ভোটে বাধা দিলে আপনি শেখ হাসিনা হয়ে যাবেন: আসিফ নজরুল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্তরে এক নতুন ধরণের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির রূপরেখা ঘোষণা করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন যে, বর্তমান সরকার দেশে একটি ‘অসাধারণ’ নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন। তবে এই ভোটদান প্রক্রিয়ায় যদি কেউ অন্য কোনো ভোটারের অধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তবে তার আচরণ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমতুল্য হয়ে যাবে বলে তিনি কড়া হুঁশিয়ারি প্রদান করেন। আসিফ নজরুলের মতে, আমরা কোনোভাবেই ‘শেখ হাসিনা’ হতে চাই না এবং এই লক্ষ্যেই আগামী নির্বাচনে সবার ভোটাধিকার সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখা হবে। ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি এবং গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছিল।
বিগত সরকারের শাসনামলের সমালোচনা করে আইন উপদেষ্টা বলেন যে, গত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার এদেশের জনগণকে তাদের মৌলিক ভোটাধিকার থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত রেখেছিল। তিনি উল্লেখ করেন যে, একবার রাতের আঁধারে ভোট চুরি করা হয়েছে, আরেকবার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়াই এককভাবে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে এবং সবশেষে ‘আমি-ডামি’ নামক ভুয়া প্রার্থীর নাটক সাজিয়ে নির্বাচনকে তামাশায় পরিণত করা হয়েছিল। এই ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষের ওপর যে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা ভোগ করার জন্য দেশকে যেভাবে অন্য দেশের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল, সেই অন্ধকার অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে এখন একটি স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে দেশ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার অসীম আত্মত্যাগের ফলেই আজ এদেশের ১৮ কোটি মানুষ পুনরায় নিজের জনপ্রতিনিধি কে হবেন, তা নির্ধারণ করার সুযোগ ফিরে পেয়েছেন। আসিফ নজরুল স্পষ্ট করে বলেন যে, আগে জনপ্রতিনিধি কে হবেন তা ঠিক করতেন শেখ হাসিনা, কিন্তু এখন থেকে সেই ক্ষমতা জনগণের হাতেই থাকবে।
আসন্ন গণভোটের যৌক্তিকতা তুলে ধরে ড. আসিফ নজরুল একে কোনো বিশেষ দলের স্বার্থের ঊর্ধ্বে রেখে ‘দেশের স্বার্থ’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এদেশ থেকে যদি বৈষম্য, শোষণ, নিপীড়ন, অবিচার এবং দীর্ঘদিনের দুর্নীতির অবসান ঘটাতে হয়, তবে সাধারণ মানুষকে সচেতনভাবে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। তিনি মনে করেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অর্থই হলো একটি নতুন ও ন্যায়বিচারভিত্তিক বাংলাদেশে প্রবেশ করা। অন্যদিকে, যারা অন্যায় ও অবিচারের ধারাকে সমর্থন করবেন তারা ‘না’ ভোট দেবেন। এবারের নির্বাচনের একটি ঐতিহাসিক দিক উল্লেখ করে তিনি জানান যে, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রবাসী ভাইয়েরা সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন এবং একই সাথে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তিনটি প্রধান অগ্রাধিকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন যে, রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা এবং একটি অবাধ নির্বাচন সম্পন্ন করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।
মতবিনিময় সভায় বগুড়ার স্থানীয় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার শাহাদাত হোসেন এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজবাউল করিমসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও ছাত্র-জনতা এই সভায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বগুড়ার অধ্যক্ষ এসএম প্রকৌশলী ইমদাদুল হক স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। সভায় আগতদের উদ্দেশে আসিফ নজরুল বলেন যে, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে প্রাপ্ত এই সুযোগ কোনোভাবেই হারানো চলবে না এবং ভোট দেওয়ার মাধ্যমেই নাগরিকদের তাঁদের আকাঙ্ক্ষিত সরকার ও জনপ্রতিনিধি নির্ধারণ করতে হবে। তিনি বগুড়ার মানুষকে গণভোটের গুরুত্ব উপলব্ধি করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানান।
তদবিরে কাজ হবে না, দুর্নীতি করলে সরাসরি অ্যাকশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, যেকোনো মূল্যে বাহিনীর ‘চেইন অব কমান্ড’ বজায় রাখতে হবে। এই শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি কড়া নির্দেশনা দিয়ে বলেন, কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন। প্রশাসনিক স্তরক্রম বা প্রটোকল ভেঙে এমন আচরণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তাদের মতে, মন্ত্রী বাহিনীর মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, নিয়োগ, বদলি বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে কোনো ধরনের তদবির গ্রহণ করা হবে না এবং দুর্নীতির প্রশ্নে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করবে। বাহিনীর কোনো সদস্য অপরাধে জড়িয়ে পড়লে কোনো রকম ছাড় না দিয়ে তাৎক্ষণিক তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। গত ১৭ বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি নিজে নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করলেও জানান যে, তিনি পেছনে তাকাতে চান না; বরং কাজের সঠিক মূল্যায়নের মাধ্যমে বাহিনীকে আধুনিক ও জনবান্ধব করতে চান।
জননিরাপত্তার পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং জনদুর্ভোগ কমানোর বিষয়েও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মসূচি পালন করা যাবে না। অতি প্রয়োজনে রাস্তার অন্তত একটি লেন সচল রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ ছাড়াও ঢাকার পুলিশ কমিশনার এবং ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি উপস্থিত ছিলেন। দায়িত্বের শুরুতেই মন্ত্রীর এমন কঠোর ও সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে বড় ধরনের গুণগত পরিবর্তন আনবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
/আশিক
তদবিরে কাজ হবে না, দুর্নীতি করলে সরাসরি অ্যাকশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, যেকোনো মূল্যে বাহিনীর ‘চেইন অব কমান্ড’ বজায় রাখতে হবে। এই শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি কড়া নির্দেশনা দিয়ে বলেন, কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন। প্রশাসনিক স্তরক্রম বা প্রটোকল ভেঙে এমন আচরণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তাদের মতে, মন্ত্রী বাহিনীর মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, নিয়োগ, বদলি বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে কোনো ধরনের তদবির গ্রহণ করা হবে না এবং দুর্নীতির প্রশ্নে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করবে। বাহিনীর কোনো সদস্য অপরাধে জড়িয়ে পড়লে কোনো রকম ছাড় না দিয়ে তাৎক্ষণিক তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। গত ১৭ বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি নিজে নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করলেও জানান যে, তিনি পেছনে তাকাতে চান না; বরং কাজের সঠিক মূল্যায়নের মাধ্যমে বাহিনীকে আধুনিক ও জনবান্ধব করতে চান।
জননিরাপত্তার পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং জনদুর্ভোগ কমানোর বিষয়েও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মসূচি পালন করা যাবে না। অতি প্রয়োজনে রাস্তার অন্তত একটি লেন সচল রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ ছাড়াও ঢাকার পুলিশ কমিশনার এবং ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি উপস্থিত ছিলেন। দায়িত্বের শুরুতেই মন্ত্রীর এমন কঠোর ও সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে বড় ধরনের গুণগত পরিবর্তন আনবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
/আশিক
মাফিয়া সিন্ডিকেট মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর নতুন সরকার: প্রধানমন্ত্রী
বিরাশি বছর পর দেশের এক ক্রান্তিলগ্নে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করে জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণ দিলেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে দেওয়া এই ভাষণে তিনি নতুন সরকারের রোডম্যাপ এবং অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন। তাঁর ভাষণের মূল সুর ছিল আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি দমন এবং জনদুর্ভোগ লাঘব। তারেক রহমান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা জোর-জবরদস্তি নয়, বরং বিধিবদ্ধ নীতি-নিয়মেই চলবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান। ভঙ্গুর অর্থনীতি ও দুর্বল শাসন কাঠামোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি স্বনির্ভর ও মানবিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণকে সরকারের এক নম্বর অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন। বিশেষ করে দেশে মাদক ও জুয়ার বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই সংগ্রামে শহিদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ আবাসভূমি নিশ্চিত করা হবে। বিএনপি সরকার অনাচার ও অনিয়মের সব সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে বদ্ধপরিকর এবং ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রেতা—সবার স্বার্থ রক্ষায় সরকার সর্বদা সজাগ থাকবে।
পবিত্র রমজান মাসের প্রাক্কালে ব্যবসায়ীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মাসটিকে যেন অধিক মুনাফা লাভের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করা হয়। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি তিনি ইফতার, তারাবি ও সেহরির সময় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। কৃচ্ছতা সাধনের দৃষ্টান্ত হিসেবে তিনি ঘোষণা করেন যে, বিএনপির কোনো সংসদ সদস্য সরকারি সুবিধা নিয়ে ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি বা প্লট নেবেন না। এছাড়া যানজট নিরসনে ঢাকাকেন্দ্রিক নির্ভরতা কমাতে সারাদেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর এক মহাপরিকল্পনার কথা তিনি দেশবাসীকে জানান।
তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে আশার বাণী শুনিয়ে তারেক রহমান বলেন, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। নিজের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা ও জনগণের রায়কে পাথেয় করে তিনি দেশ গড়ার কাজ শুরু করেছেন। পরিশেষে, ভোট দেওয়া বা না দেওয়া নির্বিশেষে প্রতিটি বাংলাদেশির সমান অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। ‘দল যার যার, রাষ্ট্র সবার’—এই আদর্শকে ধারণ করে একটি উন্নত ও নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশবাসীর অব্যাহত সমর্থন ও দোয়া কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
/আশিক
নিজের জ্বালানি ও নিজের চালক: রাষ্ট্রীয় সুবিধায় তারেক রহমানের না
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও বিলাসিতা পরিহার করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই তিনি সরকারি সুযোগ-সুবিধা এড়িয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজস্ব সাদা টয়োটা গাড়ি, ব্যক্তিগত চালক এবং নিজের অর্থে কেনা জ্বালানি ব্যবহার করে দাপ্তরিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। এমনকি বুধবার সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শেরেবাংলা নগরে জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সচিবালয়ে প্রথম অফিস করতে যাওয়ার সময়ও তিনি এই ব্যক্তিগত গাড়িটিই ব্যবহার করেছেন।
সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রী তাঁর গাড়িবহরের সংখ্যাও নাটকীয়ভাবে কমিয়ে এনেছেন। আগে প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের সময় সাধারণত ১৩ থেকে ১৪টি গাড়ির বহর থাকত, যা এখন কমিয়ে মাত্র ৪টিতে নামিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করছেন না। তবে বিশেষ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান কিংবা বিদেশি অতিথিদের সফরের মতো প্রটোকল মেনে চলার প্রয়োজনে পতাকা ব্যবহারের নিয়ম রাখা হয়েছে। জনদুর্ভোগ লাঘবে রাজধানীর সড়কে প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের সময় দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকার যে দীর্ঘদিনের প্রথা বা বিধান ছিল, তাও বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের স্থান নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিবর্তে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে মন্ত্রীদের সচিবালয় থেকে বারবার যাতায়াত করতে হবে না, যা ভিআইপি মুভমেন্টের কারণে সৃষ্ট যানজট ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকাংশেই কমিয়ে আনবে। দায়িত্বের প্রথম দিনেই গুলশানের বাসা থেকে নিজস্ব গাড়িতে যাত্রা শুরু করে সাভার ও শেরেবাংলা নগরের কর্মসূচি শেষ করে সরাসরি সচিবালয়ে পৌঁছান তিনি। ব্যক্তিগত ত্যাগ ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার এমন নজির নতুন সরকারের জনমুখী রাজনৈতিক দর্শনেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
/আশিক
রমজানের চাঁদ দেখা গেছে: বাংলাদেশে কাল থেকে রোজা শুরু
বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের পবিত্র মাহে রমজান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এশার নামাজের পর থেকেই দেশের সব মসজিদে শুরু হবে পবিত্র তারাবির নামাজ এবং আজ দিবাগত শেষ রাতে সেহরি খাওয়ার মাধ্যমে শুরু হবে সিয়াম সাধনা। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য দীর্ঘ এক মাসের এই সংযম ও ত্যাগের মাসটি বিশেষ রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে এসেছে।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে রমজান শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চাঁদ দেখার সংবাদ পাওয়ার পর কমিটির পক্ষ থেকে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে রজব মাসের চাঁদ দেখার মাধ্যমে রমজানের যে আনুষ্ঠানিক ক্ষণগণনা ও প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল, তার পূর্ণতা পেল আজকের এই চাঁদ দেখার সংবাদের মধ্য দিয়ে। রজব ও শা’বান মাস শেষ হওয়ার পরই আসে পবিত্র রমজান, যা মুমিনের জীবনে পরম কাঙ্ক্ষিত।
রমজান মাস শুরুর ঘোষণার পরপরই সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য লক্ষ করা গেছে। আগামীকাল প্রথম রোজা হওয়ায় মুসল্লিরা আজ রাত থেকেই তারাবির নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রমজানের পবিত্রতা রক্ষা এবং সংযমের সাথে সিয়াম পালনের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চাঁদ দেখার এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ এক মাসব্যাপী তাকওয়া অর্জনের সাধনায় লিপ্ত হবেন বাংলাদেশের কোটি কোটি মুসলমান।
/আশিক
বেসরকারি বিনিয়োগে ধস ও সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ: ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে বিদায়
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন ১৮ মাসের অন্তর্বর্তী সরকার একরাশ প্রত্যাশা নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, বিদায়লগ্নে অর্থনীতির ক্ষত আর নানা বিতর্কের বোঝা রেখে গেছে। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র সংস্কারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। তবে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি ছাড়া অর্থনীতির প্রায় সব সূচকেই তাঁর শাসনকাল ছিল চরম বিপর্যয়ের। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ড. ইউনূসের ১৮ মাসের শাসনামলে দেশে নতুন করে আরও প্রায় ৩০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের কাতারভুক্ত হয়েছে, যা তাঁর ‘দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানোর’ বিখ্যাত দর্শনকে খোদ তাঁর নিজ দেশেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ড. ইউনূসের আমলে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২৪ শতাংশ থেকে কমে ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশে নেমেছে, যা গত চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই চিত্র সরকারি বিনিয়োগেও; বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার জুলাই-নভেম্বর মেয়াদে ছিল মাত্র ১১ দশমিক ৫ শতাংশ, যা গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন রেকর্ড। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশে, যা বর্তমানে বিশ্বে সর্বোচ্চ। এছাড়া বিদায়ী সরকার উত্তরাধিকার হিসেবে নির্বাচিত সরকারের ওপর রেখে গেছে প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকার বিশাল ঋণের বোঝা। মূল্যস্ফীতির হার মজুরি বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। গবেষক ড. লুবনা তুরীনের মতে, বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে ও আমদানি সংকুচিত করে রিজার্ভ বাড়িয়ে রাষ্ট্রকে কৃত্রিমভাবে ‘শক্তিশালী’ দেখানোর চেষ্টা হয়েছে, যার মূল্য দিতে হয়েছে দেশের শিল্প খাত ও সাধারণ মানুষকে।
রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের ক্ষেত্রেও ড. ইউনূসের ভূমিকা সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না। স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। উল্টো তাঁর শাসনকালজুড়ে মব কালচার বা বিশৃঙ্খল জনরোষের কারণে গণমাধ্যমে আগুন দেওয়া, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মন্দির-মাজার ভাঙচুর এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ও দলিল বিনষ্টের মতো ঘটনা ঘটেছে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল প্রায় নিষ্ক্রিয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বললেও তাঁর আমলে ভিন্নমতের সাংবাদিকদের কারাগারে যেতে হয়েছে। এমনকি প্রধান উপদেষ্টার পদে থেকে গ্রামীণ ব্যাংক ও তাঁর নিজস্ব স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর মওকুফসহ নানা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা তাঁর সরকারের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
সবশেষে, ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সুপারিশ সংবলিত গ্রন্থ প্রণয়ন করা হলেও মাঠপর্যায়ে কোনো কার্যকর সংস্কার দৃশ্যমান হয়নি। ড. ইউনূস বিশ্বজুড়ে যে ‘তিন শূন্য’ (শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব, ও শূন্য কার্বন নিঃসরণ) তত্ত্বের প্রচারণা চালিয়ে আসছেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকে তার ছিটেফোঁটাও বাস্তবায়ন করতে পারেননি; বরং দারিদ্র্য ও বেকারত্ব দুটোই বেড়েছে। ১৮ মাস দেশের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর তিনি যখন পুনরায় বিশ্বমঞ্চে নিজের পুরনো কর্মে ফিরে যাবেন, তখন এই ব্যর্থতার দায় তাঁর দর্শনের বিশ্বাসযোগ্যতাকে কতটুকু টিকিয়ে রাখবে, তা নিয়েই এখন সচেতন মহলে বড় জিজ্ঞাসা তৈরি হয়েছে।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন
সেহরি-ইফতার ও তারাবিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে সেহরি, ইফতার ও তারাবির সময় সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন। বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, পবিত্র মাসে ধর্মপ্রাণ মানুষের ইবাদত ও স্বস্তির জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর জানান, প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী সরকারের সব মন্ত্রী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। জনগণের বিপুল সমর্থনের প্রতিদান হিসেবে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা প্রভাব বিস্তার বরদাশত করা হবে না। এছাড়া রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালে রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বিশেষ তৎপর থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও স্বাস্থ্য কার্ডের কার্যক্রম দ্রুত দৃশ্যমান করার বিষয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় ছিল দেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণ। প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের শ্রমবাজারের একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। অতীতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময় এই বাজার সম্প্রসারণে যে গতি ছিল, তা নানা কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে। এই স্থবিরতা কাটিয়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরিতে প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্য সফরের পরিকল্পনা রয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। এছাড়া দেশের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সরকারের বিশেষ উদ্যোগগুলো দ্রুত কার্যকর করার বিষয়েও প্রথম বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন সরকারের কাজের গতি নিশ্চিত করতে আগামী ১৮০ দিনের একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান নুরুল হক নুর। উল্লেখ্য যে, গত মঙ্গলবার জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে এবং রাতেই দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শপথের পর প্রথম দাপ্তরিক দিনেই এমন জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নতুন সরকারের সক্রিয়তা ও জনমুখী অবস্থানেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
/আশিক
চাকরির টাকায় সংসার না চললে ছেড়ে দিন, দুর্নীতির কোনো ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর অনমনীয় অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজ মন্ত্রণালয়ে প্রথম কর্মদিবসে আয়োজিত এক পরিচিতিমূলক সভায় তিনি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। মন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি দুর্নীতির সাথে জড়িত হন, তবে কেবল বিভাগীয় বা প্রশাসনিক শাস্তিতেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকবে না, সরাসরি তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দায়ের করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নতুন সরকারের অধীনে দুর্নীতি করে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
সভায় আইনমন্ত্রী বিচারকদের সততার গুরুত্ব নিয়ে দীর্ঘ আলোকপাত করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, 'বিচারক' শব্দের সাথেই সততা বিষয়টি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। তিনি বিশ্বাস করেন একজন বিচারক মানেই তাঁকে সৎ হতে হবে এবং এর বাইরে ভিন্ন কোনো সংজ্ঞায় বিচারককে সংজ্ঞায়িত করার সুযোগ নেই। সমাজের প্রচলিত 'দুর্নীতিবাজ বিচারক' বা 'দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা'—এ ধরণের তকমা মুছে ফেলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, বিচারকদের সৎ ও অসৎ—এই দুই কাতারে বিচার করার পরিস্থিতি তিনি দেখতে চান না; বিচারক মানেই জনগণের কাছে সততার প্রতীক হতে হবে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত আর্থিক সীমাবদ্ধতার বিষয়েও কড়া বার্তা দেন মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, যাদের কাছে মনে হবে সরকারি চাকরির সীমিত বেতন বা সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সংসার চালানো সম্ভব নয়, তাদের এই মহান পেশায় থাকার প্রয়োজন নেই। এমন ব্যক্তিদের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তারা চাইলে ওকালতি পেশায় ফিরে যেতে পারেন, কারণ সেখানে আয়ের ক্ষেত্র বিস্তৃত এবং অবসরের পরও সেই সুযোগ থাকে। তবে সরকারি চাকরিতে থেকে আয়ের অজুহাতে দুর্নীতি করা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে আইনমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মন্ত্রণালয়কে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক হতে হবে। প্রশাসনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ তথা মামলার বিষয়টি সবাইকে মাথায় রেখে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেন তিনি। সভায় আইন মন্ত্রণালয়ের উভয় বিভাগের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যারা এর আগে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে দপ্তরে স্বাগত জানান।
/আশিক
স্কুল-কলেজ-মাদরাসায় বড় নিয়োগ, আবেদন চলছে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সুপারসহ মোট ১৩ হাজার ৫৯৯টি প্রশাসনিক শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা–২০২৬’-এর অনলাইন আবেদন কার্যক্রম চলছে শেষ পর্যায়ে। আগামী বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৬ কার্যকর হওয়ায় আবেদন প্ল্যাটফর্ম হালনাগাদ করতে সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এনটিআরসিএর পরিচালক (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
শূন্যপদের বিস্তারিত চিত্র
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন স্কুল-কলেজে মোট ১০ হাজার ২৭৮টি শূন্যপদ রয়েছে। এর মধ্যঢ়-
স্নাতক (পাস) কলেজে অধ্যক্ষ ৫৮৪ এবং উপাধ্যক্ষ ৬২৭টি
উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে অধ্যক্ষ ৭৬৮টি
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ৩,৯২৩ এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক ৩,৮৭২টি
নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ৫০৪টি
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন মোট ৩,১৩১টি প্রশাসনিক পদ শূন্য রয়েছে। কামিল, ফাজিল, আলিম ও দাখিল মাদরাসায় অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার মিলিয়ে এই শূন্যপদ সৃষ্টি হয়েছে। দাখিল মাদরাসায় এককভাবে সুপার ৮৯১ এবং সহকারী সুপার ১,০০৪টি পদ খালি রয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ১৯০টি প্রতিষ্ঠানপ্রধান পদ শূন্য আছে।
আবেদন প্রক্রিয়া
যোগ্য প্রার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীকে নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পদ নির্বাচন করতে হবে।
ফরমের সঙ্গে সদ্য তোলা ৩০০×৩০০ পিক্সেল রঙিন ছবি এবং ৩০০×৮০ পিক্সেল স্বাক্ষর আপলোড বাধ্যতামূলক। আবেদন সফলভাবে সম্পন্ন হলে একটি ইউজার আইডি প্রদান করা হবে। এরপর টেলিটক প্রিপেইড নম্বর থেকে দুই ধাপে এসএমএসের মাধ্যমে ৩৫০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। আবেদন জমার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফি পরিশোধ না করলে আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
এনটিআরসিএ জানিয়েছে, এমপিও নীতিমালার সাম্প্রতিক সংশোধনীর আলোকে তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হয়েছে। প্রার্থীদের শিক্ষাগত সনদ, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করা হবে। ভুল তথ্য প্রদান করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
শিক্ষা প্রশাসনে দক্ষ নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই শেষ সময়ের ভিড় এড়াতে আগ্রহী প্রার্থীদের দ্রুত আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- তদবিরে কাজ হবে না, দুর্নীতি করলে সরাসরি অ্যাকশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
- তদবিরে কাজ হবে না, দুর্নীতি করলে সরাসরি অ্যাকশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
- মাফিয়া সিন্ডিকেট মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর নতুন সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- ৮৫০ কোটি বছর আগের দৃশ্য! জেলিফিশ গ্যালাক্সির রহস্যময় আবিষ্কার
- নিজের জ্বালানি ও নিজের চালক: রাষ্ট্রীয় সুবিধায় তারেক রহমানের না
- রমজানজুড়ে আদা-রসুন বাটা তাজা রাখার জাদুকরী কৌশল
- ইফতারে বাহারি খাবার বনাম স্বাস্থ্য সচেতনতা: কোনটি বেছে নেবেন?
- সদরপুরে ভেজাল গো-খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- পবিত্র আল-আকসার ইমাম গ্রেপ্তার: রমজানের শুরুতেই জেরুজালেমে চরম উত্তেজনা
- আদালতে দেখা হবে! গণভোটের আইনি চ্যালেঞ্জ নিয়ে শিশির মনিরের হুঙ্কার
- রমজানের চাঁদ দেখা গেছে: বাংলাদেশে কাল থেকে রোজা শুরু
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এতিমখানায় কোরআন শরীফ ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ
- কালিগঞ্জে ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের উদ্বোধন, রমজানজুড়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা
- বেসরকারি বিনিয়োগে ধস ও সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ: ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে বিদায়
- স্কুল-কলেজে আর চলবে না মনগড়া ফি: নতুন নীতিমালায় কড়া হুঁশিয়ারি
- সেহরি-ইফতার ও তারাবিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- চাকরির টাকায় সংসার না চললে ছেড়ে দিন, দুর্নীতির কোনো ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী
- কুমিল্লার ইয়াছিনকে বড় পুরস্কার দিয়েছে বিএনপি
- ঐতিহ্যবাহী নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নলতা শরীফ ক্রিকেট একাডেমির নতুন কমিটি
- প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ চালু
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত
- ১৮ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ১৮ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ১৮ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, কী বার্তা দেবেন তারেক রহমান
- স্কুল-কলেজ-মাদরাসায় বড় নিয়োগ, আবেদন চলছে
- রেমিট্যান্স পাঠাতে জানুন নতুন হার
- বঙ্গভবনে পরিবর্তনের হাওয়া: নতুন রাষ্ট্রপতির অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল
- সাভারে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- বন্ধ হচ্ছে প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ
- বিশ্বজুড়ে হঠাৎ অচল ইউটিউব: ভিডিও দেখতে বিপাকে কোটি কোটি মানুষ
- ইফতারের ভুল খাদ্যাভ্যাস থেকে বাঁচতে পুষ্টিবিদদের বিশেষ পরামর্শ
- ইফতারে মৌসুমি ফলের জাদু: সুস্থ থাকতে পুষ্টিবিদদের বিশেষ পরামর্শ
- হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান
- ইতিহাসে প্রথম: অর্থ ও স্বরাষ্ট্রের মতো শীর্ষ দুই মন্ত্রণালয় পেল চট্টগ্রাম
- সুস্বাদু চায়ের রেসিপি: অতিরিক্ত পাতা বা ফোটানো চা ঠিক করার উপায়
- আকাশছোঁয়া স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি: আজ থেকেই দাম কমছে
- জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কোনো ছাড় নয়: জামায়াত আমির
- আজ ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়: বিড়ম্বনা এড়াতে দেখে নিন তালিকা
- ঢাকায় আজকের গুরুত্বপূর্ণ সব কর্মসূচি
- বুধবারের শপিং গাইড: জেনে নিন আজ রাজধানীর কোন কোন মার্কেট বন্ধ
- ১৮ ফেব্রুয়ারির নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন আপনার এলাকার ওয়াক্ত
- ইরানে মার্কিন হামলা হলে পাশে থাকবে তালেবান
- তারেক রহমানের ঐতিহাসিক অভিষেক: ২০ বছর পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বিএনপি
- বিশ্ব গণমাধ্যমের শিরোনামে তারেক রহমান
- তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির চিঠি
- সৌদি আরবে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে: প্রথম রোজা বুধবার
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুখবর: রিজার্ভে বড় প্রবৃদ্ধি দেখছে বাংলাদেশ
- লক্ষ্মীপুরের ঘরের ছেলে এখন সরকারের মন্ত্রী: এ্যানির কাঁধে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের ভার
- বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে স্বর্ণের হ্রাসকৃত মূল্য
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- জুয়েলারি দোকানে যাওয়ার আগে সাবধান: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার
- প্রাথমিকে রোজার ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য জানাল অধিদপ্তর
- অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
- বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান
- ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের শুভ সূচনা: প্রথম কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে
- কালিগঞ্জের ফতেপুরে দখলমুক্ত হল দুই দোকান, মালিক পরিবারের হাতে চাবি
- রুপা স্থির, তবে কেন অস্থির শুধু সোনা
- দাঁড়িয়ে দেখার দিন শেষ, এবার ভোট দিয়ে অধিকার বুঝে নেওয়ার পালা: মির্জা ফখরুল
- সুষ্ঠু ভোট হলে যেকোনো ফলাফল মেনে নেবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান
- ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের দাপুটে সূচনা: প্রথম কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে লিড
- উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট








