সরাসরি গ্লিসারিন ব্যবহারেই বিপদ! ত্বকের সুরক্ষায় জানুন সঠিক নিয়ম

শীতকাল হোক বা সারাবছর, ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে গ্লিসারিন একটি অত্যন্ত কার্যকর ও পরিচিত উপাদান। এটি মূলত একটি ‘হিউমেকট্যান্ট’, যা বাতাস ও ত্বকের গভীর থেকে পানি টেনে এনে উপরের স্তরকে সতেজ রাখে। তবে এই গুণটিই কখনো কখনো বিপদের কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, সরাসরি বা অপরিশোধিত (Undiluted) গ্লিসারিন মুখে ব্যবহার করলে তা ত্বকের ভেতর থেকে পানি টেনে নিয়ে ত্বককে উল্টো আরও শুষ্ক করে দেয়, এমনকি মুখে ফোসকাও ফেলতে পারে।
ত্বকের উপরিভাগে প্রাকৃতিক সুরক্ষাস্তর তৈরি করা, ক্ষত সারাতে সাহায্য করা এবং সোরিয়াসিসের মতো সমস্যা কমানোর ক্ষেত্রে গ্লিসারিন অতুলনীয়। তবে এর নিরাপদ ব্যবহারের প্রধান শর্ত হলো এটি অন্য কিছুর সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা। গবেষণায় দেখা গেছে, গ্লিসারিনের সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে ব্যবহার করলে এর কার্যকারিতা বহুগুণ বেড়ে যায় এবং ত্বকের প্রদাহ কমে। সরাসরি গ্লিসারিন ব্যবহারের বদলে গ্লিসারিনযুক্ত নামী ব্র্যান্ডের লোশন বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
যাদের ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে গ্লিসারিন ব্যবহারে অ্যালার্জি, চুলকানি বা লালচে ভাব দেখা দিতে পারে। এমন হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রথমে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে, তুলায় অল্প গ্লিসারিন নিয়ে হালকাভাবে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলতে হবে। মনে রাখবেন, প্রাকৃতিক উপাদান হলেও নিয়ম না জানলে গ্লিসারিন উপকারের বদলে অপকারই বেশি করতে পারে। তাই সচেতন ব্যবহারই আপনাকে দেবে সুস্থ ও সুন্দর ত্বক।
/আশিক
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করবেন কীভাবে, জানুন সহজ উপায়
গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘামের কারণে শরীরে দুর্গন্ধ তৈরি হওয়া একটি সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর সমস্যা, যা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক স্বাচ্ছন্দ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুর্গন্ধের মূল কারণ ঘাম নিজে নয়; বরং ত্বকের ওপর থাকা ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে ঘামের রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলেই এই গন্ধ সৃষ্টি হয়।
দৈনন্দিন পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এই সমস্যার সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়। নিয়মিত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান দিয়ে গোসল করলে ত্বকে থাকা জীবাণুর সংখ্যা কমে যায়, ফলে দুর্গন্ধের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। গোসলের পর শরীর সম্পূর্ণ শুকনো রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আর্দ্র পরিবেশ ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির জন্য সহায়ক।
অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ও ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পার্থক্য বোঝা জরুরি। অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট মূলত ঘাম উৎপাদন কমায়, আর ডিওডোরেন্ট দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। তাই অতিরিক্ত ঘাম হলে অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট এবং সাধারণ দুর্গন্ধের ক্ষেত্রে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার কার্যকর হতে পারে।
পোশাক নির্বাচনও এই সমস্যার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। সুতি, লিনেন বা সিল্কের মতো প্রাকৃতিক তন্তুর কাপড় বাতাস চলাচল সহজ করে এবং ঘাম দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। বিপরীতে সিন্থেটিক কাপড় ঘাম আটকে রেখে দুর্গন্ধ বাড়াতে পারে।
ঘরোয়া পদ্ধতিতেও ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। বেকিং সোডা ত্বকের আর্দ্রতা শোষণ করে এবং ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্রম কমাতে সহায়তা করে। লেবুর রস প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে এবং ত্বকের পিএইচ মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। একইভাবে ভিনেগার জীবাণু ধ্বংসে কার্যকর এবং নিমপাতা ত্বকের টক্সিন দূর করতে সহায়ক।
বগলের লোম পরিষ্কার রাখা দুর্গন্ধ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, কারণ লোমে ঘাম জমে ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার সহজ হয়। এছাড়া নিয়মিত পোশাক পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজনে ভিনেগার বা বেকিং সোডা মিশ্রিত পানিতে কাপড় ভিজিয়ে ধোয়া দুর্গন্ধ দূর করতে কার্যকর।
খাদ্যাভ্যাসও শরীরের গন্ধে প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, পেঁয়াজ, রসুন এবং লাল মাংস খাওয়ার ফলে শরীরের গন্ধ তীব্র হতে পারে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত পানি পান শরীরের টক্সিন বের করতে সহায়তা করে এবং দুর্গন্ধ কমায়।
তবে যদি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করার পরও সমস্যা থেকে যায়, তাহলে তা কোনো অন্তর্নিহিত শারীরিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
সামগ্রিকভাবে, ঘামের দুর্গন্ধ একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য সমস্যা, যা সঠিক পরিচ্ছন্নতা, উপযুক্ত পোশাক নির্বাচন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং প্রয়োজনীয় যত্নের মাধ্যমে সহজেই কমানো সম্ভব।
মাথা ব্যথায় অস্থির? জেনে নিন হুটহাট যন্ত্রণা বাড়ার আসল কারণ
মাথা ব্যথাকে আমরা অনেকেই সাধারণ সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যাই, কিন্তু এটি যখন অসহ্য হয়ে দাঁড়ায় তখন দৈনন্দিন কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনিয়মিত জীবনযাপন এবং ছোটখাটো কিছু অসতর্কতাই মূলত হুটহাট মাথার যন্ত্রণা বাড়িয়ে দেওয়ার পেছনে দায়ী।
তীব্র আলো, বিকট শব্দ কিংবা দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকা মাথা ব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে খালি পেটে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়, যা সরাসরি মাথায় চাপ সৃষ্টি করে। এছাড়া যাদের মাইগ্রেন বা সাইনাসের সমস্যা আছে, তাদের জন্য রোদ একটি বড় শত্রু। রোদে বের হলে বা পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং মাথা ঝিমঝিম করতে থাকে। সর্দি বা কফ জমার ধাত থাকলেও মাথা ভার হয়ে ব্যথা হতে পারে।
মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে হলে কিছু নিয়ম মানা জরুরি। ব্যথা শুরু হলে কোনো শান্ত ও অন্ধকার ঘরে বিশ্রাম নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর। এছাড়া সময়মতো খাবার খাওয়া এবং বাইরে বের হওয়ার সময় রোদ থেকে বাঁচতে ছাতা বা সানগ্লাস ব্যবহার করা উচিত। তবে মনে রাখবেন, ঘন ঘন মাথা ব্যথা হলে নিজে নিজে ব্যথানাশক ওষুধ না খেয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
সূত্র : এবিপি
আপনার শিশু কি নিরাপদ? হামের প্রকোপ রুখতে এখনই যা করা জরুরি
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখন আর কেবল সাধারণ রোগ নেই, বরং এটি বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। মার্চ মাসেই অন্তত ২১ শিশুর মৃত্যু এবং ১০টি জেলায় দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার খবর জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত টিকাদানের ঘাটতি, শিশুদের পুষ্টিহীনতা এবং মাতৃদুগ্ধের অভাবের কারণে এই মরণঘাতী ভাইরাসের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
প্যারা-মিক্সোভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ানো এই রোগটি এতটাই সংক্রামক যে, একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে একই ঘরে বসবাসকারী ৯০ শতাংশ মানুষ সংক্রমিত হতে পারেন। হাঁচি-কাশি বা বাতাসের ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে এটি ছড়ায় এবং কোনো পৃষ্ঠে ভাইরাসটি দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। শরীরে প্রবেশের পর এটি দ্রুত ফুসফুস ও লিম্ফ নোড হয়ে এমনকি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ফুসকুড়ি ওঠার চার দিন আগে থেকেই আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যের শরীরে রোগটি ছড়িয়ে দিতে সক্ষম।
হামের প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। প্রথম ৩-৪ দিন শুষ্ক কাশি, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং তীব্র জ্বরের পাশাপাশি ক্লান্তি দেখা দেয়। এ সময় মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ বা ‘কোপলিক স্পট’ দেখা দিতে পারে, যা হামের প্রধান সংকেত। এরপর কানের পেছন থেকে শুরু হয়ে লালচে-বাদামি ফুসকুড়ি পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পেলে নিউমোনিয়া বা মস্তিষ্কের প্রদাহের (এনসেফালাইটিস) মতো মারাত্মক জটিলতা তৈরি হতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, হাম প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত আইসোলেশনে বা আলাদা রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পুষ্টিকর তরল খাবার নিশ্চিত করতে হবে। তবে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হলো সময়মতো টিকা নেওয়া। টিকাদানের হার কম এমন এলাকায় সংক্রমণ দ্রুত মহামারি রূপ নিতে পারে, তাই শিশুদের সুরক্ষায় জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি সফল করা এখন সময়ের দাবি।
/আশিক
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় ভুগছেন? মন ভালো করার ৫টি জাদুকরী কৌশল
মানসিক চাপ আর নেতিবাচক চিন্তা বর্তমান সময়ে আমাদের নিত্যসঙ্গী। অতিরিক্ত কাজের চাপ বা ব্যক্তিগত নানা কারণে মন বিষণ্ণ হয়ে পড়া অস্বাভাবিক নয়। তবে এই নেতিবাচক ভাবনার বৃত্তে আটকে থাকলে তা আমাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে। সারাক্ষণ মাথায় ঘুরপাক খাওয়া এই দুশ্চিন্তা কমাতে এবং মনকে চনমনে রাখতে কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর কৌশল দারুণ কাজে দিতে পারে।
মন খারাপের সময় নিজেকে গুটিয়ে না রেখে সক্রিয় রাখাটা সবচেয়ে জরুরি। অলস বসে থাকলে নেতিবাচক চিন্তাগুলো আরও জেঁকে বসে। তাই মন খারাপ হলে ঘরেই হালকা হাঁটাহাঁটি করা, ঘর গোছানো বা সামান্য ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসরণ হয়, যা মনকে সতেজ করে। পাশাপাশি নিজের পছন্দের কাজ যেমন—গান শোনা, বই পড়া বা শখের কোনো কাজে ডুবে থাকলে মনোযোগ অন্যদিকে সরে যায় এবং মনের ওপর চাপ কমে।
বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের নেতিবাচক চিন্তার অন্যতম বড় উৎস। অন্যের জীবনের চাকচিক্য দেখে নিজের সঙ্গে তুলনা করলে মন আরও খারাপ হতে পারে। তাই মন খারাপের সময় মোবাইল বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা বুদ্ধিমানের কাজ। পরিবর্তে বন্ধু বা পরিবারের বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে মনের কথা শেয়ার করলে মনের বোঝা অনেকটাই হালকা হয়। এছাড়া নিয়মিত দীর্ঘ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা 'ডিপ ব্রিদিং' করলে স্নায়ু শান্ত হয় এবং তাৎক্ষণিক দুশ্চিন্তা কমে। মনে রাখবেন, সমস্যা থেকে পালিয়ে নয়, বরং নিজেকে কিছুটা সময় দিয়ে এই ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমেই মনকে শক্ত করা সম্ভব।
/আশিক
তরুণদের হার্ট অ্যাটাক: রিপোর্টে সব স্বাভাবিক থাকলেও লুকিয়ে থাকতে পারে বড় বিপদ
তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইদানীং হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে যা চিকিৎসকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। অনেক সময় দেখা যায় যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা সুস্থ জীবনযাপন করছেন, তাদেরও লিপিড প্রোফাইল রিপোর্টে সবকিছু স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও অকালেই প্রাণ হারাতে হচ্ছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, প্রচলিত এইচডিএল বা এলডিএল কোলেস্টেরলের বাইরেও শরীরে এক নীরব ঘাতক লুকিয়ে থাকতে পারে যার নাম লিপোপ্রোটিন। এটি মূলত এমন এক ধরনের কোলেস্টেরল যা নিঃশব্দে রক্তনালিতে চর্বি জমায় এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়। এই উপাদানের সবচেয়ে ভয়ের দিক হলো এটি সম্পূর্ণ জিনগত বা বংশগত। অর্থাৎ খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন বা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেও এর মাত্রা খুব একটা কমানো সম্ভব হয় না। ফলে অনেক স্বাস্থ্যসচেতন মানুষও অজান্তে এই প্রাণঘাতী ঝুঁকির মধ্যে থেকে যান।
বিশেষজ্ঞদের মতে রক্তে লিপোপ্রোটিনের মাত্রা বেশি থাকলে রক্তনালিতে দ্রুত প্রদাহ সৃষ্টি হয় যা কোনো পূর্বলক্ষণ ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে। বিশেষ করে যাদের পেটের মেদ, ডায়াবেটিস বা পরিবারে অল্প বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস রয়েছে, তাদের জন্য এই ঝুঁকি আরও বেশি।
এমনকি সাধারণ এলডিএল কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ভেতরে ভেতরে রক্তনালির ক্ষতি চলতে পারে। যেহেতু লিপোপ্রোটিনের মাত্রা জন্মগতভাবে নির্ধারিত হয় এবং সারা জীবন প্রায় অপরিবর্তিত থাকে, তাই চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন জীবনে অন্তত একবার এই পরীক্ষাটি করা জরুরি। বিশেষ করে ১৮ বছর বয়সের মধ্যেই এটি পরীক্ষা করে নিলে ভবিষ্যতের বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
যদিও লিপোপ্রোটিনের মাত্রা সরাসরি কমানো কঠিন, তবে সঠিক সচেতনতার মাধ্যমে এর ঝুঁকি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা সর্বনিম্ন রাখা, নিয়মিত শরীরচর্চা, সুষম খাবার গ্রহণ এবং ধূমপান বা মদ্যপান থেকে দূরে থাকাই হলো এর প্রধান সুরক্ষা কবচ।
অনেক ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক সবসময় হুট করে ঘটে না বরং শরীর আগে থেকেই বিভিন্ন সতর্ক সংকেত দেয় যা আমরা বুঝতে পারি না। লিপোপ্রোটিন ঠিক তেমনই এক অদৃশ্য ঝুঁকি যা একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই আগেভাগে ধরা সম্ভব। সঠিক সময়ে সচেতন হতে পারলে অকাল মৃত্যুর হাত থেকে নিজেকে এবং প্রিয়জনকে বাঁচানো সম্ভব বলে মনে করছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন
স্ক্রিনের নেশায় চোখের বারোটা? ঘরোয়া উপায়ে ফেরান চোখের জ্যোতি
ডিজিটাল প্রযুক্তির এই যুগে আমাদের দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন কিংবা টিভির স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে। অফিসের কাজ থেকে শুরু করে বিনোদন—সবকিছুতেই স্ক্রিনের ওপর নির্ভরশীলতা চোখের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছে।
এই ডিজিটাল আসক্তির কারণে অনেকেরই চোখ শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে, আবার কারো চোখের মণি ভারী হয়ে আসার মতো অস্বস্তি দেখা দিচ্ছে। এসব ছোটখাটো সমস্যা অবহেলা করলে ভবিষ্যতে বড় কোনো বিপদের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে ঘরোয়া কিছু সহজ কৌশলের মাধ্যমে চোখের এই ক্লান্তি দূর করে সতেজতা বজায় রাখা সম্ভব।
একটানা কোনো স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে আমরা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম সময় চোখের পাতা ফেলি। এর ফলে চোখের মণি ও চারপাশের পেশিতে প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়। দীর্ঘক্ষণ পড়াশোনা, একটানা ড্রাইভিং বা অফিসে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে বসে থাকার কারণে চোখের বিশ্রামের প্রয়োজন হয় সবচেয়ে বেশি।
চোখের এই ক্লান্তি কাটাতে কোল্ড কমপ্রেস বা শীতল স্পর্শ বেশ কার্যকর। এটি চোখের ফোলাভাব কমাতে দ্রুত আরাম দেয়। এর জন্য বাজার থেকে জেল প্যাক কিনে ব্যবহার করা যায় অথবা বাড়িতেই পাতলা পরিষ্কার কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে চিপে চোখ বন্ধ করে ৮ থেকে ১০ মিনিট চোখের ওপর দিয়ে রাখলে অনেক আরাম মেলে।
কাজের মাঝখানে যখনই চোখ ক্লান্ত লাগবে, তখনই হাতের তালুর সাহায্যে উষ্ণতা বা ভাপ দেওয়া যেতে পারে। দুই হাতের তালু একে অপরের সঙ্গে ঘষে হালকা গরম করে নিয়ে চোখ বন্ধ করে আলতোভাবে চোখের ওপর রাখলে পেশিগুলো শিথিল হতে শুরু করে। এছাড়া রান্নাঘরে থাকা সাধারণ কিছু প্রাকৃতিক উপাদানও চোখের যত্নে বেশ উপকারী।
যেমন, শসা কুচি বা গোল স্লাইস করে চোখের ওপর রাখলে জ্বালাপোড়া ও চোখের নিচের কালো দাগ কমে। ব্যবহৃত ঠান্ডা গ্রিন টি ব্যাগ বা টাটকা অ্যালোভেরা জেলও চোখের সতেজতা ফেরাতে দারুণ কাজ করে।
বিশেষজ্ঞরা চোখের সুরক্ষায় একটি বিশেষ সূত্রের কথা বলেন, যাকে বলা হয় ‘২০-২০-২০ নিয়ম’। এই নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ২০ মিনিট পর পর স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে ২০ ফুট দূরে থাকা কোনো বস্তুর দিকে অন্তত ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকতে হবে। এতে চোখের ফোকাস করার পেশিগুলো প্রয়োজনীয় বিশ্রাম পায়। এসব পদ্ধতি চোখের সাধারণ ক্লান্তি কাটাতে সাহায্য করলেও, যদি চোখে দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমস্যা বা তীব্র ব্যথা অনুভব হয়, তবে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
/আশিক
ত্বকের জাদুকরী পানীয় গোলাপজল: রূপচর্চায় এর ৩টি অজানা ব্যবহার
রূপচর্চায় গোলাপজল একটি অনন্য উপাদান, যা সব ধরনের ত্বকের জন্য নিরাপদ এবং কার্যকর। বিশেষ করে গরমের দিনে ত্বকের জ্বালা ভাব কমাতে, আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং সতেজতা ফেরাতে এর জুড়ি নেই। একে ত্বকের 'পানীয়' বলা হয় কারণ এটি ত্বককে ভেতর থেকে প্রাণবন্ত করে তোলে। কেবল টোনার হিসেবেই নয়, ঘরোয়া রূপচর্চায় গোলাপজল ব্যবহারের আরও তিনটি দারুণ উপায় রয়েছে।
প্রথমত, গোলাপজল দিয়ে বরফ তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করা যায়।
বরফের ট্রে-তে গোলাপজল জমিয়ে সেই টুকরো মেকআপ করার আগে এক মিনিট মুখে ঘষে নিলে মেকআপ সহজে গলে যায় না এবং ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।
দ্বিতীয়ত, এটি দিয়ে সহজেই ফেশিয়াল মিস্ট তৈরি সম্ভব। একটি স্প্রে বোতলে গোলাপজল ভরে ফ্রিজে রেখে দিলে রোদে পোড়া ত্বকে তাৎক্ষণিক স্বস্তি মেলে।
এছাড়া চোখের ফোলা ভাব ও ক্লান্তি দূর করতে ঠান্ডা গোলাপজলে ভেজানো তুলো চোখের ওপর ৫ মিনিট রাখলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত এই অভ্যাসে চোখের নিচের কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেলও কমে আসে।
/আশিক
যেসব লক্ষণে বুঝবেন শরীরে কমছে টেস্টোস্টেরন: অবহেলা করলেই মহাবিপদ!
পুরুষের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার মূল চাবিকাঠি হলো টেস্টোস্টেরন হরমোন। এটি কেবল যৌনস্বাস্থ্যের সঙ্গেই নয়, বরং পেশির শক্তি, হাড়ের গঠন, মেজাজ এবং স্মৃতিশক্তির ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত ৪০ বছর বয়সের পর থেকে এই হরমোনের মাত্রা প্রতি বছর গড়ে ১ শতাংশ করে কমতে শুরু করে। তবে আধুনিক জীবনযাত্রার চাপে অনেক সময় অল্প বয়সেই এই ঘাটতি দেখা দিচ্ছে, যা অনেকেই সাধারণ ক্লান্তি ভেবে এড়িয়ে যান।
টেস্টোস্টেরন কমে গেলে শরীর বেশ কিছু সংকেত দেয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও সারাক্ষণ ক্লান্তি অনুভব করা, কাজে মনোযোগের অভাব, খিটখিটে মেজাজ এবং যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করার পরেও পেশির শক্তি কমে আসা এবং পেটের চারপাশে মেদ জমা এই হরমোন হ্রাসের বড় লক্ষণ। এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, দীর্ঘদিন এই সমস্যা বজায় থাকলে হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের অভাব, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান ও স্থূলতাকে এই হরমোন কমে যাওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করছেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বাজারচলতি বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের বিষয়ে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে, কারণ এগুলোর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই এবং তা শরীরের জন্য উল্টো ক্ষতিকর হতে পারে। সঠিক সময়ে লক্ষণ চিনে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
/আশিক
ফেরী, নৌকা, গাড়ি, পথ- সফর নিরাপদ করতে রাসুল (সা.)-এর শেখানো দোয়া
মানুষের জীবনে ভ্রমণ একটি অনিবার্য বাস্তবতা। প্রতিদিনই মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করে। তবে ভ্রমণ যত সহজ হয়েছে, ততই বেড়েছে ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা। তাই নিরাপদ সফর নিশ্চিত করতে ইসলাম কেবল শারীরিক সতর্কতার ওপরই জোর দেয়নি, বরং আধ্যাত্মিক সুরক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছে।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ভ্রমণের প্রতিটি ধাপের জন্য নির্দিষ্ট কিছু দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা একজন মুমিনকে আল্লাহর সুরক্ষার ছায়ায় রাখে এবং মানসিক প্রশান্তি প্রদান করে।
১. বাড়ি থেকে বের হওয়ার দোয়া
ভ্রমণের সূচনা হয় ঘর থেকে বের হওয়ার মাধ্যমে। এই সময় মহানবী (সা.) একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া পড়তে নির্দেশ দিয়েছেন-
আরবি:بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ وَ لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللَّهِ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি। আল্লাহর ওপরই ভরসা করলাম। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি বা ক্ষমতা নেই।
গুরুত্ব: হাদিস অনুযায়ী, এই দোয়া পাঠ করলে আল্লাহ নিজেই বান্দার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান এবং শয়তান দূরে সরে যায়।
২. যানবাহনে ওঠার দোয়া
যানবাহনে আরোহনের সময় মহানবী (সা.) আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেন-
আরবি:بسم الله الرحمن الرحيمسُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَوَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنقَلِبُونَ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সুবহানাল্লাজি সাখখারালানা হা-যা ওয়া-মা-কুন্না লাহু মুকরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনকালিবুন।
অর্থ: তিনি পবিত্র, যিনি এই বাহনকে আমাদের জন্য অনুগত করেছেন, অথচ আমরা নিজেরা তা আয়ত্ত করতে সক্ষম ছিলাম না। আমরা অবশ্যই আমাদের প্রভুর দিকে ফিরে যাব।
বিশ্লেষণ: এই দোয়া মানুষের মধ্যে কৃতজ্ঞতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করে, যা নিরাপদ আচরণে সহায়তা করে।
৩. সফরের পূর্ণাঙ্গ দোয়া
ভ্রমণকালীন নিরাপত্তা, সহজতা ও সুরক্ষার জন্য একটি দীর্ঘ দোয়া রয়েছে-
আরবি:
اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ فِي سَفَرِنَا هَذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوَى وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى
اللَّهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا سَفَرَنَا هَذَا وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَهُ
اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الأَهْلِ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَكَآبَةِ الْمَنْظَرِ
وَسُوءِ الْمُنْقَلَبِ فِي الْمَالِ وَالأَهْلِ
উচ্চারণ (সংক্ষেপে): আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা… (পূর্ণ উচ্চারণ উপরে বর্ণিত অনুযায়ী)
অর্থ (সারাংশ): হে আল্লাহ! আমাদের সফর সহজ করো, দূরত্ব কমাও, তুমি আমাদের সফরের সঙ্গী এবং পরিবারের রক্ষক। সফরের কষ্ট, খারাপ দৃশ্য ও ক্ষতি থেকে আমাদের রক্ষা করো।
গুরুত্ব: এই দোয়া সফরের শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক সব ঝুঁকিকে অন্তর্ভুক্ত করে।
৪. নৌকা, ফেরী বা জাহাজে ভ্রমণের দোয়া
নৌপথে যাত্রার সময় কোরআনে বর্ণিত দোয়া-
আরবি: بِسْمِ اللَّهِ مَجْرَاهَا وَمُرْسَاهَا إِنَّ رَبِّي لَغَفُورٌ رَحِيمٌ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি মাজরিহা ওয়া মুরসাহা, ইন্না রাব্বি লা গাফুরুর রহিম।
অর্থ: আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি। নিশ্চয়ই আমার প্রভু ক্ষমাশীল ও দয়ালু।
৫. পথে কোথাও থামলে যে দোয়া
ভ্রমণের মাঝপথে অবস্থান করলে পড়তে বলা হয়েছে-
আরবি: أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ الله التَّامَّاتِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
উচ্চারণ: আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।
অর্থ: আমি আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।
এই দোয়া পড়লে ঘরে ফেরা পর্যন্ত কোনো ক্ষতি হবে না হাদিসে এমন নিশ্চয়তা এসেছে।
বর্তমান সময়ে সড়ক দুর্ঘটনা, নৌ দুর্ঘটনা এবং ভ্রমণ ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এসব দোয়ার গুরুত্ব নতুনভাবে উপলব্ধি করা যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা ভ্রমণের আগে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে এবং সচেতন থাকে, তারা তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিতে পড়ে।
ভ্রমণ কেবল শারীরিক চলাচল নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, প্রতিটি যাত্রার শুরু, মাঝপথ এবং সমাপ্তিতে আল্লাহর ওপর নির্ভরতা মানুষের নিরাপত্তা ও প্রশান্তি নিশ্চিত করে। তাই ভ্রমণে বের হওয়ার সময় এই দোয়াগুলো পাঠ করা একজন মুমিনের জন্য শুধু আমল নয়, বরং একটি সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
পাঠকের মতামত:
- আন্দোলন ছাড়া আর পথ নেই: সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির
- স্পেনে মুসলিম বিরোধী স্লোগান! সমর্থকদের কড়া জবাব দিলেন ১৮ বছরের ইয়ামাল
- নদীতে ভাসছে টাকার বস্তা! ভাইরাল ছবির আসল রহস্য ফাঁস
- চাঁদ জয়ে ৪ লাখ কিলোমিটার যাত্রা! শুরু হচ্ছে ঐতিহাসিক মহাকাশ অভিযান
- রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম! ৪ দিনেই দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ উচ্চতায় দাম
- নানিয়ারচর সেনা জোন (১৭ ই বেংগল) কর্তৃক পঙ্গু রোগীকে হুইল চেয়ার প্রদান
- ১৮০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান! শিক্ষা খাতে বড় বদল আনছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- সংখ্যাগরিষ্ঠরা ভণ্ডামি করছে: সংসদ ছেড়ে ফেসবুকে বিস্ফোরক হাসনাত আব্দুল্লাহ
- সাফ অনূর্ধ্ব-২০: নেপাল বধ করে শিরোপার মঞ্চে লাল-সবুজ
- সংসদীয় ইতিহাসে বিরল নজির: সরকারি দলের মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ সংসদে
- ২-৩ সপ্তাহের মধ্যেই ইরান ছাড়বে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
- শত্রুদের জন্য বন্ধ হরমুজ প্রণালি! সাগরে যুদ্ধের নতুন ছক কষছে ইরান
- সংসদে আওয়ামী আমলের পাচারের খতিয়ান দিলেন তারেক রহমান
- কুমিল্লায় সড়কে প্রাণ গেল ৬ জনের
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আমিরাত? হরমুজ প্রণালি মুক্ত করার বড় পরিকল্পনা
- মেক্সিকোর মাটিতেই ইতিহাস! ৪ দশক পর বিশ্বকাপের টিকিট পেল ইরাক
- হরমুজ প্রণালির মুখে আগুন! ইরানের বাণিজ্যিক বন্দরে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলা
- রণক্ষেত্র পেরিয়ে ফিরছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী ৬ জাহাজ! বড় ঘোষণা ইরানের
- আমিরাতে ড্রোন হামলার ধ্বংসাবশেষে প্রাণ গেল বাংলাদেশির!
- এএন-২৬ এর অভিশপ্ত ইতিহাস! আবারও ২৯টি প্রাণ কেড়ে নিল পুরনো মডেলের বিমান
- বোনের জন্য কেক নিয়ে ফেরা হলো না নিশাতের!
- মেসি-ম্যাজিকে বিধ্বস্ত জাম্বিয়া! বিশাল জয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ প্রস্তুতি
- শেষ ৪ মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেল ক্রোয়েশিয়া! ব্রাজিলের বিধ্বংসী জয়
- যুদ্ধের ১ মাস: ১৬ হাজার গোলাবারুদ আর ৮০০ বিমান হামলায় বিধ্বস্ত ইরান!
- ইরানের পক্ষে লড়বে চেচেন যোদ্ধারা! কাদিরভ বাহিনীর ‘জিহাদ’ ঘোষণা
- ৩ সপ্তাহেই কি থামছে ইরান যুদ্ধ? হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্পের রহস্যময় বার্তা
- আজ শনিবার: রাজধানীতে যেসব কর্মসূচি রয়েছে
- মোজাম্মেলের অবৈধ টাকায় পলাতক পুলিশ কর্তাদের বিলাসী জীবন!
- ঘর থেকে বের হওয়ার আগে দেখে নিন: বুধবার ঢাকার কোথায় কোথায় মার্কেট বন্ধ
- কুয়েত বিমানবন্দরে ভয়াবহ ড্রোন হামলা! জ্বালানি ডিপোতে আগুনের লেলিহান শিখা
- হরমুজ প্রণালি: ট্রাম্পের গলার কাঁটা? কেন এই জলপথ ইরানকে দিচ্ছে বাড়তি শক্তি
- ২০২৬ বিশ্বকাপেও নেই ৪ বারের চ্যাম্পিয়নরা
- কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, বড় ক্ষয়ক্ষতি
- পাঁচদিন বৃষ্টির আভাস, কী বলছে আবহাওয়া অফিস
- ঘামের দুর্গন্ধ দূর করবেন কীভাবে, জানুন সহজ উপায়
- নফল নামাজসহ আজকের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি এক নজরে
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে পুতিন-আল নাহিয়ানের আলোচনা
- যুদ্ধ থামাতে প্রস্তুত ইরান, তবে শর্তে সমাধান
- আজকের খেলার সূচি, কোন ম্যাচ কখন
- বুধবার চার ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- মোজতবা খামেনি কোথায়, যা জানা গেল
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিকে টার্গেটের হুমকি ইরানের
- যুদ্ধ থামতে পারে দ্রুত ও হরমুজ প্রণালি খুলে যাবে: ট্রাম্প
- শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ডিআইজি জলিল? ট্রাইব্যুনালের বড় তথ্য
- চীনের ৫ দফা প্রস্তাব! ইরান যুদ্ধ থামাতে বেইজিং-ইসলামাবাদ ঐতিহাসিক চুক্তি
- সবচেয়ে দূরবর্তী রেডিও সংকেতের সন্ধান: আদি মহাবিশ্বের গোপন তথ্য ফাঁস
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
- ৩১ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- চিরদিনই তুমি যে আমার খ্যাত নায়ক রাহুলের অকাল প্রয়াণ
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি
- ভিয়েতনামের গতির কাছে অসহায় লাল-সবুজ: প্রথমার্ধে রক্ষণের বেহাল দশা
- সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে মিশন ভিয়েতনাম: কাবরেরার তুরুপের তাস কি আজ মাঠে নামবে?
- ২৯ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








