বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে রকেট হানা: ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন গ্রিন জোনে যুদ্ধের আতঙ্ক

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৪ ১২:১৮:৫৯
বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে রকেট হানা: ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন গ্রিন জোনে যুদ্ধের আতঙ্ক
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। একদিকে সৌদি আরবের কৌশলগত বিমানঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন বিমানবাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, অন্যদিকে ইরাকের বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস প্রাঙ্গণে সরাসরি হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন বিমানবাহিনীর ৫টি কেসি-১৩৫ (KC-135) রিফুয়েলিং বা জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমানগুলো পুরোপুরি ধ্বংস না হলেও সেগুলোর উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে এবং বর্তমানে মেরামতের কাজ চলছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই রিফুয়েলিং বিমানগুলো যুদ্ধবিমানের দীর্ঘপাল্লার অপারেশনের জন্য অপরিহার্য, তাই এগুলোর ক্ষয়ক্ষতি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহিনীর সক্ষমতাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

আজ শনিবার সকালেই ইরাকের রাজধানী বাগদাদের উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত গ্রিন জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে রকেট ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এএফপি এবং আল জাজিরার সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, হামলার পরপরই দূতাবাস চত্বরের হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং প্যাডের কাছ থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। এই হামলায় দূতাবাসের সি-র‍্যাম (C-RAM) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে হামলার পর পুরো বাগদাদজুড়ে সতর্ক সংকেত বা সাইরেন বাজানো হয়।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের প্রধান তেল টার্মিনাল খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনা ‘গুঁড়িয়ে দেওয়ার’ প্রতিক্রিয়ায় তেহরান এই পাল্টা আঘাত হেনেছে। ইরান আগেই হুশিয়ারি দিয়েছিল যে, তাদের স্থাপনায় আঘাত করা হলে তারা মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো স্থানে আক্রমণ চালাবে।

সোর্স: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল


বড় সংকটে ইরান: সর্বোচ্চ নেতার ছবি দিয়ে পুরস্কারের ঘোষণা মার্কিন প্রশাসনের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৪ ১২:০১:২১
বড় সংকটে ইরান: সর্বোচ্চ নেতার ছবি দিয়ে পুরস্কারের ঘোষণা মার্কিন প্রশাসনের
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির মাথার দাম নির্ধারণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাঁকে ধরিয়ে দিতে ১ কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২০ কোটি টাকা) পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস প্রোগ্রাম’-এর পক্ষ থেকে এই চাঞ্চল্যকর ঘোষণাটি দেওয়া হয়। মোজতবা খামেনির পাশাপাশি ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্যও বড় অঙ্কের পুরস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অধীনস্থ ‘ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস’ এই প্রকল্পটি পরিচালনা করে। তাদের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, মোজতবা খামেনিসহ আইআরজিসির উচ্চপদস্থ নেতারা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা, সংগঠন এবং সরাসরি বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। মার্কিন প্রশাসন এই নেতাদের বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে।

পুরস্কারের ঘোষণা সম্বলিত সেই বিবৃতিতে মোজতবা খামেনিসহ অভিযুক্ত নেতাদের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে আরও বলা হয়েছে, এই নেতাদের অবস্থান বা তাঁদের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তিকে আর্থিক পুরস্কারের পাশাপাশি প্রয়োজনে নিরাপদ পুনর্বাসনের সুযোগও দেওয়া হবে। মূলত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চলমান উত্তেজনার মাঝে এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক নতুন আগুনের স্ফুলিঙ্গ যোগ করল।

সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি, এনডিটিভি


হামলা আরও ভয়াবহ হবে; ইরানকে চরম দুঃসংবাদ দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৪ ১১:৫৪:১৬
হামলা আরও ভয়াবহ হবে; ইরানকে চরম দুঃসংবাদ দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ওপর চলমান সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আগামী কয়েক দিনে ইরানের ওপর আরও ‘কঠোর ও বিধ্বংসী’ হামলা চালানো হবে। ইরানের শীর্ষ নেতাদের কড়া সমালোচনা করে তাদের ‘বিকৃত ও জঘন্য মানুষ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে শুক্রবার এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় মুহুর্মুহু হামলা চালিয়েছে। তেহরানের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই শহরটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, গত মাত্র ২৪ ঘণ্টায় তারা ইরানের অন্তত ২০০টি স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র উৎপাদন কারখানাগুলো।

এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এক বিস্ফোরক দাবিতে জানিয়েছেন, ইরানের শীর্ষ নেতারা বর্তমানে প্রাণভয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন যে, ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, গত ১৫ দিনের এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ফলে নিহতের সংখ্যা ইতিমধ্যে দুই হাজার ছাড়িয়ে গেছে, যার সিংহভাগই ইরানি নাগরিক। লেবাননেও ইসরায়েলি বিমান হামলায় শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন।

পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান ও তাদের মিত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখন আর কেবল ইরান বা ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বাণিজ্যিক জাহাজেও হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে পুরো অঞ্চলটি এখন এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তা ও বড় ধরনের যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

/আশিক


তেল বাজার কি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে? খারগ দ্বীপে হামলার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৪ ১০:৪৩:১৬
তেল বাজার কি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে? খারগ দ্বীপে হামলার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক
ছবি : সংগৃহীত

ইরান উপকূলের মাত্র পাঁচ মাইল দূরে অবস্থিত কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে এই অতর্কিত হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এই বিমান হামলাটি পরিচালনা করেছে, যার মাধ্যমে ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খারগ দ্বীপ ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র। এই দ্বীপে মার্কিন বাহিনীর অবিরাম হামলা বর্তমান সংঘাতকে এক ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মার্ক কিমিট সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সতর্ক করে বলেছেন যে, খারগ দ্বীপে হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধের মাত্রা অনেক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তাঁর মতে, বিষয়টি এখন আর কেবল সামরিক বাহিনী বা সরকারকে হটিয়ে দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং ওয়াশিংটন এখন সরাসরি ইরানের অর্থনৈতিক প্রাণভোমরাকে লক্ষ্যবস্তু করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অবাধ অধিকার নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র মূলত এই দ্বীপটিকে ‘জিম্মি’ হিসেবে ব্যবহার করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খারগ দ্বীপ দিয়েই ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করা হয়। যুদ্ধের প্রথম দুই সপ্তাহ দ্বীপটি অক্ষত থাকলেও বর্তমান এই হামলা বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। জেনারেল কিমিট হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি ইরানের তেল অবকাঠামোগুলোকে সরাসরি ধ্বংস করা হয়, তবে পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তেল স্থাপনার ওপর আক্রমণ চালাবে। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ধস নামার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

/আশিক


মোজতবা খামেনির ওপর হামাসের আস্থা; ফিলিস্তিন প্রশ্নে বদলাবে না ইরানের নীতি!

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৪ ১০:১১:০৪
মোজতবা খামেনির ওপর হামাসের আস্থা; ফিলিস্তিন প্রশ্নে বদলাবে না ইরানের নীতি!
ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে তেহরান তাদের ফিলিস্তিনপন্থী ও প্রতিরোধকামী নীতিতে অটল থাকবে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক কুদস দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বক্তব্যে এই দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু ওবেইদা।

আবু ওবেইদা তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মোজতবা খামেনি। হামাসের বিশ্বাস, নেতৃত্বের এই পরিবর্তনের ফলেও ফিলিস্তিন প্রশ্নে ইরানের পূর্ববর্তী নীতি ও সমর্থনে কোনো পরিবর্তন আসবে না। বরং মোজতবা খামেনির অধীনেও দেশটি আগের মতোই প্রতিরোধ যোদ্ধাদের পাশে থাকবে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, চলমান যুদ্ধাবস্থা ও তীব্র উত্তেজনার মধ্যেও ইরানে কুদস দিবস উপলক্ষে রাজপথে লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে ফিলিস্তিন ইস্যু থেকে ইরান এক চুলও সরে আসবে না। আবু ওবেইদা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের সাম্প্রতিক পাল্টা হামলাগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, কুদস দিবস মুসলিম বিশ্বের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং ফিলিস্তিন ইস্যুটিকে বিশ্ব দরবারে নতুন করে তুলে ধরার এক অনন্য সুযোগ।

/আশিক


মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ইতিহাসের ‘শক্তিশালী’ বিমান হামলা: কাঁপছে ইরানের খারগ দ্বীপ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৪ ০৯:১০:৫০
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ইতিহাসের ‘শক্তিশালী’ বিমান হামলা: কাঁপছে ইরানের খারগ দ্বীপ
ছবি : সংগৃহীত

ইরান উপকূলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় এক ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বিমান বাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে এই অতর্কিত হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিবিসি ও আল জাজিরাসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের এই বার্তার বরাত দিয়ে খবরটি প্রকাশ করেছে।

ট্রাম্প তাঁর পোস্টে দাবি করেছেন, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) পরিচালনায় এটি মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা। তিনি বলেন, ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত এবং দেশটির তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু এই হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস বা ‘অবলিটারেটেড’ করে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেছেন যে, মানবিক ও কৌশলগত কারণে তিনি আপাতত দ্বীপের তেল অবকাঠামোগুলো ধ্বংস না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি ইরান বা অন্য কেউ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজের অবাধ ও নিরাপদ চলাচলে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে, তবে তিনি অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন এবং তেল স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালাবেন।

একই সাথে ট্রাম্প ইরানকে তাদের হাতে থাকা অবশিষ্ট অস্ত্র জমা দেওয়ার এবং ‘সন্ত্রাসী শাসন’ ত্যাগ করে দেশকে রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। টানা ১৫ দিন ধরে চলা এই সংঘাতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পাক্ষিক যুদ্ধে ইরানে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়ে গেছে, যার মধ্যে সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকও রয়েছেন। পরিস্থিতি বর্তমানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক মহাযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে দাঁড়িয়েছে।

/আশিক


ইরানের নতুন ডিফেন্স সিস্টেমে ভূপাতিত ৫ মার্কিন-ইসরায়েলি ড্রোন, ইসরায়েলে সতর্ক সাইরেন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৪ ০৫:০৬:০১
ইরানের নতুন ডিফেন্স সিস্টেমে ভূপাতিত ৫ মার্কিন-ইসরায়েলি ড্রোন, ইসরায়েলে সতর্ক সাইরেন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পাঁচটি সশস্ত্র ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী । ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, গত কয়েক ঘণ্টায় তাদের নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশে শনাক্ত করে পাঁচটি ড্রোনকে অনুসরণ ও ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে ইসরায়েলের উন্নত প্রযুক্তির একটি অরবিটার-৪ ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবরিজ এলাকায়।

এ ছাড়া হারমেস শ্রেণির ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আন্দিমেশক এবং রাজধানী তেহরান এলাকায়। একই সঙ্গে মার্কিন তৈরি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে ফিরোজাবাদ এবং বন্দরনগরী বন্দর আব্বাস অঞ্চলে।

আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত ১১৪টির বেশি বিভিন্ন ধরনের গোয়েন্দা, আক্রমণাত্মক ও যুদ্ধ ড্রোন ধ্বংস করেছে।

এদিকে একই সময়ে ইসরায়েলের ভেতরেও নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একাধিক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রাজধানী তেল আবিবসহ মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা সাইরেন বেজে উঠেছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ঘটনা শনাক্ত করেছে। সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এসব ঘটনা ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলছে। আকাশপথে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাল্টাপাল্টি কৌশল এখন এই সংঘাতের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি কেবল সামরিক সংঘাতের সীমায় আবদ্ধ নয়; বরং তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি বাজার এবং বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতেও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পর্যবেক্ষকরা


‘নেতানিয়াহুর ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প’: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা ইরানের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৪ ০৪:৩১:৩১
‘নেতানিয়াহুর ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প’: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর কৌশলের শিকার হয়ে এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন।

সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ দাবি করেন, নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ট্রাম্প এই যুদ্ধ শুরু করেছেন এবং এখন তিনি কার্যত তার প্রভাবের অধীনে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, “নেতানিয়াহুর ফাঁদে পড়েই ট্রাম্প এই যুদ্ধ শুরু করেছেন এবং এখন তিনি তার নিয়ন্ত্রণেই কাজ করছেন।”

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে হামলা চালিয়েছে তা তেহরানের দৃষ্টিতে একটি বড় অপরাধ। এ ঘটনার পর থেকে ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে আর কোনো পার্থক্য করছে না।

তার ভাষায়, “তারা যে বড় অপরাধ করেছে, তার পর ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র এবং জায়নিস্ট শাসনের মধ্যে আর কোনো পার্থক্য নেই।”

গালিবাফ সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত ততক্ষণ পর্যন্ত চলবে যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের পদক্ষেপের জন্য অনুতপ্ত হয়। তাঁর এই বক্তব্যকে অনেক বিশ্লেষক ইরানের কঠোর অবস্থানের স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখছেন।

আশিক/২৩৪৩


ইরানি মিসাইলের নতুন ঢেউ, সতর্কতা জারি ইসরায়েলে

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৩ ১৭:৪৫:২৫
ইরানি মিসাইলের নতুন ঢেউ, সতর্কতা জারি ইসরায়েলে
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের দিকে আবারও নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা দেশের আকাশসীমার দিকে ধেয়ে আসা একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, দেশটির উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত সক্রিয় করা হয়েছে এবং আকাশে আসা সম্ভাব্য হুমকি প্রতিহত করার জন্য বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ইউনিট কাজ করছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্ভাব্য হামলাকে ঠেকাতে ইন্টারসেপ্ট অপারেশন পরিচালনা করছে।

সামরিক সূত্র জানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য আঘাত প্রতিরোধে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে।

এদিকে সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক করতে মোবাইল ফোনে জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।

এই বার্তায় নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সাধারণত আয়রন ডোম, ডেভিডস স্লিং এবং অ্যারো সিস্টেমসহ একাধিক স্তরের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যা বিভিন্ন দূরত্ব ও উচ্চতার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সংখ্যা বাড়তে থাকায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

-রফিক


পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত মার্কিন কেসি-১৩৫, চার ক্রু নিহত

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৩ ১৭:৩৬:৫৮
পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত মার্কিন কেসি-১৩৫, চার ক্রু নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে পশ্চিম ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় চারজন মার্কিন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, বিমানটিতে মোট ছয়জন ক্রু সদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন নিহত হয়েছেন এবং বাকি দুইজনের সন্ধানে এখনো অনুসন্ধান অভিযান চলছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিমান দুর্ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিমানটি কীভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে সেন্টকম এখনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। তবে তাদের আগের বিবৃতিতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, মার্কিন বাহিনীর দুটি বিমানের মধ্যে অত্যন্ত কাছাকাছি চলে আসা বা আকাশে সংঘাতের কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি ভূপাতিত হতে পারে।

সেন্টকম জানিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত দ্বিতীয় বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।

মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ঘটনাটি শত্রুপক্ষের হামলা কিংবা মিত্র বাহিনীর ভুলক্রমে হামলার (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) ফল নয়।

তবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক। সংগঠনটি দাবি করেছে, তাদের যোদ্ধারা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে মার্কিন বিমানটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালালে সেটি ভূপাতিত হয়।

নিজেদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, তাদের প্রতিরক্ষা ইউনিট বিমানটিকে শনাক্ত করে সফলভাবে আঘাত হানে।

বিশ্লেষকদের মতে, কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার যুদ্ধক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ধরনের বিমান আকাশে উড্ডয়নরত যুদ্ধবিমানকে জ্বালানি সরবরাহ করে, ফলে দীর্ঘ সময় আকাশে যুদ্ধ অভিযান চালানো সম্ভব হয়।

এদিকে যুদ্ধের শুরুতেই আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনার কথা সামনে আসে। কাতারের আকাশসীমায় তিনটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল, ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলবশত আঘাতে ওই বিমানগুলো ভূপাতিত হয়েছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই ধারাবাহিক বিমান দুর্ঘটনা এবং হামলার দাবিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির নতুন ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

সূত্রঃ আল জাজিরা

পাঠকের মতামত: