বিরোধী আসনে জামায়াতকে ঠেলতে আ.লীগের নতুন পরিকল্পনা!

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা জল্পনা। নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, দলটি এবার বিরোধী দলের আসনে বসতে আগ্রহী নয়, বরং সরকার গঠনের অংশীদার হওয়ার লক্ষ্যেই বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। যদিও বিএনপি এককভাবে নির্বাচনে শক্ত অবস্থানে রয়েছে, তবুও ক্ষমতার অংশীদারিত্বে জামায়াতের আগ্রহ বাড়ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের পতনের পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতের অবস্থান অত্যন্ত কৌশলগত। দলটি সরাসরি আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ না হলেও, স্বতন্ত্রভাবে অন্তত ৬০টি আসনে প্রার্থী দেয়ার পরিকল্পনা করেছে। এই আসনগুলোর বেশিরভাগই এমন এলাকায়, যেখানে আওয়ামী লীগের তথাকথিত ‘রিজার্ভ ভোটব্যাংক’ বা সংখ্যালঘু ভোটের অনুপাত তুলনামূলক বেশি। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগের একটি বিশেষ টিম দেশ ও বিদেশ থেকে এই প্রার্থী বাছাই এবং প্রচারণা কৌশল নিয়ে কাজ করছে।
ওই নির্বাচনী টিমের সদস্যদের দাবি, আওয়ামী লীগের প্রভাবাধীন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অন্তত ১০ থেকে ১৫টি আসনে নিশ্চিত জয় পেতে পারে। আরও ৪০টি আসনে তারা অল্প ব্যবধানে বিজয়ের আশা করছে। সব মিলিয়ে দলটির সম্ভাব্য সাফল্যের পরিমাণ ৩৫ থেকে ৬০ আসনের মধ্যে হতে পারে। ফলে আওয়ামী লীগ বিরোধী শিবিরে থেকেও সংসদে প্রভাব বজায় রাখতে পারে— এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বলছে, সীমিত আসনে জয় পেলে তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই তারা বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় গিয়ে সংসদে বৃহত্তর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চায়। দলটির ভেতরে এখন মন্ত্রিসভায় অংশগ্রহণের সম্ভাবনাও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আগামী জাতীয় সরকারের সম্ভাব্য মন্ত্রিপরিষদেও জামায়াত স্থান পেতে চায়, যেন দলীয় জনবল ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পুনর্গঠনের সুযোগ তৈরি হয়।
জামায়াতের এক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, বিরোধী দলে বসলে সরকারের সমালোচনা করা তাদের বাধ্যতামূলক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়াবে। সেই পরিস্থিতিতে যদি আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিরোধী দলে বসে সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাহলে সংসদে এক জটিল সমীকরণ তৈরি হবে। এতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিরোধী রাজনীতি ও জামায়াতের অবস্থান উভয়ই বিভ্রান্তিকর হয়ে উঠতে পারে। এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিকে ‘ট্র্যাজিক পলিটিক্স’ হিসেবে দেখছে জামায়াত, এবং তারা কোনোভাবেই এমন অবস্থায় যেতে চায় না।
ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়েই বিএনপি সরকারের পতনের আন্দোলনে অংশ নেয় জামায়াত। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার ধারণাটি প্রথম জামায়াতই সামনে এনেছিল। এখন যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, ভবিষ্যতে তাদের আবার আওয়ামী লীগের বিপরীতে বিএনপির পাশে দাঁড়াতে হয়, তাহলে সেটি দলীয় রাজনীতির জন্য এক গভীর আত্মঘাতী পদক্ষেপ হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এই প্রেক্ষাপটে জামায়াত নেতারা বেশ কৌশলী প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন। জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, জাতীয় পার্টি ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী ছিল এবং গণতন্ত্র ধ্বংসে সমান অংশীদার। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ছদ্মবেশে যত স্বতন্ত্র প্রার্থীই দিক না কেন, জনগণ তাদের চিনে ফেলবে এবং প্রতিহত করবে।
অন্যদিকে, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জামায়াত বিরোধী দলে যাবে না, বরং সরকার গঠনেই অংশ নেবে, ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জনগণের কাছে মুখ দেখাতে পারবে না, কারণ জনগণ আজ অত্যন্ত সচেতন।
সূত্র:যুগান্তর
আন্দোলন ছাড়া আর পথ নেই: সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, সংবিধান সংস্কারের চূড়ান্ত রায়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না ঘটায় এখন আন্দোলনের পথই তাদের একমাত্র বিকল্প। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’ সংক্রান্ত নোটিশের ওপর দুই ঘণ্টার আলোচনা শেষে স্পিকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই হুশিয়ারি দেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা সংসদের ভেতরেই সমাধান চেয়েছিলাম এবং জনগণের রায়কে সম্মান জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু স্পিকার ও সরকারি দল তা গ্রহণ না করে জনগণের অভিপ্রায়কে অবমূল্যায়ন করেছে।” তিনি উল্লেখ করেন যে, অতীতের তিনটি গণভোটে জনগণের রায় যথাযথভাবে গ্রহণ করা হলেও এবার সরকারি ও বিরোধী দল একমত থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষিত হয়েছে।
এই অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, তারা সংসদ ‘গিভ আপ’ করেননি, বরং জনগণের দাবি আদায়ে সংসদের অংশ হিসেবেই লড়াই চালিয়ে যাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা আরও জানান, জামায়াতসহ ১১টি দল দ্রুত বৈঠকে বসে পরবর্তী আন্দোলনের কর্মসূচি নির্ধারণ করবে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, “জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ইনশাআল্লাহ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এই আন্দোলন কোনো দল বা ব্যক্তির স্বার্থে নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক চরিত্র রক্ষা ও প্রকৃত সংবিধান সংস্কারের স্বার্থে।”
এর আগে সংসদে আলোচনার পর স্পিকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিরোধী দল ওয়াকআউট করলে স্পিকার জানান, একটি মুলতবি প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে এবং সেখানে তারা তাদের উত্তর পাবেন। তবে বিরোধী দল সেই আশ্বাসে সন্তুষ্ট না হয়ে আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
/আশিক
সংখ্যাগরিষ্ঠরা ভণ্ডামি করছে: সংসদ ছেড়ে ফেসবুকে বিস্ফোরক হাসনাত আব্দুল্লাহ
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা ডাকার বিষয়ে কোনো সুরাহা না হওয়ায় এবং প্রস্তাব নিয়ে সৃষ্ট টানাপোড়েনের প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি। এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর একটি পোস্ট রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবটি 'চাপা দেওয়ার' অভিযোগ তুলে বিরোধী দলগুলো তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করে। এর পরপরই কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি সরাসরি অভিযোগ করে লেখেন, ‘Hypocrisy by Majority- where truth and pretension are infused.’ অর্থাৎ, সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভণ্ডামিতে সত্য এবং ছদ্মবেশ মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাসনাত আবদুল্লাহ এখানে ‘সংখ্যাগরিষ্ঠ’ বলতে সংসদে থাকা সরকারি দল বা ট্রেজারি বেঞ্চকেই ইঙ্গিত করেছেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা ডাকার বিষয়ে কোনো প্রতিকার না পেয়ে বিরোধী শিবিরের এই ক্ষোভ সংসদীয় কার্যক্রমে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির এই ওয়াকআউট এবং পরবর্তী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও স্পষ্ট করে তুলল।
/আশিক
মুক্তিযুদ্ধ আমাদের পরিবারের রক্ত আছে: সংসদে আবেগঘন জামায়াতের আমির
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের একটি মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি নিজেকে 'শহীদ পরিবারের সন্তান' হিসেবে দাবি করেছেন। মূলত গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করতে গিয়ে তিনি এই ব্যক্তিগত পরিচয় তুলে ধরেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও মানুষের পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। স্পিকারকে সম্বোধন করে তিনি বলেন, "আপনি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি শহীদ পরিবারের সন্তান।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছিলেন, তার পরিবারের সদস্যদের রক্তও সেই তালিকায় মিশে আছে।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজেকে শহীদ পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয় দিলেও, জাতীয় সংসদের ফ্লোরে দাঁড়িয়ে এবারই প্রথম এমন দাবি করলেন তিনি। তার এই বক্তব্য সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে, কারণ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতার মুখ থেকে এ ধরনের পারিবারিক পরিচয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
/আশিক
নিয়ম সবসময় শাসকের অনুসারী: হাসনাত আবদুল্লাহ
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে নিয়মের জটিলতা ও সংসদীয় মারপ্যাঁচে পড়া নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি এই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন। স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিয়মের বেড়াজালে কখনো কখনো যেমন স্পিকারকে আটকে দেওয়া হয়, তেমনি সংসদ সদস্যদেরও নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়। হাসনাত আবদুল্লাহর মতে, নিয়ম সবসময় শাসকদের অনুকূলে চলে; যখন তা পক্ষে থাকে তখন তাকে নিয়ম বলা হয়, আর বিপক্ষে গেলে তাকে প্রথা বা ‘কাস্টম’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। সাংবিধানিক ও অসাংবিধানিক যুক্তির মারপ্যাঁচে সংসদ বর্তমানে ঘুরপাক খাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার নির্বাচনী এলাকা দেবীদ্বারের ১ লাখ ৭২ হাজার ভোটারের আস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এলাকার একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেবীদ্বার থেকে চান্দিনা পর্যন্ত বিস্তৃত সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির প্রস্থ মাত্র ১২ ফুট। সংকীর্ণ হওয়ার কারণে এই রাস্তায় দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা একসঙ্গে পার হতেও প্রচণ্ড সমস্যায় পড়ে। সড়কটি ওই এলাকার ১১টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে যাওয়ার ফলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, এই সড়কটি প্রশস্ত করা গেলে ওই অঞ্চলের ইউনিয়নগুলোতে শিল্প-কারখানা ও কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা স্থানীয়দের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাথে সংযুক্ত এই সড়কটি উন্নত করা হলে কুমিল্লা, ঢাকা ও সিলেটের মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার কমে আসবে। সার্বিক অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের স্বার্থে ১২ ফুটের এই সংকীর্ণ সড়কটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ হাইওয়েতে রূপান্তরের জন্য তিনি স্পিকারের মাধ্যমে জোরালো আবেদন জানান।
/আশিক
সংসদ কি তার প্রেক্ষাপট ভুলে যাচ্ছে? অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের কড়া সমালোচনা
জাতীয় সংসদের বর্তমান কার্যক্রমে ‘জুলাই সনদ’ ও ‘গণভোট’-এর আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন নেই বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই সংসদটি যে বিশেষ প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে, সেই ইতিহাস যেন সবাই ভুলে যেতে বসেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল, বর্তমান সংসদের দৈনন্দিন কার্যক্রম দেখলে মনে হয় তেমন কিছুই ঘটেনি।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ দাবি করেন, সংসদের নিয়মিত ও সাধারণ সব কার্যক্রমের চেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে ‘গণভোট’ এবং ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন’ আদেশের ওপর আলোচনার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। তিনি মনে করেন, এই বিষয়টি অন্য যেকোনো জাতীয় ইস্যুর তুলনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্বের দাবি রাখে এবং দ্রুত এর একটি যৌক্তিক সুরাহা হওয়া প্রয়োজন। এই বিষয়গুলোর যথাযথ সমাধান নিশ্চিত করার পরই সংসদের রুটিনমাফিক কাজগুলো পরিচালনা করা সংগত হবে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে নাহিদ ইসলাম জানান যে, সংসদীয় বিধি মোতাবেক বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর আগে আলোচনা শুরু করা হোক। হাউসের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দেওয়া এই নোটিশটি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হোক।
/আশিক
সংসদে ইনসাফ থাকলে দেশজুড়ে ন্যায়বিচার সম্ভব: ডা. শফিকুর রহমান
জাতীয় সংসদ যদি ইনসাফ বা ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়, তবে পুরো দেশেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি সংসদকে দেশের সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার আহ্বান জানান।
ডা. শফিকুর রহমান ডেপুটি স্পিকারের নিরপেক্ষতার প্রতিশ্রুতির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “এই চেয়ারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইনসাফের একটি চেয়ার। আপনি যে নিরপেক্ষতার বার্তা দিয়েছেন এবং যার যা পাওনা তাকে সেভাবে দেওয়ার কথা বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ ঠিক এটাই কামনা করে।” তিনি ডেপুটি স্পিকারকে আশ্বস্ত করে জানান, সংসদীয় কার্যক্রমে তাঁর নেওয়া সকল সংগত পদক্ষেপে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
ডেপুটি স্পিকারের বিনয়ী আহ্বানের প্রতিধ্বনি তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, মানুষ হিসেবে ভুল হওয়া স্বাভাবিক এবং দায়িত্ব পালনকালে কোনো বিচ্যুতি ঘটলে তা নির্দ্বিধায় ও নিঃসঙ্কোচে শুধরে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে বিরোধী দল। তিনি বিশ্বাস করেন, ইনসাফের ভিত্তিতে সংসদ পরিচালনা করতে পারলে দেশের প্রতিটি স্তরেই এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পরিশেষে, তিনি ডেপুটি স্পিকারের সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা করে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
/আশিক
তারেক রহমানকে মাইনাস করার নীল নকশা দিয়েছিল এজেন্সিগুলো: আসিফ
২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার জন্য ‘ডিপ স্টেট’ বা শক্তিশালী কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে কৌশলগত প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন এনসিপি মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) বিকেলে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। আসিফ মাহমুদের দাবি অনুযায়ী, সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার শুরুর দিকেই এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যেখানে শেখ হাসিনার মেয়াদের অবশিষ্টাংশ পূর্ণ করার সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
আসিফ মাহমুদ জানান, সেই ‘ডিপ স্টেট’ এজেন্সিগুলো নির্দিষ্ট কিছু শর্তের বিনিময়ে রোডম্যাপও তৈরি করে দিয়েছিল। তিনি বলেন, “তারা আমাদের অফার করেছিল যেন আমরা ২০২৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করি। তাদের স্ট্র্যাটেজি ছিল বিএনপির সাজাপ্রাপ্ত নেতাদের আইনি মারপ্যাঁচে নির্বাচনের বাইরে রাখা। এমনকি তারেক রহমানের সাজার বিষয়টি ব্যবহার করে কীভাবে তাঁকে নির্বাচনের বাইরে রেখে ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করা যায়, সেই পরিকল্পনাও তারা দিয়েছিল। কিন্তু আমরা সেই আপস বা সমঝোতায় রাজি হইনি।”
তিনি বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বলেন, গণতন্ত্রের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তাঁরা নির্বাচন দিয়ে পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু বর্তমান সরকারে বিগত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যক্তিকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’কে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা আগে নির্বাচনের সমান সুযোগের কথা বলে তাঁদের পদত্যাগ চেয়েছিল, তারাই এখন সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করছে। আসিফ মাহমুদের মতে, ‘সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার’ দোহাই দিয়ে চাইলে তাঁরাও ২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারতেন, যদি তারা ‘ডিপ স্টেট’-এর সঙ্গে সেই সমঝোতা করতেন।
/আশিক
শাসক বদলালেও বদলায়নি শোষণের ধারা: জামায়াত আমির
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দেশে শাসক বদলালেও শোষণের ধারা এখনো বদলায়নি।
বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট দল নির্বাচিত হয়েই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে নিজেদের লোক নিয়োগ দিয়ে জনগণের রায় অমান্য করার চেষ্টা করছে।
ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিরা জনরায় মূল্যায়ন না করায় যেমন তরুণরা অস্ত্র হাতে নিয়েছিল, বর্তমান সরকারও যদি ২০২৪ সালের গণআকাঙ্ক্ষা তথা জুলাই সনদ মেনে না নেয়, তবে তরুণ সমাজ আবারও কঠিন জবাব দেবে।
তিনি আরও যোগ করেন, জামায়াতে ইসলামী সংসদের ভেতরে এবং বাইরে জনগণের অধিকার আদায়ে লড়তে প্রস্তুত। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।
আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, বৈষম্যহীন সেবা নিশ্চিত করতেই তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু এখনো সেই বৈষম্য কাটেনি।
তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, জনগণের রায়ের বিপক্ষে না হেঁটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে জাতির কাছে স্মরণীয় হওয়ার সুযোগ রয়েছে তাঁর সামনে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলনসহ অন্য বক্তারা জুলাই সনদ নিয়ে হাইকোর্টে রিট এবং সরকারের ‘৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে যাওয়ার’ চেষ্টার তীব্র সমালোচনা করেন।
/আশিক
সুনামগঞ্জে জামায়াত নেতার বাড়িতে বিদেশি পিস্তলসহ বিপুল অস্ত্র উদ্ধার
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় একটি বিশেষ গোয়েন্দা অভিযানে স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি পিয়ার আলী, যিনি উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামিসি (রসুলপুর) গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয়ভাবে জামায়াতে ইসলামীর আঞ্চলিক শাখার সভাপতি হিসেবে পরিচিত। অভিযানের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার গভীর রাতে, আনুমানিক রাত ২টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় পিয়ার আলীর নিজ বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলভার, একটি একনলা বন্দুক এবং একটি দেশীয় পাইপগান রয়েছে। পাশাপাশি ১৩ রাউন্ড গুলি, ১৪ বক্স ক্যালিবারের এয়ারগানের গুলি এবং একটি খালি পিস্তলের ম্যাগাজিনও জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি ধারালো প্রাণঘাতী অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অভিযান শেষে সেনাবাহিনী উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ জগন্নাথপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে পুলিশ অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করে, যেখানে পিয়ার আলীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অবৈধ অস্ত্র মজুদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- আন্দোলন ছাড়া আর পথ নেই: সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির
- স্পেনে মুসলিম বিরোধী স্লোগান! সমর্থকদের কড়া জবাব দিলেন ১৮ বছরের ইয়ামাল
- নদীতে ভাসছে টাকার বস্তা! ভাইরাল ছবির আসল রহস্য ফাঁস
- চাঁদ জয়ে ৪ লাখ কিলোমিটার যাত্রা! শুরু হচ্ছে ঐতিহাসিক মহাকাশ অভিযান
- রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম! ৪ দিনেই দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ উচ্চতায় দাম
- নানিয়ারচর সেনা জোন (১৭ ই বেংগল) কর্তৃক পঙ্গু রোগীকে হুইল চেয়ার প্রদান
- ১৮০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান! শিক্ষা খাতে বড় বদল আনছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- সংখ্যাগরিষ্ঠরা ভণ্ডামি করছে: সংসদ ছেড়ে ফেসবুকে বিস্ফোরক হাসনাত আব্দুল্লাহ
- সাফ অনূর্ধ্ব-২০: নেপাল বধ করে শিরোপার মঞ্চে লাল-সবুজ
- সংসদীয় ইতিহাসে বিরল নজির: সরকারি দলের মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ সংসদে
- ২-৩ সপ্তাহের মধ্যেই ইরান ছাড়বে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
- শত্রুদের জন্য বন্ধ হরমুজ প্রণালি! সাগরে যুদ্ধের নতুন ছক কষছে ইরান
- সংসদে আওয়ামী আমলের পাচারের খতিয়ান দিলেন তারেক রহমান
- কুমিল্লায় সড়কে প্রাণ গেল ৬ জনের
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আমিরাত? হরমুজ প্রণালি মুক্ত করার বড় পরিকল্পনা
- মেক্সিকোর মাটিতেই ইতিহাস! ৪ দশক পর বিশ্বকাপের টিকিট পেল ইরাক
- হরমুজ প্রণালির মুখে আগুন! ইরানের বাণিজ্যিক বন্দরে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলা
- রণক্ষেত্র পেরিয়ে ফিরছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী ৬ জাহাজ! বড় ঘোষণা ইরানের
- আমিরাতে ড্রোন হামলার ধ্বংসাবশেষে প্রাণ গেল বাংলাদেশির!
- এএন-২৬ এর অভিশপ্ত ইতিহাস! আবারও ২৯টি প্রাণ কেড়ে নিল পুরনো মডেলের বিমান
- বোনের জন্য কেক নিয়ে ফেরা হলো না নিশাতের!
- মেসি-ম্যাজিকে বিধ্বস্ত জাম্বিয়া! বিশাল জয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ প্রস্তুতি
- শেষ ৪ মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেল ক্রোয়েশিয়া! ব্রাজিলের বিধ্বংসী জয়
- যুদ্ধের ১ মাস: ১৬ হাজার গোলাবারুদ আর ৮০০ বিমান হামলায় বিধ্বস্ত ইরান!
- ইরানের পক্ষে লড়বে চেচেন যোদ্ধারা! কাদিরভ বাহিনীর ‘জিহাদ’ ঘোষণা
- ৩ সপ্তাহেই কি থামছে ইরান যুদ্ধ? হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্পের রহস্যময় বার্তা
- আজ শনিবার: রাজধানীতে যেসব কর্মসূচি রয়েছে
- মোজাম্মেলের অবৈধ টাকায় পলাতক পুলিশ কর্তাদের বিলাসী জীবন!
- ঘর থেকে বের হওয়ার আগে দেখে নিন: বুধবার ঢাকার কোথায় কোথায় মার্কেট বন্ধ
- কুয়েত বিমানবন্দরে ভয়াবহ ড্রোন হামলা! জ্বালানি ডিপোতে আগুনের লেলিহান শিখা
- হরমুজ প্রণালি: ট্রাম্পের গলার কাঁটা? কেন এই জলপথ ইরানকে দিচ্ছে বাড়তি শক্তি
- ২০২৬ বিশ্বকাপেও নেই ৪ বারের চ্যাম্পিয়নরা
- কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, বড় ক্ষয়ক্ষতি
- পাঁচদিন বৃষ্টির আভাস, কী বলছে আবহাওয়া অফিস
- ঘামের দুর্গন্ধ দূর করবেন কীভাবে, জানুন সহজ উপায়
- নফল নামাজসহ আজকের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি এক নজরে
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে পুতিন-আল নাহিয়ানের আলোচনা
- যুদ্ধ থামাতে প্রস্তুত ইরান, তবে শর্তে সমাধান
- আজকের খেলার সূচি, কোন ম্যাচ কখন
- বুধবার চার ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- মোজতবা খামেনি কোথায়, যা জানা গেল
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিকে টার্গেটের হুমকি ইরানের
- যুদ্ধ থামতে পারে দ্রুত ও হরমুজ প্রণালি খুলে যাবে: ট্রাম্প
- শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ডিআইজি জলিল? ট্রাইব্যুনালের বড় তথ্য
- চীনের ৫ দফা প্রস্তাব! ইরান যুদ্ধ থামাতে বেইজিং-ইসলামাবাদ ঐতিহাসিক চুক্তি
- সবচেয়ে দূরবর্তী রেডিও সংকেতের সন্ধান: আদি মহাবিশ্বের গোপন তথ্য ফাঁস
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
- ৩১ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- চিরদিনই তুমি যে আমার খ্যাত নায়ক রাহুলের অকাল প্রয়াণ
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি
- ভিয়েতনামের গতির কাছে অসহায় লাল-সবুজ: প্রথমার্ধে রক্ষণের বেহাল দশা
- সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে মিশন ভিয়েতনাম: কাবরেরার তুরুপের তাস কি আজ মাঠে নামবে?
- ২৯ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








