দেশে আর থাকবে না মব কালচার: সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা

দেশে চলমান ‘মব কালচার’ বা মবের মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রবণতা আর বরদাশত করা হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই ঘোষণা দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, সরকার বাকস্বাধীনতা ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করবে, তবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দাবি আদায়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
সংসদ অধিবেশনে রুমিন ফারহানা বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রসঙ্গ টেনে বর্তমান সময়ের ‘মব কালচার’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান যে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মব কালচারের শিকার হয়ে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এমনকি গত ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজেও এই পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন বলে সংসদে জানান। এই কালচার বন্ধে সরকারের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ কী—তা জানতে চান তিনি।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বাংলাদেশে কোনো ধরনের মব কালচার থাকবে না। বিশেষ করে দাবি আদায়ের নামে মহাসড়ক বা রাস্তা অবরোধ করার যে প্রবণতা আগে দেখা গিয়েছিল, তা আর কোনোভাবেই অনুমতি দেওয়া হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ মব এবং সুসংগঠিত অপরাধের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে হামলা বা ভাঙচুর করা মূলত পরিকল্পিত অপরাধ, যা মব কালচারের সংজ্ঞায় পড়ে না। এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, জনগণের দাবি থাকতেই পারে, তবে তা প্রকাশের জন্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া, সেমিনার বা শান্তিপূর্ণ জনসমাবেশ করার অধিকার সবার আছে। সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিন্তু মবের দোহাই দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বা অস্থিতিশীলতা তৈরি করাকে কোনোভাবেই সমর্থন করা হবে না।
/আশিক
কোচিং সেন্টার বন্ধ করার ক্ষমতা আমার নেই: শিক্ষামন্ত্রী
কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত বা নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান না হওয়ায় সেগুলো সরাসরি বন্ধ করার এখতিয়ার সরকারের নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, আইনি কাঠামোর বাইরে থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর মন্ত্রণালয়ের সরাসরি প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেই।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা কোচিংয়ের দিকে ঝুঁকছে মূলত শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত ও পর্যাপ্ত পাঠদান না পাওয়ার কারণে। তিনি মনে করেন, যদি ক্লাসরুমভিত্তিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও আকর্ষণীয় করা যায়, তবে কোচিং সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা একসময় এমনিতেই ফুরিয়ে আসবে। পরীক্ষা এবং ভর্তি কার্যক্রমের মধ্যকার দীর্ঘ বিরতি কমিয়ে আনাও কোচিংনির্ভরতা কমানোর একটি উপায় হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বাইরের কোচিং বাণিজ্যে লাগাম টানতে সরকার ভবিষ্যতে ‘ইন-হাউজ কোচিং’ বা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মাধ্যমেই অতিরিক্ত পাঠদানের পুরোনো পদ্ধতিকে পুনরায় চালুর কথা ভাবছে। এতে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে নামীদামি কোচিং সেন্টারের ওপর নির্ভরশীলতাও হ্রাস পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুরুতর অভিযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী কিছুটা রসিকতার ছলে বলেন, “আমি তো এত স্মার্ট না, বুঝি নাই যে কোচিং সেন্টার প্রশ্ন ফাঁস করে।” তবে এই মন্তব্যের আড়ালে তিনি মূলত এটিই বোঝাতে চেয়েছেন যে, মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃতিবিহীন কোনো প্রতিষ্ঠানের অপকর্মের দায়ভার শিক্ষা প্রশাসনের ওপর সরাসরি বর্তায় না।
/আশিক
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মেগা পরিকল্পনা
ঢাকা শহরের চিরচেনা যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। যানজট নিরসনের উপায় খুঁজতে এটি ছিল বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় বিশেষ সভা।
সভায় ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আমূল পরিবর্তনের বিষয়ে নীতিনির্ধারণী আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি এবং রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ। এ ছাড়া দুই সিটির প্রশাসকদের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আব্দুস সালাম ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস এমপি এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার যানজট সমস্যা নিরসনে কেবল সড়ক নয়, বরং রেল ও নৌপথকেও সমন্বিতভাবে ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং সিস্টেম এবং যত্রতত্র পার্কিং বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন, যাতে সাধারণ মানুষ দ্রুত এর সুফল পেতে শুরু করে।
যানজট নিয়ে এটি দ্বিতীয় সভা হওয়ার কারণে আগের সভার সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। ঢাকার প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলো সুগম করা এবং গণপরিবহনের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এই সভার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সরাসরি তদারকির ফলে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।
/আশিক
টানা ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: ঈদুল আজহায় প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ৭ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রকাশিত এই আদেশের ফলে দীর্ঘ ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন কর্মজীবীরা।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে (রোববার) পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে এই লম্বা ছুটি পুষিয়ে নিতে আগামী ২৩ ও ২৪ মে (শনি ও রোববার) অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও (২৩ মে) অফিস করতে হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার কথা রয়েছে।
টানা এই ছুটি চলাকালীন জরুরি পরিষেবাগুলো যথারীতি চালু থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং টেলিফোন ও ইন্টারনেটের মতো অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে জড়িত কর্মী ও যানবাহন এই ছুটির আওতায় পড়বে না। এ ছাড়া হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গকেও কর্মস্থলে থাকতে হবে।
ব্যাংকিং কার্যক্রম কতটুকু বা কীভাবে চালু থাকবে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আলাদা নির্দেশনা জারি করবে। একইভাবে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কল-কারখানার ছুটির বিষয়টি ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী নির্ধারণ করবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
লম্বা এই ছুটির ঘোষণায় নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও, ছুটির আগে শনি ও রোববার অফিস করার বাধ্যবাধকতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
/আশিক
টানা ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: ঈদুল আজহায় প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ৭ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রকাশিত এই আদেশের ফলে দীর্ঘ ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন কর্মজীবীরা।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে (রোববার) পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে এই লম্বা ছুটি পুষিয়ে নিতে আগামী ২৩ ও ২৪ মে (শনি ও রোববার) অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও (২৩ মে) অফিস করতে হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার কথা রয়েছে।
টানা এই ছুটি চলাকালীন জরুরি পরিষেবাগুলো যথারীতি চালু থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং টেলিফোন ও ইন্টারনেটের মতো অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে জড়িত কর্মী ও যানবাহন এই ছুটির আওতায় পড়বে না। এ ছাড়া হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গকেও কর্মস্থলে থাকতে হবে।
ব্যাংকিং কার্যক্রম কতটুকু বা কীভাবে চালু থাকবে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আলাদা নির্দেশনা জারি করবে। একইভাবে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কল-কারখানার ছুটির বিষয়টি ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী নির্ধারণ করবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
লম্বা এই ছুটির ঘোষণায় নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও, ছুটির আগে শনি ও রোববার অফিস করার বাধ্যবাধকতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
/আশিক
শিরিন শারমিন ও তারেক রহমান ছিলেন একই ব্যাচের: ঢাবির স্মৃতিচারণে আসিফ নজরুল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষাজীবন নিয়ে চলমান নানা আলোচনার অবসান ঘটিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। বুধবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন এবং ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন।
আসিফ নজরুল তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, তারেক রহমান ১৯৮৫-৮৬ ব্যাচে আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে মাস দুয়েক নিয়মিত ক্লাসও করেছিলেন। আইন বিভাগে তারেক রহমানের ওপরের ব্যাচের ছাত্র হিসেবে বিষয়টি তিনি সরাসরি জানতেন বলে দাবি করেন।
তারেক রহমানের সহপাঠী হিসেবে তৎকালীন সময়ের বেশ কয়েকজন প্রথিতযশা ও পরিচিত ব্যক্তির নামও উল্লেখ করেছেন ড. আসিফ নজরুল। তিনি জানান, সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এবং সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহপাঠী ছিলেন।
তারেক রহমানের পড়াশোনা কেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেই বিষয়েও আলোকপাত করেছেন এই অধ্যাপক। তিনি জানান, তৎকালীন এরশাদ সরকারের আমলে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই মূলত তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারেনি। ওই সময় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এরশাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকায় তারেক রহমানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল বলে ধারণা করা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে তারেক রহমানের ছাত্রত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল, অধ্যাপক আসিফ নজরুলের এই বক্তব্যের মাধ্যমে তার একটি শক্তিশালী দালিলিক ভিত্তি তৈরি হলো।
/আশিক
সবার অনার্স-মাস্টার্স করার প্রয়োজন নেই, চাই কারিগরি দক্ষতা: মাহদী আমিন
গত ১৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নতুন সংস্কৃতি গড়তে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার মাত্র তিন মাসেই নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো তরুণ ও নারী জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে কর্মসংস্থানের দূরত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সবার অনার্স-মাস্টার্স করার প্রয়োজন নেই। আমরা এমন একটি হোলিস্টিক ইকোসিস্টেম গড়তে চাই যেখানে দক্ষতা ও কারিগরি যোগ্যতাই হবে শিক্ষার মূল ভিত্তি। ভোকেশনাল শিক্ষার মাধ্যমে আমরা ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমি কোলাবরেশন তৈরি করতে চাই।”
সরকারের তিন মাস পূর্তিতে কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে মুখপাত্র জানান, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী এবং কৃষি ঋণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতিগুলো ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এগুলো সফল হলে পর্যায়ক্রমে সারাদেশের মানুষ এর সুফল পাবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মানুষের যৌক্তিক সমালোচনা করার অধিকার থাকবে এবং সরকার আদর্শিক ভিন্নতাকে ধারণ করেই জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণে এনজিওগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করে মাহদী আমিন বলেন, সরকার একা বিচ্ছিন্নভাবে (আইসোলেশনে) কোনো পলিসি বাস্তবায়ন করতে চায় না। এনজিওগুলোকে সরকারের 'ইমপ্লিমেন্টেশন পার্টনার' হিসেবে শক্তিশালী করা হবে। বিশেষ করে পরিবেশ সংরক্ষণে দক্ষ জনবল তৈরিতে এনজিওগুলোর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় দেশে স্বচ্ছতা ও বাকস্বাধীনতার অভাব ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মানুষের বিশাল প্রত্যাশার বোঝা আমাদের কাঁধে। আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে আইনের শাসন এবং জবাবদিহিতা থাকবে প্রধান স্তম্ভ।”
সূত্র: বাসস
১০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে শিশু স্বর্গ: বিশেষ শিশুদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষা এবং তাঁদের জন্য রাষ্ট্রীয় সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সভায় তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো এবং সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর নির্দেশনায় ভবন নির্মাণ নীতিমালায় বড় পরিবর্তনের কথা বলেন। এখন থেকে হাসপাতাল, রেস্টুরেন্ট এবং সব সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের যাতায়াতের উপযোগী অবকাঠামো ও টয়লেট সুবিধা রাখা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে কক্ষের দরজাগুলো এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা কোনো বাধা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন।
নারীদের জন্য পরিকল্পিত ইলেকট্রিক বাসগুলোতেও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি, সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খেলাধুলার ক্ষেত্রে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে তাঁদের সক্ষমতাকে মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি করা হবে।
সভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্প। প্রাথমিকভাবে দেশের ১০টি জেলার ১০টি উপজেলায় এই প্রকল্প চালু করা হবে, যার মাধ্যমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন সেবা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, দেশের প্রতিটি প্রতিবন্ধী স্কুলের কার্যক্রম সঠিকভাবে চলছে কি না, তা নিবিড়ভাবে তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সভায় স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, তথ্য, সমাজকল্যাণ, পরিকল্পনা এবং গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবন্ধীদের পক্ষে বিশেষজ্ঞ মতামত তুলে ধরেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সাত্তার দুলাল।
/আশিক
পদ্মা ব্যারেজ আমাদের স্বার্থ, ভারতের সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী
ভারতের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই দেশের স্বার্থে নিজস্ব অর্থায়নে 'পদ্মা ব্যারেজ' প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে একনেক সভায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্প অনুমোদনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
পানিসম্পদমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, “পদ্মা ব্যারেজ আমাদের একান্তই নিজস্ব স্বার্থের ব্যাপার। এটি নির্মাণে ভারতের সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই। তবে গঙ্গা নদীর পানির হিস্যা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়া বর্তমানে সচল আছে।” তিনি আরও যোগ করেন, ফারাক্কা ব্যারেজের কারণে বাংলাদেশ যে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, রাজবাড়ীতে এই ব্যারেজ নির্মাণের মাধ্যমে পানি মজুদ করে সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী জানান, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের মোট আয়তনের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা অর্থাৎ ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে ৫ বছর মেয়াদী এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা। প্রতি বছর গড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা করে এই প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হবে।
এ্যানি বলেন, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী খাল খননের মাধ্যমে পানি আনা হবে এবং পানি মজুদের কারিগরি দিকটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গঙ্গা চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কারিগরি দল নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে তিনি এটিও পরিষ্কার করেন যে, ভারতের সঙ্গে অভিন্ন ৫৪টি নদীর পানির হিস্যার বিষয়টি এই প্রকল্পের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়।
/আশিক
লুটপাটের অর্থনীতি ঠিক করতে লাগবে ২ বছর: তথ্যমন্ত্রী
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বিশাল বোঝা এবং লুটপাটের কারণে ধ্বংসপ্রায় অর্থনীতিকে পুনরায় স্বাবলম্বী করতে কমপক্ষে আরও দুই বছর সময়ের প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এই সংকটময় সময়ে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির স্বার্থে জাতীয় পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বুধবার (১৩ মে) সকালে রাজধানীর উত্তরা কমিউনিটি সেন্টারে মাসব্যাপী ইসলামী প্রতিযোগিতা ‘আলোকিত মাহে রমাদান’-এর চূড়ান্ত বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
তথ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের একটি ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে বিগত সরকারের লুটপাট করা ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা পেয়েছি। আমাদের প্রতিবছর ৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে হবে। বর্তমানে দেশের রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্সের তুলনায় আমদানিতে অনেক বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, এই বিশাল ঘাটতি ও ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতিকে ঘুরিয়ে দাঁড় করানো এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। আসমান থেকে টাকা আসবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কঠোর পরিশ্রম ও স্থিতিশীল পরিবেশের মাধ্যমেই এই অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে হবে এবং এর জন্য ন্যূনতম দুই বছর সময়ের প্রয়োজন।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যারা ভোটারবিহীনভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল, তারা জনগণের মধ্যে বিভাজন ও ধর্মীয় বিভেদ তৈরি করে ফায়দা লুটতে চেয়েছিল। অতীতে এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল যে, মাদরাসা ছাত্র পরিচয় দেওয়া বা ধর্মীয় পোশাক পরাকেও সন্দেহের চোখে দেখা হতো। বর্তমান সরকার সেই ভয়ের সংস্কৃতি দূর করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করেছে বলে তিনি দাবি করেন।
আলেম-ওলামাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনারা সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হতে পারেন। আগামী দুই বছর আমরা যদি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে না পারি, তবে এই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার বাধাগ্রস্ত হবে।” তিনি আরও বলেন, দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করতে অতীতে পরিকল্পিতভাবে নাটক সাজিয়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছিল। কোনো অপশক্তি যেন এই ঐক্য বিনষ্ট করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় সংসদে আমরা বিরোধী দলের সঙ্গে গঠনমূলক তর্ক-বিতর্ক করছি, এটি অব্যাহত থাকবে।” তবে সংসদের সেই বিতর্ককে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কেউ যাতে রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেদিকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব আল্লামা মুফতি আব্দুল মালেক এবং উত্তরা ১২ নং সেক্টর বাইতুন নূর জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ২০.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি: অর্থবছরের শেষভাগে শক্তিশালী হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
- আফ্রিকায় ভারতীয় জম্বি ড্রাগের তণ্ডবলীলা: লাশের পাহাড় ফ্রিটাউনে
- লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের লক্ষ্যবস্তু এখন মাসুম শিশুরা
- হালাল হলেও নবীজি (সা.) অপছন্দ করতেন পশুর যে ৭টি অংশ
- মাঠ থেকে এবার ডাগআউটে: নতুন মিশনে সাইলেন্ট কিলার
- কোচিং সেন্টার বন্ধ করার ক্ষমতা আমার নেই: শিক্ষামন্ত্রী
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মেগা পরিকল্পনা
- কালিগঞ্জে দুর্নীতির রাজত্ব: ভায়রার ব্যক্তিগত রাস্তা ও পুকুর দখলে চেয়ারম্যানের দাপট
- বোয়ালখালীতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে এমআরটি ক্লাব: ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
- শি আমার বন্ধু: বেইজিংয়ের আড়ম্বরপূর্ণ ভোজ শেষে দরাজ কণ্ঠে ট্রাম্প
- বেইজিং সামিট ২০২৬: বিশ্ব বিবেককে নাড়া দেওয়া শির প্রশ্ন ও ট্রাম্পের জবাব
- আড়াই মাস পর খুলল হরমুজ প্রণালি
- ইতিহাসে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে
- টানা ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: ঈদুল আজহায় প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত
- টানা ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: ঈদুল আজহায় প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত
- ইরান যুদ্ধের ফাঁদে খোদ ট্রাম্প: জ্বালানি ও মূল্যস্ফীতির চাপে মার্কিন অর্থনীতি
- আইসিসির মাসসেরা মুকুট নাহিদ রানার মাথায়: নিউজিল্যান্ড বধে বড় স্বীকৃতি
- ১৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৪ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড চরভদ্রাসন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
- কোচিং বাণিজ্যের অবসান চান থালাপতি বিজয়: মেডিকেল ভর্তিতে নতুন প্রস্তাব
- সার্বভৌমত্বে ছাড় নেই: বেইজিংয়ে ট্রাম্পকে শির চূড়ান্ত সতর্কবার্তা
- ১৩ বছর পর কাঠগড়ায় দীপু মনি: শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার শুরু আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে
- শিরিন শারমিন ও তারেক রহমান ছিলেন একই ব্যাচের: ঢাবির স্মৃতিচারণে আসিফ নজরুল
- সাকিবের বিস্ফোরক তথ্য: ১ কোটি টাকা দিলে নাম কাটার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল
- শি জিনপিংকে মহান নেতা অভিহিত করলেন ট্রাম্প: বেইজিংয়ে সম্পর্কের নতুন মোড়
- দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় কালবৈশাখীর শঙ্কা: ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- ইরান ইস্যুতে অগ্রগতির দাবি জেডি ভ্যান্সের: ট্রাম্পের রেড লাইন কি পূরণ হবে?
- আজ বৃহস্পতিবার: ঢাকার কোন কোন এলাকার মার্কেট বন্ধ জানুন
- ঈদের আগে নতুন নোটের সংকট: ১৬ হাজার কোটির চাহিদায় মিলছে মাত্র অর্ধেক
- সোনার বাজারে আগুনের হল্কা: নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে ২২ ক্যারেট
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- বেইজিংয়ে মুখোমুখি ট্রাম্প ও শি জিনপিং: বিশ্ব তাকিয়ে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে
- ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর এবার নেতানিয়াহু: নারায়ণগঞ্জের খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়
- শত্রুর কল্পনাকেও হার মানাবে আমাদের গোপন শক্তি: ইরানি সেনা মুখপাত্র
- মৃত ঘোষণা, কবর খোঁড়ার পর নড়েচড়ে উঠলেন যুবক
- সবার অনার্স-মাস্টার্স করার প্রয়োজন নেই, চাই কারিগরি দক্ষতা: মাহদী আমিন
- ১০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে শিশু স্বর্গ: বিশেষ শিশুদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তিতে চীনকে জামিনদার চায় ইরান
- ৯৬ বছরের বিশ্বকাপ ইতিহাস: পয়েন্ট টেবিলে সবার সেরা অপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল
- সরকারি কর্মচারীদের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসছে নতুন পে স্কেল
- ভারতের কাছে মেরুদণ্ড বিক্রি করেছে এই সরকার: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- রাত ৮টার মধ্যে ৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা: আবহাওয়া অফিসের সতর্কতা
- পদ্মা ব্যারেজ আমাদের স্বার্থ, ভারতের সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী
- লুটপাটের অর্থনীতি ঠিক করতে লাগবে ২ বছর: তথ্যমন্ত্রী
- একনেকে ৩৬ হাজার কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন
- ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজ: ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কে নতুন ফাটল
- সচিবালয় থেকে কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারদর চূড়ান্ত করল মন্ত্রণালয়
- নানিয়ারচর জোন (১৭ ই বেংগল) কর্তৃক অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান
- ১৩ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- সোনার বাজারে আগুনের হল্কা: নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে ২২ ক্যারেট
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- তামিলনাড়ুতে ‘থালাপতি’ যুগের সূচনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়
- আজ শনিবারের নামাজের সময়সূচি: জোহর থেকে এশার পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- আকাশচুম্বী দামে থমকে আছে স্বর্ণ: সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে অলঙ্কার
- ১৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- পুঁথিগত বিদ্যা নয়, নজর দিন উদ্ভাবনে: ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- ১৪ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- প্রথম সেশনে দাপুটে বোলিংয়ে পাকিস্তানের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- হেক্সা জয়ের লক্ষ্যে ব্রাজিলের ৫৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড








