নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

শফিকুল আলম জানিয়েছেন, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রেস সচিব বলেন, বিজয়ীদের শপথ অনুষ্ঠান বিলম্ব না করে দ্রুত আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, নির্ধারিত সময়সীমার বাইরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
সরকারি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচন-পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা সরকারের অগ্রাধিকার। শপথ গ্রহণের মাধ্যমে নতুন মেয়াদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে এবং প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা হবে।
-রফিক
ঢাকাসহ ১৩ অঞ্চলে কালবৈশাখীর হানা: বজ্রসহ বৃষ্টির বড় আপডেট
দেশের ১৩টি জেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, ঢাকাসহ দেশের বড় একটি অংশে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা এই ঝড়ের সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়তে পারে এমন জেলাগুলোর তালিকায় রয়েছে—ঢাকা, পাবনা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট। আবহাওয়া অফিস এই অঞ্চলগুলোর নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে। ছোট নৌযান ও লঞ্চগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে এবং ঝড়ের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়ার অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও এর আশপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপের বাড়তি অংশ অবস্থান করছে। এছাড়া দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বিরাজমান। এই পরিস্থিতির কারণে দেশের সব বিভাগেই আগামী কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে আগামী দুই দিন দেশের কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
/আশিক
এপ্রিলে বাড়ছে না তেলের দাম!
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট এবং তেলের দাম নিয়ে অস্থিরতার মাঝেই স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক আনুষ্ঠানিক আদেশে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, আগামী এপ্রিল মাসে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না। অর্থাৎ, বর্তমান মার্চ মাসের নির্ধারিত দামেই এপ্রিল মাসেও তেল কিনতে পারবেন গ্রাহকরা।
মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব এনামুল হকের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে জানানো হয়, ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত)’ আলোকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে ডিজেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা দরে বিক্রি হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে তেলের দাম পুনর্নির্ধারণের নিয়ম থাকলেও, এপ্রিলের জন্য দাম অপরিবর্তিত রাখার এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষ ও পরিবহন খাতের জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার ছাড়ানোর যে আশঙ্কা করা হচ্ছিল, সেই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার এই ঘোষণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এই নতুন (অপরিবর্তিত) মূল্য কার্যকর থাকবে।
/আশিক
৫৫% মানুষের চাওয়া কি পূরণ হবে? অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর নতুন ঘোষণা
বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় স্কুল পর্যায়ে অনলাইন ও সশরীরে—এই দুই পদ্ধতির সমন্বয়ে ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা চলছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে একটি পরিসংখ্যান চালিয়েছে যেখানে দেখা গেছে, প্রায় ৫৫ শতাংশ মানুষ চাচ্ছেন যেন ক্লাসগুলো অনলাইনে নেওয়া হয়। তবে পুরোপুরি অনলাইন ক্লাসের বিপক্ষে মত দিয়ে তিনি বলেন, "সম্পূর্ণ অনলাইনে গেলে শিক্ষার্থীরা অসামাজিক হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে।" তাই সশরীরে ক্লাসের গুরুত্ব বজায় রেখে কীভাবে অনলাইনের সঙ্গে সমন্বয় করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।
জ্বালানি তেল সংকটের এই সময়ে স্কুল পর্যায়ের এই দ্বিমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিস্তারিত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। সেখানে গঠনমূলক আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান মন্ত্রী। মূলত বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব থেকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সচল রাখতেই এই বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছে সরকার।
/আশিক
দেশে আর থাকবে না মব কালচার: সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা
দেশে চলমান ‘মব কালচার’ বা মবের মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রবণতা আর বরদাশত করা হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই ঘোষণা দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, সরকার বাকস্বাধীনতা ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করবে, তবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দাবি আদায়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
সংসদ অধিবেশনে রুমিন ফারহানা বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রসঙ্গ টেনে বর্তমান সময়ের ‘মব কালচার’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান যে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মব কালচারের শিকার হয়ে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এমনকি গত ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজেও এই পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন বলে সংসদে জানান। এই কালচার বন্ধে সরকারের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ কী—তা জানতে চান তিনি।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বাংলাদেশে কোনো ধরনের মব কালচার থাকবে না। বিশেষ করে দাবি আদায়ের নামে মহাসড়ক বা রাস্তা অবরোধ করার যে প্রবণতা আগে দেখা গিয়েছিল, তা আর কোনোভাবেই অনুমতি দেওয়া হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ মব এবং সুসংগঠিত অপরাধের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে হামলা বা ভাঙচুর করা মূলত পরিকল্পিত অপরাধ, যা মব কালচারের সংজ্ঞায় পড়ে না। এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, জনগণের দাবি থাকতেই পারে, তবে তা প্রকাশের জন্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া, সেমিনার বা শান্তিপূর্ণ জনসমাবেশ করার অধিকার সবার আছে। সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিন্তু মবের দোহাই দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বা অস্থিতিশীলতা তৈরি করাকে কোনোভাবেই সমর্থন করা হবে না।
/আশিক
সংসদে জাইমা রহমান: ভিভিআইপি গ্যালারিতে সরব উপস্থিতি
জাতীয় সংসদের ভিভিআইপি লাউঞ্জে বসে সোমবার (৩০ মার্চ) সংসদ অধিবেশন পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হওয়ার পর তিনি লাউঞ্জে প্রবেশ করেন এবং সামনের সারিতে বসে সংসদীয় কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন নিশ্চিত করেছেন যে, ব্যারিস্টার জাইমা রহমান অধিবেশনের শুরু থেকেই উপস্থিত ছিলেন এবং বিশেষ করে প্রশ্নোত্তর পর্বটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করেন। সংসদ কক্ষে তখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য—স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ বিরোধী দলের সদস্যরাও অধিবেশনে অংশ নিচ্ছিলেন।
অধিবেশন চলাকালে জাইমা রহমানের হাতে একটি ল্যাপটপ দেখা যায়, যেখানে তাঁকে বেশ মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে লক্ষ্য করা গেছে। উল্লেখ্য যে, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনেও তিনি তাঁর মা ডা. জুবাইদা রহমানের সাথে ভিভিআইপি গ্যালারিতে বসে সংসদীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। তরুণ এই ব্যারিস্টারের ঘন ঘন সংসদে উপস্থিতি এবং সশরীরে সংসদীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ রাজনৈতিক মহলে বেশ ইতিবাচক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
/আশিক
বিগত সরকারের ১৩০০ প্রকল্প এখন কাঠগড়ায়: দুর্নীতির তথ্য ফাঁস করলেন অর্থমনন্ত্রী
জাতীয় সংসদে সোমবার (৩০ মার্চ) বাজেট ও উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গ্রামীণ অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করাই এখন বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পূর্ববর্তী সরকারের গৃহীত প্রকল্পগুলোর বেহাল দশা তুলে ধরেন। সরকারি নথির বরাত দিয়ে তিনি জানান, বিগত সরকারের নেওয়া ৫০০টিরও বেশি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ১০ শতাংশের নিচে। এ ছাড়া প্রায় ১ হাজার ৩০০টি প্রকল্প বর্তমানে পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে, যেগুলোর পেছনে অপচয় ও দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব প্রকল্প আগের মেয়াদে নেওয়া হওয়ায় এ নিয়ে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে মন্তব্য করার সুযোগ সীমিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জোর দিয়ে বলেন, গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করতে হলে অবকাঠামো উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। সরকার এখন এমন সব বাস্তবমুখী ও জনবান্ধব প্রকল্প গ্রহণে কাজ করছে, যা সরাসরি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উপকারে আসবে এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।
তিনি সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্থানীয় জীবনমান উন্নয়ন ও জীবিকা বৃদ্ধির জন্য কোনো কার্যকর উন্নয়ন প্রস্তাব থাকলে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পেশ করা যেতে পারে। জনস্বার্থে সেসব প্রকল্প ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে। কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
/আশিক
রাজনীতিতে সৌজন্যের নতুন নজির: বিরোধীদলীয় নেতাকে এগিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় রাজনীতিতে সৌজন্য ও শিষ্টাচারের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সংসদ সচিবালয়ে দুই নেতার এই সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ সাক্ষাৎ রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় বেলা ১২টায়, যখন জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী দিলার হাফিজের জানাজা নামাজে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে সংসদ ভবনের দিকে ফেরার পথে বিরোধীদলীয় নেতা কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ তাঁকে নিজ কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, দুই নেতার মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট স্থায়ী এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। তবে সবচেয়ে নজরকাড়া মুহূর্তটি ছিল সাক্ষাতের শেষে। আলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজে বিরোধীদলীয় নেতাকে তাঁর কার্যালয়ের পথ পর্যন্ত খানিকটা এগিয়ে দেন। ক্ষমতার শীর্ষপদে থেকেও এমন বিনয় ও সৌজন্য প্রদর্শন উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করেছে।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবরই সবাইকে যথাযথ সম্মান ও শিষ্টাচার প্রদর্শনে বিশ্বাসী। নির্বাচনের আগে এবং সরকার গঠনের পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর এই অমায়িক ব্যবহার সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আজকের এই ঘটনাটি ছিল তাঁর সেই স্বাভাবিক সৌজন্যবোধেরই একটি উজ্জ্বল বহিঃপ্রকাশ।
/আশিক
সংসদে হাসির রোল: হাসনাত আবদুল্লাহর বয়স শুনে প্রাণখুলে হাসলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে সোমবার (৩০ মার্চ) বাজেট ও পুলিশের বরাদ্দ নিয়ে আলোচনার সময় এক হাস্যরসাত্মক ও প্রাণবন্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কুমিল্লা থেকে নির্বাচিত এনসিপি সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর রসিকতাপূর্ণ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সংসদে উপস্থিত সকলেই, বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রাণখুলে হাসেন।
আলোচনার এক পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আমার বর্তমান বয়স সাড়ে ২৭ বছর। আপনি যখন ১৯৯১ সালে প্রথম এই সংসদে পা রাখেন, আমার জন্ম তখনো হয়নি; আমার জন্ম ১৯৯৮ সালে। তাই প্রবীণ ও নবীন এই ব্যবধানে সম্বোধনের ক্ষেত্রে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তবে আমি আগাম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।"
তরুণ এই সংসদ সদস্যের এমন বিনয়ী ও কৌতুকপূর্ণ মন্তব্য শুনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসিতে ফেটে পড়েন এবং পুরো সংসদ কক্ষেই এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। হাসনাত আরও যোগ করেন, কোনো ভুল হলে যেন তাদের নোটিশের মাধ্যমে জানানো হয়, যা তারা সানন্দে সংশোধন করবেন।
হাস্যরসের বাইরেও হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, পুলিশকে যখন কোনো মামলার তদন্ত বা বিশেষ অনুষ্ঠানের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখন তাদের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ থাকে না। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে অনেক সময় পুলিশ কর্মকর্তাদের স্থানীয় ব্যবসায়ী বা অন্যদের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়, যা দুর্নীতির পথ প্রশস্ত করে।
হাসনাত আবদুল্লাহর মতে, পুলিশের জন্য সরকারি বরাদ্দ পর্যাপ্ত পরিমাণে বাড়ালে তাদের আর কারো কাছে হাত পাততে হবে না। এতে পুলিশ বাহিনী তাদের নিজস্ব মহিমায় এবং পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে কাজ করতে পারবে। তিনি বিশ্বাস করেন, আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে পুলিশে দুর্নীতি কমবে এবং জনসেবায় আরও গতি আসবে।
/আশিক
এক-এগারোর কুশীলবদের তথ্যে ফেঁসে গেলেন ডিজিএফআই-এর সাবেক পরিচালক
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ডিজিএফআই-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে। রোববার (২৯ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডিবির সূত্রমতে, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনাসদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং ডিজিএফআই-এর সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আফজাল নাছেরের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মজিরখিল এলাকায়। তিনি ১৯৮৪ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআইতে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, এক-এগারোর সময় বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ একাধিক শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের নির্যাতনে তাঁর সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল। এছাড়া রাজধানীর ভাটারা থানায় গত জুলাই মাসে দায়ের করা একটি হত্যা মামলাতেও তিনি অন্যতম আসামি।
উল্লেখ্য, এর আগে গত সোমবার রাতে সাবেক সেনাসদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে তাঁর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বর্তমানে তিনি দ্বিতীয় দফায় ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন। গত বুধবার ডিজিএফআই-এর সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদকেও একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে ডিবি। এই উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ধারাবাহিক গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর আরও তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- এবার ইরাকে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলা!
- ঢাকাসহ ১৩ অঞ্চলে কালবৈশাখীর হানা: বজ্রসহ বৃষ্টির বড় আপডেট
- এপ্রিলে বাড়ছে না তেলের দাম!
- সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথে চীন-পাকিস্তান জোট! হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের নাটকীয় পিছুটান?
- ৩১ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের শেয়ারবাজারে লোকসানে ১০ কোম্পানি
- ডিএসই গেইনার বিশ্লেষণ, কোন খাতে বেশি লাভ
- যুদ্ধ থামাতে যেসব শর্ত দিল ইরান, বাড়ছে উত্তেজনা
- যুদ্ধের ধাক্কায় দুবাই-আবুধাবি শেয়ারবাজারে বড় পতন
- মার্কিন যুদ্ধবিমান ঠেকাতে আকাশ বন্ধ স্পেনের
- মধ্যপ্রাচ্যে অসংখ্য মার্কিন প্যারাট্রুপার, ইরানের 'খারগ দ্বীপ' কি দখল করবে যুক্তরাষ্ট্র
- তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই টার্গেট! কেন খারগ দ্বীপ দখলের ঝুঁকি নিচ্ছেন ট্রাম্প?
- মাথা ব্যথায় অস্থির? জেনে নিন হুটহাট যন্ত্রণা বাড়ার আসল কারণ
- আপনার শিশু কি নিরাপদ? হামের প্রকোপ রুখতে এখনই যা করা জরুরি
- অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় ভুগছেন? মন ভালো করার ৫টি জাদুকরী কৌশল
- ৫৫% মানুষের চাওয়া কি পূরণ হবে? অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর নতুন ঘোষণা
- আজই কি শেষ ম্যাচ? কাবরেরার বিদায়বেলায় সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি বাংলাদেশ
- ইসরাইলি সংসদে ফিলিস্তিনিদের ফাঁসি আইন পাস: বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া!
- টিকা নেওয়ার আগেই হামে আক্রান্ত বেশিরভাগ শিশু! কপালে চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসকদের
- তেলের দাম কি ২০০ ডলার ছাড়াবে? ট্রাম্পের হুমকিতে বিশ্ববাজারে চরম অস্থিরতা
- পৈশাচিকতা! নিজের স্ত্রীকে ১২০ জন পুরুষের হাতে তুলে দিল স্বামী
- বসুন্ধরা সিটি কি আজ বন্ধ? জেনে নিন ঢাকার শপিং মলের সাপ্তাহিক ছুটির তালিকা
- তেলের খনি দখলে নিতে মরিয়া ট্রাম্প! ফোর্ট ব্র্যাগ থেকে উড়াল দিল হাজারো মার্কিন সেনা
- দুবাই বন্দরে রণক্ষেত্র! কুয়েতের তেলবাহী জাহাজে নজিরবিহীন আক্রমণ
- জ্বলছে তেহরান! কেন্দ্রবিন্দুতে ইসরায়েলি বাহিনীর অতর্কিত ও ব্যাপক আক্রমণ
- চলতি বছর ৪৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয়: আজ কততে ঠেকেছে ২২ ক্যারেট?
- যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে মার্কিন জ্বালানি সংকট, দাম বেড়ে নতুন রেকর্ড
- সৌদি থেকে মার্কিন সেনা সরাতে ইরানের আহ্বান
- আইএলওতে তারেক রহমান সরকারের প্রতি ৪৭ দেশের সমর্থন
- ইসরায়েলে তেল শোধনাগারে হামলা, আতঙ্কে বাসিন্দারা
- আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে
- আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ম্যাচসহ আজকের খেলার সূচি
- ১৫ জেলায় ঝড়ের সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
- ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
- কেন্দ্র তালিকা দেখে নিন: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় আপডেট
- খারগ দ্বীপে মার্কিন বুট? ট্রাম্পের হুমকিতে বিশ্ব তেলের বাজারে বড় ধস
- দুই দশক পর ফিরল হামের আতঙ্ক: শিশুদের সুরক্ষায় নতুন সতর্কবার্তা
- দেশে আর থাকবে না মব কালচার: সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা
- ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধান: গোল্ডিলক্স জোনে মিলল পৃথিবীর মতো ৪৫টি গ্রহ
- ট্রাম্পের মুখে শান্তি, ইসরায়েলের হাতে অস্ত্র! মিত্রদের দ্বিমুখী চালে বিভ্রান্ত বিশ্ব
- তরুণদের হার্ট অ্যাটাক: রিপোর্টে সব স্বাভাবিক থাকলেও লুকিয়ে থাকতে পারে বড় বিপদ
- ইসরায়েল ফার্স্ট নীতিতে ক্ষুব্ধ মার্কিনিরা: নিজ দেশেই তোপের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: সরাসরি যুদ্ধে জড়াবে না ব্রিটেন, সাফ জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
- সংসদে জাইমা রহমান: ভিভিআইপি গ্যালারিতে সরব উপস্থিতি
- বিগত সরকারের ১৩০০ প্রকল্প এখন কাঠগড়ায়: দুর্নীতির তথ্য ফাঁস করলেন অর্থমনন্ত্রী
- খার্গ দ্বীপে হামলার চূড়ান্ত হুমকি ট্রাম্পের: রণক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে হরমুজ প্রণালি
- রাজনীতিতে সৌজন্যের নতুন নজির: বিরোধীদলীয় নেতাকে এগিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- সংসদে হাসির রোল: হাসনাত আবদুল্লাহর বয়স শুনে প্রাণখুলে হাসলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- নিজের ঘরের বিক্ষোভে নজর দিন: ট্রাম্পকে ইরানের প্রেসিডেন্টের পরামর্শ
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- পদ্মার গভীরে শনাক্ত ডুবে যাওয়া বাস: উদ্ধারে লড়ছে ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- চিরদিনই তুমি যে আমার খ্যাত নায়ক রাহুলের অকাল প্রয়াণ
- লেনদেন ছাড়াল ৬শ কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- ঈদ পরবর্তী বাজারে সোনার বড় ধস: ভরিতে বড় ছাড় দিয়ে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ
- বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি
- রিয়াদের ৭০ শতাংশ জ্বালানি মজুদের ওপর আঘাত: যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ কি ইরানের হাতে?
- আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস, দেশে কমলো কত








