সুষ্ঠু নির্বাচনও একতরফা হতে পারে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

নির্বাচনে রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকলেও তা পিছিয়ে যাবে বলে মনে করেন না এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেন, রাজনীতিতে নানা কৌশল থাকলেও তিনি আশা করেন, নির্বাচন শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়েই হবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, দলগুলোর মধ্যকার অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের কারণে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনও একতরফা হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।
আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো প্রতিটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো প্রার্থী খুঁজে বের করা। তার মতে, সুষ্ঠু নির্বাচন হলেও প্রার্থী সংকটের কারণে এটি একতরফা হতে পারে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে দলগুলোর মধ্যে গভীর মতবিরোধ রয়েছে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, বিএনপি চাইছে আগামী সংসদ দুই বছরের মধ্যে এই সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করবে, কিন্তু অন্য দলগুলো এতে একমত নয়। বিশেষ করে জামায়াত ও এনসিপি পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতি নিয়ে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।
ফুয়াদ বলেন, জামায়াত এবং এনসিপি বিএনপির পরে দেশের দুটি সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। তারা যদি পিআর পদ্ধতির মতো ইস্যুতে নির্বাচন বর্জন করে, তাহলে নির্বাচন একতরফা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কি এই দায়টা নিয়ে একটা ভালো নির্বাচন করবে কিনা?" তিনি মনে করেন, এই টেনশনগুলো সমাধানযোগ্য এবং বিএনপিকে এখন রাষ্ট্রনায়কের মতো নেতৃত্ব দেখাতে হবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শায়খ আহমাদুল্লাহ: দিলেন বিশেষ বার্তা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে নিজের সুষ্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে যেকোনো ইতিবাচক সংস্কারে তাঁর সমর্থন রয়েছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে তাঁরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে। তবে এই সংস্কার কার্যক্রম অবশ্যই দেশের ধর্মীয় এবং সামাজিক মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অর্থ কেবল পরিবর্তন নয়, বরং মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি সুন্দর আগামীর অঙ্গীকার করা।
রাষ্ট্র ও নির্বাচিত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এই জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের বিচ্যুতি না ঘটে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের সম্পৃক্ত করারও দাবি জানান তিনি। তাঁর মতে, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলেমদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ধর্মীয় মূল্যবোধের সুরক্ষা দেওয়া সহজ হবে এবং জনমনে আস্থার জায়গা তৈরি হবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান ড. মিজানুর রহমান আজহারীর
রাষ্ট্র গঠনে ভারসাম্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনপ্রিয় আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদ ড. মিজানুর রহমান আজহারী। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই দেশাত্মবোধক আহ্বান জানান।
নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে ড. আজহারী উল্লেখ করেন, একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে গণভোটে 'হ্যাঁ' দিন। তিনি ইংরেজি অক্ষরে লিখেছেন— "Say ‘YES’ for Future Bangladesh." তার এই আহ্বানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ করা গেছে। অনেকে তার এই অবস্থানকে রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এবারের ভোট উৎসবের ভিন্নতা হলো—সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি 'জুলাই সনদ' অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কার প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, এদিন প্রত্যেক ভোটার দুটি পৃথক ব্যালটে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
১. সংসদীয় ব্যালট: এখানে ভোটাররা তাদের নিজ নিজ সংসদীয় আসনের পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে ভোট দেবেন।
২. গণভোট ব্যালট: এই ব্যালটটি হবে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত। সেখানে প্রস্তাবিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন আছে কি না, সেই প্রশ্নে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ বক্সে সিল দেবেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ড. আজহারীর মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের এই আহ্বান সাধারণ ভোটারদের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে গণভোটের গুরুত্ব বুঝতে এবং সংস্কার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে উৎসাহিত করবে।
পিজ্জা ডেলিভারি করা তরুণকে স্কুলবন্ধুর তাচ্ছিল্য, ভিডিও ভাইরাল
জীবিকা নির্বাহের তাগিদে পিজ্জা ডেলিভারির কাজ করেন এক তরুণ। রাস্তায় হঠাৎ দেখা হয়ে যায় স্কুলজীবনের এক বান্ধবীর সঙ্গে। সেই মুহূর্তেই তার পেশাকে কেন্দ্র করে তাচ্ছিল্য ও বিদ্রুপের শিকার হতে হয় তরুণকে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।
যদিও ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং কোথায় বা কবে ঘটনাটি ঘটেছে সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি, তবুও ভিডিওটি ইতোমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ব্যস্ত সড়কের সিগন্যালে স্কুটি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ওই তরুণ। পেছনে পিজ্জা রাখার ডেলিভারি বক্স। ঠিক তখনই সেখানে উপস্থিত হন তার স্কুলের বান্ধবী। তরুণকে দেখামাত্রই তিনি হাসতে শুরু করেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।
ভিডিওতে তরুণীকে তাচ্ছিল্যের সুরে বলতে শোনা যায়, স্কুলজীবনে ওই তরুণ নাকি বন্ধুদের অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও পাঠাতেন। অথচ এখন ৩০ বছর বয়সে তিনি পিজ্জা ডেলিভারির কাজ করছেন। ভিডিওটি তিনি অন্যদেরও দেখাবেন বলেও মন্তব্য করেন। এসব কথা শুনে তরুণকে বিব্রত ও লজ্জিত অবস্থায় হাসতে দেখা যায়।
ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট তরুণ ও তরুণীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, পুরো ঘটনাটি সাজানো ছিল। তবে এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ নেটিজেনদের একটি বড় অংশ। তাদের মতে, জনমতের চাপে পড়েই বিষয়টিকে ‘স্ক্রিপ্টেড’ বলে চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে X–এর একটি অ্যাকাউন্ট থেকে, যার নাম ‘স্যাফরন চার্জার্স’। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি বিপুল সংখ্যক দর্শক দেখেন। লাইক, শেয়ার ও মন্তব্যে ভরে ওঠে পোস্টটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশিরভাগ প্রতিক্রিয়াই তরুণের পক্ষে গেছে। বহু ব্যবহারকারী তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং তরুণীর আচরণকে নিন্দনীয় ও শিক্ষার অভাবের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন।
একজন নেটিজেন লিখেছেন, “কোনও কাজই ছোট নয়। সংসার চালাতে অনেককেই ডেলিভারি বয়ের কাজ করতে হয়। কাউকে এভাবে অপমান করা মানসিক দীনতার পরিচয়।”
আরেকজন মন্তব্য করেন, “জীবন সব সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে না। কখনও দায়িত্ব হঠাৎ কাঁধে এসে পড়ে। তখন স্বপ্ন থেমে গেলেও দায়িত্ব পালন করাটাই আসল। এই তরুণ বাস্তব জীবনের নায়ক।”
অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন, সামাজিক মর্যাদা কি শুধু পেশার সঙ্গে যুক্ত? পড়াশোনা ও বাস্তব জীবনের সংগ্রামের মধ্যকার এই বৈপরীত্য সমাজের শ্রেণিভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিকেই সামনে এনেছে বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এই ভাইরাল ভিডিওটি সত্য হোক বা সাজানো এটি একটাই প্রশ্ন সামনে এনেছে: জীবিকা নির্বাহের জন্য পরিশ্রম করা মানুষকে তাচ্ছিল্য করার অধিকার কারও আছে কি না?
সূত্র:আনন্দবাজার
কুচক্রী মহল থেকে সাবধান: ফেসবুক পোস্টে জরুরি বার্তা দিলেন আজহারি
বর্তমান সময়ের আলোচিত ও জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারি তাঁর নাম, ছবি এবং কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে চালানো সুসংগঠিত ডিজিটাল প্রতারণার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর ও জরুরি এক সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দেশের ভেতরে ও দেশের বাইরে থেকে সক্রিয় থাকা বিভিন্ন কুচক্রী প্রতারক মহলের বিরুদ্ধে এই ‘ফাইনাল ওয়ার্নিং’ বা চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। আজহারি অভিযোগ করেছেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর কণ্ঠস্বর বা ‘ভয়েস ক্লোন’ (AI Voice Cloning) করা হচ্ছে এবং তাঁর ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নানা ধরণের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে মূলত সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অনৈতিকভাবে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
ড. আজহারি তাঁর পোস্টে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এই প্রতারক চক্রগুলো ওষুধি পণ্য এবং বিভিন্ন ধরণের ভুয়া বিউটি বা হেলথ প্রোডাক্ট প্রমোশনে তাঁর কৃত্রিমভাবে তৈরি কণ্ঠস্বর ও ছবি ব্যবহার করছে। বিশেষ করে চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত অবৈজ্ঞানিক ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনে তাঁর সম্পৃক্ততা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করা হচ্ছে। যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির এই অপব্যবহার সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন না, এমন অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ এসব বিজ্ঞাপন দেখে আর্থিকভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। এর ফলে কেবল সাধারণ মানুষের ক্ষতিই হচ্ছে না, বরং এই ইসলামি বক্তার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং তাঁর প্রতি মানুষের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস ও আস্থাও চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে, এ ধরণের কোনো বাণিজ্যিক পণ্য বা ওষুধের প্রচারণার সঙ্গে তাঁর বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই।
এই জালিয়াতির প্রভাব ড. আজহারির প্রতিষ্ঠিত ‘হাসানাহ ফাউন্ডেশন’ (Hasanah Foundation)-এর ওপরও পড়েছে বলে জানা গেছে। আজহারি উল্লেখ করেছেন যে, এসব ভুয়া পণ্য বা ওষুধের ব্যাপারে খোঁজ নিতে প্রতিদিন অগণিত মানুষ ফাউন্ডেশনের অফিশিয়াল নাম্বারে ফোন করছেন। এর ফলে ফাউন্ডেশনের দৈনন্দিন দাপ্তরিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে চরম বিঘ্ন ঘটছে। তিনি অত্যন্ত জোর দিয়ে বলেন যে, তাঁর পরিচয় ব্যবহার করে কোনো পণ্য বিক্রির চেষ্টা করা হলে তা সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং এটি জালিয়াতির অংশ। ইতোমধ্যে তাঁর টিম এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বিভিন্ন মিডিয়া ও ফেসবুক পেজগুলোর একটি বিস্তারিত তালিকা প্রস্তুত করেছে। এই তালিকাটি অতি দ্রুত পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে পাঠানো হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেশ বা বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
পরিশেষে, ড. মিজানুর রহমান আজহারি তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে তারা কোনো বিজ্ঞাপন দেখে সহজেই বিভ্রান্ত না হন। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে, যেকোনো প্রচারণার সত্যতা যাচাই করতে হলে যেন তাঁর অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া সোর্সগুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রতারকদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, যদি অনতিবিলম্বে এসব কন্টেন্ট রিমুভ না করা হয়, তবে তিনি আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বাধ্য হবেন। তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যারা এই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অনৈতিক উপায়ে অর্থ উপার্জন করছেন, আল্লাহ যেন তাদের মেধাকে হালাল ও পজিটিভ কাজে ব্যবহার করে রিজিক অন্বেষণের তাওফিক দান করেন। ভক্তদের সুবিধার্থে তিনি তাঁর পোস্টে সবকটি অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মের লিংকও সংযুক্ত করে দিয়েছেন।
এর চেয়েও বহুগুণ বিকট আওয়াজ তোমাকে দিশেহারা করার অপেক্ষায়: আজহারী
রাষ্ট্রীয় শোক আর পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীর আকাশ যখন আতশবাজির ঝলকানিতে রঙিন, ঠিক তখনই পরকালের ভয়ংকর আগুনের স্মারক মনে করিয়ে দিলেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি থার্টি ফার্স্ট নাইটের এই বিকট উল্লাস নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তাঁর এই পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ড. আজহারী তাঁর পোস্টে লিখেছেন—যে বিকট শব্দ আর আগুনের ঝলকানি মানুষকে আজ উল্লাসে মাতাচ্ছে, এর চেয়েও বহুগুণ বিকট আওয়াজ আর তীব্র আগুন পরকালে মানুষকে দিশেহারা করার অপেক্ষায় রয়েছে। মানুষের এই ক্ষণস্থায়ী উন্মাদনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, “তবুও তুমি বুঝবে না?” তাঁর এই বার্তাটি এমন এক সময়ে এল যখন রাজধানীর অসুস্থ রোগী এবং ছোট শিশুরা পটকার বিকট শব্দে চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে সময় পার করছিল।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক অভিভাবক তাঁদের শিশু সন্তানদের কান্নাকাটি আর আতঙ্কের কথা শেয়ার করেছেন। বিশেষ করে হাসপাতালে থাকা হৃদরোগী ও বয়স্কদের জন্য এই উচ্চশব্দ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, তা নিয়ে অনেক অসহায় মানুষ নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ডিএমপির পক্ষ থেকে ফানুস ও পটকা ফাটানোয় স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা কার্যকর না হওয়ায় অনেকেই হতাশা ব্যক্ত করেছেন। এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে ড. আজহারীর এই আধ্যাত্মিক সতর্কবার্তা ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিবেক জাগ্রত করার এক বিশেষ ডাক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা সংবাদপত্রের ওপর আঘাত: শশী থারুর
বাংলাদেশের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের লোকসভা সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শশী থারুর। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থাকে বহুমাত্রিক সমাজের ভিত্তির ওপর চরম আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেন। বিশেষ করে প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে পরিকল্পিত হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি তাকে গভীরভাবে বিচলিত করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শশী থারুর তার পোস্টে সম্পাদক মাহ্ফুজ আনামসহ অন্যান্য সাহসী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন যে সংবাদকর্মীদের জীবন বাঁচাতে মরিয়া হয়ে বার্তা দিতে হবে এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি মনে করেন যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরণের সংঘাত ও অসহিষ্ণুতার পরিবেশ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য একটি অত্যন্ত অশুভ সংকেত। থারুর স্পষ্ট জানিয়েছেন যে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং উগ্র জনতার শাসনের বদলে গঠনমূলক সংলাপের পথ বেছে নিতে হবে।
বাংলাদেশের অরাজক পরিস্থিতির প্রভাবে খুলনা ও রাজশাহীতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের ভিসা পরিষেবা স্থগিত হওয়াকে তিনি একটি বড় বিপত্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর ফলে দুই দেশের সাধারণ শিক্ষার্থী, রোগী এবং যারা জরুরি প্রয়োজনে সীমান্ত পার হতে চেয়েছিলেন তারা চরম সংকটের মুখে পড়েছেন। থারুরের মতে কূটনৈতিক মিশনগুলোকে অবশ্যই নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে সুরক্ষা দিতে হবে এবং আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা দূতাবাসগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা অন্তর্বর্তী সরকারের নৈতিক দায়িত্ব।
বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে শশী থারুর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ব্যক্তিগতভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার এবং শান্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা কেবল দেশটির নিজস্ব বিষয় নয় বরং এটি পুরো দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের কণ্ঠস্বর যেন কোনো সহিংসতা বা হুমকির মুখে চাপা না পড়ে এবং ব্যালটের মাধ্যমে প্রকৃত প্রতিফলন ঘটে এমন একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরির প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তার বক্তব্য শেষ করেন এই জ্যেষ্ঠ কংগ্রেস নেতা।
হাদির মৃত্যুতে শায়খ আহমাদুল্লাহ ও আজহারীর আবেগঘন বার্তা
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় দুই ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। বৃহস্পতিবার রাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সোশ্যাল মিডিয়ায় তারা পৃথক শোকবার্তা প্রকাশ করেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
জনপ্রিয় আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ তার শোকবার্তায় হাদিকে ‘বিপ্লবী’ আখ্যা দিয়ে তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে হাদির যে অকুতোভয় সাহসিকতা ছিল, তা থেকে যেন তরুণ প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হতে পারে এবং আল্লাহ যেন সবাইকে সেই তৌফিক দান করেন।
অন্যদিকে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী তার প্রতিক্রিয়ায় হাদিকে সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনের দুই আইকন আবরার ফাহাদ ও আবু সাঈদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি আবেগঘন বার্তায় মন্তব্য করেন, আবরার ফাহাদ ও আবু সাঈদের কাতারে এবার যুক্ত হলেন ওসমান হাদি। আজহারী হাদির আত্মত্যাগ কবুল করে তাকে শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান এবং জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করার জন্য দোয়া করেন। উল্লেখ্য, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি গত ১২ ডিসেম্বর গুলিবিদ্ধ হন এবং বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার এই অকাল মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোক ও প্রতিবাদের আবহ তৈরি হয়েছে।
"আইআরআই ঐতিহাসিকভাবে ভ্রান্ত ডাটা দিয়েছে"

জিয়া হাসান
অর্থনীতিবিদ ও লেখক
আইআরআই–এর সার্ভের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হচ্ছে—এই সার্ভেতে কোন দলকে ভোট দেবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্তহীন বা বলতে অনিচ্ছুক মানুষের সংখ্যা মাত্র ২২%। অন্যদিকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি/মার্চ ও জুলাই মাসে করা ইনোভিশন কনসাল্টিং–এর দুইটি সার্ভে এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ গভর্ন্যান্স–এর অক্টোবর ’২৪ ও ২০২৫-এর জুলাই মাসে করা মোট চারটি সার্ভেতে ‘বলতে অনিচ্ছুক’ ও ‘সিদ্ধান্ত নেয়নি’—এমন ব্যক্তির সংখ্যা ৫০%–এর উপরে ছিল। ইনোভিশন ও বিআইজিডি সার্ভের একটি শক্ত ভ্যালিডিটি হলো—দুইটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের করা চারটি ভিন্ন সার্ভের মূল অনুসিদ্ধান্তগুলো অত্যন্ত কনসিস্টেন্ট।
কিন্তু এই বছর সেপ্টেম্বর–অক্টোবরের আইআরআই সার্ভের সিদ্ধান্তগুলো বিআইজিডি ও ইনোভিশনের ফলাফলের সাথে সম্পূর্ণ ভিন্ন। মাত্র তিন মাসের মধ্যে বলতে অনিচ্ছুক/সিদ্ধান্তহীন মানুষের সংখ্যা ৫০%–এর বেশি থেকে ২২%–এ নেমে এসেছে—এর সম্ভাবনা অত্যন্ত সীমিত।আমি ও তৌকির ইনোভিশনের সর্বশেষ সার্ভেটি খুব গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে কিছু সিরিয়াস ফাইন্ডিং পেয়েছিলাম, কিন্তু আমরা সেটি প্রকাশ করিনি—কারণ সার্ভের উত্তরগুলো অনেক জায়গায় নিজেদের সাথে কনট্রাডিক্ট করছিল।
এক পর্যায়ে আমাদের মনে হয়েছে, এটি অত্যন্ত জটিল একটি সার্ভে, এবং এত বেশি প্রশ্ন করা হয়েছে যে উত্তরদাতাদের ফ্যাটিগ আসা একদম স্বাভাবিক। ফলে সার্ভেটি জেনারেলি কনসিস্টেন্ট হলেও, আমি ইনোভিশনের ফাইন্ডিংস থেকে কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারিনি। এবং যে সার্ভেতে ৫০% মানুষের সিদ্ধান্ত জানা নেই, এবং যার ডাটা–কালেকশনের ডিস্ট্রিবিউশন বিভাগ–ওয়ারি, সেই সার্ভে থেকে ন্যাশনাল ইলেকশন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না—এটাই আমাদের অবস্থান।
তবে ইনোভিশন ও বিআইজিডির উভয়ের ডাটার কনসিস্টেন্সি দেখে আমরা বুঝতে পারি—তাদের ডাটা–কালেকশন ভালো এবং ডিরেকশনালি কারেক্ট, কিন্তু সেখান থেকে কোনোভাবেই কনস্টিটুয়েন্সি–লেভেলের রেজাল্ট অনুমান করা যায় না। অন্যদিকে আইআরআই–কে নিয়ে আমার সন্দেহ হচ্ছে ‘নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক’ ও ‘সিদ্ধান্ত নেয়নি’—এই ক্যাটাগরির পরিমাণ নিয়ে। পরপর চারটি সার্ভের তুলনায় এই সংখ্যাটি এত বেশি ভিন্ন যে—এটা থেকে কোনো সিদ্ধান্তেই পৌঁছানো যাবে না।
দ্বিতীয়ত, আইআরআই ঐতিহাসিকভাবে ভ্রান্ত ডাটা দিয়েছে। মনে পড়ে, ২০১৩ ও ২০২৩ সালের নির্বাচনের আগে আইআরআই শেখ হাসিনার ৭০% এপ্রুভাল রেটিং দেখিয়েছিল। উভয় সময়ই আওয়ামী লীগ আইআরআই–এর এই এপ্রুভাল রেটিং ব্যবহার করে ডিপ্লোম্যাটদের মধ্যে ক্যাম্পেইন চালিয়েছে—অবৈধ নির্বাচনের বৈধতা প্রতিষ্ঠার জন্য। আরাফাত রা টক শোতে টুইটারে আইআরএর সার্ভের রেজাল্ট দিয়ে দেখায় যে, নির্বাচন না হইলেও দেশের মানুষ হাসিনাকে চায়। ২০২৩ সালের সার্ভের পর আমরা কয়েকজন আইআরআই–কে যাতা দিয়ে ধরেছিলাম। আমার যতদূর মনে পড়ে, আইআরআই সার্ভে কারা করেছে—তাদের পরিচয় রিসার্চ করে দেখা যায়, তারা প্রচণ্ডভাবে আওয়ামী–ব্যাকড ইন্টেলিজেনসিয়া।
জুলকারনাইন সায়ের এ বিষয়ে বহু এভিডেন্স ছিল—যা নিয়ে টুইটারে বড় বিতর্ক হয়েছিল। জেফ্রি ম্যাকডোনাল্ডসকে একসময় বেশ ডিফেন্সিভ হতে হয়েছিল। বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে প্রফেশনাল সার্ভে হওয়া—এটা গণতন্ত্র ম্যাচিউর হওয়ার একটি ভালো লক্ষণ। কিন্তু এই সার্ভেগুলোর মেথডোলজি, আউটকাম, কনসিস্টেন্সি ও ভ্যালিডিটি নিয়ে আমাদের নিয়মিত প্রশ্ন করতে হবে।
কম্প্রোমাইজড হওয়ার ঐতিহাসিক এভিডেন্স এবং বিআইজিডি ও ইনোভিশন সার্ভের সাথে ইনকনসিস্টেন্সির কারণে আইআরআই সার্ভের উপর আমার আস্থা মাত্র ১১%। ১১% দিয়েছি শুধু কিছু দিতে হয় বলে। এনজিওগুলো বিদেশ থেকে টাকা আনছে, খরচ করছে—দেশের মন্দা অবস্থায় জিডিপিতে ব্যয় হচ্ছে—সেইটার একটু ক্রেডিট দিলাম।
আমরা কি ক্যাডারভিত্তিক সিস্টেম চাই, নাকি খোলা, প্রতিযোগিতামূলক গণতন্ত্র চাই?

আসিফ বিন আলী
শিক্ষক ও স্বাধীন সাংবাদিক
রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামি, ইসলামি ব্যাংক, ইবনে সিনা হাসপাতালসহ প্রায় ২০০-র বেশি ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে এবং নিয়ন্ত্রণ করছে। জামাত এটাকে তাদের বিশাল সাফল্য হিসেবে তুলে ধরে। বাস্তবে বিষয়টা গণতন্ত্রের জন্য বড় ধরনের হুমকি। কোনো রাজনৈতিক দল যখন ব্যাংক বা হাসপাতালের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে, “সেবা”র নামে সেখানে নিজের ক্যাডারদের চাকরি দেয়, আর নির্বাচনী রাজনীতিতে সেই নেটওয়ার্ককে ব্যবহার করে, তখন তা আসলে গণতন্ত্র ও প্রতিযোগিতামূলক রাজনীতির জন্য ক্ষতিকর হয়। জামাত মুখে “সৎ মানুষের রাজনীতি”র কথা বললেও, এই প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তোলা ও লাভজনক করার জন্য ২০০১–২০০৬ সালে ক্ষমতায় থাকার সময় যে ধরনের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে, এবং ৫ আগস্টের পরে যেভাবে আবার নিয়ন্ত্রণ কুক্ষিগত করেছে, তা নিয়ে দুদকের তদন্ত হওয়া দরকার। কোনো রাজনৈতিক দলের কোনো প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা দেশের গণতন্ত্রের জন্য মোটেও শুভ নয়, যদিও ক্যাডারভিত্তিক রাজনীতির জন্য এটি খুবই লাভজনক। প্রশ্নটা সোজা: আমরা কি ক্যাডারভিত্তিক সিস্টেম চাই, নাকি খোলা, প্রতিযোগিতামূলক গণতন্ত্র চাই, যেখানে ব্যাংক ও হাসপাতাল জনগণের, কোনো দলের নয়।
পাঠকের মতামত:
- কবে সরকার গঠন করবে জানাল মির্জা ফখরুল
- জয়ী হয়েই কঠোর ঘোষণা দিলেন হাসনাত
- মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অবশেষে স্বস্তি
- এক সপ্তাহ পর বিশ্ববাজারে সোনার উত্থান
- জুমার দিন দরুদ পাঠের অফুরন্ত ফজিলত
- ফলাফল নিয়ে জামায়াতের নতুন বার্তা, কী সেটা
- পুষ্টিকর বিটের হালুয়া বানাবেন যেভাবে
- বিএনপির জয়ে চীনের শুভেচ্ছা, একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ
- আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিএনপির জয় শিরোনাম
- রুপা স্থির, তবে কেন অস্থির শুধু সোনা
- তারেক রহমানকে অভিনন্দন মোদি-শাহবাজের
- পোস্টাল ব্যালটে কত শতাংশ ভোট? জানাল ইসি
- অস্ট্রেলিয়া-জিম্বাবুয়ে ম্যাচসহ আজকের টিভি ক্রীড়া সূচি এক নজরে
- আজ রাস্তায় চলবে যেসব যানবাহন
- ২৯৯ আসনের বেসরকারি ফল প্রকাশ: নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিএনপি জোট
- বিজয়ে মিছিল নয়, দোয়ার ডাক বিএনপির
- আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে
- পাঁচ আসনে প্রার্থীদের ভোট বর্জন
- ৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে দেশ
- গণভোটে চার আসনে ‘না’ এগিয়ে
- তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাল মার্কিন দূতাবাস
- ১৭ বছরের লড়াই শেষে ‘বাংলাদেশের বিজয়’: মির্জা ফখরুল
- বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ এ তারেক রহমানের জয়
- ঠাকুরগাঁও-১ এ মির্জা ফখরুলের রেকর্ড জয়
- বগুড়া-৬ এ তারেক রহমানের জয়
- নিজ কেন্দ্রে ৫ ভোটে হারলেন জামায়াত আমির
- রংপুর-৪ আসনে এনসিপির বিশাল লিড: শাপলা কলির ঝড়ে কাঁপছে পীরগাছা-কাউনিয়া!
- ঢাকা-১৫ আসনে দাপুটে লিড ডা. শফিকুর রহমানের
- কুড়িগ্রাম-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লার বড় জয়
- গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয়জয়কার: জুলাই সনদের হাত ধরে আসছে নতুন সংবিধান!
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানার দাপুটে লিড
- ঝিনাইদহ-১ আসনে বিশাল জয় অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামানের
- স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নির্বাচন: অ্যাপের গ্রাফে বোঝা যাচ্ছে কার পাল্লা ভারী!
- ৫ তরুণের বেপরোয়া সিল: ভালুকায় জালিয়াতির ভিডিও ফাঁস!
- ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের দাপুটে সূচনা: প্রথম কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে লিড
- ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের শুভ সূচনা: প্রথম কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে
- পুরো জাতিকে ডক্টর ইউনূসের অভিনন্দন: নতুন বাংলাদেশের অভূতপূর্ব যাত্রা শুরু
- বিজয় আসলে মিছিল নয়, সিজদায় পড়ে শোকর আদায় করুন: ডা. শফিকুর রহমান
- আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শীর্ষ সংবাদ বাংলাদেশ: গণতন্ত্রে ফেরার পরীক্ষা দেখছে বিশ্ব
- তিন আসনে ভোট স্থগিতের দাবি জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের
- ভোটগ্রহণ শেষ, এখন চলছে চূড়ান্ত গণনা: কার মুখে ফুটবে জয়ের হাসি?
- ভোটে কোনো কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিং হলে কঠোর প্রতিরোধের ঘোষণা
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পোলিং অফিসারের মৃত্যু
- ঢাকা-৮ কেন্দ্রে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা
- যাদের ওপর রোজা ফরজ নয় এবং তাদের করণীয়
- উত্তম রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য হাদিসের আলোকে দোয়া
- গাংনীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ
- ভোট দিয়ে জয়ে শতভাগ আশাবাদী তারেক রহমান
- সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, ভরি মিলবে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকাতে
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- ২০০৮–এর পর প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন: গণতন্ত্রের গুণগত মানের এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- আইনের রক্ষক পুলিশ কেন ভয়ের প্রতীকে পরিণত হয়?
- স্বর্ণের বাজারে নতুন অস্থিরতা: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন চড়া দাম
- নির্বাচনে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে উদ্বেগ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে কে এগিয়ে? সোচ্চারের জরিপে চমক!
- ১০ ফেব্রুয়ারি আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন দাম
- জয়ের দৌড়ে বিএনপি ফেভারিট জানাল দ্য ইকোনমিস্ট
- আজ টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা
- কালিগঞ্জে ধানের শীষের জনসমুদ্র: সাতক্ষীরা-৩ আসনে কাজী আলাউদ্দীনের হুঙ্কার
- ইনসাফ কায়েম হলে প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীও আইনের ঊর্ধ্বে থাকবেন না: জামায়াত আমির
- আজ শুরু টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, প্রথম দিনেই তিন ম্যাচ








