আবার ভাইরাল শহীদ আবু সাঈদের ফেসবুক পোস্ট

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ০১ ১৮:৩৩:৪৫
আবার ভাইরাল শহীদ আবু সাঈদের ফেসবুক পোস্ট

২০২৪ সালের জুলাইয়ের রক্তাক্ত ইতিহাসের পটভূমিতে একটি পুরোনো ফেসবুক পোস্ট আবারও নতুন করে আলোড়ন তুলেছে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক শহীদ আবু সাঈদের লেখা সেই পোস্টটি এখন অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরাও শেয়ার করছেন।

পোস্টটি লেখা হয়েছিল ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে টালমাটাল মুহূর্তে। সেই দিন নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি আন্দোলনের ছবি শেয়ার করে আবু সাঈদ লিখেছিলেন,"সবথেকে যেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হলো আপনি ন্যায়ের পক্ষে না অন্যায়ের পক্ষে। অন্যায়ের পক্ষে থেকে ১০০ বছর বাঁচার থেকে ন্যায়ের পক্ষে থেকে মারা যাওয়া অধিক উত্তম, সম্মানের, শ্রেয়।"

এই লাইনগুলো তখন আন্দোলনরত ছাত্রদের মধ্যে সাহস, ত্যাগ এবং আদর্শের প্রতীক হয়ে ওঠে।মাত্র তিন দিন পর, ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। তিনিই ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ। তার মৃত্যু শুধু এক ছাত্রনেতার পতন ছিল না, বরং সেটি হয়ে ওঠে বৃহৎ একটি গণজাগরণের সূচনা মুহূর্ত।

সেই মৃত্যুর পর ঢাকাসহ দেশের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে আন্দোলন।শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাধারণ মানুষও রাস্তায় নামেন। কেবল কোটা সংস্কার নয়, বুকে জমে থাকা দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক বঞ্চনার প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে পুরো জাতি।চূড়ান্ত পরিণতিতে ৫ আগস্ট ১৫ বছরের শাসন শেষ হয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের।

সেই প্রেক্ষাপটেই শহীদ আবু সাঈদের ১৩ জুলাইয়ের পোস্টটিকে এখন অনেকেই ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে দেখছেন। মঙ্গলবার (১ জুলাই) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম নিজে সেই পোস্ট শেয়ার করেন তার সোশ্যাল মিডিয়ায়।

শুধু তিনি নন সাবেক ছাত্রনেতা, বর্তমান প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ, এমনকি সরকারি আমলারাও নিজেদের টাইমলাইনে তা শেয়ার করছেন। কেউ কেউ লিখেছেন, "এই লাইনগুলো শুধু আবু সাঈদের নয়, এটি এক গোটা প্রজন্মের নৈতিক অবস্থান।" অন্যজন লিখেছেন, "ইতিহাসে কিছু বাক্য থাকে, যেগুলো সময়কে ছাপিয়ে প্রতীকে পরিণত হয় সাঈদের এই বাক্য তেমনই এক চিহ্ন হয়ে থাকবে।"

বেশ কয়েকজন বিশ্লেষক মনে করছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার তার অবস্থান জনমতের সঙ্গে সাংগত করতে চাচ্ছে, যার অংশ হিসেবে এ ধরনের ‘ন্যায়ের বার্তা’ সামনে আনা হচ্ছে। তবে সাধারণ ছাত্র ও তরুণ প্রজন্মের কাছে এটি শুধুই রাজনৈতিক বার্তা নয় বরং আদর্শিক অনুরণনের পুনর্জন্ম।


সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিন: নতুন দিগন্তের সূচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১২:২৭:৫৬
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিন: নতুন দিগন্তের সূচনা
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রথমবারের মতো ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে (এএফডি) অফিস করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল ৯টায় তিনি তাঁর কার্যালয়ে পৌঁছালে তিন বাহিনীর প্রধানগণ তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রমে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কুশল বিনিময় শেষে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এদিন প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিয়মিত কার্যসূচির অংশ হিসেবে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান এবং মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরীকে নতুন ‘র‌্যাঙ্ক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রীর হাতে এই ব্যাজ পরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নবনিযুক্ত এই কর্মকর্তাদের ক্যারিয়ারে এক অনন্য সম্মান হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানটি সশস্ত্র বাহিনীর চেইন অব কমান্ডকে আরও সুসংহত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম (অব.), সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও প্রতিরক্ষা সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা এই মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হন। প্রধানমন্ত্রীর এই অফিস কার্যক্রম সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মনোবল সুদৃঢ় করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক


ভোটের সময় হলো বলে! সিটি নির্বাচন নিয়ে বড় আপডেট দিলেন ফখরুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১২:১০:৫৪
ভোটের সময় হলো বলে! সিটি নির্বাচন নিয়ে বড় আপডেট দিলেন ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

সিটি করপোরেশনগুলোতে খুব দ্রুতই নির্বাচনের ঘোষণা আসবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে নিয়মনীতি মেনেই প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তবে পরিস্থিতি ও সুযোগ বুঝে সরকার দ্রুতই নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপি সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গড়াই এখন মূল লক্ষ্য।

বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কার্যালয় পুনরায় খোলা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান মির্জা ফখরুল। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এখনো নিষিদ্ধ, তাই তাদের অফিস খোলার কোনো সুযোগ নেই। আমরা এটা চাইনি।" যারা আইন অমান্য করে অফিস খুলছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। উল্লেখ্য, আজ সকালেই গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগের অফিস খোলার খবর আসার পর সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এই প্রথম কোনো কড়া মন্তব্য এলো।

সংসদ অধিবেশন এবং সংরক্ষিত নারী আসনের বিষয়ে মির্জা ফখরুল জানান, অধিবেশন শুরু হওয়ার পর এই প্রক্রিয়ায় হাত দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে যারা দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন, তাদেরকেই প্রার্থী হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। গত ১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাংবাদিকদের সাহসিকতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের অবদানের কথা বিএনপি সবসময় মনে রাখবে। অল্প সময়ের মধ্যেই বিএনপি সরকার জনগণের মনে জায়গা করে নিয়েছে দাবি করে তিনি একটি সুন্দর ও নিয়মতান্ত্রিক আগামীর প্রতিশ্রুতি দেন।

/আশিক


আড়ালে রাখা হয়েছে রাষ্ট্রপতিকে? ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১০:০৯:৪২
আড়ালে রাখা হয়েছে রাষ্ট্রপতিকে? ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ছবি : সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। গত শুক্রবার একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি আক্ষেপ করে বলেন, "ড. ইউনূস ১৪ থেকে ১৫ বার বিদেশ সফরে গেলেও একবারের জন্যও আমার কাছে আসেননি বা আমাকে কিছু জানাননি।" রাষ্ট্রপতির মতে, প্রধান উপদেষ্টা সংবিধানের কোনো বিধানই তোয়াক্কা করছেন না। সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে যে, সরকারপ্রধান বিদেশ সফর থেকে ফিরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সফরের সারসংক্ষেপ, আলোচনা বা চুক্তি সম্পর্কে লিখিতভাবে অবহিত করবেন। কিন্তু বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা গত ১৮ মাসে একবারও সেই নিয়ম পালন করেননি বলে অভিযোগ রাষ্ট্রপতির।

সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি আরও চাঞ্চল্যকর দাবি করেন যে, বর্তমান সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার মূল উৎস ছিলেন তিনি নিজেই। অর্থাৎ, তার উদ্যোগেই এই সরকার যাত্রা শুরু করেছিল। কিন্তু সরকার গঠনের পর প্রধান উপদেষ্টা তাকে সম্পূর্ণভাবে ‘আড়ালে’ রাখার চেষ্টা করেছেন বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, "প্রধান উপদেষ্টা আমার সঙ্গে কোনো ধরণের সমন্বয়ই করেননি। এটি আসলে বোঝানোর কোনো উপায়ও নেই, কারণ তিনি একটিবারের জন্যও আমার কাছে আসার প্রয়োজন মনে করেননি।" রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যে সরকারের শীর্ষ দুই পদের মধ্যে চরম সমন্বয়হীনতার বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আরও যোগ করেন যে, ড. ইউনূস তার পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো নির্দিষ্ট অবস্থানে ছিলেন না। রাষ্ট্রপতি নিজেও সাহায্যের জন্য কখনো প্রধান উপদেষ্টার কাছে কোনো আবদার করেননি। নিজের মনোভাব স্পষ্ট করে তিনি বলেন, "আমার মনোভাব ছিল, যা হচ্ছে হতে থাকুক, দেখা যাক কতদূর গড়ায়।" ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা দুই অভিভাবকের মধ্যে এমন দূরত্বের খবরটি দেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে সংবিধান মেনে চলার বাধ্যবাধকতা নিয়ে রাষ্ট্রপতির এই সরাসরি মন্তব্য ভবিষ্যতে বড় কোনো সাংবিধানিক বিতর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

সূত্র: কালের কণ্ঠ।


বইমেলার পর্দা উঠবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে: দেবেন একুশে পদক

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ২২:০৪:৪৪
বইমেলার পর্দা উঠবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে: দেবেন একুশে পদক
ছবি : সংগৃহীত

দেশের কৃতী সন্তানদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক-২০২৬’ তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই পদক প্রদান করবেন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আজম উদ্দীন তালুকদার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচির তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতীয় জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় যারা গৌরবোজ্জ্বল ও অনবদ্য অবদান রেখেছেন, তাদের এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মাধ্যমে যথাযথ মর্যাদায় সম্মানিত করা হবে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্যগণ এবং সামরিক-বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

পদক প্রদানের রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই প্রধানমন্ত্রী ওই দিন বিকেলে যোগ দেবেন বছরের সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক উৎসব ‘অমর একুশে বইমেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর সশরীরে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এই দ্বিমুখী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংস্কৃতি অঙ্গন ও বইমেলা প্রাঙ্গণে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বইমেলা ও পদক প্রদান অনুষ্ঠান নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ নিরাপত্তা ও প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

দেশের শিল্প, সাহিত্য, শিক্ষা ও গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবারের একুশে পদকপ্রাপ্তদের নাম ইতোমধ্যেই সুধীমহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে, অমর একুশে বইমেলা বাংলাদেশের প্রাণের মেলা হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এর উদ্বোধন সাহিত্যপ্রেমীদের মাঝে বাড়তি উদ্দীপনা জোগাবে। ২৬ ফেব্রুয়ারি দিনটি তাই জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক মিলনমেলায় পরিণত হতে যাচ্ছে।

/আশিক


তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ সইবে না চীন: ঢাকার বৈঠকে কড়া বার্তা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১৯:২০:৩৭
তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ সইবে না চীন: ঢাকার বৈঠকে কড়া বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে 'তৃতীয় পক্ষের' কোনো হস্তক্ষেপ বরদাশত করবে না চীন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এ কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করেন যে, বেইজিং প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল এবং বাংলাদেশ-চীনের গভীর মৈত্রীতে অন্য কোনো দেশের নাক গলানো পছন্দ করে না বেইজিং। বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে চীনের এই সরাসরি অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

বৈঠকে বহুল আলোচিত ‘তিস্তা প্রকল্প’ নিয়ে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত জানান, বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। চীন এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহী এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তারা বর্তমানে অপেক্ষা করছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য চীন সফর নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ইয়াও ওয়েন বলেন, অতীতেও বাংলাদেশ থেকে চীনে উচ্চপর্যায়ের সফর হয়েছে এবং নতুন সরকারের আমলেও তারা একটি বড় ধরণের ‘হাই লেভেল ভিজিট’ বা উচ্চপর্যায়ের সফরের অপেক্ষায় আছেন।

চীনের রাষ্ট্রদূতের এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, তারা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে চায়। বিশেষ করে তিস্তা প্রকল্পের মতো বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ এবং উচ্চপর্যায়ের সফরের আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে চীন বাংলাদেশে তাদের প্রভাব ও অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার বার্তা দিয়েছে। একইসাথে ‘তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ’ নিয়ে মন্তব্য করে দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের প্রভাব বলয় রক্ষার কৌশলও পরিষ্কার করেছে বেইজিং। নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য প্রথম দিনের এই বৈঠকগুলো আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সমীকরণে বড় ধরণের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

/আশিক


ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত করতে বড় অভিযান শুরু

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১৯:০১:১৩
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত করতে বড় অভিযান শুরু
ছবি : সংগৃহীত

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, তালিকায় থাকা ভুল নাম বাদ দেওয়া এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই যাচাই-বাছাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধই এ দেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি, তাই এর গুরুত্ব অন্য সব আন্দোলনের চেয়ে অনন্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনৈতিক অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে ইতিহাসের এত বেশি অপব্যবহার হয়েছে যে, তরুণ প্রজন্ম সঠিক সত্য জানা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।" তিনি স্পষ্ট করেন যে, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য যেকোনো সংগ্রামকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম ত্যাগ ও তিতিক্ষার মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতাকে নতুন প্রজন্মের কাছে অবিকৃতভাবে পৌঁছে দেওয়াই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, মুক্তিযুদ্ধই এই রাষ্ট্রের জন্মের মূল চালিকাশক্তি। তাই এর পবিত্রতা রক্ষা এবং সঠিক তালিকা প্রণয়ন করা জাতীয় দায়িত্ব। মতবিনিময় সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী, জামুকার সদস্যবৃন্দ এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করা এবং প্রকৃত বীর সন্তানদের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ঐতিহাসিক সত্য পুনরুদ্ধারে মন্ত্রণালয়ের এই তড়িৎ পদক্ষেপ জনমনে স্বস্তি এনেছে।

/আশিক


তারেক রহমান সরকারের সাথে কাজ করতে আগ্রহী ভারত : প্রণয় ভার্মা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১৮:৪৮:৪২
তারেক রহমান সরকারের সাথে কাজ করতে আগ্রহী ভারত : প্রণয় ভার্মা
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গঠিত নতুন সরকারের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থ ও জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে ‘জনগণকেন্দ্রিক’ সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে ভারত। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দীর্ঘ মতবিনিময় শেষে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এই ইতিবাচক অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি জানান, ভারত বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত হতে আগ্রহী এবং একটি গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে চায়।

প্রণয় ভার্মা বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনের পর থেকেই দুই দেশের উচ্চপর্যায়ে নিবিড় যোগাযোগ শুরু হয়েছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠান এবং টেলিফোনে কথা বলেন। পরবর্তীতে ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার সরাসরি অংশগ্রহণ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে নরেন্দ্র মোদির একটি বিশেষ চিঠি তুলে দেন। এই পদক্ষেপগুলো দুই দেশের গভীর বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন।

হাইকমিশনার আরও জানান, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে এবং বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক বন্ধনকে সুসংহত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনে ভারতের নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন থাকবে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন এক অধ্যায় শুরু হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহল। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীর এই ধারা ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

/আশিক


তিন স্তরের যাচাই শেষে ফ্যামিলি কার্ড: জেনে নিন আবেদনের সব নিয়ম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১৭:১৭:১৭
তিন স্তরের যাচাই শেষে ফ্যামিলি কার্ড: জেনে নিন আবেদনের সব নিয়ম
ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, প্রকৃত অভাবী মানুষ যেন এই সুবিধার আওতার বাইরে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে তিন পর্যায়ের কঠোর ‘মাল্টি-লেভেল স্ক্রিনিং’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই যুগান্তকারী উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন। এই কার্ডের মূল লক্ষ্য হলো পরিবারের নারী সদস্যদের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়ানো এবং তাদের হাতে সরাসরি অর্থ পৌঁছে দিয়ে পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনা। দুর্নীতির ছিদ্রপথ বন্ধ করতে পুরো প্রক্রিয়াটি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বচ্ছ রাখা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

সরকারের এই মেগা প্রকল্পের প্রাথমিক লক্ষ্য হলো হতদরিদ্র ও অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া। বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া সহায়তার পরিমাণ অনেক বেশি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক চাপে থাকা পরিবারগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।

এই টাকা মূলত পরিবারের গৃহকর্ত্রী বা নারী সদস্যের হাতে দেওয়া হবে, যা নারীর ক্ষমতায়নেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে। কার্ড বিতরণে জালিয়াতি ঠেকাতে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে, যেখানে প্রতিটি পরিবারের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।

ফ্যামিলি কার্ডের এই বিশাল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি শক্তিশালী মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রথম ধাপে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু হবে এবং পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে তা সম্প্রসারণ করা হবে।

যারা এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক, তাদের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে নিজস্ব এনআইডি কার্ড, পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর সংগ্রহে রাখতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাইলট কার্যক্রম শেষ হলে ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে ফর্ম সংগ্রহের পাশাপাশি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমেও ঘরে বসে আবেদনের সুযোগ থাকবে। প্রতিটি পরিবারে একটি করে কার্ড ইস্যু করা হবে যার মাধ্যমে মাসিক নগদ সহায়তা বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হবে।

/আশিক


১৮-এর আগেই হাতে আসবে এনআইডি: ইসির নতুন বয়সের ঘোষণা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১৭:১১:৩৮
১৮-এর আগেই হাতে আসবে এনআইডি: ইসির নতুন বয়সের ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

এখন থেকে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই হাতে পাওয়া যাবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে ১৬ এবং ১৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিকরাও এখন থেকে এনআইডি কার্ডের জন্য নিবন্ধনের আবেদন করতে পারবেন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ থেকে জারি করা এক পরিপত্রের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে তরুণ প্রজন্মের জন্য শিক্ষা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলাসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা পাওয়া আরও সহজ হবে। নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া মাত্রই তার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন-২০১০ (২০১৩ সালে সংশোধিত) এর ধারা ৫-এর আলোকে ইসি এই নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। পরিপত্রে জানানো হয়, আবেদনের তারিখে যেসব বাংলাদেশি নাগরিকের বয়স ১৬ বা ১৭ বছর পূর্ণ হয়েছে বা অদূর ভবিষ্যতে হবে, তারা সবাই এনআইডি নিবন্ধনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এর মাধ্যমে তরুণদের একটি বিশাল অংশকে জাতীয় ডেটাবেজের আওতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। ভোটার হওয়ার আগেই পরিচয়পত্র পাওয়ার এই সুবিধা ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (নিবন্ধন ও প্রবাসী) খান আবি শাহানুর খান স্বাক্ষরিত এই আদেশটি ইতোমধ্যেই দেশের সকল আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে আজ থেকেই ১৬ বছর বয়সীরা এনআইডি কার্ডের প্রাথমিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। তরুণদের মাঝে এই খবরটি ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে, কারণ এখন আর আইডি কার্ডের জন্য তাদের ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত অধীর অপেক্ষায় থাকতে হবে না।

/আশিক

পাঠকের মতামত: