ইসলামী ব্যাংকিংয়ের লভ্যাংশ হালাল নাকি সুদ? জানুন প্রকৃত সত্য

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ সেপ্টেম্বর ৩০ ০৮:০১:১৫
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের লভ্যাংশ হালাল নাকি সুদ? জানুন প্রকৃত সত্য

বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশে ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। কিন্তু একটি প্রশ্ন প্রায়ই সামনে আসে—ইসলামী ব্যাংকে টাকা রেখে আমরা লভ্যাংশ বা মুনাফা খেতে পারব কিনা। এ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন ওলামায়ে কেরামের পর্যবেক্ষণ রয়েছে।

ইসলামী ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ

আমাদের দেশের ইসলামী ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে পরিচালিত হয়। অর্থাৎ, ইসলামী ব্যাংকগুলোকে অন্যান্য সব ব্যাংকের মতোই দেশের ব্যাংকিং আইন, বিধি-বিধান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা মেনে চলতে হয়। যেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংক নিজেই একটি সুদভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, তাই ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম শতভাগ সুদমুক্ত রাখা বাস্তবে কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে অনেকে মনে করেন, ইসলামী ব্যাংককে পুরোপুরি শরিয়াহ–সম্মত বলা যায় না।

শরিয়াহ বোর্ডের ভূমিকা

তবে প্রতিটি ইসলামী ব্যাংকের একটি স্বতন্ত্র শরিয়াহ বোর্ড থাকে। এই বোর্ডের দায়িত্ব হলো ব্যাংকের সব কার্যক্রম ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী হচ্ছে কি না তা তদারকি করা, প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া এবং শরিয়াহভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন করা।সহজভাবে বললে, শরিয়াহ বোর্ডের মূল দায়িত্ব হলো—

  • ব্যাংকের বিনিয়োগ ও লেনদেন সুদমুক্ত রাখা
  • শরিয়াহসম্মত বিনিয়োগপদ্ধতি অনুসরণ নিশ্চিত করা
  • প্রয়োজনে গ্রাহকদের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা

যেহেতু শরিয়াহ বোর্ডে দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত আলেমগণ থাকেন, তাই সাধারণ মানুষ তাদের নির্দেশনা অনুসারে ইসলামী ব্যাংকের লভ্যাংশ গ্রহণকে বৈধ মনে করতে পারেন।

টাকা রাখা বনাম লভ্যাংশ গ্রহণ

ইসলামী ব্যাংকে টাকা জমা রাখা এবং সেখান থেকে মুনাফা গ্রহণ করা দুটি ভিন্ন বিষয়। টাকা জমা রাখা শুধু বৈধ নয়, বরং জরুরি। কারণ, যদি কেউ সুদী ব্যাংকে টাকা রাখে তবে তার অর্থ দিয়ে ব্যাংক সুদভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যা পরোক্ষভাবে সুদের কারবারকে সমর্থন করার সমান অপরদিকে ইসলামী ব্যাংকে টাকা রাখলে অন্তত নিশ্চিত হওয়া যায় যে, আপনার অর্থ সুদভিত্তিক লেনদেনে ব্যবহার করা হবে না।

লভ্যাংশ বা মুনাফা গ্রহণের বৈধতা

শরিয়াহ বোর্ড অনুমোদিত ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা গ্রহণ করা বৈধ, তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে।

  • শরিয়াহ–সম্মত বিনিয়োগ পদ্ধতি:ইসলামী ব্যাংকগুলো সাধারণত মুদারাবা (লাভ-লোকসানের অংশীদারিত্ব) ও মুশারাকা (অংশীদারিত্ব) ভিত্তিক বিনিয়োগ করে থাকে। এ পদ্ধতিগুলো সুদমুক্ত এবং শরিয়াহ–সম্মত।
  • সুদ নয়, বরং লাভ:প্রচলিত ব্যাংকের মতো নির্দিষ্ট সুদের হার এখানে নেই। বরং ব্যাংক যে ব্যবসা বা বিনিয়োগ থেকে লাভ করবে, সেই লাভের একটি অংশ গ্রাহককে প্রদান করবে। ফলে এটিকে সুদ বলা যাবে না।
  • শরিয়াহ বোর্ডের তদারকি:ইসলামী ব্যাংকের প্রতিটি বিনিয়োগ ও লেনদেন শরিয়াহ বোর্ড দ্বারা অনুমোদিত হতে হবে। এতে গ্রাহক নিশ্চিত হতে পারবেন যে প্রাপ্ত মুনাফা সুদের আওতাভুক্ত নয়।

গ্রাহকের করণীয়

  • ব্যাংক যাচাই করুন: নিশ্চিত করুন যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা ব্যাংকিং উইন্ডো একটি পূর্ণাঙ্গ শরিয়াহ বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
  • বিনিয়োগ পদ্ধতি জানুন: ব্যাংক কোন কোন প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে তা জানার চেষ্টা করুন এবং শরিয়াহ অনুমোদিত কিনা তা খোঁজ নিন।
  • সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরামর্শ করুন: যদি সন্দেহ থাকে তবে সরাসরি ব্যাংকের শরিয়াহ বোর্ড বা কোনো ইসলামী অর্থনীতি বিষয়ক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

সারকথা হলো, ইসলামী ব্যাংকে টাকা জমা রাখা এবং লভ্যাংশ গ্রহণ করা বৈধ, যদি সেই ব্যাংকটি সত্যিকার অর্থে শরিয়াহ বোর্ড দ্বারা অনুমোদিত হয় এবং তাদের বিনিয়োগ ও লেনদেন শরিয়াহসম্মত পথে পরিচালিত হয়। ইসলামী ব্যাংকের লভ্যাংশ আসলে সুদ নয়, বরং লাভ-লোকসানভিত্তিক অংশীদারিত্বের ফলাফল। তবে গ্রাহকের সচেতন থাকা জরুরি, যাতে তারা নিশ্চিত হতে পারেন যে তাদের অর্থ সত্যিকার অর্থেই শরিয়াহ–সম্মত উপায়ে ব্যবহার হচ্ছে।


আজকের মুদ্রার হার: ডলারের বিপরীতে টাকার মান কত? জেনে নিন বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১১:৫১:৫০
আজকের মুদ্রার হার: ডলারের বিপরীতে টাকার মান কত? জেনে নিন বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনও বেড়েছে বহুগুণ। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স এবং আমদানিকারকদের জন্য মুদ্রার সঠিক বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি।

আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৩১ পয়সা।

ইউরোপীয় ইউরোর মান ১৪৫ টাকা ১৮ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মান ১৬৬ টাকা ৯৬ পয়সা রেকর্ড করা হয়েছে।

প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দেশগুলোর মুদ্রা বিনিময়ের হারও আজ বেশ স্থিতিশীল।

সৌদি রিয়াল আজ ৩২ টাকা ৬১ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ৩০ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে।

সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ৯৭ পয়সা ও কুয়েতি দিনার ৩৯৮ টাকা ৯১ পয়সায় পৌঁছেছে।

এছাড়া প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপি ১ টাকা ৩৫ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপি ২ টাকা ৫২ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

আমদানিকারকদের জন্য প্রয়োজনীয় চীনা ইউয়ান রেনমিনবি আজ ১৭ টাকা ৭২ পয়সা এবং জাপানি ইয়েন ৮০ পয়সা হিসেবে লেনদেন হচ্ছে।

রেমিট্যান্স পাঠানো বা বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই সরকারি হারের কিছুটা তারতম্য হতে পারে ব্যাংকভেদে। তাই চূড়ান্ত লেনদেনের আগে নিকটস্থ ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করা বুদ্ধিমানের কাজ।

(সূত্র : গুগল)


বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ০৮:৫৭:১৮
বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে টানা মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে এই নতুন দর সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য অস্থিতিশীলতা এবং স্থানীয় বাজারে খাঁটি স্বর্ণ বা তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহ সংকটের কারণে এই মূল্যসমন্বয় করা হয়েছে। বৈশ্বিক বাজারে ডলারের বিনিময় হার, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধিও মূল্যবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

নতুন নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৭৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় বিক্রি হবে।

বাজুস আরও জানিয়েছে, এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি পরিশোধ করতে হবে। তবে গয়নার নকশা, ওজন ও মানভেদে মজুরির হার পরিবর্তিত হতে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, স্বর্ণের দামের ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি সাধারণ ক্রেতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ বাড়লেও উচ্চমূল্যের কারণে বাজারে চাহিদা সাময়িকভাবে কমতে পারে।

পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দর বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস।

-রাফসান


বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঐতিহাসিক রেকর্ড

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ২১:০১:২৭
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ঐতিহাসিক রেকর্ড
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম এক ঐতিহাসিক উচ্চতায় পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিউ ইয়র্ক সময় দুপুরে স্পট গোল্ডের দাম ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ০২২ দশমিক ০৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর প্রত্যাশা জোরদার হওয়ায় স্বর্ণের এই বিশাল উল্লম্ফন ঘটেছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। জানুয়ারির ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) প্রত্যাশার তুলনায় কম আসায় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের পর যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, নরম সিপিআই তথ্য তা প্রশমিত করেছে। ফলে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় ধরনের ‘রিলিফ র‍্যালি’ দেখা যাচ্ছে। এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার্সও প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ০৪৬ দশমিক ৩০ ডলারে নিষ্পত্তি হয়েছে। এলএসইজি-র তথ্য অনুযায়ী, বাজারে চলতি বছরে জুলাই থেকে প্রথম দফায় সুদহার কমার সম্ভাবনা থাকায় স্বর্ণের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়েছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি রূপার দামেও বড় প্রভাব পড়েছে। রূপার দাম ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৭৭ দশমিক ৭০ ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া প্লাটিনাম এবং প্যালাডিয়ামের দামও ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। সাধারণত সুদহার কম থাকলে স্বর্ণের মতো সুদমুক্ত সম্পদের চাহিদা বাড়ে, যা বিশ্ববাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম ৫ হাজার ডলারের মাইলফলক পার করতে মূল ভূমিকা রেখেছে।


ছুটির দিনেও খোলা থাকছে যেসব ব্যাংক

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১২:২৪:৫০
ছুটির দিনেও খোলা থাকছে যেসব ব্যাংক
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংক ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও আজ শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, দেশের কয়েকটি নির্দিষ্ট ব্যাংক শাখা ও উপশাখা সীমিত পরিসরে চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দীর্ঘ চার দিনের ছুটির কারণে জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় যেন কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে লক্ষ্যেই এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মূলত পেট্রোল পাম্প মালিক ও জ্বালানি তেল ডিলারদের অর্থ লেনদেন ও তেল ক্রয়ের প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন–এর আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুলের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। জ্বালানি তেল আমদানি ও বিতরণ কার্যক্রমে ব্যাংকিং লেনদেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দীর্ঘ বন্ধের সময় অর্থপ্রবাহে স্থবিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। ফলে ডিলারদের সুবিধার্থে সীমিত সময়ের জন্য নির্দিষ্ট শাখাগুলোতে সেবা চালু রাখা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, পুবালী ব্যাংক পিএলসি–এর খুলনার খালিশপুর, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা, দিনাজপুরের পার্বতীপুর, রংপুরের শাপলা চত্বর, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, চাঁদপুর প্রধান, ঝালকাঠি, বরিশাল, কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার এবং সিলেটের বড়ই কান্দি শাখা সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। একই সঙ্গে উত্তরা ব্যাংক পিএলসি–এর খুলনার খালিশপুর শাখা, জনতা ব্যাংক পিএলসি ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি–এর সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ঘাট শাখা এবং ওয়ান ব্যাংক পিএলসি–এর পার্বতীপুর উপশাখায় লেনদেন চলবে।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারির সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা চার দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম স্থগিত থাকার কথা ছিল। তবে জ্বালানি খাতের গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক আংশিকভাবে এই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনে।

-রাফসান


জুয়েলারি দোকানে যাওয়ার আগে সাবধান: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ১১:০৬:৫০
জুয়েলারি দোকানে যাওয়ার আগে সাবধান: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার অজুহাতে দেশের বাজারেও বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে স্বর্ণের দামে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) পহেলা ফাল্গুনের এই বিশেষ দিন থেকেই সারাদেশে জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) সরবরাহ সংকট এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিতিশীলতার কারণেই এই সমন্বিত দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস কর্তৃপক্ষ।

নতুন এই দর অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের পেছনে খরচ করতে হবে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের ভরি পড়বে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৭৮ টাকা। যারা সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ কিনতে চান, তাদের এখন থেকে ভরিপ্রতি গুনতে হবে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দামই বহাল থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

তবে ক্রেতাদের মাথায় রাখতে হবে যে, বাজুস নির্ধারিত এই মূল্যের সঙ্গে সরকারকে বাধ্যতামূলকভাবে ৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে। এর পাশাপাশি গহনা তৈরির জন্য বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরিও যুক্ত হবে। যদিও গহনার মান ও জটিল ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে মজুরির এই হার কম-বেশি হতে পারে। বিশেষ দিনগুলোতে যারা গহনা কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের পকেটের ওপর এই নতুন দাম একটি বড় চাপ তৈরি করবে বলে মনে করছেন সাধারণ ক্রেতারা।


অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস: দেড় বছরের ধাঁধায় নয়া মোড়!

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৪ ০৯:৫৯:৪০
অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ব্যর্থ ইউনূস: দেড় বছরের ধাঁধায় নয়া মোড়!
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার যখন দায়িত্ব নেয়, তখন দেশের অর্থনীতি ছিল খাদের কিনারে। দেড় বছর পার হওয়ার পর এখন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা সেই নাজুক অর্থনীতির ময়নাতদন্ত শুরু করেছেন। ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রহমান থেকে শুরু করে সিপিডি’র অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান—সবার কণ্ঠেই ফুটে উঠেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। সরকারের দাবি অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৫ বিলিয়ন থেকে ৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানো একটি বড় সাফল্য হলেও, সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি এবং নতুন টাকা ছাপানো বন্ধের সিদ্ধান্ত বাজারে বড় কোনো স্বস্তি আনতে পারেনি। উল্টো উচ্চ সুদের হারের কারণে বিনিয়োগে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে, যার ফলে বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার কিছু সামষ্টিক সংস্কারের চেষ্টা করলেও খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ২০২৫ সাল শেষে খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ানোকে তারা দেশের আর্থিক খাতের জন্য এক অশনি সংকেত হিসেবে দেখছেন। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, রাজনৈতিক চাপ না থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ব্যাংক আইন পাস করতে না পারা এবং অপ্রয়োজনীয় আইনের বোঝা বাড়ানো নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়িক নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, সরকার দেশি উদ্যোক্তাদের গুরুত্ব না দিয়ে বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করতেই বেশি ব্যস্ত ছিল। এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগও যেমন আসেনি, তেমনি স্থানীয় বিনিয়োগকারীরাও নতুন কোনো প্রকল্পে হাত দিতে সাহস পাননি।

বাজার ব্যবস্থার অস্থিরতা এবং সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতাও এই সরকারের আমলনামায় একটি বড় নেতিবাচক দিক হিসেবে যোগ হয়েছে। আগের সরকারের মতো এই সরকারও চাঁদাবাজি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপট কমাতে পারেনি, যার ফলে আল-পিঁয়াজ-তেলের মতো নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী রয়ে গেছে। বিশ্বব্যাংক ও পিপিআরসি’র তথ্য অনুযায়ী, দারিদ্র্যের হার শেখ হাসিনা সরকারের আমলের চেয়ে বেড়ে বর্তমানে ২১ থেকে ২৭ শতাংশের মধ্যে অবস্থান করছে। মানুষের প্রকৃত আয় সংকুচিত হয়ে পড়ায় জীবনযাত্রার মান নিম্নমুখী। অর্থনীতির এই মন্থর গতি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের অভাব আগামী নির্বাচিত সরকারের জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।


এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৮:১৪:১৫
এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দর। মার্কিন শ্রমবাজারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ থাকতে পারে এমন ধারণায় এক সপ্তাহের প্রায় সর্বনিম্নে নেমে যাওয়ার পর শুক্রবার নতুন করে দাম বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতি তথ্য প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান এবং নিরাপদ সম্পদে ঝোঁকই এ বৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯৭৯ দশমিক ৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। চলতি সপ্তাহে এখন পর্যন্ত দাম বেড়েছে প্রায় ০ দশমিক ৪ শতাংশ। একই সময়ে এপ্রিল সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার ১ শতাংশ বাড়িয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯৯৮ দশমিক ৩০ ডলারে লেনদেন হয়েছে, যা ৫ হাজার ডলারের মানসিক সীমার কাছাকাছি অবস্থান নির্দেশ করে।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটাল ডটকমের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক কাইল রডা মন্তব্য করেছেন, বর্তমান অস্থির বাজার পরিস্থিতিতে ৫ হাজার ডলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সীমা হিসেবে কাজ করছে। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক শেয়ারবাজার পতনের প্রভাবে বিক্রির চাপ তৈরি হলেও বড় ধরনের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রণোদনা ছাড়াই মূল্যবান ধাতুর দর ওঠানামা করেছে।

গত বুধবার প্রকাশিত মার্কিন শ্রমবাজারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান প্রত্যাশার তুলনায় শক্তিশালী রয়েছে। এতে ধারণা জোরদার হয়েছে যে ফেডারেল রিজার্ভ হয়তো আরও কিছু সময় সুদের হার উচ্চ পর্যায়ে রাখবে। বাজারের হিসাব বলছে, এ বছর ২৫ বেসিস পয়েন্ট করে দু’দফা সুদ কমানো হতে পারে, যার প্রথমটি জুনে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুদের হার কমলে সাধারণত সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ে।

এদিকে দামের অস্থিরতায় ভারতে স্বর্ণের খুচরা বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় এক মাসের মধ্যে প্রথমবার ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে চন্দ্র নববর্ষকে ঘিরে চীনা বাজারে চাহিদা শক্তিশালী রয়েছে, যা বৈশ্বিক দামে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

শুধু স্বর্ণই নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুতেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট সিলভার ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৮ দশমিক ৫৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। স্পট প্লাটিনাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ৩৩ দশমিক ৯৯ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ২ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬৬১ দশমিক ৯৭ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

-রাফসান


মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অবশেষে স্বস্তি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৪:১৩:৩০
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অবশেষে স্বস্তি
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের পর আবারও স্বাভাবিক হয়েছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো এমএফএস প্ল্যাটফর্ম এবং ব্যাংক অ্যাপভিত্তিক অর্থ স্থানান্তর সেবা পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়েছে। নির্বাচনের সময় অর্থের অপব্যবহার ঠেকাতে চার দিনের জন্য এসব লেনদেনে বিশেষ সীমা আরোপ করা হয়েছিল।

এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে বাংলাদেশ ব্যাংক এক নির্দেশনায় জানায়, ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এমএফএস ও প্রিপেইড পেমেন্ট ইনস্ট্রুমেন্ট লেনদেনে নিয়ন্ত্রণ কার্যকর থাকবে। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি অর্থ স্থানান্তর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

এই ৯৬ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণপর্বে ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানোর সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং দৈনিক সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেনের সুযোগ রাখা হয়। তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী চলমান ছিল। অন্যান্য অনেক ধরনের এমএফএস লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনকালীন অর্থপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিরোধের অংশ হিসেবেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে।

-রফিক


এক সপ্তাহ পর বিশ্ববাজারে সোনার উত্থান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৪:০৭:০০
এক সপ্তাহ পর বিশ্ববাজারে সোনার উত্থান
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দাম। প্রায় এক সপ্তাহ দরপতনের পর শুক্রবার নতুন করে মূল্যবৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে এবং বাজারে নতুন অস্থিরতার আভাস দিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতি তথ্য প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে সরে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণে ঝুঁকছেন।

শুক্রবার সকালে স্পট গোল্ডের দাম ১.৩ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৪,৯৮২ দশমিক ৫৯ ডলারে পৌঁছেছে। সপ্তাহজুড়ে হিসাব করলে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দর প্রায় ০.৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের এপ্রিল ডেলিভারির স্বর্ণ ফিউচার্স ১.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে আউন্সপ্রতি ৫,০০১ দশমিক ৮০ ডলারে লেনদেন হয়েছে, যা বাজারে ইতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক শক্তিশালী শ্রমবাজার প্রতিবেদন প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে গেছে। সুদের হার দীর্ঘসময় উচ্চ পর্যায়ে থাকলে সাধারণত ডলারের মান শক্তিশালী হয়, তবে একই সঙ্গে অনিশ্চয়তার পরিবেশে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণ বেছে নেন। আসন্ন ইনফ্লেশন তথ্য বাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: