আশুরার শিক্ষা ধারণ করে নেক আমলের তাগিদ প্রধান উপদেষ্টার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ০৫ ২০:০৯:১৭
আশুরার শিক্ষা ধারণ করে নেক আমলের তাগিদ প্রধান উপদেষ্টার

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পবিত্র আশুরার তাৎপর্য তুলে ধরে বলেছেন, এই দিন মানবজাতিকে জুলুম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে শক্তি ও সাহস জোগায়। আশুরার শিক্ষা ধারণ করে বেশি বেশি নেক আমল এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার (৫ জুলাই) পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে ড. ইউনূস এই আহ্বান জানান।

বাণীতে তিনি বলেন, “পবিত্র আশুরার শোকাবহ এই দিনে আমি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা.)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, যিনি কারবালার প্রান্তরে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্য এবং সঙ্গীদের প্রতিও আমি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।”

তিনি বলেন, “ইসলাম শান্তি, ন্যায় ও সত্যের ধর্ম। এই আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৬১ হিজরির ১০ মহররম হজরত ইমাম হোসেন (রা.) ও তাঁর অনুসারীরা ইয়াজিদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে শাহাদত বরণ করেন। তাদের এই আত্মত্যাগ মানব ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনার পাশাপাশি আশুরা ইসলামের ইতিহাসে অন্যতম ফজিলতপূর্ণ একটি দিন বলেও উল্লেখ করেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, “হাদিসে বর্ণিত আছে, আশুরার দিনে দুটি রোজা পালনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রিয় নবী (সা.)। এই দিনে পৃথিবীর সৃষ্টিসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।”

সমাজে সাম্য, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, “আশুরা আমাদের শিক্ষা দেয় আত্মত্যাগ, সহনশীলতা ও সত্যের পথে অবিচল থাকার। এ উপলক্ষে আমি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও অগ্রগতি কামনা করছি।”

জাতীয় প্রতিবেদন/আশিক


গণভোটের হ্যাঁঅটোমেটিক কার্যকর হবে, এটাই জুলাই সনদ: এ্যানি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ১১:১৬:১২
গণভোটের হ্যাঁঅটোমেটিক কার্যকর হবে, এটাই জুলাই সনদ: এ্যানি
ছবি: যুগান্তর

পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সংসদ নির্বাচন হয়েছে। সংসদ সদস্যদের শপথ হয়েছে। আমরা শপথ নিয়েছি। হ্যাঁ-না ভোট হয়েছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। খুব স্বাভাবিক কারণেই পার্লামেন্টে বিলটা রেইজ হবে। ‘হ্যাঁ’-এর শপথের কোন প্রয়োজন নাই। ‘হ্যাঁ’ অটোমেটিক কার্যকর হবে। এটাই জুলাই সনদ। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, যারা মব করছেন এখান থেকে সরে আসাটাই উচিত। মব মানে একটা বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করা। মব কালচার বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে। সুতরাং মব কালচার থেকে ফিরে এসে সবাইকে দায়-দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। এ্যানি বলেন, সরকার এবং দেশকে সহযোগিতা করার জন্যই কাজ করতে হবে। কেউ যদি এর বাইরে কিছু করতে চান, সেটার দায়-দায়িত্ব তাদের উপরই বর্তাবে।

তিনি বলেন, যেখানে ‘না’ ভোট হয়েছে, সেখানে ‘না’ ভোট অনুযায়ী পার্লামেন্টে রেইজ হবে, আলোচনা হবে। যেখানে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া হয়েছে, সেটা সেখানে নির্ধারিত হবে। এ ব্যাপারে যারা আইনবিদ রয়েছেন, তারা সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। জানা দরকার, সুন্দরভাবে বলা দরকার। তিনি আরও বলেন, সরকারকে কীভাবে সহযোগিতা করতে পারেন, দেশটাকে কীভাবে আন্তরিকতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নিবেন, সেই বিষয়ে কথা বলা দরকার। মতপথ ভিন্ন থাকতে পারে, সব ইস্যুতে বিরোধীতা করতে হবে, এমন অবস্থান থেকে পিছিয়ে এসে আমার মনে হয় দেশটা গড়ার জন্য সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজে মনযোগী হওয়া দরকার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. এমরান, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

/আশিক


একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ০৯:১৩:৪৭
একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষার অধিকারের জন্য জীবন উৎসর্গ করা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার রাত ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছান রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান। ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছোঁয়ার সাথে সাথেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রথমে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদনের পরপরই পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তাঁরা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক বিশেষ মোনাজাতে শরিক হন প্রধানমন্ত্রীসহ শহীদ মিনারে জড়ো হওয়া হাজারো সাধারণ মানুষ। মোনাজাতে শহীদদের রুহের মাগফেরাত এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

মোনাজাত শেষে মন্ত্রিসভার সদস্য ও নিজের উপদেষ্টাদের সঙ্গে নিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা সম্মিলিতভাবে শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একুশের প্রথম প্রহরের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের ঢল নামে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায়।

/আশিক


প্রধানমন্ত্রীর  উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ১৯:৩০:৪৬
প্রধানমন্ত্রীর  উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে আটজনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি মোট ১০ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

সরকারি আদেশ অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদায় তিনজনকে রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান এবং রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ। পাশাপাশি মন্ত্রী পদমর্যাদায় মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এবং রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর–কে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। এছাড়া মাহদী আমিনকে একযোগে চারটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় তদারকি করবেন।

অন্যদিকে রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। প্রশাসনিক কাঠামোয় এই দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে নতুন সরকারের নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়ন কার্যক্রমের রূপরেখা স্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

-রফিক


যমুনা ছাড়ছেন কবে ড. ইউনূস, কোথায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ১৫:০০:১০
যমুনা ছাড়ছেন কবে ড. ইউনূস, কোথায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১২ ফেব্রুয়ারির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে নতুন সরকার। এর মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায় সমাপ্ত হয়েছে। রাজনৈতিক পালাবদলের পর এখন জনমনে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস কবে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ছাড়বেন এবং নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোথায় তার সরকারি আবাস স্থাপন করবেন।

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন নোবেলজয়ী ড. ইউনূস। সে সময় গণভবন বসবাসের অনুপযোগী থাকায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ‘যমুনা’ ভবনকে তার অস্থায়ী সরকারি বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করে। বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ–এর রমনা জোনের এডিসি মীর আসাদুজ্জামান।

ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, গুলশানে তার নিজ বাসভবনে সংস্কারকাজ চলমান থাকায় তিনি পরিবারসহ সাময়িকভাবে যমুনায় অবস্থান করছেন। সংস্কার শেষ হলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তিনি স্থায়ীভাবে নিজ বাসায় ফিরে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’কেই তার সরকারি বাসভবন হিসেবে পছন্দ করেছেন। তবে দায়িত্বভার গ্রহণের আগে ভবনটিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিন্যাস সম্পন্ন করা হবে। রমনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংস্কার কার্যক্রম শেষ হতে আনুমানিক দুই মাস সময় লাগতে পারে।

এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ভবনটি খালি হওয়ার পর দ্রুততম সময়ে তা ব্যবহারের উপযোগী করা হবে এবং প্রায় এক মাসের মধ্যে প্রস্তুত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজন অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ নকশা ও নিরাপত্তা কাঠামোয় সমন্বয় আনা হবে।

দায়িত্ব ছাড়লেও অধ্যাপক ইউনূস দেশেই অবস্থান করবেন বলে নিশ্চিত করেছে তার ঘনিষ্ঠ মহল। আগামী সপ্তাহ থেকে তিনি তার প্রতিষ্ঠিত ‘ইউনূস সেন্টার’-এ নিয়মিত কার্যক্রমে ফিরবেন। সেখানে তিনি তার বহুল আলোচিত ‘থ্রি জিরো’ ধারণা শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ নিয়ে গবেষণা ও কর্মসূচি পরিচালনা করবেন।

এছাড়া, পূর্বনির্ধারিত আন্তর্জাতিক সূচি অনুযায়ী আগামী মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে জাপানের সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন–এর আমন্ত্রণে পাঁচ দিনের সফরে টোকিও যাওয়ার কথা রয়েছে তার। সেখানে নির্ধারিত বক্তৃতা ও বৈঠক শেষে তিনি পুনরায় দেশে ফিরবেন।

-রাফসান


শেয়ারবাজারে আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন: অর্থ মন্ত্রী আমীর খসরু

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ১৩:৫১:০৮
শেয়ারবাজারে আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন: অর্থ মন্ত্রী আমীর খসরু
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজার ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে কাঠামোগত রূপান্তরের ইঙ্গিত দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, আগামী বাজেট হবে প্রচলিত ধারা থেকে ভিন্ন এবং এতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও সম্প্রসারণের স্পষ্ট রূপরেখা থাকবে। পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে সরকারের বহুমাত্রিক পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, অর্থনীতিকে ‘উত্তোলনের পথে’ নিতে হবে এবং পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে একটি প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তোলা হবে। তার ভাষায়, দেশের শেয়ারবাজার ও অর্থনীতিতে সামনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন দেখা যাবে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, চট্টগ্রামকে প্রকৃত অর্থে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তর করার এখনই উপযুক্ত সময়। এ লক্ষ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বন্দর কার্যক্রমের আধুনিকায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো এবং লজিস্টিক ব্যবস্থার দক্ষতা উন্নত করা হলে বৈদেশিক বাণিজ্য আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কর্মসংস্থানকে দেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। জনগণ যাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি পায়, সে ধরনের নীতি প্রণয়নে সরকার কাজ করছে। অর্থনীতিকে আরও উন্মুক্ত ও গতিশীল করার ওপর জোর দেওয়া হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শেয়ারবাজারে কাঠামোগত সংস্কার, বিনিয়োগবান্ধব নীতি ও সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে বাজারে আস্থা ফিরতে পারে। একই সঙ্গে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়তে পারে।

মন্ত্রী অবশ্য স্পষ্ট করে বলেন, সরকারের হাতে বেশ কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে, যা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। সামনের বাজেটের মাধ্যমে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির রূপরেখা স্পষ্ট হবে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

-রফিক


ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি: দায়িত্বে আছেন যারা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ২১:৫৯:৫০
ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি: দায়িত্বে আছেন যারা
ছবি : সংগৃহীত

প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে আরও ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে।

সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। এ ছাড়া কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদসচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

এর আগে বিএনপি ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা প্রথমেই হতদরিদ্র পরিবার পাবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন-উর রশীদ। তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য বেশ কিছু জেলা ও উপজেলা চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রথমে হতদরিদ্র পরিবারকে এই সুবিধা দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা বাড়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নগদ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। হতদরিদ্র পরিবারের নারীদের নগদ টাকা তাদের পরিবারের জন্য অনেক গুরুত্ব বহন করে। দু-এক দিনের মধ্যে ঠিক করা হবে প্রাথমিকভাবে কত মানুষ এ সুবিধা পাবেন।

/আশিক


সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা তোলা চাঁদা নয়: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৯:৫০:৫১
সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা তোলা চাঁদা নয়: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদার পর্যায়ে পড়ে না বলে মন্তব্য করেছেন নবনিযুক্ত সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদা নয়, বরং টাকা দিতে বাধ্য করা হলে সেটা চাঁদা। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটা বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখি না। মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি আছে, তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যয় করে। এটা অলিখিত বিধির মতো। চাঁদা আমি সেটাকে বলতে চাই, যেটা কেউ দিতে চায় না বা বাধ্য করা হয়। মালিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে টাকা তুলে মালিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। কতটুকু ব্যবহার হয় সেটা নিয়ে হয়ত বিতর্ক আছে। কিন্তু, তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এ কাজটা করেন।

রবিউল আলম আরও বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ অনেক সংস্থা আছে। তারা এটা সমঝোতার ভিত্তিতে করে (টাকা তোলে)। সেখানে আবার প্রাধান্য পায় যখন যার প্রভাব থাকে। যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দলের শ্রমিক সংগঠনের একটা আধিপত্য থাকে। কিন্তু, এটা চাঁদা আকারে আমাদের কাছে দেখার সুযোগ হচ্ছে না। কারণ, তারা সমঝোতা ভিত্তিতে এটা করছে। তিনি বলেন, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে যেসব জায়গা আছে সেখানে বাইরে থেকে কেউ চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা নেবে বা সুবিধা নেবে সে সুযোগ নেই। কিন্তু মালিকরা যদি সমঝোতার ভিত্তিতে সেটা করে, তাহলে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখব যে, সেখানে কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না এবং সেই অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না।

এরপর সড়কে যানজটের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের ওপরই অনেক জায়গায় বাজার বসে গেছে। সেখানে যানজট হচ্ছে। এগুলোকে একটা শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার বিষয়ে রবিউল আলম বলেন, ছুটি ছোট হয়ে গেলে চাপ নেওয়াটা একটু কঠিন হয়ে যায়। গতবার ছুটি বড় ছিল। এতে একটা সুবিধা পাওয়া গেছে। এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ওই প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করব। পাশাপাশি নতুন করে আর কী প্রক্রিয়া গ্রহণ করলে ভোগান্তি কমবে, সেটা ঠিক করা হবে।

আশা করছি, আপনাদের নিরাপদে বাড়ি পাঠাতে আমরা সক্ষম হব। তবে, ছুটির ব্যাপারটা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেক্ষেত্রেও কোনো কিছু করা যায় কি না, আরও ৫-৭-১০ দিন গেলে আমরা বিস্তারিতভাবে বলতে পারব।

/আশিক


পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসছে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৮:৫২:৫৪
পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসছে
ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে নতুন সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঈদুল ফিতরের পর এ কাজের রোডম্যাপ প্রকাশ করবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, আজ আমরা দিকনির্দেশনা দিলাম। বাস্তবায়নের জন্য তিন ধাপের টাইমলাইন নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপ চলবে এখন থেকে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত। এই সময়ে ‘বাজেট ও প্রকল্প বাস্তবায়নের ডায়াগনস্টিক রিভিউ’, ‘উন্নয়ন বাজেটের ৫৩ শতাংশ ফেরত যাওয়ার কারণভিত্তিক রুট-কজ অ্যানালাইসিস’, এবং ‘শিক্ষকদের ট্যাব প্রদান, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও ভাষা শিক্ষার পাইলট ডিজাইন’ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে ঈদুল ফিতরের পর। এই ধাপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সম্মতি নিয়ে জাতীয় শিক্ষা রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে। এটি মন্ত্রণালয়ভিত্তিক, বিভাগভিত্তিক এবং পরিমাপযোগ্য সূচকসহ প্রণীত হবে।

তৃতীয় ধাপটি হবে ১২ থেকে ৩৬ মাসের, অর্থাৎ এক থেকে তিন বছরের মধ্যে। এই ধাপে পরীক্ষা ও মূল্যায়নে বড় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হবে। এছাড়া কারিগরি, সাধারণ ও মাদরাসা শিক্ষায় সেতুবন্ধন (ব্রিজিং) করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও উদ্ভাবনী (ইনোভেশন) গ্র্যান্ট বৃদ্ধি করা হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

/আশিক


জনগণের ট্যাক্সে চলি, জবাবদিহিতা নৈতিক দায়িত্ব: ফখরুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৬:১৩:০৪
জনগণের ট্যাক্সে চলি, জবাবদিহিতা নৈতিক দায়িত্ব: ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের মনে রাখতে হবে, একটা বিধ্বস্ত অর্থনীতি, বিধ্বস্ত রাস্ট্রব্যবস্থার ওপর দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। আমরা জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রমের ওপর উপস্থাপনা করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী।

তিনি বলেন, একটি সফল রাষ্ট্র বিনির্মাণে আমাদের সবার ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র এই তিনটি স্তর একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমরা যদি ভিন্নমত ও বিভেদ ভুলে একটি টিম হিসেবে কাজ করি, তাহলে উন্নয়ন, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সফল সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। মির্জা ফখরুল বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা মানে কেবল প্রশাসনিক কাঠামো ঠিক করা নয়; বরং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা। কার্যকর প্রতিষ্ঠানই একটি শক্তিশালী ও উন্নয়নমুখী রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি। তাই সরকারের এই পুনর্গঠন কার্যক্রম টেকসই ও ফলপ্রসূ করতে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, গ্রামের মানুষ কষ্টে রয়েছে এটি শুধু একটি আবেগের কথা নয়, বরং একটি বাস্তব সামাজিক সত্য। তাদের কষ্ট লাঘব করা রাষ্ট্র, সমাজ ও সচেতন নাগরিক সবারই দায়িত্ব। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে গ্রামের মানুষের কষ্ট দূর করতে কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর পরিষ্কার বার্তা হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের মানে শান্তি নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে সরকারের অগ্রাধিকার। এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, এই মন্ত্রণালয় সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

সবার সহযোগিতার মাধ্যমে, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সমুন্নত রেখে যেন জনগণের কাছে যেতে পারি। দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাই মিলে কাজ করতে হবে। নির্বাচনি ইশতেহার ও ঘোষিত ৩১ দফা কেবল রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয় এগুলো জনগণের সঙ্গে করা একটি সামাজিক চুক্তি। তাই মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নয়নমুখী পরিবেশ তৈরিতে এই মন্ত্রণালয়কে দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

সর্বোপরি, দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করলেই নির্বাচনি ইশতেহার ও ৩১ দফার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। একটি কল্যাণমুখী, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে এই মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় ও আন্তরিক উদ্যোগই হতে পারে পরিবর্তনের প্রধান চালিকা শক্তি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

/আশিক

পাঠকের মতামত: