ডিএমপি কমিশনারের হুঁশিয়ারি: ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে মাঠে নামা যাবে না

রাজধানীতে ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ বা তাদের অঙ্গসংগঠন ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সদস্যদের সড়কে নামতে দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) ডিএমপি কমিশনার গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার জন্য সজাগ আছে। এদিকে, ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৩ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।
গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সূত্র জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে তাদেরকে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের সবার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দেশে আর থাকবে না মব কালচার: সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা
দেশে চলমান ‘মব কালচার’ বা মবের মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রবণতা আর বরদাশত করা হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই ঘোষণা দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, সরকার বাকস্বাধীনতা ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করবে, তবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দাবি আদায়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
সংসদ অধিবেশনে রুমিন ফারহানা বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রসঙ্গ টেনে বর্তমান সময়ের ‘মব কালচার’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান যে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মব কালচারের শিকার হয়ে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এমনকি গত ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজেও এই পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন বলে সংসদে জানান। এই কালচার বন্ধে সরকারের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ কী—তা জানতে চান তিনি।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বাংলাদেশে কোনো ধরনের মব কালচার থাকবে না। বিশেষ করে দাবি আদায়ের নামে মহাসড়ক বা রাস্তা অবরোধ করার যে প্রবণতা আগে দেখা গিয়েছিল, তা আর কোনোভাবেই অনুমতি দেওয়া হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ মব এবং সুসংগঠিত অপরাধের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে হামলা বা ভাঙচুর করা মূলত পরিকল্পিত অপরাধ, যা মব কালচারের সংজ্ঞায় পড়ে না। এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, জনগণের দাবি থাকতেই পারে, তবে তা প্রকাশের জন্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া, সেমিনার বা শান্তিপূর্ণ জনসমাবেশ করার অধিকার সবার আছে। সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিন্তু মবের দোহাই দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বা অস্থিতিশীলতা তৈরি করাকে কোনোভাবেই সমর্থন করা হবে না।
/আশিক
সংসদে জাইমা রহমান: ভিভিআইপি গ্যালারিতে সরব উপস্থিতি
জাতীয় সংসদের ভিভিআইপি লাউঞ্জে বসে সোমবার (৩০ মার্চ) সংসদ অধিবেশন পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হওয়ার পর তিনি লাউঞ্জে প্রবেশ করেন এবং সামনের সারিতে বসে সংসদীয় কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন নিশ্চিত করেছেন যে, ব্যারিস্টার জাইমা রহমান অধিবেশনের শুরু থেকেই উপস্থিত ছিলেন এবং বিশেষ করে প্রশ্নোত্তর পর্বটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করেন। সংসদ কক্ষে তখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য—স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ বিরোধী দলের সদস্যরাও অধিবেশনে অংশ নিচ্ছিলেন।
অধিবেশন চলাকালে জাইমা রহমানের হাতে একটি ল্যাপটপ দেখা যায়, যেখানে তাঁকে বেশ মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে লক্ষ্য করা গেছে। উল্লেখ্য যে, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনেও তিনি তাঁর মা ডা. জুবাইদা রহমানের সাথে ভিভিআইপি গ্যালারিতে বসে সংসদীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। তরুণ এই ব্যারিস্টারের ঘন ঘন সংসদে উপস্থিতি এবং সশরীরে সংসদীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ রাজনৈতিক মহলে বেশ ইতিবাচক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
/আশিক
বিগত সরকারের ১৩০০ প্রকল্প এখন কাঠগড়ায়: দুর্নীতির তথ্য ফাঁস করলেন অর্থমনন্ত্রী
জাতীয় সংসদে সোমবার (৩০ মার্চ) বাজেট ও উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গ্রামীণ অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করাই এখন বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পূর্ববর্তী সরকারের গৃহীত প্রকল্পগুলোর বেহাল দশা তুলে ধরেন। সরকারি নথির বরাত দিয়ে তিনি জানান, বিগত সরকারের নেওয়া ৫০০টিরও বেশি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ১০ শতাংশের নিচে। এ ছাড়া প্রায় ১ হাজার ৩০০টি প্রকল্প বর্তমানে পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে, যেগুলোর পেছনে অপচয় ও দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব প্রকল্প আগের মেয়াদে নেওয়া হওয়ায় এ নিয়ে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে মন্তব্য করার সুযোগ সীমিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জোর দিয়ে বলেন, গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করতে হলে অবকাঠামো উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। সরকার এখন এমন সব বাস্তবমুখী ও জনবান্ধব প্রকল্প গ্রহণে কাজ করছে, যা সরাসরি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উপকারে আসবে এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।
তিনি সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্থানীয় জীবনমান উন্নয়ন ও জীবিকা বৃদ্ধির জন্য কোনো কার্যকর উন্নয়ন প্রস্তাব থাকলে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পেশ করা যেতে পারে। জনস্বার্থে সেসব প্রকল্প ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে। কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
/আশিক
রাজনীতিতে সৌজন্যের নতুন নজির: বিরোধীদলীয় নেতাকে এগিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় রাজনীতিতে সৌজন্য ও শিষ্টাচারের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সংসদ সচিবালয়ে দুই নেতার এই সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ সাক্ষাৎ রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় বেলা ১২টায়, যখন জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী দিলার হাফিজের জানাজা নামাজে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে সংসদ ভবনের দিকে ফেরার পথে বিরোধীদলীয় নেতা কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ তাঁকে নিজ কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, দুই নেতার মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট স্থায়ী এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। তবে সবচেয়ে নজরকাড়া মুহূর্তটি ছিল সাক্ষাতের শেষে। আলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজে বিরোধীদলীয় নেতাকে তাঁর কার্যালয়ের পথ পর্যন্ত খানিকটা এগিয়ে দেন। ক্ষমতার শীর্ষপদে থেকেও এমন বিনয় ও সৌজন্য প্রদর্শন উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করেছে।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবরই সবাইকে যথাযথ সম্মান ও শিষ্টাচার প্রদর্শনে বিশ্বাসী। নির্বাচনের আগে এবং সরকার গঠনের পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর এই অমায়িক ব্যবহার সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আজকের এই ঘটনাটি ছিল তাঁর সেই স্বাভাবিক সৌজন্যবোধেরই একটি উজ্জ্বল বহিঃপ্রকাশ।
/আশিক
সংসদে হাসির রোল: হাসনাত আবদুল্লাহর বয়স শুনে প্রাণখুলে হাসলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে সোমবার (৩০ মার্চ) বাজেট ও পুলিশের বরাদ্দ নিয়ে আলোচনার সময় এক হাস্যরসাত্মক ও প্রাণবন্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কুমিল্লা থেকে নির্বাচিত এনসিপি সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর রসিকতাপূর্ণ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সংসদে উপস্থিত সকলেই, বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রাণখুলে হাসেন।
আলোচনার এক পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আমার বর্তমান বয়স সাড়ে ২৭ বছর। আপনি যখন ১৯৯১ সালে প্রথম এই সংসদে পা রাখেন, আমার জন্ম তখনো হয়নি; আমার জন্ম ১৯৯৮ সালে। তাই প্রবীণ ও নবীন এই ব্যবধানে সম্বোধনের ক্ষেত্রে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তবে আমি আগাম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।"
তরুণ এই সংসদ সদস্যের এমন বিনয়ী ও কৌতুকপূর্ণ মন্তব্য শুনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসিতে ফেটে পড়েন এবং পুরো সংসদ কক্ষেই এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। হাসনাত আরও যোগ করেন, কোনো ভুল হলে যেন তাদের নোটিশের মাধ্যমে জানানো হয়, যা তারা সানন্দে সংশোধন করবেন।
হাস্যরসের বাইরেও হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, পুলিশকে যখন কোনো মামলার তদন্ত বা বিশেষ অনুষ্ঠানের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখন তাদের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ থাকে না। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে অনেক সময় পুলিশ কর্মকর্তাদের স্থানীয় ব্যবসায়ী বা অন্যদের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়, যা দুর্নীতির পথ প্রশস্ত করে।
হাসনাত আবদুল্লাহর মতে, পুলিশের জন্য সরকারি বরাদ্দ পর্যাপ্ত পরিমাণে বাড়ালে তাদের আর কারো কাছে হাত পাততে হবে না। এতে পুলিশ বাহিনী তাদের নিজস্ব মহিমায় এবং পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে কাজ করতে পারবে। তিনি বিশ্বাস করেন, আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে পুলিশে দুর্নীতি কমবে এবং জনসেবায় আরও গতি আসবে।
/আশিক
এক-এগারোর কুশীলবদের তথ্যে ফেঁসে গেলেন ডিজিএফআই-এর সাবেক পরিচালক
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ডিজিএফআই-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে। রোববার (২৯ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডিবির সূত্রমতে, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনাসদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং ডিজিএফআই-এর সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আফজাল নাছেরের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মজিরখিল এলাকায়। তিনি ১৯৮৪ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ডিজিএফআইতে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, এক-এগারোর সময় বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ একাধিক শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের নির্যাতনে তাঁর সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল। এছাড়া রাজধানীর ভাটারা থানায় গত জুলাই মাসে দায়ের করা একটি হত্যা মামলাতেও তিনি অন্যতম আসামি।
উল্লেখ্য, এর আগে গত সোমবার রাতে সাবেক সেনাসদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে তাঁর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বর্তমানে তিনি দ্বিতীয় দফায় ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন। গত বুধবার ডিজিএফআই-এর সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদকেও একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে ডিবি। এই উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ধারাবাহিক গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর আরও তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
/আশিক
অবৈধ তেল মজুতকারীদের ধরতে ১ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা
দেশের জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সরকার নতুন একটি কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে। অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও পাচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তথ্য প্রদানকারীদের জন্য সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটানোর আশঙ্কা থেকেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকার মনে করছে, তথ্যদাতাদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অবৈধ মজুত ও পাচার কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যারা জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ, গুদামজাতকরণ বা পাচারের বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য দিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কৃত করা হবে। এতে সাধারণ জনগণকে নজরদারি ব্যবস্থার একটি সক্রিয় অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সদস্যদের সমন্বয়ে বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে। এসব দল জ্বালানি তেলের ডিপো, ফিলিং স্টেশন, পরিবহন নেটওয়ার্ক এবং সরবরাহ চেইনের বিভিন্ন স্তরে নিবিড় তদারকি চালাবে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে তেল মজুত করার চেষ্টা করতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে সরকার আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখতে চায়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগে সরকার জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, জরিমানা এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে এসব পদক্ষেপ প্রত্যাশিত ফল না দেওয়ায় এবার তথ্যভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
-রফিক
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ঘোষণা: রাতেই মিটছে ১৩৩ অধ্যাদেশের ভাগ্য
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে আজ রাতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে সরকারি দলের সংসদীয় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি নিশ্চিত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য গঠিত সংসদীয় বিশেষ কমিটির একটি বৈঠক আজ রাতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে এই বিপুল সংখ্যক অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।
এদিকে, সংসদীয় বিশেষ কমিটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তথ্য দিয়েছেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২৪টি অধ্যাদেশের বিষয়ে এখনো সব পক্ষের মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্য বা একমত হওয়া সম্ভব হয়নি। আজকের বিশেষ কমিটির বৈঠকে মূলত এই বিতর্কিত বা অমীমাংসিত ২৪টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে এবং একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারমূলক এসব পদক্ষেপের আইনি বৈধতা ও ধারাবাহিকতা রক্ষায় এই সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
/আশিক
ফ্যামিলি কার্ডে বড় পরিবর্তন: এখন ঘরে বসেই পাবেন সব সুবিধা?
নারীদের ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে বড় ধরনের সুখবর দিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) সচিবালয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে এই কার্যক্রমকে ‘ইউনিভার্সাল ফ্যামিলি কার্ডে’ রূপান্তর করা হবে। এর ফলে দেশের প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের নামে একটি করে কার্ড ইস্যু করা হবে, যা নাগরিক হিসেবে তাঁদের এক অনন্য ও সম্মানজনক স্বীকৃতি দেবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চলছে। মন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারের নারী প্রধানের নামে এই কার্ড ইস্যু করা হয়েছে এবং প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জঁ পেম (Jean Pesme) সরকারের এই উদ্যোগকে সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং এই কার্যক্রমের টেকসই বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ সামাজিক নিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। ইউনিভার্সাল ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে তা কেবল দরিদ্র পরিবার নয়, বরং সমাজের সব স্তরের নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- কেন্দ্র তালিকা দেখে নিন: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় আপডেট
- খারগ দ্বীপে মার্কিন বুট? ট্রাম্পের হুমকিতে বিশ্ব তেলের বাজারে বড় ধস
- দুই দশক পর ফিরল হামের আতঙ্ক: শিশুদের সুরক্ষায় নতুন সতর্কবার্তা
- দেশে আর থাকবে না মব কালচার: সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা
- ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধান: গোল্ডিলক্স জোনে মিলল পৃথিবীর মতো ৪৫টি গ্রহ
- ট্রাম্পের মুখে শান্তি, ইসরায়েলের হাতে অস্ত্র! মিত্রদের দ্বিমুখী চালে বিভ্রান্ত বিশ্ব
- তরুণদের হার্ট অ্যাটাক: রিপোর্টে সব স্বাভাবিক থাকলেও লুকিয়ে থাকতে পারে বড় বিপদ
- ইসরায়েল ফার্স্ট নীতিতে ক্ষুব্ধ মার্কিনিরা: নিজ দেশেই তোপের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: সরাসরি যুদ্ধে জড়াবে না ব্রিটেন, সাফ জানালেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
- সংসদে জাইমা রহমান: ভিভিআইপি গ্যালারিতে সরব উপস্থিতি
- বিগত সরকারের ১৩০০ প্রকল্প এখন কাঠগড়ায়: দুর্নীতির তথ্য ফাঁস করলেন অর্থমনন্ত্রী
- খার্গ দ্বীপে হামলার চূড়ান্ত হুমকি ট্রাম্পের: রণক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে হরমুজ প্রণালি
- রাজনীতিতে সৌজন্যের নতুন নজির: বিরোধীদলীয় নেতাকে এগিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- সংসদে হাসির রোল: হাসনাত আবদুল্লাহর বয়স শুনে প্রাণখুলে হাসলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- নিজের ঘরের বিক্ষোভে নজর দিন: ট্রাম্পকে ইরানের প্রেসিডেন্টের পরামর্শ
- ৩০ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৩০ মার্চ ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ৩০ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- দেবিদ্বারে গৃহবধূর অর্ধগলিত লাশ, রহস্যে ঘেরা মৃত্যু
- হরমুজ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ২০ ট্যাংকারে তেল পাঠাচ্ছে ইরান: ট্রাম্প
- হামের লক্ষণ কীভাবে বুঝবেন, বাঁচতে কী করবেন
- এক-এগারোর কুশীলবদের তথ্যে ফেঁসে গেলেন ডিজিএফআই-এর সাবেক পরিচালক
- অবৈধ তেল মজুতকারীদের ধরতে ১ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা
- দেশে হামের ভয়াবহ প্রকোপ: টিকা ও পুষ্টির অভাবে সংকটে হাজারো শিশু
- মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বৈশ্বিক বিপর্যয়: তেলের দাম বাড়ার পূর্বাভাসে কাঁপছে বিশ্ব
- স্ক্রিনের নেশায় চোখের বারোটা? ঘরোয়া উপায়ে ফেরান চোখের জ্যোতি
- মাঠের ফুটবলের চেয়েও বড় উদ্বেগ মানবাধিকার! বিশ্বকাপের আগে বিপাকে ফিফা
- লেবাননে বড় যুদ্ধের ডাক: নির্দেশ দিলেন নেতানিয়াহু
- দেশের ২ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস, ১ নম্বর সতর্কসংকেত জারি
- খার্গ দ্বীপ আসলে কী? কেন এই ‘নিষিদ্ধ দ্বীপ’ দখল করতে মরিয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প?
- এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬: নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ১১ নির্দেশনা
- টাকা পাঠানোর আগে দেখে নিন আজকের সেরা রেট, লাভবান হবেন প্রবাসীরা
- হরমুজ ছাড়িয়ে ওমান উপসাগরও এখন ইরানের কবজায়
- আজ সোমবার: ঢাকার কোন কোন মার্কেট বন্ধ? কেনাকাটার আগে দেখে নিন
- ১৫ দফার বেশিরভাগ শর্ত মেনে নিয়েছে ইরান : ট্রাম্প
- সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
- আজকের নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- তেল, মিসাইল ও কূটনীতি: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কোন দিকে যাচ্ছে?
- ইরানী ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে ইসরায়েলে রাসায়নিক বিপর্যয়: আতঙ্কে ঘরে বন্দি লাখো মানুষ
- রেমিট্যান্সে সর্বকালের সব রেকর্ড ভঙ্গ
- কুয়েতে সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানল ইরান, বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির কবলে প্রতিরক্ষা বিভাগ
- নিয়ম সবসময় শাসকের অনুসারী: হাসনাত আবদুল্লাহ
- অস্ট্রেলিয়ার বুকে বাংলা হান্ড্রেড লিগ সিডনিতে প্রথমবারের মতো খেলোয়াড় নিলাম
- চিরদিনই তুমি যে আমার খ্যাত নায়ক রাহুলের অকাল প্রয়াণ
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ঘোষণা: রাতেই মিটছে ১৩৩ অধ্যাদেশের ভাগ্য
- মিরপুর চিড়িয়াখানায় শিক্ষার্থীদের হাতে আটক আলোচিত ফাহিম চৌধুরী
- সংসদ কি তার প্রেক্ষাপট ভুলে যাচ্ছে? অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের কড়া সমালোচনা
- মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার ব্লু-প্রিন্ট তৈরিতে ইরানকে ১০০ শতাংশ সাহায্য রাশিয়ার
- ইরান ও হিজবুল্লাহর যৌথ হামলায় কাঁপছে ইসরায়েল, ১০০ শহরে বাজছে সতর্কসংকেত
- মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় হাজার হাজার মার্কিন মেরিন সেনা,বাড়ছে আঞ্চলিক সংঘাতের শঙ্কা
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস: গত বছরের রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬-এর স্বর্ণের বাজার
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- পদ্মার গভীরে শনাক্ত ডুবে যাওয়া বাস: উদ্ধারে লড়ছে ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
- শাওয়ালের ৬ রোজা: ফজিলত ও করণীয় জানুন
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- লেনদেন ছাড়াল ৬শ কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
- ইরান যুদ্ধে কোন দেশে কতজন মানুষ নিহত হয়েছে?
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- চিরদিনই তুমি যে আমার খ্যাত নায়ক রাহুলের অকাল প্রয়াণ
- ঈদ পরবর্তী বাজারে সোনার বড় ধস: ভরিতে বড় ছাড় দিয়ে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে








