রমজানে মসজিদুল আকসা বন্ধ করল ইসরায়েল: তারাবি পড়তে পারলেন না হাজারো মুসল্লি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৯:২৫:২৯
রমজানে মসজিদুল আকসা বন্ধ করল ইসরায়েল: তারাবি পড়তে পারলেন না হাজারো মুসল্লি
মসজিদুল আকসার ভেতরের একটি দৃশ্য | ছবি : আল জাজিরা

পবিত্র রমজান মাসের ১১তম দিনে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে জেরুজালেমের মসজিদুল আকসা প্রাঙ্গণে এশা ও তারাবির নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর দেশজুড়ে ঘোষিত ‘জরুরি অবস্থা’র অজুহাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা রোববার (১ মার্চ ২০২৬) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে মুসল্লিদের মসজিদ থেকে বের করে দিয়ে সব ফটক বন্ধ করে দিয়েছে দখলদার বাহিনী।

ইসলামিক ওয়াক্‌ফ বিভাগের তথ্যমতে, জোহরের আজানের আগেই সাধারণ মুসল্লি ও কর্মীদের বের করে দেওয়া হয়। রাতে কেবল মসজিদের ইমাম শায়খ ইউসুফ আবু আসনিনা এবং হাতেগোনা কয়েকজন কর্মচারী সীমিত পরিসরে নামাজ আদায় করতে পেরেছেন। যেখানে রমজানের শুরু থেকে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ মুসল্লি তারাবিতে অংশ নিচ্ছিলেন, সেখানে আকসার এই নিস্তব্ধতা ২০২০ সালের করোনা মহামারির স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে। জেরুজালেম গবেষক জিয়াদ ইভহাইস একে আকসা ‘ইহুদীকরণ’ ও একক নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

শুধু আকসা বন্ধই নয়, হেবরনের ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদও জরুরি অবস্থার অজুহাতে বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। এদিকে পুরোনো শহরের ফিলিস্তিনি ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হলেও বসতি স্থাপনকারীরা পুলিশের পাহারায় তোরাহভিত্তিক আচার-অনুষ্ঠান পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইসরায়েলি চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশে পুরো রমজান মাসজুড়ে আকসা বন্ধ রাখা হতে পারে, যা ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

/আশিক


ইরানে হামলা গ্যাংস্টারসুলভ আগ্রাসন: উত্তর কোরিয়া

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৮:৫৩:২৪
ইরানে হামলা গ্যাংস্টারসুলভ আগ্রাসন: উত্তর কোরিয়া
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলাকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। আজ রোববার (১ মার্চ ২০২৬) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর এই আঘাত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার মুখপাত্র সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে আক্রমণ করে বলেন, ওয়াশিংটনের এই ‘আধিপত্যবাদী ও গ্যাংস্টারসুলভ’ স্বভাবের কারণে এমন হামলা আগে থেকেই প্রত্যাশিত ছিল। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিলে মধ্যপ্রাচ্যকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। উত্তর কোরিয়া মনে করে, এই আগ্রাসী যুদ্ধ কোনো পরিস্থিতিতেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর ফলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা চরমভাবে বিঘ্নিত হবে। ইরানের এই কঠিন সময়ে পিয়ংইয়ং তেহরানের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে।

/আশিক


রণক্ষেত্র ইরান: ১ হাজার ২০০ বোমায় ধ্বংস হচ্ছে একের পর এক শহর

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৬:৫০:১৬
রণক্ষেত্র ইরান: ১ হাজার ২০০ বোমায় ধ্বংস হচ্ছে একের পর এক শহর
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এখন কেবলই বারুদের গন্ধ আর লাশের মিছিল। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানে গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইরানের বিভিন্ন প্রান্তে ১ হাজার ২০০টিরও বেশি শক্তিশালী বোমা ফেলেছে দখলদার ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবির ভিত্তিতেই এই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে। তবে এই হামলার সবচেয়ে কলঙ্কিত অধ্যায় রচিত হয়েছে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরে। সেখানে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে সরাসরি বোমা হামলায় অন্তত ১৪৮ জন নিষ্পাপ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আহতের সংখ্যাও কয়েক শ ছাড়িয়ে গেছে বলে স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

এই পৈশাচিক হামলার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের শিশুদের রক্ত এবং সার্বভৌমত্বের এই অবমাননার কঠিন জবাব দেওয়া হবে। আরাগচি স্পষ্ট করেছেন যে, ইরান এই হামলার দায়ভার কেবল ইসরায়েলের ওপর নয়, বরং তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রের ওপরও বর্তায়। উল্লেখ্য যে, এই নজিরবিহীন সিরিজ হামলায় ইতোমধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে। খামেনি পরবর্তী ইরানে নেতৃত্বের শূন্যতা আর এই শিশু হত্যার শোক—সব মিলিয়ে তেহরান এখন এক বিস্ফোরক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ১ হাজার ২০০ বোমার এই তাণ্ডব আধুনিক যুদ্ধের ইতিহাসে অন্যতম বড় বিমান হামলা। মিনাবের বালিকা বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। যেখানে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করার কথা ছিল, সেখানে কোমলমতি শিশুদের ওপর এই আঘাত ইরানকে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং বিধ্বংসী পাল্টা হামলার পথে ঠেলে দিল। খামেনি হত্যার শোক আর মিনাবের রক্তস্নাত বিদ্যালয়—এই দুই ক্ষত নিয়ে ইরান এখন কোন ধরণের সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তা নিয়ে পুরো বিশ্ব গভীর উদ্বেগে রয়েছে।

/আশিক


সব শক্তি দিয়ে খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেবে ইরান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৬:২৭:৫০
সব শক্তি দিয়ে খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেবে ইরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যার বদলা নিতে এবার সরাসরি রণহুঙ্কার দিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আজ রোববার (১ মার্চ ২০২৬) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক আবেগঘন ও কঠোর বিবৃতিতে তিনি ঘোষণা করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই কাপুরুষোচিত হামলার প্রতিশোধ নেওয়া এখন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ‘বৈধ অধিকার ও পবিত্র দায়িত্ব’। খামেনি ও শীর্ষ কমান্ডারদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ইরান তার সর্বশক্তি দিয়ে এই অপরাধের যোগ্য জবাব দেবে।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তাঁর ভাষণে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলেন, “এই ভয়াবহ অপরাধের পরিকল্পনাকারী এবং যারা হামলার নির্দেশ দিয়েছে, তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের অপরিহার্য কর্তব্য। অপরাধীদের ওপর পাল্টা আঘাত হানাকে ইরান কেবল তার অধিকারই নয়, বরং এক ধরণের বাধ্যবাধকতা বলে মনে করে।” তিনি আরও যোগ করেন, ইরানের সামরিক বাহিনী এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং যে কোনো মুহূর্তে এই ‘মরণকামড়’ শুরু হতে পারে। খামেনির শূন্যতা ইরানকে আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করেছে বলেও তিনি দাবি করেন।

ইরানি প্রেসিডেন্টের এই কঠোর অবস্থানের পর মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী এখন সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। পেজেশকিয়ানের এই বার্তায় ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, ইরান কেবল কূটনৈতিক প্রতিবাদে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সরাসরি সামরিক সংঘাতের দিকেই এগোচ্ছে। বিশেষ করে খামেনির পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর বিষয়টি ইরানি জনগণের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি করেছে, তাকে পুঁজি করেই তেহরান এখন ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশ্বনেতারা পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানালেও পেজেশকিয়ানের ‘সব শক্তি নিবেদন’ করার ঘোষণা বিশ্বশান্তিকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

/আশিক


খামেনিকে হত্যার ঘটনায় পাকিস্তানে মার্কিন কনস্যুলেটে তাণ্ডব

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১৬:০৬:৪৬
খামেনিকে হত্যার ঘটনায় পাকিস্তানে মার্কিন কনস্যুলেটে তাণ্ডব
মার্কিন কনস্যুলেটে শত শত পাকিস্তানি হামলা চালিয়েছে। ছবি সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের বন্দর নগরী করাচি। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় খামেনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রোববার (১ মার্চ) করাচিতে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটে হামলা চালায় শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা। বার্তা সংস্থা এপি ও এএফপি জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ভেঙে কনস্যুলেটের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সাথে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। ইদি ফাউন্ডেশন রেসকিউ সার্ভিসের মুখপাত্র মুহাম্মদ আমিন নিশ্চিত করেছেন যে, এই সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ২০ জন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা পাথর নিক্ষেপ শুরু করলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে একদল বিক্ষোভকারী কনস্যুলেটের গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং ভবনের জানালা ও দরজার কাচ ভাঙচুর করে। এমনকি ভবনের কিছু অংশে আগুন লাগিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। খামেনি হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে পাকিস্তানেই প্রথম এমন রক্তক্ষয়ী প্রতিবাদ দেখা গেল, যা বিশ্বজুড়ে মার্কিন স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরণের উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এদিকে, ইরানের ‘চূড়ান্ত প্রতিশোধের’ হুমকির প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ আরও একটি বিধ্বংসী পোস্ট দিয়েছেন। ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে লিখেছেন, ইরান আজ প্রচণ্ড আঘাত হানার যে পরিকল্পনা করেছে, তা তাদের না করাই ভালো। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি তারা হামলা করে, তবে আমরা তাদের এমন এক শক্তি দিয়ে আঘাত করব যা আগে কখনো দেখা যায়নি!” করাচির এই সহিংসতা আর ট্রাম্পের এই কড়া বার্তার পর পুরো বিশ্ব এখন এক ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের আশঙ্কায় দিন গুনছে।

/আশিক


খামেনি হত্যার নেপথ্যে সৌদি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১২:২৮:৪৫
খামেনি হত্যার নেপথ্যে সৌদি
ছবি : সংগৃহীত

ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পেছনে এক চাঞ্চল্যকর ভূ-রাজনৈতিক চক্রান্তের খবর ফাঁস করেছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্স। রোববারের এই বিশেষ রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েল ও সৌদি আরবের তীব্র চাপেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে এই ভয়াবহ অভিযান শুরু করতে বাধ্য হয়েছেন। রিপোর্টে এই দুই দেশকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র জুটি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে, যারা প্রকাশ্যে একে অপরের বিরোধী হলেও ইরানের ক্ষমতা বদলের মিশনে এক হয়ে কাজ করেছে।

রয়টার্সের তথ্যমতে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রকাশ্যে কূটনীতির কথা বলতেন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে তেহরানে হামলার জন্য সৌদির আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। কিন্তু পর্দার আড়ালে ট্রাম্পের সাথে একান্ত বৈঠকে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলতেন। যুবরাজ ও তাঁর ভাই খালিদ বিন সালমান মার্কিন কর্মকর্তাদের বারবার সতর্ক করেছেন যে, ওয়াশিংটন যদি এখনই উল্লেখযোগ্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করে ইরানকে দমন না করে, তবে তেহরান আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। মূলত রিয়াদের আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ হিসেবে ইরানকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করতেই সৌদির এই দ্বিমুখী কৌশল ছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে, হামলার ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগে খামেনি তাঁর দুই সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি এবং আলি শামখানির সাথে এক গোপন স্থানে বৈঠকে বসেছিলেন। ঠিক তখনই সেখানে নিখুঁত নিশানায় আক্রমণ চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, সৌদি ও ইসরায়েলের এই যৌথ প্রচেষ্টাই ট্রাম্পকে খামেনিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার অভিযানে চূড়ান্তভাবে উদ্বুদ্ধ করেছে। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ঘোষণা অনুযায়ী, ইরানে বর্তমান সরকার পুরোপুরি পরিবর্তিত না হওয়া পর্যন্ত এই হামলা থামবে না। সৌদির এই গোপন সমর্থন ফাঁসের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে এক নতুন মেরুকরণ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

/আশিক


ইরানে হামলার তীব্র নিন্দা রাশিয়ার; চরম বিপর্যয়ের হুঁশিয়ারি পুতিনে

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১১:০৪:৪৬
ইরানে হামলার তীব্র নিন্দা রাশিয়ার; চরম বিপর্যয়ের হুঁশিয়ারি পুতিনে
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের মাটিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন হামলা এবং পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাতের ঘটনায় কঠোর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। আজ রোববার (১ মার্চ ২০২৬) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের ওপর চালানো এই আগ্রাসন এবং দেশটির পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা বর্ষণ সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কো এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী এক হঠকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে।

রাশিয়ার বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে সতর্ক করা হয়েছে যে, ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের এই হঠকারী সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যে ভয়াবহ ‘মানবসৃষ্ট সংকট’ তৈরি হয়েছে, তার সব নেতিবাচক পরিণতির দায়ভার এই দুই দেশকেই নিতে হবে। ক্রেমলিন মনে করছে, এই আগ্রাসনের ফলে পুরো অঞ্চলে সহিংসতার মাত্রা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে এবং পরিস্থিতি একটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া মহাবিপর্যয়ের দিকে মোড় নেবে। রাশিয়ার এই কঠোর অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরানের এই সংকটে মস্কো নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না।

উল্লেখ্য যে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের এই যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শহীদ হয়েছেন, যা ইতোমধ্যে তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি নিশ্চিত করেছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই অভিযানকে অত্যন্ত ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খামেনির মৃত্যুর পর রাশিয়ার এই প্রকাশ্য সমর্থন ইরানকে সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে পুনর্গঠিত হতে সাহায্য করতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধকে আরও দীর্ঘস্থায়ী ও বিধ্বংসী করে তোলার আশঙ্কা তৈরি করছে।

/আশিক


নিজ দপ্তরেই শেষ নিঃশ্বাস

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১০:২৬:৪৯
নিজ দপ্তরেই শেষ নিঃশ্বাস
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার চরম উত্তেজনা আর বিশ্বব্যাপী জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর সময় ও স্থান আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে তেহরান। আজ রোববার (১ মার্চ ২০২৬) ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শনিবার ভোরে তেহরানে নিজের দপ্তরে (লিডারশিপ হাউস) দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় তিনি নিহত হন। বিবিসি ভেরিফাই তাদের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, খামেনির দপ্তর প্রাঙ্গণে ভয়াবহ বিস্ফোরণের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং ভবনটির একটি বড় অংশ মাটির সাথে মিশে গেছে।

আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, খামেনি পালিয়ে না গিয়ে নিজের দপ্তরেই অবস্থান করছিলেন, যা প্রমাণ করে যে তাঁর আত্মগোপনে থাকার খবরগুলো ছিল মূলত শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে একটি মনস্তাত্ত্বিক লড়াই। এই মর্মান্তিক পরিণতির পর ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং ৭ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে খামেনির মৃত্যুর খবর প্রথম বিশ্ববাসীকে জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক বিস্ফোরক পোস্টে ট্রাম্প খামেনিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “এটি কেবল ইরানি জনগণের জন্য নয়, সারাবিশ্বের জন্য এক বিশাল সুবিচার।”

ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন যে, মার্কিন অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেম আর ইসরায়েলের গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে খামেনি বা তাঁর শীর্ষ নেতাদের পালানোর কোনো পথ ছিল না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মাত্র এক দিনের অভিযানেই ইরান রাষ্ট্রটি অনেকটা বিলীন হয়ে গেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে পুরোপুরি শান্তি না আসা পর্যন্ত সপ্তাহজুড়ে এই বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকবে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে খামেনির পতনের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে একে ‘স্বৈরশাসকের বিদায়’ বলে মন্তব্য করেছেন। বর্তমানে ইরানের সামরিক বাহিনীর মধ্যে চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, যা দেশটিকে এক চরম নেতৃত্ব সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

সোর্সঃ বিবিসি, ফার্স নিউজ, তাসনিম নিউজ


ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী হামলার ঘোষণা: কাঁপছে মার্কিন-ইসরায়েলি ঘাঁটি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১০:০৭:৩৮
ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী হামলার ঘোষণা: কাঁপছে মার্কিন-ইসরায়েলি ঘাঁটি
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে এবার ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী ও ভয়াবহ হামলার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। আজ রোববার (১ মার্চ ২০২৬) সকালে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাদের এই পাল্টা অভিযান ‘কিছুক্ষণের মধ্যেই’ শুরু হবে এবং এর প্রধান লক্ষ্য হবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ‘আমেরিকান সন্ত্রাসী ঘাঁটি’ ও ইসরায়েলের ‘অধিকৃত ভূখণ্ড’। এই ঘোষণার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এখন এক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এই বিধ্বংসী হামলার হুমকির কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম খামেনির মৃত্যুর খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ভোরে যখন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলা চালায়, তখন খামেনি তাঁর নির্ধারিত দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেনিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করে তাঁর মৃত্যুর খবরটি প্রথম সামনে আনেন। ফার্স নিউজের দাবি অনুযায়ী, এই ‘কাপুরুষোচিত’ হামলায় কেবল খামেনিই নন, বরং তাঁর মেয়ে, নাতি, জামাতা এবং পুত্রবধূও নিহত হয়েছেন। খামেনির পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার এই ঘটনা আইআরজিসি-র সদস্যদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

খামেনির মৃত্যুতে ইরানে আজ ১ মার্চ থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং ৭ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু শোক পালনের চেয়েও এখন যুদ্ধের দামামা বেশি বাজছে। আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি আর সাধারণ কোনো সংঘাত নয়, বরং এটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। তারা দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন ঘাঁটি এখন তাদের মিসাইল রেঞ্জের ভেতরে রয়েছে এবং এবারের হামলা হবে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ধ্বংসাত্মক। ড্রোন আর ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ে ইরান এখন কোন স্তরের হামলা চালায়, তা দেখতে পুরো বিশ্ব এখন আতঙ্কে থমকে আছে।

/আশিক


ক্ষমতার লড়াইয়ে ইরান: খামেনির আসনে বসতে আইআরজিসি’র চাপ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ০৯:৫৫:৩৩
ক্ষমতার লড়াইয়ে ইরান: খামেনির আসনে বসতে আইআরজিসি’র চাপ
ছবি : সংগৃহীত

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের ক্ষমতার মসনদে কে বসবেন, তা নিয়ে দেশটির নীতিনির্ধারকদের মধ্যে তীব্র টানাপড়েন শুরু হয়েছে। সংবাদমাধ্যম ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’ জানিয়েছে, ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এখন সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এড়িয়ে দ্রুত একজন নতুন ‘সুপ্রিম লিডার’ বা সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগ দিতে প্রচণ্ড চাপ দিচ্ছে। তাদের ভয়, দীর্ঘসূত্রতা হলে সাধারণ মানুষ বিদ্রোহ করে ক্ষমতা দখল করতে পারে। তবে ইরানের সংবিধান অনুযায়ী নেতা নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ‘এসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ দাবি করেছে যে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান হামলার কারণে তাদের পক্ষে বর্তমানে সব সদস্যকে নিয়ে বৈঠক করা বা আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এদিকে, খামেনি ও তাঁর শীর্ষ উপদেষ্টাদের একযোগে মৃত্যুর ফলে ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিক চেইন অব কমান্ডে বড় ধরণের ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে নির্দেশ আদান-প্রদানে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে এবং সমন্বয়হীনতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটগুলোর মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর মিলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কমান্ডার এবং সাধারণ সেনাসদস্য নিজ নিজ ঘাঁটিতে রিপোর্ট না করে গা ঢাকা দিয়েছেন। অব্যাহত বিমান হামলায় সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে—এমন আতঙ্কে তারা সতর্ক অবস্থানে থাকলেও কেন্দ্রীয় নির্দেশের অভাবে তারা অনেকটা দিশেহারা।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে আজ রোববার দিনের আলো ফোটার পর দেশজুড়ে নতুন করে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নিয়ে। খামেনির মৃত্যুর খবরে তেহরানসহ বিভিন্ন শহরের সাধারণ মানুষের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অনেকেই একে ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন’ হিসেবে দেখছেন এবং রাজপথে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নেতৃত্ব সংকট, সামরিক অস্থিরতা এবং জনগণের তীব্র অসন্তোষ—এই তিন দিক থেকেই এখন চরম চাপের মুখে পড়েছে ইরান সরকার। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা ইরানের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; হয় আইআরজিসি ক্ষমতা দখল করে সামরিক শাসন জারি করবে, নতুবা গণঅভ্যুত্থানের মুখে পুরো ব্যবস্থাটিই ভেঙে পড়বে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: