কাউন্সিলর  সৈয়দ ফিরোজ গনি : জনসেবায় দুই দশকের বেশি সময়ের নিবেদিত পথচলা

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ২১:৪৬:০০
কাউন্সিলর  সৈয়দ ফিরোজ গনি : জনসেবায় দুই দশকের বেশি সময়ের নিবেদিত পথচলা
সৈয়দ ফিরোজ গনি কাউন্সিলর ২০২৬/ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

কাউন্সিলর সৈয়দ ফিরোজ গনি একজন অভিজ্ঞ সংগঠক, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ, যিনি দীর্ঘ ২৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে জনসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি স্থানীয় জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং কমিউনিটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততা

এই দীর্ঘ পথচলায় সৈয়দ ফিরোজ গনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। এলাকাকে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও বসবাসযোগ্য করে তোলাই তাঁর কাজের মূল লক্ষ্য। মানুষের পাশে থাকা, তাদের সমস্যা শোনা এবং বাস্তবসম্মত সমাধান বের করাই তাঁর কাজের প্রধান প্রেরণা।

কাউন্সিলে নেতৃত্ব ও দায়িত্ব

কাউন্সিলে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি দু’বার অ্যাসেম্বলির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি এনফোর্সমেন্ট, কমিউনিটি সেফটি এবং পার্কিং বিষয়ক ক্যাবিনেট মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।এর আগে তিনি পাবলিক রিয়ালম (পরিবেশ) বিষয়ক ক্যাবিনেট মেম্বার হিসেবে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বরো গড়ে তোলার লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন।

রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ২৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে Labour Party-এর একজন সক্রিয় সদস্য। এই সময়ে তিনি ন্যায়বিচার, কমিউনিটি নিরাপত্তা এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

শিক্ষা ও দক্ষতা

শিক্ষাজীবনে তিনি যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে মার্কেটিং বিষয়ে এমএ এবং এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর এই শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা তাঁকে কৌশলগত চিন্তাভাবনা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং জনসেবায় গভীর জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করেছে।

আঞ্চলিক ও নীতিনির্ধারণী ভূমিকা

কাউন্সিলের দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি London Borough of Barking and Dagenham-এর প্রতিনিধিত্ব করে বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থায় কাজ করছেন। এর মধ্যে থেমস রিজিওনাল ফ্লাড অ্যান্ড কোস্টাল কমিটি এবং পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন অংশীদারিত্বে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন।এছাড়াও London TEC-এর একজন সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী আলোচনায় অংশগ্রহণ করছেন।

শিক্ষা ও কমিউনিটি উন্নয়ন

স্থানীয় শিক্ষা ও কমিউনিটি উন্নয়নে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। তিনি Grafton Primary School-এর গভর্নর, বার্কিং অ্যান্ড ডেগেনহ্যাম অ্যাডাল্ট কলেজের উপদেষ্টা এবং BDCVS-এর ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কমিউনিটির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ

কাউন্সিলর সৈয়দ ফিরোজ গনি নিয়মিত টেন্যান্টস অ্যান্ড রেসিডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (TRA) মিটিং এবং সেফার নেইবারহুড টিম মিটিংসহ বিভিন্ন স্থানীয় ফোরামে অংশগ্রহণ করেন। বাসিন্দাদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।

বিশেষ অর্জন

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীদের মধ্যে তিনিই প্রথম চট্টগ্রামের প্রতিনিধি, যিনি ২০১৪ সালে কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন। এছাড়া, Barking and Dagenham কাউন্সিলের প্রথম বাংলাদেশি কাউন্সিলর হিসেবে গত ৮ বছর ধরে ক্যাবিনেট মেম্বারের দায়িত্ব পালন করছেন।

সহকর্মী ও কমিউনিটির সদস্যদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে সৈয়দ ফিরোজ গনি ভ্যালেন্স এলাকাকে আরও উন্নত, নিরাপদ ও বাসযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা তাঁকে একজন সফল ও জনপ্রিয় জননেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।


ভালোবাসার ঘর বাঁধা হলো না লিমন-বৃষ্টির: ফিরলেন নিথর দেহ হয়ে

প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ২১:২৮:৪৫
ভালোবাসার ঘর বাঁধা হলো না লিমন-বৃষ্টির: ফিরলেন নিথর দেহ হয়ে
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় উচ্চশিক্ষা নিতে যাওয়া দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে প্রবাসীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত জামিল আহমেদ লিমন (২৭) এবং নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির অকাল প্রয়াণে কেবল দুটি মেধাবী প্রাণের অবসান ঘটেনি, বরং তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের সব স্বপ্নও ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লিমন ও বৃষ্টির মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তারা খুব শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসার পরিকল্পনা করছিলেন।

লিমনের ভাই জুবায়ের আহমেদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, লিমন প্রায়ই পরিবারের কাছে বৃষ্টির প্রশংসা করতেন এবং তাদের সম্পর্কের বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করতেন। উচ্চশিক্ষা শেষ করে তারা দুজনেই দেশে ফিরে শিক্ষকতা করার স্বপ্ন দেখতেন। লিমনের স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়ে দেশের সেবা করা। জুবায়েরের ভাষায়, লিমন ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী ও হাসিখুশি স্বভাবের মানুষ, যাঁর জীবন এমন নৃশংসভাবে শেষ হবে তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।

উল্লেখ্য যে, প্রায় ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর গত শুক্রবার লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে ফ্লোরিডার হিলসবরো কাউন্টি পুলিশ। তিনি ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণারত ছিলেন। একই সঙ্গে নিখোঁজ হওয়া বৃষ্টির নিথর দেহের খবরও পরবর্তীতে পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এই মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে তাঁর পরিবার এখন বাকরুদ্ধ। এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের পেছনে লিমনের রুমমেটের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তদন্ত চলছে, যা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

/আশিক


যুক্তরাষ্ট্রে মেধাবী ছাত্র লিমনের করুণ পরিণতি! এখনো নিখোঁজ নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি

প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১১:৩৯:০৮
যুক্তরাষ্ট্রে মেধাবী ছাত্র লিমনের করুণ পরিণতি! এখনো নিখোঁজ নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ১০ দিন ধরে নিখোঁজ থাকা ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল ২০২৬) সকালে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতু এলাকা থেকে ২৭ বছর বয়সি এই মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে লিমনের সাথে নিখোঁজ হওয়া অপর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির (২৭) কোনো সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।

হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের দফতর জানিয়েছে, লিমনের হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তাঁর রুমমেট ২৬ বছর বয়সি হিশাম আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হিশাম ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করলেও বর্তমানে তিনি শিক্ষার্থী নন। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হিশামের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা, অনুমতি ছাড়া মরদেহ সরানো এবং কাউকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখাসহ মোট ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, লিমনের মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ লুকানোর চেষ্টা করেছিলেন হিশাম।

নিখোঁজ লিমন ও বৃষ্টি দুজনেই ইউএসএফ-এর পিএইচডির শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ১৭ এপ্রিল থেকে তাঁদের কোনো খোঁজ মিলছিল না। লিমনের মরদেহ পাওয়া গেলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য এখনো কাটেনি। শেরিফের দফতর জানিয়েছে, বৃষ্টি ওই বাসায় থাকতেন না এবং তাঁকে খুঁজে বের করতে পুলিশের তল্লাশি অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে। লিমনের মর্মান্তিক মৃত্যুতে ফ্লোরিডায় প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কমিউনিটির মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সূত্র: সিএনএন, পিপল ম্যাগাজিন


লেবার পার্টির মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৮ ১৯:৩২:২৬
লেবার পার্টির মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

১৬ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ‍্যামল‍্যাটস্ কাউন্সিলের নির্বাচনে লেবার পার্টির মেয়র প্রার্থী ও কাউন্সিলার প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। পূর্ব লন্ডনের একটি হলে রুশনারা আলী এমপি ও ডন বাটলার এমপি এবং স্থানীয় লেবার পার্টির লিডারদের উপস্থিতিতে এ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। এ সময় মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম সহ সকল কাউন্সিলার প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ২৫টি নির্বাচনী ইশতেহার নিম্নরূপ

সততা এবং ন্যায্য আর্থিক ব্যবস্থাঃ

১. যথাযথ শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করন। ‘বেস্ট ভ্যালু’ পরিদর্শনে উদ্ঘাটিত ব্যর্থতাগুলো সংশোধন করন এবং স্বজনপ্রীতির সংস্কৃতির অবসান ঘটান। জনগণের অর্থ বিচক্ষণতার সাথে ব্যয় করা হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চুক্তি প্রদান করা হবে।

২. কাউন্সিল ট্যাক্স গ্যারান্টি। প্রথম দুই বছরের জন্য কাউন্সিল ট্যাক্সের সাধারণ অংশ স্থির রাখা, শুধুমাত্র সবচেয়ে দুর্বল বাসিন্দাদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ২% প্রাপ্তবয়স্ক সামাজিক যত্ন কর (অ্যাডাল্ট সোশ্যাল কেয়ার প্রিসেপ্ট) প্রয়োগ করন।

৩. ন্যায্য ভাড়া। কাউন্সিল ভাড়ার বৃদ্ধি বছরে ২.৫%-এ সীমাবদ্ধ করুন এবং ‘লন্ডন লিভিং রেন্ট’-এর অধীনে থাকা ভাড়াটেদের জন্য ভাড়া স্থির রাখা।

৪. অংশগ্রহণমূলক বাজেট ব্যবস্থা। আটটি স্থানীয় এলাকার প্রতিটির জন্য ২,৫০,০০০ পাউন্ডের একটি তহবিল পুনরায় চালু করে বাসিন্দাদের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া, যাতে এলাকাগুলোই সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে এই অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হবে।

উন্নতমানের আবাসন এবং স্থানীয় অগ্রাধিকারঃ

৫.৫,০০০ সামাজিক আবাসন। ২০৩০ সালের মধ্যে ৫,০০০ সামাজিক আবাসন নির্মাণ বা পুনঃক্রয় করার জন্য সরকারের সাথে কাজ করা, যার মাধ্যমে ১০,০০০ গৃহহীন এবং অতিরিক্ত ভিড়ে বসবাসকারী পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে। অন্যান্য মেয়াদের অধীনে নতুন বাড়ি সরবরাহের পাশাপাশি, যেসকল কাউন্সিল ভাড়াটে বাড়ির মালিকানায় চলে যাবেন, তাদের জন্য নগদ প্রণোদনা প্রদান করা হবে।

৬. স্থানীয় ভাড়া প্রদান এবং শিক্ষার নিশ্চয়তা। সমস্ত নতুন কাউন্সিল প্রকল্পে ২৫% স্থানীয় ভাড়ার কোটা প্রয়োগ করা, যাতে পরিবারগুলো তাদের স্কুলের কাছাকাছি থাকতে পারে এবং শিক্ষাগত ব্যাঘাত এড়াতে পারে।

৭. কাউন্সিল আবাসনের আধুনিকীকরণ। পুরোনো রান্নাঘর ও বাথরুম প্রতিস্থাপন এবং বাড়িগুলোকে শক্তি-সাশ্রয়ী করে বিল কমানোর জন্য অতিরিক্ত তহবিল বিনিয়োগ করা।

৮. ব্যর্থ ব্যবস্থাপনার সংশোধন। ভাড়াটে এবং ইজারাদারদের জন্য মেরামত ও পরিসেবার মান উন্নত করতে হাউজিং ডিরেক্টরেটের উপর কঠোর জনসমীক্ষা পুনঃস্থাপন করা।

৯. বাড়ির মালিকানাকে শক্তিশালী করা। একটি কমিউনিটি ল্যান্ড ট্রাস্ট মডেল চালু করুন এবং কাউন্সিল ভাড়াটেদের খোলা বাজার থেকে বাড়ি কিনতে সাহায্য করার জন্য নগদ প্রণোদনা প্রকল্পটি পুনর্বহাল করন।

১০. হাউজিং অ্যাসোসিয়েশনের জবাবদিহিতা। ব্যর্থ হাউজিং অ্যাসোসিয়েশনগুলোর কাছ থেকে কঠোর কর্মপরিকল্পনা দাবি করন এবং পরিসেবার মান পুনরুদ্ধার না হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করন।

প্রতিটি শিশুর জন্য একটি বিশ্বমানের সূচনাঃ

১১. টিউশন ফি-এর নিশ্চয়তা। কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজ পরিসেবা রক্ষা করা এবং পুরো বারা জুড়ে ৫ বছর বয়স থেকে জিসিএসই (GCSE) স্তর পর্যন্ত গণিত ও ইংরেজি টিউশন অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এর সম্প্রসারণ করা।

১২. সার্বজনীন বিনামূল্যে স্কুল খাবার এবং ইএমএ (EMA)। সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিশুদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল খাবার বজায় রাখা এবং এডুকেশন মেইনটেন্যান্স অ্যালাউন্স ও কাউন্সিলের বিশ্ববিদ্যালয় বৃত্তি সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করা।

১৩. বিদ্যালয়গুলোর একটি ঐক্যবদ্ধ পরিবার। জিসিএসই (GCSE) এবং এ লেভেল (A Level) এর ফলাফল উন্নত করার লক্ষ্যে পুরো বারা জুড়ে একটি উদ্যোগের মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোকে পুনরায় একত্রিত করা এবং স্কুল-পরবর্তী সহায়তায় বিনিয়োগ করা।

১৪. প্রারম্ভিক শৈশব ও যুব পরিসেবা। চিলড্রেন'স সেন্টারগুলোতে সহায়তা সম্প্রসারণ করা এবং যুব পরিসেবাগুলো যাতে মেয়ে ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুসহ সকলের জন্য উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় তা নিশ্চিত করা।

একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, সবুজতর বারাঃ

১৫. নিরাপত্তা এলাকা। পাড়াভিত্তিক পুলিশ দল সম্প্রসারণ করন, পায়ে হেঁটে টহল ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করন এবং আবাসিক এলাকাগুলোতে সিসিটিভি কাভারেজের জন্য ৫ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করুন।

১৬. আমাদের আকাশসীমা রক্ষা করা। উঁচু ভবন নির্মাণের অনুমতিমূলক নীতি বাতিল করার জন্য অ্যাস্পায়ার লোকাল প্ল্যান প্রত্যাহার করন এবং আরও বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা বন্ধ করন।

১৭. সবুজায়ন ও বৃক্ষ। পুরো বারা জুড়ে আরও গাছ লাগানো অব্যাহত রাখা, যেখানে গাছগুলো কোথায় লাগানো হবে সে বিষয়ে বাসিন্দাদের সরাসরি মতামত থাকবে, এবং সুস্থ জীবন, খাদ্য উৎপাদন ও শক্তিশালী সম্প্রদায়কে সমর্থন করার জন্য আরও কমিউনিটি গার্ডেন চালু করন।২০১৯ সালে প্রাথমিকভাবে সম্মত হওয়া অনুযায়ী ৯৯ বছরের নামমাত্র ইজারার মাধ্যমে মাডচুট ফার্মকে রক্ষা করা।

১৮. চক্রাকার অর্থনীতি এবং পুনর্ব্যবহার। বাদ পড়া সংগ্রহগুলো সংশোধন করন এবং পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগগুলো ফিরিয়ে এনে চক্রাকার অর্থনীতিকে উৎসাহিত করন, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে কমপক্ষে ৩৩% পুনর্ব্যবহার করা।

১৯. শিশু ও পথচারীদের সুরক্ষা। স্কুল সড়ক সম্প্রসারণ বারার প্রতিটি স্কুলে সড়কপথ নিয়ে যাওয়া এবং সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা লন্ডনের গড়ের নিচে নামিয়ে আনার জন্য কাজ করা।

২০. আবাসিকদের জন্য পার্কিং এবং স্বাস্থ্যকর সড়কের পক্ষে। অ্যাসপায়ারের পার্কিং মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা, অকার্যকর পারমিট ব্যবস্থাটি ঠিক করা এবং গাড়ির উপর নির্ভরশীল বাসিন্দাদের সহায়তা করা। পারমিটের জন্য আবেদন এবং নবায়ন সহজ ও সহজলভ্য করা।গাড়িমুক্ত বাড়িতে স্থানান্তরিত হওয়া পরিবারগুলির জন্য এক মাসের গ্রেস পিরিয়ড চালু করা, কাউন্সিল এস্টেট সহ বারা জুড়ে বৈদ্যুতিক যানবাহন চার্জিংয়ের একটি কর্মসূচিতে বিনিয়োগ করা এবং স্বাস্থ্যকর সড়কের জন্য টাওয়ার হ্যামলেটসকে লন্ডনের শীর্ষ পাঁচটি বারার তালিকায় পুনরুদ্ধার করা।

একটি সহানুভূতিশীল ও প্রাণবন্ত সম্প্রদায়ঃ

২১. সেবায় মর্যাদা। বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী বাসিন্দাদের জন্য বিনামূল্যে হোমকেয়ার (গৃহসেবা) চালু রাখা এবং ডে-কেয়ার (দিবাসেবা) পরিসেবার জন্য চার্জ বাতিল করা।

২২. একটি ১৫ বছর মেয়াদী দারিদ্র্যবিরোধী পরিকল্পনা। বঞ্চনার মূল কারণগুলির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে একটি দীর্ঘমেয়াদী, ১৫ বছর মেয়াদী দারিদ্র্যবিরোধী কর্মপরিকল্পনা চালু করা, যেখানে কর্মসংস্থান, দক্ষতা, প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষানবিশির উপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে।

২৩. নারী ও মেয়েদের নিরাপত্তা। কাউন্সিলের কেন্দ্রবিন্দুতে নারীর নিরাপত্তা, ক্ষমতায়ন এবং সমতাকে স্থাপন করা। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নারী কমিশন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা, গার্হস্থ্য নির্যাতন এবং নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বিষয়ক পরিসেবাগুলিকে শক্তিশালী করা, এবং মূল বাজেটে টেকসই তহবিল অন্তর্ভুক্ত করে কাউন্সিলের সমস্ত পরিদপ্তরে এই প্রতিশ্রুতিকে প্রতিষ্ঠা করা।

২৪. আমাদের বৈচিত্র্যের উদযাপন। ভিক্টোরিয়া পার্কের আতশবাজি, বৈশাখী মেলা এবং ব্রিক লেন কারি ফেস্টিভ্যাল পুনরুদ্ধার করা, পাশাপাশি পুরো বারা জুড়ে বড়দিন এবং ঈদ উদযাপন করা। টাওয়ার হ্যামলেটস মিনি অলিম্পিক, মিনি প্যারাঅলিম্পিক এবং মিনি বিশ্বকাপের মতো অন্তর্ভুক্তিমূলক অনুষ্ঠানগুলিকে সমর্থন করা।

২৫. একজন জবাবদিহিমূলক মেয়র। কাউন্সিলার সিরাজুল ইসলাম এবং লেবার দলের কাউন্সিলাররা নিয়মিত পরামর্শ সভা করবেন এবং সিরাজুল পুরো বারা জুড়ে প্রতি তিন মাস অন্তর ‘মেয়রকে জিজ্ঞাসা করন’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।

টাওয়ার হ‍্যামলেটস্ কাউন্সিলের লেবার পার্টি প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার। সকল লেবার লিডার এবং প্রার্থীরা আশাবাদী আগামী ৭ই মে নির্বাচনে সম্মানিত ভোটাররা তাদের মহামূল‍্যবান ভোট প্রদান করে লেবার পার্টির প্রার্থীদের বিজয়ী করবেন।


বিদেশেও সংরক্ষিত হবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি: লন্ডনে বিশিষ্টজনদের বিশেষ সভা

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৮ ১৮:২৩:০৪
বিদেশেও সংরক্ষিত হবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি: লন্ডনে বিশিষ্টজনদের বিশেষ সভা
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

১৬ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্প‌তিবার প্রবাসে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার এবং একটি সমন্বিত আর্কাইভ গঠনের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও যুক্তরাজ্যে বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা।

তাঁরা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রামাণ্য নথিভুক্তি না হলে তা নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে না। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ও ঐতিহাসিক স্থাপনার নিরাপত্তা এবং রক্ষণাবেক্ষণে সরকারের আরও কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। রাজনৈতিক কারণে যেন এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা ও স্মৃতিচিহ্ন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস না হয়, সে জন্য শক্তিশালী আইনি সুরক্ষার দাবিও জানান বক্তারা।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউজ অব লর্ডসের একটি কমিটি রুমে আয়োজিত এক সম্মাননা অনুষ্ঠানে এসব বক্তব্য উঠে আসে। লর্ড রামী রেঞ্জারের আমন্ত্রণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবীর ওসমানী গবেষণা ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান এম. এ. মালেক খান।

নর্থ্যাম্পটন ব্রিটিশ বাংলাদেশি বিজনেস চেম্বার (NBBBC) এবং বেঙ্গল সেন্টার ইউকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের পলিটিকা নিউজের প্রধান সম্পাদক তানভীর আহমেদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এনবিবিসির চেয়ারম্যান ও নর্থ্যাম্পটন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর নাজ ইসলাম।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন বিবিসি বাংলা বিভাগের সাবেক সম্পাদক সাবির মুস্তাফা, ডা. জাকি রেজওয়ানা আনোয়ার, এনবিবিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান টিপু রহমান, নর্থ্যাম্পটন বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান এম. এ. রউফ, থার্ড সেক্টর কনসালট্যান্ট বিধান গোস্বামী, পলিসি গভ-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার সঞ্জয় রায়, গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্সের চেয়ারম্যান ডা. হাবিবে মিল্লাত, এস্পায়ার পার্টির চেয়ারম্যান কে. এম. আবু তাহের চৌধুরী, হৃদমিক কেয়ারের পরিচালক রুহুল আমীন, সিলেট হার্ট ফাউন্ডেশনের মিসবাহ জামাল এবং মঞ্জুর আহমেদসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন সলিসিটর প্রিন্স সাদিক চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মোহাম্মদ আব্দুর রহমান ও হিমাংশু গোস্বামী-কে এবং প্রবাস থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে অবদানের জন্য ফেরদৌস রহমান ও হাজী মোহাম্মদ আফতাব আলী-কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া কমিউনিটিতে বিশেষ অবদানের জন্য ইউসুফ রাজা চৌধুরী ও মোহাম্মদ আলী-কেও সম্মাননা সনদ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র “ Birth of a Nation” প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে লর্ড রামী রেঞ্জার ও এম. এ. মালেক খান পরস্পরের মধ্যে স্মারক স্কার্ফ বিনিময় করেন। লর্ড রামী রেঞ্জারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ব্যারিস্টার সঞ্জয় রায় ও মেরাজ হোসেন।

এছাড়া প্রপা রেজওয়ানা আনোয়ারের শিষে পরিবেশিত মুক্তিযুদ্ধের গান উপস্থিত দর্শকদের গভীরভাবে আবেগাপ্লুত করে তোলে।


সেন্ট লুসিয়ার পার্লামেন্টের স্পীকারের সাথে ব‍্যারিস্টার নাজির আহমেদের মতবিনিময় 

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৪ ২১:৪১:৫৩
সেন্ট লুসিয়ার পার্লামেন্টের স্পীকারের সাথে ব‍্যারিস্টার নাজির আহমেদের মতবিনিময় 
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

১৩ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার সেন্ট লুসিয়ার ন‍্যাশনাল পার্লামেন্টের স্পীকার ক্লাউডিয়াস জেমস ফ্রান্সিস এমপি’র সাথে বর্তমানে সেন্ট লুসিয়ায় সফররত লন্ডন বারা অব নিউহ্যামের টানা তিন বারের সাবেক ডেপুটি স্পীকার ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ আজ পার্লামেন্টে পৌঁছলে স্পীকার ক্লাউডিয়াস জেমস ফ্রান্সিস এমপি তাকে স্বাগত জানান এবং পুরো পার্লামেন্ট ঘুরে ঘুরে দেখান এবং তাদের আইন প্রণয়নের বিভিন্ন ধাপ ও পদ্ধতিগুলো ব‍্যাখ‍্যা করেন। পরে ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ ও স্পীকার ক্লাউডিয়াস জেমস ফ্রান্সিস এমপি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের নমুনা, সংবিধান ও বিভিন্ন দেশের রেওয়াজ এবং প্র‍্যাকটিস সম্পর্কে মতবিনিময় করেন।

উভয়েই একমত হন, যে সব দেশে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সত্যিকার চেক এন্ড ব্যালেন্স রয়েছে এবং সংসদে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায় সে সব দেশে গনতন্ত্র শক্তিশালী হয় যা ধীরে ধীরে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।

উল্লেখ্য, স্পীকার ক্লাউডিয়াস জেমস ফ্রান্সিস এমপি সেন্ট লুসিয়ার ন্যাশনাল টিভির একজন জনপ্রিয় টকশো হোস্ট ও তুখোড় রাজনীতিবিদ। তিনি ২০২১ সাল থেকে সেন্ট লুসিয়ার পার্লামেন্টের ১২তম স্পীকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি সেন্ট লুসিয়ার সিনেটের ২০১২ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত দশম প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং সেন্ট লুসিয়া লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ছিলেন। তার এক সন্তান বৃটেনে পড়াশোনা করছে।


ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৩ ২১:১৪:৫২
ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে “ব্রিটেনে বাংলাদেশী মুসলিমদের ঈদ উদযাপন "বর্তমান ও অতীত" শীর্ষক আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ঝাঁকজমকপূর্ন ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

১২ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার বিকেলে পূর্বলন্ডনের একটি সেন্টারে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুহাম্মদ শাহেদ রাহমানের সভাপতিত্বে, জেনারেল সেক্রেটারী আব্দুল বাছিরের সঞ্চালনায় প্রবাসীদের ঈদ উদযাপন নিয়ে এই তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক পর্বে কমিউনিটির বিশিষ্টজনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন্ডন হ্যারিংওয়ে কাউন্সিলের মেয়র কাউন্সিলর আহমেদ মাহবুব।

অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম, সাবেক স্পিকার আহবাব হোসেন, সাংবাদিক রহমত আলী, সাবেক স্পিকার খালিছ উদ্দীন আহমেদ, ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি ডক্টর আনসার আহমদ উল্লাহ, সাবেক সভাপতি অধ্যাপক সাজিদুর রহমান, সাবেক সেক্রেটারী মিজানুর রহমান মীরু, সাবেক সেক্রেটারী জুবায়ের আহমদ, কবি মজিবুল হক মনি, সংস্কৃতিকর্মী নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি শাকির হোসেন, মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আব্দুল মুকিত, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি আহাদ চৌধুরী বাবু, এসিসটেন্ট সেক্রেটারী আব্দুল কাদির চৌধুরী মুরাদ, শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, কাউন্সিলর ফয়জুর রহমান, ফটোগ্রাফার জি আর সোহেল, আক্কাছ খান।

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইমদাদুন খানম, সহ-সভাপতি সাহেদা রহমান, ট্রেজারার মির্জা আবুল কাসেম, মিডিয়া এন্ড আইটি সেক্রেটারী সোহেল আহমদ, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সেক্রেটারী ইমরান তালুকদার, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট আঙ্গুর আলী, নাজ নাজনিন ও মুন কোরেশী প্রমুখ।

মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পর্বে গান পরিবেশন করেন শিল্পী এ রহমান অলি, আসমা মতিন, আব্দুস শুকুর, শিল্পী জাহাঙ্গীর রানা, আশরাফুল হুদা, দীপা হক, শাহদাত হোসেন মাছুম, রুমান বখত, রায়হান আহমদ।

গান ও কবিতা আবৃত্তি করেন কবি, গীতিকার সাজ্জাদুর রহমান, মুহাম্মদ সালেহ আহমদ, জান্নাতুল ফেরদৌস ডলি ও সাহিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে গীটার বাজান দীপন সরকার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র আহমেদ মাহবুব বলেন, যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ঈদ উদযাপন হলো কাজের ব্যস্ততা বা ছুটি না পাওয়ার বেদনা। অন্যদিকে আবার আন্তরিকতা, সংস্কৃতিকে লালন করে গল্প, আড্ডা, বেড়ানো এবং কিছুটা আবেগের মিশ্রণকে আছেই পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকলেও স্থানীয় মসজিদ, কমিউনিটি সেন্টার এবং বন্ধুদের সাথে লন্ডন সহ বিভিন্ন শহরে ঈদের নামাজ ও প্রীতিভোজের মাধ্যমে ঈদউৎসব পালিত হয়। এভাবেই বাঙালি সংস্কৃতি ও মুসলিম ঐতিহ্যকে লালন করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন-যুক্তরাজ্যসহ এই প্রবাসে ঈদ মানে এক টুকরো সুন্দর ও প্রীতির বাংলাদেশ।আর এই পথ সৃষ্টি করে গিয়েছেন আমাদের পূর্বসূরীরা, আমাদের প্রবীনেরা। যে পথ দিয়ে আমরা এখন এই প্রবাসে হাঁটছি প্রতিনিয়ত।


লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত

সাজ্জাদ হোসেন সাজু
সাজ্জাদ হোসেন সাজু
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ১০:০১:৩৩
লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
দিপালী খাতুন নিহত /ছবি : সংগৃহীত

লেবাননের রাজধানী বৈরুত-এর হামরা এলাকায় ইসরায়েলের হামলায় দিপালী খাতুন নামের এক বাংলাদেশি নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) স্থানীয় সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত দিপালী খাতুন ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের চর শালেপুর এলাকার বাসিন্দা এবং শেখ মোফাজ্জলের মেয়ে। তিনি জীবিকার তাগিদে লেবাননে গিয়ে একটি পরিবারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হামলার সময় তিনি তার কর্মস্থলেই অবস্থান করছিলেন। বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকেও তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিহতের ছোট বোন লাইজু খাতুন জানান, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে দিপালী খাতুন লেবাননে যান। সর্বশেষ ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টার দিকে তার সঙ্গে কথা হয়। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টা ৩৭ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপ কলের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর পরিবারকে জানানো হয়।

তিনি আরও জানান, দিপালী নিয়মিতভাবে একটি নিকটস্থ দোকানের মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠাতেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিপালী খাতুন তিন বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে একজন ছিলেন এবং তিনি অবিবাহিত ছিলেন। তার মৃত্যুর খবরে পরিবারে শোকের মাতম চলছে।

চর হরিরামপুর ইউনিয়নের ছাত্রদল সভাপতি শামীম রেজা জানান, খবর পেয়ে তারা নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন।

চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজ বলেন, নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অল্প সময়ের মধ্যেই মরদেহ দেশে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবার সরকারের কাছে মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে।


কানেক্ট বাংলাদেশ ইউকে'র উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১০ ১১:৪৩:৫৮
কানেক্ট বাংলাদেশ ইউকে'র উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক বাংলাদেশি প্রবাসীদের সংগঠন Connect Bangladesh (কানেক্ট বাংলাদেশ) এর উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হলো ঈদ পুনর্মিলনী ও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস। ৬ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার লন্ডনের Ivy Venue-এ সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন মীর রাশেদ আহমেদ, আনজুমান রহমান, মোঃ আলী রেজা, মোঃ মাসুদুর রহমান, আব্দুল হান্নান তরফদার, মোঃ সাইফুদ্দীন, নজরুল ইসলাম এবং মামুনুর রশিদ। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন আব্দুল হান্নান তরফদার এবং পরবর্তীতে পরিবেশিত হয় মহান জাতীয় সংগীত।

অনুষ্ঠানে শিশুদের অংশগ্রহণে ঈদের বিশেষ সংগীত পরিবেশন করা হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান। Connect Bangladesh UK-এর পক্ষ থেকে তাঁদের সম্মাননা জানানো হয় এবং তাঁরা মুক্তিযুদ্ধকালীন স্মৃতিচারণ করেন মুক্তিযুদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবু আহমেদ খিজির, ড. রহমান আর জিলানি, ওয়াহিদ আলম চৌধুরী, ড. সেলিম খান, শামসুদ্দিন ফকির, রিয়াজুল করিম, আবু জাফর মুহাম্মদ শামসুদ্দিন।

সংগঠনের সম্মানিত প্রেসিডেন্ট আবু আহমেদ খিজিরের শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল নাসিম চৌধুরী বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি উপস্থিত অতিথিদের ধন্যবাদ জানান এবং সংগঠনের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদেরকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এবং অনুষ্ঠানের মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। কানেক্ট বাংলাদেশ ইউকের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন আনজুমান আরা, মীর রাশেদ আহমেদ, শওকত মাহমুদ টিপু, মোঃ আব্দুল হাই, মোহাম্মদ আলী রেজা, কাউন্সিলর সৈয়দ ফিরোজ গনি, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, মামুনুর রশিদ, কাজী নজরুল ইসলাম, মোঃ মাসুদুর রহমান, ড. সেলিম খান, সুমসুজ জামান, মোজাম্মেল হোসাইন, সেলিম খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, মোঃ ইসলাম, হেলেন ইসলাম, হেনা বেগম, হাফসা নূর, সাকিল হাসান (সভাপতি, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব লন্ডন), মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম কাউন্সিলর ফয়জুর রহমান, সুজন বড়ুয়া, আরশাদ মালেক, ইঞ্জিনিয়ার হাসান আনোয়ার, লুৎফুর রহমান প্রমুখ।

কমিউনিটি বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে ছিল- গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে,টাঙ্গাইল জেলা সমিতি,ঢাকা সমিতি ইউকে,মানিকগঞ্জ সমিতি,মুন্সিগঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন ইউকে,ঢাকা অ্যাসোসিয়েশন ইউকে,সিলেট অ্যাসোসিয়েশন ইউকে,গ্রেটার রংপুর অ্যাসোসিয়েশন ইউকে,ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি,জামালপুর জেলা সমিতি,টাঙ্গাইল জেলা সমিতি,বাংলাদেশ ইতালিয়ান অ্যাসোসিয়েশন,হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন ,সন্দ্বীপ সমিতি ইউকে

পরবর্তীতে অতিথিদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তাহসান বাপ্পি,সিপু ,ডাঃরুবেলের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়, যা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

সমাপনী বক্তব্যে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট আবু আহমেদ খিজির উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সফল সমাপ্তি ঘোষণা করেন।


বোনের জন্য কেক নিয়ে ফেরা হলো না নিশাতের!

প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০১ ১১:৪০:৩২
বোনের জন্য কেক নিয়ে ফেরা হলো না নিশাতের!
ছবি : সংগৃহীত

নিউইয়র্কের কুইন্সে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণী নিশাত জান্নাত নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রবিবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উডসাইড এলাকায় একটি গারবেজ ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ হারান তিনি। নিশাত সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ রায়েরগড় এলাকার বাসিন্দা এবং কুইন্সের বায়তুল জান্নাহ মসজিদের ইমাম হেলাল আহমদের বড় মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিশাত জ্যামাইকার একটি পার্কিং গ্যারেজে পার্ট-টাইম কাজ করতেন। ঘটনার রাতে কাজ শেষে ছোট বোনের জন্য কেক হাতে নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী গারবেজ ট্রাক তাকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ২০১৭ সালে সপরিবারে অভিবাসী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন নিশাত ও তার পরিবার।

নিশাতের অকাল মৃত্যুতে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মঙ্গলবার স্থানীয় উডসাইড বায়তুল জান্নাহ মসজিদে জানাজা শেষে নিউজার্সির একটি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। শোকসন্তপ্ত বাবা হেলাল আহমদ মেয়ের আত্মার মাগফিরাত কামনায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: