পৃথিবী: প্রাণ, পানি আর রহস্যের গল্প

সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহ পৃথিবী শুধু আরেকটি গ্রহ নয়; এ পর্যন্ত জানা মহাবিশ্বে এটি একমাত্র স্থান যেখানে জীবনের অস্তিত্ব নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত। সূর্য থেকে এর অবস্থান, উপযুক্ত তাপমাত্রা, তরল পানির উপস্থিতি, সুরক্ষামূলক বায়ুমণ্ডল এবং শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র পৃথিবীকে অন্য সব পরিচিত গ্রহ থেকে আলাদা করেছে। মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে নীল, সাদা ও বাদামি রঙের এক জীবন্ত গোলক হিসেবে দেখা যায়, কিন্তু এর এই সুন্দর বাহ্যিক রূপের আড়ালে আছে জটিল ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক প্রক্রিয়ার এক দীর্ঘ ইতিহাস।
সূর্য থেকে দূরত্বই জীবনধারণের প্রথম শর্ত
পৃথিবীর সূর্য থেকে গড় দূরত্ব প্রায় ১৪৯.৬ মিলিয়ন কিলোমিটার। এই দূরত্ব এমন এক অঞ্চলে পড়ে, যাকে প্রায়ই “habitable zone” বা জীবনোপযোগী অঞ্চল বলা হয়। এখানে তাপমাত্রা এমন যে পানি দীর্ঘ সময় ধরে তরল অবস্থায় থাকতে পারে। পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় প্রায় ৩৬৫.২৫ দিন, আর নিজের অক্ষে একবার ঘুরতে লাগে প্রায় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট। এই ঘূর্ণন ও পরিক্রমণের সমন্বয়ই দিন-রাত ও ঋতুচক্র সৃষ্টি করেছে।
পৃথিবীর অক্ষ প্রায় ২৩.৪৪ ডিগ্রি কাত হয়ে আছে। এই সামান্য হেলানই ঋতুর জন্ম দিয়েছে। বছরের এক অংশে উত্তর গোলার্ধ বেশি আলো ও তাপ পায়, অন্য অংশে দক্ষিণ গোলার্ধ। ফলে জলবায়ু একঘেয়ে থাকে না; বরং পরিবর্তনশীল থাকে, যা জীববৈচিত্র্যের বিকাশে বড় ভূমিকা রেখেছে।
পৃথিবী কেন নীল দেখায়
মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে সবচেয়ে বেশি নীল দেখায়, কারণ এর পৃষ্ঠের প্রায় ৭১ শতাংশই পানি দ্বারা আচ্ছাদিত। মহাসাগর, সাগর, উপসাগর ও অন্যান্য জলভাগ সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে পৃথিবীকে এক অনন্য চেহারা দিয়েছে। এই জলমণ্ডল শুধু দৃষ্টিনন্দন নয়, জীবনের ভিত্তিও বটে। পৃথিবীর মোট পানির প্রায় ৯৭ শতাংশ লবণাক্ত, যা মহাসাগরে রয়েছে। অবশিষ্ট অল্প অংশের বেশিরভাগই বরফ বা ভূগর্ভস্থ পানি; নদী, হ্রদ ও বায়ুমণ্ডলে থাকা পানির পরিমাণ খুবই কম হলেও জীবনচক্রে তার গুরুত্ব অপরিসীম।
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল: জীবনের ঢাল
পৃথিবীর চারপাশে তুলনামূলক পাতলা কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর একটি বায়ুমণ্ডল রয়েছে। এতে প্রায় ৭৮ শতাংশ নাইট্রোজেন, ২১ শতাংশ অক্সিজেন এবং অল্প পরিমাণে আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয়বাষ্প ও অন্যান্য গ্যাস আছে। এই বায়ুমণ্ডল পৃথিবীকে বহু বিপদ থেকে রক্ষা করে। এটি ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির বড় অংশ আটকে দেয়, মহাজাগতিক ছোট কণাকে পুড়িয়ে ফেলে, তাপমাত্রাকে একটি সহনীয় সীমায় ধরে রাখে এবং আবহাওয়া ও জলচক্র পরিচালনা করে।
বায়ুমণ্ডলটি আবার বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত। ট্রপোস্ফিয়ারে আবহাওয়া তৈরি হয়, স্ট্রাটোস্ফিয়ারে ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি আটকে দেয়, আর উপরের স্তরগুলোতে আয়নিত কণার উপস্থিতি অরোরা বা মেরুপ্রভা তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এই পুরো কাঠামো পৃথিবীর জীবমণ্ডলকে টিকিয়ে রাখতে অপরিহার্য।
অক্সিজেনভরা বায়ুমণ্ডল আসলে জীবনেরই সৃষ্টি
আজকের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে যে বিপুল পরিমাণ মুক্ত অক্সিজেন রয়েছে, তা আদিকাল থেকেই ছিল না। প্রাচীন পৃথিবীতে অক্সিজেন ছিল খুবই কম। পরে আলোকসংশ্লেষী জীব, বিশেষত সায়ানোব্যাকটেরিয়া, দীর্ঘ সময় ধরে অক্সিজেন উৎপাদন করতে করতে বায়ুমণ্ডলকে বদলে দেয়। অর্থাৎ পৃথিবীতে জীবন শুধু বায়ুমণ্ডলের ওপর নির্ভর করেনি, বরং বায়ুমণ্ডলকেও গঠন করেছে। অক্সিজেনের এই উত্থানই জটিল প্রাণীর বিকাশের পথ খুলে দেয়।
পৃথিবীর জলচক্র: এক অবিরাম পুনর্জন্ম
পৃথিবীর জীবনধারণে জলচক্রের ভূমিকা মৌলিক। সূর্যের তাপে মহাসাগরের পানি বাষ্পীভূত হয়, বায়ুমণ্ডলে উঠে মেঘ তৈরি করে, পরে বৃষ্টি বা তুষার হয়ে স্থলে পড়ে। এই পানি নদী হয়ে আবার সাগরে ফিরে যায়, কিছু অংশ মাটির নিচে সঞ্চিত হয়, কিছু অংশ উদ্ভিদ ব্যবহার করে এবং কিছু আবার বাষ্প হয়ে আকাশে ওঠে। এই অবিরাম চক্র শুধু পানির পুনর্বণ্টনই করে না, বরং আবহাওয়া, মাটি গঠন, শিলার ক্ষয়, নদীর গতিপথ এবং কৃষির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
পৃথিবীর ভেতরে আছে স্তরবিন্যাসিত এক জগৎ
পৃথিবী বাইরে থেকে দৃঢ় গোলক মনে হলেও এর অভ্যন্তরীণ গঠন বহুস্তরবিশিষ্ট। সবচেয়ে বাইরে আছে ভূত্বক, এর নিচে ম্যান্টল, আর কেন্দ্রে কোর। মহাদেশীয় ভূত্বক তুলনামূলক পুরু এবং মূলত গ্রানাইটজাত শিলায় গঠিত, আর মহাসাগরীয় ভূত্বক পাতলা ও প্রধানত ব্যাসল্টিক।
ম্যান্টল পৃথিবীর আয়তনের সবচেয়ে বড় অংশ দখল করে আছে। এটি কঠিন হলেও ভূতাত্ত্বিক দীর্ঘসময়ে ধীরে ধীরে প্রবাহমান পদার্থের মতো আচরণ করে। আরও গভীরে রয়েছে কোর, যার বাইরের অংশ তরল ধাতব এবং ভেতরের অংশ কঠিন। পৃথিবীর মোট লোহার বড় অংশ এই কোরে কেন্দ্রীভূত।
পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র: অদৃশ্য রক্ষাকবচ
পৃথিবীর তরল বাইরের কোরে বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতুর গতিশীলতা থেকে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়। এই ক্ষেত্র মহাশূন্যে একটি বিশাল ম্যাগনেটোস্ফিয়ার সৃষ্টি করে, যা সূর্য থেকে আসা চার্জিত কণার বড় অংশকে প্রতিরোধ করে। যদি এই চৌম্বক ক্ষেত্র না থাকত, তবে সৌরবায়ু ধীরে ধীরে বায়ুমণ্ডলকে ক্ষয় করে দিতে পারত, যেমনটা সম্ভবত মঙ্গলে ঘটেছে।
এই চৌম্বক ক্ষেত্রই ভ্যান অ্যালেন রেডিয়েশন বেল্ট তৈরি করেছে এবং মেরু অঞ্চলে মেরুপ্রভার মতো চমৎকার দৃশ্যের জন্ম দেয়। যদিও এই ক্ষেত্র স্থির নয়; পৃথিবীর ইতিহাসে বহুবার এর মেরুতা বদলেছে। অর্থাৎ উত্তর চৌম্বক মেরু দক্ষিণে, আর দক্ষিণ উত্তর দিকে সরে গেছে। এই উল্টোপাল্টা পরিবর্তন এখনো ভূ-চৌম্বক গবেষণার বড় বিষয়।
প্লেট টেকটোনিক্স: পৃথিবীর জীবন্ত ভূতত্ত্ব
পৃথিবীর সবচেয়ে অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হলো এর প্লেট টেকটোনিক্স। পৃথিবীর বহিরাবরণ একটানা নয়; এটি বড় বড় কঠিন প্লেটে বিভক্ত। এই প্লেটগুলো ধীরে ধীরে সরে যায়, কোথাও একে অন্যের থেকে দূরে সরে নতুন ভূত্বক তৈরি করে, কোথাও মুখোমুখি ধাক্কা খেয়ে পর্বতমালা তোলে, আবার কোথাও পাশাপাশি সরে গিয়ে ভূমিকম্প সৃষ্টি করে।
এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সমুদ্রতল তৈরি ও ধ্বংস হয়, মহাদেশ সরে যায়, আগ্নেয়গিরি জন্ম নেয়, ভূমিকম্প হয় এবং দীর্ঘ সময়ে পৃথিবীর চেহারা বদলে যায়। হিমালয়, আন্দিজ, আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যমহাসাগরীয় রিজ, প্রশান্ত মহাসাগরের অগ্নিবলয় সবই এই প্লেট গতির ফল।
কেন শুধু পৃথিবীতেই পূর্ণাঙ্গ প্লেট টেকটোনিক্স
সৌরজগতের শিলা গ্রহগুলোর মধ্যে পৃথিবীতেই দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যাপক প্লেট টেকটোনিক্স সবচেয়ে সক্রিয়। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এর পেছনে পৃথিবীর আকার, অভ্যন্তরীণ তাপ, এবং বিশেষ করে পানির উপস্থিতি বড় ভূমিকা রেখেছে। পানি শিলাকে তুলনামূলক নরম করে এবং ভূত্বককে সাবডাকশনে সহায়তা করে। শুক্রের মতো গ্রহে পানি হারিয়ে যাওয়ায় সেই ধরনের সক্রিয় প্লেট প্রক্রিয়া গড়ে ওঠেনি।
পৃথিবীর জন্ম: তারকা ধূলি থেকে প্রাণের গ্রহ
পৃথিবীর জন্ম হয়েছিল প্রায় ৪.৫৬ বিলিয়ন বছর আগে, যখন সৌরজগত গঠনের সময় সূর্যকে ঘিরে থাকা গ্যাস-ধূলির চাকতি থেকে ধীরে ধীরে কঠিন পদার্থ জমাট বেঁধে বড় হতে থাকে। ছোট কণা থেকে বড় পাথুরে টুকরা, সেখান থেকে গ্রহাণু-আকারের বস্তু, এবং শেষে সংঘর্ষ ও সংযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীর মতো গ্রহ তৈরি হয়।
শুরুর পৃথিবী ছিল অনেক বেশি উত্তপ্ত। গ্রহ গঠনের সময় সংঘর্ষ, রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয় এবং ভেতরের ধাতব পদার্থ নিচে ডুবে গিয়ে কোর গঠন করার ফলে বিপুল তাপ উৎপন্ন হয়। ধারণা করা হয়, পৃথিবীর ইতিহাসের একেবারে শুরুর দিকে মঙ্গলের আকারের একটি বস্তু পৃথিবীতে আঘাত করে, আর সেই সংঘর্ষের ধ্বংসাবশেষ থেকেই চাঁদের জন্ম হয়।
পৃথিবী ও চাঁদের সম্পর্ক
চাঁদ শুধু রাতের সৌন্দর্য নয়; পৃথিবীর ইতিহাসে তার ভূমিকা অসাধারণ। চাঁদের মহাকর্ষ সমুদ্রজোয়ার-ভাটা সৃষ্টি করে, পৃথিবীর ঘূর্ণন ধীরে ধীরে কমায়, আর অক্ষের স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখে। পৃথিবীর ঘূর্ণন আজ ২৪ ঘণ্টার কাছাকাছি হলেও প্রাচীন পৃথিবীতে দিন আরও ছোট ছিল। জোয়ার-ভাটার প্রভাবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দিন দীর্ঘ হয়েছে, আর চাঁদ ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
প্রাচীন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল, পানি ও ভূত্বকের উত্থান
প্রথম দিকে পৃথিবীতে এখনকার মতো বায়ুমণ্ডল ছিল না। আগ্নেয়গিরির গ্যাস নির্গমন এবং অভ্যন্তরীণ পদার্থের বহিঃপ্রবাহের মাধ্যমে প্রাথমিক বায়ুমণ্ডল তৈরি হয়। পানিও খুব প্রাচীনকালেই পৃথিবীতে উপস্থিত ছিল বলে ধারণা পাওয়া যায়। ৪.৩ বিলিয়ন বছরেরও আগে তরল পানির উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে কিছু প্রাচীন জিরকন কণার বিশ্লেষণ থেকে। এর মানে, পৃথিবীর পৃষ্ঠ খুব দ্রুত ঠান্ডা হয়ে পানি ধারণের সক্ষমতা অর্জন করেছিল।
পৃথিবী কেন এখনো বাসযোগ্য
পৃথিবীর বাসযোগ্যতার পেছনে একক কোনো কারণ নেই; বরং বহু প্রক্রিয়ার সূক্ষ্ম ভারসাম্য কাজ করছে। সঠিক দূরত্ব, তরল পানি, কার্বনচক্র, প্লেট টেকটোনিক্স, উপযুক্ত বায়ুমণ্ডল, চৌম্বক ক্ষেত্র, মাঝারি মহাকর্ষ, এবং জীবমণ্ডলের নিজস্ব প্রতিক্রিয়া মিলেই এই বাসযোগ্যতা বজায় রেখেছে। একদিকে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি গ্রিনহাউস প্রভাব তৈরি করে তাপ ধরে রাখে, অন্যদিকে সমুদ্র, শিলা, জীব ও বায়ুমণ্ডল একসঙ্গে কাজ করে জলবায়ুকে সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রিত হতে দেয় না।
পৃথিবীর জলবায়ু স্থির নয়
যদিও পৃথিবী জীবনোপযোগী, এর জলবায়ু কখনোই পুরোপুরি স্থির ছিল না। অতীতে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, গ্রহাণুর আঘাত, কক্ষপথের পরিবর্তন, অক্ষের দোলন, বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাসের ওঠানামা—সব মিলিয়ে কখনো বরফযুগ, কখনো উষ্ণ যুগ এসেছে। বর্তমানে মানুষের কর্মকাণ্ড, বিশেষত জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো ও বনধ্বংসের কারণে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, আবহাওয়ার চরমতা এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর চাপ বাড়ছে।
পৃথিবীর ভবিষ্যৎও চিরস্থায়ী নয়
পৃথিবী আজ বাসযোগ্য হলেও এটি চিরকাল এমন থাকবে না। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, দূর ভবিষ্যতে সূর্যের উজ্জ্বলতা বাড়তে থাকলে পৃথিবীর জলবায়ু আরও উষ্ণ হতে পারে। কোটি কোটি বছরের স্কেলে এই পরিবর্তন এতটাই গভীর হতে পারে যে তরল পানি টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাবে। অর্থাৎ পৃথিবীর বর্তমান বাসযোগ্য অবস্থা মহাজাগতিক সময়ের হিসাবে এক বিশেষ জানালা, যা চিরন্তন নয়।
কেন পৃথিবী অধ্যয়ন এত গুরুত্বপূর্ণ
পৃথিবীকে বোঝা মানে শুধু নিজের গ্রহকে জানা নয়; বরং পুরো গ্রহবিজ্ঞান, জলবায়ুবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও মহাজাগতিক বিবর্তনকে বোঝা। পৃথিবীর গঠন, বায়ুমণ্ডল, চৌম্বক ক্ষেত্র, পানি, জীবমণ্ডল ও প্লেট টেকটোনিক্স আমাদের দেখায় কীভাবে একটি গ্রহ গতিশীল, বিবর্তনশীল এবং প্রাণবান হতে পারে। একই সঙ্গে এটি আমাদের সতর্কও করে যে, এই সূক্ষ্ম ভারসাম্য নষ্ট হলে পরিবেশ কত দ্রুত বিপজ্জনক দিকে যেতে পারে।
সব মিলিয়ে, পৃথিবী শুধু আমাদের বাসস্থান নয়; এটি মহাবিশ্বে জটিলতা, বিবর্তন এবং জীবনের এক বিরল উদাহরণ। এর ভেতরে আছে উত্তপ্ত ধাতব কেন্দ্র, ওপরের দিকে আছে চলমান শিলাস্তর, চারপাশে আছে সুরক্ষাকারী বায়ুমণ্ডল, আর পৃষ্ঠে আছে পানি, বন, মরুভূমি, বরফ, পর্বত ও জীবনের অসংখ্য রূপ। এই সবকিছুর মিলিত রূপই পৃথিবীকে করেছে আমাদের জানা মহাবিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান গ্রহ।
সূত্র: ব্রিটানিকা
সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহের রহস্য উন্মোচনে বড় মাইলফলকের সামনে বিজ্ঞানীরা
সৌরজগতের সবচেয়ে কম অন্বেষণ করা এবং সূর্যের সবচেয়ে নিকটবর্তী গ্রহ বুধের রহস্য উন্মোচনে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে শুরু করেছে বহুল প্রতীক্ষিত যৌথ মহাকাশ মিশন ‘বেপিকোলম্বো’। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ) এবং জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির (জেএএক্সএ) এই উচ্চাভিলাষী মিশনটি ২০১৮ সালের অক্টোবরে ফ্রেঞ্চ গায়ানার স্পেসপোর্ট থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। প্রখ্যাত ইতালীয় গণিতবিদ ও প্রকৌশলী জিউসেপ ‘বেপি’ কলম্বোর নামানুসারে পরিচালিত যানটি দীর্ঘ আট বছরের মহাজাগতিক যাত্রায় প্রায় ৬০০ কোটিরও বেশি মাইল পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে বুধের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
সরাসরি যাত্রাপথ বেছে নিলে যানটি অনেক আগেই বুধের নাগাল পেত, তবে তীব্র গতি নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জই যাত্রাকাল দীর্ঘায়িত করেছে। যানটিকে বুধের কক্ষপথে নিখুঁতভাবে থিতু করার স্বার্থে বুধ গ্রহের গতির সঙ্গে যানের গতিকে সুনির্দিষ্টভাবে সমন্বয় করতে হয়েছে, যা মহাকাশবিজ্ঞানের অন্যতম জটিল কারিগরি প্রক্রিয়া। এছাড়া সূর্যের তীব্র সান্নিধ্যে অবস্থান করায় বুধের দিনের বেলার তাপমাত্রা প্রায় ৪৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। চরম উত্তপ্ত ও প্রতিকূল এই পরিস্থিতি সামাল দিয়েই যানটিকে টিকে থাকতে হচ্ছে।
অভিযানটির অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ ও রোমাঞ্চকর ধাপটি বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। এদিন মূল যানটি থেকে আলাদা হয়ে যাবে এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ ‘ট্রান্সফার মডিউল’। এরপর আগামী ২১ নভেম্বর ইএসএ-এর ‘এমপিও’ এবং জাপানের ‘এমআইও’ নামের পৃথক দুটি অরবিটার বুধের নিজস্ব মহাকর্ষীয় বলের টানে গ্রহটির কক্ষপথে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রবেশ করবে।
পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আগামী এপ্রিল নাগাদ অরবিটার দুটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহের মূল অভিযান শুরু করবে। ক্ষুদ্র আকৃতির হওয়া সত্ত্বেও বুধ কেন অস্বাভাবিক মাত্রায় ঘন, এর ভূতাত্ত্বিক গঠন কেমন এবং গ্রহটির উপরিভাগের রহস্যময় গহ্বর বা ‘হলোজ’ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে—বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো এসব জটিল মহাজাগতিক প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর খোঁজার চেষ্টা করবেন।
/আশিক
প্রযুক্তিপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বড় চমক আনতে পারে অ্যাপল
চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই নিজেদের বহুল প্রতীক্ষিত ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস ‘আইফোন ১৮ প্রো’ ও ‘আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স’ উন্মোচন করতে পারে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। নতুন এই দুই মডেলে ক্যামেরা প্রযুক্তি, প্রসেসর, ব্যাটারি সক্ষমতা এবং সামগ্রিক পারফরম্যান্সে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই বিভিন্ন প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যমে ফোন দুটির সম্ভাব্য দাম, নতুন রং ও স্পেসিফিকেশন নিয়ে নানা তথ্য ফাঁস হয়েছে।
এনডিটিভির বুধবারের (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাপল পার্কের স্টিভ জবস থিয়েটারে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে নতুন প্রজন্মের এই প্রো সিরিজ উন্মোচন করা হতে পারে, যা অনুষ্ঠানের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে। বিশেষ করে ব্যবহারকারীদের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাকআপের সুবিধা দিতে প্রো ম্যাক্স সংস্করণে আরও বড় ব্যাটারি এবং সাশ্রয়ী চিপ ব্যবহারের ইঙ্গিত মিলেছে, যদিও অ্যাপল এখনও ব্যাটারির আনুষ্ঠানিক সক্ষমতা প্রকাশ করেনি।
ক্যামেরা প্রযুক্তিতে বড় ধরনের আধুনিকায়নের ইঙ্গিত মিলেছে টম’স গাইডের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে, আইফোন ১৮ প্রো মডেলে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপের তিনটি সেন্সরই—মেইন, আল্ট্রা-ওয়াইড ও টেলিফটো—৪৮ মেগাপিক্সেলের হতে পারে। এর পাশাপাশি লেন্স দিয়ে আলো প্রবেশের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য ভ্যারিয়েবল-অ্যাপারচার ক্যামেরা ব্যবস্থা যুক্ত করার জোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা স্বল্প আলোসহ বিভিন্ন পরিবেশে ছবি তোলার নিয়ন্ত্রণ গ্রাহকের হাতে আরও স্পষ্টভাবে তুলে দেবে। তবে বেশ কিছু অতি-উন্নত ক্যামেরা ফিচার কেবলমাত্র শীর্ষ সংস্করণ ‘আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স’-এর জন্য সংরক্ষিত রাখা হতে পারে।
প্রসেসরের ক্ষেত্রে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজে অ্যাপলের নতুন প্রজন্মের ‘এ২০ প্রো’ চিপ ব্যবহারের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। প্রযুক্তিবিষয়ক পোর্টাল ম্যাকরিউমার্সের তথ্যমতে, এই চিপটি অত্যাধুনিক ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হতে পারে, যা প্রসেসিং সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুতের অপচয় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে। ফলে ফোনের সার্বিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যাটারির স্থায়িত্বেও বড় উন্নতি দেখা যাবে। এছাড়া ম্যাকওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নতুন মডেল দুটি ডার্ক চেরি, লাইট ব্লু, ডার্ক গ্রে এবং সিলভার—এই চারটি সম্ভাব্য রঙে বাজারে আনা হতে পারে।
মূল্যের বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে প্রযুক্তি পোর্টাল স্মার্টপ্রিক্স ও বিবম গ্যাজেটস জানিয়েছে, ভারতের বাজারে আইফোন ১৮ প্রো-এর প্রারম্ভিক দাম আনুমানিক ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯০০ রুপি হতে পারে। এদিকে ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ডিভাইস দুটির আনুষ্ঠানিক বিক্রি শুরু হওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। তবে মূল্য, রং, ব্যাটারি কিংবা বাজারে ছাড়ার সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ নিয়ে অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি, ফলে বিস্তারিত জানার জন্য প্রযুক্তিপ্রেমীদের চোখ রাখতে হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের অফিশিয়াল ইভেন্টে।
/আশিক
সেবা শেষে এবার বকশিশও দাবি করছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি
রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশন, কফি তৈরি কিংবা ককটেল বানানোর মতো সেবামূলক কাজে রোবটের ব্যবহার এখন আর নতুন কোনো দৃশ্য নয়। তবে কাজের পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় এসব যন্ত্র এখন গ্রাহকের কাছে ‘টিপস’ বা বকশিশও দাবি করছে। যন্ত্রের এমন আর্থিক দাবি নতুন এক নৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে—রোবটকে দেওয়া সেই অর্থ শেষ পর্যন্ত কার পকেটে যাচ্ছে? বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি এই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
লাস ভেগাসের একটি স্বয়ংক্রিয় বারে রোবটের তৈরি ১৭ ডলারের ককটেলের সঙ্গে বাধ্যতামূলক ১০ শতাংশ ‘সার্ভিস ফি’ যুক্ত করা হচ্ছে, নিউইয়র্কের রোবট কফি শপে ডিজিটাল টিপ দেওয়ার অপশন রাখা হয়েছে এবং এমনকি নিউয়ার্ক লিবার্টি বিমানবন্দরের সম্পূর্ণ কর্মীহীন কিয়স্কেও পানীয় কেনার সময় টিপস দেওয়ার প্রস্তাব ভেসে উঠছে স্ক্রিনে।
সাধারণত কোনো মানবকর্মীর ভালো সেবায় সন্তুষ্ট হয়ে বা তাঁর বাড়তি আয়ের সুবিধার্থে মানুষ স্বেচ্ছায় বকশিশ দিয়ে থাকে। তবে রোবটের ক্ষেত্রে সেই টাকা কার হাতে পৌঁছাচ্ছে, তা নিয়ে রয়েছে চরম অস্বচ্ছতা। বিশ্লেষকদের মতে, রোবটের জন্য নেওয়া টিপসের বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি হয়নি।
ফলে গ্রাহকের দেওয়া এই অর্থ কোথাও প্রতিষ্ঠানের সাধারণ মানবকর্মীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হলেও, অনেক ক্ষেত্রে তা সরাসরি প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত মুনাফা হিসেবে জমা হচ্ছে। লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হলোনা ওকস উল্লেখ করেছেন, কিছু অসাধু প্রতিষ্ঠান রোবটকে সামনে রেখে গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া টিপস নিজেদের তহবিলে রেখে দেওয়ার সুযোগ নিচ্ছে, যদিও বিষয়টি প্রমাণের পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করা কঠিন। তবে অনেক প্রতিষ্ঠান এই অর্থ মানবকর্মীদের মাঝে বণ্টন করার কথা জানিয়েছে এবং গ্রাহকদের অসন্তোষের মুখে কেউ কেউ রোবট থেকে টিপসের অপশন পুরোপুরি সরিয়েও নিয়েছে।
সেবা খাতে রোবটের ব্যবহারকারীরা যুক্তি দেখাচ্ছেন যে, কর্মীসংকটের সময়ে প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে কর্মক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে, যার ফলে মানবকর্মীরা টেবিল সার্ভিস বা অন্যান্য জটিল কাজে বেশি মনোযোগ দিতে পারছেন। তবে সমালোচকদের দাবি, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির আড়ালে একদিকে যেমন কর্মীদের বিকল্প হিসেবে যন্ত্র বসিয়ে কর্মসংস্থান কমানো হচ্ছে, অন্যদিকে কম মজুরির চাপ তৈরি হচ্ছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ১১ শতাংশ মানুষ রোবট বারটেন্ডারকে টিপ দিতে আগ্রহী, তবে সেই অর্থ কোনো মানবকর্মীর কাছে যাবে—এমন নিশ্চয়তা পেলে প্রায় ৪২ শতাংশ গ্রাহক টিপস দিতে রাজি হন।
সামাজিক দায়বদ্ধতা, সেবার স্বীকৃতি কিংবা সহানুভূতি—যেসব মনস্তাত্ত্বিক কারণে মানুষ সচরাচর বকশিশ দেয়, যন্ত্রের ক্ষেত্রে তার কোনোটিই পুরোপুরি খাটে না। প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সাথে সাথে সেবা খাতে এমন স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা হয়তো আরও বাড়বে, তবে স্ক্রিনে ভেসে ওঠা টিপসের বিকল্পটি দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকবে কি না, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়ার ওপর। ফলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, রোবট অর্থ চাইলেও মূল বিতর্কটি থেকেই যাচ্ছে—এই বাড়তি অর্থের সুফল কার কাছে পৌঁছাচ্ছে, যন্ত্রের পেছনে থাকা কর্মীদের কাছে, নাকি প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের কাছে?
/আশিক
বহু প্রতীক্ষিত উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হচ্ছে অ্যাপল, রয়েছে বড় চমক
আসন্ন ৯ সেপ্টেম্বর নতুন প্রজন্মের আইফোনসহ একাধিক অত্যাধুনিক প্রযুক্তিপণ্য উন্মোচনের লক্ষ্যে বিশেষ এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোতে অবস্থিত প্রধান কার্যালয় ‘অ্যাপল পার্ক’-এ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বিশেষ আয়োজনের মূল ভাব বা ট্যাগলাইন নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’।
প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক ইতিহাসে এবারের আয়োজনটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করছে নেতৃত্বের পরিবর্তনের কারণে। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময়, অর্থাৎ ২০১১ সাল থেকে সফলভাবে অ্যাপলকে নেতৃত্ব দিয়ে আসা টিম কুকের স্থলাভিষিক্ত হয়ে আগামী ১ সেপ্টেম্বর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন জন টার্নাস। ফলে তাঁর নেতৃত্বে প্রধান হিসেবে অ্যাপলের নতুন কোনো প্রযুক্তিপণ্য উন্মোচনের এটিই হবে সর্বপ্রথম বৈশ্বিক মঞ্চ।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী, এবারের আয়োজনে মূলত আইফোন ১৮ প্রো এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স মডেল দুটি আত্মপ্রকাশ করতে পারে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, নতুন এই দুটি সংস্করণে বড় কোনো আকস্মিক পরিবর্তন না এনে পূর্ববর্তী ফিচারের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের ওপরই জোর দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য নির্ধারিত আইফোন ১৮ মডেলটি এবার নাও দেখা যেতে পারে; বরং আগামী বছরের কোনো এক সময়ে তা বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
এবারের অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় চমক ও আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে বহুল আলোচিত ফোল্ডেবল আইফোন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান স্যামসাংসহ অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ভাঁজযোগ্য বা ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে, যেখানে অ্যাপল এখনো পর্যন্ত প্রথাগত কাঠামোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে অ্যাপল যদি সত্যিই ভাঁজযোগ্য ফোনের ঘোষণা দেয়, তবে তা হবে প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য এক বিশাল বিস্ময়।
স্মার্টফোনের পাশাপাশি আয়োজনে অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১২ এবং নতুন সংস্করণের অ্যাপল ওয়াচ আল্ট্রা প্রদর্শনের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে স্মার্ট-হোম প্রযুক্তির আওতায় কয়েকটি নতুন গৃহস্থালি গ্যাজেটও উন্মোচিত হতে পারে। এছাড়া আইওএস ২৭, আইপ্যাডওএস ২৭ এবং ম্যাকওএস গোল্ডেন গেট-এর মতো পরবর্তী প্রজন্মের সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমগুলো ব্যবহারকারীদের জন্য কবে উন্মুক্ত করা হবে, সেই আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণও একই মঞ্চ থেকে জানানো হতে পারে। নতুন শীর্ষ নেতৃত্ব, ভাঁজযোগ্য প্রযুক্তি এবং পরবর্তী প্রজন্মের অপারেটিং সিস্টেমের যুগপৎ মেলবন্ধনে ৯ সেপ্টেম্বরের এই ইভেন্টটি অ্যাপলের ইতিহাসে নতুন এক দিগন্তের সূচনা করতে যাচ্ছে।
/আশিক
১০০ মিটারের স্প্রিন্টে অভাবনীয় কীর্তি: রোবটের দৌড়ে বিশ্ব তোলপাড়
মানুষের শারীরিক গতির সক্ষমতাকে রোবট ছাড়িয়ে যেতে পারে কি না, সেই বিতর্ক নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে চীনের তৈরি মানবসদৃশ রোবট ‘তিয়ানগং আল্ট্রা’। বেইজিংয়ে চলমান ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যানয়েড রোবট গেমস’-এর লার্জ-সাইজ ক্যাটাগরির সেমিফাইনালে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে মাত্র ৮.৮৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে বিস্ময়কর এক নতুন রেকর্ড গড়েছে এটি।
এর মাধ্যমে উদ্বোধনী দিনে নিজের গড়া ৯.৩৯ সেকেন্ডের রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি রোবটটি কিংবদন্তি স্প্রিন্টার উসাইন বোল্টের ২০০৯ সালের মানব বিশ্বরেকর্ড ৯.৫৮ সেকেন্ডকেও ০.৭২ সেকেন্ডের ব্যবধানে পেছনে ফেলেছে।
বেইজিং হিউম্যানয়েড রোবট ইনোভেশন সেন্টারের উদ্ভাবিত তিয়ানগং আল্ট্রার এমন গতি আসরটির প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ৬৬৬টি দলের দুই সহস্রাধিক রোবট ফুটবল, নৃত্য এবং শিল্প কারখানার কাজসহ মোট ৫১টি ভিন্ন ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
তবে দ্রুততম মানবকে ছাড়িয়ে যাওয়ার এই ঐতিহাসিক দৌড় শেষেই ঘটে এক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। ফিনিশ লাইন অতিক্রমের পর অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে রোবটটি সামনে থাকা একটি পুরু ম্যাটে সজোরে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে এবং এর ভেতরের অংশে আগুন ধরে যায়। এমনকি অন্য একটি সেমিফাইনাল হিটে অংশ নেওয়া আরেকটি রোবট দৌড়ের মাঝপথেই ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এর আগে আসরের উদ্বোধনী দিনেও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দৌড় উপহার দেয় তিয়ানগং। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তের গতিতে স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অনারের রোবট ‘লাইটনিং’কে পরাস্ত করে এটি। ওই হিটে লাইটনিং ৯.৪৭ সেকেন্ড সময় নেয়, যা বোল্টের বিশ্বরেকর্ডের চেয়েও কম; যদিও এর আগের একটি ট্রায়ালে লাইটনিংয়ের টাইমিং ছিল ৯.৩২ সেকেন্ড।
তিয়ানগংয়ের উন্নতির গ্রাফটি অত্যন্ত লক্ষণীয়, কারণ গত বছর প্রথম আসরে একই ইভেন্টে এটি সময় নিয়েছিল ২১.৫০ সেকেন্ড এবং হিউম্যানয়েড হাফ-ম্যারাথনে ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সময় নিয়ে শীর্ষস্থান পেয়েছিল। এছাড়া ১০০ মিটারের বাইরে ৪০০ মিটারে ৩৮.১৫ সেকেন্ড, ১৫০০ মিটারে ২ মিনিট ২১.৬৪ সেকেন্ড এবং হাইজাম্পে ২.৮৮ মিটারের মতো মানুষের একাধিক বিশ্বরেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার দাবি রয়েছে এর ঝুলিতে।
চীনের কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশেষ বিনিয়োগ তহবিল, ক্লাউড জায়ান্ট বাইদু এবং শাওমির রোবটিক্স ইউনিটের যৌথ অংশীদারিত্বে এই উদ্ভাবনী কেন্দ্রটি পরিচালিত হচ্ছে। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মোটর এবং আধুনিক সেন্সর প্রযুক্তির সমন্বয়ে এমন হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি করে দেশের উৎপাদন, পণ্য পরিবহন ও সেবা খাতে কার্যকরভাবে যুক্ত করাই চীনের মূল লক্ষ্য। এই প্রযুক্তি খাতকে বেইজিং ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও কৌশলগত শিল্প হিসেবে মূল্যায়ন করছে।
তথ্য সূত্র : এনবিসি নিউজ।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের সীমা: যেসব বিষয়ে নির্ভরতা বিপজ্জনক
আধুনিক প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। পড়াশোনা, দাপ্তরিক কাজ, তথ্য অনুসন্ধান কিংবা নানা সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে এটি নিয়মিত সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। তবে দৈনন্দিন জীবনের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি এর অতিরিক্ত ব্যবহার নানা ধরনের ঝুঁকি ও জটিলতাও তৈরি করছে। বিশেষ করে কিছু অতি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এআইয়ের ওপর অন্ধ নির্ভরতা বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে। এমন অন্তত ১১টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, যেখানে এআই ব্যবহার থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা প্রয়োজন।
শারীরিক অসুস্থতা বা রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে কখনোই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরামর্শকে চিকিৎসকের বিকল্প হিসেবে নেওয়া উচিত নয়। বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গের ভিত্তিতে এআই হয়তো কিছু প্রাথমিক তথ্য দিতে পারে, তবে যথাযথ রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য সর্বদা পেশাদার চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি। একইভাবে মানসিক চাপ, হতাশা কিংবা মানসিক স্বাস্থ্যের গভীর কোনো সমস্যায় এআইয়ের ওপর নির্ভর করা মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে; এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশিক্ষিত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সরাসরি সহায়তা নেওয়া আবশ্যক।
অগ্নিকাণ্ড, সড়ক দুর্ঘটনা বা যেকোনো তাৎক্ষণিক জরুরি মুহূর্তে এআইয়ের কাছে সমাধান না খুঁজে স্থানীয় জরুরি উদ্ধারকারী সেবা ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নির্দেশনা মেনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়া বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ, ঋণ গ্রহণ, আয়কর পরিশোধ কিংবা ব্যক্তিগত আর্থিক ব্যবস্থাপনার মতো জটিল বিষয়ে এআইয়ের হিসাব বা মতামতকে চূড়ান্ত ধরা অনুচিত। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সনদপ্রাপ্ত অর্থনীতি বা অর্থ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যের সুরক্ষার স্বার্থে পাসওয়ার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, পরিচয়পত্র কিংবা অফিসের অতি গোপনীয় নথি কখনোই এআই প্ল্যাটফর্মে দেওয়া ঠিক নয়। পাশাপাশি যেকোনো প্রকার বেআইনি বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ছক আঁকা কিংবা বাস্তবায়নে এআইয়ের সহায়তা নেওয়া আইনত দণ্ডনীয়, কেননা প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হলেও আইন লঙ্ঘনের দায় থেকে রেহাই পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
শিক্ষা ক্ষেত্রে অ্যাসাইনমেন্ট বা পরীক্ষার খাতায় এআইয়ের মাধ্যমে প্রস্তুত করা উত্তর নিজের নামে জমা দেওয়া শিক্ষার্থীদের নিজস্ব মেধা বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে এবং এটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নীতিমালারও চরম লঙ্ঘন। অন্যদিকে চলমান তাৎক্ষণিক ঘটনা বা ব্রেকিং নিউজের ক্ষেত্রে এআইয়ের তথ্যের ওপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যাবে না; এ ধরনের সংবেদনশীল তথ্য মূলধারার নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম ও প্রকৃত উৎস থেকে যাচাই করে নেওয়া জরুরি।
অনেকেই জুয়ায় নিশ্চিত জয়ের উপায় জানতে এআইয়ের দ্বারস্থ হন, যা একেবারেই অর্থহীন এবং এর ওপর ভিত্তি করে বাজি ধরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এছাড়া উইল বা সম্পত্তির বণ্টননামা এবং চুক্তিপত্রের মতো সংবেদনশীল ও আইনগত গুরুত্বপূর্ণ নথি তৈরিতে এআইয়ের খসড়া সরাসরি ব্যবহার করা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এতে দেশের প্রচলিত আইনের জটিল ফাঁকফোকর থেকে যেতে পারে। সর্বশেষ ও অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয় হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্পষ্ট অনুমতি ছাড়া ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ডিপফেক কনটেন্ট তৈরি করা মারাত্মক আইনি অপরাধ ও অনৈতিক কাজ, যা বিশেষ করে পরিচিত মুখ বা তারকাদের ক্ষেত্রে আরও বেশি সংবেদনশীল।
সার্বিকভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিঃসন্দেহে একটি কার্যকরী ও শক্তিশালী সহায়ক মাধ্যম, কিন্তু এটি কখনোই অভিজ্ঞ চিকিৎসক, আইনজীবী, আর্থিক বিশ্লেষক বা মানুষের নিজস্ব বিচার-বিবেচনার বিকল্প হতে পারে না। তাই সংবেদনশীল প্রতিটি পদক্ষেপে তথ্য যাচাই করা এবং সংশ্লিষ্ট পেশাদারদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
/আশিক
ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন
ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশি চাকরিপ্রার্থীর সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছে ‘ম্যাডর্যাক্স’ নামে একটি হ্যাকার গোষ্ঠী। গোষ্ঠীটির দাবি, এসব সিভি দেশের চাকরির প্ল্যাটফর্ম বিডিজবসের ডেটাবেজ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে ব্যবহারকারীদের তথ্য তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে ফাঁস হয়েছে—এমন অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে বিডিজবস।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে ‘ডার্ক ফোরামস ডট আর ইউ’ নামের একটি ওয়েবসাইটে ৬০ লাখ চাকরিপ্রার্থীর সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে ‘ম্যাডর্যাক্স’ পরিচয়ধারী গোষ্ঠীটি। বিজ্ঞাপনে দাবি করা হয়, এসব তথ্য বিডিজবসের ডেটাবেজ থেকে নেওয়া হয়েছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে নাম, ফোন নম্বর, ঠিকানা, ই-মেইল, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা এবং প্রশিক্ষণসংক্রান্ত তথ্য রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
হ্যাকার গোষ্ঠীটির পোস্ট অনুযায়ী, এসব সিভির একটি কপির জন্য দাম চাওয়া হয়েছে এক হাজার মার্কিন ডলার। সর্বোচ্চ পাঁচজন ক্রেতার কাছে তথ্যগুলো বিক্রি করা হবে বলেও বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থ পরিশোধের মাধ্যম হিসেবে পেটিএম, ওয়াইজ, পেইউ এবং বাইন্যান্সের নাম দেওয়া হয়েছে।
নিজেদের দাবির পক্ষে ১৪৮টি সিভির নমুনাও প্রকাশ করেছে গোষ্ঠীটি। প্রকাশিত এসব সিভি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বেশির ভাগ নথিই পুরোনো। বিশেষ করে ২০১১ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে সর্বশেষ হালনাগাদ করা সিভির সংখ্যা বেশি।
প্রকাশিত ১৪৮টি সিভির মধ্যে দুজনের সঙ্গে সাংবাদিকরা কথা বলেছেন। তারা দুজনই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তাদের ভাষ্য, কয়েক বছর আগে তারা বিডিজবসে নিজেদের সিভি আপলোড করেছিলেন।
সম্ভাব্য এই তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা বলেন, একজন ব্যক্তির নাম, ফোন নম্বর, ই-মেইল, ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কর্মজীবনের তথ্য এক জায়গায় পাওয়া গেলে তার বিস্তারিত ডিজিটাল পরিচয় তৈরি করা সম্ভব।
তিনি বলেন, এসব তথ্য ব্যবহার করে পরবর্তী সময়ে ফিশিং, ভুয়া চাকরির প্রস্তাব, পরিচয় জালিয়াতি কিংবা আর্থিক প্রতারণার মতো বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ চালানো সম্ভব। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্যের এমন সম্ভাব্য ফাঁসকে উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছেন তিনি।
তবে চাকরিপ্রার্থীদের তথ্য বিডিজবসের ডেটাবেজ থেকে ফাঁস হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ফাহিম মাশরুর। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছে বিডিজবস। তথ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের প্রোফাইল কারা দেখতে পারবেন এবং কারা পারবেন না, সে বিষয়েও বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে।
ফাহিম মাশরুর জানান, বিডিজবসে নিবন্ধিত লক্ষাধিক নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের তথ্য দেখতে পারে। তবে এসব তথ্য কেবল নিজেদের নিয়োগপ্রক্রিয়ায় ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে তাদের।
তিনি আরও বলেন, কোনো নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান চাকরিপ্রার্থীদের তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করলে এবং বিষয়টি বিডিজবসের নজরে আনা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: প্রথম আলো
আকাশসীমা নজরদারিতে নতুন প্রযুক্তি: সক্ষমতা বৃদ্ধির তথ্য জানাল বিএনপি
অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত ‘গ্রাউন্ড মাস্টার ৪০০’ (Ground Master 403M) রাডার এবং নতুন এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে দেশের আকাশসীমা নজরদারিতে নতুন সক্ষমতা যুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি। রবিবার (২৩ আগস্ট) দলটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রকাশিত বার্তায় উল্লেখ করা হয়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থাপিত এই অত্যাধুনিক রাডার ব্যবস্থার ফলে ঢাকা-কেন্দ্রিক প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার এবং বঙ্গোপসাগরীয় আকাশসীমায় সর্বোচ্চ ৮৩৩ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়োজাহাজের অবস্থান রিয়েল-টাইমে অর্থাৎ তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, নতুন এই রাডার ও এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কার্যকর হওয়ার ফলে দেশের আকাশসীমা নজরদারি আগের চেয়ে অনেক বেশি নির্ভুল ও আধুনিক রূপ পাবে। একই সঙ্গে আকাশপথে উড়োজাহাজ চলাচল ব্যবস্থাপনা, সামগ্রিক আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ এবং বিমান চলাচলের সার্বিক নিরাপত্তা কাঠামো উল্লেখযোগ্য মাত্রায় জোরদার হবে।
উন্নত এই প্রযুক্তির সুবাদে আকাশসীমায় চলাচলকারী যেকোনো উড়োজাহাজের গতিবিধি ও অবস্থান মুহূর্তেই সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত ও ট্র্যাক করা সম্ভব হবে বলেও দলটির ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়েছে।
তবে নতুন রাডারটি ঠিক কবে থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করা হয়েছে এবং এই প্রকল্পের বিস্তারিত কারিগরি রূপরেখা সম্পর্কে বিএনপির ওই বার্তায় বিস্তারিত আর কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
/আশিক
ইউটিউব কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য আসছে বড় পরিবর্তন
ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য পাবলিক ভিউ গণনার নিয়মে একটি বড় পরিবর্তন আসছে। প্ল্যাটফর্মটিতে এখন থেকে কোনো ভিডিও চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা একটি ভিউ হিসেবে গণনা করা হবে। আগামী ২৪ আগস্ট থেকে ভিডিও ও সরাসরি সম্প্রচার বা লাইভ ভিডিওর ক্ষেত্রে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে বুধবার অফিশিয়াল ব্লগ পোস্টে নিশ্চিত করেছে ইউটিউব।
পূর্বে কোনো ভিডিওর ক্ষেত্রে ভিউ গণনার জন্য দর্শককে অন্তত ৩০ সেকেন্ড সেটি চালু রাখতে হতো। নতুন নিয়মে ভিডিওর প্রথম ফ্রেম চালু হওয়ামাত্রই ভিউ যুক্ত হবে। এর ফলে কনটেন্ট নির্মাতাদের প্রকাশিত ভিডিওতে সামগ্রিক ভিউ সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক দ্রুত বাড়লেও শুধু এই সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ভিডিওর প্রকৃত দর্শকপ্রিয়তা বা আকর্ষণ যাচাই করা কিছুটা কঠিন হতে পারে।
ইউটিউবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন ধরনের ভিডিওর জন্য ভিউ গণনার আলাদা পদ্ধতি থাকায় নির্মাতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছিল। দর্শকদের প্রতিক্রিয়ার সব ফরম্যাটকে একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায় এনে বিভ্রান্তি দূর করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত বছর শর্টস ভিডিওর ক্ষেত্রেও চালু হওয়ামাত্র ভিউ গণনার এই নিয়ম চালু করা হয়েছিল।
তবে ভিডিওর পুরনো পরিমাপ ব্যবস্থা একেবারে বাতিল করা হচ্ছে না। নির্মাতারা তাঁদের ইউটিউব অ্যানালিটিকসে ‘এনগেজড ভিউস’ অপশনের মাধ্যমে ভিডিও চালুর সংখ্যা এবং নির্দিষ্ট সময় ধরে দর্শকরা কতক্ষণ দেখেছেন—এ দুটি তথ্যই আলাদাভাবে দেখতে পাবেন।
নতুন এই নিয়মের কারণে নির্মাতাদের আয় কিংবা ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে যুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জনের নীতিমালায় কোনো প্রভাব পড়বে না। ইউটিউব স্পষ্ট করেছে যে পাবলিক ভিউ বেড়ে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে কনটেন্ট নির্মাতার আয়ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে। শর্টসের আয়ের জন্য ‘এনগেজড শর্টস ভিউস’ এবং সাধারণ ভিডিওর ক্ষেত্রে ‘এনগেজড ওয়াচ আওয়ার্স’ আগের মতোই মূল মানদণ্ড হিসেবে গণ্য হবে। উল্লেখ্য, প্ল্যাটফর্মটিতে বিজ্ঞাপন ও সাবস্ক্রিপশন থেকে আয়ের যোগ্যতা অর্জনে ওয়াচ আওয়ার ও শর্টস ভিউয়ের শর্ত ২০২৭ সাল থেকে আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ইউটিউব।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- র্যাব বিলুপ্তির পথে, সংসদে নতুন বিল উত্থাপন
- জামানত ছাড়া সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার আর্থিক প্যাকেজ চালু
- ‘জি এম তো নাই’: স্পিকারের রসিকতায় সংসদে হাসির রোল
- সাত মাসে নিখোঁজ ১৫ হাজার শিশু: পুলিশ সদরদপ্তর
- লন্ডনের ইলফোর্ডে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
- সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহের রহস্য উন্মোচনে বড় মাইলফলকের সামনে বিজ্ঞানীরা
- নতুন সামরিক হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ল ইরানে
- সৌদিতে সর্বোচ্চ রেড অ্যালার্ট জারি
- হতাশাজনক হারে এশিয়ান কাপ বাছাই থেকে বিদায় নিশ্চিত বাংলাদেশের
- টানা পতনের পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন
- ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় আর্থিক পরিবর্তনের ঘোষণা বিসিবি সভাপতির
- অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক মন্ত্রীর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
- বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চাপে বন্ধ হলো চার শতাধিক কারখানা
- দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত শীর্ষ নেতা
- প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড ও শীর্ষে নতুন দেশ, সংসদে তথ্য উপস্থাপন
- কুয়েতে ইরানের ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- সাবেক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের নজিরবিহীন পদক্ষেপ
- লঘুচাপের প্রভাব: দেশজুড়ে আবহাওয়ার নতুন বার্তা
- ক্রিকেটের নতুন বিশ্বমঞ্চের দায়িত্ব পেল ভারত
- ইরানের পাশে পুতিন: ‘ক্ষুধার্ত হাঙরদের’ দাঁতভাঙা জবাবের হুঁশিয়ারি
- ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: পার্থ
- লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
- তদন্ত শুরুর আগেই সত্যতা পাওয়ার দাবিতে মানহানি হয়েছে: আসিফ মাহমুদ
- ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন থেকেই মধ্যপ্রাচ্য সংকটের শুরু: শাহবাজ শরিফ
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক সংঘাতের ধাক্কা লাগল বিশ্ববাজারে
- লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান
- গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে: ডা. শফিকুর রহমান
- প্রযুক্তিপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বড় চমক আনতে পারে অ্যাপল
- দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ইতিহাস গড়ে অনন্য উচ্চতায় বাংলাদেশি ব্যাটার
- আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুতের দৃশ্যমান উন্নতি হবে: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
- বিশ্ববাজারের ধাক্কায় মূল্যবান ধাতুর দামে বড় পতন
- জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে বড় উদ্যোগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- এলপিজির দামে এলো নতুন সমন্বয়, কার্যকর আজ সন্ধ্যা থেকেই
- দক্ষিণ ইরানে বড় ধরনের সামরিক হামলায় ব্যাপক হতাহত
- আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের প্রাথমিক প্রমাণ দুদকের
- মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের আগ্রহ, ভারতের জন্য তৈরি হতে পারে অস্বস্তি
- বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে নতুন অনিশ্চয়তা, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
- ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রোখার সাধ্য শত্রুর নেই: স্পিকার গালিবাফ
- দেবিদ্বারে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
- বড় সংঘাতের আশঙ্কায় বেইজিংয়ের নজিরবিহীন পদক্ষেপ
- ব্যবসায়ী সংগঠনের আপত্তিতে কর নীতিতে পিছু হটলো এনবিআর
- আন্তর্জাতিক বাজারে রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামে পতন: রয়টার্স
- মেসিকে ছাড়া বিশ্বকাপ আগের মতো থাকবে না: জোসে মরিনিও
- মধ্যরাত পর্যন্ত ১১ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
- বিপিএলে দুর্নীতির থাবা, সাবেক পরিচালকসহ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ
- নবম পে-স্কেল অনুমোদনের আড়ালে দুঃসংবাদ: বাতিল হচ্ছে বিশেষ সুবিধা
- ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে বড় আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা সরকারের
- বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতা বাড়াবে আইপিইউ: শামা ওবায়েদ
- প্রধানমন্ত্রীর কাছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ বার্তা, দ্রুতই সরাসরি বৈঠকের আভাস
- বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দুই বছর লাগবে না, সচিবালয়ে উপদেষ্টার বার্তা
- এক সপ্তাহে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মামলার ঘটনায় বিজেপিসির তীব্র নিন্দা
- একীভূত ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য বড় ঘোষণা, অর্থ ফেরত শুরুর দিনক্ষণ চূড়ান্ত
- নবম পে-স্কেল অনুমোদনের আড়ালে দুঃসংবাদ: বাতিল হচ্ছে বিশেষ সুবিধা
- নেপালে বিপর্যয়: শত শত মৃত্যু, নিখোঁজ ১৪০০
- জ্বালানি সংকট বিগত ১৭ বছরের উত্তরাধিকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তিতুমীর
- আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে স্থানীয় জুয়েলারি খাতে বড় পরিবর্তন
- নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে শত শত শ্রমিক নিখোঁজ, ২৭৯ জন উদ্ধার
- দুদকের দুই মামলায় খালাস পেলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- ইরানে পারমাণবিক হামলার পথ বেছে নিতে পারেন ট্রাম্প: জো কেন্ট
- রাজবাড়ীতে পুলিশের সামনে নারী উদ্যোক্তাকে মারধর, ভিডিও ভাইরাল
- সামান্য ভুলেই বেহাত হতে পারে ফোনের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য
- দক্ষিণ ইরানে বড় ধরনের সামরিক হামলায় ব্যাপক হতাহত
- রাজধানীর ট্রাফিক ও পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ কঠোর সিদ্ধান্ত
- ছয় মাসে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, লোডশেডিং ও বেকারত্ব বাড়ছে: চরমোনাই পীর
- বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীদের চাহিদায় পরিবর্তন: ধাতুর বাজারে দরপতন








