‘হ্যাঁ’ ভোটের জোয়ার আনতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বড় ধরণের প্রচারণার পরিকল্পনা

আসন্ন জাতীয় গণভোটে দেশের ছাত্রসমাজ তথা শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং তাদের ‘হ্যাঁ’ ভোট দানে উদ্বুদ্ধ করতে এক ব্যাপকভিত্তিক প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই প্রচারণার পরিধি বিস্তৃত হবে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল এবং মাদ্রাসা পর্যায় পর্যন্ত। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউজিসির এক উচ্চপর্যায়ের যৌথ সভায় এই রণকৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় মূলত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং একটি বিশেষ প্রচারণার রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের মাঝে এই প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বহুমুখী মাধ্যম ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রচারণার অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হিসেবে ‘পরিবর্তনের জন্য হ্যাঁ’ শিরোনামে বিশেষ লিফলেট এবং পুস্তিকা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে। এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে মোবাইল ফোন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে গণভোটের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নির্মিত বিভিন্ন ডকুমেন্টারি, ভিডিও ক্লিপ এবং সচেতনতামূলক গান রিলিজ করা হবে। একই সঙ্গে দৃশ্যমান প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে আকর্ষণীয় ব্যানার, ফেস্টুন এবং স্টিকার সাঁটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভোট প্রদানের বিষয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।
ইউজিসিতে আয়োজিত এই বিশেষ সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) ড. আলী রীয়াজ বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই গণভোটের অপরিহার্যতা তুলে ধরেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো পুরোপুরি ভেঙে ফেলে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার যে গণআকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, এবারের গণভোট হবে তারই সার্থক প্রতিফলন। তাঁর মতে, একটি মানবিক ও সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ রায়ের কোনো বিকল্প নেই। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুষ্ঠু ও গঠনমূলক প্রচারণার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার, ইউজিসি চেয়ারম্যান এস এম এ ফায়েজ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন। এছাড়া কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান এই আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। সভায় উপস্থিত সকল অংশীজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই প্রচারণা সফল করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে একমত পোষণ করেন।
চিকিৎসকের ব্যবহার ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকর: ওসমানী মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী
দেশের জেলা ও উপজেলাভিত্তিক হাসপাতালগুলোর মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং উন্নত ল্যাব প্রায় সবকিছুই ঢাকা কেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। এই বাস্তবতা থেকে বেরিয়ে এসে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি স্বীকার করেন যে, শহর ও গ্রামাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার এই বৈষম্য দূর করার কাজটি এক মাস বা এক বছরে সম্ভব নয়, তবে সরকার ধাপে ধাপে এটি অর্জনের পথে রয়েছে।
অনুষ্ঠানে চিকিৎসকদের মহান পেশার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, চিকিৎসকগণ রোগে-শোকে কাতর মানুষের পরম বন্ধু এবং বিপদের প্রকৃত সঙ্গী। একজন চিকিৎসকের আন্তরিক ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তাই পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠা চিকিৎসকদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ গড়তে চায় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সরকারের মূল নীতি হচ্ছে 'প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর' বা প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।
দেশের মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশ অসংক্রামক রোগের কারণে হয়ে থাকে উল্লেখ করে তিনি উপজেলা পর্যায়ে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগের নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং জনসচেতনতা তৈরির ওপর জোর দেন। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাদের (UH&FPO) স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি এবং প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে অভিহিত করেন।
দেশের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার ক্রমান্বয়ে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছে। বিগত সরকারের আমলে সারাদেশে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়ার ঘটনাকে ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’ ও ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং জানান যে, বর্তমান সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতির অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী কর্মদক্ষতার জন্য ৬ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ক্রেস্ট প্রদান করেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
কোচিং বাণিজ্য নির্মূলে হার্ডলাইনে সরকার! ডেমরায় প্রতিমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) সকালে রাজধানীর ডেমরা এলাকায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষা খাত থেকে ‘কোচিং বাণিজ্য’ চিরতরে নির্মূল করতে সরকার অত্যন্ত কঠোর ও নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশকে দারুণভাবে ব্যাহত করছে। এসব স্কুল ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেগুলোর দ্রুত সংস্কার ও আধুনিকায়নের জন্য সরকার একটি বিশাল ও বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। খুব শিগগিরই এই প্রকল্পের কাজ মাঠ পর্যায়ে শুরু হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষার্থীরা সঠিক পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে কি না, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতেই তিনি সেখানে গিয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং বৃত্তি পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং যেকোনো ধরনের অনিয়ম রোধে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
/আশিক
জামায়াত একটি ভদ্র দল! সংসদে তাদের শৃঙ্খলায় মুগ্ধ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামী একটি ভদ্র দল।
সংসদে তারা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং সবার সঙ্গে মার্জিত ব্যবহার করে। এমনকি তারা সংসদের নিয়মকানুন মেনে চলেন এবং পাশের লোকের সঙ্গেও কথা বলেন না।” তিনি বিএনপি ও জামায়াতকে অতীতের মতো মিলেমিশে রাজনীতি করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেন, এখন আর দলবাজি বা রাজনৈতিক কারণে কাউকে হয়রানি করার সময় নেই। আওয়ামী লীগের পতনের উদাহরণ টেনে তিনি সতর্ক করে বলেন, অন্যায়, অবিচার ও লুটপাট করলে কী পরিণতি হয়, তা আজ স্পষ্ট।
তিনি বর্তমান সরকারকে ‘মাফিয়া সরকার’ হিসেবে অভিহিত করে তাদের বিদায় করার জন্য ছাত্রসমাজকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। স্পিকার হুঁশিয়ারি দেন যে, মাফিয়া বিরোধী শক্তির মধ্যে ঐক্য ভাঙলে আবারও লুণ্ঠনের রাজত্ব কায়েম হতে পারে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনে বিএনপির দায়িত্ব এখন সবচেয়ে বেশি। আওয়ামী লীগের মতো সম্পদ লুণ্ঠন করে বিদেশে পাচার করা হবে না—জনগণকে এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে।
তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, আগামী দিনে স্থানীয় সরকারসহ যেকোনো নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে, যেখানে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি ভোলা-৩ আসনের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
/আশিক
আগামী হজে আরও বড় চমক? হজযাত্রীদের স্বপ্ন পূরণে সরকারের নতুন বার্তা
আসন্ন বছরের হজের খরচ আরও কমিয়ে আনার এবং হজযাত্রীদের নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর জোরালো প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে রাত ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্প পরিদর্শনে যান এবং সেখানে হজযাত্রীদের সাথে সরাসরি কুশল বিনিময় করে সার্বিক তদারকি ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে হজযাত্রীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগেই এই হজ ব্যবস্থার সিংহভাগ কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও সীমিত সময়ের মধ্যে সরকার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে জনপ্রতি অন্তত ১২ হাজার টাকা খরচ কমাতে সক্ষম হয়েছে। আগামী বছর যাতে আরও সাশ্রয়ী মূল্যে দেশের মানুষকে পবিত্র হজে পাঠানো যায়, সে লক্ষ্যে সরকার এখন থেকেই কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হজযাত্রীদের নিরাপদ সফর ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের কাছে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া চান। তিনি বলেন, “আল্লাহ যেন আমাদের তৌফিক দেন যাতে আমরা সামনের সব বিপদ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারি এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি।” উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বিমানেই হজযাত্রীদের নিয়ে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।
/আশিক
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান আর নেই
দেশের প্রশাসনিক অঙ্গনে এক শূন্যতা তৈরি করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান। শুক্রবার ভোরে রাজধানীর Square Hospital-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার জীবনাবসান ঘটে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ থাকার পর গত শনিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মাহবুবুর রহমানের কর্মজীবন ছিল দীর্ঘ ও বহুমাত্রিক। ১৯৯৪ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের কাস্টমস ও এক্সাইজ ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচে সহকারী কমিশনার হিসেবে সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করেন তিনি। সেই শুরু থেকে ধাপে ধাপে দায়িত্ব পালন করে দেশের রাজস্ব ও বাণিজ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি দেশের বিভিন্ন কাস্টম হাউস, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে দায়িত্ব পালন করেন। ডেপুটি কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার এবং অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে তার প্রশাসনিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা তাকে উচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিয়ে যায়।
সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন একজন দায়িত্বশীল, কর্মঠ এবং নীতিনিষ্ঠ কর্মকর্তা। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার বিচক্ষণতা এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠা তাকে আলাদা মর্যাদা এনে দেয়।
তার মৃত্যুতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় সেবায় দীর্ঘ সময় অবদান রেখে বিদায় নেওয়া এই কর্মকর্তা বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোয় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেন।
-রফিক
জুলাই সনদ ও ইশতেহার বাস্তবায়নই মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দেশের ইতিহাসের প্রতি অবিচার এবং সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক পর্বে শহীদ, আহত ও নির্যাতিতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটে প্রাণ হারানো এবং নির্যাতনের শিকার হওয়া সাধারণ মানুষের প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা যুদ্ধের অমর শহীদদের স্মরণ করে বলেন, তাঁদের অসীম আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজকের এই স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’কে জাতির গৌরবের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই পুরস্কার প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি জাতীয় ইতিহাসের সকল স্তরের নেতাদের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইতিহাসকে সংকীর্ণ চোখে দেখা বা এর প্রতি অবিচার করা জাতির ভবিষ্যতের জন্য শুভকর নয়।
রাজনৈতিক বিভাজন নিরসনে প্রধানমন্ত্রী একটি ঐক্যের ডাক দিয়ে বলেন, জাতীয় স্বার্থে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু সেই মতপার্থক্য যেন কোনোভাবেই শত্রুতায় রূপ না নেয়। তিনি শহীদ জিয়ার কালজয়ী উদ্ধৃতি টেনে বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’ বর্তমানে দেশে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র সক্রিয় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
রাষ্ট্র পরিচালনার চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেন। শিক্ষা খাতের অতীত বিপর্যয় কাটিয়ে তুলে একে আধুনিক ও কর্মমুখী করার পরিকল্পনার কথা জানানোর পাশাপাশি তিনি নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে নির্বাচনী ইশতেহার এবং ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এসব প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তিনি মনে করেন, ব্যক্তিগত পরিবর্তনের চেয়ে মানসিকতার পরিবর্তনই বেশি জরুরি।
বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতার মধ্যেও সরকার ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রেখেছে উল্লেখ করে তিনি দেশবাসীকে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও আড়ম্বর পরিহারের আহ্বান জানান। পরিশেষে, এবারের স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই গুণীজনদের কাজ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
/আশিক
ইতিহাসের সাক্ষী ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন: জাইমার হাতে দাদির স্বর্ণপদক
এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হলো গোটা দেশ। প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ গ্রহণ করেছেন তাঁর নাতনি এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে বাবা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকেই দাদি বেগম খালেদা জিয়ার এই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা গ্রহণ করেন তিনি। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর বেগম খালেদা জিয়াকে এই মরণোত্তর পদকের জন্য মনোনীত করা হয়।
বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে জাইমা রহমান ছাড়াও আরও ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে স্বাধীনতা পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। তালিকায় সংস্কৃতিতে জনপ্রিয় উপস্থাপক হানিফ সংকেত, সমাজসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর) এবং মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলের (মরণোত্তর) মতো সূর্যসন্তানদের নাম রয়েছে।
এ ছাড়া চিকিৎসা ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পুরো মিলনায়তনে এক উৎসবমুখর ও গৌরবোজ্জ্বল পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে সরকার। দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত এই পদক প্রাপ্তদের ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক, ৫ লাখ টাকা এবং সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়। জাইমা রহমানের হাত ধরে বেগম খালেদা জিয়ার এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি গ্রহণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
/আশিক
হাসিন আমলের হয়রানিমূলক মামলার দিন শেষ! শুরু হচ্ছে গণপ্রত্যহার
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে অন্তর্বর্তী সরকার অত্যন্ত সক্রিয় ও সচেতন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. মনোয়ার হোসেনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে আইনমন্ত্রী জানান, ভুক্তভোগীদের প্রতিকার দিতে সরকার ইতিমধ্যে কার্যকর ও সুশৃঙ্খল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
আইনমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশের লক্ষ্যে গত ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের সমন্বয়ে ৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটির সুপারিশগুলো চূড়ান্তভাবে যাচাই-বাছাই করার জন্য গত ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে আইনমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে একটি ৬ সদস্যবিশিষ্ট 'কেন্দ্রীয় কমিটি' গঠন করা হয়েছে। জেলা কমিটি থেকে আসা সুপারিশগুলো কেন্দ্রীয় কমিটি নিবিড়ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, সংসদ সদস্যসহ যেকোনো সাধারণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা (হত্যা মামলাসহ) প্রত্যাহারের জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করা হলে গঠিত কমিটিগুলো তা গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করবে।
যদি কোনো মামলা প্রকৃতপক্ষেই রাজনৈতিক হয়রানিমূলক বলে প্রমাণিত হয়, তবে সরকার দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া নাগরিকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।
/আশিক
জাহাজবাড়ি ‘জঙ্গি নাটক’ হত্যা মামলা: আজ কাঠগড়ায় শেখ হাসিনাসহ ৮ জন
রাজধানীর কল্যাণপুরের আলোচিত ‘জাহাজবাড়ি’ অভিযান থেকে শুরু করে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান—আওয়ামী লীগ শাসনামলের একাধিক চাঞ্চল্যকর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আটজনের বিরুদ্ধে কল্যাণপুরে ৯ তরুণকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
একই আদালতে আজ শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চতুর্থ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। এছাড়াও সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও খুনের মামলায় আজ সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।
ট্রাইব্যুনাল-১-এর কার্যক্রমের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধেও আজ সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে।
সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এসব মামলার অন্তত আটজন আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। কল্যাণপুর জাহাজবাড়ির সেই আলোচিত ঘটনাটিকে রাষ্ট্রপক্ষ ‘কথিত জঙ্গি নাটক’ হিসেবে উল্লেখ করে ৯ তরুণকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীদের অভিযুক্ত করেছে।
অন্যদিকে, ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের বিচারও সমান্তরালে চলছে। আজকের এই শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রমের ওপর দেশবাসীর কড়া নজর রয়েছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ব্রাজিলের কিংবদন্তির হাতে বাংলাদেশের জার্সি: এক অবিস্মরণীয় মুহূর্তের গল্প
- ব্যাংক ডাকাতদের সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে: ডা. শফিকুর রহমান
- রোববার সকাল থেকেই অন্ধকারে থাকবে যেসব এলাকা
- চিকিৎসকের ব্যবহার ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকর: ওসমানী মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী
- নেতানিয়াহুর গালে ট্রাম্পের ‘চপেটাঘাত’! লেবানন দখল পরিকল্পনায় বড় বাধা
- কুমিল্লায় কেন্দ্রীয় পদ ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী
- কুমিল্লা সাড়ে সাত লাকসামে খালের বাঁধ কেটে ২৫০ বিঘা জমি অবমুক্ত
- ট্রাম্প বেশি কথা বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকির মুখে বিস্ফোরক ইরান!
- গুলিবর্ষণের শিকার দুটি জাহাজ: হরমুজ রুটে কেন আবার মারমুখী আইআরজিসি?
- প্রকৃতির তাণ্ডব! ধান কাটার ভরা মৌসুমে ৫ জেলায় শোকের মাতম
- দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও দাফন হয়নি খামেনির! কোথায় হবে সমাধি?
- লেবার পার্টির মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর মুকুন্দ মধুসূদন পুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
- দিনের আলোয় দেখা মিলল ঈদের চাঁদের! শুরু হলো কোরবানির ক্ষণগণনা
- বিদেশেও সংরক্ষিত হবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি: লন্ডনে বিশিষ্টজনদের বিশেষ সভা
- নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারের দূরদর্শী পরিকল্পনা!
- কুমিল্লায় স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় আটক ১
- ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে স্থানান্তরের প্রশ্নই ওঠে না: ইরান
- কোচিং বাণিজ্য নির্মূলে হার্ডলাইনে সরকার! ডেমরায় প্রতিমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
- আমেরিকায় রহস্যের পাহাড়! একের পর এক পরমাণু বিজ্ঞানী নিখোঁজ
- এনসিপিতে যোগ দেওয়ার খবর কি গুজব? রুমিন ফারহানার সোজাসাপ্টা জবাব
- টাকার মান বাড়ল না কি কমল? দেখে নিন ১৮ এপ্রিলের সর্বশেষ কারেন্সি রেট
- এক ক্লিকেই ভ্যানিশ হবে শর্টস ফিড: ইউটিউবের ধামাকা আপডেট!
- শুক্র গ্রহ: সৌরজগতের সবচেয়ে রহস্যময় উজ্জ্বল গ্রহ
- সম্পর্ক এখন খুবই ভালো: ইরান নিয়ে ট্রাম্পের গলায় নতুন সুর
- প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের ভাই এখন বিসিবিতে! লজিস্টিক বিভাগে মাশরুর
- জামায়াত একটি ভদ্র দল! সংসদে তাদের শৃঙ্খলায় মুগ্ধ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
- আর একটাও বোমা নয়, যথেষ্ট হয়েছে: ইসরায়েলকে ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি
- বুধবারের পরই কি মহাযুদ্ধ? ইরানকে ট্রাম্পের চরম আল্টিমেটাম!
- আবারও বন্ধ হবে হরমুজ প্রণালি! আমেরিকাকে চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিল ইরান
- দুপুরের মধ্যেই আসছে ঝড়-বৃষ্টি! চার অঞ্চলের জন্য আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তা
- রেকর্ড গড়ল স্বর্ণ: স্বর্ণের বাজারে চরম অস্থিরতা
- তীব্র গরমে স্বস্তি উধাও! লোডশেডিং ও তাপপ্রবাহে হাহাকার শহর থেকে গ্রামে
- আগামী হজে আরও বড় চমক? হজযাত্রীদের স্বপ্ন পূরণে সরকারের নতুন বার্তা
- দেখে নিন ১৮ এপ্রিলের নামাজের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি
- আজ কেনাকাটার আগে জেনে নিন ঢাকার কোন কোন মার্কেট বন্ধ
- হরমুজ খুলে দিল তেহরান: যুদ্ধবিরতির মধ্যেও শক্ত বার্তা
- বুধ গ্রহ: ছোট হলেও বিস্ময়ে ভরা এক জগৎ
- যে ৬ শর্তে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে লেবানন-ইসরায়েল
- যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরই ভাঙন: লেবানন সীমান্তে ফের ইসরায়েলি হামলা
- তেলের দামে বড় পতন
- বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান আর নেই
- লেবানন যুদ্ধবিরতিতে ক্ষুব্ধ ইসরায়েল
- শনিবার যেসব এলাকায় থাকবে না বিদ্যুৎ
- ডিএসইতে সপ্তাহজুড়ে উত্থান-পতনের লড়াই
- সোনা-রুপার দামে নতুন রেকর্ড বাংলাদেশে
- আজকের লাইভ খেলা: কোথায় কিভাবে দেখবেন সব ম্যাচ
- আজ ঢাকার আবহাওয়া কেমন থাকবে? জেনে নিন
- আজ ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না, জানুন এলাকা
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- রেকর্ড গড়ল স্বর্ণ: স্বর্ণের বাজারে চরম অস্থিরতা
- আদালতের আদেশ অমান্য! কালিগঞ্জে মসজিদের জমি দখলে নিতেই তুলকালাম
- এক লাফে ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি! স্বর্ণের বাজারে আগুন দেখছে বাংলাদেশ
- ডিএসই আপডেট, লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৪ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- "ইরানের কাছে হেরে গেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, মধ্যপ্রাচ্যে আর ফিরতে পারবে না আমেরিকা"
- ইসরাইলে ১৩ লক্ষ্যবস্তুতে হিজবুল্লাহর হামলা
- বুধ গ্রহ: ছোট হলেও বিস্ময়ে ভরা এক জগৎ
- আজ ১৩ এপ্রিলের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন আপনার এলাকার ওয়াক্ত
- পাঁচ জেলায় শুরু হবে ই-হেলথ সেবা কার্যক্রম, মিলবে যেসব সুবিধা
- তেলের দামে বড় পতন
- ২১ ঘণ্টার বৈঠক ব্যর্থ! কোনো চুক্তি ছাড়াই ইসলামাবাদ ছাড়ছে আমেরিকা
- মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর
- যেসব কারণে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র! নেপথ্যে বড় ৫ কারণ
- কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, যেসব সুবিধা থাকছে








