এবার ইরানে প্রকাশ্যেই উঠছে পারমাণবিক বোমা তৈরির জোর দাবি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৭ ১০:৫৮:২১
এবার ইরানে প্রকাশ্যেই উঠছে পারমাণবিক বোমা তৈরির জোর দাবি
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষাপটে ইরানের অভ্যন্তরে পারমাণবিক নীতিকে ঘিরে বিতর্ক এখন আর আড়ালে সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা প্রকাশ্য রাজনৈতিক আলোচনায় রূপ নিয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ করে কট্টরপন্থী মহলের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়নের পক্ষে অবস্থান ক্রমেই জোরালো হয়ে উঠছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের পর ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর বা আইআরজিসি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুইজন জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের মতে, পারমাণবিক নীতির প্রশ্নে এখন কট্টরপন্থীদের মতামত নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে উঠে আসছে।

তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান তাদের পারমাণবিক নীতি পরিবর্তনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং পারমাণবিক বোমা তৈরির পথে যাওয়ার ঘোষণাও দেয়নি। তা সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বিদ্যমান নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলার প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে আশঙ্কা করে আসছে যে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করছে অথবা অন্তত সেই সক্ষমতা অর্জন করতে চায়। যদিও তেহরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা খামেনি অতীতে পারমাণবিক অস্ত্রকে ইসলামের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন এবং ইরান এখনো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি, অর্থাৎ এনপিটির সদস্য।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমেও ভিন্ন ধরনের বক্তব্য উঠে আসছে। আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, ইরানের দ্রুত এনপিটি থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

একসময় পারমাণবিক বোমা তৈরির মতো সংবেদনশীল বিষয় প্রকাশ্যে আলোচনার বাইরে থাকলেও এখন তা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক পরিসরে আলোচিত হচ্ছে, যা নীতিগত পরিবর্তনের সম্ভাবনার ইঙ্গিত বহন করে।

এই প্রেক্ষাপটে কট্টরপন্থী রাজনীতিক মোহাম্মাদ জাভেদ লারিজানি, যিনি সম্প্রতি নিহত আলি লারিজানির ভাই, প্রকাশ্যে এনপিটি স্থগিত করার প্রস্তাব দিয়েছেন। তার মতে, একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে মূল্যায়ন করা উচিত যে এই চুক্তি ইরানের জন্য আদৌ উপকারী কি না। প্রয়োজনে তা থেকে সরে আসার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তিত অবস্থান মূলত সাম্প্রতিক সামরিক হামলার ফল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণ এমন এক সময় সংঘটিত হয়েছে, যখন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছিল। ফলে ইরানের কৌশলগত হিসাব-নিকাশে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের নীতিনির্ধারকদের একটি অংশ মনে করছে, পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত রেখে বা আন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় থেকে তেমন কোনো কৌশলগত সুবিধা অর্জন সম্ভব হয়নি। বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা নতুন করে সামনে এসেছে।

সার্বিকভাবে, ইরানের অভ্যন্তরে পারমাণবিক নীতিকে ঘিরে যে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে, তা ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক কৌশলগত ভারসাম্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

-রফিক


গোপন ফাইল অবমুক্ত করল মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ: এলিয়েনরা কি সত্যিই আছে?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১২:৩২:৫৯
গোপন ফাইল অবমুক্ত করল মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ: এলিয়েনরা কি সত্যিই আছে?
ছবি : সংগৃহীত

এলিয়েন এবং ইউএফও (UFO) নিয়ে মানুষের চিরন্তন রহস্যের তৃষ্ণা মেটাতে এবার সরাসরি ময়দানে নেমেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ নির্দেশে তৈরি করা হয়েছে একটি ডেডিকেটেড ওয়েবসাইট, যেখানে অবমুক্ত করা হচ্ছে ভিনগ্রহের প্রাণী সংক্রান্ত গোপন সব নথি ও ছবি। তবে বিশাল এই তথ্যভাণ্ডারে রোমাঞ্চ থাকলেও এলিয়েনদের অস্তিত্ব নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অকাট্য প্রমাণ মেলেনি।

গত ফেব্রুয়ারিতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভিনগ্রহের প্রাণী ও ইউএফও সংক্রান্ত সব সরকারি ফাইল জনসমক্ষে আনার নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের ধারাবাহিকতায় ‘ওয়ার ডটগভ স্ল্যাশইউএফও’ (war.gov/ufo) নামে নতুন একটি পেজ চালু করেছে যুদ্ধ বিভাগ। এখানে এফবিআই, নাসা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কয়েক দশকের জমানো অসংখ্য ফাইল ও রহস্যময় ছবি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

পুরো ওয়েবসাইটটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা সাধারণ মানুষের কৌতূহল বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফাইলগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে সেখানে অতিপ্রাকৃত কোনো দাবির পক্ষে জোরালো প্রমাণ নেই। মূলত সরকারি আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ব্যাখ্যাতীত ঘটনাগুলোকে কীভাবে নথিবদ্ধ করা হয়, এটি তারই একটি দালিলিক সংকলন। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ইরান যুদ্ধের মতো কঠিন পরিস্থিতি থেকে জনদৃষ্টি সরাতেই কি এই 'এলিয়েন কার্ড' ব্যবহার করা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নও উঠছে।

দীর্ঘদিন ধরে ইউএপি (Unidentified Anomalous Phenomena) নিয়ে মার্কিন সরকারের গোপনীয়তা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও ২০১৭ সালে 'এএটিআইপি' (AATIP) প্রকল্পের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক গবেষণার বিষয়টি সামনে আসে। বর্তমানে যুদ্ধ বিভাগের অধীনে ‘অল-ডোমেইন অ্যানোমালি রেজল্যুশন অফিস’ (AARO) এই গবেষণার কাজগুলো তদারকি করছে। যদিও এর আগে প্রকাশিত ভিডিওগুলোর কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি, তবুও সরকারি প্রতিবেদনে সেগুলোকে ভিনগ্রহের মহাকাশযান বলতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছিল।

নতুন এই ফাইলগুলো প্রকাশের ফলে এলিয়েন রহস্যের জট আদৌ খুলবে কি না তা নিয়ে সংশয় থাকলেও, কৌতূহলী মানুষের কাছে এটি এখন ইন্টারনেটের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য।

/আশিক


আলোচনা মানে আত্মসমর্পণ নয়, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার লড়াই: পেজেশকিয়ান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১১:৫৬:১১
আলোচনা মানে আত্মসমর্পণ নয়, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার লড়াই: পেজেশকিয়ান
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সম্ভাব্য আলোচনাকে 'আত্মসমর্পণ' হিসেবে দেখতে নারাজ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। রোববার (১০ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সংলাপ মানে পিছু হটা নয়, বরং এটি জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ও জনগণের অধিকার আদায়ের একটি কৌশলগত লড়াই।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তার বার্তায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই তার বৈধ অধিকার থেকে এক চুলও সরবে না এবং শত্রুর সামনে মাথা নত করবে না। তার মতে, আলোচনার টেবিলে বসা মানেই পরাজয় মেনে নেওয়া নয়; বরং এর মূল লক্ষ্য হলো ইরানি জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায় মোকাবিলা করা এবং দৃঢ়ভাবে জাতীয় অধিকার নিশ্চিত করা।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক আগ্রাসন বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব পাঠিয়েছে ইরান। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো আলোচনার একমাত্র বিষয় হতে হবে 'যুদ্ধ বন্ধ'। পারমাণবিক কর্মসূচির মতো স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো কেবল সংঘাত থামার পরই আলোচনায় আসতে পারে।

অন্যদিকে, ইরানের এই অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরান আবারও যুক্তরাষ্ট্রের মূল দাবিগুলো মানতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম মজুত এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ নিরসনে তেহরান কোনো সন্তোষজনক সমাধান দেয়নি। ট্রাম্পের অভিযোগ, ইরান গত পাঁচ দশক ধরে আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণের পুরনো কৌশল অনুসরণ করে আসছে।

/আশিক


বেইজিংয়ে ট্রাম্প-শি মেগা বৈঠক: আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে যেসব ইস্যু

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১১:৩৬:৩৫
বেইজিংয়ে ট্রাম্প-শি মেগা বৈঠক: আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে যেসব ইস্যু
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় বেইজিং পৌঁছাবেন বলে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস। তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসবেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সফরে ইরান ইস্যুতে চীনা প্রেসিডেন্টকে বিশেষ ‘চাপ দেবেন’ ট্রাম্প। বিশেষ করে ইরানের তেল বিক্রি এবং তেহরানের সামরিক ও বেসামরিক কাজে ব্যবহারযোগ্য পণ্য ক্রয়ের বিষয়ে বেইজিংয়ের ওপর কঠোর অবস্থান নিতে পারে ওয়াশিংটন।

হোয়াইট হাউসের প্রিন্সিপাল ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি অ্যানা কেলি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে দুই নেতার উপস্থিতিতে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং শুক্রবার এই সফর শেষ হবে।

কেলি এই সফরকে ‘অত্যন্ত প্রতীকী তাৎপর্যপূর্ণ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এটি চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা এবং মার্কিন অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে পারস্পরিক স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে। উল্লেখ্য, এই সফরটি বছরের শুরুর দিকে হওয়ার কথা থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে গত মার্চ মাসে তা স্থগিত করা হয়েছিল।

মার্কিন প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প এই সফরে চীন কর্তৃক ইরানকে ‘অর্থায়নের’ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলবেন। সম্প্রতি মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট অভিযোগ করেছেন, ইরান সন্ত্রাসবাদের বড় পৃষ্ঠপোষক হওয়া সত্ত্বেও চীন তাদের উৎপাদিত জ্বালানির ৯০ শতাংশ ক্রয় করছে, যা প্রকৃতপক্ষে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে শক্তিশালী করছে।

অন্যদিকে, ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানি পরিবহনে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে বেইজিংয়ের ভূমিকা নিয়ে কথা বলবেন ট্রাম্প।

ইরান ইস্যুর পাশাপাশি এই আলোচনায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে চীনের অবস্থান, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং মার্কিন প্রযুক্তি খাতের জন্য অপরিহার্য ‘রেয়ার আর্থ মিনারেলস’ বা বিরল মৃত্তিকা খনিজ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

মার্কিন প্রতিনিধিদলে বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িং এবং কয়েকটি কৃষিভিত্তিক কোম্পানির কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তবে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার প্রধান বিরোধপূর্ণ বিষয় তাইওয়ান ইস্যুতে মার্কিন অবস্থানে কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। চীন এই সফরকে যুদ্ধের অবসান এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরানোর সুযোগ হিসেবে দেখলেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা


যুদ্ধবিরতির মাঝেই রণক্ষেত্র লেবানন: হিজবুল্লাহর পাল্টা আক্রমণে বিপর্যস্ত ইসরায়েল

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১০:৫৩:৪৬
যুদ্ধবিরতির মাঝেই রণক্ষেত্র লেবানন: হিজবুল্লাহর পাল্টা আক্রমণে বিপর্যস্ত ইসরায়েল
ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান ও সেনাদের লক্ষ্য করে নজিরবিহীন আক্রমণ চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। সোমবার (১১ মে) এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি দাবি করে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর অন্তত ২৪টি সফল হামলা পরিচালনা করেছে। মূলত ইসরায়েল কর্তৃক যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

হিজবুল্লাহর দাবি অনুযায়ী, এই আক্রমণগুলোতে খিয়াম, দেইর সেরিয়ান, তায়র হারফা ও নাকোরার মতো সীমান্ত এলাকাগুলোতে ইসরায়েলি সেনাসমাবেশ, মেরকাভা ট্যাংক, ডি-নাইন বুলডোজার এবং নতুন স্থাপিত কমান্ড সেন্টারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই অভিযানে ড্রোন, রকেট, কামানের গোলা এবং অত্যাধুনিক গাইডেড মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে। বেশ কিছু হামলায় ‘সুনিশ্চিত আঘাত’ হানার দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

অন্যদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েদিওথ আহরোনথ জানিয়েছে, লেবানন থেকে ড্রোনের অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় রোববার গভীর রাতে আপার গ্যালিলি অঞ্চলে দফায় দফায় বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা একটি ‘সন্দেহজনক আকাশযান’ ভূপাতিত করেছে এবং একে হিজবুল্লাহ কর্তৃক যুদ্ধবিরতি সমঝোতার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৮ হাজার ৬৯৩ জন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী ১৪ ও ১৫ মে ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনার আয়োজন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সীমান্তের এই রণক্ষেত্র আলোচনার পরিবেশকে জটিল করে তুলছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে উত্তাল তেল আবিব

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ২১:৫৯:১৯
নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে উত্তাল তেল আবিব
ছবি : সংগৃহীত

তেল আবিবের রাজপথে আবারও উত্তাল জনতা। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ এবং দক্ষিণ লেবাননে সামরিক আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন কয়েকশ মানুষ। শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাতভর চলা এই বিক্ষোভে সরকারের যুদ্ধনীতি এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যমতে, চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের রাজনীতিতে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে ইরান ও লেবানন সংকট, অন্যদিকে কট্টর অর্থোডক্স ইহুদিদের সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ থেকে ছাড় দেওয়ার বিতর্কিত ইস্যুটি নেতানিয়াহু সরকারকে খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৮৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত ডেভিড আলকান বর্তমান সরকারকে একটি “বিপর্যয়” হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অনবরত মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তার মতে, বাইরের শত্রু ইরানের চেয়েও ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ ফাটল এখন রাষ্ট্রের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে কট্টর অর্থোডক্স গোষ্ঠীর সামরিক সেবায় অংশ না নেওয়ার মানসিকতাকে তিনি জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীদের প্ল্যাকার্ডে ‘গণহত্যা বন্ধ করো’ এবং ‘৭ অক্টোবর ভুলে যাও’-এর মতো স্লোগান শোভা পাচ্ছে। অনেকে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যঙ্গ করে “বিবি এসকোবার” নামেও স্লোগান দেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের ময়দানের চাপের চেয়েও এখন নেতানিয়াহুর বড় মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজপথের এই গণঅসন্তোষ।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই।


মধ্যপ্রাচ্যে কি তবে শান্তির সুবাতাস? ওয়াশিংটনে বার্তা পাঠাল ইরান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ২১:২৪:০৬
মধ্যপ্রাচ্যে কি তবে শান্তির সুবাতাস? ওয়াশিংটনে বার্তা পাঠাল ইরান
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাত নিরসনে অবশেষে সুর নরম করার ইঙ্গিত দিল ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ ১৪ দফার শান্তি প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে তেহরান। রোববার (১০ মে) মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইরানি সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ এবং আল জাজিরা।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের দেওয়া এই জবাবে আলোচনার প্রাথমিক শর্ত হিসেবে ‘শত্রুতা বন্ধের’ ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ইসলামাবাদে দায়িত্বরত আল জাজিরার প্রতিবেদক কামাল হায়দার জানান, পাকিস্তানি কর্মকর্তারা ইতোমধ্যেই ইরানের বার্তাটি হাতে পেয়েছেন। এখন বিশ্ববাসীর নজর ওয়াশিংটনের দিকে; পাকিস্তান এই বার্তা পৌঁছানোর পর ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন কী প্রতিক্রিয়া দেখায়, তার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে এই সংঘাতের সূচনা হয়। এর জের ধরে পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। গত কয়েক মাসে এই যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর আগে ১১ ও ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ব্যর্থ হলেও, গত সপ্তাহে দেওয়া মার্কিন প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ইরান এই আনুষ্ঠানিক জবাব দিল।

বিশ্লেষকদের মতে, আগামী সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ চীন সফর শুরু হতে যাচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনীতির ঝুঁকি এড়াতে এবং চীনের সফরের আগে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে ওয়াশিংটনের ওপর তীব্র আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে। ইরানের এই জবাবের ইতিবাচক প্রতিফলন ঘটলে দ্রুতই সংঘাতের অবসান ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক


ইরানি সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে মোজতবা খামেনির বৈঠক: এল নতুন নির্দেশনা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ১৯:২৭:২৮
ইরানি সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে মোজতবা খামেনির বৈঠক: এল নতুন নির্দেশনা
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার আলী আবদুল্লাহি। রোববার (১০ মে) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে মোজতবা খামেনি ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং শত্রুদের যেকোনো উসকানি বা আক্রমণ শক্ত হাতে মোকাবিলার জন্য নতুন কিছু কৌশলগত পদক্ষেপ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপগুলোর বিস্তারিত বিবরণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়নি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। আইআরআইবি জানিয়েছে, তার অধিকাংশ দিকনির্দেশনা ও বক্তব্য রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমেই প্রচার করা হচ্ছে। সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে এই সাক্ষাৎকে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: আল-জাজিরা


ইউক্রেন যুদ্ধ শেষের দিকে: বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে পুতিনের বড় ঘোষণা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ১১:৫২:১৮
ইউক্রেন যুদ্ধ শেষের দিকে: বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে পুতিনের বড় ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সাথে চলমান সংঘাত এখন শেষের দিকে এগোচ্ছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয় দিবস উপলক্ষে মস্কোর রেড স্কয়ারে আয়োজিত এক সামরিক কুচকাওয়াজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পুতিন তার ভাষণে ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’কে একটি ‘ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং কিয়েভ সরকারকে সমর্থন দেওয়ার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ন্যাটো জোট ইউক্রেনকে অস্ত্র ও সমর্থন দিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সংঘাত উসকে দিয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তিনি মন্তব্য করেন, "আমার মনে হয় বিষয়টি শেষের দিকে যাচ্ছে।"

নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে এবারের বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ ছিল তুলনামূলক সীমিত পরিসরের। ড্রোন হামলার আশঙ্কায় বড় ধরনের ট্যাংক বা ক্ষেপণাস্ত্রের প্রদর্শনী করা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় শেষ মুহূর্তে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ায় বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। পুতিন মনে করেন, সংঘাতটি অত্যন্ত গুরুতর হলেও এটি এখন সমাপ্তির পথে।

/আশিক


বৈশ্বিক পরমাণু রাজনীতিতে মোড়: ইরানের ইউরেনিয়াম নিজেদের ভূখণ্ডে নিতে চায় রাশিয়া

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ১০:১৮:৩১
বৈশ্বিক পরমাণু রাজনীতিতে মোড়: ইরানের ইউরেনিয়াম নিজেদের ভূখণ্ডে নিতে চায় রাশিয়া
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিজেদের ভূখণ্ডে স্থানান্তর ও সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। রাজধানী মস্কোতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই প্রস্তুতির কথা জানান। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে চলমান ইউরেনিয়াম সংকট নিরসনে রাশিয়া মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।

পুতিন উল্লেখ করেন যে, এর আগে ২০১৫ সালেও রাশিয়া ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব পালন করেছিল। সেই অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, মস্কো আবারও একই ধরনের সহযোগিতা করতে সক্ষম।

পুতিনের মতে, অতীতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ ইরানের বাইরে ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের বিষয়ে একমত হলেও পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান এবং ইউরেনিয়াম কেবল মার্কিন ভূখণ্ডে স্থানান্তরের শর্তের কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ওয়াশিংটনের এই অনমনীয় অবস্থানের জবাবে তেহরানও তাদের নীতি আরও কঠোর করে।

রুশ প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই সংকটের দ্রুত সমাধান সম্ভব হবে। পুতিনের এই প্রস্তাবকে বৈশ্বিক পারমাণবিক কূটনীতিতে রাশিয়ার প্রভাব পুনর্স্থাপনের একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

পাঠকের মতামত: