ফোনালাপে তারেক-শাহবাজের পাল্টাপাল্টি আমন্ত্রণ: খুলছে কি বন্ধ দুয়ার?

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১২:০৭:৪৯
ফোনালাপে তারেক-শাহবাজের পাল্টাপাল্টি আমন্ত্রণ: খুলছে কি বন্ধ দুয়ার?
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক তৎপরতায় এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পর এবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সরাসরি টেলিফোন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। শুক্রবার দিবাগত রাতে এক অত্যন্ত উষ্ণ ও আন্তরিক ফোনালাপে শাহবাজ শরিফ তারেক রহমানকে বড় জয়ের জন্য অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তাঁকে পাকিস্তান সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে পাক প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফোনালাপের এক পর্যায়ে দুই নেতা বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং দুই দেশের সাধারণ মানুষকে কাছাকাছি নিয়ে আসার ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার যে অনবদ্য অবদান রয়েছে, তাকে বর্তমান নেতৃত্বের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। শাহবাজ শরিফ বাংলাদেশের নির্বাচনকে জাতির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেন এবং আঞ্চলিক শান্তি ও অগ্রগতি রক্ষায় দুই দেশের নেতৃত্বের একসাথে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ফোনালাপে তারেক রহমানকে সুবিধামতো সময়ে ইসলামাবাদ সফরের আমন্ত্রণ জানালে বিএনপি নেতাও শাহবাজ শরিফকে পাল্টা ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান। দুই দেশের সার্বভৌম সমতার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে শিক্ষা, বাণিজ্য এবং নিরাপত্তার মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে উভয় নেতা একমত পোষণ করেন। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এই দ্রুত শুভেচ্ছা বার্তা এবং আমন্ত্রণের পাল্টাপাল্টি প্রস্তাব তারেক রহমানের আগামী দিনের শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।


নিয়তির কী অদ্ভুত খেলা: ফাঁসির মঞ্চ থেকে সরাসরি জনসেবায় তিন নেতা!

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১১:৩৩:৪৫
নিয়তির কী অদ্ভুত খেলা: ফাঁসির মঞ্চ থেকে সরাসরি জনসেবায় তিন নেতা!
লুৎফুজ্জামান বাবর, আজহারুল ইসলাম ও আবদুস সালাম পিন্টু।। ছবি : সংগৃহীত

মাথার ওপর ঝুলছিল ফাঁসির দড়ি, চারদিকে ছিল কারাগারের অন্ধকার। কিন্তু সময়ের পরিক্রমা আর জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের ফলে পাল্টে গেল দীর্ঘ ১৮ বছরের ললাট লিখন। লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু এবং এটিএম আজহারুল ইসলাম—এই তিন নেতা এখন আর কারাবন্দি নন, বরং বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে তাঁরা যাচ্ছেন দেশের সর্বোচ্চ আইনসভা সংসদে। দীর্ঘ নির্বাসন আর বন্দিত্বের গ্লানি মুছে তাঁরা এখন জনতার প্রতিনিধি। কারো জন্য এটি দীর্ঘ ১৮ বছরের অপেক্ষা, আবার কারো জন্য প্রায় দুই দশকের কারাজীবনের অবসান।

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ২০০৭ সাল থেকে দীর্ঘ ১৮ বছর কারাগারে ছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। গত বছর সব মামলা থেকে খালাস পেয়ে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তিনি ফিরে যান নিজের নির্বাচনী এলাকা নেত্রকোনায়। এবারের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াই করে তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। একইভাবে টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ভূঞাপুর আসন থেকে প্রায় ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন আরেক বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টু, যিনি ১৭ বছর কারাবরণ করার পর এবার সংসদে ফিরছেন।

অন্যদিকে, জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের জয়টিও বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই নেতা ২০১২ সাল থেকে কারাবন্দি ছিলেন। গত মে মাসে কারামুক্ত হওয়ার পর তিনি রংপুর-২ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় ছিনিয়ে নেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই বিপ্লবের পর দেশের সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আর সহানুভূতি এই নেতাদের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করেছে। এক সময় যাঁদের ফাঁসির দড়ি অনিবার্য ছিল, তাঁরাই এখন জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রস্তুত।


তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ওয়াশিংটনের বিশেষ বার্তা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১০:১৭:৫১
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ওয়াশিংটনের বিশেষ বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর এবার আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে আসা সবচেয়ে বড় স্বীকৃতিটি এলো খোদ ওয়াশিংটন থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিশেষ বার্তায় বিএনপি এবং দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এই পোস্টে তিনি কেবল দলকেই নয়, বরং বাংলাদেশের সাধারণ জনগণকেও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন। নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পরপরই বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোর পক্ষ থেকে এমন দ্রুত প্রতিক্রিয়া নতুন সরকারের জন্য এক বিশাল কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কো রুবিও তাঁর বার্তায় স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে তিনি ঢাকার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্বের ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ‘অধীর আগ্রহ’ শব্দবন্ধটি দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় পর ক্ষমতায় ফেরা বিএনপির জন্য আন্তর্জাতিক এই সমর্থন রাষ্ট্র পরিচালনার প্রাথমিক ধাপগুলো অনেক বেশি সহজ করে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসির ঘোষিত ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফলে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ২১৪টি আসনের বিপরীতে মার্কিন প্রশাসনের এই অবস্থান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ৭৭টি আসন পেলেও ওয়াশিংটনের নজর এখন এককভাবে বড় জয় পাওয়া বিএনপির দিকে। তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি এই সরাসরি অভিনন্দন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তাঁর গ্রহণযোগ্যতাকে এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিল। এখন দেখার বিষয়, আগামী ৩ দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সরকার দায়িত্ব নিলে বাণিজ্য ও শুল্ক সুবিধা আদায়ের ক্ষেত্রে মার্কিন প্রশাসনের এই ইতিবাচক মনোভাব কতটা প্রতিফলিত হয়।


ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতির ডাক: পরাজয়কেও সাফল্যের চোখে দেখছেন ডা. শফিক!

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১০:১১:২৪
ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতির ডাক: পরাজয়কেও সাফল্যের চোখে দেখছেন ডা. শফিক!
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর এক নজিরবিহীন ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক অবস্থান ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৪৪ মিনিটে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে এক দীর্ঘ বার্তার মাধ্যমে তিনি নির্বাচনের ফলাফলকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি নিজের দলের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, জামায়াত এখন থেকে সংসদে একটি শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে কাজ করবে। নির্বাচনের এই রায়কে তিনি কেবল একটি সংখ্যা হিসেবে না দেখে, আধুনিক বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতের অবস্থান সুসংহত করার একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

নির্বাচনী লড়াইয়ে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, সেই অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে জামায়াত আমির স্বীকার করেছেন যে, অনেকেই আজ ফলাফলে ব্যথিত ও হতাশ। তবে কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি একটি নতুন আশার আলো দেখিয়েছেন। ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, বিগত নির্বাচনে জামায়াতের শক্তি প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়ে এবার ৭৭টি আসনে পৌঁছেছে, যা দলটিকে সংসদের অন্যতম শক্তিশালী বিরোধী ব্লকে পরিণত করেছে। এই অগ্রগতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি কর্মীদের ধৈর্য ধরার এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

বিস্ময়করভাবে, নিজের পোস্টে বিএনপির ২০০৮ সালের ভরাডুবির প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান এক ঐতিহাসিক তুলনা তুলে ধরেন। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, ২০০৮ সালে বিএনপি মাত্র ৩০টি আসনে নেমে এলেও দীর্ঘ ১৮ বছরের কণ্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দিয়ে ২০২৬ সালে তারা আবার সরকার গঠন করেছে। এই উপমার মাধ্যমে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, রাজনীতির ভাগ্য পরিবর্তনশীল এবং জামায়াতের লক্ষ্য এখন দীর্ঘমেয়াদী। মানুষের আস্থা অর্জন এবং ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় আনাই হবে তাদের আগামী দিনের মূল এজেন্ডা। কেবল ক্ষমতার জন্য নয়, বরং একটি ন্যায়বিচারপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ার যে আন্দোলন জামায়াত শুরু করেছিল, তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন।


টাইম ম্যাগাজিনে তারেক রহমানের ভবিষ্যৎ ছক: কেমন হবে নয়া বাংলাদেশ?

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ০৯:৫৫:০২
টাইম ম্যাগাজিনে তারেক রহমানের ভবিষ্যৎ ছক: কেমন হবে নয়া বাংলাদেশ?
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফেরার মাত্র সাত সপ্তাহের মাথায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটের কেন্দ্রে চলে এসেছেন তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বাধীন বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর তাঁর আগামী দিনের পরিকল্পনার দিকে। সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত সাময়িকী 'টাইম'-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি রাষ্ট্র পুনর্গঠন, অর্থনীতি এবং ভূ-রাজনীতি নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতিতে একটি ক্ষতবিক্ষত রাষ্ট্রকে কীভাবে তিনি ঐক্যবদ্ধ করবেন, তার এক বিস্তারিত রূপরেখা এই সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে। তারেক রহমান স্পষ্ট করেছেন যে, প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, বরং প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মানুষের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনাই হবে তাঁর প্রথম কাজ।

অর্থনৈতিক ফ্রন্টে তারেক রহমানের পরিকল্পনা বেশ উচ্চাভিলাষী। আওয়ামী লীগ আমলের প্রবৃদ্ধির আড়ালে থাকা বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতির সংকট কাটাতে তিনি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং নারী ভাতার মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালুর কথা বলেছেন। বিশেষ করে ডিজিটাল অর্থনীতিতে তরুণদের সম্পৃক্ত করা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। ব্যাংকিং খাতের সংস্কার এবং উদ্যোক্তাদের জন্য বিশ্ববাজারের দুয়ার খুলে দেওয়াকে তিনি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। তবে এই বিশাল অর্থায়ন কীভাবে সম্ভব হবে, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে কৌতূহল রয়ে গেছে।

কূটনৈতিক ক্ষেত্রে তারেক রহমান এক নতুন এবং ভারসাম্যপূর্ণ কৌশলের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ভারতের সঙ্গে অমীমাংসিত তিস্তা চুক্তিসহ বিভিন্ন চুক্তিতে থাকা অসামঞ্জস্য দূর করে দেশের স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং শুল্ক সুবিধা আদায়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ইসলামপন্থী দল বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান এবং ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৈরি হওয়া নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর বিষয়েও তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তারেক রহমানের মতে, গণতন্ত্র রক্ষায় সবার ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি হলেও জনগণের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্য।


ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশবাসীকে ধন্যবাদ তারেক রহমানের

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ২০:১০:১৫
ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশবাসীকে ধন্যবাদ তারেক রহমানের
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর দেশের জনগণের প্রতি আনুষ্ঠানিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচনী ফল ঘোষণার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলতে গিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের সমর্থন ও আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবন থেকে বের হওয়ার সময় উপস্থিত সমর্থক ও সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপে তিনি বলেন, তাঁর প্রতি যে ভালোবাসা ও আস্থা জনগণ দেখিয়েছেন, তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে আগামীর পথচলায় দেশবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন তারেক রহমান। তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট জাতীয় সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। শুক্রবার দুপুর থেকেই গুলশানে তাঁর বাসভবনের সামনে বিপুল সংখ্যক মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন।

দুপুরে বনানী এলাকায় অবস্থিত নৌবাহিনী সদর দপ্তর মসজিদে নামাজ আদায়ে যাওয়ার সময় বাসভবনের গেটে অপেক্ষমাণ মানুষের ভিড় দেখে তিনি গাড়ি থামান। নিজেই গাড়ির দরজা খুলে উপস্থিত জনতার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং কয়েকজনের পরিচয় জানতে চান। এ সময় সমর্থকেরা “নতুন বাংলাদেশ” গড়ার প্রত্যয়ে তাঁর পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করলে তিনি হাসিমুখে তাদের ধন্যবাদ জানান।

সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় তারেক রহমান পুনরায় বলেন, জনগণের ভালোবাসাই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়ে মসজিদের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। উপস্থিত জনতার অনেকে এটিকে একটি প্রতীকী মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন যেখানে বিজয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও সংযত ও কৃতজ্ঞ বার্তা তুলে ধরা হয়েছে।

-রফিক


নিরঙ্কুশ জয়ের পরে তারেক রহমানকে গুলশান কার্যালয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা 

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৯:০৪:৫৮
নিরঙ্কুশ জয়ের পরে তারেক রহমানকে গুলশান কার্যালয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা 
জয়ের পর গুলশান কার্যালয়ে তারেক রহমানকে মির্জা ফখরুলের শুভেচ্ছা। ছবি : BNP Media Cell

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

দলীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনে বিপুল আসনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে। এ উপলক্ষে দলীয় কার্যালয়ে সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা বিনিময় পর্বে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই বিজয় জনগণের রায় ও আস্থার প্রতিফলন। তিনি দলীয় চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং সাংগঠনিক ঐক্যের কথা উল্লেখ করে অভিনন্দন জানান।

-রাফসান


কবে সরকার গঠন করবে জানাল মির্জা ফখরুল

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৫:২৫:৩৯
কবে সরকার গঠন করবে জানাল মির্জা ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান। বেসরকারি ফলাফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের প্রেক্ষাপটে সরকার গঠনের প্রস্তুতি চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ সময় দেশে এক ধরনের কর্তৃত্ববাদী শাসন বিদ্যমান ছিল, যার ফলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যখন গণতন্ত্রের কণ্ঠ রুদ্ধ করা হয় এবং বিরোধী দলগুলোর কার্যক্রম সীমিত করে দেওয়া হয়, তখন রাজনৈতিক শূন্যতায় উগ্রপন্থী শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামীর যে উত্থান দেখা গেছে, তার পেছনে পূর্ববর্তী সরকারের দমন-পীড়নমূলক নীতি দায়ী।

এ প্রসঙ্গে তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ-এর সমালোচনা করে বলেন, বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ না দেওয়া এবং স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি করার ফলেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, জনগণ সাম্প্রতিক নির্বাচনে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তিনভাগের দুইভাগ আসনে জয় পেয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, জনগণ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও কল্যাণমুখী রাজনীতির প্রত্যাশা করে রায় দিয়েছে। তাঁর মতে, এই ফলাফল দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে এবং রাজনৈতিক অপপ্রবণতা মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

-রফিক


জয়ী হয়েই কঠোর ঘোষণা দিলেন হাসনাত

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৪:২৩:৪৭
জয়ী হয়েই কঠোর ঘোষণা দিলেন হাসনাত
ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১১৬টি কেন্দ্রের সবকটিতে জয় পেয়ে নজির স্থাপন করেছেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি বেসরকারি ফলাফলে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেন। বিজয়ের পর গভীর রাতে সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও টেন্ডার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেবিদ্বারে এ মুহূর্ত থেকে ‘চাঁদার কবর’ ঘোষণা করা হলো। সরকারি অফিস-আদালতে ঘুস বা অনিয়ম চলবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। সরকারি চাকরিজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা দায়িত্ব নিতে আসবেন তারা যেন অনৈতিক লেনদেনের চিন্তা বাদ দেন। নিয়মের বাইরে কোনো টেন্ডারবাজি বা প্রভাব খাটানো বরদাশত করা হবে না। এমনকি নিজের ঘনিষ্ঠজনও অন্যায় করলে ছাড় দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নবনির্বাচিত এই প্রার্থী ব্যবসায়ী, সিএনজি স্টেশন মালিক, পেশাজীবী ও শ্রমজীবী মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারি ফি ছাড়া অন্য কোনো চাঁদা দেওয়া লাগবে না। কেউ যদি অবৈধভাবে অর্থ দাবি করে, তাকে আটক রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে বলেন তিনি। সংশ্লিষ্ট বাহিনীকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, দেবিদ্বারের কোনো সরকারি কর্মকর্তা ঘুসে জড়িত থাকলে তাকে এখানে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসা ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করা হবে বলেও ঘোষণা দেন। অতীতে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পরিচালিত মাদক চক্রের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, এখন থেকে কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না।

গোমতী নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার বিষয়েও সতর্কবার্তা দেন হাসনাত আবদুল্লাহ। সরকারি নিয়মের বাইরে এক কোদাল মাটিও তোলা যাবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। টেন্ডারবাজি ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের সঙ্গে যুক্তদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, তারা যদি সংশোধনের পথে ফিরে আসে, কর্মসংস্থানের বিকল্প ব্যবস্থা করতে সহযোগিতা করা হবে।

-রাফসান


ফলাফল নিয়ে জামায়াতের নতুন বার্তা, কী সেটা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৩:০৫:২৬
ফলাফল নিয়ে জামায়াতের নতুন বার্তা, কী সেটা
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শেষে ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় দেশবাসীকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হয় এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় জোটের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটগ্রহণ দিনভর শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত প্রাপ্ত বেসরকারি তথ্যে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের মিত্ররা ১৬৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াত ও তাদের শরিকরা ৫৯টি আসনে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বলে জানা গেছে।

ফেসবুক পোস্টে জামায়াত জানিয়েছে, ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট প্রদান করায় তারা কৃতজ্ঞ। তবে ফলাফল প্রস্তুত ও ঘোষণার পদ্ধতি নিয়ে দলটির সন্দেহ রয়েছে। তাদের দাবি, বিভিন্ন আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে তাদের প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন এবং ফলাফলে অসংগতি দেখা গেছে। পাশাপাশি প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

দলটি বলেছে, এসব কারণে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে তারা তাৎক্ষণিক কোনো কর্মসূচি ঘোষণা না করে সমর্থক ও সাধারণ মানুষকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছে। জোটের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো না পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তোলা নতুন নয়। তবে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছ ব্যাখ্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

জামায়াতের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তারা একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ন্যায়ের সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। দলটির ভাষ্যমতে, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ভেতরেই তারা তাদের অবস্থান তুলে ধরতে চায়।

নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন পর্যবেক্ষকদের প্রধান আগ্রহের বিষয়।

-শরিফুল

পাঠকের মতামত: