শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ডিআইজি জলিল? ট্রাইব্যুনালের বড় তথ্য

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩১ ২১:৫২:১১
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ডিআইজি জলিল? ট্রাইব্যুনালের বড় তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মন্ডলের সরাসরি পরিকল্পনার প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।

তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, শাপলা চত্বরের সেই অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ জন নিহত হওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেছে, তবে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি কি না তা নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে। গত বছরের ১৪ মে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রেক্ষিতে গত সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর সবুজবাগ থেকে ডিবি পুলিশ আব্দুল জলিল মন্ডলকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, "তদন্তে উঠে এসেছে যে আব্দুল জলিল মন্ডলের সার্বিক পরিকল্পনাতেই শাপলা চত্বরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ওইসব বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল।" তিনি আরও জানান, তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং নিহতদের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী ৫ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। দ্রুতই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

/আশিক


নবম পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৫ ১১:২১:০১
নবম পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য নতুন বেতন কাঠামোর বিভিন্ন গ্রেডের প্রস্তাবিত বেতন নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ, আলোচনা এবং প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। যদিও এখনো সরকারিভাবে কোনো চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি, তবুও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় আলোচনা চলছে।

বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর প্রথম জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর হয় ১৯৭৩ সালে। এরপর বিভিন্ন সময়ে মোট আটবার নতুন বেতন কাঠামো চালু করা হয়েছে। সর্বশেষ অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর হয়েছিল ২০১৫ সালে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কথা থাকলেও করোনা মহামারি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ এবং রাজস্ব ঘাটতির কারণে সেই প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল।

২০২৬ সালে এসে আবারও নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের আলোচনা সামনে আসায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও আর্থিক সংস্থার মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে গঠিত ১০ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি সম্ভাব্য বেতন কাঠামো, আর্থিক প্রভাব, মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং প্রশাসনিক ভারসাম্য নিয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে। কমিটি বিভিন্ন প্রস্তাব ও সুপারিশ বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত মতামত প্রস্তুতের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রথম গ্রেডের সম্ভাব্য মূল বেতন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় গ্রেডে বেতন হতে পারে ১ লাখ ৩২ হাজার থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকার মধ্যে। তৃতীয় গ্রেডের জন্য সম্ভাব্য বেতন কাঠামো ১ লাখ ১৩ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত প্রস্তাব করা হয়েছে।

চতুর্থ গ্রেডে বেতন ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণের সুপারিশ রয়েছে। অন্যদিকে পঞ্চম গ্রেডের জন্য সম্ভাব্য বেতন ধরা হয়েছে ৮৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত।

প্রস্তাবিত তালিকায় ষষ্ঠ গ্রেডে ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা এবং সপ্তম গ্রেডে ৫৮ হাজার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। অষ্টম গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ৪৭ হাজার ২০০ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়া নবম গ্রেডের জন্য সম্ভাব্য বেতন ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ১০০ থেকে ১ লাখ ৮ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত। দশম গ্রেডে ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণের আলোচনা চলছে।

একাদশ ও দ্বাদশ গ্রেডেও উল্লেখযোগ্য হারে বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। একাদশ গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা এবং দ্বাদশ গ্রেডে ২৪ হাজার ৩০০ থেকে ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ থেকে বিংশ গ্রেড পর্যন্ত সব পর্যায়েই বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সরকারি কর্মচারীরাও সরাসরি উপকৃত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে একইসঙ্গে সরকারের ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। ফলে বাজেট, রাজস্ব আয় এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

-রফিক


কৃষক কার্ডে মিলবে ১০ সুবিধা, জানাল সরকার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৫ ১১:১৩:০৯
কৃষক কার্ডে মিলবে ১০ সুবিধা, জানাল সরকার
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বিএনপির সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, দেশের কৃষকদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষক কার্ড কর্মসূচি চালু করেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা একসঙ্গে অন্তত ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন, যা দেশের কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বরগুনা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত কৃষি প্রযুক্তি ও পুষ্টি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষক, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বর্তমান সরকার চায় দেশের মানুষ যেন খেয়ে-পরে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারে। সেই লক্ষ্য থেকেই কৃষকদের জন্য বিভিন্ন বাস্তবমুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষক কার্ড চালুর ফলে কৃষকদের জন্য সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া আরও সহজ হবে।

চিফ হুইপের ভাষ্য অনুযায়ী, কৃষক কার্ডের আওতায় কৃষকরা সার, বীজ, সেচ, প্রশিক্ষণ, কৃষিঋণসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা পাবেন। এতে উৎপাদন খরচ কমবে এবং কৃষকদের আয় বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের যথাযথ সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে দেশের খাদ্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ খাদ্যে উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত হতে পারে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ভাষণে তিনি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তার মতে, কৃষি উৎপাদনে টেকসই উন্নয়ন ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অনেক আগেই উপলব্ধি করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

নুরুল ইসলাম মনি জানান, সেচব্যবস্থা সহজ করতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল পুনঃখনন ও সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে কৃষকরা সময়মতো পানি পাবেন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

একইসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষকদের স্বস্তি দিতে সরকার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ওপর ঋণের চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরগুনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাছলিমা আক্তার। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিম হোসেন, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রথীন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

তিন দিনব্যাপী এই কৃষি প্রযুক্তি ও পুষ্টি মেলায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত জাতের ফসল, পুষ্টিবিষয়ক সচেতনতা এবং কৃষি উদ্ভাবন তুলে ধরা হচ্ছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা চলবে।

এছাড়া কৃষি তথ্য সার্ভিসের সহযোগিতায় মেলায় কৃষিবিষয়ক তথ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ দর্শনার্থী ও কৃষকরা মেলাটি ঘুরে দেখতে পারবেন।

-রফিক


ঈদে বাড়ি ফেরা: ট্রেন টিকিটের নতুন আপডেট

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৫ ১১:০১:১৪
ঈদে বাড়ি ফেরা: ট্রেন টিকিটের নতুন আপডেট
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। বাংলাদেশ রেলওয়ে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী শুক্রবার (১৫ মে) তৃতীয় দিনের মতো বিক্রি করছে ২৫ মে’র ট্রেনযাত্রার টিকিট। সকাল থেকেই অনলাইনে টিকিট সংগ্রহে যাত্রীদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, ঈদ উপলক্ষে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে। কাউন্টার থেকে কোনো অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে না। যাত্রীদের ঘরে বসেই টিকিট সংগ্রহের সুযোগ দিতে এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে গত ১৩ মে থেকে টানা পাঁচ দিনের জন্য অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আগামী শনিবার (১৬ মে) বিক্রি হবে ২৬ মে’র টিকিট এবং ১৭ মে বিক্রি হবে ২৭ মে’র টিকিট।

রেলওয়ের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একজন যাত্রী অগ্রিম যাত্রার জন্য একবারে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। একই সঙ্গে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, ঈদের অগ্রিম টিকিট কোনো অবস্থাতেই ফেরত বা রিফান্ড করা যাবে না।

প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা ছাড়ার প্রবণতা ব্যাপক হওয়ায় ট্রেন টিকিটের চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ, চট্টগ্রাম, সিলেট ও দক্ষিণাঞ্চলগামী ট্রেনগুলোর টিকিটের জন্য অনলাইনে তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।

রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলছেন, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে অনলাইনভিত্তিক ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। একইসঙ্গে সার্ভারের সক্ষমতা বাড়ানো এবং সাইবার নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তবে অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন, টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বেশিরভাগ জনপ্রিয় রুটের আসন শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেকেই কাঙ্ক্ষিত টিকিট পাচ্ছেন না।

-রফিক


কোচিং সেন্টার বন্ধ করার ক্ষমতা আমার নেই: শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৪ ২১:১৪:০১
কোচিং সেন্টার বন্ধ করার ক্ষমতা আমার নেই: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত বা নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান না হওয়ায় সেগুলো সরাসরি বন্ধ করার এখতিয়ার সরকারের নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, আইনি কাঠামোর বাইরে থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর মন্ত্রণালয়ের সরাসরি প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেই।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা কোচিংয়ের দিকে ঝুঁকছে মূলত শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত ও পর্যাপ্ত পাঠদান না পাওয়ার কারণে। তিনি মনে করেন, যদি ক্লাসরুমভিত্তিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও আকর্ষণীয় করা যায়, তবে কোচিং সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা একসময় এমনিতেই ফুরিয়ে আসবে। পরীক্ষা এবং ভর্তি কার্যক্রমের মধ্যকার দীর্ঘ বিরতি কমিয়ে আনাও কোচিংনির্ভরতা কমানোর একটি উপায় হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বাইরের কোচিং বাণিজ্যে লাগাম টানতে সরকার ভবিষ্যতে ‘ইন-হাউজ কোচিং’ বা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মাধ্যমেই অতিরিক্ত পাঠদানের পুরোনো পদ্ধতিকে পুনরায় চালুর কথা ভাবছে। এতে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে নামীদামি কোচিং সেন্টারের ওপর নির্ভরশীলতাও হ্রাস পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুরুতর অভিযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী কিছুটা রসিকতার ছলে বলেন, “আমি তো এত স্মার্ট না, বুঝি নাই যে কোচিং সেন্টার প্রশ্ন ফাঁস করে।” তবে এই মন্তব্যের আড়ালে তিনি মূলত এটিই বোঝাতে চেয়েছেন যে, মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃতিবিহীন কোনো প্রতিষ্ঠানের অপকর্মের দায়ভার শিক্ষা প্রশাসনের ওপর সরাসরি বর্তায় না।

/আশিক


ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মেগা পরিকল্পনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৪ ২১:১০:৩৬
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মেগা পরিকল্পনা
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা শহরের চিরচেনা যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। যানজট নিরসনের উপায় খুঁজতে এটি ছিল বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় বিশেষ সভা।

সভায় ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আমূল পরিবর্তনের বিষয়ে নীতিনির্ধারণী আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি এবং রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ। এ ছাড়া দুই সিটির প্রশাসকদের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আব্দুস সালাম ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস এমপি এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার যানজট সমস্যা নিরসনে কেবল সড়ক নয়, বরং রেল ও নৌপথকেও সমন্বিতভাবে ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং সিস্টেম এবং যত্রতত্র পার্কিং বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন, যাতে সাধারণ মানুষ দ্রুত এর সুফল পেতে শুরু করে।

যানজট নিয়ে এটি দ্বিতীয় সভা হওয়ার কারণে আগের সভার সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। ঢাকার প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলো সুগম করা এবং গণপরিবহনের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এই সভার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সরাসরি তদারকির ফলে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।

/আশিক


টানা ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: ঈদুল আজহায় প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৪ ১৮:২৫:৪১
টানা ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: ঈদুল আজহায় প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ৭ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রকাশিত এই আদেশের ফলে দীর্ঘ ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন কর্মজীবীরা।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে (রোববার) পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে এই লম্বা ছুটি পুষিয়ে নিতে আগামী ২৩ ও ২৪ মে (শনি ও রোববার) অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও (২৩ মে) অফিস করতে হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার কথা রয়েছে।

টানা এই ছুটি চলাকালীন জরুরি পরিষেবাগুলো যথারীতি চালু থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং টেলিফোন ও ইন্টারনেটের মতো অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে জড়িত কর্মী ও যানবাহন এই ছুটির আওতায় পড়বে না। এ ছাড়া হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গকেও কর্মস্থলে থাকতে হবে।

ব্যাংকিং কার্যক্রম কতটুকু বা কীভাবে চালু থাকবে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আলাদা নির্দেশনা জারি করবে। একইভাবে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কল-কারখানার ছুটির বিষয়টি ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী নির্ধারণ করবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

লম্বা এই ছুটির ঘোষণায় নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও, ছুটির আগে শনি ও রোববার অফিস করার বাধ্যবাধকতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

/আশিক


টানা ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: ঈদুল আজহায় প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৪ ১৮:২৫:৪১
টানা ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: ঈদুল আজহায় প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ৭ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রকাশিত এই আদেশের ফলে দীর্ঘ ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন কর্মজীবীরা।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে (রোববার) পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে এই লম্বা ছুটি পুষিয়ে নিতে আগামী ২৩ ও ২৪ মে (শনি ও রোববার) অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও (২৩ মে) অফিস করতে হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার কথা রয়েছে।

টানা এই ছুটি চলাকালীন জরুরি পরিষেবাগুলো যথারীতি চালু থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং টেলিফোন ও ইন্টারনেটের মতো অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে জড়িত কর্মী ও যানবাহন এই ছুটির আওতায় পড়বে না। এ ছাড়া হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গকেও কর্মস্থলে থাকতে হবে।

ব্যাংকিং কার্যক্রম কতটুকু বা কীভাবে চালু থাকবে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আলাদা নির্দেশনা জারি করবে। একইভাবে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কল-কারখানার ছুটির বিষয়টি ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী নির্ধারণ করবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

লম্বা এই ছুটির ঘোষণায় নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও, ছুটির আগে শনি ও রোববার অফিস করার বাধ্যবাধকতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

/আশিক


শিরিন শারমিন ও তারেক রহমান ছিলেন একই ব্যাচের: ঢাবির স্মৃতিচারণে আসিফ নজরুল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৪ ১১:৫৯:১৪
শিরিন শারমিন ও তারেক রহমান ছিলেন একই ব্যাচের: ঢাবির স্মৃতিচারণে আসিফ নজরুল
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষাজীবন নিয়ে চলমান নানা আলোচনার অবসান ঘটিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। বুধবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন এবং ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন।

আসিফ নজরুল তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, তারেক রহমান ১৯৮৫-৮৬ ব্যাচে আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে মাস দুয়েক নিয়মিত ক্লাসও করেছিলেন। আইন বিভাগে তারেক রহমানের ওপরের ব্যাচের ছাত্র হিসেবে বিষয়টি তিনি সরাসরি জানতেন বলে দাবি করেন।

তারেক রহমানের সহপাঠী হিসেবে তৎকালীন সময়ের বেশ কয়েকজন প্রথিতযশা ও পরিচিত ব্যক্তির নামও উল্লেখ করেছেন ড. আসিফ নজরুল। তিনি জানান, সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহপাঠী ছিলেন।

তারেক রহমানের পড়াশোনা কেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেই বিষয়েও আলোকপাত করেছেন এই অধ্যাপক। তিনি জানান, তৎকালীন এরশাদ সরকারের আমলে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই মূলত তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারেনি। ওই সময় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এরশাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকায় তারেক রহমানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল বলে ধারণা করা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে তারেক রহমানের ছাত্রত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল, অধ্যাপক আসিফ নজরুলের এই বক্তব্যের মাধ্যমে তার একটি শক্তিশালী দালিলিক ভিত্তি তৈরি হলো।

/আশিক


সবার অনার্স-মাস্টার্স করার প্রয়োজন নেই, চাই কারিগরি দক্ষতা: মাহদী আমিন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ২১:৪৪:১৬
সবার অনার্স-মাস্টার্স করার প্রয়োজন নেই, চাই কারিগরি দক্ষতা: মাহদী আমিন
ছবি : সংগৃহীত

গত ১৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নতুন সংস্কৃতি গড়তে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার মাত্র তিন মাসেই নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো তরুণ ও নারী জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে কর্মসংস্থানের দূরত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সবার অনার্স-মাস্টার্স করার প্রয়োজন নেই। আমরা এমন একটি হোলিস্টিক ইকোসিস্টেম গড়তে চাই যেখানে দক্ষতা ও কারিগরি যোগ্যতাই হবে শিক্ষার মূল ভিত্তি। ভোকেশনাল শিক্ষার মাধ্যমে আমরা ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমি কোলাবরেশন তৈরি করতে চাই।”

সরকারের তিন মাস পূর্তিতে কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে মুখপাত্র জানান, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী এবং কৃষি ঋণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতিগুলো ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এগুলো সফল হলে পর্যায়ক্রমে সারাদেশের মানুষ এর সুফল পাবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মানুষের যৌক্তিক সমালোচনা করার অধিকার থাকবে এবং সরকার আদর্শিক ভিন্নতাকে ধারণ করেই জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণে এনজিওগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করে মাহদী আমিন বলেন, সরকার একা বিচ্ছিন্নভাবে (আইসোলেশনে) কোনো পলিসি বাস্তবায়ন করতে চায় না। এনজিওগুলোকে সরকারের 'ইমপ্লিমেন্টেশন পার্টনার' হিসেবে শক্তিশালী করা হবে। বিশেষ করে পরিবেশ সংরক্ষণে দক্ষ জনবল তৈরিতে এনজিওগুলোর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় দেশে স্বচ্ছতা ও বাকস্বাধীনতার অভাব ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মানুষের বিশাল প্রত্যাশার বোঝা আমাদের কাঁধে। আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে আইনের শাসন এবং জবাবদিহিতা থাকবে প্রধান স্তম্ভ।”

সূত্র: বাসস

পাঠকের মতামত: