জোট বাদ দিয়ে নতুন যে কৌশল নিচ্ছে জামায়াত: উদ্দেশ্য একাধিক দলের অংশগ্রহণ বাড়ানো

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ০৭ ১১:০৭:১৫
জোট বাদ দিয়ে নতুন যে কৌশল নিচ্ছে জামায়াত: উদ্দেশ্য একাধিক দলের অংশগ্রহণ বাড়ানো
ছবিঃ সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সমমনা ইসলামি দলগুলোর একটি আনুষ্ঠানিক জোট হওয়ার কথা থাকলেও, সেই জোট হচ্ছে না। এর পরিবর্তে সমমনা দল ও ব্যক্তিদের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন করবে জামায়াত। দলগুলোর মধ্যে শরিয়াহ আইন চালুর বিষয়ে পদ্ধতিগত ঐকমত্য না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বুধবার সিলেটে এক বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "আমরা কোনো জোট করছি না। নির্বাচনি সমঝোতার ভিত্তিতে এগোব। প্রতিটি জায়গায় একটি বাক্স থাকবে, এই নীতিতেই আমরা কাজ করছি।" তবে তিনি এই বিষয়ে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবিসিকে বলেছেন, তারা প্রচলিত কাঠামোগত জোট করছেন না। তিনি বলেন, সমমনা দলগুলোর সঙ্গে বসে তারা এটি নিশ্চিত করবেন যেন একই আসনে একাধিক প্রার্থী না থাকে। জামায়াত ও সমমনাদের মধ্যে আসনভিত্তিক সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে বেশ কিছুদিন ধরে।

জামায়াতে ইসলামীর প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের যুগান্তরকে বলেন, প্রচলিত জোট বলতে যা বোঝায়, তেমন কোনো জোট হবে না। আসনভিত্তিক সমঝোতা হবে। যে আসনে সমমনাদের এক দলের প্রার্থী থাকবে, সে আসনে অন্য দলের প্রার্থী থাকবে না। শুধু দল নয়, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকেও এক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হবে। অন্যান্য দল এবং ব্যক্তির জন্য জামায়াত কত আসন ছাড়বে, সে বিষয়ে তিনি জানান, "এখনো সে সময় আসেনি।"

শরিয়াহ আইন ও কৌশলগত কারণ

সমমনা অন্য একটি ইসলামী দলের দায়িত্বশীল সূত্র দাবি করেছে যে, শরিয়াহ আইন চালুর বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে পদ্ধতিগত মতপার্থক্য রয়েছে। জামায়াত মনে করে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং ইসলামী আইনের শাসন পর্যায়ক্রমে চালু করতে হবে। অন্যান্য দল কিছুটা কট্টর হলেও একবারে সম্ভব নয় বলে তারা বিশ্বাস করে।

জোটের পরিবর্তে সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচনের আরেকটি কৌশলগত কারণ হলো, আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কতটা অংশগ্রহণমূলক হলো, তা বহির্বিশ্বের কাছে তুলে ধরা। সবাই আলাদা আলাদা নির্বাচন করলে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা হবে বেশি, যা নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে সহায়তা করবে।

সংশোধিত আরপিও অনুসারে, জোটবদ্ধ নির্বাচন করলেও প্রার্থীরা একটি দলের প্রতীকে অতীতের মতো নির্বাচন করতে পারবে না, বরং নিজ নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে। এই কারণেও জামায়াতসহ সমমনারা আসন সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন করার পথে হাঁটছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ইসলামপন্থি দলগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার চেষ্টা করছিল জামায়াত। এর ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াত ও আরও সাতটি সমমনা দল সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে একযোগে কর্মসূচি পালন করেছে।


কোনো দুর্বলতা দেখানোর সুযোগ নেই: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ০৯:০২:২০
কোনো দুর্বলতা দেখানোর সুযোগ নেই: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টা ৫০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাধারণ জনগণের পাশে শক্ত হয়ে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো ধরনের অপশক্তির কাছে মাথা নত করা হবে না এবং যেখানেই অন্যায় হবে সেখানেই তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

জামায়াত আমির তাঁর বার্তায় অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ দলের উশৃঙ্খল কর্মীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভাই-বোনদের ওপর বর্বরোচিত হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালাচ্ছে। বিশেষ করে ১১ দলীয় জোটের প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নারীদের শ্লীলতাহানির মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এমন পরিস্থিতিতে ন্যায় ও সত্যের ওপর অটল থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “মজলুমের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করা মানবতার দাবি, মহান আল্লাহকে ভালোবাসার দাবি এবং দেশকে ভালোবাসার দাবি।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ডা. শফিকুর রহমান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচনোত্তর এই সহিংসতা প্রতিরোধে কোনো ধরনের দুর্বলতা প্রদর্শনের সুযোগ নেই। যেখানেই আঘাত আসবে, সেখানেই জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এবং দেশপ্রেমের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জামায়াতের প্রতিটি কর্মীকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি। আমিরের এই সাহসী বার্তা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা মূলত কর্মীদের মাঠ পর্যায়ে শান্ত থাকার পাশাপাশি আত্মরক্ষারও ইঙ্গিত দিচ্ছে।

/আশিক


মঙ্গলবারই কি শপথ নিচ্ছে নতুন সরকার

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ০৮:১১:১৪
মঙ্গলবারই কি শপথ নিচ্ছে নতুন সরকার
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার একদিনের মধ্যেই বিজয়ীদের নাম উল্লেখ করে গেজেট প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে নবগঠিত সরকারের শপথ গ্রহণ এবং সংসদের কার্যক্রম শুরু করার সময়সূচি।

নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলোর ইঙ্গিত অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে পারে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবে প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং সাংবিধানিক ধাপগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সংবিধান অনুসারে, প্রথমে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর মনোনীত মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। তবে এবারের প্রেক্ষাপটে শপথ কে পাঠ করাবেন এবং কোন ক্রমে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে তা নিয়ে কিছু আইনি ব্যাখ্যার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

-রফিক


রক্তাক্ত রাজপথ থেকে এখন সংসদ ভবনে ভিপি নুর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ২১:৪৪:০৯
রক্তাক্ত রাজপথ থেকে এখন সংসদ ভবনে ভিপি নুর
ছবি : সংগৃহীত

২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে উঠে আসা তরুণ ছাত্রনেতা নুরুল হক নুর এখন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের একজন নির্বাচিত সদস্য। পটুয়াখালী-৩ আসন থেকে বিএনপি জোটের সমর্থনে 'ট্রাক' প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন এই সাবেক ডাকসু ভিপি। পটুয়াখালীর গলাচিপার এক সাধারণ কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা নুরের এই রাজনৈতিক যাত্রা ছিল হামলা, মামলা আর নিরন্তর নির্যাতনের এক রক্তঝরা ইতিহাস। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার শাসনামলে ছাত্রলীগের নৃশংস হামলার শিকার হয়ে বারবার রক্তাক্ত হয়েছেন তিনি, কিন্তু পিছু হটেননি।

২০১৯ সালে ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়েই জাতীয় রাজনীতির পাদপ্রদীপে চলে আসেন নুর। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানেও তাঁর ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। 'আর একটু ধাক্কা দিলেই পতন হবে হাসিনার'—তাঁর এই সাহসী উক্তি শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নেয়। ২০২১ সালে গঠিত 'গণ অধিকার পরিষদ' ২০২৪ সালে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পাওয়ার পর থেকেই নুর তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও সুসংহত করেন। গ্রাসরুট লিডারশিপ বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার জনপ্রিয়তা বিশেষ করে জেন-জি প্রজন্মের কাছে আকাশচুম্বী।

আট বছরের এই সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নুর প্রমাণ করেছেন যে, সততা আর রাজপথের লড়াই থাকলে প্রতিকূল পরিবেশেও জয়ী হওয়া সম্ভব। ২০২৬ সালের এই নির্বাচনে পটুয়াখালীর সাধারণ মানুষ তাঁকে বিপুল ভোটে জয়ী করে সংসদের আসনে পাঠিয়েছেন। রাজপথের সেই রক্তাক্ত নুরের মুখ এখন সংসদে জনগণের কথা বলবে—এমনটাই প্রত্যাশা তাঁর সমর্থকদের। নুরের এই উত্থান কেবল একজন ব্যক্তির নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনীতিতে তরুণ প্রজন্মের এক নতুন দিগন্তের সূচনা।


তারেক রহমানের সম্ভাব্য ক্যাবিনেটে একঝাঁক নতুন মুখ: দৌড়ে এগিয়ে যারা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ২১:২২:২৩
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ক্যাবিনেটে একঝাঁক নতুন মুখ: দৌড়ে এগিয়ে যারা
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এখন সবার নজর সোমবারের শপথ অনুষ্ঠান এবং তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিসভার দিকে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর মন্ত্রিসভা গঠন করতে চান, যেখানে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘদিনের রাজপথের লড়াইকে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই তালিকায় অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতাদের পাশাপাশি জায়গা পেতে পারেন একঝাঁক তরুণ ও মেধাবী মুখ।

আলোচনা অনুযায়ী, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে অথবা তাঁকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবেও দেখা যেতে পারে। স্থায়ী কমিটির প্রবীণ নেতাদের প্রায় সবাই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর পেতে যাচ্ছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে আসতে পারে টেকনোক্র্যাট কোটায় রুহুল কবির রিজভী ও নজরুল ইসলাম খানের নাম। এছাড়া জোটের শরিকদের মধ্য থেকে আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি ও নুরুল হক নুরের মতো আলোচিত মুখগুলোও মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বলে জোরালো গুঞ্জন রয়েছে।

মন্ত্রণালয় বণ্টনের ক্ষেত্রেও বেশ কিছু নাম সামনে আসছে। প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্রের মতো সংবেদনশীল দপ্তরগুলো সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয়ে ড. রেজা কিবরিয়া এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হুমায়ুন কবিরের মতো বিশেষজ্ঞদের নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়া শিল্প, বাণিজ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তনের বড় আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত সোমবার বঙ্গভবনের শপথ অনুষ্ঠানেই স্পষ্ট হবে, ২০২৬ সালের এই নতুন বাংলাদেশে তারেক রহমানের সারথি হয়ে কারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিচ্ছেন।


কাল শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান: নতুন রাজনীতির সংকেত?

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ২০:৫৪:৪৬
কাল শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান: নতুন রাজনীতির সংকেত?
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ ও ঐতিহাসিক বিজয়ের পর রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ ও সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) তাঁদের নিজ নিজ বাসভবনে গিয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করার কথা রয়েছে তাঁর। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশের পর নতুন সরকার গঠনের আগে এই সাক্ষাৎকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

এবারের নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে রেকর্ড গড়েছে। জোটের অন্যান্য শরিকদের প্রাপ্ত ৩টি আসনসহ বিএনপি জোটের মোট আসন সংখ্যা এখন ২১২টি। এখনো দুটি আসনে জয়ের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে দলটির। উল্লেখ্য যে, তারেক রহমান এবারই প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ঢাকা ও বগুড়ার দুটি আসন থেকেই বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। ২০০১ সালের চারদলীয় জোটের ১৯৩টি আসনের রেকর্ড ভেঙে এবার এককভাবেই ২০৯টি আসন পেয়ে বিএনপি তাদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে।

তারেক রহমানের এই সফরের মধ্য দিয়ে জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আগামী দিনের রাষ্ট্র পরিচালনার সমন্বয় এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এই নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির মতো নতুন শক্তির সাথে তাঁর এই বৈঠক অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিরই ইঙ্গিত দেয়। ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি যেভাবে সরকার গঠন করেছিল, এবারও প্রায় কাছাকাছি সংখ্যক আসন নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন এক অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।


আল্লাহ আমার ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন:  মির্জা আব্বাস

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১৯:২২:৩০
আল্লাহ আমার ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন:  মির্জা আব্বাস
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ (রমনা-মতিঝিল) আসনের মর্যাদাপূর্ণ লড়াইয়ে বিজয়ের পর ভোটারদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন ভিডিও বার্তায় তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। দীর্ঘ সময় প্রচণ্ড রোদ ও কষ্ট উপেক্ষা করে লাইনে দাঁড়িয়ে তাঁকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করায় তিনি ভোটারদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর মতে, মানুষের এই বিপুল সমর্থনই প্রমাণ করে যে তাঁরা পরিবর্তনের পক্ষে ছিলেন।

ভিডিও বার্তায় মির্জা আব্বাস নির্বাচনের দিনের কিছু উত্তেজনাকর মুহূর্তের কথা শেয়ার করেন। তিনি জানান, ভোটের দিন কিছু কেন্দ্রে তাঁর পক্ষের ব্যালট ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল করা হচ্ছে—এমন খবর পাওয়ার পর তিনি প্রচণ্ড দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন। তিনি বলেন, “এটাই ছিল আমার জন্য সবচেয়ে উদ্বেগের ও কষ্টের মুহূর্ত।” তবে শেষ পর্যন্ত ফলাফলে তাঁর পক্ষে গণজোয়ার আসায় তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আল্লাহ আমার অনেক ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন, তবে প্রমাণ হলো ধৈর্যের ফল সবসময়ই ভালো হয়।”

নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বর্ষীয়ান এই নেতা বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক উৎসব হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু কিছু কুচক্রী মহলের কারণে এটিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংঘাতমুখর বা যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-৮ আসন নিয়ে দেশব্যাপী যে আগ্রহ ছিল, তার কারণ হিসেবে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীদের পক্ষ থেকে তাঁকে জনসম্মুখে গালিগালাজ এবং চরিত্র হননের অপচেষ্টাকে দায়ী করেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা ‘ন্যারেটিভ’ বা প্রচারণা চালিয়ে নিজেকে বড় করার যে অপকৌশল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিয়েছিলেন, জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তার যোগ্য জবাব দিয়েছে।


ফের রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন ডাকসু ভিপি

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১৯:০৪:২৬
ফের রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন ডাকসু ভিপি
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে নতুন করে শুরু হওয়া সহিংসতা ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মারামারি ও হানাহানির রাজনীতি বন্ধ না হলে ছাত্র-জনতা আবারো রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এবং শতাধিক হামলার তালিকা উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন—এই কি সেই ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ যা আমরা চেয়েছিলাম?

সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই বিপ্লব হয়েছিল ফ্যাসিবাদী কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে দেওয়ার জন্য। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো সেই একই প্রতিহিংসার রাজনীতি দেখা যাচ্ছে। যারা নির্বাচনে জয়ী হয়ে নতুন করে দায়িত্ব পাওয়ার পথে আছেন, তাদের অবশ্যই জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। সহিংসতার শিকার সাধারণ মানুষ ও ঢাবি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের উদাহরণ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের ভূমিকার প্রশংসা করেন ডাকসু ভিপি। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার সুযোগ থাকলেও জামায়াত আমির অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন এবং আইনি প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রেখেছেন। সাদিক কায়েম রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেভাবে হুমকির রাজনীতি শুরু হয়েছে তা অপ্রত্যাশিত। একটি বৈষম্যহীন ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়তে হলে সরকারকে দ্রুত বিরোধী দলগুলোর সাথে আলোচনায় বসে এই সংঘাতময় পরিস্থিতির সমাধান করতে হবে।


১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে কারচুপি? ৩০টি আসনে জয়ের দাবি নিয়ে সরব জামায়াত

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১৮:৫৭:০০
১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে কারচুপি? ৩০টি আসনে জয়ের দাবি নিয়ে সরব জামায়াত
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭৭টি আসনে জয় পেলেও আরও ৩০টি সংসদীয় আসনের ফলাফল নিয়ে আপত্তি তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই ৩০টি আসনের ফলাফল স্থগিত রেখে ভোট পুনর্গণনার আবেদন জানানোর কথা নিশ্চিত করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। শুধু তাই নয়, এসব আসনে নির্বাচিত ঘোষিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

জামায়াতের দাবি, এই ৩০টি আসনে তাদের প্রার্থীদের সাথে বিজয়ী ঘোষিত প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান ছিল খুবই সামান্য—সর্বোচ্চ ১০ হাজার ভোট। ভোট গণনার সময় অনেক আসনেই তারা জয়ের আভাস পাচ্ছিলেন, কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফলে রহস্যজনক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ৫টি আসন (ঢাকা-৭, ৮, ১০, ১৩ ও ১৭) সহ চট্টগ্রাম, খুলনা ও ময়মনসিংহের বেশ কিছু আসনে ফলাফলের গতিপ্রকৃতি নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছে দলটি। তাদের বিশ্বাস, ভোট পুনরায় গণনা করা হলে এই ৩০টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীরা জয়ী হবেন।

ব্রিফিংয়ে দলটির আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগ তুলে বলেন, বিভিন্ন জায়গায় জামায়াতের এজেন্ট ও নারী সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে, এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। বিজয়ীরা এসব সহিংসতা দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলেও তিনি দাবি করেন। কিছু আসনে ফলাফল দিতে অতিরিক্ত দেরি এবং কিছু আসনে অস্বাভাবিক দ্রুততা—এই দুই বিষয়কেই অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছে জামায়াতে ইসলামী। ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশে এমন আচরণ কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।


পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১৭:৫১:১৩
পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বিস্ফোরক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এই স্ট্যাটাসে তিনি ক্রীড়াঙ্গনের ‘মাফিয়া’ চক্রের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আসিফের দাবি, নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি—যিনি মনে মনে নিজেকে পরবর্তী ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে ভেবে বসেছিলেন—তিনি এখন আসিফের বিরুদ্ধে নোংরা আক্রমণ শুরু করেছেন। এই ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ তাঁর স্ট্যাটাসে আরও উল্লেখ করেন যে, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রে কাজ করতে গিয়ে তিনি সবচেয়ে বেশি বাধার সম্মুখীন হয়েছেন এই নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে। বাফুফে এবং বিসিবি দখলে নেওয়ার জন্য সেই ব্যক্তি ফ্যাসিবাদের দোসরদের সাথে হাত মিলিয়েছিলেন এবং নিজের ভাইসহ পছন্দের লোকদের বিভিন্ন পদে বসানোর চেষ্টা করেছিলেন। এসব চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এখন তিনি স্পোর্টস মিডিয়া ব্যবহার করে আসিফের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকি সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে এক ব্যক্তিকে দিয়ে আসিফের নামে মামলা করানোর মতো গুরুতর তথ্যও উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে।

সাবেক এই উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেছেন, ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছেন বলে ভাবার কারণ নেই যে তিনি কথা বলতে জানেন না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাঁকে যেন মুখ খুলতে বাধ্য করা না হয়। আসিফের মতে, গত দেড় বছরে ফুটবল ও ক্রিকেটসহ সব ক্ষেত্র থেকে যুগের পর যুগ ধরে জেঁকে বসা মাফিয়াদের হঠানো হয়েছে, যার সুফল দেশবাসী দেখতে পাচ্ছে। এই চক্রটির অপকর্ম নিয়ে প্রয়োজনে আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি ক্রীড়াঙ্গনকে কলুষমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পাঠকের মতামত:

বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা

বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা

আন্তর্জাতিক বাজারে টানা মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের... বিস্তারিত