শুধুই গ্যাস নয়, বিদ্যুৎ খাতে আরও ৭ মারাত্মক সংকট!

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুন ২৬ ২৩:০৬:২৫
শুধুই গ্যাস নয়, বিদ্যুৎ খাতে আরও ৭ মারাত্মক সংকট!

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আটটি কাঠামোগত ও নীতিগত সংকটের কথা তুলে ধরেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটির মতে, এসব সংকটের মধ্যে রয়েছে—নিয়ন্ত্রক সংস্থার আর্থিক দুর্বলতা, গ্যাস সরবরাহের ঘাটতি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থতা, ভুলভাবে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরে গতি হ্রাস—যা সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক সংলাপে সিপিডির পক্ষ থেকে এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়। সংলাপের মূল প্রতিপাদ্য ছিল—‘২০২৫–২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত’।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। বক্তব্য দেন বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম, এবং সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষণা সহযোগী হেলেন মাশিয়াত প্রিয়তি।

মূল প্রবন্ধে হেলেন মাশিয়াত বলেন, “তেল ও গ্যাসের মূল্য সমন্বয় যেভাবে করা হচ্ছে, তা প্রক্রিয়াগতভাবে ভুল। এতে দেশের আর্থিক খাতে নতুন চাপ তৈরি হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধে সমস্যা দেখা দিচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আটটি প্রধান সংকট আছে, যা কার্যকর নীতিমালার অভাব, সুশাসনের ঘাটতি এবং বাজেট কাঠামোর সীমাবদ্ধতায় আরও জটিল হয়ে উঠেছে।”

সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, “বিগত সরকার বিপুল বিনিয়োগ করলেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানির গুণমানগত উন্নয়ন হয়নি। বরং সেবার পরিবর্তে লুটপাট, অপচয় ও সুশাসনের বড় ঘাটতি দেখা গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে প্রত্যাশা, এই দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

তিনি বলেন, “নীতিনির্ধারণে ভারসাম্য আনতে হবে, এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই রূপান্তরের পথে এগোতে হবে।”

প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের তিনটি রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা ছিল—শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নেট কার্বন নিঃসরণ। কিন্তু বাজেটে তার প্রতিফলন নেই।

হেলেন মাশিয়াত বলেন, “আমরা এখনো প্রো-ফসিল ফুয়েল বাজেট বাস্তবায়ন করছি। এলএনজি আমদানিতে ভ্যাট ছাড় থাকলেও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে প্রণোদনা নেই। বরং বরাদ্দ কমেছে। এবারের বাজেটে মাত্র সাতটি প্রকল্পে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উল্লেখ রয়েছে, যা অগ্রগতির ইঙ্গিত দিলেও বরাদ্দ অপ্রতুল। ঘোষিত ৭০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলও পর্যাপ্ত নয়।”


এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৮:১৪:১৫
এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দর। মার্কিন শ্রমবাজারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ থাকতে পারে এমন ধারণায় এক সপ্তাহের প্রায় সর্বনিম্নে নেমে যাওয়ার পর শুক্রবার নতুন করে দাম বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতি তথ্য প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান এবং নিরাপদ সম্পদে ঝোঁকই এ বৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯৭৯ দশমিক ৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। চলতি সপ্তাহে এখন পর্যন্ত দাম বেড়েছে প্রায় ০ দশমিক ৪ শতাংশ। একই সময়ে এপ্রিল সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার ১ শতাংশ বাড়িয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯৯৮ দশমিক ৩০ ডলারে লেনদেন হয়েছে, যা ৫ হাজার ডলারের মানসিক সীমার কাছাকাছি অবস্থান নির্দেশ করে।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটাল ডটকমের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক কাইল রডা মন্তব্য করেছেন, বর্তমান অস্থির বাজার পরিস্থিতিতে ৫ হাজার ডলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সীমা হিসেবে কাজ করছে। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক শেয়ারবাজার পতনের প্রভাবে বিক্রির চাপ তৈরি হলেও বড় ধরনের সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রণোদনা ছাড়াই মূল্যবান ধাতুর দর ওঠানামা করেছে।

গত বুধবার প্রকাশিত মার্কিন শ্রমবাজারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান প্রত্যাশার তুলনায় শক্তিশালী রয়েছে। এতে ধারণা জোরদার হয়েছে যে ফেডারেল রিজার্ভ হয়তো আরও কিছু সময় সুদের হার উচ্চ পর্যায়ে রাখবে। বাজারের হিসাব বলছে, এ বছর ২৫ বেসিস পয়েন্ট করে দু’দফা সুদ কমানো হতে পারে, যার প্রথমটি জুনে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুদের হার কমলে সাধারণত সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ে।

এদিকে দামের অস্থিরতায় ভারতে স্বর্ণের খুচরা বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় এক মাসের মধ্যে প্রথমবার ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে চন্দ্র নববর্ষকে ঘিরে চীনা বাজারে চাহিদা শক্তিশালী রয়েছে, যা বৈশ্বিক দামে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

শুধু স্বর্ণই নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুতেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট সিলভার ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৮ দশমিক ৫৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। স্পট প্লাটিনাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ৩৩ দশমিক ৯৯ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ২ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬৬১ দশমিক ৯৭ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

-রাফসান


মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অবশেষে স্বস্তি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৪:১৩:৩০
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অবশেষে স্বস্তি
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের পর আবারও স্বাভাবিক হয়েছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো এমএফএস প্ল্যাটফর্ম এবং ব্যাংক অ্যাপভিত্তিক অর্থ স্থানান্তর সেবা পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়েছে। নির্বাচনের সময় অর্থের অপব্যবহার ঠেকাতে চার দিনের জন্য এসব লেনদেনে বিশেষ সীমা আরোপ করা হয়েছিল।

এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে বাংলাদেশ ব্যাংক এক নির্দেশনায় জানায়, ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এমএফএস ও প্রিপেইড পেমেন্ট ইনস্ট্রুমেন্ট লেনদেনে নিয়ন্ত্রণ কার্যকর থাকবে। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি অর্থ স্থানান্তর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

এই ৯৬ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণপর্বে ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানোর সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং দৈনিক সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেনের সুযোগ রাখা হয়। তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী চলমান ছিল। অন্যান্য অনেক ধরনের এমএফএস লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনকালীন অর্থপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিরোধের অংশ হিসেবেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে।

-রফিক


এক সপ্তাহ পর বিশ্ববাজারে সোনার উত্থান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৪:০৭:০০
এক সপ্তাহ পর বিশ্ববাজারে সোনার উত্থান
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দাম। প্রায় এক সপ্তাহ দরপতনের পর শুক্রবার নতুন করে মূল্যবৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে এবং বাজারে নতুন অস্থিরতার আভাস দিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মূল্যস্ফীতি তথ্য প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে সরে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণে ঝুঁকছেন।

শুক্রবার সকালে স্পট গোল্ডের দাম ১.৩ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৪,৯৮২ দশমিক ৫৯ ডলারে পৌঁছেছে। সপ্তাহজুড়ে হিসাব করলে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দর প্রায় ০.৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের এপ্রিল ডেলিভারির স্বর্ণ ফিউচার্স ১.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে আউন্সপ্রতি ৫,০০১ দশমিক ৮০ ডলারে লেনদেন হয়েছে, যা বাজারে ইতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক শক্তিশালী শ্রমবাজার প্রতিবেদন প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে গেছে। সুদের হার দীর্ঘসময় উচ্চ পর্যায়ে থাকলে সাধারণত ডলারের মান শক্তিশালী হয়, তবে একই সঙ্গে অনিশ্চয়তার পরিবেশে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণ বেছে নেন। আসন্ন ইনফ্লেশন তথ্য বাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

-রাফসান


রুপা স্থির, তবে কেন অস্থির শুধু সোনা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১১:২০:৫৪
রুপা স্থির, তবে কেন অস্থির শুধু সোনা
ছবি: সংগৃহীত

দেশীয় স্বর্ণবাজারে ফের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বড় অঙ্কে দাম কমার মাত্র একদিন পরই আবারও মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংগঠনটির নির্ধারিত নতুন দর সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের সরবরাহ ও মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, স্বর্ণের সব কটি ক্যাটাগরিতেই দাম বেড়েছে। ২২ ক্যারেট বা সেরা মানের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) এখন ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, যা আগের দামের তুলনায় ২ হাজার ২১৬ টাকা বেশি। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, বেড়েছে ২ হাজার ৯৯ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের বর্তমান দর ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা, যা বেড়েছে ১ হাজার ৮০৮ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা, বৃদ্ধি পেয়েছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা। বাজুসের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাত্র একদিন আগেই ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছিল। ফলে ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ক্রেতারা সেই কম দরে স্বর্ণ কেনার সুযোগ পান। তবে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ানোয় বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য ওঠানামা, ডলারের বিনিময় হার এবং আমদানিনির্ভর কাঁচামালের ব্যয় স্থানীয় বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে।

অন্যদিকে রুপার বাজারে এখনো কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ২২ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জুয়েলারি দোকান থেকে স্বর্ণ বা রুপার অলংকার কেনার সময় সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি যোগ হবে, ফলে প্রকৃত ক্রয়মূল্য আরও বাড়তে পারে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে দেশীয় স্বর্ণবাজারেও এ ধরনের ঘনঘন মূল্য সমন্বয় অব্যাহত থাকতে পারে।

-রাফসান


আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১২ ১২:১৫:১৩
আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
ছবি: সংগৃহীত

উত্থান-পতনের দীর্ঘ পর্ব পার করার পর আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান ধাতুর দামে সাময়িক স্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছিল। তবে নতুন অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশের পর আবারও স্বর্ণ ও রুপার দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সুদের হার কমার সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের পুনরায় নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকতে উৎসাহিত করছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার স্পট মার্কেটে স্বর্ণের মূল্য শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫,০৩৮ দশমিক ৭৩ ডলারে পৌঁছায়। একই দিনে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫,০৬০ দশমিক ৬০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

রুপার বাজারেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। আগের সেশনে ৩ শতাংশের বেশি দরপতনের পর স্পট সিলভারের দাম ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮১ দশমিক ৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি বাজারের আস্থা ফিরে আসার ইঙ্গিত বহন করছে।

বিশ্লেষণ বলছে, ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রয় স্থবির থাকার তথ্য প্রকাশের পর মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন কমে যায়। সাধারণত বন্ডের ফলন কমলে অফলনশীল সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ বাড়ে। এর ফলে মূল্যবান ধাতুর বাজারে নতুন করে চাহিদা তৈরি হয়।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন খাতেও মন্থরতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। অর্থনীতির গতি ধীর হয়ে এলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমানোর দিকে ঝুঁকতে পারে—এমন প্রত্যাশা বাজারে জোরালো হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন, ২০২৬ সালে অন্তত দুটি ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদহ্রাস হতে পারে, যার প্রথমটি জুন মাসে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেডারেল রিজার্ভ–এর নীতিনির্ধারণী অবস্থান এখন বিনিয়োগকারীদের মূল নজরে। ক্লিভল্যান্ড শাখার প্রেসিডেন্ট বেথ হ্যাম্যাক সম্প্রতি জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি সতর্ক আশাবাদী এবং নীতি নির্ধারণে তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই। তবে বাজার ইতোমধ্যেই সুদ কমার সম্ভাবনাকে মূল্য নির্ধারণে অন্তর্ভুক্ত করতে শুরু করেছে।

এদিকে শিল্পখাতের তথ্য বলছে, জানুয়ারি মাসে ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণভিত্তিক এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছেন। ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি ও বাজার অস্থিরতার কারণে এই প্রবাহ ইক্যুইটি ফান্ডে বিনিয়োগকেও ছাড়িয়ে গেছে।

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুতেও ইতিবাচক গতি দেখা গেছে। স্পট প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ২,০৯৮ দশমিক ৭৮ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে প্যালাডিয়ামের মূল্য শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১,৭১২ দশমিক ২৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সুদের হার, বন্ড ফলন এবং মুদ্রাস্ফীতির তথ্য আগামী সপ্তাহগুলোতে মূল্যবান ধাতুর দামের প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে। জানুয়ারির নন-ফার্ম পে-রোলস এবং আসন্ন মুদ্রাস্ফীতির তথ্য বিনিয়োগকারীদের পরবর্তী কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

-রাফসান


আজকের মুদ্রার বিনিময় হার: ডলার ও ইউরোর দামে নতুন পরিবর্তন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ ১১:৫৩:৫৭
আজকের মুদ্রার বিনিময় হার: ডলার ও ইউরোর দামে নতুন পরিবর্তন
ছবি : সংগৃহীত

প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা কোটি বাংলাদেশির কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠানোর সুবিধার্থে প্রতিদিনের মতো আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার নতুন বিনিময় হার নির্ধারণ করেছে। দেশের বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে এই হার নিয়মিত পরিবর্তিত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে।

প্রতি মার্কিন ডলার কেনার দাম ১২২ টাকা ৩০ পয়সা এবং বিক্রির দাম ১২২ টাকা ৩১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো কেনার ক্ষেত্রে ১৪৫ টাকা ৬৯ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ১৪৫ টাকা ৭৪ পয়সা দর ঠিক করা হয়েছে।

ব্রিটিশ পাউন্ডের দরও আজ বেশ চড়া, যা ১৬৭ টাকা ৪২ পয়সায় কেনা এবং ১৬৭ টাকা ৫১ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ১৭ পয়সা (ক্রয়) ও ৯৬ টাকা ৬৯ পয়সা (বিক্রয়) এবং ভারতীয় রুপি ১ টাকা ৩৪ পয়সায় স্থিতিশীল রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা সৌদি রিয়ালের দাম আজ ৩২ টাকা ৫১ পয়সা (ক্রয়) ও ৩২ টাকা ৫০ পয়সা (বিক্রয়) নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে এই বিনিময় হার কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।


বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ ০৯:৩৬:৫৬
বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার প্রভাবে দেশের বাজারেও আকাশচুম্বী হয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেশের বাজারে এই নতুন ও সমন্বিত দামেই স্বর্ণ কেনাবেচা হবে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ার কারণেই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকায় বিক্রি হবে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা। স্বর্ণ কিনতে গেলে এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে অবশ্যই সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে।

স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন এলেও রুপার বাজার বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। গত ৩ ফেব্রুয়ারির নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের এই চড়া ভাব দেশের গহনা ব্যবসায় বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


স্বর্ণের বাজারে নতুন অস্থিরতা: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন চড়া দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১০ ০৯:৪২:২৩
স্বর্ণের বাজারে নতুন অস্থিরতা: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন চড়া দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের বাজারে আবারো বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে। আজ মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এখন থেকে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা।

এ ছাড়া অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করেছে যে, স্বর্ণের এই নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের আবশ্যিকভাবে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন বা কারুকাজ ও মানভেদে মজুরির হারে তারতম্য হতে পারে।

স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন এলেও রুপার বাজার বর্তমানে অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের ভরি ৬ হাজার ২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় স্থির আছে।


১০ ফেব্রুয়ারি: দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার 

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১০ ০৯:২৫:০৩
১০ ফেব্রুয়ারি: দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার 
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাণিজ্যিক লেনদেন এবং প্রবাসী আয়ের প্রবাহ সচল রাখতে মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মুদ্রা বিনিময় হার নিচে তুলে ধরা হলো

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদত্ত বিনিময় হার

আজকের বাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান ১২১ টাকা ৮৪ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর মান ১৪৫ টাকা ০৬ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময় হার ১৬৬ টাকা ৭৪ পয়সা।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ৮৬ টাকা ৩৩ পয়সা

জাপানি ইয়েন: ০ টাকা ৭৮ পয়সা

কানাডিয়ান ডলার: ৮৯ টাকা ৪০ পয়সা

সুইডিশ ক্রোনা: ১৩ টাকা ৬৫ পয়সা

সিঙ্গাপুর ডলার: ৯৬ টাকা ১৭ পয়সা

চীনা ইউয়ান রেনমিনবি: ১৭ টাকা ৬২ পয়সা

ভারতীয় রুপি: ১ টাকা ৩৪ পয়সা

শ্রীলঙ্কান রুপি: ২ টাকা ৫৩ পয়সা

গুগল ও আন্তর্জাতিক বাজার অনুযায়ী সংগৃহীত হার

সিঙ্গাপুর ডলার: ৯৫ টাকা ৮৩ পয়সা

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত: ৩১ টাকা

সৌদি রিয়াল: ৩২ টাকা ৪৬ পয়সা

কুয়েতি দিনার: ৩৯৬ টাকা ১২ পয়সা

উল্লেখ্য যে, বৈদেশিক মুদ্রার এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তনশীল। লেনদেনের সুবিধার্থে গ্রাহকদের নিকটস্থ ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগ: বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বাংলাদেশ আজকের ডলার রেট ২০২৬ Gemini said বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাণিজ্যিক লেনদেন এবং প্রবাসী আয়ের প্রবাহ সচল রাখতে মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আজ বৈদেশিক মুদ্রার এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তনশীল। লেনদেনের সুবিধার্থে গ্রাহকদের নিকটস্থ ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। /আশিক ১০টি সংক্ষিপ্ত ও জুতসই শিরোনাম: ১. আজকের টাকার রেট: ১২১ টাকা ছাড়াল ডলারের দ সৌদি রিয়াল ও মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত রেট

পাঠকের মতামত:

এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান

এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দর। মার্কিন শ্রমবাজারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ থাকতে পারে এমন... বিস্তারিত