লেবার পার্টির মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৮ ১৯:৩২:২৬
লেবার পার্টির মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

১৬ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ‍্যামল‍্যাটস্ কাউন্সিলের নির্বাচনে লেবার পার্টির মেয়র প্রার্থী ও কাউন্সিলার প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। পূর্ব লন্ডনের একটি হলে রুশনারা আলী এমপি ও ডন বাটলার এমপি এবং স্থানীয় লেবার পার্টির লিডারদের উপস্থিতিতে এ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। এ সময় মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম সহ সকল কাউন্সিলার প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ২৫টি নির্বাচনী ইশতেহার নিম্নরূপ

সততা এবং ন্যায্য আর্থিক ব্যবস্থাঃ

১. যথাযথ শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করন। ‘বেস্ট ভ্যালু’ পরিদর্শনে উদ্ঘাটিত ব্যর্থতাগুলো সংশোধন করন এবং স্বজনপ্রীতির সংস্কৃতির অবসান ঘটান। জনগণের অর্থ বিচক্ষণতার সাথে ব্যয় করা হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চুক্তি প্রদান করা হবে।

২. কাউন্সিল ট্যাক্স গ্যারান্টি। প্রথম দুই বছরের জন্য কাউন্সিল ট্যাক্সের সাধারণ অংশ স্থির রাখা, শুধুমাত্র সবচেয়ে দুর্বল বাসিন্দাদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ২% প্রাপ্তবয়স্ক সামাজিক যত্ন কর (অ্যাডাল্ট সোশ্যাল কেয়ার প্রিসেপ্ট) প্রয়োগ করন।

৩. ন্যায্য ভাড়া। কাউন্সিল ভাড়ার বৃদ্ধি বছরে ২.৫%-এ সীমাবদ্ধ করুন এবং ‘লন্ডন লিভিং রেন্ট’-এর অধীনে থাকা ভাড়াটেদের জন্য ভাড়া স্থির রাখা।

৪. অংশগ্রহণমূলক বাজেট ব্যবস্থা। আটটি স্থানীয় এলাকার প্রতিটির জন্য ২,৫০,০০০ পাউন্ডের একটি তহবিল পুনরায় চালু করে বাসিন্দাদের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া, যাতে এলাকাগুলোই সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে এই অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হবে।

উন্নতমানের আবাসন এবং স্থানীয় অগ্রাধিকারঃ

৫.৫,০০০ সামাজিক আবাসন। ২০৩০ সালের মধ্যে ৫,০০০ সামাজিক আবাসন নির্মাণ বা পুনঃক্রয় করার জন্য সরকারের সাথে কাজ করা, যার মাধ্যমে ১০,০০০ গৃহহীন এবং অতিরিক্ত ভিড়ে বসবাসকারী পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে। অন্যান্য মেয়াদের অধীনে নতুন বাড়ি সরবরাহের পাশাপাশি, যেসকল কাউন্সিল ভাড়াটে বাড়ির মালিকানায় চলে যাবেন, তাদের জন্য নগদ প্রণোদনা প্রদান করা হবে।

৬. স্থানীয় ভাড়া প্রদান এবং শিক্ষার নিশ্চয়তা। সমস্ত নতুন কাউন্সিল প্রকল্পে ২৫% স্থানীয় ভাড়ার কোটা প্রয়োগ করা, যাতে পরিবারগুলো তাদের স্কুলের কাছাকাছি থাকতে পারে এবং শিক্ষাগত ব্যাঘাত এড়াতে পারে।

৭. কাউন্সিল আবাসনের আধুনিকীকরণ। পুরোনো রান্নাঘর ও বাথরুম প্রতিস্থাপন এবং বাড়িগুলোকে শক্তি-সাশ্রয়ী করে বিল কমানোর জন্য অতিরিক্ত তহবিল বিনিয়োগ করা।

৮. ব্যর্থ ব্যবস্থাপনার সংশোধন। ভাড়াটে এবং ইজারাদারদের জন্য মেরামত ও পরিসেবার মান উন্নত করতে হাউজিং ডিরেক্টরেটের উপর কঠোর জনসমীক্ষা পুনঃস্থাপন করা।

৯. বাড়ির মালিকানাকে শক্তিশালী করা। একটি কমিউনিটি ল্যান্ড ট্রাস্ট মডেল চালু করুন এবং কাউন্সিল ভাড়াটেদের খোলা বাজার থেকে বাড়ি কিনতে সাহায্য করার জন্য নগদ প্রণোদনা প্রকল্পটি পুনর্বহাল করন।

১০. হাউজিং অ্যাসোসিয়েশনের জবাবদিহিতা। ব্যর্থ হাউজিং অ্যাসোসিয়েশনগুলোর কাছ থেকে কঠোর কর্মপরিকল্পনা দাবি করন এবং পরিসেবার মান পুনরুদ্ধার না হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করন।

প্রতিটি শিশুর জন্য একটি বিশ্বমানের সূচনাঃ

১১. টিউশন ফি-এর নিশ্চয়তা। কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজ পরিসেবা রক্ষা করা এবং পুরো বারা জুড়ে ৫ বছর বয়স থেকে জিসিএসই (GCSE) স্তর পর্যন্ত গণিত ও ইংরেজি টিউশন অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এর সম্প্রসারণ করা।

১২. সার্বজনীন বিনামূল্যে স্কুল খাবার এবং ইএমএ (EMA)। সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিশুদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল খাবার বজায় রাখা এবং এডুকেশন মেইনটেন্যান্স অ্যালাউন্স ও কাউন্সিলের বিশ্ববিদ্যালয় বৃত্তি সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করা।

১৩. বিদ্যালয়গুলোর একটি ঐক্যবদ্ধ পরিবার। জিসিএসই (GCSE) এবং এ লেভেল (A Level) এর ফলাফল উন্নত করার লক্ষ্যে পুরো বারা জুড়ে একটি উদ্যোগের মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোকে পুনরায় একত্রিত করা এবং স্কুল-পরবর্তী সহায়তায় বিনিয়োগ করা।

১৪. প্রারম্ভিক শৈশব ও যুব পরিসেবা। চিলড্রেন'স সেন্টারগুলোতে সহায়তা সম্প্রসারণ করা এবং যুব পরিসেবাগুলো যাতে মেয়ে ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুসহ সকলের জন্য উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় তা নিশ্চিত করা।

একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, সবুজতর বারাঃ

১৫. নিরাপত্তা এলাকা। পাড়াভিত্তিক পুলিশ দল সম্প্রসারণ করন, পায়ে হেঁটে টহল ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করন এবং আবাসিক এলাকাগুলোতে সিসিটিভি কাভারেজের জন্য ৫ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করুন।

১৬. আমাদের আকাশসীমা রক্ষা করা। উঁচু ভবন নির্মাণের অনুমতিমূলক নীতি বাতিল করার জন্য অ্যাস্পায়ার লোকাল প্ল্যান প্রত্যাহার করন এবং আরও বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা বন্ধ করন।

১৭. সবুজায়ন ও বৃক্ষ। পুরো বারা জুড়ে আরও গাছ লাগানো অব্যাহত রাখা, যেখানে গাছগুলো কোথায় লাগানো হবে সে বিষয়ে বাসিন্দাদের সরাসরি মতামত থাকবে, এবং সুস্থ জীবন, খাদ্য উৎপাদন ও শক্তিশালী সম্প্রদায়কে সমর্থন করার জন্য আরও কমিউনিটি গার্ডেন চালু করন।২০১৯ সালে প্রাথমিকভাবে সম্মত হওয়া অনুযায়ী ৯৯ বছরের নামমাত্র ইজারার মাধ্যমে মাডচুট ফার্মকে রক্ষা করা।

১৮. চক্রাকার অর্থনীতি এবং পুনর্ব্যবহার। বাদ পড়া সংগ্রহগুলো সংশোধন করন এবং পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগগুলো ফিরিয়ে এনে চক্রাকার অর্থনীতিকে উৎসাহিত করন, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে কমপক্ষে ৩৩% পুনর্ব্যবহার করা।

১৯. শিশু ও পথচারীদের সুরক্ষা। স্কুল সড়ক সম্প্রসারণ বারার প্রতিটি স্কুলে সড়কপথ নিয়ে যাওয়া এবং সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা লন্ডনের গড়ের নিচে নামিয়ে আনার জন্য কাজ করা।

২০. আবাসিকদের জন্য পার্কিং এবং স্বাস্থ্যকর সড়কের পক্ষে। অ্যাসপায়ারের পার্কিং মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা, অকার্যকর পারমিট ব্যবস্থাটি ঠিক করা এবং গাড়ির উপর নির্ভরশীল বাসিন্দাদের সহায়তা করা। পারমিটের জন্য আবেদন এবং নবায়ন সহজ ও সহজলভ্য করা।গাড়িমুক্ত বাড়িতে স্থানান্তরিত হওয়া পরিবারগুলির জন্য এক মাসের গ্রেস পিরিয়ড চালু করা, কাউন্সিল এস্টেট সহ বারা জুড়ে বৈদ্যুতিক যানবাহন চার্জিংয়ের একটি কর্মসূচিতে বিনিয়োগ করা এবং স্বাস্থ্যকর সড়কের জন্য টাওয়ার হ্যামলেটসকে লন্ডনের শীর্ষ পাঁচটি বারার তালিকায় পুনরুদ্ধার করা।

একটি সহানুভূতিশীল ও প্রাণবন্ত সম্প্রদায়ঃ

২১. সেবায় মর্যাদা। বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী বাসিন্দাদের জন্য বিনামূল্যে হোমকেয়ার (গৃহসেবা) চালু রাখা এবং ডে-কেয়ার (দিবাসেবা) পরিসেবার জন্য চার্জ বাতিল করা।

২২. একটি ১৫ বছর মেয়াদী দারিদ্র্যবিরোধী পরিকল্পনা। বঞ্চনার মূল কারণগুলির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে একটি দীর্ঘমেয়াদী, ১৫ বছর মেয়াদী দারিদ্র্যবিরোধী কর্মপরিকল্পনা চালু করা, যেখানে কর্মসংস্থান, দক্ষতা, প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষানবিশির উপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে।

২৩. নারী ও মেয়েদের নিরাপত্তা। কাউন্সিলের কেন্দ্রবিন্দুতে নারীর নিরাপত্তা, ক্ষমতায়ন এবং সমতাকে স্থাপন করা। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নারী কমিশন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা, গার্হস্থ্য নির্যাতন এবং নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বিষয়ক পরিসেবাগুলিকে শক্তিশালী করা, এবং মূল বাজেটে টেকসই তহবিল অন্তর্ভুক্ত করে কাউন্সিলের সমস্ত পরিদপ্তরে এই প্রতিশ্রুতিকে প্রতিষ্ঠা করা।

২৪. আমাদের বৈচিত্র্যের উদযাপন। ভিক্টোরিয়া পার্কের আতশবাজি, বৈশাখী মেলা এবং ব্রিক লেন কারি ফেস্টিভ্যাল পুনরুদ্ধার করা, পাশাপাশি পুরো বারা জুড়ে বড়দিন এবং ঈদ উদযাপন করা। টাওয়ার হ্যামলেটস মিনি অলিম্পিক, মিনি প্যারাঅলিম্পিক এবং মিনি বিশ্বকাপের মতো অন্তর্ভুক্তিমূলক অনুষ্ঠানগুলিকে সমর্থন করা।

২৫. একজন জবাবদিহিমূলক মেয়র। কাউন্সিলার সিরাজুল ইসলাম এবং লেবার দলের কাউন্সিলাররা নিয়মিত পরামর্শ সভা করবেন এবং সিরাজুল পুরো বারা জুড়ে প্রতি তিন মাস অন্তর ‘মেয়রকে জিজ্ঞাসা করন’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।

টাওয়ার হ‍্যামলেটস্ কাউন্সিলের লেবার পার্টি প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার। সকল লেবার লিডার এবং প্রার্থীরা আশাবাদী আগামী ৭ই মে নির্বাচনে সম্মানিত ভোটাররা তাদের মহামূল‍্যবান ভোট প্রদান করে লেবার পার্টির প্রার্থীদের বিজয়ী করবেন।


ভাষা পরীক্ষা ছাড়াই কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের ই-৭-৪ ভিসা পাওয়ার সুযোগ

প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৯ ২১:৫২:১৯
ভাষা পরীক্ষা ছাড়াই কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের ই-৭-৪ ভিসা পাওয়ার সুযোগ
ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশির সিংহভাগই দেশটিতে কর্মরত আছেন সাধারণ বা অদক্ষ ক্যাটাগরির ই-৯ ভিসার আওতায়। এবার এসব বাংলাদেশি শ্রমিকের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কোরীয় ভাষার যোগ্যতার সনদ ছাড়াই দক্ষ কর্মী হিসেবে দীর্ঘমেয়াদি ই-৭-৪ ভিসা প্রাপ্তির এক বিশেষ সুযোগ উন্মোচিত হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন সংস্থা (এইচআরডি) কর্তৃক জারি করা এই বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি স্থানীয় প্রবাসী কর্মীদের নজরে এনেছে সিউলের বাংলাদেশ দূতাবাস।

ঘোষিত নির্দেশনা মোতাবেক, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোরীয় ভাষার আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা ছাড়াই ই-৭-৪ ভিসার জন্য আবেদন দাখিল করা যাবে। এই শিথিলতার আওতায় ‘কে-পয়েন্ট ই-৭-৪’ স্কোরিং পদ্ধতিতে মোট ৩০০ নম্বরের মধ্যে আবেদনকারীকে অন্তত ১৫০ পয়েন্ট অর্জন করতে হবে। তবে প্রাথমিক আবেদনে ভাষার শর্তে ছাড় মিললেও পরবর্তীতে এই ভিসা নবায়নের সময় বাধ্যতামূলকভাবে ভাষার প্রয়োজনীয় সনদপত্র জমা দিতে হবে। এছাড়া পরিবারকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করার ক্ষেত্রেও ভাষাগত যোগ্যতার প্রমাণ থাকা আবশ্যক।

এই বিশেষ ক্যাটাগরিতে আবেদনের প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—বিগত ১০ বছরের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈধভাবে ন্যূনতম ৪ বছর কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে রাজধানী সিউলের বাইরের কর্মক্ষেত্রে ৩ বছর অথবা তুলনামূলক কম জনসংখ্যার এলাকাগুলোতে ২ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলেই এই যোগ্যতার শর্ত পূরণ হবে। এর পাশাপাশি বর্তমানে কর্মরত প্রতিষ্ঠানে অন্তত টানা ১ বছর চাকরির ধারাবাহিকতা, সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তার সুপারিশপত্র এবং বার্ষিক সর্বনিম্ন ২৬ মিলিয়ন ওন বেতনে নতুন করে ২ বছরের কাজের আনুষ্ঠানিক চুক্তিপত্র থাকতে হবে।

সাধারণভাবে ই-৯ ভিসার আওতায় সর্বোচ্চ ৪ বছর ১০ মাস অবস্থানের সুযোগ থাকলেও ই-৭-৪ ভিসা কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদে দেশটিতে বসবাসের আইনি নিশ্চয়তা দেয়। সাধারণ সময়ে এই ভিসা অর্জনে ২০০ পয়েন্টের প্রয়োজন পড়লেও বর্তমান সুযোগের আওতায় তা কমিয়ে আনা হয়েছে। এই ভিসা সংক্রান্ত যেকোনো বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রবাসী কর্মীদের সরাসরি দেশটির ইমিগ্রেশন কনট্যাক্ট সেন্টার (১৩৪৫) অথবা এইচআরডি কোরিয়া সেন্টারে (১৫৭৭-০০৭১) যোগাযোগ করার জন্য সিউলস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


যুক্তরাজ্যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাংবাদিকদের বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
নিজস্ব প্রতি‌বেদক
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৯ ২২:০২:০৮
যুক্তরাজ্যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাংবাদিকদের বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

চট্টগ্রা‌মের কৃ‌তি সন্তান, বি‌শিষ্ট সি‌নিয়র আইনজীবী ও ফাউ‌ন্ডেশনের সম্মা‌নিত উপ‌দেষ্টা জনাব ব‌্যা‌রিস্টার ম‌নোয়ার হো‌সেন ও যুক্তরাজ‌্য শাখা'র নব-নির্বা‌চিত সাধারণ সম্পাদক, মি‌ডিয়া ব‌্যক্তি জনাব মোঃ মাসুদুর রহমা‌নের সা‌থে স্বাক্ষত বি‌নিময় ক‌রেন দৈনিক কালবেলা’র চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এবং চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব সাইদুল ইসলাম।

দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম Banglanews24.com (বসুন্ধরা গ্রুপ)-এর সিনিয়র ফটো করেসপন্ডেন্ট জনাব এম. সরওয়ার আলম (সোহেল)।

Risingbd.com-এর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এবং ICC, AFC ও Commonwealth অনুমোদিত আন্তর্জাতিক স্পোর্টস ফটোগ্রাফার জনাব মো. রেজাউল করিম।

যুক্তরাজ্য সফরকালে সিলেট চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশন ইউকে'র শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ। এ সময় সংগঠনের কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

উল্লেখ‌্য সামাজিক ও মানবিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠা ক‌রেন মান‌বিক ব‌্যক্তি চট্টগ্রা‌মের সন্তান মো. শ‌হিদুল ইসলাম। সেই থে‌কে বাংলা‌দে‌শের বিভিন্ন সংকটময় সময়ে এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে নানা ধরনের মানবিক ও সমাজকল্যাণমূলক কাজ করে আস‌ছে।


ইতিহাসের মালিকানা কারও একার নয়, ৫ আগস্টের বিজয় সাধারণ মানুষের: সাইদুর রহমান লিটল

মোঃ মাসুদ রানা
মোঃ মাসুদ রানা
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৫ ২১:৫১:০৫
ইতিহাসের মালিকানা কারও একার নয়, ৫ আগস্টের বিজয় সাধারণ মানুষের: সাইদুর রহমান লিটল
ছবি : মোঃ মাসুদ রানা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বেলজিয়াম বিএনপির সভাপতি সাইদুর রহমান লিটল বলেছেন, “ইতিহাসের মালিকানা কারও একার নয়। যে ইতিহাসে লক্ষ মানুষের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও ত্যাগের পদচিহ্ন রয়েছে, সেই ইতিহাসকে কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক কৃতিত্ব হিসেবে উপস্থাপন করা ন্যায়সংগত নয়।”

৫ আগস্ট উপলক্ষে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলন ছিল বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ। এই আন্দোলনের সফলতা কোনো একক নেতৃত্ব, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল, ছাত্রসংগঠন কিংবা পেশাজীবী গোষ্ঠীর অর্জন নয়; বরং এটি ছিল দেশের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সাহস, আত্মত্যাগ, অশ্রু, রক্ত এবং অদম্য প্রত্যয়ের ফল।

সাইদুর রহমান লিটল বলেন, রাজপথে বুক পেতে দাঁড়ানো শিক্ষার্থী, সন্তানের নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনায় থাকা মা, আহতদের সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, আদালতে ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করা আইনজীবী, সত্য প্রকাশে ঝুঁকি নেওয়া সাংবাদিক, নির্যাতন সহ্য করা রাজনৈতিক কর্মী, শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষক, সংস্কৃতিকর্মী এবং সাধারণ মানুষ—সবার অবদান মিলেই রচিত হয়েছে এই গণআন্দোলনের ইতিহাস।তিনি আরও বলেন, দেশের বাইরে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও সেই সময় নীরব দর্শক ছিলেন না।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাঁরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি, মানবাধিকারভিত্তিক প্রচারণা, স্মারকলিপি প্রদান এবং আন্তর্জাতিক মহলে জনমত গঠনের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।নিজের ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, সে সময় তিনি বিএনপির বেলজিয়াম শাখার সভাপতি এবং দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দলীয় নেতৃত্বের নির্দেশনায় ইউরোপের বিভিন্ন পর্যায়ে মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট মহল, নীতিনির্ধারক এবং আন্তর্জাতিক অংশীজনের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পাশাপাশি বেলজিয়ামে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটি ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সামনে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ, স্মারকলিপি প্রদান এবং আন্তর্জাতিক জনমত গঠনের কর্মসূচি পরিচালিত হয়। সেই সময়ের বিভিন্ন আলোকচিত্র, নথি এবং দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এখনও সংরক্ষিত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, এসব স্মৃতি তুলে ধরার উদ্দেশ্য ব্যক্তিগত কৃতিত্ব দাবি করা নয়; বরং ইতিহাসের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সত্যকে সংরক্ষণ করা।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, বর্তমান বিএনপির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংকটময় সময়ে দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে গণতান্ত্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তাঁর নেতৃত্বে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিএনপির নেতা-কর্মীরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

সাইদুর রহমান লিটল বলেন, “যে ইতিহাসে লক্ষ মানুষের পদচিহ্ন রয়েছে, সেই ইতিহাসকে কয়েকজন ব্যক্তি বা একটি গোষ্ঠীর কৃতিত্বে সীমাবদ্ধ করা ইতিহাসের প্রতি অবিচার। এতে আত্মত্যাগী মানুষদের অবদানও আড়াল হয়ে যায়।”

শেষে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন, আমরা কৃতিত্বের প্রতিযোগিতা নয়, সত্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। কারণ ৫ আগস্ট যদি কারও হয়, তবে তা বাংলাদেশের মানুষের; যদি কারও বিজয় হয়, তবে তা গণতন্ত্রের; আর যদি কারও গৌরব হয়, তবে তা শহীদদের আত্মত্যাগের। ইতিহাস কাউকে একা মহান বানায় না, ইতিহাস মহান করে সেই জাতিকে, যারা নিজেদের সকল সন্তানের অবদানকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করতে জানে।”


এমপি লুনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর ট্রাস্টিবৃন্দ

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০২ ২১:৪৩:১৪
এমপি লুনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর ট্রাস্টিবৃন্দ
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

বৃটেন সফররত সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনার সঙ্গে যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর ট্রাস্টিবৃন্দের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২ আগস্ট ২০২৬, র‌বিবার সাক্ষাৎকালে ট্রাস্টিবৃন্দ বিশ্বনাথ উপজেলায় নির্মাণাধীন ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর সার্বিক অগ্রগতি, চলমান নির্মাণকাজ, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, আর্থিক হিসাব-নিকাশ, দাতাদের অবদান এবং হাসপাতালের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মাননীয় সংসদ সদস্যকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। তাঁরা জানান, হাসপাতালটি সম্পূর্ণ অলাভজনক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য বিশ্বনাথসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।

মাননীয় সংসদ সদস্য বেগম তাহসিনা রুশদীর লুনা ট্রাস্টিবৃন্দের উপস্থাপনা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং এ মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মানবিক উদ্যোগে নির্মিত এ হাসপাতাল ভবিষ্যতে এলাকার স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। হাসপাতালটির সফল বাস্তবায়ন ও কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি তাঁর পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন এবং এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর ট্রাস্টি ও সেক্রেটারি জেনারেল মো. আয়াছ মিয়া, ট্রাস্টি আবুল হাশিম বিএসসি, ট্রাস্টি মৌলানা সিরাজুল ইসলাম সাদ, ট্রাস্টি আশিক আলী ও ট্রাস্টি শাহ সোহেল আমিন।

সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ হাসপাতালের নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করে জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবার দ্বার উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ট্রাস্টিবৃন্দ মাননীয় সংসদ সদস্যের আন্তরিকতা, মূল্যবান পরামর্শ এবং সহযোগিতার আশ্বাসের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’ বিশ্বনাথ অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি আধুনিক, নির্ভরযোগ্য ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।


যুক্তরাজ্যে ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম মেজবান অনুষ্ঠিত

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৭ ২১:৫১:৩৮
যুক্তরাজ্যে ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম মেজবান অনুষ্ঠিত
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয় ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রামের মেজবান। রবিবার (২৬ জুলাই ২০২৬) ওয়াটফোর্ডের হলিওয়েল সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংগঠনের চতুর্থবারের এই আয়োজনকে ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। এতে লন্ডন, ওয়াটফোর্ড, এনফিল্ডসহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে এক হাজারেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।

স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ.কে.এম. কায়সার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার আলম এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক সারওয়ান জাহান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়াটফোর্ড বরো কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান কাউন্সিলর সোহেল বশীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, টিভি-২৪ বাংলার চেয়ারম্যান এবং ION TV-এর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘চাটগাঁইয়া গফ’-এর উপস্থাপক মো. মাসুদুর রহমান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকের কনভেনিং কমিটির সদস্য অ্যাকাউন্ট্যান্ট রাজ্জাকুল হায়দার বাপ্পি, মো. ইব্রাহিম জাহান, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাহেদুল আলম মাসুদ, সীতাকুণ্ড সমিতি ইউকের সেক্রেটারি রায়হান উদ্দিন চৌধুরী টিটু, এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য মো. জগলু হায়াত চৌধুরী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ সেলিম হোসাইন, ডেগেনহাম সেন্ট্রাল মসজিদের সাবেক ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. আমিন ও মো. সুমন, কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকের ভাইস প্রেসিডেন্ট বশির জামান বাবু, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মো. টিংকু চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু নাসের, মো. রাসেলসহ গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন ইউকে, কক্সবাজার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে, সীতাকুণ্ড সমিতি ইউকে, ফটিকছড়ি কমিউনিটি ইউকে এবং নোয়াখালী সমিতির নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব সঞ্চালনা করেন মো. মাসুদুর রহমান। এ সময় তিনি ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তাঁদের পরিচিতি পর্ব পরিচালনা করেন। নতুন কমিটির সদস্যরা সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মেজবানে অতিথিদের জন্য পরিবেশন করা হয় চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সাদা ভাত, মেজবানের গরুর মাংসসহ বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার। প্রবাসে থেকেও চট্টগ্রামের শতবর্ষী ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার অনন্য নিদর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়। আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রবাসে বাংলাদেশি ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতি অটুট রাখতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতেও আরও বৃহৎ পরিসরে এ আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মেজবানে অংশগ্রহণকারী সকল অতিথি, শুভানুধ্যায়ী, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।


যুক্তরাজ্যে ‘‘দ‍্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল’’ এর উদ্যোগে মতবিনিময় ও নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৫ ২১:৪৬:৫৫
যুক্তরাজ্যে ‘‘দ‍্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল’’ এর উদ্যোগে মতবিনিময় ও নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক জনকল্যাণমূলক দাতব্য সংস্থা ‘‘দ‍্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল’’ এর উদ্যোগে যুক্তরাজ্যের ব্রাইটনের ক্রওলি শহরে একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ২৪ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার রাত ১১টায় এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় ও নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্রাইটনের বিশিষ্ট মুরব্বী আলহাজ্ব এম এ কাইয়ুম, প্রেস-মিডিয়া ডাইরেক্ট শাহ সোহেল আমিনের পরিচালনায় সভায় হাসপাতালের কার্যক্রম, আয় ব‍্যয়ের হিসাব প্রদান করা হয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রবাসীদের সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপস্থিত বক্তারা স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা এবং এক সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বক্তব‍্য রাখেন সেক্রেটারী জেনারেল হেড অব ফাইন্যান্স কাউন্সিলর মোহাম্মদ আয়াছ মিয়া, ট্রেজারার মাওলানা সিরজুল ইসলাম সাদ, ট্রাষ্টি এম আবুল হাশেম, সমুজ আলী, আসিক আলী, উপদেষ্টা-ডা. আতাউর রহমান. এম এ কাইয়ুম, ফজলুর রহমান, মসলান্দর আলী, আবুল কালাম আজাদ চোটন, আসাব আলী, আবুল হক, সৈয়দ মনুয়ার আহমেদ, ফয়সল আহমেদ, খয়রুল ইসলাম, আশিকুর রহমান, আবদুল হান্নান, ইউসুফ আলী, তাহিদ মিয়া কয়েস, মির্জা শাহিন বেগ, শিপার বেগ, ফারুক আলী, ফারুক হোসেন।ফাউন্ডার মেম্বার খালেদ মাসুদ রনি, কো-অর্ডিনেটর ফারুক মিয়া প্রমুখ।

সভায় অনেকে ফাউন্ডার মেম্বার হন এবং হওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। বক্তারা বলেন, ব্রিটিশ রেজিস্টার্ড চ্যারিটি The 1 Hospital–এর একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক মানবিক প্রকল্প। যা সিলেটসহ বাংলাদেশের অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে। মানবিক কাজে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান বক্তারা।

দ‍্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল (1 Hospital) একটি যুক্তরাজ্য নিবন্ধিত জনকল্যাণমূলক দাতব্য সংস্থা। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের দোরগোড়ায় সাশ্রয়ী মূল্যে এবং বিনামূল্যে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া।

মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যজরুরি স্বাস্থ্যসেবা: বাংলাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।

হাসপাতাল নির্মাণ: সিলেটের বিশ্বনাথে ব্রিটিশ মানের একটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট সাধারণ (জেনারেল) হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা।

সাশ্রয়ী ও বিনামূল্যে সেবা: সাধারণ ও দুস্থ মানুষের জন্য কম খরচে অথবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা এবং ওষুধের ব্যবস্থা করা।

বহুমুখী চিকিৎসা কার্যক্রম: প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক (শুক্রবার বিনামূল্যে চিকিৎসা) চালুর পর একে সপ্তাহের প্রতিদিনের পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে রূপান্তর করা।


লন্ডনে সিলেট-চট্টগ্রাম উৎসব ইউকে ২০২৬ আয়োজনে প্রথম সভা ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠিত

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২৩ ২১:৪৫:২৮
লন্ডনে সিলেট-চট্টগ্রাম উৎসব ইউকে ২০২৬ আয়োজনে প্রথম সভা ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠিত
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

সামাজিক ও মানবিক সংগঠন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন যুক্তরাজ্যের উদ্যোগে বহির্বিশ্বে নতুন প্রজন্মের মাঝে সিলেট ও চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ কৃষ্টি কালচার ছড়িয়ে দিতে রেডব্রিজের একটি কমিউনিটি হলে ২২ জুন ২০২৬, সোমবার সিলেট-চট্টগ্রাম উৎসব ইউকে ২০২৬ আয়োজনের লক্ষ্যে প্রথম সভা ও সংগঠনের ৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন যুক্তরাজ্য শাখার আহবায় সুহেল ইসলাম ও সভা পচিালনা করেন সদস্য সচিব হেলেন ইসলাম।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও রেডব্রিজ কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র কাউন্সিলার সৈয়দা চৌধুরী।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেমডেনের সাবেক মেয়রিস লিনা চৌধুরী। সাবেক কাউন্সিলার আয়শা চৌধুরী। কমিউনিটি নেত্রী মিরা বড়ুয়া এবং সাহিন চৌধুরী, আব্দুল মালিক, রাহুল ইসলাম, গিয়াস উদ্দিন, বাবলু মিয়া, লুকমান মিয়া ও কমিউনিটি নেত্রীবৃন্দ।

এসময় বক্তরা বলেন, সিলেট এং চট্টগ্রামের দুই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, মেলবন্ধন, ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক কৃষ্টি কালচার ফুটিয়ে তোলা ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়াতে নান্দনিকভাবে ব্যবস্থাপনার কথা আয়োজকদের স্বরণ রাখতে অনুরোধ জানান।


কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: সিলেটের কানাইঘাটের ৫ প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত

প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ২১ ১৮:১০:১৬
কাতারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: সিলেটের কানাইঘাটের ৫ প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত
ছবি : সংগৃহীত

কাতারের আল-শাহানিয়া শহরের শামাল রোডে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার (২১ জুন) এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত পাঁচ বাংলাদেশির সবার বাড়িই সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায়। এই দুর্ঘটনায় তাদের সাথে একজন ভারতীয় নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন।

নিহত প্রবাসীরা হলেন—কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মোস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ এবং কাদের আহমদ। আকস্মিক এই মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছানোর পর নিহতদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কাতারপ্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও শোকের আবহ বিরাজ করছে।

বর্তমানে নিহতদের মরদেহ কাতারের স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন কাতারের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মালেক জানিয়েছেন, নিহতদের মরদেহ দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য তারা কাতারস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্বয় করছেন। আইনি প্রক্রিয়া ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে মরদেহগুলো দ্রুত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার চেষ্টা চলছে।

/আশিক


নর্থহ্যাম্পটনের মেয়র কর্তৃক ‘অনুপ্রেরণাদায়ক’ কমিউনিটি লিডার সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
প্রবাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১৮ ২১:৪৭:০০
নর্থহ্যাম্পটনের মেয়র কর্তৃক ‘অনুপ্রেরণাদায়ক’ কমিউনিটি লিডার সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

নর্থহ্যাম্পটন শহরের বাংলাদেশী কমিউনিটির অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতিস্বরূপ কাউন্সিলর মাইক হ্যালাম গিল্ডহলের মেয়রের পার্লারে এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।

১৭ জুন ২০২৬, বুধবার নর্থহ্যাম্পটনের মেয়র শহরের বাংলাদেশী ব্যবসায়ী লিডারদের ৩ জনকে সম্মাননা প্রদান করেছেন, যাঁরা তাঁদের নিজ নিজ স্থানীয় কমিউনিটিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।

নর্থহ্যাম্পটন বাংলাদেশী বিজনেস চেম্বার সিআইসি-এর অংশীদারিত্বে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং এতে তিনজন ব্রিটিশ বাংলাদেশীর কৃতিত্বকে চিহ্নিত করা হয়, যাঁরা তাঁদের নিজ নিজ স্থানীয় কমিউনিটিতে অত্যন্ত সম্মানিত সদস্য হিসেবে উঠে এসেছেন।

নসির আলীকে ‘অসামান্য কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট’ পুরস্কার প্রদান করা হয় এবং সিমরান আলী, নর্থহ্যাম্পটনের ওয়েলিংবোরো রোডে ‘ওপিয়াম’ রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন ‘তরুণ উদ্যোক্তা’ পুরস্কার লাভ করেন।সলিটর আক্তার হোসেন, যিনি ‘লেক্সওয়েল লিগ্যাল সার্ভিসেস’ এর মালিক ‘কমিউনিটি চ্যাম্পিয়ন’ পুরস্কার পেয়েছেন।

এনবিবিসি’র চেয়ারম্যান কাউন্সিলর নাজ ইসলাম বলেন: “যেকোনো সম্প্রদায়ের শক্তি পরিমাপ করা হয় সেইসব মানুষের মাধ্যমে, যারা নীরবে অন্যদের সাহায্য করার জন্য তাদের সময়, শক্তি এবং আবেগ উৎসর্গ করেন, এবং আজ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত এই তিনজন পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি সেই চেতনারই এক চমৎকার বাস্তব উদাহরণ।

‘‘তাঁদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ উপায়ে সমাজসেবা, উদ্যোক্তা বা পেশাগত নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি স্থায়ী পরিবর্তন এনেছেন এবং তাঁদের অবদান শুধু বাংলাদেশি সম্প্রদায়কেই নয়, বরং সমগ্র নর্দাম্পটনকে সমৃদ্ধ করেছে।’’

এনবিবিসি’র সেক্রেটারি মুজিবুর রহমান আরও বলেন: ‘‘মেয়রের সাথে এই অর্জনগুলো উদযাপন করা এবং বহু মানুষের জীবনে বিজয়ীদের ইতিবাচক প্রভাবকে স্বীকৃতি দেওয়া একটি বিশেষ সৌভাগ্যের বিষয় ছিল। তাঁদের গল্পগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মানুষ যখন একত্রিত হয়, একে অপরকে সমর্থন করে এবং নিজেদের সম্প্রদায়ের সেবায় গর্ববোধ করে, তখন কী অর্জন করা সম্ভব।’’

ডেপুটি চেয়ারম্যান টিপু রহমান বলেন: ‘‘আমরা এমন ব্যক্তিদের সমর্থন করতে পেরে গর্বিত, যাঁরা অন্যদের অনুপ্রাণিত করেন, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করেন এবং নর্দাম্পটনকে বসবাস ও কাজের জন্য আরও শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং প্রাণবন্ত একটি স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেন।’’ আমরা আশা করি, এই পুরস্কারগুলো অন্যদেরকে তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে এবং সমাজসেবার এই ঐতিহ্যকে অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করবে, যা আমাদের সম্প্রদায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

পাঠকের মতামত: