যুদ্ধ থামাতে ইরানকেই এগোতে হবে: ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৭ ১১:০৮:৫৫
যুদ্ধ থামাতে ইরানকেই এগোতে হবে: ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আরও কঠোর ও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ এখন আর ওয়াশিংটনের হাতে নেই; বরং ইরানকেই এগিয়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রকে সন্তুষ্ট করতে হবে।

শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, আলোচনার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এখন কৌশলগতভাবে কঠিন। তার মতে, ইরান যদি সত্যিই সংঘাতের অবসান চায়, তবে তাদেরই প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান বর্তমানে একটি চুক্তির জন্য আগ্রহী হয়ে উঠেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রস্তাব গ্রহণ করবে কি না, কিংবা আদৌ চুক্তিতে যেতে চায় কি না, সে বিষয়ে তিনি অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের সূচনায় ট্রাম্প গণমাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনের সমালোচনা করেন, যেখানে বলা হয়েছিল তিনি কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি আগ্রহী। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাস্তবে আলোচনায় ফেরার চেষ্টা করছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়।

তার বক্তব্যে দ্বৈত বার্তাও লক্ষ্য করা যায়। একদিকে তিনি ইরানের নেতাদের দক্ষ আলোচক হিসেবে স্বীকৃতি দেন, অন্যদিকে তাদের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ‘দুর্বল যোদ্ধা’ বলেও মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানান, যুদ্ধ থামানোর দায় ইরানের ওপরই বর্তায়। তিনি বলেন, ইরান চাইলে আলোচনায় আসতে পারে, তবে এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।

এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও যুদ্ধকে কৌশলগতভাবে সফল বলে দাবি করেছেন। তার মতে, চলমান সংঘাত ইতোমধ্যেই ইরানের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করেছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ভ্যান্স বলেন, কয়েক সপ্তাহ আগের তুলনায় এখন ইরানের পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে নতুন কৌশলগত বিকল্প তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে সামরিক চাপ অব্যাহত রাখা এবং একই সঙ্গে কূটনৈতিক পথ অনুসরণ করে সংঘাতের সমাধান খোঁজা।

বিশ্লেষকদের মতে, ভ্যান্সের এই বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ অতীতে তিনি বিদেশে সামরিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে তুলনামূলকভাবে সংযত অবস্থান নিয়েছিলেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি প্রশাসনের কঠোর নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বক্তব্য দিচ্ছেন।

অন্যদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও প্রকাশ্যে যুদ্ধপন্থী অবস্থান তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা রোধ করাই এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্য।

ভ্যান্স স্পষ্ট করে বলেন, ইরান যাতে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র বা মিত্রদের জন্য পারমাণবিক হুমকি হয়ে উঠতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করাই এই সামরিক পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য।

সার্বিকভাবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র একদিকে সামরিক চাপ বাড়িয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে কূটনৈতিক দরজা পুরোপুরি বন্ধ করছে না। ফলে যুদ্ধ ও আলোচনার এই দ্বৈত কৌশল মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে।

-রাফসান


যুদ্ধবিরতির মাঝেই রণক্ষেত্র লেবানন: হিজবুল্লাহর পাল্টা আক্রমণে বিপর্যস্ত ইসরায়েল

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১০:৫৩:৪৬
যুদ্ধবিরতির মাঝেই রণক্ষেত্র লেবানন: হিজবুল্লাহর পাল্টা আক্রমণে বিপর্যস্ত ইসরায়েল
ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান ও সেনাদের লক্ষ্য করে নজিরবিহীন আক্রমণ চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। সোমবার (১১ মে) এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি দাবি করে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর অন্তত ২৪টি সফল হামলা পরিচালনা করেছে। মূলত ইসরায়েল কর্তৃক যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

হিজবুল্লাহর দাবি অনুযায়ী, এই আক্রমণগুলোতে খিয়াম, দেইর সেরিয়ান, তায়র হারফা ও নাকোরার মতো সীমান্ত এলাকাগুলোতে ইসরায়েলি সেনাসমাবেশ, মেরকাভা ট্যাংক, ডি-নাইন বুলডোজার এবং নতুন স্থাপিত কমান্ড সেন্টারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই অভিযানে ড্রোন, রকেট, কামানের গোলা এবং অত্যাধুনিক গাইডেড মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে। বেশ কিছু হামলায় ‘সুনিশ্চিত আঘাত’ হানার দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

অন্যদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনথ জানিয়েছে, লেবানন থেকে ড্রোনের অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় রোববার গভীর রাতে আপার গ্যালিলি অঞ্চলে দফায় দফায় বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা একটি ‘সন্দেহজনক আকাশযান’ ভূপাতিত করেছে এবং একে হিজবুল্লাহ কর্তৃক যুদ্ধবিরতি সমঝোতার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৮ হাজার ৬৯৩ জন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী ১৪ ও ১৫ মে ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনার আয়োজন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সীমান্তের এই রণক্ষেত্র আলোচনার পরিবেশকে জটিল করে তুলছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে উত্তাল তেল আবিব

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ২১:৫৯:১৯
নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে উত্তাল তেল আবিব
ছবি : সংগৃহীত

তেল আবিবের রাজপথে আবারও উত্তাল জনতা। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ এবং দক্ষিণ লেবাননে সামরিক আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন কয়েকশ মানুষ। শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাতভর চলা এই বিক্ষোভে সরকারের যুদ্ধনীতি এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যমতে, চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের রাজনীতিতে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে ইরান ও লেবানন সংকট, অন্যদিকে কট্টর অর্থোডক্স ইহুদিদের সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ থেকে ছাড় দেওয়ার বিতর্কিত ইস্যুটি নেতানিয়াহু সরকারকে খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৮৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত ডেভিড আলকান বর্তমান সরকারকে একটি “বিপর্যয়” হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অনবরত মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তার মতে, বাইরের শত্রু ইরানের চেয়েও ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ ফাটল এখন রাষ্ট্রের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে কট্টর অর্থোডক্স গোষ্ঠীর সামরিক সেবায় অংশ না নেওয়ার মানসিকতাকে তিনি জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীদের প্ল্যাকার্ডে ‘গণহত্যা বন্ধ করো’ এবং ‘৭ অক্টোবর ভুলে যাও’-এর মতো স্লোগান শোভা পাচ্ছে। অনেকে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যঙ্গ করে “বিবি এসকোবার” নামেও স্লোগান দেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের ময়দানের চাপের চেয়েও এখন নেতানিয়াহুর বড় মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজপথের এই গণঅসন্তোষ।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই।


মধ্যপ্রাচ্যে কি তবে শান্তির সুবাতাস? ওয়াশিংটনে বার্তা পাঠাল ইরান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ২১:২৪:০৬
মধ্যপ্রাচ্যে কি তবে শান্তির সুবাতাস? ওয়াশিংটনে বার্তা পাঠাল ইরান
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাত নিরসনে অবশেষে সুর নরম করার ইঙ্গিত দিল ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ ১৪ দফার শান্তি প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে তেহরান। রোববার (১০ মে) মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইরানি সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ এবং আল জাজিরা।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের দেওয়া এই জবাবে আলোচনার প্রাথমিক শর্ত হিসেবে ‘শত্রুতা বন্ধের’ ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ইসলামাবাদে দায়িত্বরত আল জাজিরার প্রতিবেদক কামাল হায়দার জানান, পাকিস্তানি কর্মকর্তারা ইতোমধ্যেই ইরানের বার্তাটি হাতে পেয়েছেন। এখন বিশ্ববাসীর নজর ওয়াশিংটনের দিকে; পাকিস্তান এই বার্তা পৌঁছানোর পর ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন কী প্রতিক্রিয়া দেখায়, তার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে এই সংঘাতের সূচনা হয়। এর জের ধরে পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। গত কয়েক মাসে এই যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর আগে ১১ ও ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ব্যর্থ হলেও, গত সপ্তাহে দেওয়া মার্কিন প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ইরান এই আনুষ্ঠানিক জবাব দিল।

বিশ্লেষকদের মতে, আগামী সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ চীন সফর শুরু হতে যাচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনীতির ঝুঁকি এড়াতে এবং চীনের সফরের আগে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে ওয়াশিংটনের ওপর তীব্র আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে। ইরানের এই জবাবের ইতিবাচক প্রতিফলন ঘটলে দ্রুতই সংঘাতের অবসান ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক


ইরানি সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে মোজতবা খামেনির বৈঠক: এল নতুন নির্দেশনা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ১৯:২৭:২৮
ইরানি সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে মোজতবা খামেনির বৈঠক: এল নতুন নির্দেশনা
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার আলী আবদুল্লাহি। রোববার (১০ মে) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে মোজতবা খামেনি ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং শত্রুদের যেকোনো উসকানি বা আক্রমণ শক্ত হাতে মোকাবিলার জন্য নতুন কিছু কৌশলগত পদক্ষেপ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপগুলোর বিস্তারিত বিবরণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়নি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। আইআরআইবি জানিয়েছে, তার অধিকাংশ দিকনির্দেশনা ও বক্তব্য রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমেই প্রচার করা হচ্ছে। সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে এই সাক্ষাৎকে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: আল-জাজিরা


ইউক্রেন যুদ্ধ শেষের দিকে: বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে পুতিনের বড় ঘোষণা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ১১:৫২:১৮
ইউক্রেন যুদ্ধ শেষের দিকে: বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে পুতিনের বড় ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সাথে চলমান সংঘাত এখন শেষের দিকে এগোচ্ছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয় দিবস উপলক্ষে মস্কোর রেড স্কয়ারে আয়োজিত এক সামরিক কুচকাওয়াজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পুতিন তার ভাষণে ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’কে একটি ‘ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং কিয়েভ সরকারকে সমর্থন দেওয়ার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ন্যাটো জোট ইউক্রেনকে অস্ত্র ও সমর্থন দিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সংঘাত উসকে দিয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তিনি মন্তব্য করেন, "আমার মনে হয় বিষয়টি শেষের দিকে যাচ্ছে।"

নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে এবারের বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ ছিল তুলনামূলক সীমিত পরিসরের। ড্রোন হামলার আশঙ্কায় বড় ধরনের ট্যাংক বা ক্ষেপণাস্ত্রের প্রদর্শনী করা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় শেষ মুহূর্তে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ায় বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। পুতিন মনে করেন, সংঘাতটি অত্যন্ত গুরুতর হলেও এটি এখন সমাপ্তির পথে।

/আশিক


বৈশ্বিক পরমাণু রাজনীতিতে মোড়: ইরানের ইউরেনিয়াম নিজেদের ভূখণ্ডে নিতে চায় রাশিয়া

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ১০:১৮:৩১
বৈশ্বিক পরমাণু রাজনীতিতে মোড়: ইরানের ইউরেনিয়াম নিজেদের ভূখণ্ডে নিতে চায় রাশিয়া
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিজেদের ভূখণ্ডে স্থানান্তর ও সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। রাজধানী মস্কোতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই প্রস্তুতির কথা জানান। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে চলমান ইউরেনিয়াম সংকট নিরসনে রাশিয়া মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।

পুতিন উল্লেখ করেন যে, এর আগে ২০১৫ সালেও রাশিয়া ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব পালন করেছিল। সেই অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, মস্কো আবারও একই ধরনের সহযোগিতা করতে সক্ষম।

পুতিনের মতে, অতীতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ ইরানের বাইরে ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের বিষয়ে একমত হলেও পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান এবং ইউরেনিয়াম কেবল মার্কিন ভূখণ্ডে স্থানান্তরের শর্তের কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ওয়াশিংটনের এই অনমনীয় অবস্থানের জবাবে তেহরানও তাদের নীতি আরও কঠোর করে।

রুশ প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই সংকটের দ্রুত সমাধান সম্ভব হবে। পুতিনের এই প্রস্তাবকে বৈশ্বিক পারমাণবিক কূটনীতিতে রাশিয়ার প্রভাব পুনর্স্থাপনের একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা


গাজায় অলৌকিক ঘটনা: মৃত্যুসনদ হাতে পাওয়ার পর মিলল ছেলের জীবিত থাকার খবর

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৯ ১৯:৫৪:৪১
গাজায় অলৌকিক ঘটনা: মৃত্যুসনদ হাতে পাওয়ার পর মিলল ছেলের জীবিত থাকার খবর
গাজায় ঈদ আবু শার মা মাহা আবু শার মোবাইলে ছেলের ছবি হাতে নিয়ে কাঁদছেন। ইসরায়েলের কারাগারে তাঁর ছেলে জীবিত আছেন, এ খবর জানার পর একই সঙ্গে আনন্দ ও বেদনায় ভেঙে পড়েন তিনি। ছবি: আল–জাজিরার স্ক্রিনশট

দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে যে পরিবারটি শোকের চাদরে আবৃত ছিল এবং যে ছেলেটিকে মৃত ধরে নিয়ে যার মৃত্যুসনদ পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেই পরিবারের জীবনে হঠাৎ নেমে এলো এক অবিশ্বাস্য অলৌকিক সংবাদ। গাজার হাসপাতাল, মর্গ এবং ধ্বংসস্তূপের প্রতিটি কোণে খুঁজেও যার হদিস মেলেনি, সেই ২৫ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি তরুণ ঈদ নায়েল আবু শার দীর্ঘ দেড় বছর পর জীবিত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া গেছে ইসরায়েলি কারাগারে। সোমবার (৪ মে) এক আইনজীবীর ফোনকল গাজার এই পরিবারটির জীবন চিরতরে বদলে দিয়েছে।

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন ঈদ আবু শার। গাজার মধ্যাঞ্চলের নেতজারিম করিডর, যা যুদ্ধের সময় 'অ্যাক্সিস অব ডেথ' বা মৃত্যুফাঁদ হিসেবে কুখ্যাতি পেয়েছিল, সেখানে কাজের সন্ধানে গিয়ে তিনি উধাও হয়ে যান। ছেলের সন্ধানে তার বাবা নায়েল আবু শার দিনের পর দিন গাজার প্রতিটি মর্গ এবং হাসপাতালের হিমঘরে অজ্ঞাত মরদেহের মুখ দেখে বেড়িয়েছেন।

ছেলের কোনো চিহ্ন না পেয়ে শেষ পর্যন্ত রেডক্রসসহ বিভিন্ন সংস্থাও যখন হাল ছেড়ে দেয়, তখন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত ঘোষণা করে। পরিবারের পক্ষ থেকে শোকের তাঁবু খাটানো হয় এবং পাড়া-প্রতিবেশীরাও শোক প্রকাশে সামিল হন।

সবাই যখন গায়েবানা জানাজা পড়ার পরামর্শ দিচ্ছিলেন, তখন একমাত্র মা মাহা আবু শারই ছিলেন অটল। তিনি বিশ্বাস করতেন তার ছেলে এখনো বেঁচে আছে। প্রায় এক মাস আগে ওফার কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া এক ব্যক্তি প্রথম দাবি করেন যে, তিনি সেখানে ঈদ আবু শারকে দেখেছেন।

এরপর গত সোমবার একজন আইনজীবীর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ঈদ বর্তমানে ইসরায়েলের ওফার কারাগারে বন্দি হিসেবে আটক রয়েছেন। এই খবর পাওয়ামাত্রই সেই বাড়িতে শোকের মাতম ছাপিয়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায় এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

ঈদের ঘটনাটি একটি আনন্দের খবর হলেও এটি গাজার বর্তমান পরিস্থিতির এক ভয়াবহ রূপ উন্মোচন করেছে। ফিলিস্তিনি নিখোঁজ ও গুমবিষয়ক কেন্দ্রের পরিচালক নাদা নাবিল জানান, বর্তমানে গাজায় প্রায় সাত থেকে আট হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত দেড় হাজার ফিলিস্তিনিকে ইসরায়েলের কারাগারে গোপনে আটকে রাখা হয়েছে, যাদের কোনো তথ্য পরিবারকে জানানো হচ্ছে না। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, প্রিয়জন বেঁচে আছে না কি মারা গেছে তা না জানার এই অবস্থাকে 'সাসপেন্ডেড গ্রিফ' বলা হয়, যা দীর্ঘমেয়াদী মানসিক নির্যাতনের শামিল।

নাদা নাবিলের অভিযোগ, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে বন্দিদের তালিকা গোপন রাখছে এবং রেডক্রসকে কারাগার পরিদর্শনের অনুমতি দিচ্ছে না। এর ফলে শুধু মানসিক নয়, সামাজিক ও আইনগত জটিলতাও তৈরি হচ্ছে। অনেক নারী জানেন না তারা বিধবা কি না, ফলে উত্তরাধিকার বা পুনর্বিবাহের মতো বিষয়গুলো ঝুলে আছে। ঈদ আবু শারের পরিবার এখন ছেলের বেঁচে থাকার খবর পেলেও নতুন উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছে।

কারাগারে তাদের সন্তান কী অবস্থায় আছে এবং তাকে কবে মুক্তি দেওয়া হবে—এই অনিশ্চয়তা এখন তাদের প্রধান দুশ্চিন্তা। মা মাহা আবু শারের একটাই চাওয়া, প্রিয় সন্তানকে যেন খুব দ্রুত সুস্থ অবস্থায় বুকে জড়িয়ে ধরতে পারেন।

সূত্র: আল–জাজিরা


আহত হওয়ার পর রহস্যময় অবস্থানে খামেনি: কোথায় আছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৯ ১৭:৫৫:৩৮
আহত হওয়ার পর রহস্যময় অবস্থানে খামেনি: কোথায় আছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা?
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু এবং যুদ্ধ কৌশল নির্ধারণে দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ভূমিকা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। সিএনএনের এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি মোজতবা খামেনি নেপথ্যে থেকে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। তবে যুদ্ধের এই সংকটময় মুহূর্তে ইরানি প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার বণ্টন নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, যুদ্ধের শুরুর দিকে এক ভয়াবহ হামলায় মোজতবা খামেনির বাবা (সাবেক সর্বোচ্চ নেতা) এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। ওই একই হামলায় মোজতবা নিজেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর তাকে দ্রুত উত্তরসূরি হিসেবে ঘোষণা করা হলেও, তার বর্তমান অবস্থান নিয়ে রহস্য রয়েই গেছে। মার্কিন গোয়েন্দারা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি তিনি বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন। এর প্রধান কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, খামেনি কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেন না; বরং গোপন বার্তাবাহক বা সরাসরি সাক্ষাতের মাধ্যমে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন এখনো এই সংঘাতের একটি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজছে। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের কিছুটা সামরিক ক্ষতি হলেও তাদের মূল সক্ষমতা এখনো অক্ষত রয়েছে। কড়া নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান আরও কয়েক মাস এই যুদ্ধ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সক্ষমতা রাখে। গোয়েন্দা সূত্রগুলো ধারণা করছে, খামেনিই নেপথ্য থেকে নির্ধারণ করছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার টেবিল কতটা প্রসারিত হবে।

অন্যদিকে, শুক্রবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের প্রোটোকল প্রধান মাজাহের হোসেইনি এক জনসমাবেশে মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে ওঠা সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, খামেনি বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং ধীরে ধীরে তার ক্ষত সেরে উঠছে। হোসেইনি অভিযোগ করেন যে, শত্রুরা তাকে খুঁজে বের করার জন্য বিভিন্ন গুজব ছড়াচ্ছে। তিনি জনগণকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "সঠিক সময়ে তিনি নিজেই সবার সামনে উপস্থিত হবেন।"

সূত্র: সিএনএন


মার্কিন বাধা উপেক্ষা করে চীনের সঙ্গে তেলের বাজার গড়ছে ইরান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৯ ১৭:৪৯:৩০
মার্কিন বাধা উপেক্ষা করে চীনের সঙ্গে তেলের বাজার গড়ছে ইরান
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক জলসীমায় ভাসমান জ্বালানি তেল চীনের কাছে বিক্রি করতে জোর তৎপরতা শুরু করেছে ইরান। তেহরানভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘ডিপ্লোহাউস’-এর পরিচালক হামিদ রেজা গোলামজাদেহ সম্প্রতি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন। মার্কিন অবরোধ এবং সমুদ্রপথে নানামুখী বাধার মুখে ইরান তাদের তেল রপ্তানি সচল রাখতে বেইজিংয়ের সঙ্গে এই বিশেষ সমন্বয় করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের ঠিক এক সপ্তাহ আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি চীন সফর করেন।

এই সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল বেইজিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থানরত তেলের ব্যারেলগুলো বিক্রির পথ সুগম করা। বর্তমানে ইরানের বিশাল পরিমাণ জ্বালানি তেল সাগরে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে, যা বিক্রির জন্য বেইজিংয়ের সরাসরি সহযোগিতা চাইছে তেহরান।

তেল কূটনীতির পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়েও চীনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন আরাগচি।

বিশেষ করে নৌ-চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইরানের প্রস্তাবিত পদ্ধতিগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে দুই দেশ নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার বিষয়ে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করতে আরাগচি বিভিন্ন দেশের সমকক্ষদের সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

সূত্র: আল-জাজিরা।

পাঠকের মতামত: