খুদে শিক্ষার্থীর জন্য ‘মিড-ডে মিল’ আনছে সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ২১:১৫:১৮
খুদে শিক্ষার্থীর জন্য ‘মিড-ডে মিল’ আনছে সরকার
ছবি : সংগৃহীত

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ কোটি শিক্ষার্থীর জন্য সুখবর নিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর ইস্কাটনে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি জানান, দেশের সকল প্রাথমিক শিক্ষার্থীর কাছে পর্যায়ক্রমে উন্নতমানের পুষ্টিকর 'মিড-ডে মিল' পৌঁছে দেওয়ার মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।

উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অন্যতম বড় প্রতিশ্রুতি হলো শিশুদের জন্য দুপুরের খাবার নিশ্চিত করা। বর্তমানে টিফিন হিসেবে যে বাটার বন বা কলা দেওয়া হয়, তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই সমস্যা সমাধানে সরকার আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছে, যাতে সাশ্রয়ী মূল্যে এমন খাবার তৈরি করা যায় যা দীর্ঘক্ষণ মানসম্মত ও পুষ্টিগুণসম্পন্ন থাকবে। এতে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় অপচয়ও রোধ হবে।

শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, কেবল বড় ডিগ্রি থাকলেই হবে না, তরুণ প্রজন্মকে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে পাঠ্যক্রম সংস্কার এবং শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হবে। এছাড়া তিনি গবাদিপশুর ভ্যাকসিন উৎপাদন এবং ক্যানসার গবেষণায় স্বনির্ভর হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভোজ্যতেল ও চিনির আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশে বিটরুট ও সরিষার ফলন বাড়ানোর কথা জানান তিনি।

মেধাবীদের বিদেশমুখী হওয়া বা 'ব্রেন ড্রেন' বন্ধে সরকারের বিশেষ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, প্রবাসে থাকা দক্ষ গবেষকদের দেশের গবেষণা ব্যবস্থার সাথে যুক্ত করে একে 'ব্রেন সার্কুলেশনে' রূপান্তর করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ নির্দেশনায় বায়োটেকনোলজির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এবং জনগণের ক্ষমতায়ন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদগণ উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী ঘোষণা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ২০:৪১:৫০
মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

আগামীকাল ২৬ এপ্রিল বিশ্বজুড়ে পালিত হতে যাওয়া ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে এক বিশেষ বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি দেশের উদ্ভাবক, গবেষক এবং সৃজনশীল ব্যক্তিদের প্রতিভার যথাযথ স্বীকৃতি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, মেধাস্বত্ব সুরক্ষাকে আধুনিক ও সহজ করতে অনলাইন নিবন্ধন এবং দ্রুত সেবা প্রদানের মতো পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই কার্যকর করা হয়েছে।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘মেধাস্বত্ব ও ক্রীড়া: প্রস্তুত হও, শুরু করো, উদ্ভাবন করো’। প্রধানমন্ত্রী এই প্রতিপাদ্যকে অত্যন্ত সময়োপযোগী উল্লেখ করে বলেন, ক্রীড়া এখন কেবল বিনোদন নয়, বরং একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক খাত। খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, ক্রীড়াপণ্যের ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং সম্প্রচার শিল্পের বিকাশে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও জানান, জাতীয় ক্রীড়াবিদদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ‘স্পোর্টস কার্ড’ ও বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে দেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সুরক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে জামদানি ও ইলিশের মতো দেশীয় পণ্যের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি এবং স্টার্টআপ সংস্কৃতির এই যুগে মেধাস্বত্ব সুরক্ষাকে তিনি জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে অভিহিত করেন। তরুণদের মেধাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষে সরকার নকল পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে বলেও তিনি জানান।

/আশিক


টাকা ছাপিয়ে আর স্বস্তি নয়! মূল্যস্ফীতি রুখতে অর্থমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ২০:৩৬:২৫
টাকা ছাপিয়ে আর স্বস্তি নয়! মূল্যস্ফীতি রুখতে অর্থমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতির মোড় ঘুরাতে এবং লাগামহীন উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) অর্থ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি স্পষ্ট করেন যে, টাকা ছাপিয়ে বা অতিরিক্ত মুদ্রা সরবরাহ করে সাময়িক স্বস্তি আনার পথে আর হাঁটবে না সরকার। বরং স্থিতিশীল ও টেকসই অর্থনীতি গড়াই এখন প্রধান লক্ষ্য।

ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সদস্যদের সঙ্গে এই আলোচনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, অতীতে টাকা ছাপিয়ে ব্যাংক থেকে ঢালাও ঋণ নেওয়ার ফলে অর্থনীতিতে প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়েছে, যা সুদের হার বাড়িয়ে বেসরকারি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, 'হাই পাওয়ার মানি' বাড়িয়ে বাজারে অতিরিক্ত তারল্য তৈরি করা হবে না, কারণ এতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে অর্থনীতির ভারসাম্য নষ্ট হয়।

তাঁর মতে, অতীতে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার কারণে দেশের অর্থনীতি নির্দিষ্ট কিছু 'অলিগার্ক' বা প্রভাবশালী গোষ্ঠীর হাতে বন্দি হয়ে পড়েছিল। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সরকার এখন 'অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ' বা সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরির ওপর জোর দিচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি নারীদের হাতে অর্থ পৌঁছে দিয়ে তাঁদের ক্ষমতায়ন করা হচ্ছে, কারণ পরিবারের ব্যয় ব্যবস্থাপনায় নারীরাই সবচেয়ে দক্ষ। এছাড়া মানুষের ব্যক্তিগত চিকিৎসা খরচ (আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার) কমাতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন তিনি। তিনি মনে করেন, চিকিৎসা খরচ কমলে মানুষের প্রকৃত আয় ও জীবনমান উন্নত হবে।

দেশের কর্মসংস্থান ও শিল্পায়ন নিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) এবং স্টার্টআপ খাতই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তাই গ্রামীণ কুটিরশিল্প ও সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে সরকার কাজ করছে।

তবে ব্যাংকিং খাতের বিশৃঙ্খলা এবং মুদ্রার অবমূল্যায়নকে বর্তমানের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে স্বীকার করেন তিনি। বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসায়িক বাধা বা 'ডিরেগুলেশন'-এর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যবসার পরিবেশ সহজ না করলে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ আসবে না। পাশাপাশি জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎস ও নবায়নযোগ্য শক্তির ওপর জোর দেওয়ার কথাও জানান অর্থমন্ত্রী।

/আশিক


ঢাকার যে ১১ পাম্পে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ফুয়েল পাস

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১৪:৫৬:১৯
ঢাকার যে ১১ পাম্পে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ফুয়েল পাস
ছবি: সংগৃহীত

দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, নিয়ন্ত্রিত ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। রাজধানীর ১১টি নির্বাচিত ফিলিং স্টেশনে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোটরসাইকেলে জ্বালানি সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের আইসিটি শাখা থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে নির্ধারিত ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোটরসাইকেল চালকদের অবশ্যই ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ ব্যবহার করে জ্বালানি নিতে হবে। অ্যাপের মাধ্যমে কিউআর কোড স্ক্যান করেই তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এর ফলে জ্বালানি বিক্রির তথ্য রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সরকারের দাবি, এই ডিজিটাল উদ্যোগের মাধ্যমে জ্বালানি অপচয়, অবৈধ বিক্রি, কালোবাজারি ও অনিয়ম কমানো সহজ হবে। একই সঙ্গে কোন যানবাহনে কত জ্বালানি সরবরাহ হচ্ছে, তার একটি নির্ভুল তথ্যভান্ডার তৈরি হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করার আলোচনা চলছিল। ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ সেই প্রক্রিয়ারই একটি অংশ।

যেসব ফিলিং স্টেশনে এই ব্যবস্থা চালু হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি জ্বালানি কেন্দ্র। এগুলো হলো করিম অ্যান্ড সন্স, ইউরেকা এন্টারপ্রাইজ ফিলিং স্টেশন, মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশন, সততা অ্যান্ড কোম্পানি, দিপ্ত ফিলিং স্টেশন, কামাল ট্রেডিং এজেন্সি, এসপি ফিলিং স্টেশন লিমিটেড, সিটি ফিলিং স্টেশন, সেবা গ্রিন ফিলিং স্টেশন, স্যাম অ্যাসোসিয়েটস এবং সুমাত্রা ফিলিং স্টেশন। এসব স্টেশন মূলত তেজগাঁও, মিরপুর, উত্তরা, মহাখালী ও গাবতলীসহ রাজধানীর ব্যস্ত এলাকাগুলোতে অবস্থিত।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুরুতে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু স্টেশনে এই ব্যবস্থা চালু করা হলেও পরবর্তীতে এটি সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হতে পারে। বিশেষ করে মোটরসাইকেলের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় একটি আধুনিক ডিজিটাল কাঠামো তৈরি করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মোটরসাইকেল চালকদের আগে থেকেই ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধনের সময় গাড়ির তথ্য, মালিকের পরিচয় এবং মোবাইল নম্বর সংযুক্ত থাকবে। এরপর অ্যাপের মাধ্যমে একটি ইউনিক কিউআর কোড তৈরি হবে, যা স্ক্যান করেই জ্বালানি দেওয়া হবে।

-রফিক


জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার নতুন যুগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১৩:১১:২২
জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার নতুন যুগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে ‘বিয়াম ফাউন্ডেশন’-এর তৃতীয় ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান বিশ্ববাসীর কাছে আবারও প্রমাণ করে দিয়েছে যে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক কেবল এ দেশের জনগণ।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক এবং জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার স্বপ্ন দেখে আসছিল। বর্তমান সরকার জনগণের সেই দীর্ঘদিনের প্রত্যাশারই প্রতিফলন। আধুনিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের পথে আমলাতন্ত্রকে আরও বেশি জনমুখী ও সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিজেদের জনগণের শাসক নয়, বরং সেবক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রশিক্ষণের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বিয়াম ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যখনই সরকারে এসেছে, তখনই দেশ ও জনগণের স্বার্থে একটি দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতেও প্রশাসনের মানোন্নয়নে এই ধারা অব্যাহত থাকবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি বিয়াম ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্যসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়ন হবেই: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১১:৪৯:৩৯
জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়ন হবেই: প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং ‘জুলাই সনদ’-এর প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বিয়াম ফাউন্ডেশনের তৃতীয় ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার একটি মেধানির্ভর, আত্মবিশ্বাসী এবং সৃজনশীল মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের প্রত্যাশিত দেশ গড়ে তুলতে হলে একটি জনবান্ধব ও দক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি।

বিয়াম ফাউন্ডেশনের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, এই প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে বিএনপি সরকার বরাবরই জনগণের স্বার্থে একটি সুদক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনপ্রশাসন দেখতে চেয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ভবিষ্যতেও সরকার এই উন্নয়নের ধারা এবং প্রশাসনিক সংস্কার অব্যাহত রাখবে যাতে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকারি সেবা পায়।

/আশিক


ভাড়া বাড়ানো হয়নি, সাথে ‘সমন্বয়’ করা হয়েছে: সড়ক মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১০:৫৯:৫৬
ভাড়া বাড়ানো হয়নি, সাথে ‘সমন্বয়’ করা হয়েছে: সড়ক মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
ছবি : সংগৃহীত

সড়ক পরিবহন খাতে ভাড়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে মুখ খুলেছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী দাবি করেন, বাসের ভাড়া আসলে বাড়ানো হয়নি, বরং জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তা ‘সমন্বয়’ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, “ভাড়া নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই সমন্বয় করতে হয়েছে। তবে স্বস্তির খবর হলো, ভবিষ্যতে তেলের দাম কমে গেলে ভাড়াও স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমে যাবে। এর জন্য নতুন করে কোনো দীর্ঘ মিটিংয়ের প্রয়োজন নেই, বিআরটিএ থেকে শুধু একটি প্রজ্ঞাপন জারি করলেই তা কার্যকর হবে।”

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, গ্যাসচালিত বাসের ভাড়া বাড়ানো হয়নি; যদি কোনো গ্যাসচালিত বাস বাড়তি ভাড়া আদায় করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীর যানজট নিরসনে অটোরিকশার প্রভাব নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “শহরে অটোরিকশার দৌরাত্ম্য অনেক বেড়ে গেছে, যা যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ। আমরা পরিকল্পনা করছি ধাপে ধাপে প্রধান সড়কগুলো থেকে অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার। তবে এটি রাতারাতি সম্ভব নয়; সাধারণ মানুষ এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সমন্বয় করেই আমরা একটি টেকসই সমাধানে পৌঁছাতে চাই।”

সড়ক মন্ত্রীর এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, সরকার জ্বালানি তেলের দামের ওপর ভিত্তি করে ভাড়ার একটি গতিশীল (Dynamic) ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাচ্ছে, যেখানে তেলের দাম বাড়লে ভাড়া বাড়বে এবং কমলে সাথে সাথেই কমবে।

/আশিক


প্রয়োজনে সংসদ ও রাজপথ একাকার হবে! সরকারকে নাহিদ ইসলামের চরম হুঁশিয়ারি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১০:২৬:৩৬
প্রয়োজনে সংসদ ও রাজপথ একাকার হবে! সরকারকে নাহিদ ইসলামের চরম হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের গণসমাবেশে যোগ দিয়ে সরকারকে এক কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘জুলাই সনদ’ আর ‘গণভোটের গণরায়’ বাস্তবায়নের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। প্রয়োজনে সংসদ এবং রাজপথ একাকার করে ফেলার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল ২০২৬) বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, আল্লামা মামুনুল হককে ষড়যন্ত্র করে সংসদে যাওয়া থেকে আটকানো গেলেও রাজপথ থেকে তাঁকে সরানো সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “আমরা সংসদে আছি জনগণের কথা বলার জন্য, আর রাজপথে আছেন মামুনুল হক এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতো নেতারা। যদি প্রয়োজন হয়, রাজপথ আর সংসদ একাকার হয়ে যাবে।”

তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জ্বালানি সংকটের মতো বিষয়ে বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতা করতে চাইলেও সরকার বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয় ও বিচার বিভাগকে দলীয়করণের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি সরকার দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাপট দেখিয়ে গণভোটের রায় প্রত্যাখ্যান করে, তবে তাদের পরিণতিও সাবেক স্বৈরশাসকদের মতোই হবে।

এই বিশাল গণসমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, মাওলানা মামুনুল হক, কর্নেল (অব.) অলি আহমদ এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এগারো দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।

/আশিক


কবে শেষ হবে লোডশেডিং? সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী!

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৫ ১০:১৯:০৮
কবে শেষ হবে লোডশেডিং? সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী!
ছবি : সংগৃহীত

তীব্র দাবদাহে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত, তখন পাল্লা দিয়ে বাড়া লোডশেডিং দেশের মানুষের দুর্ভোগকে চরমে নিয়ে গেছে। কৃষি থেকে শিল্প—সবখানেই স্থবিরতা নামছে। তবে এই দুঃসহ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে আর মাত্র কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে আশা দিচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক হয়ে গিয়েছিল, যা ২৬ এপ্রিল থেকে পুনরায় স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে আরও ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা জানিয়েছেন, ২৮ এপ্রিল নাগাদ মোট ১৩০০ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ পাওয়া গেলে সংকট অনেকটাই কেটে যাবে। এমনকি মে মাসের প্রথম সপ্তাহে বন্ধ থাকা আরএনপিএন ইউনিট চালু হলে সব মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

যদিও সরকারি আশ্বাসে স্বস্তির সুর, তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্ন কথা। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বিশ্ববাজারে তেলের দামের অস্থিরতা বজায় থাকলে লোডশেডিং পুরোপুরি দূর করা কঠিন হবে।

তিনি বলেন, তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো চালিয়ে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হলেও, বর্তমানে ৪০ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি বেড়ে ৬০ হাজার কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকতে পারে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এতো চড়া দামে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

/আশিক


সংসদ থেকেও বিদ্যুৎ কাটুন! সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার অভাবনীয় প্রস্তাব

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৩ ২১:০৯:৪৪
সংসদ থেকেও বিদ্যুৎ কাটুন! সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার অভাবনীয় প্রস্তাব
ছবি : সংগৃহীত

সংসদে লোডশেডিং নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে এক চমকপ্রদ এবং হাস্যরসাত্মক অথচ গঠনমূলক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী যখন ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিং চালুর ঘোষণা দেন, তখন তার পাল্টা জবাবে সংসদ ভবনকেও এই অন্ধকারের আওতায় আনার প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।

অধিবেশনের শুরুতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান যে, জ্বালানি সংকটের কারণে ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং বা লোড ম্যানেজমেন্ট চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরপরই ফ্লোর নিয়ে জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমি বলব যে মেহেরবানি করে এটা যেন সংসদ থেকে শুরু করা হয়। সংসদ যেন এর বাইরে না থাকে। ওই লোড ম্যানেজমেন্টের আওতায় সংসদও যেন থাকে। ঢাকার অন্য অংশে এক ঘণ্টা থাকলে, এখানেও যেন এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকে।”

এ সময় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ মৃদু আপত্তি জানিয়ে বলেন যে, সংসদে লোডশেডিং দিলে তো অধিবেশন চালাতে সমস্যা হবে। স্পিকারের মন্তব্যের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান কিছুটা রসিকতা মিশিয়ে ব্যাখ্যা দেন, “আমি সংসদ ভবন বলেছি, সংসদের অধিবেশন আমি বলিনি। অধিবেশনের বাইরেও এখানে অনেক কর্মকাণ্ড আছে, আমি সেই কথাটাই বলেছি।” তিনি আরও যোগ করেন যে, সংসদ থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হলে জনগণ বুঝবে আমরা বাংলাদেশকে একটি বৈষম্যহীন বা ‘ইউনিফর্ম কান্ট্রি’ হিসেবে গড়ে তুলতে চাচ্ছি। জনমানুষের কষ্টের সাথে সংসদ সদস্যদের একাত্মতা প্রকাশের এই প্রস্তাবটি সংসদে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: