জেনে নিন আজকের বাজারে মুদ্রার বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৫ ১১:৫৩:৫৬
জেনে নিন আজকের বাজারে মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং এর একটি বড় চালিকাশক্তি হলো প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স। বর্তমানে বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা কোটি মানুষের পাঠানো অর্থে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে এবং তাদের লেনদেনের সুবিধার্থে মুদ্রার সঠিক বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আপডেট অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রার যে বিনিময় হার তুলে ধরেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে যে দেশের মুদ্রা বাজারে ইউএস ডলার কেনার দাম ১২২ টাকা ৩০ পয়সা এবং বিক্রির দামও ১২২ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থাৎ আজকের বাজারে ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা হিসেবে কার্যকর রয়েছে।

এছাড়া ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে কেনার দাম ধরা হয়েছে ১৪৩ টাকা ৯৫ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে এর দাম ১৪৩ টাকা ৯৯ পয়সা পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার দিকে তাকালে দেখা যায় যে ব্রিটিশ পাউন্ড আজ ১৬৪ টাকা ৯৪ পয়সায় কেনা যাচ্ছে এবং বিক্রির হার ১৬৪ টাকা ৯৯ পয়সা।

জাপানি ইয়েন কেনা ও বেচা উভয় ক্ষেত্রেই ০ টাকা ৮০ পয়সায় স্থিতিশীল রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বিনিময় হার আজ ৮৬ টাকা ২৮ পয়সা থেকে ৮৬ টাকা ৩৫ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করছে।

সিঙ্গাপুর ডলারের ক্ষেত্রে ক্রয়ের হার ৯৬ টাকা ৫০ পয়সা এবং বিক্রির হার ৯৬ টাকা ৫৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কানাডিয়ান ডলার কেনার দাম ৮৯ টাকা ২৬ পয়সা এবং বিক্রির দাম ৮৯ টাকা ২৭ পয়সা হিসেবে লেনদেন হচ্ছে।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপির ক্ষেত্রে বিনিময় হার ১ টাকা ৩৪ পয়সা থেকে ১ টাকা ৩৫ পয়সার মধ্যে রয়েছে।

অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা সৌদি রিয়ালের ক্রয় মূল্য আজ ৩২ টাকা ৫৮ পয়সা এবং বিক্রয় মূল্য ৩২ টাকা ৫০ পয়সা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে মনে রাখতে হবে যে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি অনুযায়ী যেকোনো সময় এই মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে, তাই সঠিক হিসাবের জন্য সর্বশেষ আপডেট রাখা প্রয়োজন।

/আশিক


বিয়ের মৌসুমে কপালে চিন্তার ভাঁজ: ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৫ ১০:০১:৪২
বিয়ের মৌসুমে কপালে চিন্তার ভাঁজ: ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের স্বর্ণের বাজারে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত সোমবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার সকাল ১০টা থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে এবং আজ বুধবারও সারাদেশে একই চড়া মূল্যে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে যে আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের এই নতুন দাম নির্ধারণ করা ছাড়া তাদের হাতে আর কোনো বিকল্প ছিল না।

নতুন এই দামের তালিকা অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায়। বাজুস তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে স্বর্ণের এই নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাকে আবশ্যিকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করে মূল্য পরিশোধ করতে হবে। তবে অলংকারের নকশা, জটীলতা এবং মানভেদে এই মজুরির তারতম্য হতে পারে যা ক্রেতা ও বিক্রেতার আলোচনার ভিত্তিতে ঠিক করা হবে।

২০২৬ সালের শুরু থেকেই স্বর্ণের বাজারে এক ধরণের চরম অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৩২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ২০ দফা এবং কমানো হয়েছে মাত্র ১২ দফা। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করায় দেশের জুয়েলারি ব্যবসায়ীরাও বিপাকে পড়েছেন। বিয়ের মৌসুমে স্বর্ণের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে। স্বর্ণের দাম দফায় দফায় বাড়লেও রুপার বাজার এখন পর্যন্ত স্থিতিশীল রয়েছে বলে বাজুস সূত্রে জানা গেছে।

/আশিক


নতুন দামে আজ থেকেই মিলবে এলপি গ্যাস

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১৭:১৭:২৪
নতুন দামে আজ থেকেই মিলবে এলপি গ্যাস
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ মানুষের স্বস্তির কথা মাথায় রেখে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি। নতুন এই দাম সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা কমাতে এবং গ্রাহকদের নাগালের মধ্যে দাম রাখতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এলপিজি আমদানিতে বড় ধরনের কর ছাড় দিয়েছে। স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ের ২ শতাংশ আগাম কর (Advance Tax) পুরোপুরি প্রত্যাহার করার ফলেই বাজারে এই দাম কমানো সম্ভব হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২ ফেব্রুয়ারি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল, যা এখন কিছুটা কমে এল।

এলপিজির পাশাপাশি যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও সামান্য কমানো হয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটারে ২৮ পয়সা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬১ টাকা ৮৬ পয়সা। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে অটোগ্যাসের দাম লিটারে ২ টাকা ৩৪ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে অটোগ্যাসের এই মূল্য হ্রাস কিছুটা হলেও চালক ও মালিকদের স্বস্তি দেবে।

/আশিক


স্বর্ণের দামে ফের রেকর্ড! ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ ১০:১৩:০৫
স্বর্ণের দামে ফের রেকর্ড! ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই দাম সোমবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে এবং আজ মঙ্গলবারও (২৪ ফেব্রুয়ারি) একই দামে বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই ধাতু। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৩২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২০ বারই দাম বেড়েছে।

স্বর্ণের নতুন দরদাম (ভরি প্রতি)

২২ ক্যারেট: ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা।

২১ ক্যারেট: ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা।

১৮ ক্যারেট: ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা।

সনাতন পদ্ধতি: ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাকে অবশ্যই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি প্রদান করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি কম-বেশি হতে পারে। উল্লেখ্য, স্বর্ণের দাম আকাশচুম্বী হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৬ হাজার ৭০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

/আশিক


রমজানের আগে কারওয়ান বাজারে বড় চমক: স্বস্তির খবর দিলেন ব্যবসায়ীরা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৯:৪৪:০৬
রমজানের আগে কারওয়ান বাজারে বড় চমক: স্বস্তির খবর দিলেন ব্যবসায়ীরা
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফেরাতে এক অভাবনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন রাজধানীর কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) কিচেন মার্কেটে ইসলামিয়া শান্তি সমিতির আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। রমজানের নৈতিক দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতার জায়গা থেকে ব্যবসায়ীরা নিজেদের লাভের অংশ কমিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম মিলন বলেন, “ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কাউকে চাপ দিয়ে নয়। তারা নিজেদের লাভের অংশ ছেড়ে দিয়ে সাধারণ মানুষকে এই ছাড় দিচ্ছেন।”

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আজ থেকেই বেশ কিছু পণ্যের দাম কার্যকর হবে। এর মধ্যে রয়েছে

মাংস: প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা কমিয়ে ৭৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

লেবু: বড় লেবু থেকে শুরু করে সব ধরনের লেবুতে প্রতি পিস ২ টাকা কমানো হয়েছে।

চিনি ও চাল: প্রতি কেজিতে ১ টাকা করে দাম কমানো হয়েছে। মিনিকেট চাল ৮১ টাকার পরিবর্তে এখন ৮০ টাকায় পাওয়া যাবে।

তেল ও ছোলা: তেলের ৫ লিটারের জারে ৫ টাকা এবং ছোলার কেজিতে ২ টাকা কমানো হয়েছে।

ট্যাং: ২০০ গ্রামের প্যাকেটে ৫ টাকা এবং ২ কেজির জারে ২০ টাকা পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে।

কারওয়ান বাজার পাকা মার্কেট আড়তদার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুজন জানান, সিন্ডিকেট বা অতিরিক্ত মুনাফা নয়, বরং পবিত্র মাসে মানুষের সেবা করাই তাদের লক্ষ্য। বাজারের এই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত রাজধানীর অন্যান্য খুচরা বাজারেও প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

/আশিক


টাকার বিপরীতে ডলারের দাপট: এক নজরে আজকের মুদ্রার রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১২:০৪:১৪
টাকার বিপরীতে ডলারের দাপট: এক নজরে আজকের মুদ্রার রেট
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক লেনদেনের প্রভাবে আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে বাংলাদেশি টাকার মানের নিয়মিত পরিবর্তন ঘটছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ডলারসহ বিশ্বের প্রধান সব মুদ্রার বিপরীতে টাকার নতুন বিনিময় হার নির্ধারিত হয়েছে। আজকের বাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকা ১২২ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিশালী মুদ্রা কুয়েতি দিনারের মান এখন প্রায় ৪০০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। প্রবাসী আয় এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সুবিধার্থে আজকের প্রধান মুদ্রাগুলোর বিনিময় হার নিচে তুলে ধরা হলো।

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা (বিনিময় হার)
ইউএস ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা
ইউরো ১৪৪ টাকা ১০ পয়সা
ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৪ টাকা ৯২ পয়সা
কুয়েতি দিনার ৩৯৬ টাকা ৫১ পয়সা
ওমানি রিয়াল ৩১৬ টাকা ৪৫ পয়সা
সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৪১ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ২৫ পয়সা
সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ৫৮ পয়সা
ভারতীয় রুপি ১ টাকা ৩৪ পয়সা
চীনা ইউয়ান ১৭ টাকা ৭৩ পয়সা
জাপানি ইয়েন ৭৮ পয়সা

এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬ টাকা ৬৩ পয়সা, কানাডিয়ান ডলার ৮৯ টাকা ৪১ পয়সা এবং কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৫৩ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, বৈদেশিক মুদ্রার এই হার যেকোনো সময় আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে পরিবর্তিত হতে পারে। লেনদেনের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণ! আজ থেকে নতুন রেট কার্যকর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১১:২৫:৫৯
সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণ! আজ থেকে নতুন রেট কার্যকর
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে স্বর্ণের বাজার। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এই নতুন দামের ঘোষণা দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আজ সকাল ১০টা থেকেই সারাদেশে এই নতুন কার্যকর হয়েছে। মূলত স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ কিনতে এখন গুণতে হবে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে, এই মূল্যের সাথে আবশ্যিকভাবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। ফলে গহনা হাতে পেতে হলে কার্যকর দাম ভরিপ্রতি আরও কিছুটা বাড়বে।

স্বর্ণের দাম এভাবে বাড়তে থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে বিয়ের মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ এই দাম বাড়ার ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য স্বর্ণ কেনা এখন এক প্রকার দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্যের ওঠানামা এবং দেশের বাজারে কাঁচামালের সংকটের কারণেই বারবার এই দাম সমন্বয় করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জুয়েলার্স মালিকরা। স্বর্ণের দামের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের বিনিয়োগ ও উৎসবের অর্থনীতিতে বড় ধরণের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক


আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১১:০৩:০০
আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং দেশের প্রায় কোটি মানুষ প্রবাসে কর্মরত আছেন। বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এই রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থেই সচল রয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেন এবং ব্যবসায়ীদের আমদান-রপ্তানি সুবিধার কথা বিবেচনা করে প্রতিদিনের মতো আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুসারে, আজ দেশের মুদ্রা বাজারে প্রতি মার্কিন ডলার কেনার দাম ধরা হচ্ছে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা এবং বিক্রির দামও ১২২ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ আজ ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে আজ মুদ্রা বাজারে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪৪ টাকা ০৬ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে এর দাম ধরা হয়েছে ১৪৪ টাকা ১০ পয়সা (বাংলাদেশ ব্যাংক অনুযায়ী শুরুতে ১৪৫ টাকা ১০ পয়সা উল্লেখ থাকলেও তালিকায় ১৪৪ টাকা ১০ পয়সা দেওয়া হয়েছে)।

অন্যদিকে ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময় হার আজ বেশ শক্তিশালী; যা কেনার দাম ১৬৪ টাকা ৮৮ পয়সা এবং বিক্রির দাম ১৬৪ টাকা ৯২ পয়সা।

এছাড়া এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মুদ্রার মধ্যে জাপানি ইয়েন কেনা ও বেচা উভয় ক্ষেত্রেই ০.৮০ টাকা দরে স্থির রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার আজ ৮৬ টাকা ৬২ পয়সা দরে কেনা এবং ৮৬ টাকা ৬৩ পয়সা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সিঙ্গাপুর ডলারের বিনিময় হার আজ কেনার ক্ষেত্রে ৯৬ টাকা ৪৯ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ৯৬ টাকা ৫৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কানাডিয়ান ডলার আজ কেনা হচ্ছে ৮৯ টাকা ৩৬ পয়সা দরে এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৯ টাকা ৪১ পয়সা দরে।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের মুদ্রা রুপির বিনিময় হার আজ কেনার ক্ষেত্রে ১ টাকা ৩৪ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ১ টাকা ৩৫ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার আজ কেনার ক্ষেত্রে ৩২ টাকা ৫৮ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ৩২ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, আন্তর্জাতিক বাজার ও ব্যাংক ভেদে এই মুদ্রার বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

/আশিক


লেবুর বাজারে স্বস্তির হাওয়া: হালিপ্রতি দাম কমল প্রায় অর্ধেক

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১০:৫৮:৫৬
লেবুর বাজারে স্বস্তির হাওয়া: হালিপ্রতি দাম কমল প্রায় অর্ধেক
ছবি : সংগৃহীত

রোজা শুরুর আগে থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকা লেবুর দাম অবশেষে রাজধানী ঢাকার বাজারে কমতে শুরু করেছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি হালি মাঝারি আকারের লেবু ৬০ থেকে ৭০ টাকায় কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। অথচ মাত্র দুই দিন আগেই এই একই মানের লেবুর দর ১০০ টাকার উপরে ছিল। আকারে ছোট লেবুর হালি বর্তমানে কেনাবেচা হচ্ছে ৪০ টাকায়। কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এলাকাভেদে ছোট লেবুর হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। মূলত সরবরাহ সংকট ও ক্রেতাদের মাত্রাতিরিক্ত চাহিদার কারণে মাঝে অস্বাভাবিক হারে দাম বেড়েছিল বলে জানান ব্যবসায়ীরা। এখন দর বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে সরবরাহ যেমন বেড়েছে, তেমনি মানুষের অস্বাভাবিক চাহিদাও কিছুটা কমেছে, যার ফলে দাম নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে।

গত এক সপ্তাহ রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ইফতারের তেষ্টা মেটাতে লেবুর শরবতের চাহিদাকে কেন্দ্র করে লেবুর দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। রোজা শুরুর কয়েক দিন আগেই অনেক ক্রেতা এক থেকে দুই ডজন বা তার বেশি লেবু কিনে মজুত করেছিলেন। তবে এই পরিস্থিতির জন্য আড়তদার ও ফড়িয়াদের কৃত্রিম সংকট তৈরিকে দায়ী করেছেন সাধারণ ক্রেতারা।

লেবুর বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারিও ঢাকার বাজারে মাঝারি প্রতি হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় কেনাবেচা হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে দাম বাড়তে বাড়তে রোজা শুরুর আগের দিন অর্থাৎ গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বাজার রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তখন মাঝারি আকারের প্রতি হালি লেবু ১১০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়, যা প্রতি পিসের হিসেবে দাঁড়ায় ২৮ থেকে ৩০ টাকা। প্রায় এক সপ্তাহ এই চড়া দাম স্থির ছিল।

কারওয়ান বাজারে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে লেবুর পাইকারি ব্যবসা করা জাহাঙ্গীর আলম সমকালকে জানান, রোজায় ভালো দাম পাওয়ার আশায় চাষিরা আগে থেকেই গাছ থেকে লেবু সংগ্রহ বন্ধ রেখেছিলেন, যা সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছিল। নাখালপাড়া এলাকার খুচরা ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান জানান, পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় তাদেরও বেশি দরে বিক্রি করতে হয়েছে।

তবে আলম মিয়া নামের আরেক ব্যবসায়ী ভিন্ন মত পোষণ করে বলেন, যারা গত এক সপ্তাহে কয়েক ডজন লেবু কিনেছেন, তাদের হাতে এখনও লেবু আছে, তাই নতুন করে চাহিদা কমেছে। তিনি মনে করেন, কেবল ব্যবসায়ীদের দোষ না দিয়ে ক্রেতাদেরও সচেতন হওয়া উচিত; কারণ তারা যখন একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ পণ্য কেনেন, তখন অসাধু ব্যবসায়ীরা সেই সুযোগটি নেওয়ার চেষ্টা করে।

গতকাল শনিবারের বাজারে লেবুর পর্যাপ্ত সরবরাহ দেখা গেছে এবং মাঝারি আকারের লেবুর হালি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা গত তিন-চার দিনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। ছোট আকারের লেবুর হালি বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়, যা মূলত দুই সপ্তাহ আগের দামের কাছাকাছি ফিরে এসেছে।

লেবুর এই দামের ওঠা-নামা নিয়ে কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান সমকালকে জানান, দাম বাড়বে বা সংকট তৈরি হবে—এমন আতঙ্ক থেকেই ভোক্তারা যখন বেশি পণ্য কেনেন, তখন বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। তিনি ভোক্তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কেনাকাটা করার পরামর্শ দেন, যাতে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকে এবং অযথা মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ কমে যায়।

/আশিক


আবারও বাড়ল স্বর্ণ-রুপার দাম: নতুন দরে নাকাল সাধারণ ক্রেতারা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ০৯:৫২:১৪
আবারও বাড়ল স্বর্ণ-রুপার দাম: নতুন দরে নাকাল সাধারণ ক্রেতারা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে মূল্যবান ধাতুর বাজার। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) থেকে সারা দেশে নতুন এই দামে বিক্রি হচ্ছে অলঙ্কার তৈরির প্রধান এই দুই ধাতু। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম, যা ওইদিন সকাল সোয়া ১০টা থেকেই কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে এখন থেকে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। যা দেশের ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ দাম। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। স্বর্ণের এই মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে, তবে গহনার ডিজাইনভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারিও স্বর্ণের দাম একই পরিমাণ বাড়িয়েছিল বাজুস। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশে ৩১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯ দফাই দাম বাড়ানো হয়েছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রুপার দামও। শনিবার দেওয়া নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, রুপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১ বারই দাম বেড়েছে। গত ২০২৫ সালেও স্বর্ণ ও রুপার দামের এমন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল, যেখানে স্বর্ণের দাম ৬৪ বার এবং রুপার দাম ১০ বার বাড়ানো হয়েছিল। আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় চাহিদার কারণে মূল্যবান এই ধাতুগুলোর দাম ক্রমাগত সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: