ঈদে কোরবানির জন্য রেকর্ড দেশের ১.২৪ কোটি পশু

পবিত্র ঈদুল আজহা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং দেশের অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কোরবানির পশু কেনাবেচা, মসলা, সরঞ্জাম, চামড়া, পরিবহন ও শ্রমজীবী মানুষের অস্থায়ী কর্মসংস্থানের মাধ্যমে কোরবানিকেন্দ্রিক অর্থনীতি সৃষ্টি করছে অন্তত ৭০ হাজার কোটি টাকার চক্র।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার। এর মধ্যে ৫৬ লাখ গরু-মহিষ ও ৬৮ লাখ ছাগল-ভেড়া রয়েছে। শুধু গরু-মহিষ বিক্রি থেকে সরকার পাবে প্রায় ৩০ কোটি টাকা রাজস্ব।
এদিকে চামড়া ও পশুবর্জ্য খাতেও তৈরি হয়েছে হাজার কোটি টাকার সম্ভাবনা। দেশের বার্ষিক চামড়ার ৬০ শতাংশই সংগৃহীত হয় এই ঈদে। গরু ও ছাগলের চামড়া থেকে প্রত্যক্ষভাবে গরিবদের হাতে যাচ্ছে প্রায় ৬৩০ কোটি টাকা। রপ্তানিযোগ্য বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবহারে শত কোটি টাকার উপার্জনের সম্ভাবনা থাকলেও সচেতনতার অভাবে অপচয় হচ্ছে বিপুল সম্পদ।
চামড়াশিল্প দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত হিসেবে জিডিপিতে ০.৬% এবং রপ্তানির ৩.৮% অবদান রাখছে। ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্রসহ বহু দেশে রপ্তানি হচ্ছে চামড়াজাত পণ্য।
এদিকে কোরবানির পশুর নিরাপদ লালন-পালন ও অমানবিক আচরণ বন্ধে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, মনিটরিং টিম, মোবাইল কোর্ট ও মেডিকেল টিম নিয়োগ করেছে। রাজধানীর ১৯টি হাটে চালু হয়েছে ২০টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম।
অবৈধ পশু অনুপ্রবেশ রোধে এবার কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। চালু হয়েছে হটলাইন, গঠিত হয়েছে কন্ট্রোল রুম ও মনিটরিং সেল। পশুবাহী ট্রাক নিরাপদে চলাচলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোরবানির ঈদ ঘিরে শুধু পশু নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িত হাজারো কার্যক্রম দেশের অর্থনীতির চাকায় গতি আনছে। সরকারি নানা উদ্যোগে বাংলাদেশ এখন মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ, যা ঈদুল আজহায় স্থানীয় পশুর মাধ্যমেই কোরবানির চাহিদা পূরণে সক্ষমতা অর্জন করেছে।
- অনন্যা, নিজস্ব প্রতিবেদক
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে রটনা নাকি সত্য? নতুন বিজ্ঞপ্তিতে যা জানাল মন্ত্রণালয়
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত সাম্প্রতিক বিষয়াবলি নিয়ে ক্ষোভ ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রক্রিয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এই সংক্রান্ত প্রাপ্ত অভিযোগগুলো ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলোর মাধ্যমে নিরসন করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জোর দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয় যে, বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কোনো ধরনের অসত্য তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তিকর পরিবেশ তৈরির সুযোগ নেই। তবে যদি কোনো গ্রাহকের বিলে অতিরিক্ত টাকা যোগ হওয়া সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট বা প্রমাণসম্মত কোনো অভিযোগ থাকে, তবে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত আবেদনের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই ধরণের অভিযোগের সত্যতা মিললে কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রতিকার ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নেবে।
মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে যে, সুস্পষ্ট কোনো প্রামাণ্য ভিত্তি ছাড়া কেবল বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভুয়া তথ্য প্রচার করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে হুঁশিয়ারি প্রদান করা হয়েছে।
/আশিক
অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করার কড়া নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
শিল্পায়নের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষার ভারসাম্য বজায় রেখে দেশের সব অর্থনৈতিক অঞ্চলকে আধুনিক, সবুজ ও বিনিয়োগবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) গভর্নিং বোর্ডের সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
উক্ত সভায় অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিধি বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) বৈঠকের বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, সরকারের দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) মোট ১ লাখ ২৫ হাজার গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। মূলত পরিবেশবান্ধব শিল্পাঞ্চল তৈরি ও টেকসই সবুজায়ন নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।
বৈঠকে বেজার গভর্নিং বোর্ডের গত ৯ম সভার গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন কতটুকু হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হয়। এর পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদন, বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সার্বিক মূল্যায়ন এবং সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা অব্যবহৃত শিল্প-সম্পদকে আধুনিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়েও গভীর আলোচনা হয়।
বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জের করিম জুট মিলস ও লতিফ বাওয়ানী জুট মিলসের মালিকানাধীন জমি ও বর্তমান অবকাঠামো ব্যবহার করে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শিল্প স্থাপনের সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখা হয়। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বমানের শিল্প গড়ে তুলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, স্থানীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করা। এছাড়া বেসরকারি খাতে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার আবেদন ও লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গাইডলাইন কঠোরভাবে অনুসরণ এবং হালনাগাদ নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং বিডা-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনসহ প্রশাসনিক শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
পুরো পুলিশ টিম একসঙ্গে চা-বিশ্রামে যাওয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া সতর্কতা
পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনকালে পুরো টিম যেন একই সময়ে একসঙ্গে চা খাওয়া বা বিশ্রামে না যায়, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি জানান, পুলিশের ব্যবহৃত গাড়ি বা টহল যান কোনো অবস্থাতেই অরক্ষিত বা নিরাপত্তাহীন রাখা যাবে না। টহলে থাকা সদস্যদের মধ্যে সবাই একসঙ্গে বিশ্রামে না গিয়ে অন্তত একজনকে সার্বক্ষণিক গাড়ির প্রহরায় নিশ্চিত থাকতে বলা হয়েছে।
বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্বাভাবিক কার্যপ্রক্রিয়া বা নিয়মিত সতর্কতার অংশ উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একে অন্য কোনো দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ নেই। সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে বোমাসদৃশ বস্তু ও পরিত্যক্ত ব্যাগ উদ্ধারের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মতিঝিলে মেট্রোরেলের পিলারের কাছে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার এবং আশুলিয়ায় দুষ্কৃতকারীদের রেখে যাওয়া ব্যাগ উদ্ধারের ঘটনায় কোনো আন্তঃসম্পর্ক বা একই গোষ্ঠীর সংযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।
রথযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রা অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে উল্টো রথযাত্রার দিনে মতিঝিল এলাকায় বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের নেপথ্যে কোনো মহল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র করছিল কি না, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে উগ্রবাদী তৎপরতা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্ত আগের তুলনায় অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারি বজায় রাখছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাবেক ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের রাজপথের তৎপরতা বা নাশকতামূলক সক্ষমতা নিয়ে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, দলটির সে ধরনের কোনো বড় নাশকতার সক্ষমতা আছে বলে মনে হয় না; রাজনীতিতে নিষিদ্ধ থাকার কারণে বিদেশ থেকে মাঝে মাঝে তাদের ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতি ছাড়া মাঠে কোনো বড় তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। এছাড়া সিলেটে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আয়োজিত সমাবেশে হামলার ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
/আশিক
বয়স্ক ও বিধবা ভাতার আবেদন শুরু, যেভাবে করবেন আবেদন
সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তির জন্য নতুন আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। অনলাইনভিত্তিক এই কার্যক্রম ১ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে জারি করা নির্দেশনায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য নতুন উপকারভোগী নির্বাচনের লক্ষ্যে আবেদন গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে। নির্দেশনাটি ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, রংপুর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তির পাশাপাশি অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতাভুক্ত বিভিন্ন সুবিধার জন্যও আবেদন করা যাবে। এর মধ্যে হিজড়া, বেদে ও অন্যান্য অনগ্রসর জনগোষ্ঠী এবং চা-শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আগ্রহী ও যোগ্য ব্যক্তিদের সমাজসেবা অধিদপ্তরের সমন্বিত সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাপনা তথ্যব্যবস্থার অনলাইন আবেদন প্ল্যাটফর্মে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানা যে ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন এলাকায়, সেই ঠিকানার ভিত্তিতেই আবেদন দাখিল করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন নম্বর এবং ট্র্যাকিং আইডি ব্যবহার করে আবেদনের অগ্রগতিও অনলাইনে দেখা যাবে।
প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদনকারীর জন্য প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ ব্যবস্থার আওতায় ইস্যু করা সুবর্ণ নাগরিক কার্ড থাকা আবশ্যক। পাশাপাশি আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে নিবন্ধিত একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। ভাতার অর্থ গ্রহণের জন্য আবেদনকারীর নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল আর্থিক সেবা হিসাব অথবা ব্যাংক হিসাবের তথ্য প্রয়োজন হবে। ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করা হলে যোগাযোগের জন্য সক্রিয় মোবাইল নম্বরও আবেদনে উল্লেখ করতে হবে।
সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, যারা ইতোমধ্যে সরকারের অন্য কোনো নিয়মিত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি থেকে একই ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন, তারা নতুন করে এই কর্মসূচির উপকারভোগী হিসেবে বিবেচিত হবেন না। একই ব্যক্তির নামে একাধিক সরকারি ভাতা গ্রহণ ঠেকাতে আবেদনকারীর তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা হবে।
আগে অনলাইনে আবেদন করে যাদের নাম অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছে, তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। আগের অপেক্ষমাণ আবেদন এবং নতুনভাবে জমা পড়া আবেদন একসঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হবে। তবে আবেদনকারীকে নিজের তথ্য সঠিক ও হালনাগাদ আছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবেদন করলেই কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাতার জন্য নির্বাচিত হবেন না। প্রথমে আবেদনকারীর বয়স, আর্থিক অবস্থা, প্রতিবন্ধিতার তথ্য, পারিবারিক পরিস্থিতি, স্থায়ী ঠিকানা এবং অন্য কোনো সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা গ্রহণ করছেন কি না—এসব বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর প্রচলিত নীতিমালা, স্থানীয় যাচাই কমিটির সুপারিশ এবং বরাদ্দসংখ্যার ভিত্তিতে চূড়ান্ত উপকারভোগীর তালিকা প্রস্তুত হবে।
চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ব্যক্তিরা বরাদ্দ ও প্রশাসনিক অনুমোদন সাপেক্ষে ১ জুলাই থেকে সংশ্লিষ্ট ভাতা বা শিক্ষা উপবৃত্তির সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। তবে আবেদন গ্রহণের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর যাচাই, অনুমোদন এবং অর্থ ছাড়ের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছু সময় লাগতে পারে।
আবেদন করার সময় নাম, জন্মতারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন নম্বর, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর এবং আর্থিক হিসাবের তথ্য অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দিতে হবে। ভুল তথ্য, অন্যের মোবাইল হিসাব, অস্পষ্ট কাগজপত্র কিংবা ঠিকানায় অসামঞ্জস্য থাকলে আবেদন বাতিল বা যাচাইয়ে বিলম্ব হতে পারে। আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর পাওয়া ট্র্যাকিং নম্বর সংরক্ষণ করাও জরুরি।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের সরকারি ওয়েবসাইটে বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য পৃথক আবেদন ও কর্মসূচির তথ্য রয়েছে। আবেদনকারীদের কোনো দালাল বা অননুমোদিত ব্যক্তিকে অর্থ না দিয়ে প্রয়োজনে নিকটস্থ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
-রাফসান
মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির কূটনৈতিক ও কৌশলগত প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। নিকটবর্তী প্রতিবেশী হিসেবে রাখাইন রাজ্য বা মিয়ানমার থেকে জ্বালানি আমদানি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করছে ঢাকা। রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত এইচই ইউকাউ সো মো এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হলে বাংলাদেশের এই আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
বৈঠকে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, বাংলাদেশে শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই অভ্যন্তরীণ সংকট মোকাবিলায় প্রতিবেশীদের সঙ্গে সহযোগিতার অংশ হিসেবে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সংগ্রহের প্রস্তাব বিবেচনায় এনেছে বাংলাদেশ। জবাবে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত এই প্রস্তাবকে ইতিবাচক বলে অভিহিত করেন এবং সরাসরি পাইপলাইনের পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আকারেও সরবরাহের নানাবিধ সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখার ওপর গুরুত্ব প্রকাশ করেন।
আলোচনায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পর্যন্ত সংযোগ পাইপলাইন স্থাপনের পূর্বে স্থগিত হওয়া প্রস্তাবটিকে পুনরায় গতিশীল করার ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরের কাঠামোগত প্রস্তাব স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দ্বিপাক্ষিক পাইপলাইন সংযোগ প্রতিষ্ঠিত হলে তা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক পরিধি বিস্তারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
বৈঠকে জ্বালানি ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও নতুন সম্ভাবনার ক্ষেত্র উন্মোচনের সুযোগ নিয়ে বিস্তৃত মতামত বিনিময় হয়। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
হাইকোর্টে জোড়া মামলায় জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
আদালতের পৃথক দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, হামলা ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় তার জামিন সংক্রান্ত রুলের ওপর শুনানি শেষে রোববার (২ আগস্ট) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা বিচারাধীন থাকায় এখনই তিনি কারামুক্তি পাচ্ছেন না বলে নিশ্চিত করেছেন তার নিযুক্ত আইনজীবী।
এর আগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর এই দুই মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন প্রশ্নে হাইকোর্ট রুল জারি করেছিলেন। সেই রুলের শুনানি শেষে গত ২৬ জুলাই আদালত রায়ের তারিখ হিসেবে ২ আগস্ট দিন ধার্য করেন। নির্ধারিত দিনে শুনানি শেষে জারি করা রুল যথাযথ (অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে রায় দেন উচ্চ আদালত। আদালতে আসামি পক্ষে আইনি পরিচালনা করেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।
আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের জানান, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে মোট ছয়টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যা সংক্রান্ত মামলাটির বিচার কাজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রক্রিয়াধীন এবং রাষ্ট্রদ্রোহের একটি মামলায় তার জামিন আদেশ স্থগিত রয়েছে। বাকি চারটি মামলার মধ্যে দুটি মামলায় হাইকোর্ট জামিনের আদেশ দিয়েছেন এবং অবশিষ্ট দুটি মামলার রুল শুনানির জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।
উলেখ্য, ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানায় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাটি দায়ের করা হয়, যার ভিত্তিতে একই বছরের ২৫ নভেম্বর তাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর তার জামিন আবেদনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সৃষ্ট সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম নিহত হন। উক্ত হত্যার ঘটনায় নিহত আইনজীবীর বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পাশাপাশি সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে পুলিশ ও সংক্ষুব্ধ পক্ষ থেকে আরও চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা নিয়ে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
/আশিক
হুতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌদি জোটে বাংলাদেশ, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। রবিবার (২ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, হুতিদের উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতেই বাংলাদেশ এই জোটে যোগ দিয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন, এই পদক্ষেপকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো অবস্থান বা দেশটিকে উপেক্ষা করার অংশ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই, কারণ তেহরানের সঙ্গেও বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে অংশগ্রহণের পেছনের প্রেক্ষাপট ও কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, রিয়াদের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও বহুমাত্রিক। এই সম্পর্ককে কেবল হজ, ওমরাহ বা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি শক্তিশালী কৌশলগত উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ। তিনি উল্লেখ করেন, পবিত্র দুই মসজিদের রক্ষক দেশ হিসেবে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের এক ধরণের সুদৃঢ় আত্মিক ও নৈতিক দায়িত্ববোধ জড়িত। তাই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম দেশ হিসেবে সৌদি আরবের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রয়োজনে সহায়তা চাওয়া হলে বাংলাদেশ নীতিগতভাবে তাতে সাড়া দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
একই সংবাদ সম্মেলনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জামিন পাওয়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি অগ্রগতি নিয়েও কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি জানান, সাবেক এই কর্মকর্তাকে ফেরত আনার বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিয়ে মূল উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এ সংক্রান্ত আইনগত ও কূটনৈতিক আলোচনা চলমান রয়েছে এবং চূড়ান্ত কোনো অগ্রগতি হলে তা স্বরাষ্ট্র বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানিয়ে দেওয়া হবে।
/আশিক
অপারেশন শরতের তুফান: ৮ বছর পর ট্রাইব্যুনালে উঠে এল কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য?
গাজীপুরের পাতারটেকে সাতজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। রোববার (২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে এই আবেদন পেশ করা হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, যার সাথে যুক্ত ছিলেন একাধিক প্রসিকিউটর।
শুনানিতে প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সাবেক সরকারের আমলে বিরোধী দল ও ইসলামী মতাদর্শ দমনে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের মতো একটি ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। কোনো রাজনৈতিক নেতা বা সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা নিষিদ্ধ সমতুল্য ছিল এবং বহু মানুষকে গোপন বন্দিশালায় রাখা হতো। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই ধরনের অভিযান ও ক্রসফায়ারের নামে হত্যাকে জাতিসংঘসহ বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বহুবার মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে চিহ্নিত করেছে বলে ট্রাইব্যুনালকে জানানো হয়।
ঘটনার বিবরণে প্রসিকিউটর তামিম উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর গাজীপুরের নোয়াগাঁও পাতারটেক এলাকায় ‘অপারেশন শরতের তুফান’ নামের এক অভিযানে সোয়াত সদস্যরা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) নেতৃত্বে সাতজনকে গুলি করে হত্যা করে। তাদের বিভিন্ন স্থান থেকে তুলে এনে প্রথমে বগুড়ার একটি গোপন স্থানে রাখা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত সাতজনের মধ্যে চারজনের পরিচয় এখনও অজানা হলেও বাকি তিনজন ছিলেন মো. ইবরাহীম, ফরিদুল ইসলাম আকাশ ও সাইফুর রহমান। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর ইবরাহীমের বাবা ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে অভিযোগ করেন। এছাড়া তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হুমকির কারণে নিহতদের স্বজনেরা সেসময় লাশ দাবি করতে সাহস পাননি বলেও শুনানিতে উঠে আসে।
মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক, তৎকালীন এসবি প্রধান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, সিটিটিসির তৎকালীন প্রধান মনিরুল ইসলামসহ পুলিশ ও ডিবি বিভাগের একাধিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আসামিদের মধ্যে শহীদুল হক ও আসাদুজ্জামান মিয়া বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন এবং শুনানির দিন তাদের ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করা হয়।
অভিযোগ গঠনের শুনানির পাশাপাশি আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালত থেকে অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদন এবং শুনানির প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময় চান। প্রসিকিউশন থেকে নথিপত্র পেতে দেরি হয়েছে উল্লেখ করে আসামিপক্ষ সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রসিকিউশনের কোনো আপত্তি না থাকায় ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১০ আগস্ট দিন ধার্য করেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি এই ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল।
/আশিক
আরব আমিরাতে জামিন পেলেন সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের কারাগারে দেড় মাসেরও বেশি সময় বন্দি থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার পর তিনি কারামুক্ত হন, যদিও এর আগে ২৭ জুলাই সেখানকার আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছিলেন।
দুবাইয়ের আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর তিনি বর্তমানে ইউরোপের একটি দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে নিশ্চিত করেছে তার পারিবারিক সূত্র। তবে দুবাই পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন ইন্টারপোলের রেড নোটিশ ও ঢাকার পাঠানো নথিপত্র পর্যালোচনার পরও কেন তাকে ফেরত আনা সম্ভব হলো না, তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ দেশের নাগরিকত্ব ছাড়াও অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে এবং ভিন্ন দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করলে ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতেও তাকে দেশে ফেরানো অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়ে। তথ্য অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদ বিনিয়োগের মাধ্যমে তুরস্কের নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট অর্জন করেছেন বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।
পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতেও তার বিনিয়োগ রয়েছে বলে জানা গেছে। কোনো ব্যক্তি সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৈধ বাসিন্দা হলে এবং সে দেশে তার বিরুদ্ধে কোনো স্থানীয় অপরাধের অভিযোগ না থাকলে প্রত্যর্পণ এড়ানো আইনিভাবে সহজ হয়ে যায়। এর আগে পুলিশ পরিদর্শক মামুন ইমরান খান হত্যা মামলার আসামি আরাভ খানের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল; ইন্টারপোলের রেড নোটিশ থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় পাসপোর্ট ব্যবহারের কারণে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি।
ইন্টারপোলের জারি করা রেড নোটিশ মূলত সদস্য দেশগুলোর কাছে কোনো অপরাধীকে শনাক্ত বা সাময়িকভাবে আটক করার অনুরোধ, যা কোনো সরাসরি আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়। কোনো অভিযুক্তকে নির্দিষ্ট দেশে ফেরত পাঠাবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট দেশের আদালত ও সরকার।
আদালতে প্রত্যর্পণের আদেশ কার্যকর করার আগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, মামলার নথি, অভিযোগের আইনি ভিত্তি এবং মানবাধিকার সুরক্ষার মতো বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হয়। দুবাইয়ের আদালতে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত নথিপত্র ও আইনি আবেদনের ওপর উভয় পক্ষের শুনানির পর আদালত শর্তসাপেক্ষে বেনজীর আহমেদকে জামিন দেওয়ার নির্দেশ দেন। জামিনের শর্ত হিসেবে তার দুবাই ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং তার পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা রাখা হয়েছে।
বেনজীর আহমেদের জামিন বা বর্তমান অবস্থান নিয়ে দুবাই পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। এ বিষয়ে ইমেইলে যোগাযোগ করা হলে দুবাই পুলিশের জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স জানায়, তারা সরাসরি এ ধরনের তথ্য প্রচার করে না এবং তথ্যের জন্য তার কোনো নিকটাত্মীয়কে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে পাঠাতে হবে। অন্যদিকে, ঢাকায় পুলিশ সদরদপ্তরের ইন্টারপোল শাখা (এনসিবি) বেনজীর আহমেদের মুক্তির বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ সদরদপ্তরের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে সম্মত হননি।
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র র্যাবের সাত কর্মকর্তার ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যে নিষেধাজ্ঞা দেয়, তার মধ্যে তার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করে এবং তিনি দেশ ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়, যার ভিত্তিতে গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেওয়া হয়েছিল।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও কাড়তে পারবে না অধিকার: সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের নতুন খসড়া
- জীবনহানি এড়াতে ট্রাম্পের নতুন কৌশল: হরমুজ প্রণালি নিয়ে কী চুক্তি হতে যাচ্ছে?
- বিদ্যুৎ বিল নিয়ে রটনা নাকি সত্য? নতুন বিজ্ঞপ্তিতে যা জানাল মন্ত্রণালয়
- মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎহীন থাকছে যেসব এলাকা
- শতাধিক মানুষের মাঝে গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিনামূল্যে চশমা বিতরণ।
- সমকামিতা কি মানসিক ব্যাধি? আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতামত
- সেপ্টেম্বরের মেগা টুর্নামেন্টে বড় চমক: কাকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে ঢাকায়?
- ভারতের পূর্ব সীমান্তে ২৫০টি চিনা হাউইটজার মোতায়েন করল পাকিস্তান
- নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে দেরি হওয়ার নেপথ্যে যেসব মূল কারণ!
- তেলের দাম কমায় বিশ্ববাজারে লাফিয়ে বাড়ল স্বর্ণের দর
- ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার গুজব উড়িয়ে দিল তেহরান: নেপথ্যে কী কারণ?
- অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করার কড়া নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- ৫ আগস্ট নতুন রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে আসছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী?
- পুরো পুলিশ টিম একসঙ্গে চা-বিশ্রামে যাওয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া সতর্কতা
- মঞ্চের পর্দার আড়াল থেকে ব্যান্ডেজ চোখে ফিরে এলেন এনসিপি সমন্বয়ক!
- বয়স্ক ও বিধবা ভাতার আবেদন শুরু, যেভাবে করবেন আবেদন
- ‘মানুষ হত্যা চাই না’, ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বদলে গেল তেলের বাজার
- দুই বছর পর প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা, কী বলবেন?
- তেলের দাম কমতেই লাফ দিল স্বর্ণের বাজার
- যেসব দেশে দিনদুপুরে নেমে আসবে রাতের অন্ধকার!
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- ৪০ মিলিয়ন ইউরোয় ইতালি পাড়ি জমাচ্ছেন আর্জেন্টাইন তারকা
- এমপি লুনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর ট্রাস্টিবৃন্দ
- সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত বল্লভপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা
- কীভাবে এলো এই বিশেষ দিন: বন্ধু দিবসের অজানা কথা
- এশিয়ান গেমস ফুটবলের সূচি প্রকাশ, কোন গ্রুপে বাংলাদেশ?
- হাইকোর্টে জোড়া মামলায় জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
- ভারতের গণতান্ত্রিক উদাহরণ টেনে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য
- হুতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌদি জোটে বাংলাদেশ, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- অপারেশন শরতের তুফান: ৮ বছর পর ট্রাইব্যুনালে উঠে এল কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য?
- সাবেক সরকারের মতো একই আচরণ ধারণ করছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী: জামায়াত আমির
- ইরানের কঠোর অবস্থানের পর হামলা থেকে সরে এলেন ট্রাম্প
- আরব আমিরাতে জামিন পেলেন সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ
- ফের পরিবর্তন এলপিজি গ্যাসের দামে: রোববার সন্ধ্যা থেকে নতুন রেট কার্যকর
- টানা সাড়ে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- তীব্র গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে কারওয়ান বাজারে প্রতিবাদী কর্মসূচি: কঠোর আলটিমেটাম এনসিপির
- আগস্ট জুড়ে আবহাওয়া কেমন থাকবে? দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বিডব্লিউওটির বিশেষ বার্তা
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা পেশ
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ইউকে নবগঠিত (আংশিক) কমিটি ঘোষণা
- অন্যায়ের অবসান ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির
- ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরে ড্রোন তাণ্ডব: আন্তর্জাতিক ষড়যন্তের দিকে আঙুল ইরানের
- ইন্ডাকশন নাকি ইনফ্রারেড চুলা: কেনার আগে জেনে নিন কাজের পার্থক্য
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব সম্প্রদায়ের অবদান ছিল: নাহিদ ইসলাম
- যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন, প্রভাবিত হবে বাংলাদেশও
- স্ত্রীর কবর খননকালে ২৪ বছর পর স্বামীর অক্ষত দেহ উদ্ধার
- আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের বিশ্বজয়ে আবার স্বর্ণের দামে দরপতন
- হয়ে গেল সাফের ড্র: সহজ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশ, সহজ হলো সেমির পথ
- যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
- বিশ্ব-ব্যবস্থা তত্ত্ব: পুঁজিবাদী বিশ্ব-অর্থনীতি, নির্ভরতা ও বাংলাদেশের অবস্থান
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- গোপন ভিডিও কাণ্ডে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
- সিলেটে গাড়িবহরে হামলা: খালেদা জিয়ার ওপর অতীত হামলার সাথে তুলনা নাহিদ ইসলামের
- পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে বদলাতে পারে, ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা ইসরায়েলের
- ছাত্রদলের পদ থাকাটাই এখন চাকরির প্রধান কোয়ালিফিকেশন
- বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে বাহুবল পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির লিখিত অভিযোগ
- দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার
- যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
- জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক হামলা, ভূপাতিত করল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
- ‘মানুষ হত্যা চাই না’, ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প
- শ্রীমঙ্গলের পর বাহুবলে আবার বাধা: সড়কের ওপরই বসে পড়লেন এনসিপি নেতারা
- পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর
- নেতৃত্বের রদবদল: বিসিবির বোর্ড সভায় নতুন ওয়ানডে অধিনায়কের ঘোষণা








