১০টি শক্তিশালী মিসাইল! ইসরায়েলের বুক কাঁপিয়ে দিল ইরান

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান সংঘাত এখন এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় অঞ্চল লক্ষ্য করে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এদিন প্রায় ১০টি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে দেয় তেহরান। ক্ষেপণাস্ত্রের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তেল আবিব, শেফেলা এবং এর আশপাশের এলাকায় সতর্ক সংকেত বা সাইরেন বেজে ওঠে এবং বাসিন্দারা বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, বেশ কিছু স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র বা এর ধ্বংসাবশেষ আঘাত হেনেছে, যেখানে বর্তমানে উদ্ধারকারী দল কাজ করছে। বিশেষ করে একটি ক্ষেপণাস্ত্রে ‘ক্লাস্টার ওয়ারহেড’ বা গুচ্ছ বোমা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা মাঝআকাশে বিস্ফোরিত হয়ে ছোট ছোট অসংখ্য বোমা ছড়িয়ে দেয়। এই হামলার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা তেহরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ‘বিস্তৃত ও জোরালো হামলা’ শুরু করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় পরিস্থিতি চরম অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই দীর্ঘায়িত সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১,৩৪০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর প্রতিশোধ নিতে ইরান কেবল ইসরায়েল নয়, বরং জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা দেশগুলোর ওপরও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজার ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
সূত্র: আনাদোলু
আড়াই মাস পর খুলল হরমুজ প্রণালি
দীর্ঘ আড়াই মাস অবরুদ্ধ থাকার পর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালির দুয়ার খুলল ইরান। তবে কৌশলগত এই সিদ্ধান্তে আপাতত কেবল চীনের জাহাজগুলোই চলাচলের অনুমতি পেয়েছে। বুধবার (১৩ মে) রাত থেকে ইরানি নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে চীনা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর যাতায়াত শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে তেহরান।
২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান এই রুট দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছিল। দীর্ঘ উত্তেজনার পর বেইজিংয়ের বিশেষ অনুরোধে এবং একটি নির্দিষ্ট ‘ট্রানজিট প্রোটোকল’ চুক্তির অধীনে জাহাজ চলাচলের এই অনুমতি দেয় তেহরান। মূলত চীনের জ্বালানি চাহিদার একটি বিশাল অংশ এই রুট দিয়ে সরবরাহ করা হয় বলেই ইরানের এই নমনীয় অবস্থান।
এই সিদ্ধান্তের সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে বেইজিংয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ব্যস্ত, ঠিক তখনই ইরান এই ঘোষণা দিল। শি জিনপিংয়ের সাথে ট্রাম্পের আলোচনায় হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান এই অনুমতির মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে বার্তা দিতে চাইল যে, তেহরানের ওপর বেইজিংয়ের বিশেষ প্রভাব রয়েছে এবং জ্বালানি কূটনীতিতে ইরান এখনো চালকের আসনে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্ববাজারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি তেল পরিবাহিত হয়। গত আড়াই মাস এই রুট বন্ধ থাকায় বিশ্বব্যাপী তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছিল। চীনের জন্য রুটটি আংশিক খুলে দেওয়ার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকটে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে। তবে অন্যান্য দেশের জাহাজের জন্য এই পথ কবে নাগাদ উন্মুক্ত হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।
/আশিক
আলোচনায় ফেরার জন্য মার্কিনীদের সামনে ইরানের ৫ শর্ত: তেহরানের অনড় অবস্থান
জেনেভা আলোচনা চলাকালে শীর্ষ নেতাদের ওপর হামলা এবং শারজাহ তায়্যিবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা এখন চরমে। যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ওয়াশিংটনের ১৪ দফা প্রস্তাবের বিপরীতে এবার শক্ত অবস্থান নিল তেহরান। ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসার জন্য পাঁচটি কড়া শর্ত জুড়ে দিয়েছে ইরান।
ইরানের পাঁচ শর্ত
১. লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে সামরিক তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।
২. ইরানের ওপর আরোপিত সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।
৩. বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জব্দ করা ইরানি অর্থ ও সম্পদ অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে।
৪. যুদ্ধের ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
৫. হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের একক ও সার্বভৌম অধিকারের স্বীকৃতি দিতে হবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি চলা সত্ত্বেও আরব সাগর ও ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ অব্যাহত থাকায় তেহরানের মনে চরম অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান এই বার্তা দিয়েছে যে, অবরোধ বহাল রেখে আলোচনার পরিবেশ তৈরি সম্ভব নয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিহতের ঘটনার পর প্রতিশোধ হিসেবে ইসরাইল ও মার্কিন ঘাঁটিতে ১০০ দফা হামলা চালায় ইরান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৭ এপ্রিল ট্রাম্পের দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব এবং ১১ এপ্রিলের ইসলামাবাদ বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়ায় হরমুজ প্রণালিতে পুনরায় নৌ-অবরোধ শুরু হয়। গত রোববার ইরান তাদের এই পাঁচ শর্ত পাঠালেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেটিকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরার সম্ভাবনা বর্তমানে অনিশ্চয়তার মুখে।
/আশিক
ইরানের ভেতরে সৌদির গোপন হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের নতুন মোড়
মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধ এবার সরাসরি সামরিক সংঘাতের রূপ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিজেদের ভূখণ্ডে হামলার প্রতিশোধ নিতে এবার ইরানের ভেতরে ঢুকে গোপনে একাধিক সামরিক অভিযান চালিয়েছে সৌদি আরব। পশ্চিমা ও ইরানি কর্মকর্তাদের বরাতে প্রকাশিত এই তথ্য মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তায় এক বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মার্চের শেষ দিকে সৌদি বিমানবাহিনী ইরানের অভ্যন্তরে এসব বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। দুইজন পশ্চিমা কর্মকর্তার দাবি, সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইরানের সাম্প্রতিক হামলার জাবাবেই এই ‘কাউন্টার অ্যাটাক’ বা পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে। তবে ইরানের ঠিক কোন কোন স্থানে বা স্থাপনায় এই হামলা হয়েছে, তা কৌশলগত কারণেই এখনো গোপন রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সৌদি আরবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরাসরি কোনো স্বীকৃতি না দিলেও হামলা অস্বীকারও করেনি। অন্যদিকে, তেহরানও এই স্পর্শকাতর বিষয়ে এখনো নিশ্চুপ রয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই গোপন হামলা সৌদি আরবের কয়েক দশকের পুরনো নিরাপত্তানীতিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সংকেত। এতদিন রিয়াদ তাদের নিরাপত্তার জন্য মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ছাতার ওপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু গত ১০ সপ্তাহ ধরে চলা আঞ্চলিক যুদ্ধে ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা বলয়ে সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হওয়ার পর, সৌদি আরব এখন ‘অফেন্সিভ’ বা আক্রমণাত্মক কৌশল বেছে নিয়েছে। অর্থাৎ, অন্যের ওপর নির্ভর না করে সরাসরি শত্রুর ডেরায় আঘাত করার সক্ষমতা ও সদিচ্ছা প্রদর্শন করছে দেশটি।
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই দুই আঞ্চলিক শক্তির প্রক্সি যুদ্ধ এখন সরাসরি সংঘাতে রূপ নেওয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা এবং সরাসরি সীমান্ত লঙ্ঘনের এই ঘটনাগুলো কেবল বৈশ্বিক তেলের বাজারকেই অস্থিতিশীল করছে না, বরং একটি বৃহত্তর যুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করছে। সৌদি আরবের এই সাহসী ও আক্রমণাত্মক অবস্থান তেহরানকে নতুন করে রণকৌশল সাজাতে বাধ্য করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
/আশিক
বিশ্বের ২০% জ্বালানি এখন ইরানের কবজায়? হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন ‘যুদ্ধ’ শুরু
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের উত্তাপ এবার আছড়ে পড়ল বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে। সোমবার (১১ মে) শিপিং জার্নাল ‘লয়েডস লিস্ট’ জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালির ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ নিতে কঠোর বিধিনিষেধ ও নতুন ‘টোল’ বা ফি আরোপ করেছে ইরান। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের ২০ শতাংশই এই সরু পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় তেহরানের এই সিদ্ধান্তে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইরানের নতুন গঠিত ‘পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেট অথরিটি’ (পিজিএসএ) জানিয়েছে, এখন থেকে এই প্রণালি অতিক্রম করতে হলে সব জাহাজকে আগাম অনুমতি নিতে হবে। এজন্য ‘ভেসেল ইনফরমেশন ডিক্লারেশন’ নামে একটি ফর্মে ৪০টিরও বেশি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে জাহাজের মালিকানা, বিমা, নাবিকদের বিস্তারিত তথ্য এমনকি কার্গোর ধরন ও রুট সম্পর্কেও নিখুঁত তথ্য তেহরানকে জানাতে হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও সেনাবাহিনী স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা মেনে চলবে, তারা এই পথ ব্যবহারে চরম সংকটে পড়বে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পতাকাবাহী বা সংশ্লিষ্ট কোনো জাহাজ এই রুট ব্যবহারের অনুমতি পাবে না বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধ ও ‘শক্তিশালী ইরান’ গড়তে তারা হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে।
নতুন এই সংকটের মুখে ভারত ও পাকিস্তান তেহরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন জাহাজগুলোকে এই ‘টোল’ না দেওয়ার জন্য কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। বাহরাইনের সাথে মিলে জাতিসংঘে প্রস্তাব তোলার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন, তবে রাশিয়া তাতে ভেটো দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে। ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ঘিরে বিশ্ববাজারকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি।
মার্কিন প্রস্তাব অযৌক্তিক, ট্রাম্পের জবাব অগ্রহণযোগ্য: ইরান
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি আলোচনা নতুন করে অচলাবস্থার মুখে পড়েছে। সোমবার (১১ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘একপেশে’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। পাল্টা জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের শর্তগুলোকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকেই সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তারা পাকিস্তানের মাধ্যমে তাদের আনুষ্ঠানিক জবাব ওয়াশিংটনকে পাঠিয়েছেন। ইরানের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—পুরো অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধ বন্ধ করা, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহার এবং বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা।
বাকেই জোর দিয়ে বলেন, "আমরা কোনো বাড়তি সুবিধা চাইছি না। আমাদের দাবিগুলো সম্পূর্ণ বৈধ—অবরোধ প্রত্যাহার, জলদস্যুতামূলক আচরণ বন্ধ এবং জব্দ করা সম্পদ ফেরত পাওয়া।" এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করাকেও তাদের প্রস্তাবের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজের প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি ইরানের প্রস্তাবকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে লিখেছেন, "আমি ইরানের তথাকথিত প্রতিনিধিদের জবাব পড়েছি। এটি আমার পছন্দ হয়নি। এই প্রস্তাব পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য!" যদিও ট্রাম্পের প্রস্তাবে কী ছিল বা ইরানের কোন শর্তে তিনি ক্ষুব্ধ, তার বিস্তারিত কোনো পক্ষই এখনো প্রকাশ করেনি।
রোমের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির বিশ্লেষক আন্দ্রেয়া দেসি এই পরিস্থিতিকে ‘মোটেও ইতিবাচক নয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় এই অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি নিয়ে টানাপোড়েন বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
/আশিক
বিশ্বজুড়ে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সৌদি আরবের সরকারি ক্যালেন্ডার ‘উম আল কুরা’ অনুযায়ী, আগামী ২৭ মে দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হতে পারে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তানের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাও বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশ শেষে ২৭ মে ঈদ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন।
সৌদি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, জিলকদ মাস ৩০ দিন পূর্ণ করার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সে হিসেবে হজ বা আরাফাতের দিন পড়বে ২৬ মে এবং পরের দিন ২৭ মে উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের মুসলিম জীবনবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ‘হাইফেন অনলাইন’ জানিয়েছে, সেখানে নতুন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৭ অথবা ২৮ মে ঈদ শুরু হতে পারে।
বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ পালিত হয়। সেই রীতি অনুযায়ী, আগামী ২৮ মে বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জিলকদ মাস যদি ২৯ দিনে শেষ হয়, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশেও ২৭ মে ঈদ হতে পারে।
অবশ্য চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করছে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার ওপর। ইসলামী বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী জিলহজ মাসের ১০ তারিখে এই উৎসব পালিত হয়। বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি যথাসময়ে চাঁদ পর্যালোচনার মাধ্যমে পবিত্র ঈদুল আজহার সঠিক তারিখ ঘোষণা করবে।
/আশিক
খামেনি-পেজেশকিয়ান আড়াই ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক: বড় কোনো সিদ্ধান্তের পথে ইরান?
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা আলি খামেনির সঙ্গে রাজধানী তেহরানে এক দীর্ঘ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আড়াই ঘণ্টাব্যাপী স্থায়ী এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে আলোচনার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি (IRIB) বিস্তারিত কিছু না জানালেও, এটি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আইআরআইবি-র প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, দুই শীর্ষ নেতার এই আলোচনায় মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়ানো এবং কূটনৈতিক সমাধানের বিষয়টি প্রধান্য পেয়েছে। এছাড়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এবং ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (IRGC) ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তার অভিজ্ঞতার কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে সর্বোচ্চ নেতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আলোচনায় সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি তাকে মুগ্ধ করেছে তা হলো সর্বোচ্চ নেতার বিনয়ী, আন্তরিক ও সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ। পেজেশকিয়ানের মতে, খামেনির দৃষ্টিভঙ্গি ও কথোপকথনের ধরন পুরো বৈঠকের পরিবেশকে বিশ্বাস, শান্তি ও সরাসরি সংলাপভিত্তিক পরিবেশে রূপ দিয়েছে।
প্রেসিডেন্টের এই ইতিবাচক মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের উত্তেজনা প্রশমনে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, সর্বোচ্চ নেতার এই ‘সবুজ সংকেত’ ইরানের আগামী দিনের বৈদেশিক নীতি ও সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে।
/আশিক
আমাদের আত্মসমর্পণ করানো অসম্ভব: ইরানের প্রেসিডেন্ট
যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক হুমকির মুখে চরম অনড় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার (৬ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইরান কখনোই কোনো শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করবে না। শিয়া ধর্মাবলম্বীদের বলপ্রয়োগে বাধ্য করা অসম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করবে আর অন্যদিকে ইরান তাদের একতরফা দাবি মেনে নেবে—এমন সমীকরণ কোনোদিন সফল হবে না।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সামরিক হুমকি সরিয়ে নেওয়ার জোর দাবি জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে ইরান সংলাপের জন্য সর্বদা প্রস্তুত, তবে হুমকি বা ভয়ভীতির ভাষায় কোনো ফল আসবে না। বিশেষ করে পারমাণবিক প্রযুক্তি ত্যাগের মার্কিন দাবি দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করে তিনি একে ইরানের বছরের পর বছর ধরে চলা জাতীয় বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির ফল হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, নিজেদের এই সক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করার কোনো প্রশ্নই আসে না।
ফোনালাপে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আল-জাইদি ইরানের শক্তির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে জানান, ইরানের বর্তমান ক্ষমতা কেবল তাদের একার নয়, বরং তা শিয়া অনুসারীসহ সকল মুসলমানের জন্য সহায়ক। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, অতীতে ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠী দায়েশ দমনে ইরানের অবদান ছিল নির্ণায়ক। আল-জাইদি মনে করেন, ইরানের কাছ থেকে এই ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া ইরাক কখনোই মেনে নেবে না, কারণ ইরানের শক্তিই ইরাকের শক্তি।
দুই দেশের সম্পর্ককে 'এক অভিন্ন আত্মার দুটি সত্তা' হিসেবে উল্লেখ করে আল-জাইদি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সমন্বয়ের অঙ্গীকার করেন। তিনি আরও বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার মতপার্থক্য কেবল আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। ওয়াশিংটন যেমন ইরানের ইসলামী শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করতে সক্ষম নয়, তেমনি কোনো সামরিক সংঘাতও এই সমস্যার টেকসই সমাধান হতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সূত্র : আল-জাজিরা ও প্রেস টিভি
কেন স্বাভাবিক হচ্ছে না হরমুজ প্রণালি? ফাঁস হলো ইরানের গোপন রণকৌশল
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে ইরানের সংসদের দ্বিতীয় ডেপুটি স্পিকার আলি নিকজাদ এক চাঞ্চল্যকর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ আর কখনোই তার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ এবং জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘস্থায়ী করার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলি নিকজাদ স্পষ্ট করে বলেন, হরমুজ প্রণালিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে না দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত সরাসরি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পক্ষ থেকে আসা একটি আদেশ। মূলত ১৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া মার্কিন নৌ-অবরোধের পাল্টা জবাব হিসেবে তেহরান এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই সংকটের ফলে এশিয়াসহ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরণের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
সংঘাত নিরসনে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও তা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। দুই দেশের অনড় অবস্থানের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় রণক্ষেত্র ও জলপথের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। পরবর্তী দফার আলোচনার চেষ্টা চললেও হরমুজ প্রণালির এই ‘স্থায়ী পরিবর্তন’-এর ঘোষণা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরণের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দিশেহারা পাকিস্তান: সিলেট টেস্টের রোমাঞ্চকর দ্বিতীয় দিন
- ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন
- কুমিল্লায় সুজনের সভা: গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা
- চীন সফর শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন হুঙ্কার: পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে মধ্যপ্রাচ্য
- নীতি সহায়তা ও আন্তর্জাতিক মান ছাড়া চামড়া শিল্পের টেকসই বিকাশ অসম্ভব: শিল্পমন্ত্রী
- রবিবার রাত ১১টায় বন্ধ হচ্ছে সংযোগ, সোমবার বিকেলের আগে আসবে না গ্যাস
- ঈদযাত্রার শেষ দিন ২৭ মে’র ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আজ
- সন্ধ্যার আগেই দেশের ৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
- মধ্যপ্রাচ্যে মেগা যুদ্ধের কাউন্টডাউন, ট্রাম্পের সবুজ সংকেতের অপেক্ষা
- সড়কে বের হওয়ার আগে জেনে নিন রাজধানীর আজকের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি
- ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম, রুপার ভরিতেও স্বস্তির আভাস
- রোববার ঢাকার যেসব এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ফ্যামিলি কার্ড গ্রামীণ নারীদের জন্য সেফগার্ড: নুরুল হক নুর
- সন্ত্রাসবাদে মদদ দিলে বিশ্ব মানচিত্র থেকে মুছে যাবে পাকিস্তান: ভারতের সেনাপ্রধান
- আসছে নবম জাতীয় পে-স্কেল: ২০২৬-২৭ বাজেটে মিলবে প্রাথমিক রূপরেখা
- হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নতুন নৌ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: বিশ্ব জ্বালানি বাজারে কাঁপন
- কোরবানির হাটে ঝড় তোলা নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশেষে বিক্রি!
- ব্রিটিশ আমলের ঔপনিবেশিক মানসিকতা দূর করতে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বদল
- আওয়ামী লীগের মতোই মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: সারজিস আলম
- দেবিদ্দার পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের পিটুনিতে বাবা নিহত, এলাকায় শোক
- ভারতকে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি
- মেসি-রোনালদোর ওয়ান লাস্ট ড্যান্স: ফুটবল বিশ্বে মহাকাব্যিক শেষের কাউন্টডাউন
- আওয়ামী লীগ ফিরলে প্রথম গুলিটি চালাবে তারেক রহমানের ওপর: নাসীরুদ্দীন
- গাজায় ইসরায়েলের বিধ্বংসী বিমান হামলা: হামাসের সামরিক প্রধান হাদ্দাদ নিহত
- ২৪ ঘণ্টায় অর্ধশতাধিক ভূমিকম্প: লাভা ছড়াচ্ছে ফিলিপাইনের মায়ন আগ্নেয়গিরি
- ফারাক্কার বিরূপ প্রভাবে ভুগছে ভারতও, ব্যারাজ ভাঙার দাবি খোদ সে দেশে: রিজভী
- আমরা কাজে বিশ্বাসী, কথায় নয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- কুমিল্লার মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল: এক বছরে ঝরল শত শত প্রাণ, আহত সহস্রাধিক
- ইসরায়েলকে পিতৃভূমি ও আমিরাতকে দ্বিতীয় বাড়ি বললেন মোদি
- আজকের টাকার রেট: ১৬ মে ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
- চীন সফর শেষে তাইওয়ান ইস্যুতে সুর বদলালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
- লিভার ফেইলিউরের সাথে লড়ে হেরে গেলেন অভিনেত্রী কারিনা কায়সার
- শরীয়তপুরে নৃশংসতা: প্রবাসীকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে ড্রামে রাখলেন স্ত্রী
- যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম বৃদ্ধির মাঝেই গ্যাস স্টেশনে হ্যাকিং: অস্বস্তিতে ট্রাম্প প্রশাসন
- স্থায়ী বন্ধের জেদ থেকে পিছু হটার ইঙ্গিত: ইরান ইস্যুতে অবশেষে সুর নরম করলেন ট্রাম্প
- স্বর্ণের বাজারে বড় পতন: ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও কমল স্বর্ণের দাম
- আসছে সুপার এল নিনো: বাংলাদেশের আবহাওয়া ও কৃষিতে মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা
- মেগা সফরে চাঁদপুর গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: সড়কপথে যাত্রা শুরু
- শনিবারের ঢাকার ছুটির তালিকা: আজ বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট ও এলাকা
- সবুজ উইকেটে পাকিস্তান পেসারদের তোপ: শুরুতেই চরম উইকেট বিপর্যয়ে বাংলাদেশ
- আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পুর্নাংগ বিশ্লেষণ
- ইরান প্রশ্নে বেইজিংয়ের কাছ থেকে নিশ্চিত বার্তা পেল না ওয়াশিংটন
- হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের বিরল ঐকমত্য
- শনিবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট, ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- নবম পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে
- কৃষক কার্ডে মিলবে ১০ সুবিধা, জানাল সরকার
- ১৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সোনার বাজারে আগুনের হল্কা: নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে ২২ ক্যারেট
- ১৪ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পুর্নাংগ বিশ্লেষণ
- শনিবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট, ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের বিরল ঐকমত্য
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- নবম পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে
- আকাশচুম্বী দামে থমকে আছে স্বর্ণ: সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে অলঙ্কার
- হেক্সা জয়ের লক্ষ্যে ব্রাজিলের ৫৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা
- পুঁথিগত বিদ্যা নয়, নজর দিন উদ্ভাবনে: ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- নির্মিত হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু: সেতু মন্ত্রী
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- কৃষক কার্ডে মিলবে ১০ সুবিধা, জানাল সরকার








