ইরানি হামলার আশঙ্কায় কাতার: বিস্ফোরণে কাঁপছে রাজধানী দোহা

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১১:৩৮:৪২
ইরানি হামলার আশঙ্কায় কাতার: বিস্ফোরণে কাঁপছে রাজধানী দোহা
ছবি : সংগৃহীত

কাতারের রাজধানী দোহায় অন্তত ছয়টি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যা চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা সোমবার (২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই বিস্ফোরণগুলো ইরান কর্তৃক পাল্টা হামলার ধারাবাহিকতা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খামেনি হত্যার পর ইরানের পক্ষ থেকে যে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, দোহায় এই হামলা তারই অংশ হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দোহায় এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন গত কয়েক দিন ধরে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে একের পর এক বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনা ঘটছে। এর আগে গত রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাই এবং বাহরাইনের রাজধানী মানামাতেও একই ধরনের বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল। এই ধারাবাহিক হামলাগুলো বৃহত্তর আঞ্চলিক উত্তেজনার আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি একটি বৃহত্তর ও সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে মোড় নিতে পারে। ইরান ও তার মিত্রদের পক্ষ থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি জোটের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হতে পারে। দোহা, দুবাই এবং মানামার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে বিস্ফোরণের ঘটনা বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি করার সক্ষমতা রাখে। এই অস্থিতিশীলতা এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘস্থায়ী ও ভয়াবহ সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে।

/আশিক


খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর হামলা

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১০:০৮:১৯
খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর হামলা
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি সামরিক ঘাঁটিতে শক্তিশালী হামলার দাবি করেছে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, লেবানন ও এর জনগণকে রক্ষা এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দিতেই এই বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা সোমবার (২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে হিজবুল্লাহর এই সামরিক পদক্ষেপের খবরটি নিশ্চিত করেছে।

হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী গত ১৫ মাস ধরে যে নিরবচ্ছিন্ন আগ্রাসন চালিয়ে আসছে, তা কোনোভাবেই বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না। বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয়, আমাদের নেতা ও বীর যোদ্ধাদের হত্যার পাল্টা জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার হিজবুল্লাহর রয়েছে। উপযুক্ত সময়ে এবং সঠিক স্থানে এই ধরণের আরও কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে গোষ্ঠীটি। হাইফায় চালানো এই হামলা মূলত অধিকৃত ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করার একটি প্রাথমিক সতর্কবার্তা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার পর এটিই হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে নেওয়া প্রথম কোনো বড় ধরণের সামরিক পদক্ষেপ। এর আগে খামেনি হত্যার প্রতিক্রিয়ায় ইরান সরাসরি ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। হিজবুল্লাহর এই নতুন ফ্রন্ট খোলার ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও ভয়াবহ করে তুলবে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে হাইফার মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত এলাকায় হামলা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র : আলজাজিরা।


মৃত্যু গুজব উড়িয়ে দিলেন আহমাদিনেজাদ: নিরাপদ আছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ০৯:৩৭:২৩
মৃত্যু গুজব উড়িয়ে দিলেন আহমাদিনেজাদ: নিরাপদ আছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সাবেক কট্টরপন্থী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ নিহত হওয়ার খবরটি কেবলই গুজব বলে নিশ্চিত করেছে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্র। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইরানজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ বিমান হামলার পর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে রোববার (১ মার্চ ২০২৬) তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে আহমাদিনেজাদের এক উপদেষ্টা নিশ্চিত করেছেন যে, সাবেক এই প্রেসিডেন্ট সম্পূর্ণ সুস্থ ও নিরাপদ আছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই উপদেষ্টা জানান, শনিবার আহমাদিনেজাদের নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত একটি ভবনে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ওই হামলায় ইরানের বিশেষ বাহিনী আইআরজিসি-র (IRGC) তিন সদস্য নিহত হয়েছেন, যারা মূলত সাবেক এই প্রেসিডেন্টের দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। উপদেষ্টার দাবি অনুযায়ী, আহমাদিনেজাদের মূল বাসভবনটি আক্রান্ত ভবন থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে হলেও সেটি লক্ষ্যবস্তু ছিল না এবং ভবনটি পুরোপুরি অক্ষত রয়েছে।

২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা আহমাদিনেজাদ তাঁর পশ্চিমাবিরোধী অবস্থানের জন্য বিশ্বজুড়ে আলোচিত। বর্তমান যুদ্ধাবস্থায় যখন ইরানের একের পর এক শীর্ষ নেতা নিহত হচ্ছেন, তখন তাঁর বেঁচে থাকার খবরটি তেহরানের জন্য কিছুটা হলেও মানসিক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। তবে খামেনি পরিবারের করুণ পরিণতির পর আহমাদিনেজাদের নিরাপত্তা নিয়ে এখনও গভীর উদ্বেগ কাটছে না।

/আশিক


শহীদ বাঘেরি কমপ্লেক্স লণ্ডভণ্ড: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপছে তেহরান

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ০৯:২৬:০৯
শহীদ বাঘেরি কমপ্লেক্স লণ্ডভণ্ড: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপছে তেহরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের রাজধানী তেহরানে হামলা আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সব লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই সামরিক অভিযান চলবে এবং এটি অন্তত চার সপ্তাহব্যাপী স্থায়ী হতে পারে।

আজ সোমবার (২ মার্চ ২০২৬) ভোরে তেহরানে একের পর এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ কেঁপে উঠেছে পুরো শহর। বিশেষ করে রাত সাড়ে তিনটায় পশ্চিম তেহরানের ‘শহীদ বাঘেরি’ আবাসিক কমপ্লেক্সে কয়েকটি বিশাল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও প্রশাসনিক স্থাপনা এখন মিত্রবাহিনীর নিশানায়।

নুর নিউজ জানিয়েছে, তেহরানের পূর্ব ও পশ্চিম উভয় প্রান্তেই একযোগে হামলা চলছে। মার্কিন সেন্টকম (CENTCOM) দাবি করেছে, অভিযানের প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই ইরানের ১ হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল সাইট, আইআরজিসি-র (IRGC) সদরদপ্তর, কন্ট্রোল সেন্টার এবং গুরুত্বপূর্ণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। প্রথম ধাপের এই হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানে যে নেতৃত্বের শূন্যতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ নিয়ে মিত্রবাহিনী এখন ইরানের সামরিক শক্তিকে পুরোপুরি ‘নিশ্চিহ্ন’ করার পথে হাঁটছে।

সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে খামেনির পরিবারের ওপর। খামেনি ছাড়াও তাঁর জামাতা, নাতি, কন্যা এবং পুত্রবধূ এই বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্টসহ দেশটির অসংখ্য শীর্ষ কমান্ডার ও গোয়েন্দা প্রধানও এই ‘ডেডলি স্ট্রাইকের’ শিকার হয়েছেন। ট্রাম্পের ‘চার সপ্তাহের’ এই পরিকল্পনা তেহরানের দীর্ঘদিনের শাসনব্যবস্থাকে সমূলে উপড়ে ফেলার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দিতে পারে।

/আশিক


রমজানে মসজিদুল আকসা বন্ধ করল ইসরায়েল: তারাবি পড়তে পারলেন না হাজারো মুসল্লি

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৯:২৫:২৯
রমজানে মসজিদুল আকসা বন্ধ করল ইসরায়েল: তারাবি পড়তে পারলেন না হাজারো মুসল্লি
মসজিদুল আকসার ভেতরের একটি দৃশ্য | ছবি : আল জাজিরা

পবিত্র রমজান মাসের ১১তম দিনে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে জেরুজালেমের মসজিদুল আকসা প্রাঙ্গণে এশা ও তারাবির নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর দেশজুড়ে ঘোষিত ‘জরুরি অবস্থা’র অজুহাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা রোববার (১ মার্চ ২০২৬) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে মুসল্লিদের মসজিদ থেকে বের করে দিয়ে সব ফটক বন্ধ করে দিয়েছে দখলদার বাহিনী।

ইসলামিক ওয়াক্‌ফ বিভাগের তথ্যমতে, জোহরের আজানের আগেই সাধারণ মুসল্লি ও কর্মীদের বের করে দেওয়া হয়। রাতে কেবল মসজিদের ইমাম শায়খ ইউসুফ আবু আসনিনা এবং হাতেগোনা কয়েকজন কর্মচারী সীমিত পরিসরে নামাজ আদায় করতে পেরেছেন। যেখানে রমজানের শুরু থেকে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ মুসল্লি তারাবিতে অংশ নিচ্ছিলেন, সেখানে আকসার এই নিস্তব্ধতা ২০২০ সালের করোনা মহামারির স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে। জেরুজালেম গবেষক জিয়াদ ইভহাইস একে আকসা ‘ইহুদীকরণ’ ও একক নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

শুধু আকসা বন্ধই নয়, হেবরনের ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদও জরুরি অবস্থার অজুহাতে বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। এদিকে পুরোনো শহরের ফিলিস্তিনি ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হলেও বসতি স্থাপনকারীরা পুলিশের পাহারায় তোরাহভিত্তিক আচার-অনুষ্ঠান পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইসরায়েলি চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশে পুরো রমজান মাসজুড়ে আকসা বন্ধ রাখা হতে পারে, যা ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

/আশিক


রণক্ষেত্র ইরান: ১ হাজার ২০০ বোমায় ধ্বংস হচ্ছে একের পর এক শহর

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৬:৫০:১৬
রণক্ষেত্র ইরান: ১ হাজার ২০০ বোমায় ধ্বংস হচ্ছে একের পর এক শহর
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এখন কেবলই বারুদের গন্ধ আর লাশের মিছিল। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানে গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইরানের বিভিন্ন প্রান্তে ১ হাজার ২০০টিরও বেশি শক্তিশালী বোমা ফেলেছে দখলদার ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবির ভিত্তিতেই এই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে। তবে এই হামলার সবচেয়ে কলঙ্কিত অধ্যায় রচিত হয়েছে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরে। সেখানে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে সরাসরি বোমা হামলায় অন্তত ১৪৮ জন নিষ্পাপ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আহতের সংখ্যাও কয়েক শ ছাড়িয়ে গেছে বলে স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

এই পৈশাচিক হামলার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের শিশুদের রক্ত এবং সার্বভৌমত্বের এই অবমাননার কঠিন জবাব দেওয়া হবে। আরাগচি স্পষ্ট করেছেন যে, ইরান এই হামলার দায়ভার কেবল ইসরায়েলের ওপর নয়, বরং তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রের ওপরও বর্তায়। উল্লেখ্য যে, এই নজিরবিহীন সিরিজ হামলায় ইতোমধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে। খামেনি পরবর্তী ইরানে নেতৃত্বের শূন্যতা আর এই শিশু হত্যার শোক—সব মিলিয়ে তেহরান এখন এক বিস্ফোরক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ১ হাজার ২০০ বোমার এই তাণ্ডব আধুনিক যুদ্ধের ইতিহাসে অন্যতম বড় বিমান হামলা। মিনাবের বালিকা বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। যেখানে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করার কথা ছিল, সেখানে কোমলমতি শিশুদের ওপর এই আঘাত ইরানকে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং বিধ্বংসী পাল্টা হামলার পথে ঠেলে দিল। খামেনি হত্যার শোক আর মিনাবের রক্তস্নাত বিদ্যালয়—এই দুই ক্ষত নিয়ে ইরান এখন কোন ধরণের সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তা নিয়ে পুরো বিশ্ব গভীর উদ্বেগে রয়েছে।

/আশিক


সব শক্তি দিয়ে খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেবে ইরান

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৬:২৭:৫০
সব শক্তি দিয়ে খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেবে ইরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যার বদলা নিতে এবার সরাসরি রণহুঙ্কার দিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আজ রোববার (১ মার্চ ২০২৬) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক আবেগঘন ও কঠোর বিবৃতিতে তিনি ঘোষণা করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই কাপুরুষোচিত হামলার প্রতিশোধ নেওয়া এখন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ‘বৈধ অধিকার ও পবিত্র দায়িত্ব’। খামেনি ও শীর্ষ কমান্ডারদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ইরান তার সর্বশক্তি দিয়ে এই অপরাধের যোগ্য জবাব দেবে।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তাঁর ভাষণে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলেন, “এই ভয়াবহ অপরাধের পরিকল্পনাকারী এবং যারা হামলার নির্দেশ দিয়েছে, তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের অপরিহার্য কর্তব্য। অপরাধীদের ওপর পাল্টা আঘাত হানাকে ইরান কেবল তার অধিকারই নয়, বরং এক ধরণের বাধ্যবাধকতা বলে মনে করে।” তিনি আরও যোগ করেন, ইরানের সামরিক বাহিনী এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং যে কোনো মুহূর্তে এই ‘মরণকামড়’ শুরু হতে পারে। খামেনির শূন্যতা ইরানকে আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করেছে বলেও তিনি দাবি করেন।

ইরানি প্রেসিডেন্টের এই কঠোর অবস্থানের পর মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী এখন সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। পেজেশকিয়ানের এই বার্তায় ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, ইরান কেবল কূটনৈতিক প্রতিবাদে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সরাসরি সামরিক সংঘাতের দিকেই এগোচ্ছে। বিশেষ করে খামেনির পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর বিষয়টি ইরানি জনগণের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি করেছে, তাকে পুঁজি করেই তেহরান এখন ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশ্বনেতারা পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানালেও পেজেশকিয়ানের ‘সব শক্তি নিবেদন’ করার ঘোষণা বিশ্বশান্তিকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

/আশিক


ইরানে হামলার তীব্র নিন্দা রাশিয়ার; চরম বিপর্যয়ের হুঁশিয়ারি পুতিনে

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১১:০৪:৪৬
ইরানে হামলার তীব্র নিন্দা রাশিয়ার; চরম বিপর্যয়ের হুঁশিয়ারি পুতিনে
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের মাটিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন হামলা এবং পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাতের ঘটনায় কঠোর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। আজ রোববার (১ মার্চ ২০২৬) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের ওপর চালানো এই আগ্রাসন এবং দেশটির পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা বর্ষণ সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কো এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী এক হঠকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে।

রাশিয়ার বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে সতর্ক করা হয়েছে যে, ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের এই হঠকারী সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যে ভয়াবহ ‘মানবসৃষ্ট সংকট’ তৈরি হয়েছে, তার সব নেতিবাচক পরিণতির দায়ভার এই দুই দেশকেই নিতে হবে। ক্রেমলিন মনে করছে, এই আগ্রাসনের ফলে পুরো অঞ্চলে সহিংসতার মাত্রা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে এবং পরিস্থিতি একটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া মহাবিপর্যয়ের দিকে মোড় নেবে। রাশিয়ার এই কঠোর অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরানের এই সংকটে মস্কো নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না।

উল্লেখ্য যে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের এই যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শহীদ হয়েছেন, যা ইতোমধ্যে তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি নিশ্চিত করেছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই অভিযানকে অত্যন্ত ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খামেনির মৃত্যুর পর রাশিয়ার এই প্রকাশ্য সমর্থন ইরানকে সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে পুনর্গঠিত হতে সাহায্য করতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধকে আরও দীর্ঘস্থায়ী ও বিধ্বংসী করে তোলার আশঙ্কা তৈরি করছে।

/আশিক


নিজ দপ্তরেই শেষ নিঃশ্বাস

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১০:২৬:৪৯
নিজ দপ্তরেই শেষ নিঃশ্বাস
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার চরম উত্তেজনা আর বিশ্বব্যাপী জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর সময় ও স্থান আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে তেহরান। আজ রোববার (১ মার্চ ২০২৬) ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শনিবার ভোরে তেহরানে নিজের দপ্তরে (লিডারশিপ হাউস) দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় তিনি নিহত হন। বিবিসি ভেরিফাই তাদের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, খামেনির দপ্তর প্রাঙ্গণে ভয়াবহ বিস্ফোরণের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং ভবনটির একটি বড় অংশ মাটির সাথে মিশে গেছে।

আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, খামেনি পালিয়ে না গিয়ে নিজের দপ্তরেই অবস্থান করছিলেন, যা প্রমাণ করে যে তাঁর আত্মগোপনে থাকার খবরগুলো ছিল মূলত শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে একটি মনস্তাত্ত্বিক লড়াই। এই মর্মান্তিক পরিণতির পর ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং ৭ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে খামেনির মৃত্যুর খবর প্রথম বিশ্ববাসীকে জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক বিস্ফোরক পোস্টে ট্রাম্প খামেনিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “এটি কেবল ইরানি জনগণের জন্য নয়, সারাবিশ্বের জন্য এক বিশাল সুবিচার।”

ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন যে, মার্কিন অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেম আর ইসরায়েলের গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে খামেনি বা তাঁর শীর্ষ নেতাদের পালানোর কোনো পথ ছিল না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মাত্র এক দিনের অভিযানেই ইরান রাষ্ট্রটি অনেকটা বিলীন হয়ে গেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে পুরোপুরি শান্তি না আসা পর্যন্ত সপ্তাহজুড়ে এই বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকবে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে খামেনির পতনের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে একে ‘স্বৈরশাসকের বিদায়’ বলে মন্তব্য করেছেন। বর্তমানে ইরানের সামরিক বাহিনীর মধ্যে চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, যা দেশটিকে এক চরম নেতৃত্ব সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

সোর্সঃ বিবিসি, ফার্স নিউজ, তাসনিম নিউজ


ক্ষমতার লড়াইয়ে ইরান: খামেনির আসনে বসতে আইআরজিসি’র চাপ

মধ্যপ্রাচ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ০৯:৫৫:৩৩
ক্ষমতার লড়াইয়ে ইরান: খামেনির আসনে বসতে আইআরজিসি’র চাপ
ছবি : সংগৃহীত

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতার মসনদে কে বসবেন, তা নিয়ে দেশটির নীতিনির্ধারকদের মধ্যে তীব্র টানাপড়েন শুরু হয়েছে। সংবাদমাধ্যম ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’ জানিয়েছে, ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এখন সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এড়িয়ে দ্রুত একজন নতুন ‘সুপ্রিম লিডার’ বা সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগ দিতে প্রচণ্ড চাপ দিচ্ছে। তাদের ভয়, দীর্ঘসূত্রতা হলে সাধারণ মানুষ বিদ্রোহ করে ক্ষমতা দখল করতে পারে। তবে ইরানের সংবিধান অনুযায়ী নেতা নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ‘এসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ দাবি করেছে যে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান হামলার কারণে তাদের পক্ষে বর্তমানে সব সদস্যকে নিয়ে বৈঠক করা বা আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এদিকে, খামেনি ও তাঁর শীর্ষ উপদেষ্টাদের একযোগে মৃত্যুর ফলে ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিক চেইন অব কমান্ডে বড় ধরণের ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে নির্দেশ আদান-প্রদানে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে এবং সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটগুলোর মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর মিলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডার এবং সাধারণ সেনাসদস্য নিজ নিজ ঘাঁটিতে রিপোর্ট না করে গা ঢাকা দিয়েছেন। অব্যাহত বিমান হামলায় সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে—এমন আতঙ্কে তারা সতর্ক অবস্থানে থাকলেও কেন্দ্রীয় নির্দেশের অভাবে তারা অনেকটা দিশেহারা।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে আজ রোববার দিনের আলো ফোটার পর দেশজুড়ে নতুন করে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নিয়ে। খামেনির মৃত্যুর খবরে তেহরানসহ বিভিন্ন শহরের সাধারণ মানুষের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অনেকেই একে ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন’ হিসেবে দেখছেন এবং রাজপথে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নেতৃত্ব সংকট, সামরিক অস্থিরতা এবং জনগণের তীব্র অসন্তোষ—এই তিন দিক থেকেই এখন চরম চাপের মুখে পড়েছে ইরান সরকার। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা ইরানের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; হয় আইআরজিসি ক্ষমতা দখল করে সামরিক শাসন জারি করবে, নতুবা গণঅভ্যুত্থানের মুখে পুরো ব্যবস্থাটিই ভেঙে পড়বে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: