আল্লাহ আমার ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন: মির্জা আব্বাস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ (রমনা-মতিঝিল) আসনের মর্যাদাপূর্ণ লড়াইয়ে বিজয়ের পর ভোটারদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন ভিডিও বার্তায় তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। দীর্ঘ সময় প্রচণ্ড রোদ ও কষ্ট উপেক্ষা করে লাইনে দাঁড়িয়ে তাঁকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করায় তিনি ভোটারদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর মতে, মানুষের এই বিপুল সমর্থনই প্রমাণ করে যে তাঁরা পরিবর্তনের পক্ষে ছিলেন।
ভিডিও বার্তায় মির্জা আব্বাস নির্বাচনের দিনের কিছু উত্তেজনাকর মুহূর্তের কথা শেয়ার করেন। তিনি জানান, ভোটের দিন কিছু কেন্দ্রে তাঁর পক্ষের ব্যালট ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল করা হচ্ছে—এমন খবর পাওয়ার পর তিনি প্রচণ্ড দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন। তিনি বলেন, “এটাই ছিল আমার জন্য সবচেয়ে উদ্বেগের ও কষ্টের মুহূর্ত।” তবে শেষ পর্যন্ত ফলাফলে তাঁর পক্ষে গণজোয়ার আসায় তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আল্লাহ আমার অনেক ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন, তবে প্রমাণ হলো ধৈর্যের ফল সবসময়ই ভালো হয়।”
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বর্ষীয়ান এই নেতা বলেন, নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক উৎসব হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু কিছু কুচক্রী মহলের কারণে এটিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংঘাতমুখর বা যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-৮ আসন নিয়ে দেশব্যাপী যে আগ্রহ ছিল, তার কারণ হিসেবে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীদের পক্ষ থেকে তাঁকে জনসম্মুখে গালিগালাজ এবং চরিত্র হননের অপচেষ্টাকে দায়ী করেন। তিনি আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা ‘ন্যারেটিভ’ বা প্রচারণা চালিয়ে নিজেকে বড় করার যে অপকৌশল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিয়েছিলেন, জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তার যোগ্য জবাব দিয়েছে।
ফের রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন ডাকসু ভিপি
জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে নতুন করে শুরু হওয়া সহিংসতা ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মারামারি ও হানাহানির রাজনীতি বন্ধ না হলে ছাত্র-জনতা আবারো রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এবং শতাধিক হামলার তালিকা উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন—এই কি সেই ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ যা আমরা চেয়েছিলাম?
সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই বিপ্লব হয়েছিল ফ্যাসিবাদী কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে দেওয়ার জন্য। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো সেই একই প্রতিহিংসার রাজনীতি দেখা যাচ্ছে। যারা নির্বাচনে জয়ী হয়ে নতুন করে দায়িত্ব পাওয়ার পথে আছেন, তাদের অবশ্যই জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। সহিংসতার শিকার সাধারণ মানুষ ও ঢাবি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের উদাহরণ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের ভূমিকার প্রশংসা করেন ডাকসু ভিপি। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার সুযোগ থাকলেও জামায়াত আমির অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন এবং আইনি প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রেখেছেন। সাদিক কায়েম রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেভাবে হুমকির রাজনীতি শুরু হয়েছে তা অপ্রত্যাশিত। একটি বৈষম্যহীন ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়তে হলে সরকারকে দ্রুত বিরোধী দলগুলোর সাথে আলোচনায় বসে এই সংঘাতময় পরিস্থিতির সমাধান করতে হবে।
১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে কারচুপি? ৩০টি আসনে জয়ের দাবি নিয়ে সরব জামায়াত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭৭টি আসনে জয় পেলেও আরও ৩০টি সংসদীয় আসনের ফলাফল নিয়ে আপত্তি তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই ৩০টি আসনের ফলাফল স্থগিত রেখে ভোট পুনর্গণনার আবেদন জানানোর কথা নিশ্চিত করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। শুধু তাই নয়, এসব আসনে নির্বাচিত ঘোষিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান স্থগিত রাখার জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
জামায়াতের দাবি, এই ৩০টি আসনে তাদের প্রার্থীদের সাথে বিজয়ী ঘোষিত প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান ছিল খুবই সামান্য—সর্বোচ্চ ১০ হাজার ভোট। ভোট গণনার সময় অনেক আসনেই তারা জয়ের আভাস পাচ্ছিলেন, কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফলে রহস্যজনক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ৫টি আসন (ঢাকা-৭, ৮, ১০, ১৩ ও ১৭) সহ চট্টগ্রাম, খুলনা ও ময়মনসিংহের বেশ কিছু আসনে ফলাফলের গতিপ্রকৃতি নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছে দলটি। তাদের বিশ্বাস, ভোট পুনরায় গণনা করা হলে এই ৩০টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীরা জয়ী হবেন।
ব্রিফিংয়ে দলটির আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগ তুলে বলেন, বিভিন্ন জায়গায় জামায়াতের এজেন্ট ও নারী সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে, এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। বিজয়ীরা এসব সহিংসতা দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলেও তিনি দাবি করেন। কিছু আসনে ফলাফল দিতে অতিরিক্ত দেরি এবং কিছু আসনে অস্বাভাবিক দ্রুততা—এই দুই বিষয়কেই অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বড় প্রমাণ হিসেবে দেখছে জামায়াতে ইসলামী। ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশে এমন আচরণ কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বিস্ফোরক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এই স্ট্যাটাসে তিনি ক্রীড়াঙ্গনের ‘মাফিয়া’ চক্রের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আসিফের দাবি, নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি—যিনি মনে মনে নিজেকে পরবর্তী ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে ভেবে বসেছিলেন—তিনি এখন আসিফের বিরুদ্ধে নোংরা আক্রমণ শুরু করেছেন। এই ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ তাঁর স্ট্যাটাসে আরও উল্লেখ করেন যে, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রে কাজ করতে গিয়ে তিনি সবচেয়ে বেশি বাধার সম্মুখীন হয়েছেন এই নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে। বাফুফে এবং বিসিবি দখলে নেওয়ার জন্য সেই ব্যক্তি ফ্যাসিবাদের দোসরদের সাথে হাত মিলিয়েছিলেন এবং নিজের ভাইসহ পছন্দের লোকদের বিভিন্ন পদে বসানোর চেষ্টা করেছিলেন। এসব চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এখন তিনি স্পোর্টস মিডিয়া ব্যবহার করে আসিফের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকি সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে এক ব্যক্তিকে দিয়ে আসিফের নামে মামলা করানোর মতো গুরুতর তথ্যও উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে।
সাবেক এই উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেছেন, ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছেন বলে ভাবার কারণ নেই যে তিনি কথা বলতে জানেন না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাঁকে যেন মুখ খুলতে বাধ্য করা না হয়। আসিফের মতে, গত দেড় বছরে ফুটবল ও ক্রিকেটসহ সব ক্ষেত্র থেকে যুগের পর যুগ ধরে জেঁকে বসা মাফিয়াদের হঠানো হয়েছে, যার সুফল দেশবাসী দেখতে পাচ্ছে। এই চক্রটির অপকর্ম নিয়ে প্রয়োজনে আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি ক্রীড়াঙ্গনকে কলুষমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
রক্তক্ষয়ী ১৭ বছর আর ৬ লাখ মামলা: বিজয়ী বেশে সব হিসাব দিলেন ফখরুল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশের ‘নতুন প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন। মির্জা ফখরুল বলেন, এই বিজয় কেবল একটি দলের নয়, বরং এটি বাংলাদেশে ‘উদার গণতন্ত্রের’ বিজয়। তাঁর মতে, এই গণরায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে নতুন এক শুভযুগে প্রবেশ করল।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বিগত ১৭ বছরের দুঃসহ স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি অভিযোগ করেন, গত দেড় দশকে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৬ লাখেরও বেশি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ২০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ২ হাজার মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, মানুষের এই রক্তের বিনিময়েই আজ ব্যালট বিপ্লব সম্ভব হয়েছে।
মহাসচিব তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়ে প্রমাণ করেছে তারা বিএনপির নেতৃত্বের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থাশীল। একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তারেক রহমানের হাতকে আরও শক্তিশালী করার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মির্জা ফখরুলের এই আনুষ্ঠানিক বক্তব্য মূলত আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন সরকার গঠনের এবং রাষ্ট্র পরিচালনার একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা।
ভঙ্গুর অর্থনীতি ও অকার্যকর প্রতিষ্ঠানই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত প্রথম সংবাদ সম্মেলনে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও আদর্শের কথা তুলে ধরেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচনের এই ভূমিধস বিজয়কে তিনি ‘গণতন্ত্র ও বাংলাদেশের বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই তিনি বিগত ১৭ বছরের লড়াই এবং ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তবে এমন আনন্দঘন মুহূর্তে মা বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা ও অনুপস্থিতির কথা স্মরণ করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন হবু এই প্রধানমন্ত্রী।
নির্বাচনে কোনো ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বেশ আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন, “জনগণকে কনভিন্স করাটাই ছিল আমাদের একমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং।” তিনি স্পষ্ট করেন যে, ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং অকার্যকর প্রতিষ্ঠানগুলোকে মেরামত করাই হবে তাঁর সরকারের প্রথম কাজ। তিনি ঘোষণা করেন, বিএনপি যে ‘৩১ দফা’ রূপরেখা দিয়েছিল, তা জনগণের কাছে দেওয়া পবিত্র আমানত এবং পর্যায়ক্রমে এর প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান তাঁর দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, কোনো অজুহাতেই ‘দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ’ বরদাশত করা হবে না এবং বিজয় মিছিল না করে পরিস্থিতি শান্ত রাখার নির্দেশ দেন তিনি। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, সরকার বা বিরোধী দল—আইন সবার জন্য সমান হবে। প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে একটি নিরাপদ, মানবিক ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়তে তিনি সকল রাজনৈতিক দল ও ভিন্নমতের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
নির্বাচনোত্তর ব্রিফিংয়ে ভবিষ্যৎ রূপরেখা দিলেন তারেক রহমান
তারেক রহমান বলেছেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আবার স্বৈরাচারী শাসনে ফিরে যেতে না পারে, সে জন্য জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা জরুরি। শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর Hotel InterContinental Dhaka–এ আয়োজিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মী ও ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এরপর বক্তব্যে তারেক রহমান নির্বাচনের ফলাফল, সরকার গঠনের প্রস্তুতি, সম্ভাব্য জোট রাজনীতির দিকনির্দেশনা এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের রায় জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন এবং সেই প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনই এখন প্রধান লক্ষ্য।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জাতীয় স্বার্থে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন। সম্ভাব্য জোট কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনোত্তর এই বার্তা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্যের প্রশ্নে ঐক্যের আহ্বান একটি কৌশলগত অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতারা জানান, দ্রুত সরকার গঠন ও নীতিনির্ধারণী কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।
-রফিক
ফরিদপুরের সালথা সহিংসতায় কঠোর বার্তা শামা ওবায়েদের
শামা ওবায়েদ, ফরিদপুর-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর সাংগঠনিক সম্পাদক, ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় চলমান সহিংসতার ঘটনায় কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সালথার সাধারণ মানুষ যেন উত্তেজনায় না জড়ান এবং কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ না নেন। হামলা বা ভাঙচুরে যারা যুক্ত হবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি আপসহীন থাকবেন বলে স্পষ্ট করেন। এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি সকলকে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সংঘর্ষের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, সহিংসতার ফলে যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা যারা আহত হয়েছেন, তাদের পুনর্বাসন ও সহায়তায় সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, শনিবার সকাল থেকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ময়েনদিয়া গ্রামে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকটি বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া যায় এবং একাধিক ব্যক্তি আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিনের বিরোধ ও প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়, যা পরে সহিংস রূপ নেয়। প্রশাসন বলছে, পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং দায়ীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
-রাফসান
ফোনালাপে তারেক-শাহবাজের পাল্টাপাল্টি আমন্ত্রণ: খুলছে কি বন্ধ দুয়ার?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক তৎপরতায় এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পর এবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সরাসরি টেলিফোন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। শুক্রবার দিবাগত রাতে এক অত্যন্ত উষ্ণ ও আন্তরিক ফোনালাপে শাহবাজ শরিফ তারেক রহমানকে বড় জয়ের জন্য অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তাঁকে পাকিস্তান সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে পাক প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফোনালাপের এক পর্যায়ে দুই নেতা বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং দুই দেশের সাধারণ মানুষকে কাছাকাছি নিয়ে আসার ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার যে অনবদ্য অবদান রয়েছে, তাকে বর্তমান নেতৃত্বের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। শাহবাজ শরিফ বাংলাদেশের নির্বাচনকে জাতির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেন এবং আঞ্চলিক শান্তি ও অগ্রগতি রক্ষায় দুই দেশের নেতৃত্বের একসাথে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ফোনালাপে তারেক রহমানকে সুবিধামতো সময়ে ইসলামাবাদ সফরের আমন্ত্রণ জানালে বিএনপি নেতাও শাহবাজ শরিফকে পাল্টা ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান। দুই দেশের সার্বভৌম সমতার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে শিক্ষা, বাণিজ্য এবং নিরাপত্তার মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে উভয় নেতা একমত পোষণ করেন। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এই দ্রুত শুভেচ্ছা বার্তা এবং আমন্ত্রণের পাল্টাপাল্টি প্রস্তাব তারেক রহমানের আগামী দিনের শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নিয়তির কী অদ্ভুত খেলা: ফাঁসির মঞ্চ থেকে সরাসরি জনসেবায় তিন নেতা!
মাথার ওপর ঝুলছিল ফাঁসির দড়ি, চারদিকে ছিল কারাগারের অন্ধকার। কিন্তু সময়ের পরিক্রমা আর জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের ফলে পাল্টে গেল দীর্ঘ ১৮ বছরের ললাট লিখন। লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু এবং এটিএম আজহারুল ইসলাম—এই তিন নেতা এখন আর কারাবন্দি নন, বরং বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে তাঁরা যাচ্ছেন দেশের সর্বোচ্চ আইনসভা সংসদে। দীর্ঘ নির্বাসন আর বন্দিত্বের গ্লানি মুছে তাঁরা এখন জনতার প্রতিনিধি। কারো জন্য এটি দীর্ঘ ১৮ বছরের অপেক্ষা, আবার কারো জন্য প্রায় দুই দশকের কারাজীবনের অবসান।
সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ২০০৭ সাল থেকে দীর্ঘ ১৮ বছর কারাগারে ছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। গত বছর সব মামলা থেকে খালাস পেয়ে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তিনি ফিরে যান নিজের নির্বাচনী এলাকা নেত্রকোনায়। এবারের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াই করে তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। একইভাবে টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ভূঞাপুর আসন থেকে প্রায় ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন আরেক বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টু, যিনি ১৭ বছর কারাবরণ করার পর এবার সংসদে ফিরছেন।
অন্যদিকে, জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের জয়টিও বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই নেতা ২০১২ সাল থেকে কারাবন্দি ছিলেন। গত মে মাসে কারামুক্ত হওয়ার পর তিনি রংপুর-২ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় ছিনিয়ে নেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই বিপ্লবের পর দেশের সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আর সহানুভূতি এই নেতাদের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করেছে। এক সময় যাঁদের ফাঁসির দড়ি অনিবার্য ছিল, তাঁরাই এখন জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রস্তুত।
পাঠকের মতামত:
- আল্লাহ আমার ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন: মির্জা আব্বাস
- কে হচ্ছেন দেশের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী?
- ফের রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন ডাকসু ভিপি
- ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে কারচুপি? ৩০টি আসনে জয়ের দাবি নিয়ে সরব জামায়াত
- পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে: আসিফ মাহমুদ
- জামায়াত আমিরের প্রশংসা করে ইউনূসের বিশেষ বার্তা
- রক্তক্ষয়ী ১৭ বছর আর ৬ লাখ মামলা: বিজয়ী বেশে সব হিসাব দিলেন ফখরুল
- ভঙ্গুর অর্থনীতি ও অকার্যকর প্রতিষ্ঠানই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: তারেক রহমান
- নির্বাচনোত্তর ব্রিফিংয়ে ভবিষ্যৎ রূপরেখা দিলেন তারেক রহমান
- কীভাবে বৈশ্বিক উৎসবে পরিণত হলো "ভ্যালেন্টাইনস ডে": জানুন পূর্নাঙ্গ ইতিহাস
- ফরিদপুরের সালথা সহিংসতায় কঠোর বার্তা শামা ওবায়েদের
- নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
- ঘরে বানান রেস্টুরেন্ট-স্টাইল সুইট কর্ন স্যুপ
- ছুটির দিনেও খোলা থাকছে যেসব ব্যাংক
- ফোনালাপে তারেক-শাহবাজের পাল্টাপাল্টি আমন্ত্রণ: খুলছে কি বন্ধ দুয়ার?
- ওষুধ ছাড়াই কমবে টনসিলের যন্ত্রণা: হাতের কাছেই আছে জাদুকরী সমাধান!
- মোদি-তারেক ফোনালাপ ও মমতার ভাই’ ডাক: ওপার বাংলার মিডিয়ায় তোলপাড়!
- নিয়তির কী অদ্ভুত খেলা: ফাঁসির মঞ্চ থেকে সরাসরি জনসেবায় তিন নেতা!
- কলম্বোর আকাশে যুদ্ধের দামামা: ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট এখন সোনার হরিণ!
- জুয়েলারি দোকানে যাওয়ার আগে সাবধান: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর
- তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ওয়াশিংটনের বিশেষ বার্তা
- ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতির ডাক: পরাজয়কেও সাফল্যের চোখে দেখছেন ডা. শফিক!
- অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস: দেড় বছরের ধাঁধায় নয়া মোড়!
- টাইম ম্যাগাজিনে তারেক রহমানের ভবিষ্যৎ ছক: কেমন হবে নয়া বাংলাদেশ?
- তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও শপিং মল বন্ধ
- সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ; ৩ দিনের মধ্যে বড় চমকের অপেক্ষা!
- আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে
- গেজেট প্রকাশের কাউন্টডাউন শুরু: নতুন প্রতিনিধিদের অপেক্ষায় দেশ
- ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশবাসীকে ধন্যবাদ তারেক রহমানের
- মুগ ডালের হালুয়া: সহজ রেসিপি, দুর্দান্ত স্বাদ
- নিরঙ্কুশ জয়ের পরে তারেক রহমানকে গুলশান কার্যালয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা
- কালিগঞ্জের ফতেপুরে দখলমুক্ত হল দুই দোকান, মালিক পরিবারের হাতে চাবি
- এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান
- তারেক রহমানকে মোদির ফোন
- কবে সরকার গঠন করবে জানাল মির্জা ফখরুল
- জয়ী হয়েই কঠোর ঘোষণা দিলেন হাসনাত
- মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অবশেষে স্বস্তি
- এক সপ্তাহ পর বিশ্ববাজারে সোনার উত্থান
- জুমার দিন দরুদ পাঠের অফুরন্ত ফজিলত
- ফলাফল নিয়ে জামায়াতের নতুন বার্তা, কী সেটা
- পুষ্টিকর বিটের হালুয়া বানাবেন যেভাবে
- বিএনপির জয়ে চীনের শুভেচ্ছা, একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ
- আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিএনপির জয় শিরোনাম
- রুপা স্থির, তবে কেন অস্থির শুধু সোনা
- তারেক রহমানকে অভিনন্দন মোদি-শাহবাজের
- পোস্টাল ব্যালটে কত শতাংশ ভোট? জানাল ইসি
- অস্ট্রেলিয়া-জিম্বাবুয়ে ম্যাচসহ আজকের টিভি ক্রীড়া সূচি এক নজরে
- আজ রাস্তায় চলবে যেসব যানবাহন
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- ২০০৮–এর পর প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন: গণতন্ত্রের গুণগত মানের এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- জুয়েলারি দোকানে যাওয়ার আগে সাবধান: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর
- স্বর্ণের বাজারে নতুন অস্থিরতা: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন চড়া দাম
- নির্বাচনে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে উদ্বেগ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- ১০ ফেব্রুয়ারি আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন দাম
- আজ টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- কালিগঞ্জে ধানের শীষের জনসমুদ্র: সাতক্ষীরা-৩ আসনে কাজী আলাউদ্দীনের হুঙ্কার
- ৮ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- চট্টগ্রাম বন্দর পুরো অচল! ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা
- এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান
- ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের শুভ সূচনা: প্রথম কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে
- কালিগঞ্জের ফতেপুরে দখলমুক্ত হল দুই দোকান, মালিক পরিবারের হাতে চাবি








