড়ান্ত বা তৃতীয় অর্থবছরে গিয়ে নতুন স্কেল অনুযায়ী বাড়িভাড়াসহ নানাবিধ ভাতা যোগ করা হবে। সহজ সমীকরণে, জুলাই থেকে কোনো কর্মকর্তার মূল বেতন যদি ৫০ হাজার টাকা হয়, তবে এই ফর্মুলায় তিনি জুলাই মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ৭৫ হাজার টাকা মূল বেতন পাবেন। এর পরের বছর (দ্বিতীয় বছর) থেকে তাঁর মূল বেতন উন্নীত হবে ১ লাখ টাকায়; যদিও এই প্রথম দুই বছর তিনি ভাতা পাবেন আগের পুরনো স্কেল অনুসারেই।
এরপর তৃতীয় বছরের জুলাইয়ে গিয়ে ওই কর্মকর্তা বর্ধিত মূল বেতনের পাশাপাশি নতুন কাঠামো অনুযায়ী বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, উৎসব ও শিক্ষা ভাতাসহ সকল সুযোগ-সুবিধা এবং পেনশনের বাড়তি সুবিধা ভোগ করতে শুরু করবেন। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে স্পষ্ট জানান, “বাস্তবায়ন এই বাজেটেই নিশ্চিতভাবে শুরু হবে, তবে তা ধাপে ধাপে নাকি কমিটির সুপারিশের হুবহু মডেলে হবে, সেটির শেষ মুহূর্তের টেকনিক্যাল কথাবার্তা চলছে।”
কমিটির সুপারিশে মূল বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি ভাতার অঙ্কেও বড় ধরণের পরিবর্তনের আভাস দেওয়া হয়েছে। যেমন, সরকারি চাকরিজীবীরা এতদিন মূল বেতনের ২০ শতাংশ ‘বৈশাখী ভাতা’ পেয়ে আসছিলেন, যা বাড়িয়ে এক লাফে ৫০ শতাংশ করার জোর সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া এতদিন যাতায়াত ভাতা কেবল ১১তম থেকে ২০তম ধাপের কর্মচারীরা পেলেও নতুন পে-স্কেলে তা ১০ম থেকে ২০তম ধাপ পর্যন্ত বিস্তৃত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্ত বেতন কত শতাংশ বাড়বে বা কমিশনের মূল প্রস্তাবের তুলনায় কোনো কাটছাঁট করা হবে কিনা, তা এখনো পুরোপুরি উন্মোচিত হয়নি।
এ প্রসঙ্গে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান বিবিসি বাংলাকে বলেন, “কমিশন বা কমিটি কেবল তাদের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ জমা দেয়। কিন্তু দেশের সার্বিক রাজস্ব আয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদ এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতা পর্যালোচনা করে শেষ পর্যন্ত কোন ধাপে এবং কত শতাংশ হারে বেতন বাড়ানো হবে—সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও টাইমিং সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সরকারের নিজস্ব এখতিয়ার, এর সাথে কমিশনের সরাসরি কোনো দায়বদ্ধতা থাকে না।”
তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা
বেতন বৈষম্য কমছে: নতুন পে স্কেলে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা
উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে চরম হিমশিম খাওয়া নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বড় ধরণের বাড়তি সুবিধা রাখার মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছে সরকার। নতুন পে স্কেল বা বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এই শ্রেণির কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলক অনেক বেশি রাখার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে নীতিগত আলোচনা চলছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকেই নবম পে স্কেলের ঐতিহাসিক প্রথম ধাপ কার্যকর হবে, যেখানে সরকারি কর্মীরা বিদ্যমান মূল বেতনের (Basic Salary) ওপর এক ধাক্কায় অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ সমন্বিত বেতন পাবেন। পরবর্তী অর্থবছরে দ্বিতীয় ধাপে বাকি ৫০ শতাংশ যুক্ত হয়ে দুই বছরের মধ্যে মূল বেতনের শতভাগ সমন্বয় সম্পন্ন হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র এবং বেতন ও চাকরি কমিশনের খসড়া কার্যবিবরণী থেকে জানা গেছে, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, বিশেষ প্রণোদনা, ঝুঁকি ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাগুলো প্রথম বছর একযোগে কার্যকর করা হচ্ছে না। কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ অনুযায়ী, এসব আনুষঙ্গিক ভাতা ও অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা তৃতীয় বছর অর্থাৎ ২০২৮-২৯ অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তবে অন্তর্বর্তীকালীন এই সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যমান আগের সকল ভাতা ও সুবিধা যথানিয়মে বহাল থাকবে।
একসঙ্গে সব সুবিধা কার্যকর করলে সরকারের ওপর আকস্মিক বিশাল আর্থিক ও বাজেট চাপ তৈরি হতে পারে বলেই রাজস্ব পরিস্থিতি বিবেচনা করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের এই কৌশলী পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।
সরকারের এই ৩ ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সাবেক অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ এবং পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ মন্তব্য করেছেন, কয়েক বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রকৃত আয় যেভাবে কমেছে, তাতে এটি অত্যন্ত যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ।
নতুন এই মেগা পে স্কেলের আওতায় প্রশাসন ক্যাডারের পাশাপাশি শিক্ষক, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, মাঠ প্রশাসন, বিচার বিভাগীয় কর্মচারীসহ দেশের সকল সরকারি স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। এছাড়াও বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক বেতন বৈষম্য কিছুটা কমিয়ে আনার বিষয়েও বিশেষ সুপারিশ থাকছে। এদিকে, নতুন কাঠামোয় সবচেয়ে বড় সুখবর আসছে দেশের লাখো পেনশনভোগী প্রবীণ নাগরিকদের জন্য। সাবেক সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন পেনশনের হার ক্ষেত্রবিশেষে শতভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধির যুগান্তকারী সুপারিশ করেছে।
কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। এছাড়া ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন বৃদ্ধির জোরালো সুপারিশ করা হয়েছে, যা আগামী বাজেটেই চূড়ান্ত রূপ পেতে যাচ্ছে।
/আশিক
তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় দেশের বাজারে সোনার মূল্যে বড় ছাড়
বিশ্ববাজারে অস্থিতিশীলতা ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম আকস্মিক কমে যাওয়ার জেরে দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে এক ধাক্কায় সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করেছে।
গত শনিবার (১৬ মে) সকালে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই দর ঘোষণা করা হয়, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই দেশব্যাপী কার্যকর হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত এই বিশেষ হ্রাসকৃত দামেই আজ বুধবার (২০ মে) দেশের বাজারে সোনা কেনাবেচা হবে।
বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, আজ বুধবার থেকে বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২১ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকায়। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা মিলবে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায়। উল্লেখ্য, এর মাত্র একদিন আগে গত ১৫ মে সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস; কিন্তু স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দর দ্রুত কমতে থাকায় পরদিনই আবারও বড় ছাড় দিতে বাধ্য হয় সংগঠনটি।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতার কারণে চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রেকর্ড ৬৫ বার সোনার দাম সমন্বয় করেছে বাজুস, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হলেও কমানো হয়েছে ৩০ বার। অন্যদিকে বিগত ২০২৫ সালেও দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৯৩ বার সোনার দাম ওঠানামা করেছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়লেও কমানো হয়েছিল মাত্র ২৯ বার।
/আশিক
মামলা থেকে বাঁচতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা এখন ভুঁইফোঁড় সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সাংবাদিক পরিচয়ে সাধারণ মানুষের ওপর সরাসরি নির্যাতনে জড়িত এবং বর্তমানে আইনি মামলার মুখে পড়া নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের একটি অংশ এখন রাজনৈতিক সুবিধা পেতে ভুঁইফোঁড় গণমাধ্যমের কার্ড ও পরিচয় প্রকাশ্যে ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বর্তমান সরকারের সফল তিন মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক হাই-ভোল্টেজ প্রেস ব্রিফিংয়ে গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের নামে হওয়া বিভিন্ন মামলা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই বিস্ফোরক তথ্য ফাঁশ করেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর সাংবাদিকদের নামে যেসব মামলা দায়ের হয়েছে, সেগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখতে ও পর্যালোচনা করতে একটি স্বাধীন ‘মিডিয়া কমিশন’ গঠনের আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে চলছে। এই মেগা কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও সুপারিশ পাওয়ার পরেই সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ ও মন্তব্য করবে। মন্ত্রী আরও জানান, বিগত সময়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গঠিত একটি বিশেষ পর্যালোচনা কমিটি মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের কাছ থেকে সরাসরি লিখিত অভিযোগ সংগ্রহ করে, যেখানে এখন পর্যন্ত মোট ৯২ জন সাংবাদিক তাঁদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা থাকার তথ্য প্রমাণ জমা দিয়েছেন।
তবে এই বিপুল সংখ্যক মামলার আইনি মেরিট ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, সব মামলার বাদী কিন্তু সরকার নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তিগত বা স্থানীয় সামাজিক বিরোধ থেকে সাধারণ নাগরিকরা এসব মামলা দায়ের করেছেন। একই সাথে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা হয়েছে, তাদের সবার মূল পেশাগত পরিচয়ও কিন্তু সাংবাদিকতা নয়। অনেকে সরাসরি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রথম সারির পদে যুক্ত থেকে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম ও ফ্যাসিবাদের সহিংস কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন এবং এখন বাঁচার তাগিদে বা রাজনৈতিক সুবিধা নিতে সাংবাদিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার অপচেষ্টা করছেন।
দেশের গণমাধ্যম জগৎকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও কলঙ্কমুক্ত করতে মন্ত্রণালয়ের আগামী দিনের মেগা পরিকল্পনার কথা জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আগামী জুনের মধ্যেই একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ পরামর্শ কমিটি গঠন করে মিডিয়া কমিশনের একটি শক্তিশালী আইনি খসড়া চূড়ান্ত করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক গণমাধ্যম ব্যবস্থার জন্য একটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক স্থায়ী কাঠামো তৈরি করার মহাপরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
তিনি আরও যোগ করেন, ভঙ্গুর ও অকার্যকর হয়ে পড়া প্রেস কাউন্সিলকে ঢেলে সাজিয়ে আরও কার্যকর করা হবে এবং সামগ্রিক গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের অরাজকতা দূর করে কঠোর শৃঙ্খলা আনা হবে। সরকারের উচ্চমহলের মতে, বর্তমান গণমাধ্যম ব্যবস্থায় সিন্ডিকেট ও যে চরম অরাজকতা বিরাজ করছে, তা সম্পূর্ণ উপড়ে ফেলে একটি নিয়মিত, স্বচ্ছ ও পেশাদার কাঠামোর মধ্যে আনার এই ঐতিহাসিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
/আশিক
খোলা বাজারে ডলার ও পাউন্ডের দামে নতুন রেকর্ড, হু হু করে বাড়ছে টাকার মান
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধারাবাহিক সম্প্রসারণ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশির সুবিধার্থে প্রতিদিনের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) বৈধ পথে দেশে পাঠানো এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক লেনদেন সহজ করার লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) দেশের ব্যাংকিং চ্যানেল ও খোলা বাজারে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ অফিসিয়াল বিনিময় হার তুলে ধরা হলো
আজকের বাজার দর অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান মুদ্রা মার্কিন ডলারের (US Dollar) বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২১ টাকা ৬৯ পয়সা।
ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো (Euro) বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ টাকা ০২ পয়সায় এবং ব্রিটেনের পাউন্ডের (UK Pound) মান দাঁড়িয়েছে ১৬৩ টাকা ৯৫ পয়সা।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসা সৌদি রিয়াল (Saudi Riyal) আজ ৩২ টাকা ৭৯ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে, আর বরাবরের মতোই সর্বোচ্চ মূল্যে থাকা কুয়েতি দিনারের (Kuwaiti Dinar) বিনিময় হার ৩৯৯ টাকা ৮৬ পয়সা।
এছাড়া অন্যান্য প্রধান মুদ্রাগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ১৫ পয়সা, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা এবং ভারতীয় রুপি ১ টাকা ২৪ পয়সায় বিনিময় হচ্ছে।
দূরপ্রাচ্য ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে কানাডিয়ান ডলার ৮৭ টাকা ০২ পয়সা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৮ টাকা ২৫ পয়সা।
তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারের অস্থিরতার কারণে যেকোনো সময় এই বিনিময় হার ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
/আশিক
আজকের গোল্ড আপডেট: মঙ্গলবার দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে সোনার নতুন দাম
দেশের বাজারে আবারও বড় ধরনের পতন ঘটেছে সোনা ও রুপার দামে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাওয়ায় বাজুস ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে এক ধাক্কায় ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়েছে। এর ফলে দেশের বাজারে রেকর্ড দামের পর অবশেষে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম নেমে এসেছে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার নিচে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) থেকে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত এই নতুন মূল্য দেশজুড়ে কার্যকর হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার (১৬ মে) সকালে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয়, যা সেদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর ছিল এবং আজ মঙ্গলবারও সেই একই সমন্বিত মূল্যে সোনা কেনাবেচা চলছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা এখন থেকে বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায়।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৫ মে সোনা সর্বশেষ সমন্বয়ের সময় ২২ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশে রেকর্ড ৬৫ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হলো, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে এবং ৩০ বার কমেছে। অন্যদিকে, বিগত ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সোনার দাম পরিবর্তন করা হয়েছিল।
সোনার পাশাপাশি মধ্যবিত্তের স্বস্তির খবর দিয়ে এক ধাক্কায় কমেছে রুপার দামও। ভরিতে ১১৭ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৪১ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রুপার দাম মোট ৩৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২১ বার বেড়েছে এবং ১৮ বার কমেছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের অস্থিরতার কারণেই সোনা-রুপার বাজারে এই ঘনঘন দামের ওঠানামা চলছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ইরান যুদ্ধে ড্রোন ধ্বংসে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের
- ইরানে ধাক্কা খেয়ে চীনের সামনে দুর্বল আমেরিকা?
- আবারও কমলো সোনার দাম, ভরিতে বড় পতন
- দূষণে আবারও বিশ্বের শীর্ষ তালিকায় ঢাকা
- ঈদের দিনে কেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া
- আজ মিলবে যে দিনের ঈদ ট্রেনের অগ্রিম টিকিট
- আজ ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ সূর্যাস্ত কখন? নামাজের সময় জানুন একনজরে
- শুভেন্দু অধিকারীর পুশব্যাক হুমকির পর বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজরদারির নির্দেশ
- এবার ফেসবুক পেজে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন মেগাস্টার শাকিব খান
- রামিসার মা-বাবার পাশে দাঁড়াতে আজ রাতেই পল্লবীর বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- আগামীকাল টানা ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- প্রধানমন্ত্রীর কাছে জাস্টিস কার্ড চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ
- চরভদ্রাসনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২৬ পালিত
- ফেসবুকের ট্রেন্ড এবার ফিফার পাতায়: নেইমারের ছবিতে বাংলা ডায়ালগ নিয়ে তোলপাড়
- ক্রীড়াঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ: শিশু হত্যার প্রতিবাদে এককাট্টা জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা
- ঈদের ছুটিতে মেট্রোর ট্রিপ বিন্যাস ও সময়সূচি বদল
- এক বছরেই সব স্থানীয় নির্বাচন, রক্তপাত বন্ধ করাই ইসির মূল চ্যালেঞ্জ: সিইসি
- এক বছরেই সব স্থানীয় নির্বাচন, রক্তপাত বন্ধ করাই ইসির মূল চ্যালেঞ্জ: সিইসি
- ইউরেনিয়াম দেশেই থাকবে; ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর প্রধান শর্ত উড়িয়ে দিলেন মোজতবা খামেনি
- রামিসার খুনি ২৪ ঘণ্টাতেই গ্রেপ্তার, এবার গুরুত্ব পাচ্ছে তনু হত্যা মামলা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল, ধীরে ধীরে ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান
- আমি কন্যাসন্তানের বাবা, খবরটি হৃদয়বিদারক: পল্লবী ট্র্যাজেডিতে স্তব্ধ তারকা ক্রিকেটার
- সচিবালয়ে নতুন দুই মন্ত্রীর সাথে আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: বড় খবরের আভাস
- ২১ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২১ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২১ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- অনুমতি মিলতে লাগবে এক সপ্তাহ: বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে ইরানের নতুন শর্তের বড় ধাক্কা
- ডলার থেকে ইউরো, জেনে নিন আজকের কারেন্সি রেটের লেটেস্ট আপডেট
- পশ্চিমবঙ্গের সব মাদরাসায় এবার বাধ্যতামূলক হলো বন্দে মাতরম গান
- ধর্ষণ ও শিশু হত্যা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, দীর্ঘদিনের নৈতিক অবক্ষয়ের ফল: মির্জা ফখরুল
- পল্লবীর লোমহর্ষক শিশু হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুততম সময়ে শেষ করার ঘোষণা
- আজ বৃহস্পতিবার: ঘরের বাইরে বের হওয়ার আগে জেনে নিন ঢাকার বন্ধ মার্কেটের তালিকা
- আবহাওয়া অফিসের ১২০ ঘণ্টার বিশেষ বার্তা
- চলতি বছরেই ৬৭ বার দামের খেলা! দেশের বাজারে বাজুসের স্বর্ণের মূল্যে নতুন রেকর্ড
- আমেরিকার পর এবার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হতে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প
- আজ টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- চুক্তি সইয়ের আগে ইরানের ওপর থেকে এক চুলও নিষেধাজ্ঞা কমাবে না যুক্তরাষ্ট্র
- মাছ-কার্ড বাদ দিয়ে তারেক রহমানেরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চালানো উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- রাজশাহীতে মেগা পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের ঐতিহাসিক ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- কাতার বিশ্বকাপের প্রাইজমানি এক টাকাও নিজের জন্য নেননি ফুটবল জাদুকর মেসি
- তৃতীয় বছরে মিলবে নতুন বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা: নবম পে-স্কেলের ভেতরের খবর
- কালিগঞ্জে মাত্র ৫৪০ টাকায় চাল-ডাল-তেল-চিনির মেগা প্যাকেজ দিল টিসিবি
- চরভদ্রাসন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা
- ঈদুল আজহার পশুর হাটে মূল আকর্ষণ মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের ৭৬ কেজি ওজনের দানব ছাগল
- ইরান এখন বিশ্বমঞ্চে প্রভাবশালী পরাশক্তি: মোজতবা খামেনি
- এক বছরের অপেক্ষা শেষ: চলতি সপ্তাহেই বাজারে আসছে ট্রাম্প ফোন
- মেলোনিকে মেলোডি চকলেট উপহার মোদির: রোমের বৈঠকের ভিডিও ভাইরাল
- জামায়াতকে এ দেশের মানুষ কখনো ক্ষমতায় বসাবে না: মির্জা ফখরুল
- ১৮ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পুর্নাংগ বিশ্লেষণ
- কুমিল্লায় সুজনের সভা: গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা
- হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের বিরল ঐকমত্য
- টয়লেটে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন ও হত্যা: পল্লবীর শিশু খুনের রোমহর্ষক জবানবন্দি
- টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দিশেহারা পাকিস্তান: সিলেট টেস্টের রোমাঞ্চকর দ্বিতীয় দিন
- যে ৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আশঙ্কা
- লিভার ফেইলিউরের সাথে লড়ে হেরে গেলেন অভিনেত্রী কারিনা কায়সার
- ইরান প্রশ্নে বেইজিংয়ের কাছ থেকে নিশ্চিত বার্তা পেল না ওয়াশিংটন
- দ্রুতই মাথা উঁচু করে দেশে ফিরব: আনন্দবাজারের সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা
- ঘরেই বানান মজাদার কাঁচা আমের ঝাল আচার
- ২১ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৯ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার








