মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সামরিক জেট পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। শনিবার (১৪ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন দেশটির নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
জি-৭ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে কানাডা সফরে যাওয়ার পথে বিমানে থাকা অবস্থায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্টারমার। তিনি জানান, ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (RAF) টাইফুন জেট এবং আকাশ থেকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কার বিমানসহ বেশ কয়েকটি সামরিক উড়োজাহাজ ওই অঞ্চলজুড়ে "জরুরি সহায়তা" প্রদানের লক্ষ্যে পাঠানো হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী স্টারমার বলেন, “ইসরাইল ও ইরানের মধ্যকার ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ সামরিক সম্পৃক্ততা জোরদার করা হচ্ছে। আমরা ওই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত।”
এ সময় স্টারমার সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও টেলিফোনে আলাপ করেন। তার দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন উভয় নেতা।
এই সামরিক প্রস্তুতির পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে ইসরায়েল-ইরানের সাম্প্রতিক সংঘর্ষ। শুক্রবার ভোরে ইসরায়েল বেশ কয়েকটি ইরানি পারমাণবিক ও বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। এতে ছয় জন শীর্ষস্থানীয় পরমাণু বিজ্ঞানীসহ অন্তত ৭৮ জন নিহত হন এবং আহত হন প্রায় ৩০০ জন।
এরই জবাবে শনিবার মধ্যরাতে ইরান একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ইসরাইলের তেলআবিব, হাইফা ও রামাত গানের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে হামলা চালায়। এতে ছয়জন ইসরাইলি নিহত হন এবং আহত হন অন্তত ৫০ জন।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাজ্যের এই সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে একটি সম্ভাব্য বৃহত্তর যুদ্ধের পূর্বাভাসও হতে পারে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়ে উঠছে। যুদ্ধবিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত শুধু প্রতিরক্ষা নয়, বরং এই সংকটে পশ্চিমা বিশ্বের সক্রিয় ভূমিকাও নির্দেশ করে।
-রাফসান, নিজস্ব প্রতিবেদক
পারমাণবিক অস্ত্রের পথ খোলা রাখছে সৌদি আরব: মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে তোলপাড়
সৌদি আরব ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা বা বিকল্প পথ পুরোপুরি নাকচ করেনি—মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার এক গোপন প্রতিবেদনে এমন বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসার পর ওয়াশিংটনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরপরই রিয়াদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি অনুমোদন দেওয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক ও গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের বরাতে এই সংবেদনশীল তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সূত্র ধরে ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, গত মাসে মার্কিন কংগ্রেসে পাঠানো একাধিক অতি গোপনীয় সামরিক ও গোয়েন্দা নথিতে এই চাঞ্চল্যকর মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়। তবে কৌশলগত নিরাপত্তার কারণে নথির ভেতরের বিস্তারিত বিবরণ এখনো সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হয়নি এবং এ বিষয়ে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ (CIA) কোনো ধরনের মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। মূলত সৌদি আরবে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে পারমাণবিক জ্বালানি খাত ও বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে দিতে ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে যে দ্বিপাক্ষিক পারমাণবিক চুক্তিটি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তে এই গোয়েন্দা রিপোর্ট প্রকাশের ঘটনায় মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
ট্রাম্প প্রশাসন এই চুক্তির জোর সামরিক ও রাজনৈতিক যুক্তি তুলে ধরে জানিয়েছে, সৌদি আরবের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের পারমাণবিক অংশীদারত্ব দুই দেশের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে যেমন নতুন মাত্রা দেবে, তেমনি মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে। তদুপরি, রিয়াদ যাতে পারমাণবিক প্রযুক্তি ও কাঁচামালের জন্য মার্কিন বিরোধীদের তালিকাভুক্ত রাশিয়া কিংবা চীনের দিকে ঝুঁকে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জাতীয়ভাবে অতীব জরুরি।
তবে প্রস্তাবিত চুক্তির প্রাথমিক শর্ত অনুযায়ী সৌদি আরবকে কেবল ৫ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হলেও, পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার গোপন অবকাশ রাখা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরাসরি বোমার উপযোগী না হলেও, এই মাত্রার সক্ষমতা অর্জন করলে অতি অল্প সময়ে অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তিগত দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে রিয়াদ। তবে সৌদি সরকারের পক্ষে দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী যুবরাজ আবদুল আজিজ বিন সালমান সাফ জানিয়েছেন, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি শান্তিকামী ও স্বচ্ছ বেসামরিক কাজের জন্য পরিচালিত হবে।
/আশিক
হরমুজ প্রণালিতে নতুন সামুদ্রিক উত্তেজনা: আন্তর্জাতিক সামরিক অঙ্গনে বড় খবর
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক সামুদ্রিক ড্রোন আটক করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে পরিচালিত একটি সমন্বিত ও অত্যন্ত জটিল সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ওই আমেরিকান পানির নিচের ড্রোনটি সফলভাবে জব্দ করা হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতির মাধ্যমে আইআরজিসি বিশ্বমঞ্চে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আধা-সরকারি ফারস নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত আইআরজিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, আটক করা মার্কিন সামুদ্রিক যানটি মূলত ‘রেমাস ৬০০’ (REMUS 600) মডেলের একটি অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির স্বয়ংক্রিয় চালকহীন যান (Autonomous Underwater Vehicle)। গোপন গোয়েন্দা তথ্য ও মার্কিন বাহিনীর গতিবিধি ট্র্যাক করে সেটিকে জলসীমা থেকে তুলে এনে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ হিসেবে জব্দ করেছে আইআরজিসি নৌবাহিনী। তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ড্রোনটিতে থাকা গোপন তথ্য ও ডাটা উদ্ধারের জন্য তা বর্তমানে আইআরজিসির বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের নিয়ন্ত্রণে রেখে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
একই সাথে আইআরজিসি নৌবাহিনী স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বর্তমানে তাদের কঠোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক এই বাণিজ্যিক সমুদ্রপথে অনুমোদনহীন নৌযান চলাচল কিংবা বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। উল্লেখ্য, এর পূর্বে গত ৮ সেপ্টেম্বরও হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের তৈরি ‘ডাইভ-এলডি’ (Dive-LD) নামের প্রায় ৫.৮ মিটার দীর্ঘ অপর একটি উন্নত সাবমেরিন ড্রোন সফলভাবে জব্দ করার দাবি করেছিল আইআরজিসি। বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হরমুজ প্রণালিতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের এমন সামুদ্রিক মুখোমুখি অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি করেছে তীব্র নতুন সামরিক উত্তেজনা।
/আশিক
ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার ও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন: মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় খবর
চলতি বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ওই একই সামরিক অভিযানে গুরুতর আহত হন তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি। পরবর্তীতে তেহরানের একটি হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় আবারও বিমান হামলার মুখে পড়েন তিনি এবং ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে তাঁকে অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার করা হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘আল আরাবি’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) জ্যেষ্ঠ সদস্য মহসেন হায়দারি সম্প্রতি এসব রোমহর্ষক তথ্য প্রকাশ করেছেন, যা মার্কিন পত্রিকা ‘নিউইয়র্ক পোস্ট’-এ প্রকাশিত হয়েছে।
সাক্ষাৎকারে মহসেন হায়দারি জানান, হামলা চলাকালে মোজতবা খামেনি আহত হয়ে ভর্তি হওয়ার পর তেহরানের তিনটি ভিন্ন হাসপাতালে পর পর সুনির্দিষ্ট বোমারু হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে তৃতীয় যে হাসপাতালটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ধসে পড়ে, সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন মোজতবা। পরবর্তীতে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধারকারীরা তাঁকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
দেশের চরম সংকটকালে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের চমকপ্রদ তথ্যও উন্মোচন করেন হায়দারি। তিনি জানান, গত ৮ মার্চ পবিত্র কোম শহরে অবস্থিত বিশেষজ্ঞ পরিষদের মূল কার্যালয়ে নতুন নেতা নির্বাচনপ্রক্রিয়া চলাকালীন সময়েও বিমান হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত ৮ জন সদস্য প্রাণ হারান এবং নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করা গোপনীয় নথিপত্র পুরোটাই ধ্বংস হয়ে যায়। পরবর্তীতে সদস্যরা একটি গোপন নিরাপদ স্থানে জড়ো হয়ে কাগজের ব্যালটের মাধ্যমে গোপন ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করেন।
উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে মোজতবা খামেনি একাই ৫০টি ভোট পেয়ে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন, যেখানে তাঁর নিকটতম প্রার্থী আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি পান ৮টি ভোট এবং ১ জন সদস্য ভোটদানে বিরত ছিলেন। হায়দারি স্পষ্ট উল্লেখ করেন, শত্রুভাবাপন্ন আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মুখে মোজতবা ছাড়া অন্য কাউকে নেতা হিসেবে নির্বাচন না করার বিষয়ে তারা দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিলেন।
নির্বাচনে জয়ী হলেও টানা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে দীর্ঘ দিন ধরে প্রকাশ্যে আসেননি নবনির্বাচিত এই সর্বোচ্চ নেতা। এমনকি বাবার শেষ বিদায়ের জানাজাতেও সশরীরে তাঁর উপস্থিতি দেখা যায়নি। ফলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তিনি নিহত বা বিকলাঙ্গ হয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে ব্যাপক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
এই ধোঁয়াশা কাটাতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) জানান যে, তিনি নতুন সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা ধরে এক আন্তরিক ও দীর্ঘ বৈঠক করেছেন এবং তিনি শারীরিকভাবে স্বাভাবিক রয়েছেন। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক মন্তব্যে জানান, মোজতবা খামেনি মারা যাননি, তবে যৌথ হামলায় তাঁর শরীরের বাঁ অংশ, হাত ও পা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
/আশিক
আমরা জয়ী হয়েছি তবে বিজয় সুসংহত করতে হবে: তেহরানে ইরানি সেনাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের একতরফা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সামরিক লড়াই এখনো শেষ হয়নি এবং সংঘাতটি বর্তমানে একটি অত্যন্ত ‘সংকটপূর্ণ ও সিদ্ধান্তসূচক’ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মেজর জেনারেল আমির হাতামি। তেহরানের ইমাম আলী (আ.) অফিসার্স একাডেমিতে আয়োজিত ‘সারবাজ’ (সৈনিক) উৎসবের সামরিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই কড়া হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
জেনারেল হাতামি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর নানা চক্রান্তের মুখোমুখি দাঁড়িয়েও ইরান শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলে বিজয় অর্জন করেছে, তবে এই অর্জিত বিজয়কে যেকোনো মূল্যে টিকিয়ে রাখতে হবে এবং আরও সুসংহত করতে হবে। তিনি আক্রমণকারী বাহিনীকে সতর্ক করে বলেন, শত্রুপক্ষ ইতিমধ্যে ব্যাপক আঘাতের সম্মুখীন হলেও ইরানি সেনাসদস্যদের কাছ থেকে আরও কঠোর ও বিধ্বংসী আক্রমণের মুখোমুখি হতে তাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। যেকোনো নতুন সামরিক দুঃসাহসিকতা বা আগ্রাসনের উপযুক্ত ও দাঁতভাঙা জবাব দিতে সশস্ত্র বাহিনী শতভাগ প্রস্তুত রয়েছে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টি জোর দিয়ে তুলে ধরে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর উদ্দেশ্যেও বড় বার্তা দেন ইরানের সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন বা বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভরতা কখনোই এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারবে না। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কেবল এ অঞ্চলের স্বাধীন দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি অপশক্তিকে এ অঞ্চল থেকে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত প্রকৃত নিরাপত্তা অর্জিত হবে না উল্লেখ করে তিনি জানান, সেই দিন আর বেশি দূরে নয়। সাম্প্রতিক সময়ে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও সামরিক প্রস্তুতি উচ্চপর্যায়ে রাখার বিষয়ে আইআরজিসি শীর্ষ নেতৃত্বের ধারাবাহিক বৈঠকের পরেই হাতামির এই সামরিক হুশিয়ারি প্রকাশ পেল।
/আশিক
ইরানকে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’
ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন করতে কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক চাপ চরমপর্যায়ে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের কৌশলগত এই বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে বিশেষ মার্কিন প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ বা অর্থনৈতিক নির্বাসন নামক এই বিশেষ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে ইরানের ব্যাংকিং লেনদেন ও আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ সীমিত করতে বিশ্বমঞ্চে চাপ প্রয়োগ করা। ইরাকি বার্তা সংস্থা শাফাক নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানান যে, আমেরিকার কৌশলগত এই কূটনৈতিক চাপের ফলে ইতিমধ্যে তুরস্ক ও ওমান ইরানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ‘মাহান এয়ার’-এর সকল ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে। একই সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইরানি এয়ারলাইনগুলোর যাবতীয় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বলে তিনি দাবি করেন। তাছাড়াও, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ইরানের সাথে সমস্ত আর্থিক লেনদেন পুরোপুরি স্থগিত করেছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ চালুর ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের জো বাইডেন প্রশাসন। ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের বৈদেশিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পথ ও ব্যাংকিং মাধ্যমগুলো চিরতরে রুদ্ধ করে দেশটির ওপর সর্বোচ্চ আর্থিক চাপ সৃষ্টি করা। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই বৃহৎ অভিযানের আওতায় ইরানের গোপন তেল পাচার, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর কৌশল এবং হুন্ডি বা বেআইনি অর্থ স্থানান্তরের সাথে যুক্ত আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কগুলো একের পর এক শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
চলমান এই ধারাবাহিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ইরানের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত বিশ্বের বহু ব্যক্তি, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক নেটওয়ার্কের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। গত আগস্টের শেষের দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রিক কয়েকটি সন্দেহভাজন ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও তাৎক্ষণিক আইনি পদক্ষেপ নেয় মার্কিন প্রশাসন। পরবর্তীতে বিশ্বের শীর্ষ আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্ক ও নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর গোপন পদ্ধতি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করেছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ, যেন আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলো খুব সহজেই ইরানের অর্থের প্রবাহ ও অবৈধ পণ্য সংগ্রহের পথ বন্ধ করতে পারে। মার্কিন প্রশাসনের এই সাঁড়াশি চাপের ফলে ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ও অর্থনৈতিক লেনদেন ব্যবস্থা মারাত্মক সংকটের মুখে পড়েছে বলে দাবি করছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এসব একতরফা অর্থনৈতিক পদক্ষেপ ও নিষেধাজ্ঞার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে তেহরান।
সূত্র: শাফাক নিউজ
ফিলিস্তিন শাসন করবে ফিলিস্তিনিরাই: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বার্তা দিল চীন
চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের তীব্র বিরোধিতা করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক চরম রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনায় সরাসরি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র চীন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সাধারণ বিতর্কে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে জাতিসংঘের সনদ ও আন্তর্জাতিক নীতিমালা লঙ্ঘন করে পরিচালিত যেকোনো একতরফা সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক যেকোনো সংকট, সীমানা বিরোধ বা কূটনৈতিক মতপার্থক্য কোনো বলপ্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং কেবল শান্তিপূর্ণ সংলাপ ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ব্যতিরেকে এবং আন্তর্জাতিক আইনি নিয়মাবলী তোয়াক্কা না করে চালানো একতরফা সামরিক অভিযানের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। একই সাথে বিশ্বশান্তি, আন্তর্জাতিক সমতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্বের বৃহৎ সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণ করার উদাত্ত আহ্বান জানান এই শীর্ষ চীনা প্রতিনিধি।
বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্য ও লোহিত সাগর অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে হান ঝেং বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলসহ মধ্যপ্রাচ্যের স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পূর্ণ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে। চলমান যুদ্ধ বা সশস্ত্র সংঘাতের কারণে যাতে বৈশ্বিক বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেইন এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।
দীর্ঘদিনের জটিল ফিলিস্তিন সংকট প্রসঙ্গে বেইজিংয়ের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি জানান, ‘ফিলিস্তিন শাসন করবে ফিলিস্তিনিরাই’—এই সুনির্দিষ্ট নীতির ওপর ভিত্তি করেই অধিকৃত পশ্চিম তীরের সঠিক শাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্নির্মাণ সম্পন্ন করতে হবে। একই সাথে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য কালবিলম্ব না করে ‘দ্বি-রাষ্ট্র নীতি’ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ইউক্রেন ও কিউবা ইস্যুতে কথা বলতে গিয়ে হান ঝেং জানান, ইউক্রেন সংকট নিরসনে চীন তার নিজস্ব মাধ্যমে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া কিউবার ওপর থেকে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অবরোধ ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে তুলে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সর্বশেষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তির বিশ্বব্যাপী সুষম ও মানবকেন্দ্রিক বিকাশ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে চীন।
/আশিক
লাখ লাখ বছরের পুরনো রহস্য উন্মোচিত: বিজ্ঞানীরা পেলেন নতুন তথ্য
বাদুড়ের উৎপত্তি এশিয়া, আফ্রিকা কিংবা আমেরিকা মহাদেশে নয়, বরং ইউরোপের ভূখণ্ডে হয়েছিল। প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ বছর আগে ইউরোপ মহাদেশেই বাদুড়ের প্রথম পূর্বপুরুষের আবির্ভাব ঘটেছিল বলে বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী 'নেচার'-এ প্রকাশিত এক সর্বাধুনিক গবেষণায় উন্মোচিত হয়েছে। অর্থাৎ, গবেষণার তথ্যমতে ডাইনোসরদের বিলুপ্তির সময়কালেই পৃথিবীতে প্রথম প্রাচীন বাদুড়ের অস্তিত্ব রূপ পেয়েছিল।
সংবাদমাধ্যম ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই বিস্তৃত গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ১০৩টি ভিন্ন প্রজাতির বাদুড়ের জিনগত বিন্যাস (জিনেটিক ডেটা) এবং ৪৪টি বিলুপ্ত জীবাশ্ম পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। এটি বাদুড়ের বিবর্তন ও ইতিহাসের ওপর বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত করা সবচেয়ে সমৃদ্ধ গবেষণাগুলোর একটি। গবেষকেরা নিশ্চিত করেছেন যে, ইউরোপে জন্ম নেওয়া এই স্তন্যপায়ী প্রাণীটি প্রথমে আফ্রিকায় পাড়ি জমায় এবং পরবর্তী সময়ে প্রজাতি ভেদে এশিয়া, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
গবেষণার অন্যতম চমকপ্রদ তথ্য হলো, আকাশে ডানা মেলে ওড়া এবং অন্ধকারের বুকে প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে দিক বা শিকার চেনার ক্ষমতা (ইকোলোকেশন) বিবর্তনের অনেক পরে অর্জিত হয়নি। বরং বাদুড়ের শুরুর দিকের প্রজাতিগুলোতেই এই অসাধারণ দুই ক্ষমতা বিদ্যমান ছিল। বৈজ্ঞানিক এই জিনগত বিশ্লেষণ থেকে বাদুড়ের অনন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, বয়স বৃদ্ধিতে জিনগত স্থিতিশীলতা এবং দীর্ঘ জীবন পাওয়ার নেপথ্য কারণগুলোও পরিষ্কার হবে, যা ভবিষ্যতে মানুষের চিকিৎসাবিজ্ঞান ও নতুন ওষুধ উদ্ভাবনে কার্যকর প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে প্রায় ১,৫০০ প্রজাতি ছড়িয়ে থাকা এই প্রাণীটি পরাগায়ন, বীজ বিস্তার এবং ক্ষতিকর পোকামাকড় নিধনে বাস্তুতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ভূমিকা রাখছে।
সূত্র: ইউরো নিউজ
ইসরায়েলি মানচিত্রের ভুলে গাজার উচ্চ রেজল্যুশনের স্যাটেলাইট ছবি ফাঁস
যুদ্ধকালীন সময় সামরিক তথ্য এবং সংবেদনশীল কৌশলগত দৃশ্য চরম নিয়ন্ত্রণের কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই এক বড় ভুল করে বসেছে ইসরায়েলের সরকারি মানচিত্র সেবা সংস্থা 'গভম্যাপ'। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে নিজেদের ওয়েবসাইটে উপত্যকার উচ্চ রেজল্যুশনের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে ফেলে তারা। যাতে গাজার উত্তরাঞ্চলের নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞের পাশাপাশি খোদ ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর অন্তত ১১টি গোপনীয় ও কৌশলগত স্থাপনার ছবিও জনসম্মুখে চলে আসে।
মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সোমবার ‘@Stinky915846091’ নামের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টের তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে জানাজানি হয়। ওই অ্যাকাউন্টটি মূলত উন্মুক্ত উৎসের ভূ-সামরিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। ইসরায়েলি সেনার এই প্রযুক্তিগত ভুলের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরপরই তড়িঘড়ি করে নিজেদের সরকারি পোর্টাল 'গভম্যাপ'-এ গাজা উপত্যকা, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও স্পর্শকাতর সেনাক্যাম্পের স্যাটেলাইট ভিজ্যুয়াল পুনরায় ঝাপসা করে দেওয়া হয়।
অস সতর্কতাবশত প্রকাশ পাওয়া ছবিগুলো মূলত ২০২৫ সালের তোলা বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্বল্প সময়ের জন্য অনলাইনে দেখতে পাওয়া সেই উচ্চমাত্রার ছবিগুলোতে গাজার উত্তরাঞ্চলীয় বেইত লাহিয়া ও বেইত হানুন শহরের ব্যাপক বিপর্যয়ের স্পষ্ট প্রতিচ্ছবি ধরা পড়ে। এসব অঞ্চলে শত শত বহুতল ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধ্য হয়ে এলাকা ছেড়ে যেতে হয়েছে। গাজা সিটির শুজাইয়া ও জেইতুন এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী অভিযানের ফলে অধিকাংশ অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে সেখানে জনজীবনের কোনো স্বাভাবিক অস্তিত্ব দেখা যায়নি।
অন্যদিকে এই ছবিগুলোতে সবচেয়ে নজরকাড়া বিষয় ছিল ইসরায়েল সেনাবাহিনীর নিজস্ব নিয়ন্ত্রণাধীন সীমান্ত বাফার জোন ও সীমান্ত ক্রসিংয়ে তৈরি করা সামরিক ঘাঁটিগুলো। কারনি ক্রসিংয়ের দক্ষিণ-পূর্বে গাজার ভেতরে ইসরায়েলের একটি অগ্রবর্তী সামরিক ঘাঁটি ও সেনা উপস্থিতি ধরা পড়েছে। এছাড়া পূর্ব জাবালিয়া অঞ্চলে মাটির প্রকাণ্ড প্রাকার দিয়ে ঘেরা এলাকায় বিপুলসংখ্যক ইসরায়েলি সাঁজোয়া ও সামরিক যান মোতায়েন থাকতে দেখা যায়। ছবিগুলোর কপি সংরক্ষণ করে অন্য একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করেছে 'সোয়ার অ্যাটলাস'। স্বাধীন কোনো পর্যবেক্ষণ সংস্থা দিয়ে মিডল ইস্ট আই এসব ছবির সম্পূর্ণ সত্যতা যাচাই করতে না পারলেও গাজায় ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ধ্বংস হওয়া সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনগুলোর সাথে এই স্যাটেলাইট ছবির ব্যাপক মিল রয়েছে।
সূত্র : মিডল ইস্ট আই
যুদ্ধাপরাধীদের জায়গা জাতিসংঘের মঞ্চে নয়, আদালতে: ইস্তাম্বুলে এরদোয়ান
যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত স্থান জাতিসংঘের কোনো মঞ্চ নয়, বরং আদালতের কাঠগড়া বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন যে, যারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গণহত্যা চালায়, তাদের বিচার ও উপযুক্ত শাস্তির মাধ্যমে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ইস্তাম্বুলে আয়োজিত ২১তম মুসিয়াদ এক্সপো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ও ২৯তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ফোরামের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে এরদোয়ান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধীদের স্থান কোনো বৈশ্বিক আলোচনা মঞ্চ হতে পারে না; তাদের সংঘটিত অপরাধ এবং হাজার হাজার নিরীহ মানুষের প্রাণহানির জন্য আদালতের মুখোমুখি হয়ে জবাবদিহি করতে হবে। বিচারিক প্রতিক্রিয়া না থাকলে এই ধরনের নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি হতেই থাকবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
চলমান ফিলিস্তিন সংকটে ফিলিস্তিনিদের প্রতি তুরস্কের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এরদোয়ান। গাজাবাসীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তিনি উল্লেখ করেন, ন্যায়বিচার ও সার্বভৌম অধিকার আদায়ের এই লড়াইয়ে ফিলিস্তিনের সাধারণ জনগণ একা কিংবা পরিত্যক্ত নন। আঙ্কারা তার সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক সক্ষমতা ও প্রভাব প্রয়োগ করে নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে বিশ্বমঞ্চে সত্য তুলে ধরা অব্যাহত রাখবে। বর্তমানে তুরস্ককে কেন্দ্র করে পুরো অঞ্চলটি একটি বহুমুখী ভূ-রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিদ্যমান বৈশ্বিক ন্যায়বিচার ও প্রতিনিধিত্বমূলক ব্যবস্থা কার্যকারিতা হারিয়ে চরম অচলাবস্থার মুখোমুখি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক রাজনীতির পাশাপাশি তুরস্কের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি জানান, বিশ্বব্যাপী নানা অস্থিরতার পরও টানা ২৪টি প্রান্তিকজুড়ে তুরস্ক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে, যার ফলে দেশটি বর্তমানে বিশ্বের ১৬তম এবং সমগ্র ইউরোপের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। এরদোয়ান তথ্যের মাধ্যমে জানান যে, ২০০২ সালে যেখানে তাদের মোট রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র ৩৩ হাজার, সেখানে ২০২৫ সালের তথ্যমতে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজারে। ২০ দিন আগে ঘোষিত নতুন মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার আওতায় আগামীতে দেশটিতে ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আঙ্কারা সুদৃঢ় পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
পাঠকের মতামত:
- বঙ্গোপসাগরের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জ্বালানি সম্ভাবনা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
- জুলাই যোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরে আমরা ব্যথিত: ন্যায়বিচারের আশ্বাস রাশেদ খাঁনের
- পারমাণবিক অস্ত্রের পথ খোলা রাখছে সৌদি আরব: মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে তোলপাড়
- ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের আস্থার প্রতীক: গাজী শওকাত হোসেনের পরিবার-সাড়ে পাঁচ দশকের জনসেবা
- মুখে সিঙ্গাপুর-অস্ট্রেলিয়ার ফাঁকা বুলি নয়, বাসযোগ্য ঢাকা চান প্রধানমন্ত্রী: মীর শাহে আলম
- দিনভর শারীরিক অলসতা ও ক্লান্তি: চিকিৎসকদের নতুন স্বাস্থ্য পরামর্শ
- হরমুজ প্রণালিতে নতুন সামুদ্রিক উত্তেজনা: আন্তর্জাতিক সামরিক অঙ্গনে বড় খবর
- জাতীয় দল ও ইতালিয়ান ক্লাবের টানাপোড়েন: বড় সিদ্ধান্তের মুখে বিশ্বজয়ী তারকা
- তেলের পর পানির জন্য যুদ্ধ হবে, টাকা দিয়েও মিলবে না পানি: পানিসম্পদমন্ত্রী
- সন্ত্রাসবাদের সাথে বন্ধুত্ব চলতে পারে না: জাতিসংঘে পাকিস্তানকে জয়শঙ্করের তোপ
- ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার ও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন: মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় খবর
- দখলবাজি ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা সরকারের জন্য অশনিসংকেত: টিআইবি
- সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের মূল পরিকল্পনাকারী শাহরিয়ারসহ ৪ জন গ্রেপ্তার
- ক্রিকেট খেলায় নতুন দিগন্ত: সারা দেশে ট্রায়াল পর্বের সূচনা
- আমরা জয়ী হয়েছি তবে বিজয় সুসংহত করতে হবে: তেহরানে ইরানি সেনাপ্রধান
- চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী: বিশ্বমঞ্চে ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে কড়া বার্তা
- ইরানকে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’
- বিশ্বমঞ্চে শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙার দ্বারপ্রান্তে বিরাট কোহলি
- বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলা
- ফিলিস্তিন শাসন করবে ফিলিস্তিনিরাই: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বার্তা দিল চীন
- ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে তৈরি হচ্ছে জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- লাখ লাখ বছরের পুরনো রহস্য উন্মোচিত: বিজ্ঞানীরা পেলেন নতুন তথ্য
- যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বড় আইনি পদক্ষেপ: আদালতের নতুন সিদ্ধান্ত
- মাথার কাছে মোবাইল রেখে ঘুমানো: ব্রেন টিউমার ও রেডিয়েশন দাবির বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা
- ইসরায়েলি মানচিত্রের ভুলে গাজার উচ্চ রেজল্যুশনের স্যাটেলাইট ছবি ফাঁস
- প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আরও বাড়ানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- যুদ্ধাপরাধীদের জায়গা জাতিসংঘের মঞ্চে নয়, আদালতে: ইস্তাম্বুলে এরদোয়ান
- ৩০ বিলিয়ন ডলার শুল্ক কমাতে সম্মত চীন ও যুক্তরাষ্ট্র: এআই নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংলাপ
- সরকারি কর্মচারীদের সঞ্চয় ও অনুদান তহবিলে নতুন অর্থবছরীয় নির্দেশনা জারি
- বাংলাদেশ এখন ব্যবসার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি বাজার: কোন পথে বাংলাদেশ ও বিশ্ব?
- মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার নেপথ্যে চীনা প্রযুক্তি? সিএনএনের চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন
- সাবেক ওসিকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য: আদালতের নতুন নির্দেশনা
- বিশ্বমঞ্চে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
- বিমানেই কাটবে ৫০ ঘণ্টা: ফুটবলের আড়ালে দীর্ঘ ভ্রমণের গল্প
- হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সৌদি আরবের পাশে থাকার ঘোষণা মিসরের
- জাতিসংঘে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে জাইমা রহমান: ৮১তম সাধারণ পরিষদের লিগ্যাল অফিসার তিনি
- ১১ জেলায় শুক্রবার রাত পর্যন্ত তীব্র ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
- রাজারবাগ থেকে সাবেক ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে
- টেস্ট ক্রিকেটে নতুন স্বপ্ন ও বাংলাদেশ দলের অবস্থান নিয়ে বড় তথ্য
- দেশের বাজারে নতুন সমন্বয়: অলঙ্কার কিনতে গুণতে হবে বাড়তি টাকা
- জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চরম সংকট: কার্গো স্থানান্তর বন্ধে কমলো এলএনজি সরবরাহ
- গ্যাস্ট্রিক বা দুর্বলতা ভেবে ভুল করছেন না তো? জেনে নিন হার্ট অ্যাটাকের সূক্ষ্ম ৪ লক্ষণ
- আট মাসের বিএনপি সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রুহুল কবির রিজভীর
- যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে যুদ্ধ ভারত মহাসাগরে ছড়ানোর হুমকি ইরানের
- অতীত আর বর্তমানের মিল: দেশজুড়ে আবার কি এক-এগারোর ছায়া?
- হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান
- কম বয়সে চুল পড়ার প্রধান তিনটি কারণ ও এর প্রতিকার
- হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাব
- আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা দাবি করলেন এমপি নজরুল
- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে রিমান্ডে নিলেই বের হবে বাসে আগুনের রহস্য: রাশেদ খাঁন
- আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দক্ষিণ শ্রীপুরে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান পাপিয়া পারভীন
- জাতিসংঘের মঞ্চে জিয়া পরিবারের তৃতীয় উত্তরাধিকার
- তেহরানের আকাশে রহস্যময় আলোর পিণ্ড: নতুন করে জল্পনা শুরু
- আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনার মধ্যেই রাশিয়ার নির্বাচন সম্পন্ন
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে জ্বালানি খাতে বড় আর্থিক চাপ
- নতুন সামরিক সক্ষমতা দেখে বিশ্ব চমকে যাবে: আইআরজিসির চরম হুঁশিয়ারি
- 'হাসিনার সময় পদত্যাগ চাইতাম, এখন চাওয়া ঠিক হবে না': জাহেদ উর রহমান
- জাতিসংঘের অধিবেশনে বিশ্ব নেতাদের সামনে জলবায়ু সংকট নিয়ে কড়া বার্তা
- পাসপোর্ট খোয়া গেলে বা নষ্ট হলে যেসব নিয়ম মানতে হবে
- বাংলাদেশে অফিস খোলার প্রক্রিয়ায় মেটার নতুন অগ্রগতি
- দ্রুত উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে নতুন আবহাওয়া দুর্যোগ








