নিজের ঘরের বিক্ষোভে নজর দিন: ট্রাম্পকে ইরানের প্রেসিডেন্টের পরামর্শ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি নিয়ে খোদ আমেরিকাতেই তীব্র বিক্ষোভ দানা বাঁধছে। এই অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার দিকে নজর দিতে ওয়াশিংটনকে পরামর্শ দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তাঁর মতে, ট্রাম্পের ‘ইসরায়েলপন্থী’ নীতির কারণে মার্কিন জনমনে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে দেশটির প্রশাসনের আরও সজাগ হওয়া প্রয়োজন।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পেজেশকিয়ান গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হওয়া ‘নো কিংস’ (No Kings) বিক্ষোভের প্রসঙ্গটি সামনে আনেন। তিনি দাবি করেন, মার্কিন সমাজের একটি বড় অংশ এখন তাদের দেশের নীতিনির্ধারণে বাইরের শক্তির প্রভাব নিয়ে চরম হতাশ।
পেজেশকিয়ান এই পরিস্থিতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সঠিকভাবে বোঝানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিশেষজ্ঞদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এআই বিশেষজ্ঞদের উচিত ট্রাম্পকে জানানো যে, মার্কিন নাগরিকরা ‘ইসরায়েলকে অগ্রাধিকার’ দেওয়ার নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ এবং তারা মার্কিন গণতন্ত্রের ওপর ‘ইসরায়েলি রাজাদের’ খবরদারিতে ক্লান্ত।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি শোচনীয় রূপ নেয়। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা নিহতের পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান। গত এক মাস ধরে চলা এই পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো অঞ্চল এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
বর্তমানে পাকিস্তান, তুরস্ক, মিসর ও সৌদি আরব এই যুদ্ধ বন্ধে দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে আলোচনার প্রস্তাব এলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চরম আস্থাহীনতার কথা জানিয়ে এখনো অনড় অবস্থানে রয়েছে ইরান। যুদ্ধের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে খোদ আমেরিকায় ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য নতুন এক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
/আশিক
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বৈশ্বিক বিপর্যয়: তেলের দাম বাড়ার পূর্বাভাসে কাঁপছে বিশ্ব
কমনওয়েলথ ব্যাংক অফ অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ভূ-রাজনৈতিক কৌশলবিদ ম্যাডিসন কার্টরাইট সতর্ক করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাত অন্তত আগামী জুন মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তাঁর মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলেই একতরফাভাবে এই যুদ্ধ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে পারবেন না। কার্টরাইট ব্যাখ্যা করেন, বাণিজ্যিক শুল্ক নীতি নির্ধারণ করা প্রেসিডেন্টের একক এখতিয়ার হলেও যুদ্ধের সমাপ্তি টানা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়, কারণ এর সঙ্গে একাধিক আঞ্চলিক শক্তির স্বার্থ ও জটিল সমীকরণ জড়িত।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ক্যাবিনেট বর্তমানে তীব্র জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একটি সমন্বিত কৌশল তৈরির কাজ করছে। এই প্রেক্ষাপটে কার্টরাইট ফেডারেল ও রাজ্য নেতাদের সতর্ক করে বলেছেন, দেশের সীমিত জ্বালানি মজুতের কথা মাথায় রেখে একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। উল্লেখ্য যে, সিডনিসহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তের পেট্রোল পাম্পগুলোতে ইতিমধ্যেই জ্বালানি শূন্যতা দেখা দিয়েছে, যা বৈশ্বিক এই সংকটের ভয়াবহতা ফুটিয়ে তুলছে। বিশ্লেষকের মতে, স্থায়ী শান্তির জন্য যেকোনো চুক্তিতে অবশ্যই ইসরায়েল ও ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে; কেবল যুক্তরাষ্ট্রের পিছু হটার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলোর মধ্যে কোনো সাধারণ ঐকমত্য না থাকায় আলোচনার পথ আরও জটিল হয়ে পড়েছে। কার্টরাইট আরও উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যেও কৌশলগত মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। যদি যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য পূরণ না করেই যুদ্ধ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়, তবে ইসরায়েল সম্ভবত এককভাবে এই লড়াই চালিয়ে যাবে। অন্যদিকে, অনুকূল কোনো চুক্তি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র হঠাৎ সরে দাঁড়ালেই যে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই।
সার্বিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত কেবল আঞ্চলিক নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলছে। কার্টরাইটের এই পূর্বাভাস ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুত যুদ্ধ জয়ের দাবি করলেও বাস্তব পরিস্থিতি অনেক বেশি জটিল ও সময়সাপেক্ষ। আগামী জুন মাস পর্যন্ত এই অস্থিরতা বজায় থাকলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আরও বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
লেবাননে বড় যুদ্ধের ডাক: নির্দেশ দিলেন নেতানিয়াহু
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হিজবুল্লাহর লাগাতার রকেট হামলা এবং ইসরায়েলের উত্তর সীমান্ত এলাকায় ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে তিনি এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে সামা টিভি।
ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড থেকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইসরায়েলি ভূখণ্ডকে নিরাপদ রাখতে এবং হুমকিগুলো সীমান্ত থেকে আরও দূরে সরিয়ে নিতে তিনি সেনাবাহিনীকে অভিযানের পরিধি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তার এই বক্তব্যের পর লেবানন সীমান্তে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এর আগে ইসরায়েল লিটানি নদী পর্যন্ত একটি বিশেষ 'বাফার জোন' বা নিরাপত্তা বলয় তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। তবে নেতানিয়াহুর নতুন এই নির্দেশের ফলে ইসরায়েলি বাহিনী ওই সীমানার বাইরে আরও গভীরে অগ্রসর হবে নাকি বর্তমান এলাকাতেই নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে—তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভায় এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।
মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সম্প্রতি ইরানে বিমান হামলা চালানোর পর থেকেই হিজবুল্লাহ প্রতিশোধ হিসেবে তেল আবিব লক্ষ্য করে একের পর এক রকেট ছুড়ছে। হিজবুল্লাহর এই পাল্টা আক্রমণের জেরেই লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল, যা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
/আশিক
খার্গ দ্বীপ আসলে কী? কেন এই ‘নিষিদ্ধ দ্বীপ’ দখল করতে মরিয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প?
ইরানের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়িয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, ওয়াশিংটন ইরানের ‘লাইফলাইন’খ্যাত এই দ্বীপটির দখল নিতে চায়। এই রণকৌশলকে তিনি ভেনেজুয়েলার ‘তেল রাজনীতির’ সঙ্গে তুলনা করেছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো দ্বীপটি দখল বা অবরোধের মাধ্যমে ইরানকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে বাধ্য করা এবং দেশটির আয়ের প্রধান উৎস চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া।
ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কারণে খার্গ দ্বীপ ইরানের জন্য এক অপরিহার্য ভূখণ্ড। মূল ভূখণ্ডের উপকূলীয় এলাকা সুপারট্যাঙ্কার চলাচলের জন্য অত্যন্ত অগভীর হওয়ায় ইরানের উৎপাদিত প্রায় সমস্ত অপরিশোধিত তেল সমুদ্রতলের পাইপলাইনের মাধ্যমে এই দ্বীপে পাঠানো হয়। ১৯৫০-এর দশকে তেল স্থাপনা হিসেবে গড়ে ওঠা এই দ্বীপে বর্তমানে বিশালাকার স্টোরেজ ট্যাঙ্ক এবং জেটি রয়েছে, যেখান থেকে মূলত চীনে তেল রপ্তানি করা হয়। অন্তত ৮ হাজার বাসিন্দার এই ‘নিষিদ্ধ দ্বীপে’ সাধারণের প্রবেশাধিকার সীমিত থাকলেও স্যাটেলাইট চিত্রে সেখানে পাইপলাইনের এক বিশাল জাল ও শক্তিশালী অবকাঠামো দেখা যায়।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই দ্বীপটিকে ‘অরক্ষিত’ বলে বর্ণনা করলেও সামরিক বিশেষজ্ঞরা একে দখলের অভিযানকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন। ১৯৮৮ সাল থেকেই ট্রাম্পের নজর এই দ্বীপটির ওপর থাকলেও বর্তমানে ওই অঞ্চলে ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্যারাট্রুপার এবং উভচর আক্রমণকারী জাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ মোতায়েন করায় সংঘাতের শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক মাইকি কে-র মতে, এই দ্বীপটি দখল করা হলে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর আয়ের প্রধান উৎস বন্ধ হয়ে যাবে, যা তাদের যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
তবে এই সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের বিশেষজ্ঞ ক্রিশ্চিয়ান এমেরি সতর্ক করেছেন যে, দ্বীপটি মূল ভূখণ্ড থেকে মাত্র ২০ মাইলের কম দূরত্বে অবস্থিত হওয়ায় এটি সহজেই ইরানি রকেট, গোলন্দাজ বাহিনী ও ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।
পারস্য উপসাগরের গভীরে অবস্থিত হওয়ায় মার্কিন রসদ সরবরাহের পথটিও সবসময় ঝুঁকির মুখে থাকবে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, খার্গ দ্বীপ দখল করা কোনো চূড়ান্ত বিজয় আনার বদলে যুদ্ধকে আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘস্থায়ী করার ঝুঁকি তৈরি করবে।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ইরান ও তার মিত্ররা কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ স্পষ্ট করেছেন যে, তারা মার্কিন বাহিনীর প্রতিটি গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস করবেন না। রাশিয়ার পক্ষ থেকেও এই দখলের পরিকল্পনা নিয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খার্গ দ্বীপে কোনো অভিযান চালানো হলে ইরান তীব্র পাল্টা আঘাত হানতে পারে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামো এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে এক চরম বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
/আশিক
হরমুজ ছাড়িয়ে ওমান উপসাগরও এখন ইরানের কবজায়
হরমুজ প্রণালির পর এবার ওমান উপসাগরের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার দাবি করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। দেশটির নৌবাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন যে, বর্তমানে এই অঞ্চলের জলসীমায় ইরানের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে ওই অঞ্চলে মোতায়েনরত মার্কিন বাহিনীর ওপর কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, ইরানি কমান্ডার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে মার্কিন সেনারা বর্তমানে তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। আমেরিকার কোনো রণতরী বা সামরিক যান সীমার মধ্যে এলেই উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে তিনি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়েছেন। এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় নতুন করে যুদ্ধের উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে।
ওই কমান্ডার আরও দাবি করেন, ইরানের শক্তিশালী সামরিক তৎপরতা ও মহড়ার মুখে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ ইরানি জলসীমা থেকে শত শত মাইল দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চল এবং ওমান উপসাগর ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর নিশ্ছিদ্র নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই কৌশলগত আধিপত্যের ফলে ওই অঞ্চলের নৌ-চলাচল ও সামরিক সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: আলজাজিরা
ইরান ও হিজবুল্লাহর যৌথ হামলায় কাঁপছে ইসরায়েল, ১০০ শহরে বাজছে সতর্কসংকেত
ইসরায়েল লক্ষ্য করে একযোগে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালিয়েছে ইরান এবং লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই যৌথ হামলার সময় ইসরায়েলের অন্তত ১০০টিরও বেশি শহরে বিমান হামলার সতর্কসংকেত বা সাইরেন বেজে ওঠে, যা জনমনে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করে। মূলত লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর রকেট বর্ষণ এবং ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বিত আক্রমণ মোকাবিলায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একযোগে সক্রিয় হয়ে ওঠে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ ও ইরানের এই দ্বিমুখী আক্রমণের ফলে দেশটির একটি বিশাল অঞ্চল জুড়ে সতর্কবার্তা জারি করতে হয়। যদিও এই শক্তিশালী হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। বিশেষ করে হাইফা উপকূলীয় অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়ায় সেখানকার কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী।
/আশিক
এবার রণক্ষেত্র থেকে আলোচনার টেবিলে ইরান: তবে জুড়ে দিল এক কঠিন শর্ত
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ নিয়ে এক বিস্ফোরক শর্ত জুড়ে দিয়েছে ইরান। দীর্ঘ এক মাস ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধে নিজেদের সুবিধাজনক অবস্থানে দাবি করে তেহরান এখন এই নৌপথের ওপর তাদের পূর্ণ সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি চাইছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান পরিকল্পনা করছে এই সরু জলপথ দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি জাহাজ থেকে নিয়মিত টোল আদায় করার, যা পূরণ হলে দেশটির অর্থনীতিতে প্রতি বছর কয়েকশ কোটি ডলারের নতুন জোয়ার আসবে।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। ব্লুমবার্গ ইকোনমিকসের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক প্রধান দিনা এসফান্দিয়ারি জানিয়েছেন, ইরান এখন খুব ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে যে বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করা কতটা সহজ এবং লাভজনক। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে এই টোল আদায়ের পরিকল্পনাকে তেহরান তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী ‘ভূ-রাজনৈতিক অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। ইরানের এই দাবি মূলত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এক ধরনের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা।
তবে ইরানের এই নজিরবিহীন শর্ত সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই এই ‘অবৈধ ও বিপজ্জনক’ দাবি মেনে নেবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক নৌপথে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না। ফলে হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন স্নায়ুযুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে আরও বড় অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করছে।
/আশিক
ইরানের ইতিহাসে ভয়াবহতম দিন: এক রাতেই তছনছ রাজধানী তেহরান
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) মাত্র চার ঘণ্টার ব্যবধানে ইরানজুড়ে স্মরণকালের ভয়াবহতম তাণ্ডব চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সন্ধ্যা ৫টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে দেশজুড়ে অন্তত ৭০১টি শক্তিশালী হামলা চালানো হয়েছে। বিবিসি এবং হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সির (HRANA) তথ্যমতে, যুদ্ধ শুরুর পর এক দিনে এত বিপুল সংখ্যক হামলার ঘটনা এটিই প্রথম।
এই বিধ্বংসী হামলার প্রায় ৭৪ শতাংশই পরিচালিত হয়েছে রাজধানী তেহরানকে লক্ষ্য করে। ফলে সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানির শিকার হয়েছে এই শহরটি। এইচআরএএনএ-র সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর মাত্র এক মাসে নিহত বেসামরিক নাগরিকের সংখ্যা ১ হাজার ৫৫১ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ২৩৬ জনই নিষ্পাপ শিশু। তেহরানের আকাশজুড়ে এখনো ধোঁয়ার কুণ্ডলী এবং ধ্বংসস্তূপের চিত্র এই যুদ্ধের নির্মমতাকে ফুটিয়ে তুলছে।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের এই আগুনি পরিস্থিতিতে নতুন ঘি ঢেলেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে তারা দ্বিতীয় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যা পুরো অঞ্চলকে এক মহাযুদ্ধের কিনারে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, হুথিরা যদি লোহিত সাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব-এল মান্দেব প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে বিশ্ব অর্থনীতিতে মহাবিপর্যয় নেমে আসবে। অন্যদিকে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৩ জন সাংবাদিক নিহতের ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। যদিও ইসরায়েলের দাবি, নিহতদের একজন হিজবুল্লাহর সদস্য ছিলেন।
/আশিক
ইসরায়েলে হুথিদের মিসাইল রেইন: ২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয় দফায় কাঁপল তেল আবিব
ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে দ্বিতীয় দফায় শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক ভিডিও বার্তায় এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছেন। ইরানি বাহিনীর পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে হুথিদের এই দ্বিতীয় দফার আক্রমণ পুরো মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির উত্তেজনাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইয়াহিয়া সারি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, ইসরায়েল যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের ‘আগ্রাসন ও হামলা’ বন্ধ না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত ইয়েমেনের এই সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। হুথিদের দাবি অনুযায়ী, তারা ইসরায়েলের বেশ কিছু ‘গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা’ লক্ষ্য করে আধুনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও একঝাঁক ড্রোন ব্যবহার করেছে।
মূলত লেবানন, ইরান ও ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত অভিযানের প্রতিশোধ নিতেই এই ড্রোন ও মিসাইল রেইন চালানো হয়েছে। হুথি মুখপাত্র আরও বলেন, "দখলকৃত পশ্চিম তীরেও আমরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছি। যদি অন্য কেউ এই যুদ্ধে ইসরায়েলের পক্ষ নেয়, তবে আমাদের আঙুল সবসময় বন্দুকের ট্রিগারেই থাকবে।"
এদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার কথা স্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, তাদের অ্যারো-ডিফেন্স সিস্টেম এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই হুমকি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার এই বিধ্বংসী যুদ্ধ দ্বিতীয় মাসে পদার্পণ করার পর ইয়েমেনের সরাসরি অংশগ্রহণ যুদ্ধের পরিধিকে আরও বিস্তৃত ও ভয়াবহ করে তুলছে। লোহিত সাগর থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত এখন হুথিদের এই ‘ট্রিগার হ্যাপি’ মনোভাব বড় ধরনের সামরিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
/আশিক
ইরান যুদ্ধে হুতিদের অংশগ্রহণে বিপাকে ইসরায়েল
গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলের ওপর হুতিদের বিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা খুব একটা সুবিধা করতে না পারলেও, সাম্প্রতিক সময়ে তাদের কৌশলী আক্রমণ তেল আবিবের জন্য নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ইসরায়েলি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে একটি হুতি ড্রোন সরাসরি তেল আবিবের আবাসিক ভবনে আঘাত হানে, যাতে একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। এই ঘটনাটি হুতিদের সক্ষমতার এক নতুন বার্তা দিচ্ছে, যা ইসরায়েলের জন্য বাড়তি মাথাব্যথার কারণ।
তবে সামরিক চ্যালেঞ্জের চেয়েও বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে লোহিত সাগরে হুতিদের সম্ভাব্য নতুন হামলা। বর্তমানে সৌদি আরব হরমুজ প্রণালি এড়াতে লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবু বন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করছে। এশিয়ার বাজারের উদ্দেশ্যে পাঠানো এই তেলের জাহাজগুলো ইয়েমেনের উপকূল ঘেঁষেই দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়। ফলে হুতিরা যদি পুনরায় এই রুটে হামলা শুরু করে, তবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব হবে নাটকীয়।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫-এর শুরু পর্যন্ত হুতিরা লোহিত সাগরে চলাচলকারী জাহাজে প্রায় ২০০টি হামলা চালিয়েছে। এতে ৩০টিরও বেশি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অন্তত একটি জাহাজ ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে। এই ক্রমাগত অস্থিরতার ফলে বাব আল-মানদাব প্রণালি ও সুয়েজ খাল দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছিল। বর্তমানে এই রুটটি পুনরায় সচল হলেও হুতিদের নতুন করে সক্রিয় হওয়ার হুমকি বিশ্ব বাণিজ্য ও লোহিত সাগরের নিরাপত্তা বলয়কে আবারও খাদের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি
পাঠকের মতামত:
- নিজের ঘরের বিক্ষোভে নজর দিন: ট্রাম্পকে ইরানের প্রেসিডেন্টের পরামর্শ
- ৩০ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৩০ মার্চ ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ৩০ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- দেবিদ্বারে গৃহবধূর অর্ধগলিত লাশ, রহস্যে ঘেরা মৃত্যু
- হরমুজ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ২০ ট্যাংকারে তেল পাঠাচ্ছে ইরান: ট্রাম্প
- হামের লক্ষণ কীভাবে বুঝবেন, বাঁচতে কী করবেন
- এক-এগারোর কুশীলবদের তথ্যে ফেঁসে গেলেন ডিজিএফআই-এর সাবেক পরিচালক
- অবৈধ তেল মজুতকারীদের ধরতে ১ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা
- দেশে হামের ভয়াবহ প্রকোপ: টিকা ও পুষ্টির অভাবে সংকটে হাজারো শিশু
- মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বৈশ্বিক বিপর্যয়: তেলের দাম বাড়ার পূর্বাভাসে কাঁপছে বিশ্ব
- স্ক্রিনের নেশায় চোখের বারোটা? ঘরোয়া উপায়ে ফেরান চোখের জ্যোতি
- মাঠের ফুটবলের চেয়েও বড় উদ্বেগ মানবাধিকার! বিশ্বকাপের আগে বিপাকে ফিফা
- লেবাননে বড় যুদ্ধের ডাক: নির্দেশ দিলেন নেতানিয়াহু
- দেশের ২ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস, ১ নম্বর সতর্কসংকেত জারি
- খার্গ দ্বীপ আসলে কী? কেন এই ‘নিষিদ্ধ দ্বীপ’ দখল করতে মরিয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প?
- এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬: নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ১১ নির্দেশনা
- টাকা পাঠানোর আগে দেখে নিন আজকের সেরা রেট, লাভবান হবেন প্রবাসীরা
- হরমুজ ছাড়িয়ে ওমান উপসাগরও এখন ইরানের কবজায়
- আজ সোমবার: ঢাকার কোন কোন মার্কেট বন্ধ? কেনাকাটার আগে দেখে নিন
- ১৫ দফার বেশিরভাগ শর্ত মেনে নিয়েছে ইরান : ট্রাম্প
- সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
- আজকের নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- তেল, মিসাইল ও কূটনীতি: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কোন দিকে যাচ্ছে?
- ইরানী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে ইসরায়েলে রাসায়নিক বিপর্যয়: আতঙ্কে ঘরে বন্দি লাখো মানুষ
- রেমিট্যান্সে সর্বকালের সব রেকর্ড ভঙ্গ
- কুয়েতে সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানল ইরান, বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির কবলে প্রতিরক্ষা বিভাগ
- নিয়ম সবসময় শাসকের অনুসারী: হাসনাত আবদুল্লাহ
- অস্ট্রেলিয়ার বুকে বাংলা হান্ড্রেড লিগ সিডনিতে প্রথমবারের মতো খেলোয়াড় নিলাম
- চিরদিনই তুমি যে আমার খ্যাত নায়ক রাহুলের অকাল প্রয়াণ
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ঘোষণা: রাতেই মিটছে ১৩৩ অধ্যাদেশের ভাগ্য
- মিরপুর চিড়িয়াখানায় শিক্ষার্থীদের হাতে আটক আলোচিত ফাহিম চৌধুরী
- সংসদ কি তার প্রেক্ষাপট ভুলে যাচ্ছে? অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের কড়া সমালোচনা
- মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার ব্লু-প্রিন্ট তৈরিতে ইরানকে ১০০ শতাংশ সাহায্য রাশিয়ার
- ইরান ও হিজবুল্লাহর যৌথ হামলায় কাঁপছে ইসরায়েল, ১০০ শহরে বাজছে সতর্কসংকেত
- মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় হাজার হাজার মার্কিন মেরিন সেনা,বাড়ছে আঞ্চলিক সংঘাতের শঙ্কা
- ফ্যামিলি কার্ডে বড় পরিবর্তন: এখন ঘরে বসেই পাবেন সব সুবিধা?
- আট বছর টিকা দেয়নি কোনো সরকার; স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক তথ্য
- সংসদে ইনসাফ থাকলে দেশজুড়ে ন্যায়বিচার সম্ভব: ডা. শফিকুর রহমান
- গুম ও ফাঁসির মঞ্চ পেরিয়ে আসা সদস্যদের সংসদ বিশ্বে বিরল: ডেপুটি স্পিকার
- ২৯ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৯ মার্চ ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ২৯ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- পে স্কেলসহ ১০ দফা দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন
- ত্বকের জাদুকরী পানীয় গোলাপজল: রূপচর্চায় এর ৩টি অজানা ব্যবহার
- যেসব লক্ষণে বুঝবেন শরীরে কমছে টেস্টোস্টেরন: অবহেলা করলেই মহাবিপদ!
- এবার রণক্ষেত্র থেকে আলোচনার টেবিলে ইরান: তবে জুড়ে দিল এক কঠিন শর্ত
- ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মুখে বিশ্ব! লোহিত সাগরে ইরানের নতুন মাস্টারপ্ল্যান
- ইরানের ইতিহাসে ভয়াবহতম দিন: এক রাতেই তছনছ রাজধানী তেহরান
- ড. ইউনূসের গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশনে বড় জালিয়াতি: ভ্যাট সুবিধায় শুভঙ্করের ফাঁকি
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- ট্রাম্পের যুদ্ধ স্থগিতের ঘোষণায় সোনার বাজারে ধস: ১০ শতাংশ কমল দাম
- সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- পদ্মার গভীরে শনাক্ত ডুবে যাওয়া বাস: উদ্ধারে লড়ছে ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
- শাওয়ালের ৬ রোজা: ফজিলত ও করণীয় জানুন
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- লেনদেন ছাড়াল ৬শ কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
- ইরান যুদ্ধে কোন দেশে কতজন মানুষ নিহত হয়েছে?
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- ঈদ পরবর্তী বাজারে সোনার বড় ধস: ভরিতে বড় ছাড় দিয়ে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ








