কবে শেষ হবে লোডশেডিং? সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী!

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১০:১৯:০৮
কবে শেষ হবে লোডশেডিং? সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী!
ছবি : সংগৃহীত

তীব্র দাবদাহে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত, তখন পাল্লা দিয়ে বাড়া লোডশেডিং দেশের মানুষের দুর্ভোগকে চরমে নিয়ে গেছে। কৃষি থেকে শিল্প—সবখানেই স্থবিরতা নামছে। তবে এই দুঃসহ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে আর মাত্র কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে আশা দিচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক হয়ে গিয়েছিল, যা ২৬ এপ্রিল থেকে পুনরায় স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে আরও ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা জানিয়েছেন, ২৮ এপ্রিল নাগাদ মোট ১৩০০ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ পাওয়া গেলে সংকট অনেকটাই কেটে যাবে। এমনকি মে মাসের প্রথম সপ্তাহে বন্ধ থাকা আরএনপিএন ইউনিট চালু হলে সব মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

যদিও সরকারি আশ্বাসে স্বস্তির সুর, তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্ন কথা। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বিশ্ববাজারে তেলের দামের অস্থিরতা বজায় থাকলে লোডশেডিং পুরোপুরি দূর করা কঠিন হবে।

তিনি বলেন, তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো চালিয়ে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হলেও, বর্তমানে ৪০ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি বেড়ে ৬০ হাজার কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকতে পারে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এতো চড়া দামে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

/আশিক


১২ মাসের গড় হিসাবে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিম্নমুখী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৭ ২১:১৩:৫৭
১২ মাসের গড় হিসাবে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিম্নমুখী
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী সদ্য সমাপ্ত আগস্ট মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির পারদ কিছুটা নিম্নমুখী হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএসের হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, আগস্টে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি নেমে এসেছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে, যা আগের মাস জুলাইয়ে ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ।

মূলত নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারদর কিছুটা কমে আসার কারণেই গড় মূল্যস্ফীতির এই নিম্নগতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে খাদ্যপণ্যের দাম কমলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবা খাতের ব্যয়ের চাপ বিপরীতভাবে বেড়েছে। একই সময়ে মানুষের মজুরি বৃদ্ধির গতিও শ্লথ হয়ে পড়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত ভোক্তা মূল্যসূচক বা সিপিআই-এর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই সামগ্রিক অর্থনৈতিক চিত্র উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমার ক্ষেত্রে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে যাওয়াই মূল ভূমিকা পালন করেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যবৃদ্ধির অব্যাহত চাপ রয়েই গেছে। বার্ষিক ব্যবধানে গড় মূল্যস্ফীতি কমেছে মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট। চলতি আগস্টের ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে যে পণ্য বা সেবা কিনতে ১০০ টাকা লাগত, চলতি বছরের একই সময়ে সেই পণ্য বা সেবার জন্য গুনতে হয়েছে ১০৮ টাকা ২৬ পয়সা। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে নির্দিষ্ট পণ্য ক্রয়ে ভোক্তাদের বাড়তি ব্যয় হয়েছে ৮ টাকা ২৬ পয়সা।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ২ শতাংশে, যা জুলাই ও গত বছরের আগস্ট—উভয় সময়েই ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। ফলে মাসিক হিসাবে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ এবং বার্ষিক ব্যবধানে কমেছে শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশীয় পয়েন্ট। এর বিপরীতে খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবায় মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ। গত বছরের আগস্টে খাদ্যবহির্ভূত খাতে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ। অর্থাৎ মাসিক ব্যবধানে কিছুটা বাড়লেও এক বছরের ব্যবধানে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ৪২ শতাংশীয় পয়েন্ট।

গ্রাম ও শহর—উভয় অঞ্চলেই সার্বিক মূল্যস্ফীতিতে সামান্য পতনের ধারা দেখা গেছে। গ্রামীণ এলাকায় আগস্টে সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩১ শতাংশে, যা জুলাইয়ে ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং গত বছরের আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। গ্রামে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ, যা জুলাইয়ে ছিল ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ। তবে গ্রামে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ের ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ থেকে বেড়ে আগস্টে ঠেকেছে ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশে; গত বছরের আগস্টে যা ছিল ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ।

শহরাঞ্চলের চিত্রেও সাধারণ মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৮ দশমিক ২০ শতাংশে নেমেছে, যা জুলাই ও গত বছরের আগস্টে সমহারে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশে ছিল। শহরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ের ৭ দশমিক ২১ শতাংশ থেকে কমে আগস্টে হয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি উল্টো বেড়ে ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশে উঠেছে, যা জুলাই মাসে ছিল ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ।

বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যস্ফীতির সঙ্গে আয়ের সমন্বয় বজায় রাখতে পারছে না সাধারণ মানুষের মজুরি। আগস্টে জাতীয় পর্যায়ে মজুরি হার সূচকের পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট বৃদ্ধির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশে। এর আগের মাস জুলাইয়ে এ হার ছিল ৮ দশমিক ২২ শতাংশ এবং গত বছরের আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মজুরি বৃদ্ধির হার কমেছে শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশীয় পয়েন্ট।

খাতভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, আগস্টে কৃষি খাতে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ, যা জুলাইয়ে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। শিল্প খাতে মজুরি বৃদ্ধির হার জুলাইয়ের ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ থেকে নেমে আগস্টে হয়েছে ৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। আর সেবা খাতে মজুরি বৃদ্ধির হার জুলাইয়ের ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশে।

এর ফলে আগস্ট মাসে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ হলেও মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতির হারের তুলনায় সাধারণ মানুষের মজুরি বৃদ্ধির হার শূন্য দশমিক ২১ শতাংশীয় পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে। এই পার্থক্যের কারণে ভোক্তাদের প্রকৃত আয় ও সামগ্রিক ক্রয়ক্ষমতার ওপর বাড়তি আর্থিক চাপের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

তবে দীর্ঘমেয়াদি হিসাবে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা স্বস্তির প্রবণতা দেখা গেছে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব মতে, সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ১২ মাসের চলমান গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৬ শতাংশে। এর পূর্ববর্তী একই সময়ে, অর্থাৎ সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত এই চলমান গড় ছিল ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে বার্ষিক চলমান গড় মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেয়েছে শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশীয় পয়েন্ট।

/আশিক


যানজট কমাতে রাজধানীতে ফের কার্যকর হচ্ছে বিকল্প নৌপরিবহন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৭ ১৯:৪২:০৩
যানজট কমাতে রাজধানীতে ফের কার্যকর হচ্ছে বিকল্প নৌপরিবহন
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর তীব্র যানজট নিরসন ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী পরিবহন বাড়াতে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ঢাকার চারপাশে আবারও ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহণমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নৌমন্ত্রী জানান, ঢাকার চারপাশে বিগত ১০ বছর ধরে ওয়াটার বাস চলাচল করলেও অব্যবস্থাপনার কারণে এ সময়ে খাতটিতে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা—অর্থাৎ বার্ষিক গড়ে ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার মতো লোকসান হয়েছে। তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) পূর্বের ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যার অধীনে দ্রুতই নতুন করে ওয়াটার বাস নামানো হবে। এছাড়া মন্ত্রী জানান, দেশের মোট ৭ হাজার ৫০০ কিলোমিটার নৌপথের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটারে নিয়মিত ও সংরক্ষণমূলক ড্রেজিং চালিয়ে নাব্যতা সচল রাখা হচ্ছে।

ঢাকার নদীগুলোর দূষণ রোধে সরকারের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোতে রাসায়নিক, তরল ও কঠিন বর্জ্য ফেলার মোট ৪২৪টি দূষণস্থল চিহ্নিত করা হয়েছে। পাঁচটি প্রধান নদীকে দূষণমুক্ত করতে এবং নদীর তীর সংরক্ষণে ওয়াসা, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন, বিআইডব্লিউটিএ এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে। পাশাপাশি শিল্পবর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব বন্ধে পরিবেশ ও শিল্প মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।

/আশিক


দেশে শেখ হাসিনার নামে কত টাকার সম্পদ, জানা গেল হিসাব

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৭ ১৮:১৭:৩৯
দেশে শেখ হাসিনার নামে কত টাকার সম্পদ, জানা গেল হিসাব
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া চলছে। ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী এই সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে কীভাবে তা জুলাই শহীদ পরিবারগুলোর মধ্যে ক্ষতিপূরণ হিসেবে বণ্টন করা হবে, সে বিষয়ে আইনি কাঠামো চূড়ান্ত করতে কাজ করছে প্রসিকিউশন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তা কার্যকর হবে ‘রেট্রোস্পেকটিভ ইফেক্ট’ বা অতীত কার্যকর নীতিতে; ফলে পূর্বের দেওয়া রায়ের ভিত্তিতে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে কোনো আইনি জটিলতা তৈরি হবে না।

সম্পদ বাজেয়াপ্তের এই উদ্যোগের মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে শেখ হাসিনার ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ। ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্যমতে, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে তিনি নিজের নামে মোট প্রায় ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের হিসাব দাখিল করেছিলেন।

হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর নগদ ছিল প্রায় ২৮ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, সঞ্চয়পত্রে ২৫ লাখ টাকা এবং ৫৫ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর) ছিল। উপহার হিসেবে পাওয়া তিনটি ব্যক্তিগত মোটরগাড়ি ছাড়া তাঁর কাছে ১৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার সোনা ও মূল্যবান ধাতু এবং ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ছিল। স্থাবর সম্পদের মধ্যে গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গিপাড়া, গাজীপুর ও রংপুরে মোট ১৫ দশমিক ৩ বিঘা কৃষিজমি (মূল্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকা), ঢাকার পূর্বাচলে ৩৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকার প্লট এবং টুঙ্গিপাড়ায় তিনতলা ভবনসহ ৬ দশমিক ১০ শতক জমির অংশবিশেষ (অর্জনমূল্য ৫ লাখ টাকা) অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেন এবং দেশে থাকা তাঁর সমস্ত সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ প্রদান করেন।

/আশিক


যানজট কমাতে নৌপথে আসছে নতুন গণপরিবহন ব্যবস্থা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৭ ১৮:১০:২০
যানজট কমাতে নৌপথে আসছে নতুন গণপরিবহন ব্যবস্থা
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর তীব্র যানজট নিরসন ও নৌপথকে কার্যকর করতে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ঢাকার চারপাশে পুনরায় ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নৌমন্ত্রী জানান, ঢাকার চারপাশে বিগত এক দশক ধরে ওয়াটার বাস সেবা চালু থাকলেও তীব্র অব্যবস্থাপনার কারণে এই খাতে গত ১০ বছরে মোট ৫৭ কোটি টাকা—অর্থাৎ গড়ে প্রতি বছর প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। তবে বিআইডব্লিউটিএ ইতিমধ্যে পূর্বের ত্রুটি ও সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছে এবং নগরবাসীর অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ে নতুন করে ওয়াটার বাস নামানো হচ্ছে।

ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণ রোধে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার নদীগুলোর পরিবেশ ধ্বংসকারী কেমিক্যাল, তরল ও কঠিন বর্জ্যের ৪২৪টি সুনির্দিষ্ট স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। নদীগুলোকে পুরোপুরি দূষণমুক্ত রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ওয়াসা, সিটি করপোরেশন, বিআইডব্লিউটিএ এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে; পাশাপাশি শিল্পবর্জ্য যাতে সরাসরি নদীতে না পড়ে, সে বিষয়ে পরিবেশ ও শিল্প মন্ত্রণালয় কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

/আশিক


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আমরা আত্মবিশ্বাসী: ভারতীয় হাইকমিশনার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৭ ১৭:৫৯:০০
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আমরা আত্মবিশ্বাসী: ভারতীয় হাইকমিশনার
সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, সঠিক সময়েই এই সফরের সার্বিক আয়োজন সম্পন্ন হবে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ভারতীয় হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য ভারত সরকারের সফরের স্থায়ী আমন্ত্রণ রয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যকার সুসম্পর্ক ও সহযোগিতার ধারাবাহিকতা আগামীতেও অক্ষুণ্ণ থাকবে।

শীর্ষ নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দ্বিপক্ষীয় বিশ্বাস ও বাস্তব সহযোগিতার কাজ কখনোই থেমে থাকে না। শীর্ষ বৈঠক আজ না হলেও অদূর ভবিষ্যতে হবে, তবে কেবল বৈঠকের অপেক্ষায় না থেকে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক জোরদার এবং মাঠপর্যায়ের কাজ এগিয়ে নেওয়া জরুরি। পরিবেশগত বিষয়ে যৌথ উদ্যোগের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, বাতাস, নদী, জলবায়ু কিংবা বন্যপ্রাণীর কোনো সীমারেখা নেই; তাই সুন্দরবন সংরক্ষণ, কার্বন ক্রেডিট এবং হাতি চলাচলের করিডোর ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে দুই দেশের কর্মকর্তাদের পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি আনা আবশ্যক।

অন্যদিকে পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের জানান, যেকোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক সমীকরণের চেয়ে দুই দেশের জনগণের স্বার্থ, বাণিজ্যিক লেনদেন ও পরিবেশগত আন্তঃনির্ভরতা অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। তাই কোনো পক্ষের মাধ্যমেই দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পথ রুদ্ধ হবে না এবং কর্মকর্তা পর্যায়ে যৌথ উদ্যোগ ও আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

/আশিক


বিরোধী দলের ওয়াকআউটের পর বিরোধীদলীয় নেতাকে স্পিকারের ধন্যবাদ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৬ ২১:৪৮:৪৩
বিরোধী দলের ওয়াকআউটের পর বিরোধীদলীয় নেতাকে স্পিকারের ধন্যবাদ
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল সংসদে পাসের জন্য উত্থাপনের প্রতিবাদে সংসদ কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান মানবাধিকার কমিশন বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করলে কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী আপত্তি জানানোর সুযোগ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জানান, দুর্বল আইনের পাসের অংশীদার বিরোধী দল হবে না। এ কারণে তারা আলোচনায় অংশ না নিয়ে সরাসরি ওয়াকআউট করছেন। বিরোধীদলীয় নেতার এই বক্তব্যের পর সভাপতি হিসেবে স্পিকার তাঁকে ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই দুটি বিল অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছিল। এদিন আইনমন্ত্রীর পর গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের উত্থাপন করার কথা ছিল। তবে বিলের কাঠামো ও কার্যকারিতা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ বাতিল করার সময় সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে আইন দুটিকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর রূপে আনা হবে। কিন্তু বর্তমান বিলে আইনের স্পষ্ট দ্বৈত প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে এবং মানবাধিকার কমিশনকে পূর্ণাঙ্গ বা অভিন্ন কর্তৃত্ব দেওয়া হয়নি।

তিনি যুক্তি তুলে ধরেন, প্রস্তাবিত আইনে সাধারণ নাগরিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করলে কমিশন সরাসরি তদন্তের এখতিয়ার পেলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সদস্যরা রাষ্ট্রের কর্মচারী হলেও তারা এ দেশেরই নাগরিক; ফলে একই দেশে নাগরিকদের জন্য আইনের এমন দ্বৈত মানদণ্ড গ্রহণযোগ্য নয় বলে দাবি করে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ বর্জন করেন।

/আশিক


সন্তান ফ্ল্যাটে যাবে আর বাবা-মা বৃদ্ধাশ্রমে এটা মেনে নেওয়া যায় না: রুমিন ফারহানা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৬ ২১:১৭:৫৫
সন্তান ফ্ল্যাটে যাবে আর বাবা-মা বৃদ্ধাশ্রমে এটা মেনে নেওয়া যায় না: রুমিন ফারহানা
ছবি : সংগৃহীত

বৃদ্ধ পিতা-মাতার সম্পত্তি জোরপূর্বক লিখিয়ে নিয়ে তাঁদের বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেওয়ার মতো অমানবিক প্রবণতা রোধে জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ পাস করা হয়েছে। তবে বিলটি পাস হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিরোধীদলীয় নেতারা অভিযোগ তুলেছেন যে, এই আইনটি মুসলিম শরিয়াহ আইনের ‘হেবা’ বা নিঃশর্ত দান বিধির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা পবিত্র কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহারের নির্দেশনার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, সন্তানরা বাবা-মার ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করে সম্পত্তি লিখিয়ে নিয়ে তাঁদের ফ্ল্যাটের কোনো এক কোণে বা শেষ পর্যন্ত বৃদ্ধাশ্রমে ঠেলে দেয়—যা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। বিলটি সংসদে আনার জন্য আইনমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি তিনি বাস্তবসম্মত সুরক্ষার স্বার্থে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ ও সংশোধনীর প্রস্তাব তুলে ধরেন।

রুমিন ফারহানা প্রস্তাব করেন, পিতা-মাতার ভরণ-পোষণে অবহেলা করলে দানপত্র বাতিলের একতরফা অধিকার দাতা পিতা-মাতাকে দিতে হবে। একই সঙ্গে ‘পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩’-এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নির্যাতন বা অবহেলার শিকার হলে পারিবারিক আদালতে গিয়ে রেজিস্ট্রি দলিল বাতিলের আবেদন করার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এছাড়া পিতা-মাতার জীবদ্দশায় তাদের সম্মতি ছাড়া লিখিত সম্পত্তি ব্যাংকে মর্গেজ রেখে ঋণ নেওয়া বা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর নিষিদ্ধ করার দাবি জানান তিনি, যাতে ঋণের দায়ে বাবা-মাকে বাড়িছাড়া হতে না হয়। সবশেষে জেলা জজ আদালতের দীর্ঘসূত্রিতা এড়িয়ে পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে ৬০ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে দ্রুত বিচার ও জরুরি চিকিৎসা বা আর্থিক প্রয়োজনের নিষ্পত্তির বিধান রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

/আশিক


ছেঁড়া-ফাটা টাকা বদল স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের অংশ: সংসদে অর্থমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৬ ২০:২২:০৮
ছেঁড়া-ফাটা টাকা বদল স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের অংশ: সংসদে অর্থমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী অপ্রচলনযোগ্য, ত্রুটিপূর্ণ, ছেঁড়া-ফাটা ও দাবিযোগ্য নোট নিয়মিতভাবে বিনিময়ের সেবা দেওয়ার জন্য দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমানের (বেলাল) এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা নিশ্চিত করেন।

সংসদ সদস্য তাঁর প্রশ্নে উল্লেখ করেন, সাধারণ ও নিম্নআয়ের বহু মানুষ বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ছেঁড়া-ফাটা ও অতিব্যবহৃত কাগুজে মুদ্রা সংগ্রহ করে নতুন টাকার সঙ্গে বিনিময় করে জীবিকা নির্বাহ করেন; কিন্তু বর্তমানে নতুন টাকা দেওয়া স্থগিত থাকায় তাঁদের উপার্জনের পথ ব্যাহত হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কার্যক্রমটি পুনরায় নির্বিঘ্ন করা হবে কি না, তা তিনি জানতে চান।

উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষকে ত্রুটিপূর্ণ নোট পরিবর্তনের সেবা প্রদান করা স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমেরই একটি অংশ এবং এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সব ব্যাংকে জারি করা আছে। এই সেবা কার্যক্রম বর্তমানে বন্ধ নেই, বরং চলমান রয়েছে। এছাড়া নতুন নোট মুদ্রণ ও বাজারে ছাড়া একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং চ্যানেলের লেনদেন ও কাউন্টার সেবার মাধ্যমে নতুন নোট নিয়মিতভাবেই জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

/আশিক


‘সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসার সমাজ চাই’: মির্জা ফখরুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৬ ২০:১৮:০৪
‘সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসার সমাজ চাই’: মির্জা ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

সংঘাত, সংঘর্ষ কিংবা প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে পারস্পরিক ভালোবাসার ভিত্তিতে একটি মানবিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণের পর নিজ জেলায় এটিই ছিল তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক নাগরিক সংবর্ধনা।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াই ও রক্তের বিনিময়ে দেশ আজ নতুন এক সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে। এই অর্জিত গণতন্ত্রকে রক্ষা করা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে মজবুত করাই এখন রাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার। রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকলেও সংঘাতের পথ ছেড়ে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনা ও পরমতসহিষ্ণুতার চর্চায় জোর দেন তিনি। বক্তব্যের একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে স্থানীয় আঞ্চলিক ভাষায় উপস্থিত জনতার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি।

এলাকার উন্নয়ন রূপরেখা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, ঠাকুরগাঁওয়ে ঘোষিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং দ্রুতই শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে; যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথাও ঘোষণা করেন তিনি। এছাড়া জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলার মাঠ, আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় এবং ঐতিহাসিক শিবগঞ্জ বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগের কথা জানান। পাশাপাশি যুবসমাজকে মাদকমুক্ত থেকে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানান এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পংক্তি উদ্ধৃত করে আজীবন সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: