জুলকারনাইন: দুই শিং–ওয়ালা বাদশার রহস্য

ইসলামের ইতিহাসে বাদশা জুলকারনাইন এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি রহস্য, প্রজ্ঞা, নেতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের সমন্বিত প্রতীক। পবিত্র কোরআনে সূরা কাহফে তাঁর ইতিহাস বর্ণিত হলেও, তাঁর সুনির্দিষ্ট পরিচয় নিয়ে আলেমদের মধ্যে এখনও মতভেদ রয়েছে। তিনি নবী ছিলেন নাকি একজন ন্যায়পরায়ণ শক্তিশালী শাসক ছিলেন এ প্রশ্নে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। তবে কোরআনের বর্ণনাগুলোতে তাঁর চরিত্র যে উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের অনন্য উদাহরণ, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
পরিচিতি ও ‘জুলকারনাইন’ নামের অর্থ
“জুলকারনাইন” শব্দটি আরবি, যার অর্থ “দুই শিং–ওয়ালা” বা “দুই যুগের অধিকারী।” এই নামের ব্যাখ্যায় দুটি প্রধান মত রয়েছে।
একদিকে বলা হয়, তিনি পৃথিবীর পূর্ব এবং পশ্চিম দু’প্রান্ত পর্যন্ত শাসন বিস্তার করেছিলেন। অন্যদিকে কিছু ঐতিহাসিকের মতে, তাঁর মুকুটে দুই শিং–এর প্রতীক ছিল, যা প্রাচীন রাজকীয় শক্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
ঐতিহাসিক পরিচয় নিয়ে মতভেদ
জুলকারনাইনের প্রকৃত পরিচয় কী এ নিয়ে ইসলামী ও পাশ্চাত্য গবেষক, উভয় মহলে বহু আলোচনা হয়েছে।
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট- প্রচলিত ঐতিহ্যগত পরিচয়
অনেক মুসলিম ও পাশ্চাত্য ঐতিহাসিক মনে করেন, জুলকারনাইন হচ্ছেন আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট। কারণ তাঁর প্রাচীন মুদ্রাগুলোতে তাঁকে ভেড়ার শিং–যুক্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা দেবতা আমুন–রার প্রতীক। বহু যুগ ধরে এই মতটিই সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিল।
সাইরাস দ্য গ্রেট-আধুনিক গবেষকদের শক্তিশালী মতবাদ
বর্তমান সময়ের আলেম ও গবেষকদের বড় অংশ বিশ্বাস করেন যে, জুলকারনাইন আসলে পারস্যের সম্রাট সাইরাস দ্য গ্রেট। বাইবেলের বর্ণনায় সাইরাসকে “দুই শিংওয়ালা মেষ” হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো সাইরাস ছিলেন ন্যায়পরায়ণ, ঈমানদার ও একত্ববাদী শাসক। কোরআনের বর্ণনার সাথে তাঁর ব্যক্তিত্বের বহু মিল পাওয়া যায়।
অন্যান্য ধারণা
কিছু গবেষক জুলকারনাইনকে আরবের হিমিয়ার রাজ্যের রাজা আফ্রিকিশ আল–হিমিয়ারী বা অন্য কোনো অজ্ঞাত শাসক হিসেবেও বিবেচনা করেন।
তিনি নবী ছিলেন নাকি রাজা?
অধিকাংশ ইসলামি আলেমের মতে, জুলকারনাইন ছিলেন একজন ন্যায়পরায়ণ এবং আল্লাহভীরু রাজা। তাঁর কাছে আল্লাহ অসাধারণ ক্ষমতা, সামরিক শক্তি এবং ভূখণ্ড পরিচালনার দক্ষতা দান করেছিলেন। যদিও কিছু মত অনুযায়ী তিনি নবীও হতে পারেন, তবে কোরআনে তাঁর নবুয়ত সম্পর্কে স্পষ্ট উল্লেখ নেই।
জুলকারনাইনের প্রাচীর, ইয়াজুজ–মাজুজ থেকে রক্ষার মহাগঠন
জুলকারনাইনের নির্মিত প্রাচীরের অবস্থান নিয়েও মতভেদ রয়েছে। কোরআনে বলা হয়েছে, এটি দুই পর্বতের মধ্যবর্তী সরু পথে নির্মিত হয়েছিল, যেখানে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ইয়াজুজ–মাজুজের হামলায় অতিষ্ঠ ছিল।
কাস্পিয়ান সাগর ও ককেশাস অঞ্চল-সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মত
অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন, প্রাচীরটি কাস্পিয়ান সাগর এবং ককেশাস পর্বতমালার মধ্যবর্তী এলাকায় ছিল। রাশিয়ার দারিয়াল এবং দারবেন্ত অঞ্চলে আজও লৌহনির্মিত প্রাচীরের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়, যা জুলকারনাইনের প্রাচীর বলে বিবেচনা করা হয়।
অন্যান্য ব্যাখ্যা
কিছু ব্যাখ্যায় বলা হয় প্রাচীরটি পূর্ব দিকে ছিল। বিখ্যাত ভ্রমণকারী ইবনে বতুতা চীনের মহাপ্রাচীরকে ভুল করে জুলকারনাইনের প্রাচীর ভেবেছিলেন।
আব্বাসীয় খলিফার তদন্ত অভিযান
আব্বাসীয় খলিফা ওয়াসিক বিল্লাহর নির্দেশে একদল বিশেষ দূত প্রাচীরটি প্রত্যক্ষ পরিদর্শনে গিয়েছিল। তাদের পর্যবেক্ষণ পরবর্তীতে ‘আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া’ গ্রন্থে সংরক্ষিত রয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, প্রাচীরটি ছিল লোহা ও তামা দিয়ে নির্মিত এক বিশাল দুর্গসদৃশ কাঠামো।
কোরআনে বর্ণিত জুলকারনাইনের তিন মহাঅভিযান
সূরা কাহফের ৮৩–৯৯ নং আয়াতে জুলকারনাইনের তিনটি বিশাল ভ্রমণ অভিযানের বিস্তারিত উল্লেখ আছে। এ অভিযানের প্রতিটিতেই তাঁর নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ফুটে ওঠে।
১. পশ্চিমমুখী অভিযান
তিনি পৃথিবীর পশ্চিম প্রান্তে পৌঁছে দেখলেন সূর্য যেন কর্দমাক্ত ঝর্ণায় অস্ত যাচ্ছে। সেখানে তিনি এক জাতির মুখোমুখি হন। আল্লাহ তাকে এই জাতির ওপর ন্যায়বিচার প্রয়োগের ক্ষমতা দেন। তিনি সৎকর্মশীলদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করেন এবং অপরাধীদের শাস্তি দেন।
২. পূর্বমুখী অভিযান
তিনি পূর্ব দিকে যাত্রা করে এমন এক জাতির সন্ধান পান যারা সূর্যের আলো থেকে বাঁচার জন্য কোনো প্রাকৃতিক আড়াল পেত না। এখানেও তিনি ন্যায়বিচারের আদেশ প্রতিষ্ঠা করেন।
৩. উত্তরের অভিযান—ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর নির্মাণ
সবশেষে তিনি দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় পৌঁছান, যেখানে লোকেরা ইয়াজুজ–মাজুজ নামক হানাদার জাতির নিপীড়নে ক্লান্ত ছিল। তারা জুলকারনাইনের কাছে সহায়তা চাইলে তিনি কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ না করে আল্লাহর পক্ষ থেকে অনুপ্রাণিত শক্তিতে লোহা ও গলিত তামা দিয়ে বিশাল প্রাচীর নির্মাণ করেন এবং তাদের আক্রমণ থেকে অঞ্চলটিকে সুরক্ষিত করেন।
জুলকারনাইনের জীবনী থেকে শিক্ষা
জুলকারনাইনের চরিত্র ইতিহাস ও ধর্মীয় নৈতিকতার এক অনুপম উদাহরণ। তাঁর জীবন থেকে পাওয়া প্রধান শিক্ষাগুলো হলো:
১. ক্ষমতা ও নেতৃত্ব আল্লাহর দান, এটি অহংকারের জন্য নয়, ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য।২. ভূখণ্ড, সম্পদ ও শক্তি থাকা সত্ত্বেও তিনি বিনয়ী ছিলেন।৩. প্রতি সিদ্ধান্ত ও কাজে তিনি আল্লাহর নির্দেশ অনুসরণ করেছেন।৪. তিনি পৃথিবীজুড়ে ন্যায় ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।৫. ইয়াজুজ–মাজুজের প্রাচীর কেয়ামতের আগ পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে এটি ইসলামি বিশ্বাসের অংশ।
সহিহ হাদিসে জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়ার ১২ আমল
মুমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা হলো আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন এবং জান্নাতে প্রবেশের সৌভাগ্য লাভ করা। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে এমন বহু আমলের কথা এসেছে, যেগুলো একজন মুসলিমকে জান্নাতের পথে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। কিছু আমল সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ বিশেষ সুসংবাদ দিয়েছেন যে আমলের কারণে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হবে, জান্নাতের নির্দিষ্ট দরজা দিয়ে আহ্বান করা হবে অথবা জান্নাতে বিশেষ মর্যাদা লাভের আশা করা যায়।
১. পরিপূর্ণভাবে অজু করে শাহাদাত পাঠ
সহিহ মুসলিমের বর্ণনা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু সম্পন্ন করে এরপর শাহাদাতের দোয়া পাঠ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেন। সে ইচ্ছামতো যেকোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করার সম্মান লাভ করবে।
২. আল্লাহর পথে আন্তরিক দান
সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে এসেছে, যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে উদারভাবে দান করেন, কিয়ামতের দিন তাদের জান্নাতের বিভিন্ন দরজা থেকে আহ্বান করা হবে। ইসলামে দান শুধু সম্পদ ব্যয়ের বিষয় নয়; এটি ঈমান, তাকওয়া ও আত্মত্যাগেরও প্রতীক।
৩. নারীদের জন্য বিশেষ সুসংবাদ
রাসূল ﷺ বলেছেন, যে নারী নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেন, রমজানের রোজা রাখেন, নিজের পবিত্রতা রক্ষা করেন এবং স্বামীর বৈধ বিষয়ে আনুগত্য করেন, তাকে জান্নাতের যেকোনো দরজা দিয়ে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে।
৪. রমজানের রোজা
সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, জান্নাতে ‘রাইয়্যান’ নামে একটি বিশেষ দরজা রয়েছে। কিয়ামতের দিন এই দরজা দিয়ে কেবল রোজাদারদেরই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। অন্য কেউ সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।
৫. আল্লাহর পথে সংগ্রাম
সহিহ বুখারির বর্ণনায় রাসূল ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তাঁর পথে সংগ্রামকারীদের জন্য জান্নাতে একশত উচ্চ মর্যাদার স্তর প্রস্তুত করে রেখেছেন। আলেমরা ব্যাখ্যা করেছেন, এটি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বৈধ ও শরিয়তসম্মত সংগ্রামের মর্যাদা নির্দেশ করে।
৬. ফরজ ইবাদতের প্রতি অবিচল থাকা
এক সাহাবি যখন জানতে চাইলেন তিনি যদি ফরজ সালাত আদায় করেন, রমজানের রোজা রাখেন এবং হালাল-হারাম মেনে চলেন, তাহলে কি জান্নাতে প্রবেশ করবেন? তখন রাসূল ﷺ সংক্ষেপে উত্তর দেন, "হ্যাঁ।" এটি ফরজ বিধান পালনের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
৭. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মসজিদ নির্মাণ
সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন। ইসলামে এটি একটি চলমান সদকার (সাদাকায়ে জারিয়া) অন্যতম উত্তম উদাহরণ।
৮. এতিমের দায়িত্ব গ্রহণ
রাসূল ﷺ নিজের তর্জনী ও মধ্যমা আঙুল পাশাপাশি রেখে বলেছেন, জান্নাতে তিনি এবং এতিমের দায়িত্ব গ্রহণকারী ব্যক্তি এতটাই নিকটবর্তী অবস্থানে থাকবেন। এতিমদের দেখাশোনা ও লালন-পালনের গুরুত্ব ইসলামে অত্যন্ত বেশি।
৯. উত্তম চরিত্র
ইসলামের অন্যতম প্রধান শিক্ষা হলো সুন্দর চরিত্র। রাসূল ﷺ জানিয়েছেন, যিনি উত্তম চরিত্রের অধিকারী, তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তরে একটি ঘরের জামিন তিনি নিজেই।
১০. তাওহীদের ওপর জীবন শেষ করা
রাসূল ﷺ বলেছেন, যার জীবনের শেষ কথা হবে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ", সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আলেমরা ব্যাখ্যা করেছেন, এটি এমন ব্যক্তির জন্য, যিনি ঈমানের ওপর অবিচল থেকে জীবন অতিবাহিত করেন।
১১. জান্নাতের জন্য নিয়মিত দোয়া
সুনান তিরমিজির বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি তিনবার আল্লাহর কাছে জান্নাত প্রার্থনা করে, জান্নাত নিজেই আল্লাহর কাছে তার জন্য জান্নাত কামনা করে। এটি দোয়ার গুরুত্ব এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি আশা রাখার শিক্ষা দেয়।
১২. ফজর ও আসরের সালাতের বিশেষ মর্যাদা
রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত ফজর ও আসরের সালাত আদায় করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এই দুই সালাতকে হাদিসে "বারদাইন" বা দুই শীতল সময়ের সালাত বলা হয়েছে।
ইসলামের মূল শিক্ষা কী?
আলেমদের মতে, কোনো একটি আমলকে বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং ঈমান, ইখলাস, ফরজ বিধান পালন, হারাম থেকে বেঁচে থাকা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ধারাবাহিক নেক আমলের সমন্বয়ই একজন মুমিনকে জান্নাতের পথে এগিয়ে নেয়। তাই এসব হাদিস একজন মুসলিমকে নেক আমলে উৎসাহিত করে এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি আশাবাদী হতে শেখায়।
তথ্যসূত্র: সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, সুনান আবু দাউদ, সুনান আত-তিরমিজি, মুসনাদ আহমাদ।
৬ জুলাইয়ের নামাজের সময় প্রকাশ, জেনে নিন এখনই
আজ সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬)। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ২০ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের মতো আজও মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের জন্য সময়ের প্রয়োজনীয় যোগ-বিয়োগও উল্লেখ করা হয়েছে।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী, ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৩টা ৫০ মিনিটে। এরপর জোহরের নামাজ দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে, আসরের নামাজ বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে, মাগরিবের নামাজ সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে এবং ইশার নামাজ রাত ৮টা ২০ মিনিটে আদায় করা হবে।
আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের এই সময়ের ভিত্তিতেই নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) ফজরের নামাজের সময় ভোর ৩টা ৫০ মিনিট এবং সূর্যোদয় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
তবে দেশের সব অঞ্চলে একই সময় প্রযোজ্য নয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিভাগভেদে নামাজের সময়ে সামান্য পার্থক্য দেখা যায়। চট্টগ্রামে ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট এবং সিলেটে ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনায় ৩ মিনিট, বরিশালে ১ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট এবং রংপুরে ৮ মিনিট যোগ করে স্থানীয় সময় অনুযায়ী নামাজ আদায় করতে হবে।
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় জেনে নিন
আজ শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬)। বাংলা তারিখ ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ১৮ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের ইবাদত যথাসময়ে আদায়ের সুবিধার্থে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের সময়ের পার্থক্যও জানানো হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নিজ নিজ অবস্থান অনুযায়ী নামাজ আদায় করতে পারেন।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৯ মিনিটে। এরপর জোহরের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে, আর ইশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হয়েছে সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে। আগামীকাল রোববার (৫ জুলাই) ফজরের সময় অপরিবর্তিত থেকে ভোর ৩টা ৪৯ মিনিটে শুরু হবে এবং সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ঢাকা সময়ের সঙ্গে অন্যান্য বিভাগীয় শহরের নামাজের সময়ের কিছু পার্থক্য রয়েছে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রামে ৫ মিনিট এবং সিলেটে ৬ মিনিট সময় বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনায় ৩ মিনিট, বরিশালে ১ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট এবং রংপুরে ৮ মিনিট সময় যোগ করে স্থানীয় নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে।সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
-রফিক
জীর্ণ ও ছেঁড়া আল-কোরআন অপসারণের শরিয়তসম্মত বিধান: অবমাননা রোধে কী করণীয়?
আল-কোরআন মহান আল্লাহ তাআলার চিরন্তন ও অলৌকিক কালাম। এর প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন এবং এর পবিত্রতা রক্ষা করা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ঈমানী দায়িত্ব। পবিত্র কোরআনের সূরা আল-ওয়াকিয়াহ-এর ৭৭ থেকে ৭৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা এই কিতাবের উচ্চ মর্যাদা ঘোষণা করে বলেছেন, এটি এক সম্মানিত কোরআন, যা সুরক্ষিত কিতাবে লিপিবদ্ধ এবং পবিত্রগণ ব্যতীত কেউ তা স্পর্শ করে না। তবে দীর্ঘদিনের ব্যবহার, বার্ধক্য কিংবা অসাবধানতার কারণে অনেক সময় কোরআনের পাতা বা পুরো কপি ছিঁড়ে কিংবা জীর্ণ হয়ে পড়ার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অবমাননার হাত থেকে রক্ষা করতে শরিয়তসম্মত উপায়ে তা অপসারণের সুনির্দিষ্ট ও মর্যাদাপূর্ণ নির্দেশনা রয়েছে ইসলামে।
শরিয়ত বিশেষজ্ঞদের মতে, জীর্ণ কোরআনের অংশবিশেষ যেখানে-সেখানে ফেলে রাখলে তা পায়ে মাড়ানো বা ময়লা-আবর্জনার সংস্পর্শে আসার তীব্র ঝুঁকি থাকে, যা মারাত্মক গুনাহ এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কুফরির শামিল। তাই যখন কোনো মুসহাফ বা কোরআনের অনুলিপি আর পাঠযোগ্য থাকে না, তখন তাকে সসম্মানে বিদায় দেওয়ার ফিকহী নীতিমালা রয়েছে। ইসলামী আইনবিদ তথা ফকীহগণ প্রধানত দুটি পদ্ধতিকে এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
সর্বোত্তম পদ্ধতি: মাটিতে সসম্মানে দাফন করা
হানাফী, শাফেঈ ও হাম্বলী মাযহাবের অধিকাংশ ইমামের মতে, জীর্ণ কোরআন অবমাননা থেকে বাঁচানোর সবচেয়ে নিরাপদ ও উত্তম উপায় হলো মাটিতে দাফন করা। হানাফী মাযহাবের চূড়ান্ত প্রামাণ্য গ্রন্থ ‘ফাতাওয়া শামী’ (রদ্দুল মুহতার)-এ ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) স্পষ্টভাবে লিখেছেন, কোরআন মাজীদ যখন পুরোনো হয়ে যায় এবং তা পড়ার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে, তখন তা কোনো ময়লা বা ক্ষতিকর স্থানে ফেলার চেয়ে দাফন করা উত্তম। একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে মুসলিমের লাশের মতো করে তা সসম্মানে দাফন করতে হবে।
অনুরূপভাবে হাম্বলী মাযহাবের বিখ্যাত ফকীহ ইমাম ইবনে মুফলিহ তাঁর ‘আল-ফুরু’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহ.) জীর্ণ কোরআনের পাতা মাটিতে দাফন করাকেই সর্বোত্তম মনে করতেন। এক্ষেত্রে শরিয়তের শর্ত হলো, গর্তটি বেশ গভীর হতে হবে যেন বৃষ্টির পানিতে ওপরের মাটি সরে না যায় কিংবা কোনো হিংস্র পশু তা বের করতে না পারে। স্থান হিসেবে জনমানবহীন নির্জন জায়গা, মসজিদের আঙিনা বা কবরস্থানের মতো পবিত্র স্থান নির্বাচন করা উচিত।
বিশেষ পরিস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা
যদি কোনো কারণে দাফন করার মতো নিরাপদ স্থান খুঁজে পাওয়া না যায়, তবে অবমাননা রোধের উদ্দেশ্যে সতর্কতার সাথে পুড়িয়ে ফেলা শরিয়তে সম্পূর্ণ জায়েজ। ইসলামের ইতিহাসে এর শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে। ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর খেলাফতকালে যখন পবিত্র কোরআনের প্রামাণ্য অনুলিপি তৈরি করা হয়, তখন উপভাষা ও উচ্চারণগত বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি সাহাবিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে (ইজমা) পূর্বের অন্যান্য অনুলিপিগুলো পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যা সহীহ বুখারীর ৪৯৮৭ নম্বর হাদিসে প্রমাণিত।
বিখ্যাত কোরআন গবেষক আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী (রহ.) তাঁর ‘আল-ইতকান ফী উলূমিল কোরআন’ গ্রন্থে লিখেছেন, হযরত উসমান (রা.) যেহেতু পুড়িয়েছিলেন, তাই অবমাননা রোধে এটি সম্পূর্ণরূপে জায়েজ এবং এতে কোনো গুনাহ নেই। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.)-ও তাঁর ফতোয়াগ্রন্থে খলিফা উসমানের এই কাজকে সমর্থন করে একে কোরআনের সুরক্ষার অন্যতম উপায় বলে উল্লেখ করেছেন। তবে এক্ষেত্রে প্রধান শর্ত হলো, পাতাগুলো যেন সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং পোড়ানোর পর সেই ছাই বাতাসে উড়িয়ে না দিয়ে মাটিতে পুঁতে দিতে হবে বা বড় কোনো নদী-সমুদ্রে বিসর্জন দিতে হবে।
আধুনিক যুগের প্রযুক্তি: কাগজ কুচি ও রিসাইকেলিং
বর্তমান শিল্পোন্নত ও যান্ত্রিক যুগে আধুনিক ফতোয়া বোর্ডগুলো (যেমন সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ফতোয়া বোর্ড ‘আল-লাজনাহ আদ-দাইমাহ’) জানিয়েছে, জীর্ণ কোরআনের পাতা যদি এমন আধুনিক মেশিনে (Cross-cut Shredder) কাটা হয় যা হরফ ও শব্দকে সম্পূর্ণ মিহি বা গুঁড়ো করে ফেলে এবং কোনো একক অক্ষরের অস্তিত্ব রাখে না, তবে তা জায়েজ (ফতোয়া নং ৪১৩৮)। তবে ফিতার মতো লম্বা করে কাটা সাধারণ অফিস শ্রেডার ব্যবহার করা নিষিদ্ধ, কারণ তাতে আল্লাহর নাম বা আয়াত অক্ষত থাকার ঝুঁকি থাকে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিকহ একাডেমি-র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ বর্জ্যের সাথে মিলিয়ে কোরআনের কেমিক্যাল রিসাইকেলিং করা হারাম হলেও, যদি কোনো বিশেষায়িত কারখানা কেবল কোরআনের কাগজ আলাদা করে, সম্পূর্ণ পবিত্র প্রক্রিয়ায় নতুন মণ্ড তৈরি করে পুনরায় কোরআন বা ধর্মীয় কিতাব ছাপে, তবে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ ও প্রশংসনীয়।
যেসব প্রচলিত পদ্ধতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
অনেকে না বুঝে জীর্ণ কোরআনের পাতা সরাসরি নদী বা জলাশয়ে ভাসিয়ে দেন। ফকীহগণের মতে এটি অনিরাপদ পদ্ধতি। কারণ পানিতে ভাসমান হালকা পাতাগুলো স্রোতের টানে তীরে এসে আবর্জনার স্তূপে জমতে পারে বা নালায় আটকে যেতে পারে। ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) তাঁর ফতোয়ায় লিখেছেন, সরাসরি পানিতে ফেলার চেয়ে যদি কোনো ভারী পাথরের সাথে কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে পানির গভীর তলদেশে ডুবিয়ে দেওয়া হয় যাতে তা স্থায়ীভাবে থিতু হয়, তবে তা কিছুটা গ্রহণযোগ্য; অন্যথায় মাটিতে দাফন বা পুড়িয়ে ফেলাই একমাত্র নিরাপদ পথ। এছাড়া সাধারণ ডাস্টবিনে বা গৃহস্থালির বর্জ্যের সাথে কোরআনের আয়াতযুক্ত কোনো কাগজ ফেলা সম্পূর্ণ হারাম। ইমাম নওয়াবী (রহ.) তাঁর ‘আল-তিবয়ান’ গ্রন্থে এ বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সামষ্টিক উদ্যোগের আহ্বান
কোরআনের মর্যাদা রক্ষা করা শুধু ব্যক্তির নয়, সমাজেরও সম্মিলিত দায়িত্ব। বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় প্রতিটি অঞ্চলের বড় বড় মসজিদ, মাদরাসা বা সরকারি উদ্যোগে ‘কোরআন কালেকশন বক্স’ বা বুথ স্থাপন করা সময়ের দাবি। সাধারণ মানুষ তাদের ঘরের ছেঁড়া পৃষ্ঠা বা পুরোনো কোরআন সেখানে জমা দিলে পরবর্তীতে ওলামাদের তত্ত্বাবধানে সমষ্টিগতভাবে তা গভীর মাটিতে দাফন বা শরিয়াহসম্মত উপায়ে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এর ফলে অসচেতনতাবশত আল্লাহর কালামের অবমাননা ও গুনাহের হাত থেকে উম্মাহ রক্ষা পাবে।
আজ শুক্রবারের নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই ২০২৬)। বাংলা তারিখ ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ১৭ মহররম ১৪৪৮। মুসল্লিদের ইবাদত-বন্দেগি সঠিক সময়ে আদায়ে সহায়তার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ এই সময়সূচি অনুসরণ করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও অন্যান্য ইবাদত যথাসময়ে আদায় করতে পারবেন।
আজ ঢাকায় ফজরের সময় ভোর ৩টা ৪৯ মিনিট, জোহরের সময় দুপুর ১২টা ০৬ মিনিট, আসরের সময় বিকেল ৪টা ৪২ মিনিট, মাগরিবের সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিট এবং ইশার সময় রাত ৮টা ২০ মিনিট। এছাড়া আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হয়েছে সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে।
আগামীকাল শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) ঢাকায় ফজরের সময় থাকবে ভোর ৩টা ৪৯ মিনিট এবং সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ঢাকার সময়সূচিকে ভিত্তি ধরে অন্যান্য বিভাগীয় শহরে নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনার জন্য ৩ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট, রংপুরের জন্য ৮ মিনিট এবং বরিশালের জন্য ১ মিনিট যোগ করে সংশ্লিষ্ট এলাকার নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, নামাজ ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের অন্যতম। তাই নির্ধারিত ওয়াক্ত অনুযায়ী নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শুক্রবারের জুমার নামাজ ইসলামে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ হওয়ায় এদিন সময়সূচি অনুসরণ করে যথাসময়ে মসজিদে উপস্থিত হওয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করে থাকে। ফলে মুসল্লিরা নিজ নিজ এলাকার সময়ের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগ-বিয়োগ করে সহজেই সঠিক ওয়াক্ত অনুযায়ী নামাজ আদায় করতে পারেন।
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন এক নজরে
আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬), ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ৩০ জুন, বাংলা ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ১৪ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের মতো রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। নির্ধারিত সময়ে ইবাদত আদায়ের সুবিধার্থে প্রকাশিত এই সময়সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৮ মিনিটে। এরপর জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে। দিনের শেষভাগে মাগরিবের নামাজ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে, আর ইশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৪ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে। আগামীকাল বুধবার (১ জুলাই) ফজরের সময়ও ভোর ৩টা ৪৮ মিনিটে শুরু হবে এবং সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৪ মিনিটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, রাজধানী ঢাকার সময়কে ভিত্তি ধরে দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরে নামাজের সময় কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনার জন্য ৩ মিনিট, বরিশালের জন্য ১ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট এবং রংপুরের জন্য ৮ মিনিট যোগ করতে হবে।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা জানান, নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই নিজ নিজ এলাকার সময়সূচি অনুযায়ী ইবাদত পালন করাই উত্তম। বিশেষ করে ভ্রমণ বা অন্য বিভাগে অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সময়ের পার্থক্য বিবেচনায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় জানুন এক নজরে
আজ সোমবার (২৯ জুন ২০২৬), বাংলা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ১৩ মহররম ১৪৪৮। রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা। প্রতিদিনের ইবাদত যথাসময়ে আদায়ের সুবিধার্থে এই সময়সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে। এরপর আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে। দিনের শেষভাগে মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৩ মিনিটে, আর এশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে।
আগামী দিনের ইবাদতের প্রস্তুতির জন্য জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৩টা ৫০ মিনিটে। এছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৪ মিনিটে।
ইসলামি বিশেষজ্ঞরা জানান, নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই স্থানীয়ভাবে ঘোষিত সময়সূচি অনুসরণ করে যথাসময়ে ইবাদত সম্পন্ন করা উচিত। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নামাজের সময় কয়েক মিনিটের পার্থক্য হতে পারে। রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মুসল্লিদের জন্য এই সময়সূচি প্রযোজ্য।
-রফিক
আজ কখন কোন নামাজ? দেখে নিন পূর্ণ সময়সূচি
নামাজ ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান ইবাদত। প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য নির্ধারিত সময়ে ফরজ নামাজ আদায় করা আবশ্যক। দৈনন্দিন ব্যস্ততার মধ্যেও ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করতে হলে দিনের নামাজের সময়সূচি জানা অত্যন্ত জরুরি।
আজ শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ। বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী আজ ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১০ মহররম ১৪৪৮। দিনটি যথাযথ ইবাদত, দোয়া ও আমলের মধ্য দিয়ে কাটাতে অনেক মুসল্লিই সকাল থেকে নামাজের সময়সূচি অনুসরণ করছেন।
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজ ফজরের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৩টা ৪৬ মিনিটে। দিনের প্রথম ফরজ নামাজ হওয়ায় ফজরের সময়ের আগেই সেহরি, তাহাজ্জুদ বা ব্যক্তিগত ইবাদত শেষ করে জামাতে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া উত্তম।
আজ জোহরের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৪ মিনিটে। কর্মব্যস্ত দিনের মাঝেও এই ওয়াক্তের নামাজ আদায় করা মুসল্লিদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অফিস, ব্যবসা বা অন্যান্য দৈনন্দিন কাজের ফাঁকে সময় মিলিয়ে জোহরের নামাজ আদায় করতে পারেন মুসল্লিরা।
আসরের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে। দিনের শেষভাগে এই নামাজ আদায় করার মাধ্যমে মুসল্লিরা ইবাদতের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন এবং সন্ধ্যার আগে আত্মিক প্রশান্তি লাভের সুযোগ পান।
আজ মাগরিবের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৩ মিনিটে। সূর্যাস্তের পরপরই মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হয়, তাই এই নামাজ দেরি না করে দ্রুত আদায় করাই উত্তম। আজ সূর্যাস্তের সময় দেওয়া হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিটে।
এশার সময় শুরু হবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে। দিনের শেষ ফরজ নামাজ হিসেবে এশা আদায়ের মাধ্যমে মুসল্লিরা দিনের ইবাদত পূর্ণ করেন। রাতের কাজ, বিশ্রাম বা ঘুমের আগে এশার নামাজ সময়মতো আদায় করা উচিত।
আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ১২ মিনিটে। সূর্যোদয়ের আগে ফজরের নামাজ আদায় করতে হয়। তাই যারা একা নামাজ আদায় করেন বা মসজিদে জামাতে অংশ নেন, তাদের জন্য ফজরের সময় বিশেষভাবে খেয়াল রাখা দরকার।
স্থানীয় মসজিদভেদে আজান ও জামাতের সময় কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। তাই নির্ধারিত ওয়াক্তের পাশাপাশি নিজ এলাকার মসজিদের ঘোষিত জামাতের সময় অনুসরণ করা সবচেয়ে ভালো।
আজ ১০ মহররম, জেনে নিন নামাজের সময়সূচি
আজ শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬। বাংলা তারিখ ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী আজ ১০ মহররম ১৪৪৮। পবিত্র জুমার দিন হওয়ায় সময়মতো নামাজ আদায়ের জন্য ঢাকা ও আশপাশের এলাকার নামাজের সময়সূচি জানা মুসল্লিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দেওয়া সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ঢাকায় ফজরের সময় শুরু হয়েছে ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে। জোহরের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে। আসরের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে।
আজ ঢাকায় মাগরিবের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৩ মিনিটে এবং ইশার সময় শুরু হবে রাত ৮টা ১৯ মিনিটে। আজকের সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ১২ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে।
আগামীকাল শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ঢাকায় ফজরের সময় শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৬ মিনিটে। ওইদিন সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৩ মিনিটে।
ঢাকার সময়সূচির সঙ্গে বিভাগীয় শহরগুলোর জন্য কিছু সময় যোগ বা বিয়োগ করতে হবে। চট্টগ্রামের জন্য ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। সিলেটের জন্য বিয়োগ করতে হবে ৬ মিনিট।
অন্যদিকে খুলনার জন্য ঢাকার সময়ের সঙ্গে ৩ মিনিট যোগ করতে হবে। রাজশাহীর ক্ষেত্রে যোগ করতে হবে ৭ মিনিট। রংপুরের জন্য যোগ হবে ৮ মিনিট এবং বরিশালের জন্য ১ মিনিট যোগ করে স্থানীয় নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে।
মুসল্লিদের জন্য বিশেষভাবে মনে রাখা জরুরি, স্থানীয় মসজিদের আজান ও জামাতের সময় এলাকায় এলাকায় কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। তাই নিজ নিজ এলাকার মসজিদের ঘোষিত জামাতের সময় অনুসরণ করাই উত্তম।
আজ ১০ মহররম হওয়ায় অনেক মুসল্লি নফল ইবাদত, দোয়া ও রোজার আমলে মনোযোগী হবেন। ইসলামী ঐতিহ্যে মহররম মাস সম্মানিত মাসগুলোর একটি, আর আশুরার দিন মুসলিম উম্মাহর কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা
ফজর: ৩:৪৫ মিনিট
জোহর: ১২:০৫ মিনিট
আসর: ৪:৪০ মিনিট
মাগরিব: ৬:৫৩ মিনিট
ইশা: ৮:১৯ মিনিট
সূর্যোদয়: ৫:১২ মিনিট
সূর্যাস্ত: ৬:৫০ মিনিট
আগামীকাল শনিবারের ফজর: ৩:৪৬ মিনিট
আগামীকাল সূর্যোদয়: ৫:১৩ মিনিট
বিভাগীয় শহরের সময় সমন্বয়
চট্টগ্রাম: ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট বিয়োগ
সিলেট: ঢাকার সময় থেকে ৬ মিনিট বিয়োগ
খুলনা: ঢাকার সময়ের সঙ্গে ৩ মিনিট যোগ
রাজশাহী: ঢাকার সময়ের সঙ্গে ৭ মিনিট যোগ
রংপুর: ঢাকার সময়ের সঙ্গে ৮ মিনিট যোগ
বরিশাল: ঢাকার সময়ের সঙ্গে ১ মিনিট যোগ
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পাঠকের মতামত:
- তিতাসের জরুরি বিজ্ঞপ্তি: মঙ্গলবার ১৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- নানিয়ারচর সেনা জোনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ
- ৩ বাহিনীর প্রধানের উপস্থিতিতে পিজিআর সদর দপ্তরে কেক কেটে ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
- ইরানের সাথে বৈষম্যের পর এবার ট্রাম্পের ক্ষমতার খেল, ২০২৬ বিশ্বকাপের সৌন্দর্য নষ্টের নেপথ্যে
- বোলাররা জেতালেও ব্যাটাররা ডোবাল, তুলনামূলক দুর্বল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হতাশাজনক পরাজয়
- গাজায় দীর্ঘ ২০ বছরের শাসনের অবসান, নিজেদের শাসন কমিটি বিলুপ্ত করল হামাস
- আমাদের সালাহ ও ২৬ জন মেসি আছে: আর্জেন্টিনার ম্যাচের আগে মিশরীয় কোচের হুংকার
- গ্রাম ও শহর সবখানেই ৯ শতাংশের উপরে মূল্যস্ফীতি, খরচের চাপে সীমিত আয়ের মানুষ
- প্রধানমন্ত্রী ১০০ টাকায় লাঞ্চ করেন, আমরা মন্ত্রীরাও তাই করি: সখীপুরে আযম খান
- ব্রাজিল বধের নায়ক হালান্ডের দানবীয় শক্তির অদ্ভুত রহস্য ফাঁস
- খামেনির জানাজার মাঠে ‘কিল ট্রাম্প’ স্লোগান, তেহরানে প্রতিশোধের আগুনে উত্তপ্ত লাখো জনতা
- গুলশান-বনানী লেকের দূষণ রোধ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ
- এক আঘাতেই খতম করার ট্রাম্পের হুমকির জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের সভ্যতা নিয়ে খোঁচা দিল ইরান
- ‘ভূতুড়ে বিলের’ সুনির্দিষ্ট কারণ ও অভিযোগ সমাধানের উপায় জানালেন বিদ্যুৎ সচিব
- অক্টোবরে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, প্রথম ধাপে ইউপি ও পৌরসভায় ভোটের সম্ভাবনা
- ৬ জুলাই ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ৬ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৬ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- খামেনির শোক র্যালিতে জনসমুদ্র, প্রতিশোধের লাল পতাকায় মুখর তেহরান
- সহিহ হাদিসে জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়ার ১২ আমল
- ‘আমেরিকাই একমাত্র নয়, ভারতের মতো বড় বন্ধু আছে’-ভ্যান্সকে জবাব নেতানিয়াহুর
- বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ, না মানলে বাতিল হবে লাইসেন্স
- তাপপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু, এবার ঝড়-বন্যার নতুন শঙ্কা
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- আজকের ক্রীড়া সূচি, একদিনে তিন বড় লড়াই
- হালান্ডের আঘাতে ভাঙল ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ স্বপ্ন, কান্নাভেজা বিদায় নেইমারের
- অ্যাজটেকার আগুনে ইংল্যান্ডের বেঁচে ফেরা, মেক্সিকোকে কাঁদিয়ে শেষ আটে টুখেলের দল
- প্রিয় দল হেরেছে? মন ভালো রাখার ৭ কার্যকর উপায়
- কলকাতার সেনা আবাসিকে কেন তিন বাংলাদেশি জেনারেল? নতুন তথ্য ঘিরে বাড়ছে নানা প্রশ্ন
- ডেঙ্গুর নতুন হটস্পট ১৪ জেলা, বাড়ছে বড় শঙ্কা
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- খামেনির জানাজায় জনস্রোত, তেহরানের বার্তা কী?
- ৬ জুলাইয়ের নামাজের সময় প্রকাশ, জেনে নিন এখনই
- স্বর্ণ কিনতে বাড়তি খরচ, কার্যকর নতুন মূল্যতালিকা
- আমির-গৌরীর বিয়ে, আলোচনায় গৌরীর সম্পদের পরিমাণ
- সোমবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না ঠেলে, পিজিআরকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
- ওপারে তীব্র যুদ্ধ ও আতঙ্কের মাঝে মিয়ানমার সীমান্তে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা
- বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই কুমিল্লার উন্নয়ন হয়: গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী
- মেক্সিকোর মাটিতে বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ ঘিরে চরম উত্তেজনা, সর্বোচ্চ সতর্কতায় প্রশাসন
- অত্যন্ত বিপজ্জনক ও রাক্ষুসে রূপ নিয়ে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন ‘বাভি’
- ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনে দেশজুড়ে সরকারের বহুমাত্রিক কর্মসূচি ঘোষণা
- নির্ভরযোগ্য ডাটাই সঠিক পরিকল্পনা ও জাতীয় উন্নয়নের মূল ভিত্তি: আমির খসরু
- সারা দেশের আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস ছাত্রদল-বিএনপি পুড়িয়ে দিয়েছিল: রাকিব
- আজ রাতে ইতিহাস বদলানোর মিশনের আগেই বড় ধাক্কা খেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল
- ওসলো থেকে মার্সেই: নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয়হীন থাকার চার ঐতিহাসিক কারণ
- পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানালেন ইরানি রাষ্ট্রদূত
- জুলাই হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত বিচারেই রক্তাক্ত অধ্যায়ের অবসান ঘটবে: ভিপি নুর
- পণ্যবাহী জাহাজে অজ্ঞাত হামলাকারীদের হানা, লোহিত সাগরের নৌপথে নতুন উত্তেজনা
- নরওয়ের বিপক্ষে নেইমার খেলবেন? জানালেন আনচেলত্তি
- ‘ইরান এখন সমঝোতায় মরিয়া’, খামেনির দাফনে ‘এক সপ্তাহ সময়’ দিলাম: ট্রাম্প
- আরাগচি-গালিবাফ হত্যাচেষ্টার খবর নাকচ ইসরায়েলের
- আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, আজ কত ভরি
- এলপিজির নতুন দর নিয়ে বড় ঘোষণা আজ
- স্বর্ণ কিনবেন? জেনে নিন আজকের নতুন মূল্য
- রোনালদোর ম্যাচসেরা পুরস্কার ঘিরে তুমুল বিতর্ক
- দোহায় আজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক, দাবি ট্রাম্পের
- ‘নেতানিয়াহু জানেন, আসল বস কে’- ট্রাম্প
- দোহায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের খবর নাকচ ইরানের
- খামেনির কফিন ঘিরে আবেগে ভাসছে তেহরান
- আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’: সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার শিক্ষা
- আরাগচি-গালিবাফকে ঘিরে হত্যার পরিকল্পনা ইসরায়েলের, ইরানকে আগাম সতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের
- সপ্তাহজুড়ে শেয়ারবাজারে গতি, সূচকে শক্তিশালী উত্থান








