মোজতবা খামেনির ওপর হামাসের আস্থা; ফিলিস্তিন প্রশ্নে বদলাবে না ইরানের নীতি!

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে তেহরান তাদের ফিলিস্তিনপন্থী ও প্রতিরোধকামী নীতিতে অটল থাকবে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক কুদস দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বক্তব্যে এই দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু ওবেইদা।
আবু ওবেইদা তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মোজতবা খামেনি। হামাসের বিশ্বাস, নেতৃত্বের এই পরিবর্তনের ফলেও ফিলিস্তিন প্রশ্নে ইরানের পূর্ববর্তী নীতি ও সমর্থনে কোনো পরিবর্তন আসবে না। বরং মোজতবা খামেনির অধীনেও দেশটি আগের মতোই প্রতিরোধ যোদ্ধাদের পাশে থাকবে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, চলমান যুদ্ধাবস্থা ও তীব্র উত্তেজনার মধ্যেও ইরানে কুদস দিবস উপলক্ষে রাজপথে লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে ফিলিস্তিন ইস্যু থেকে ইরান এক চুলও সরে আসবে না। আবু ওবেইদা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের সাম্প্রতিক পাল্টা হামলাগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, কুদস দিবস মুসলিম বিশ্বের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং ফিলিস্তিন ইস্যুটিকে বিশ্ব দরবারে নতুন করে তুলে ধরার এক অনন্য সুযোগ।
/আশিক
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ইতিহাসের ‘শক্তিশালী’ বিমান হামলা: কাঁপছে ইরানের খারগ দ্বীপ
ইরান উপকূলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় এক ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বিমান বাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে এই অতর্কিত হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিবিসি ও আল জাজিরাসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের এই বার্তার বরাত দিয়ে খবরটি প্রকাশ করেছে।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে দাবি করেছেন, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) পরিচালনায় এটি মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা। তিনি বলেন, ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত এবং দেশটির তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু এই হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস বা ‘অবলিটারেটেড’ করে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেছেন যে, মানবিক ও কৌশলগত কারণে তিনি আপাতত দ্বীপের তেল অবকাঠামোগুলো ধ্বংস না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি ইরান বা অন্য কেউ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজের অবাধ ও নিরাপদ চলাচলে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে, তবে তিনি অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন এবং তেল স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালাবেন।
একই সাথে ট্রাম্প ইরানকে তাদের হাতে থাকা অবশিষ্ট অস্ত্র জমা দেওয়ার এবং ‘সন্ত্রাসী শাসন’ ত্যাগ করে দেশকে রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। টানা ১৫ দিন ধরে চলা এই সংঘাতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পাক্ষিক যুদ্ধে ইরানে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়ে গেছে, যার মধ্যে সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকও রয়েছেন। পরিস্থিতি বর্তমানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক মহাযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে দাঁড়িয়েছে।
/আশিক
ইরানের নতুন ডিফেন্স সিস্টেমে ভূপাতিত ৫ মার্কিন-ইসরায়েলি ড্রোন, ইসরায়েলে সতর্ক সাইরেন
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পাঁচটি সশস্ত্র ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী । ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, গত কয়েক ঘণ্টায় তাদের নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশে শনাক্ত করে পাঁচটি ড্রোনকে অনুসরণ ও ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে ইসরায়েলের উন্নত প্রযুক্তির একটি অরবিটার-৪ ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবরিজ এলাকায়।
এ ছাড়া হারমেস শ্রেণির ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আন্দিমেশক এবং রাজধানী তেহরান এলাকায়। একই সঙ্গে মার্কিন তৈরি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে ফিরোজাবাদ এবং বন্দরনগরী বন্দর আব্বাস অঞ্চলে।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত ১১৪টির বেশি বিভিন্ন ধরনের গোয়েন্দা, আক্রমণাত্মক ও যুদ্ধ ড্রোন ধ্বংস করেছে।
এদিকে একই সময়ে ইসরায়েলের ভেতরেও নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একাধিক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রাজধানী তেল আবিবসহ মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা সাইরেন বেজে উঠেছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ঘটনা শনাক্ত করেছে। সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এসব ঘটনা ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলছে। আকাশপথে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাল্টাপাল্টি কৌশল এখন এই সংঘাতের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি কেবল সামরিক সংঘাতের সীমায় আবদ্ধ নয়; বরং তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি বাজার এবং বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতেও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পর্যবেক্ষকরা
‘নেতানিয়াহুর ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প’: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা ইরানের
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর কৌশলের শিকার হয়ে এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ দাবি করেন, নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ট্রাম্প এই যুদ্ধ শুরু করেছেন এবং এখন তিনি কার্যত তার প্রভাবের অধীনে কাজ করছেন।
তিনি বলেন, “নেতানিয়াহুর ফাঁদে পড়েই ট্রাম্প এই যুদ্ধ শুরু করেছেন এবং এখন তিনি তার নিয়ন্ত্রণেই কাজ করছেন।”
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে হামলা চালিয়েছে তা তেহরানের দৃষ্টিতে একটি বড় অপরাধ। এ ঘটনার পর থেকে ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে আর কোনো পার্থক্য করছে না।
তার ভাষায়, “তারা যে বড় অপরাধ করেছে, তার পর ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র এবং জায়নিস্ট শাসনের মধ্যে আর কোনো পার্থক্য নেই।”
গালিবাফ সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত ততক্ষণ পর্যন্ত চলবে যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের পদক্ষেপের জন্য অনুতপ্ত হয়। তাঁর এই বক্তব্যকে অনেক বিশ্লেষক ইরানের কঠোর অবস্থানের স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখছেন।
আশিক/২৩৪৩
ইরানি মিসাইলের নতুন ঢেউ, সতর্কতা জারি ইসরায়েলে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের দিকে আবারও নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা দেশের আকাশসীমার দিকে ধেয়ে আসা একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, দেশটির উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত সক্রিয় করা হয়েছে এবং আকাশে আসা সম্ভাব্য হুমকি প্রতিহত করার জন্য বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ইউনিট কাজ করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্ভাব্য হামলাকে ঠেকাতে ইন্টারসেপ্ট অপারেশন পরিচালনা করছে।
সামরিক সূত্র জানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য আঘাত প্রতিরোধে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে।
এদিকে সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক করতে মোবাইল ফোনে জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।
এই বার্তায় নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সাধারণত আয়রন ডোম, ডেভিডস স্লিং এবং অ্যারো সিস্টেমসহ একাধিক স্তরের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যা বিভিন্ন দূরত্ব ও উচ্চতার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সংখ্যা বাড়তে থাকায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
-রফিক
পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত মার্কিন কেসি-১৩৫, চার ক্রু নিহত
ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে পশ্চিম ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় চারজন মার্কিন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, বিমানটিতে মোট ছয়জন ক্রু সদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন নিহত হয়েছেন এবং বাকি দুইজনের সন্ধানে এখনো অনুসন্ধান অভিযান চলছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিমান দুর্ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিমানটি কীভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে সেন্টকম এখনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। তবে তাদের আগের বিবৃতিতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, মার্কিন বাহিনীর দুটি বিমানের মধ্যে অত্যন্ত কাছাকাছি চলে আসা বা আকাশে সংঘাতের কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি ভূপাতিত হতে পারে।
সেন্টকম জানিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত দ্বিতীয় বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।
মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ঘটনাটি শত্রুপক্ষের হামলা কিংবা মিত্র বাহিনীর ভুলক্রমে হামলার (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) ফল নয়।
তবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক। সংগঠনটি দাবি করেছে, তাদের যোদ্ধারা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে মার্কিন বিমানটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালালে সেটি ভূপাতিত হয়।
নিজেদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, তাদের প্রতিরক্ষা ইউনিট বিমানটিকে শনাক্ত করে সফলভাবে আঘাত হানে।
বিশ্লেষকদের মতে, কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার যুদ্ধক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ধরনের বিমান আকাশে উড্ডয়নরত যুদ্ধবিমানকে জ্বালানি সরবরাহ করে, ফলে দীর্ঘ সময় আকাশে যুদ্ধ অভিযান চালানো সম্ভব হয়।
এদিকে যুদ্ধের শুরুতেই আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনার কথা সামনে আসে। কাতারের আকাশসীমায় তিনটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল, ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলবশত আঘাতে ওই বিমানগুলো ভূপাতিত হয়েছিল।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই ধারাবাহিক বিমান দুর্ঘটনা এবং হামলার দাবিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির নতুন ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
সূত্রঃ আল জাজিরা
ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার তুরস্কের
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং ইরানকে ঘিরে ক্রমবর্ধমান সংঘাত যাতে আরও বিস্তৃত আকার ধারণ না করে, সে লক্ষ্যে তুরস্ক সক্রিয় কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাজধানী আঙ্কারায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে আতাতুর্ক আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এরদোগান মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে শক্তি প্রয়োগ নয়, বরং কূটনীতি ও সংলাপই দীর্ঘস্থায়ী ও ন্যায্য শান্তির সবচেয়ে নিরাপদ পথ। তার মতে, সংঘাতের পরিবেশে সামরিক সমাধান কখনোই স্থায়ী স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে না।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানকে ঘিরে জটিল কূটনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও আঙ্কারা শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও তুরস্ক ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে।
এরদোগান অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিবের ভূমিকারও প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৭ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর আন্তোনিও গুতেরেস আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় নিরপেক্ষতা ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন।
তিনি বলেন, তুরস্কে মহাসচিবের প্রতিটি সফরই গুরুত্বপূর্ণ এবং তা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কূটনৈতিক যোগাযোগকে আরও শক্তিশালী করে।
এরদোগান বিশেষভাবে শরণার্থী সুরক্ষা, বৈশ্বিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের সময় গুতেরেসের শাটল কূটনীতির উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তার মতে, এসব উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সংকট নিরসনে জাতিসংঘের ভূমিকা আরও কার্যকর করেছে।
অনুষ্ঠানের শেষদিকে তিনি পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে বিশ্ববাসীর জন্য শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।
এরদোগান বলেন, এই পবিত্র মাস মানবজাতির মধ্যে সহমর্মিতা, সংহতি ও শান্তির বার্তা বহন করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রমজান বিশ্বজুড়ে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।
-রাফসান
উত্তর ইসরায়েলে বড় ক্ষয়ক্ষতি, ইসরায়েলের ডিফেন্স ব্যর্থ? উঠেছে প্রশ্ন
ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের জারজির গ্রামে সাম্প্রতিক এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলাটি ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে সরাসরি একটি আবাসিক এলাকায় আঘাত হানে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটি জারজির গ্রামের একটি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়। হামলার ফলে অন্তত ৮০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিস্ফোরণের কারণে আশপাশের বহু গাড়ি পুড়ে যায় এবং প্রায় ৩০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চলমান সংঘাতের মধ্যে এই ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
জারজির গ্রামটি এর আগেও ইসরায়েলি প্রশাসনের বিভিন্ন ধ্বংসাদেশ ও নির্মাণ সীমাবদ্ধতার মুখে পড়েছিল। ফলে সাম্প্রতিক এই হামলার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ আরও বেড়েছে।
গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তুলছেন, ইসরায়েলের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আসলেই কি তাদের সুরক্ষার জন্য কার্যকরভাবে কাজ করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দুটি সম্ভাবনা এখানে সামনে আসছে। প্রথমত, হিজবুল্লাহ ও ইরানের ধারাবাহিক হামলার কারণে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়তে পারে। দ্বিতীয়ত, ইসরায়েলের ভেতরে অবস্থিত কিছু আরব বা ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত গ্রামের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগও সামনে আসছে।
সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের জটিল বাস্তবতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: আল জাজিরা
রুশ তেল ছাড়া বৈশ্বিক বাজার স্থিতিশীল নয়: কিরিল দিমিত্রিভ
বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে রাশিয়ার তেলের গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার অর্থনৈতিক দূত কিরিল দিমিত্রিভ। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।
রাশিয়ার এই শীর্ষ অর্থনৈতিক প্রতিনিধি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কার্যত স্বীকার করেছে যে রাশিয়ার তেল ছাড়া বিশ্ব জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব নয়।
দিমিত্রিভের মতে, সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে রাশিয়ার ভূমিকার গুরুত্বকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) অনলাইনে প্রকাশিত এক চিঠিতে রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আংশিকভাবে সাময়িক স্থগিত করার ঘোষণা দেয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য পরিবহনকারী জাহাজগুলোকে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে রাশিয়ার জ্বালানি পণ্য পরিবহনে সাময়িকভাবে বাধা কমে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার তেল রপ্তানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
তবে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে নতুন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে সেই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশ হওয়ায় তাদের রপ্তানি বৈশ্বিক বাজারে বড় প্রভাব ফেলে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হলে রুশ তেল আবারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
-রফিক
ইরানের নেতাদের নিয়ে বিদ্রূপ করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে ইরানের নেতৃত্ব নিয়ে কড়া ও বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি এবং লেবাননের সংগঠন হিজবুল্লাহর নেতা নাঈম কাসেম সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, তিনি তাদের কারোর জন্যই কোনো “জীবন বিমা” করবেন না, অর্থাৎ তারা নিরাপদ অবস্থানে নেই।
নেতানিয়াহু খামেনিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের একটি “পুতুল” বলে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন যে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে খামেনির একটি বিবৃতি পাঠ করার পর থেকে তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি ইরানের নেতৃত্বের ভেতরে অস্থিরতার ইঙ্গিত দিতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরও দাবি করেন যে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চালানো সামরিক হামলায় ইরান বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই হামলায় ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন পরমাণু বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস ও বাসিজ বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নেতানিয়াহু বলেন, এসব হামলার ফলে ইরানের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা দুর্বল হয়েছে এবং দেশটির নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।
তিনি একই সঙ্গে ইরানের ভেতরে চলমান রাজনৈতিক অসন্তোষের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। গত জানুয়ারিতে ইরান সরকারের বিরুদ্ধে যেসব নাগরিক বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন যে ইসরায়েল তাদের পাশে রয়েছে।
তার ভাষায়, “আমরা আপনাদের সমর্থন করি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত আপনাদেরই নিতে হবে—এটি আপনাদের হাতেই।”
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য শুধু সামরিক পরিস্থিতির মূল্যায়ন নয়, বরং ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব বিস্তারের একটি কৌশলগত বার্তা হিসেবে দেখা যেতে পারে।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- মোজতবা খামেনির ওপর হামাসের আস্থা; ফিলিস্তিন প্রশ্নে বদলাবে না ইরানের নীতি!
- টানা দুই দফায় কমল দাম; স্বর্ণের বাজারে বড় ধসের ইঙ্গিত!
- গুমোট গরম থেকে মুক্তি? ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া দপ্তরের নতুন আপডেট
- সদকাতুল ফিতরের মাসআলা; প্রবাসীরা কোন দেশের বাজারমূল্যে ফিতরা দেবেন?
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে বড় জবাব দিল ইরান; সৌদি আরবের ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্রের তাণ্ডব
- আজ ২৪ রমজান: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ইতিহাসের ‘শক্তিশালী’ বিমান হামলা: কাঁপছে ইরানের খারগ দ্বীপ
- ইরানের নতুন ডিফেন্স সিস্টেমে ভূপাতিত ৫ মার্কিন-ইসরায়েলি ড্রোন, ইসরায়েলে সতর্ক সাইরেন
- ‘নেতানিয়াহুর ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প’: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা ইরানের
- রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও বিচার দাবি করল জুলাই ঐক্য
- ইরানি মিসাইলের নতুন ঢেউ, সতর্কতা জারি ইসরায়েলে
- পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত মার্কিন কেসি-১৩৫, চার ক্রু নিহত
- ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার তুরস্কের
- বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে ট্রাম্পকে তীব্র জবাব দিল ইরান
- মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার শুরু
- এভারকেয়ারে মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
- উত্তর ইসরায়েলে বড় ক্ষয়ক্ষতি, ইসরায়েলের ডিফেন্স ব্যর্থ? উঠেছে প্রশ্ন
- রুশ তেল ছাড়া বৈশ্বিক বাজার স্থিতিশীল নয়: কিরিল দিমিত্রিভ
- ঈদের টিকিটে প্রতারণা এড়াতে জরুরি নির্দেশনা
- এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে
- ইরানের নেতাদের নিয়ে বিদ্রূপ করলেন নেতানিয়াহু
- উত্তর ইসরায়েলে বিস্ফোরণে আহত ৩০
- রাশিয়া–চীন সহায়তায় ইরানের কৌশল বদল
- ‘ইরান আর আগের মতো নেই’ দাবি নেতানিয়াহুর
- যুদ্ধ উত্তেজনায় তেলের দামে নতুন উল্লম্ফন
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকায় যে ২৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
- বাংলাদেশ–পাকিস্তান ম্যাচসহ আজকের টিভিতে যত খেলা
- আজ ডলারসহ বিভিন্ন মুদ্রার বিনিময় হার জানুন
- আজ ঢাকার আবহাওয়া কেমন থাকবে জানাল আবহাওয়া অফিস
- ঢাকায় আজ বিএনপি, জামায়াত ও সরকারের কর্মসূচি, জানুন এক নজরে
- ইরাকে বিধ্বস্ত যুক্তরাষ্ট্রের কেসি-১৩৫ সামরিক বিমান
- আজ থেকে কার্যকর সোনার নতুন দাম, জেনে নিন কত
- ঈদ ফেরত ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, কিনবেন যেভাবে
- হরমুজ প্রণালিতে কিছু দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি ইরানের
- আজ ২৩ রমজান: আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- ইরান যুদ্ধে না নামলে সৌদিকে কঠোর ‘পরিণতির’ হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
- মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের আল্টিমেটাম দিলেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা
- ইরানের পাশে দুই মুসলিম দেশের সশস্ত্র গোষ্ঠী
- বাস, ট্রেন, লঞ্চ যাত্রীদের জন্য পুলিশের নির্দেশনা
- বিনা জামানতে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অভিবাসী ঋণ; জেনে নিন সহজ আবেদন পদ্ধতি
- বিচার বিভাগ এখন স্বাধীন, আইন চলবে নিজস্ব গতিতে: নুরুল হক নূর
- ইফতারের আনন্দ নিমেষেই বিষাদে পরিণত: বেলাইব্রিজে ঝরল ১৩ জনের তাজা প্রাণ
- টিকটক করতে গিয়ে বৃদ্ধকে অপমান; আদালতের কাঠগড়ায় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার
- ইসরায়েলে ইরান ও হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা: রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টি
- সপ্তাহজুড়ে কেমন ছিল শেয়ারবাজার, দেখুন সাপ্তাহিক বিশ্লেষণ
- নিরাপদ মনে করা বৈরুতের এলাকাতেই ইসরাইলি হামলা
- ইরাকের ইরবিলে বিস্ফোরণ, দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি আকাশ হামলা
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, বিশ্ব তেলবাজারে নজিরবিহীন সংকট, বাড়ছে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ
- আমরা কি আবার সেই পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যাচ্ছি?
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন, ২ লাখ ১৯ হাজারে মিলবে এক ভরি
- রোববার থেকে দেশে চালু হচ্ছে নতুন নিয়মে তেল বিক্রি
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল ধস! ২২ ক্যারেটের নতুন দাম জানাল জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন
- পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষিকাকে মারধর! সাতক্ষীরায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
- আকাশচুম্বী দামের পর এবার কমছে স্বর্ণের ভরি: নতুন দর জানাল বাজুস
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকায় যে ২৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
- আল ধাফরা ও ফিফথ ফ্লিটে ইরানের বিধ্বংসী আঘাত: মার্কিন কমান্ডো শিবিরে লাশের পাহাড়
- ২৭ রমজানই কি কদরের রাত? মুসনাদে আহমাদ ও বুখারির হাদিস যা বলছে
- ২৪ ঘণ্টায় ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত
- টানা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বিশাল ধস: ভরিতে কমল ৯ হাজার টাকার বেশি
- যুদ্ধবিরতির আলোচনায় চীন ও রাশিয়া: তেহরানের পাশে তিন শক্তি
- তেহরানের আকাশে কালো ধোঁয়া: বিমানবন্দরের ভেতরে জ্বলছে সারিবদ্ধ বিমান
- ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন নেতানিয়াহু! তাসনিম নিউজের চাঞ্চল্যকর তথ্য
- বিনা হিসাবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে যে ৭০ হাজার মানুষ








