গ্রুপ বদল না ভেন্যু পরিবর্তন? বিশ্বকাপ সংকট কাটাতে বিসিবির নতুন প্রস্তাব

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৭ ২০:৫০:০৬
গ্রুপ বদল না ভেন্যু পরিবর্তন? বিশ্বকাপ সংকট কাটাতে বিসিবির নতুন প্রস্তাব
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে চলমান অস্থিরতা নিরসনে এক গুরুত্বপূর্ণ রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ না খেলার বিষয়ে বিসিবির অনড় অবস্থানের প্রেক্ষাপটে এত দিন অনলাইনে আলোচনা চললেও, সংকট মোকাবিলায় আইসিসির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সশরীরে ঢাকা সফরে এসেছেন। বিকেলের এই বৈঠকে বিসিবির উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সাথে বিশ্বকাপের ভাগ্য নির্ধারণী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে লজিস্টিক ও কূটনৈতিক জটিলতার কারণে আইসিসির ইভেন্টস অ্যান্ড করপোরেট কমিউনিকেশনস বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনা প্রত্যাশিত সময়ে বাংলাদেশের ভিসা না পাওয়ায় বৈঠকে সরাসরি যোগ দিতে পারেননি; পরিবর্তে তিনি দুবাই থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সংলাপে যুক্ত হন।

রাতে বিসিবির পক্ষ থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এই বৈঠকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত যাবতীয় অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হয়েছে। বোর্ড তাদের পূর্বের অবস্থানে অটল থেকে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির কাছে প্রস্তাব দিয়েছে যেন বাংলাদেশের সব কটি ম্যাচ ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হয়। এই দাবির স্বপক্ষে বিসিবি বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান ও গভীর উদ্বেগের বিষয়টিও আইসিসি প্রতিনিধিদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে। বিশেষ করে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছাড়াও বাংলাদেশি ক্রীড়াপ্রেমী সমর্থক, গণমাধ্যমকর্মী এবং অন্যান্য অংশীজনদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আইসিসিকে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

আলোচনার একপর্যায়ে টুর্নামেন্টের মূল কাঠামোতে ন্যূনতম লজিস্টিক পরিবর্তন এনে কীভাবে এই সংকটের সমাধান করা যায়, তা নিয়ে নতুন একটি প্রস্তাবনাও উঠে এসেছে। বিসিবি জানিয়েছে, বৈশ্বিক এই আসরে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে বর্তমান গ্রুপ থেকে সরিয়ে ভিন্ন কোনো গ্রুপে স্থানান্তরের সম্ভাবনা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। এতে করে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সংঘাতময় পরিস্থিতি এড়ানো এবং লজিস্টিক জটিলতা কমানো সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছে বিসিবি। বৈঠকে বোর্ডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো. সাখাওয়াৎ হোসেন ও ফারুক আহমেদ, পরিচালক এবং ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী।

বোর্ডের একটি উচ্চপদস্থ সূত্র থেকে জানা গেছে, আইসিসির প্রতিনিধিরা বিসিবির প্রতিটি যুক্তি ও প্রস্তাব মনোযোগ দিয়ে শুনলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারেননি। তারা স্পষ্ট করেছেন যে, এই স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে আইসিসি সভাপতি জয় শাহর সঙ্গে আগে বিস্তারিত আলোচনা করতে হবে। জয় শাহর সাথে পরামর্শের পরেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইসিসি তাদের চূড়ান্ত অবস্থান বিসিবিকে অবহিত করবে বলে প্রতিনিধিরা আশ্বাস দিয়েছেন। তবে দিনশেষে বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইতিবাচক একটি সুর পাওয়া গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উদ্ভূত এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং বিশ্বকাপের সফল আয়োজন নিশ্চিত করতে আইসিসির সঙ্গে একটি ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক সংলাপ অব্যাহত রাখার বিষয়ে দুই পক্ষই একমত পোষণ করেছে।


ফাহাদের বোলিং তাণ্ডবে বিধ্বস্ত ভারত; যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুভ সূচনা

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৭ ১৮:৪৯:২৪
ফাহাদের বোলিং তাণ্ডবে বিধ্বস্ত ভারত; যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুভ সূচনা
ছবি- আইসিসি

জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে আজ থেকে শুরু হওয়া অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই বল হাতে এক বিধ্বংসী সূচনা করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পেসার আল ফাহাদের অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যে ভারতকে মাত্র ২৩৮ রানেই অলআউট করে দিয়েছে জুনিয়র টাইগাররা। কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে আল ফাহাদ একাই শিকার করেছেন ৫টি উইকেট, যা ভারতের ব্যাটিং মেরুদণ্ড পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে।

আজ শনিবার সকালে বুলাওয়ের আকাশ মেঘলা থাকায় এবং বৃষ্টির কারণে টস হতে কিছুটা বিলম্ব হয়। পরে টস অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ অধিনায়ক আগে বোলিং করার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। ইনিংসের শুরু থেকেই বাংলাদেশের পেসাররা ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করেন। বিশেষ করে পেসার আল ফাহাদ ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে দেন। ওই ওভারের পরপর দুই বলে তিনি ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে (৬) এবং নতুন ব্যাটসম্যান ভেদান্ত ত্রিবেদীকে (০) সাজঘরে ফিরিয়ে দিয়ে হ্যাটট্রিকের জোরালো সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত হ্যাটট্রিকটি পূর্ণ হয়নি, তবে ভারতের টপ অর্ডার ততক্ষণে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। এরপর ভিহান মালহোত্রাকে ৭ রানে বিদায় করেন আজিজুল হাকিম তামিম, যার ফলে মাত্র ৫৩ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ভারত।

চতুর্থ উইকেটে ভারতকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন বৈভব সূর্যবংশী এবং অভিজ্ঞান কুন্ডু। এই দুই ব্যাটসম্যানের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ভারত বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার ইঙ্গিত দেয়। তারা দুজন মিলে ৬২ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। তবে এই বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটিটি ভাঙেন ইকবাল হোসেন ইমন। ৭২ রান করা সূর্যবংশীকে ফিরিয়ে দিয়ে ইমন বাংলাদেশকে ব্রেকথ্রু এনে দেন। সূর্যবংশী ইমনের বলে আল ফাহাদের হাতে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন। এই সময় আবারও বৃষ্টির কারণে খেলা কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে এবং ম্যাচ অফিসিয়ালরা এক ওভার কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বৃষ্টির পর খেলা পুনরায় শুরু হলে বাংলাদেশ দল আবারও আগ্রাসী হয়ে ওঠে। ভারতীয় ব্যাটিংয়ের একপ্রান্ত আগলে রাখা অভিজ্ঞান কুন্ডু একাধিকবার জীবন পেলেও শেষ পর্যন্ত আল ফাহাদের গতির কাছে পরাস্ত হন। ৮০ রান করা কুন্ডুকে আউট করে ফাহাদ ভারতের বড় স্কোরের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দেন। ইনিংসের শেষ দিকে দীপেশ দেভেন্দ্রানকে আউট করার মাধ্যমে আল ফাহাদ নিজের ৫ উইকেট পূর্ণ করেন। আল ফাহাদের এই বিধ্বংসী তোপে নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগেই ২৩৮ রানেই গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। যুব বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়ের জন্য এখন বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৩৯ রান। পুরো ইনিংস জুড়ে বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও আল ফাহাদের ক্যারিয়ার সেরা পারফরম্যান্স এখন জয়ের পথে বাংলাদেশকে অনেকখানি এগিয়ে রেখেছে।


ভারতীয় কর্মকর্তার ভিসা আটকে দিল বাংলাদেশ, কঠোর পদক্ষেপ বাংলাদেশের!

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৭ ১৭:১৫:১৪
ভারতীয় কর্মকর্তার ভিসা আটকে দিল বাংলাদেশ, কঠোর পদক্ষেপ বাংলাদেশের!
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সফল আয়োজন নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে আয়োজিত বহুল প্রতীক্ষিত চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা শুরুতেই এক বড় ধরণের হোঁচট খেয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে বিদ্যমান সংকট নিরসনে আইসিসির যে শক্তিশালী প্রতিনিধি দলের ঢাকা আসার কথা ছিল, ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় তা শেষ মুহূর্তে অর্ধেকে নেমে এসেছে। ফলে আলোচনার আনুষ্ঠানিক সূচনার আগেই এক ধরণের লজিস্টিক বিপর্যয় ও প্রশাসনিক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, যা টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

বিশ্বকাপের আসর বসতে হাতে সময় আছে মাত্র তিন সপ্তাহেরও কম। এমন এক সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আইসিসির দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) একাই ঢাকা সফরে এসেছেন। গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই গুরুত্বপূর্ণ মিশনে এফগ্রেভের সফরসঙ্গী হিসেবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত একজন উর্ধ্বতন আইসিসি কর্মকর্তার আসার কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভিসা না পাওয়ায় সফরে অংশ নিতে পারেননি। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, ভারতীয় ওই কর্মকর্তার ভিসা প্রাপ্তিতে বিলম্ব বা জটিলতা মূলত দুই দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক শীতল সম্পর্কেরই একটি প্রতিফলিত চিত্র।

ক্রিকেটীয় এই টানাপড়েনের মূলে রয়েছে আইপিএল থেকে বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আকস্মিকভাবে বাদ দেওয়ার ঘটনা। বিষয়টি বাংলাদেশের ক্রিকেট অনুরাগী এবং নীতিনির্ধারকদের কাছে কেবল একটি সাধারণ সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়, বরং জাতীয় আত্মমর্যাদায় আঘাত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিসিবি এবং বাংলাদেশ সরকার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও খেলোয়াড়দের সামগ্রিক নিরাপত্তার কথা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করার জন্য আইসিসির কাছে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়েছে। সহকর্মীর অনুপস্থিতিতে এখন বিসিবির সাথে এই স্পর্শকাতর আলোচনার পুরো দায়িত্ব এবং জট খোলার গুরুভার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভের ওপর বর্তেছে।

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর এই সন্ধিক্ষণে এসেও সূচি এবং অংশগ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসন না হওয়াকে বড় ধরণের ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। যদি আজকের এই আলোচনা থেকে কোনো কার্যকর সমাধান বেরিয়ে না আসে, তবে পুরো টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ এবং এর সফল আয়োজন অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে। আইসিসি প্রতিনিধি এফগ্রেভ এবং বিসিবি কর্মকর্তাদের এই বৈঠকের ফলাফলের ওপরই এখন নির্ভর করছে ২০২৬ বিশ্বকাপের ভাগ্য।


বিপিএল ম্যাচ বাতিল: টিকিট ফেরতের নিয়ম জানুন

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৬ ১২:২৭:৫৩
বিপিএল ম্যাচ বাতিল: টিকিট ফেরতের নিয়ম জানুন
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ–এর ঢাকা পর্বে নির্ধারিত ম্যাচ বাতিল হওয়ায় মাঠে উপস্থিত দর্শকদের জন্য স্বস্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নির্ধারিত দিনে খেলা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় যারা টিকিট কেটে মাঠে এসেছিলেন, তাদের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বোর্ড।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকা পর্বের দুটি ম্যাচ অনিবার্য কারণে মাঠে গড়ায়নি।

বিসিবি জানায়, ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে দেওয়া আলটিমেটামের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা পর্বের খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তব পরিস্থিতিতে ১৫ জানুয়ারির ম্যাচ দুটি আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনেক দর্শক আগেভাগেই টিকিট সংগ্রহ করে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হলেও খেলা না দেখেই ফিরে যেতে বাধ্য হন।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দর্শকদের ভোগান্তির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ১৫ জানুয়ারির ম্যাচের জন্য কেনা সব টিকিটের পুরো অর্থ ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

একই সঙ্গে বোর্ড পরিবর্তিত সূচিও প্রকাশ করেছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, ১৫ জানুয়ারির ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি, ১৬ জানুয়ারির নির্ধারিত ম্যাচগুলো গড়াবে ১৭ জানুয়ারি এবং ১৭ জানুয়ারির ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ১৮ জানুয়ারি।

বিসিবি আরও জানায়, ১৬ জানুয়ারির ম্যাচের জন্য যারা আগে থেকেই টিকিট সংগ্রহ করেছেন, তারা সেই টিকিট দিয়েই নির্ধারিত দিনের খেলা উপভোগ করতে পারবেন। তবে ১৭ ও ১৮ জানুয়ারির ম্যাচ দেখতে হলে দর্শকদের নতুন করে টিকিট কিনতে হবে।

বোর্ড পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে, ১৫ জানুয়ারির ম্যাচের টিকিটধারী দর্শকদের টিকিটের সম্পূর্ণ মূল্য ফেরত দেওয়া হবে। টিকিটের অর্থ ফেরত সংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তার জন্য দর্শকদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে অথবা নির্ধারিত হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

টিকিটের টাকা ফেরত পেতে দর্শকদের www.gobcbticket.com.bd/en ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে অথবা +৮৮০ ৯৬০৬-৫০১২৩১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

-রাফসান


বিপিএল থেকে বুন্দেসলিগা, আজকের খেলার সূচি এক নজরে

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৬ ১২:১৫:৫৫
বিপিএল থেকে বুন্দেসলিগা, আজকের খেলার সূচি এক নজরে
ছবি: সংগৃহীত

আজ ক্রীড়ামোদীদের জন্য ব্যস্ত একটি দিন। ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)–এ আজ মাঠে গড়াচ্ছে দুটি ম্যাচ। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট, যেখানে মুখোমুখি হচ্ছে শক্তিশালী দলগুলো। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগ, দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ টোয়েন্টি, ইউরোপের বুন্দেসলিগা ও সিরি আ–তেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই।

বিপিএল টি-টোয়েন্টি

আজ বিপিএলের দিনের প্রথম ম্যাচে বেলা ২টায় মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস ও নাগরিক টেলিভিশন।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা ৭টায়। এই ম্যাচে লড়বে রাজশাহী ও সিলেট। সন্ধ্যার এই ম্যাচটিও একই চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট

আজ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে রয়েছে দুটি আকর্ষণীয় ম্যাচ। বেলা ১টা ৩০ মিনিটে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল ও ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ম্যাচটি সম্প্রচার করবে স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১।

একই সময়ে অন্য ম্যাচে লড়বে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল ও দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ দল। এই ম্যাচটি দেখা যাবে স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২–এ।

বিগ ব্যাশ লিগ

অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি আসর বিগ ব্যাশ লিগ–এ আজ বেলা ২টা ১৫ মিনিটে মাঠে নামবে সিডনি সিক্সার্স ও সিডনি থান্ডার। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে স্টার স্পোর্টস ২।

এসএ টোয়েন্টি

দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এসএ টোয়েন্টি–এ আজ রাত ৯টা ৩০ মিনিটে মুখোমুখি হবে কেপটাউন ও ইস্টার্ন কেপ। ম্যাচটি দেখা যাবে স্টার স্পোর্টস ২–এ।

বুন্দেসলিগা

জার্মান ফুটবলের শীর্ষ লিগ বুন্দেসলিগা–এ আজ রাত ১টা ৩০ মিনিটে মুখোমুখি হবে ভের্ডার ব্রেমেন ও আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট। ম্যাচটি সম্প্রচার করবে সনি স্পোর্টস ২।

সিরি আ

ইতালির শীর্ষ ফুটবল লিগ সিরি আ–তে আজ রাত ১টা ৪৫ মিনিটে লড়বে পিসা ও আতালান্তা। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার হবে ডিএজেডএন–এ।

-রফিক


মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের চার পাশে থম থমে পরিবেশ

আশ্রাফ হোসেন হৃদয়
আশ্রাফ হোসেন হৃদয়
স্টাফ রিপোর্টার
খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ২১:০৫:৫১
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের চার পাশে থম থমে পরিবেশ
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের চার পাশে /ছবি : আশ্রাফ হোসেন হৃদয়

ঢাকার মিরপুরে শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এই পরিস্থিতি তখন সৃষ্টি হয় যখন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) দুটি নির্ধারিত ম্যাচ ক্রিকেটারদের বয়কটের কারণে মাঠে গড়ায়নি।

দুপুরে খেলা দেখতে আসা সমর্থকরা স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। এর পর স্টেডিয়ামের সামনে বিপিএলের বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন ভেঙে ফেলা হয়। একপর্যায়ে সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলেও বিক্ষোভকারীদের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হয়। বর্তমানে স্টেডিয়ামের আশপাশে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

এ ঘটনায় কারণ ছিলেন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। ক্রিকেটারদের দাবি, নাজমুল ইসলাম পদত্যাগ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আসতে পারে। তিনি পদত্যাগ না করায় খেলোয়াড়রা বিপিএল বয়কট করেন। এর ফলে প্রথম খেলা নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের মধ্যকার ম্যাচ এবং দ্বিতীয় খেলা সিলেট টাইটান্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়রসের মধ্যকার ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি।

পরে ক্রিকেটারদের দাবির প্রেক্ষিতে বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে এম নাজমুল ইসলামকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিসিবি সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বোর্ড সভাপতির ক্ষমতাবলে তাকে তাৎক্ষনাত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার পরিবর্তে বিসিবি সভাপতি নিজেই ফাইন্যান্স কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।


বিপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১৮:৩১:২০
বিপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জমকালো আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে বিরাজমান চরম অস্থিরতা ও সমঝোতার অভাবের প্রেক্ষাপটে এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। এর আগে, বিসিবির ফিন্যান্স বা অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে সরিয়ে দেওয়ার পরেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় এই চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হলো। বিসিবির পক্ষ থেকে আগেই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল যে, ক্রিকেটাররা যদি অবিলম্বে মাঠে ফিরে না আসেন এবং তাদের অনড় অবস্থান থেকে সরে না দাঁড়ান, তবে বোর্ড লিগ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো এবং দেশের ক্রিকেটে এক গভীর অনিশ্চয়তা নেমে এল।

এই সংকটের মূলে রয়েছে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য, যা ক্রিকেটারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল। ক্রিকেটারদের আয়ের উৎস ও ভূমিকা নিয়ে তার আপত্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব এবং জাতীয় দলের শীর্ষ ক্রিকেটাররা তার চূড়ান্ত পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হন। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে বিসিবি আজ এক জরুরি সভায় নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে বোর্ডের এই সিদ্ধান্তেও ক্রিকেটাররা সন্তুষ্ট হতে পারেননি। তাদের দাবি ছিল নাজমুল ইসলামকে বোর্ড পরিচালকের পদ থেকেও সরাতে হবে। কিন্তু বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিশেষ কিছু আইনি জটিলতার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে পরিচালকের পদ থেকে সরানো সম্ভব না হওয়ায় ক্রিকেটাররা মাঠে ফিরতে অস্বীকৃতি জানান।

ক্রিকেটারদের এই অনড় অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় বিসিবি এক কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। বোর্ডের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, ক্রিকেটাররা যদি খেলায় অংশগ্রহণ না করেন, তবে বোর্ড বিপিএল পরিচালনা করা থেকে বিরত থাকবে। বিসিবির এই আল্টিমেটাম সত্ত্বেও ক্রিকেটাররা তাদের দাবিতে অটল থাকেন এবং দলীয় অনুশীলন ও ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা বহাল রাখেন। এই অচলাবস্থার কারণে বিপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো এবং সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও বড় ধরণের বিপাকে পড়ে যায়। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিসিবি আজ আনুষ্ঠানিক এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিপিএল স্থগিতের ঘোষণা দেয়। বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে লিগ আয়োজন করা সম্ভব নয় এবং ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পাওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে।

বিপিএল স্থগিত হওয়ার এই সিদ্ধান্তে দেশের ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটারদের প্রস্তুতির অন্যতম মঞ্চ হিসেবে বিপিএলকে দেখা হচ্ছিল। এখন লিগ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খেলোয়াড়দের ফিটনেস এবং প্রস্তুতি বড় ধরণের ঝুঁকির মুখে পড়ল। এর পাশাপাশি বিপিএলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বিশাল ব্যবসায়িক বাজার এবং বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিসিবি ও ক্রিকেটারদের এই মুখ দেখাদেখি বন্ধ না হলে দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হবে। এখন দেখার বিষয়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোনো ধরণের মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিপিএল পুনরায় মাঠে গড়ায় কি না, না কি এই সংকট আরও দীর্ঘায়িত হয়।


বিশ্বকাপে ভারতীয় ভিসা পাচ্ছেন না ইংল্যান্ডের দুই তারকা

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১৭:২৬:২৭
বিশ্বকাপে ভারতীয় ভিসা পাচ্ছেন না ইংল্যান্ডের দুই তারকা
ছবি : সংগৃহীত

ভারতে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বিদেশি ক্রিকেটারদের ভিসা প্রাপ্তির জটিলতা ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। পাকিস্তান-বংশোদ্ভূত চারজন মার্কিন ক্রিকেটারের ভিসা সমস্যার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার একই ধরণের প্রশাসনিক বিড়ম্বনার মুখে পড়েছেন ইংল্যান্ড জাতীয় দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য আদিল রশিদ ও রেহান আহমেদ। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে, আসন্ন এই মেগা ইভেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ভারতীয় ভিসা পেতে এই দুই ক্রিকেটারের আবেদন প্রক্রিয়ায় অস্বাভাবিক বিলম্ব হচ্ছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে ইংল্যান্ড দলের সঙ্গে সঠিক সময়ে যোগ দেওয়া নিয়ে রশিদ ও আহমেদের মধ্যে বড় ধরণের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের নির্ধারিত প্রস্তুতি ম্যাচগুলোর ওপর।

ভিসা সংক্রান্ত এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণে ইংল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্ট আশঙ্কা করছে যে, লঙ্কানদের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে হয়তো এই দুই অভিজ্ঞ স্পিনারকে মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র দলের চারজন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার—আলি খান, শায়ান জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ মহসিন ও এহসান আদিল ভারতের ভিসা না পাওয়ায় বিশ্বকাপের ডামাডোলে বড় ধরণের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই পুরনো জট পুরোপুরি খোলার আগেই ইংল্যান্ড দলের দুই মুসলিম ক্রিকেটারের ভিসা প্রক্রিয়ায় পুনরায় একই ধরণের সমস্যা দেখা দেওয়ায় বৈশ্বিক ক্রিকেট মহলে বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ আইসিসি ইভেন্টের আগে বড় দলগুলোর তারকা খেলোয়াড়দের এমন ভিসা বিড়ম্বনা টুর্নামেন্টের সফলতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।

অবশ্য ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) এই সংকটময় পরিস্থিতিতেও কিছুটা আশাবাদী মনোভাব পোষণ করছে। বোর্ড সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে যে, ভারত সরকার এখন পর্যন্ত এই দুই ক্রিকেটারের ভিসা আবেদনের ওপর আনুষ্ঠানিক কোনো আপত্তি বা নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি। বরং প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণেই এই প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হচ্ছে বলে তাদের ধারণা। সমস্যার দ্রুত ও সুষ্ঠু সমাধানে ইসিবি ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্য সরকারের উচ্চপর্যায়ের সহায়তা কামনা করেছে। ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করা হয়েছে যাতে করে বিশ্বকাপের মূল লড়াই শুরুর আগেই ক্রিকেটাররা নিরাপদে ভারতের মাটিতে পা রাখতে পারেন।

বর্তমানে এই দুই ক্রিকেটারের ব্যস্ততা রয়েছে বিশ্বের ভিন্ন দুটি প্রান্তের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। অভিজ্ঞ লেগ-স্পিনার আদিল রশিদ দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০ লিগে খেলছেন এবং তরুণ তুর্কি রেহান আহমেদ ব্যস্ত রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগে। ইসিবি আশা করছে যে, ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই তারা সরাসরি ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন এবং বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে দ্রুততম সময়ে যুক্ত হবেন। ইংল্যান্ডের মূল লক্ষ্য হলো ৮ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচের আগেই এই দুই কার্যকর বোলারকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা। যদি তার আগে ভিসা সমস্যার সমাধান না হয়, তবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপের শুরুতেই বড় ধরণের কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


পদ হারাচ্ছেন বিসিবির নাজমুল ইসলাম

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১৭:০১:২০
পদ হারাচ্ছেন বিসিবির নাজমুল ইসলাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে গত কয়েক দিন ধরে চলা তীব্র অস্থিরতা নিরসনে অবশেষে বড় ধরণের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ক্রিকেটারদের কঠোর আল্টিমেটাম ও দাবির মুখে এম নাজমুল ইসলামকে বোর্ডের প্রভাবশালী অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিসিবির একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সূত্র বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এক জরুরি অনলাইন সভা শেষে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মূলত ক্রিকেটারদের নিয়ে নাজমুল ইসলামের সাম্প্রতিক কিছু বিতর্কিত মন্তব্য এবং তার প্রেক্ষিতে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের দেওয়া ধর্মঘটের হুমকির মুখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই বিসিবি এই জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

তবে অর্থ কমিটির শীর্ষ পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও এম নাজমুল ইসলামের বিসিবি পরিচালক পদটি নিয়ে আইনি ও সাংবিধানিক জটিলতা রয়ে গেছে। বিসিবির গঠনতন্ত্রের চুলচেরা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, কোনো পরিচালককে চাইলেই তার পদ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ করার এখতিয়ার বোর্ডের হাতে নেই। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেবল পাঁচটি বিশেষ পরিস্থিতিতে একজন পরিচালকের পদ শূন্য হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যু, মানসিক ভারসাম্য হারানো, শৃঙ্খলাজনিত বড় কোনো শাস্তি পাওয়া, অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া ঘোষিত হওয়া কিংবা পরপর তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকা। এছাড়া যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন, তবেই তার পরিচালক পদটি শূন্য হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে নাজমুল ইসলামের ক্ষেত্রে প্রথম পাঁচটি কারণের কোনোটিই প্রযোজ্য নয়। ফলে তিনি যদি নিজ থেকে পদত্যাগ না করেন, তবে তাকে পরিচালক পদ থেকে সরানো বিসিবির জন্য প্রায় অসম্ভব একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এম নাজমুল ইসলামের বেশ কিছু মন্তব্য ক্রিকেটারদের সম্মানে বড় ধরণের আঘাত হেনেছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে ক্রিকেটারদের আয়ের উৎস এবং জাতীয় দলে তাদের ভূমিকা নিয়ে তার করা মন্তব্যগুলো ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। এর প্রতিবাদে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব (COAB), জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারসহ অধিনায়করাও প্রকাশ্য সভায় নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নাজমুল ইসলামের চূড়ান্ত পদত্যাগের দাবি তোলেন। খেলোয়াড়দের এই সুসংগঠিত প্রতিবাদের মুখে বিসিবি নেতৃত্ব বুঝতে পারে যে, বড় ধরণের কোনো পদক্ষেপ ছাড়া এই সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বোর্ড ক্রিকেটারদের প্রতি একটি ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে ক্রিকেট বোদ্ধাদের মতে, যতক্ষণ পর্যন্ত নাজমুল ইসলাম নিজে থেকে পরিচালক পদ ত্যাগ করছেন না, ততক্ষণ পর্যন্ত এই উত্তেজনার রেশ পুরোপুরি কাটবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়ে গেছে। এখন পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে এম নাজমুল ইসলামের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর। তিনি যদি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে সমস্যার সমাধান করেন, তবেই বিপিএলসহ আসন্ন ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সূচিগুলো নির্বিঘ্নে পরিচালিত হতে পারে। নতুবা ক্রিকেটারদের অনড় অবস্থানের কারণে দেশের ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদী স্থবিরতা নেমে আসার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।


টাকা ফেরত দাও: বিসিবি পরিচালকের মন্তব্যে উত্তাল দেশের ক্রিকেট অঙ্গন

খেলা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৫ ১০:১৩:০০
টাকা ফেরত দাও: বিসিবি পরিচালকের মন্তব্যে উত্তাল দেশের ক্রিকেট অঙ্গন
ছবি : সংগৃহীত

নিরাপত্তা জনিত উদ্বেগের কারণে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার যে কঠিন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ দল গ্রহণ করেছে, তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অভ্যন্তরে শুরু হয়েছে নজিরবিহীন অস্থিরতা। বিকল্প ভেন্যুতে ম্যাচ আয়োজনের জোরালো দাবি জানানো হলেও আইসিসির পক্ষ থেকে এখনো চূড়ান্ত কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি, যার ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে যখন এক চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে, ঠিক তখনই বিসিবির এক পরিচালকের বিতর্কিত মন্তব্য আগুনের ঘি ঢেলেছে। সম্প্রতি তামিম ইকবালকে ভারতের ‘দালাল’ হিসেবে আখ্যা দেওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নিয়ে বিরূপ মন্তব্য এবং তাদের প্রাপ্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি তুলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধান এম নাজমুল ইসলাম।

গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে বিসিবি আয়োজিত এক দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাজমুল ইসলাম সাফ জানিয়ে দেন যে, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক কোনো ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বরং তার মতে, বিশ্বকাপ বর্জন করার ফলে চূড়ান্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন দেশের ক্রিকেটাররাই। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, আইসিসির সাথে ২০২৩-২০২৭ মেয়াদী রাজস্ব বণ্টন চুক্তি অনুযায়ী বিসিবির আয় আগে থেকেই সুরক্ষিত রয়েছে এবং ২০২২ সালের আইসিসি ফাইন্যান্সিয়াল মিটিংয়েই এসব বিষয় চূড়ান্ত করা হয়েছে। ফলে ২০২৭ সাল পর্যন্ত বোর্ডের কেন্দ্রীয় আয়ে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। তবে খেলোয়াড়রা যেহেতু ম্যাচ ফি এবং আইসিসির পারফরম্যান্স বোনাস থেকে বঞ্চিত হবেন, তাই আর্থিক ক্ষতির দায়ভার একান্তই তাদের ওপর বর্তাবে বলে তিনি মনে করেন।

বিশ্বকাপে না খেললে ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের মুখে নাজমুল ইসলাম অত্যন্ত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি ক্রিকেটারদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন যে, বোর্ড তাদের পেছনে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও আজ পর্যন্ত কোনো বড় বৈশ্বিক শিরোপা তারা দেশকে এনে দিতে পারেনি। তিনি পাল্ট প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, যদি তারা মাঠে গিয়ে ভালো খেলতে না পারে, তবে বোর্ড যে বিপুল অর্থ ব্যয় করে তার দায় কি তারা নেবে? এমনকি ক্রিকেটাররা ব্যর্থ হলে তাদের প্রাপ্ত অর্থ ফেরত চাওয়া উচিত কি না, এমন বিতর্কিত প্রস্তাবও উঠে আসে তার বক্তব্যে। তার মতে, যেখানে আজ পর্যন্ত কোনো বড় সাফল্য নেই, সেখানে ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ বা এ জাতীয় প্রশ্ন তোলার কোনো নৈতিক সুযোগ নেই। নাজমুল ইসলামের এই ব্যক্তিগত মন্তব্যটি মুহূর্তেই দেশের ক্রিকেট মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

দীর্ঘদিন ধরে বিসিবির ভেতরে বিরাজমান অস্থিরতা এখন এক চূড়ান্ত সংঘাতের রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে আমিনুল ইসলাম বুলবুল বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বোর্ড এবং ক্রিকেটারদের মধ্যকার দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নাজমুল ইসলামের এই মন্তব্যের প্রতিবাদে বুধবার রাতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ক্রিকেটাররা সংশ্লিষ্ট পরিচালকের পদত্যাগ দাবি করে সব ধরণের ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড বন্ধ করার হুমকি দেন। ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়েছেন। অন্যথায় ঘরোয়া লিগ এবং আসন্ন বিপিএলসহ সব ধরণের ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মিঠুন একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করেছেন যে, ক্রিকেটারদের পেশাদারিত্ব ও সম্মান নিয়ে এমন আপত্তিকর মন্তব্যের পর আর কোনো আপসের সুযোগ নেই।

বিসিবি অবশ্য এই সংকট নিরসনে এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি এবং নাজমুল ইসলামের বক্তব্যকে তার ‘ব্যক্তিগত মতামত’ হিসেবে বর্ণনা করে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে ক্রিকেটারদের কঠোর অবস্থানের কারণে বর্তমানে দেশের ক্রিকেট এক বিশাল স্থবিরতার মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একদিকে ভারতের মাটিতে নিরাপত্তার অভাবে বিশ্বকাপ খেলার ঝুঁকি এড়ানো, আর অন্যদিকে খোদ নিজের বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন বিরূপ আচরণের শিকার হওয়া—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন এক ঐতিহাসিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আজ দুপুরের মধ্যে নাজমুল ইসলাম পদত্যাগ না করলে দেশের ক্রিকেটীয় ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

পাঠকের মতামত: