স্বাদে ও পুষ্টিতে সেরা বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ১১টি খেজুর

খেজুর কেবল একটি সুস্বাদু ফল নয়, বরং এটি ভিটামিন, খনিজ এবং আঁশের এক বিশাল ভাণ্ডার যা মানবদেহের জন্য অপরিহার্য। তবে সাধারণ মানের খেজুরের বাইরেও এমন কিছু বিলাসবহুল এবং অতি মূল্যবান প্রজাতি রয়েছে, যেগুলো তাদের অনন্য স্বাদ, অসাধারণ গুণমান এবং দুষ্প্রাপ্যতার কারণে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এই অভিজাত খেজুরগুলো কেবল পুষ্টির জন্য নয়, বরং বিলাসিতার প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়। বিশ্বের সবচেয়ে দামী ও জনপ্রিয় ১১টি খেজুরের বিচিত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন।
১. আজওয়া (Ajwa): মদিনার পবিত্র উপহার সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলে উৎপাদিত আজওয়া খেজুর ধর্মীয় গুরুত্বের দিক থেকে মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত বিশেষ। এটি দেখতে গাঢ় বাদামী থেকে প্রায় কালো রঙের হয় এবং আকারে মাঝারি থেকে বড়। স্বাদে এটি ক্যারামেলি ভাবযুক্ত, যেখানে হালকা বাদাম, ভ্যানিলা ও লিকারিশের এক চমৎকার সংমিশ্রণ পাওয়া যায়। অত্যন্ত নরম ও চিবানো যায় এমন টেক্সচারের এই খেজুরের মিষ্টতা বেশ মৃদু। এর সীমিত উৎপাদন এবং বিশেষ যত্নের কারণে এটি পৃথিবীর অন্যতম দামী খেজুর হিসেবে পরিচিত।
২. মেডজুল (Medjool): খেজুরের রাজা মরক্কোর তাফিলালট অঞ্চল থেকে শুরু হওয়া এই খেজুরকে বলা হয় ‘খেজুরের রাজা’। অত্যন্ত মিষ্টি স্বাদের এই খেজুরটি ক্যারামেল, মধু ও বাটারস্কচের স্বাদ মনে করিয়ে দেয়। মেডজুল বেশ বড়, জুসি এবং দেখতে গাঢ় বাদামী রঙের। এর ত্বক কিছুটা ভাঁজযুক্ত ও নরম। বর্তমানে জর্ডান, ইরান ও সৌদি আরবেও এর ব্যাপক চাষ হচ্ছে এবং রাজকীয় পরিবেশনার জন্য এটি বিশ্বজুড়ে প্রথম পছন্দ।
৩. ডেগলেট নূর (Deglet Noor): আলোর আঙুল আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়ার এই প্রজাতিকে ডাকা হয় ‘আলোর আঙুল’ নামে। সোনালী বাদামী রঙের এই খেজুরটি আয়তাকার এবং এর ত্বক প্রায় স্বচ্ছ। স্বাদে এটি হালকা মধুর এবং কিছুটা বাদামের মতো নোট পাওয়া যায়। অন্যান্য খেজুরের তুলনায় এটি কিছুটা শক্ত ও ক্রাঞ্চি টেক্সচারের, যা বেকিং এবং রান্নার কাজে ব্যবহারের জন্য আদর্শ।
৪. সুক্কারি (Sukkari): মধুর মতো মিষ্টতা সৌদি আরবের এই খেজুরটি তার সোনালী বাদামী রঙ এবং চকচকে ত্বকের জন্য পরিচিত। সুক্কারি নামের সার্থকতা পাওয়া যায় এর খুব মিষ্টি স্বাদে, যেখানে ক্যারামেল ও মধুর আমেজ থাকে। এটি অত্যন্ত নরম এবং মুখে দিলে সহজেই মিলিয়ে যায় এমন টেক্সচারের। বাজারে এটি সেমি-শুকনো এবং পুরোপুরি শুকনো—উভয় রূপেই পাওয়া যায়।
৫. খালাস (Khalas): আভিজাত্যের আপ্যায়ন সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও ওমানের অন্যতম জনপ্রিয় খেজুর হলো খালাস। এর স্বাদ অনেকটা ক্রিমি বাটার ক্যারামেল বা টফির মতো। এটি মোলায়েম ও আঠালো টেক্সচারের এবং দেখতে লালচে বাদামী ও চকচকে। মধ্যপ্রাচ্যে ঐতিহ্যবাহী আরব কফির সাথে অতিথি আপ্যায়নে এই খেজুরটি অপরিহার্য।
৬. বারহি (Barhi): ইরাকের গৌরব ইরাকের বারহি খেজুর অত্যন্ত মিষ্টি এবং এটি পাকার বিভিন্ন পর্যায়ে খাওয়া যায়। সোনালী থেকে বাদামী রঙের এই খেজুরটি দেখতে আয়তাকার। এর স্বাদ সিরাপি, বাটারস্কচ ও মধুর সংমিশ্রণ। শুকনো অবস্থায় এটি অনেকটা টফির মতো লাগে এবং এর টেক্সচার নরম ও চিবানো যায় এমন হয়।
৭. পিয়ারম (Piarom): ইরানের রাজকীয় রত্ন বিশ্বের অন্যতম দামী এই খেজুরটির উৎপত্তি ইরানে। পিয়ারম খেজুরটি আকারে লম্বা এবং কালচে বাদামী থেকে কালো রঙের হয়। আধা-শুকনো টেক্সচারের এই খেজুরে ক্যারামেল ও টফি স্বাদের সাথে সামান্য তিতাভাবের এক বিশেষ সংমিশ্রণ পাওয়া যায়। এর বিশেষ স্বাদ ও বিরলতার কারণে এটি একটি বিলাসবহুল পণ্য হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে সমাদৃত।
৮. মাজাফাতি (Mazafati): ইরানের ‘বাম খেজুর’ ইরানের ‘বাম খেজুর’ হিসেবে পরিচিত মাজাফাতি অত্যন্ত মিষ্টি এবং মাংসল। মোলাসেসের মতো স্বাদ ও চকোলেটি মিষ্টতা একে অনন্য করে তুলেছে। কালো বাদামী রঙের এই খেজুরটি খুবই জুসি ও নরম টেক্সচারের হয়ে থাকে।
৯. খেনায়িজি (Khenazi): স্বাস্থ্যসচেতনদের পছন্দ সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই খেজুরটি গাঢ় কালচে বাদামী এবং কিছুটা ভাঁজযুক্ত। এর স্বাদে ক্যারামেলের মিষ্টতা থাকলেও এটি বেশ মৃদু। নরম ও চিবানো যায় এমন টেক্সচারের এই খেজুরটি যারা কম মিষ্টি পছন্দ করেন বা ডায়েট সচেতন, তাদের কাছে খুবই প্রিয়।
১০. মাবরুম (Mabroom): পুষ্টির ভাণ্ডার সৌদি আরবের মাবরুম খেজুর দেখতে লালচে থেকে কালো বাদামী রঙের। এর মিষ্টতা মৃদু এবং টেক্সচার তন্তুজাতীয় বা চিবানো যায় এমন হয়। এতে ক্যালোরি কম কিন্তু প্রোটিন বেশি থাকায় এটি বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসচেতনদের জন্য একটি আদর্শ বিকল্প।
১১. সাফাওয়ি (Safawi): সর্বশ্রেষ্ঠের দাবিদার অনেকেই সাফাওয়ি খেজুরকে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ খেজুর মনে করেন। সৌদি আরবের এই খেজুরটি কালচে বাদামী ও ভাঁজযুক্ত। এটি অত্যন্ত মিষ্টি, জুসি এবং এর স্বাদে ক্যারামেল, মোলাসেস, টফি ও কফির নোট পাওয়া যায়। নরম ও আঠালো টেক্সচারের এই খেজুরটি স্বাদে ও পুষ্টিগুণে অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
রমজানে পানিশূন্যতা রুখতে জাদুকরী '৪-২-২-২' নিয়ম: পুষ্টিবিদের বিশেষ টিপস
পবিত্র রমজানে সুস্থ ও সতেজ থাকতে পানিশূন্যতা রোধ করাই এখন রোজাদারদের প্রধান চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে শীতের বিদায় আর গরমের আগমনের এই সন্ধিক্ষণে শরীরে পানির চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায়। রাজধানীর মিরপুরভিত্তিক নিউট্রিলার্নবিডির পুষ্টিবিদ রোকসানা তনু সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় টিভি চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রমজানে শরীরকে হাইড্রেট রাখার এক অভিনব ও কার্যকর কৌশলের কথা জানিয়েছেন। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত ঢালাওভাবে পানি পান না করে একটি নির্দিষ্ট ছক বা 'প্যাটার্ন' মেনে চললে শরীর দীর্ঘ সময় সতেজ থাকে।
পুষ্টিবিদ রোকসানা তনুর মতে, একবারে অনেকটা পানি পান করলে তা শরীরের উপকারে না এসে উল্টো অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। তার বদলে তিনি '৪-২-২-২ প্যাটার্ন' অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন। এই নিয়ম অনুযায়ী, ইফতারের সময় ৪ গ্লাস পানি, মাগরিবের নামাজের পর ২ গ্লাস, রাতের খাবারের পর ২ গ্লাস এবং সবশেষে সেহরির সময় ২ গ্লাস পানি পান করা উচিত। এভাবে ধাপে ধাপে মোট ১০ থেকে ১২ গ্লাস বা প্রায় ২ থেকে ৩ লিটার তরল গ্রহণ করলে শরীর সহজে পানি শোষণ করতে পারে এবং পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমে যায়।
সঠিকভাবে পানি পানের গুরুত্ব তুলে ধরে এই পুষ্টিবিদ জানান, পর্যাপ্ত পানি পান করলে রোজার সময় অনেকের যে সাধারণ মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা বা অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভূত হয়, তা অনেকটাই কমে আসে। এছাড়া হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখা, কিডনির সুরক্ষা এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতেও এই পদ্ধতি জাদুর মতো কাজ করে। গরমের এই সময়ে যারা দীর্ঘক্ষণ রোজা রাখছেন, তাদের জন্য এই ৪-২-২-২ নিয়মটি সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হতে পারে।
/আশিক
ইফতারের প্রশান্তি কেড়ে নিচ্ছে মাথাব্যথা? জেনে নিন মুক্তির পূর্ণাঙ্গ গাইড
রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের মুহূর্তে স্বস্তি ফিরে আসার কথা থাকলেও অনেকেই ঠিক তখনই তীব্র মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন। বিশেষজ্ঞদের ভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় ‘ফাস্টিং হেডেক’ বা উপবাসজনিত মাথাব্যথা। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন জানান, এই ধরনের ব্যথা সাধারণত মৃদু থেকে মাঝারি হয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কপাল বা মাথার দুই পাশে অনুভূত হয়।
সাধারণত পানিশূন্যতা, ক্যাফেইন থেকে হঠাৎ বিরতি এবং রক্তে শর্করার ঘাটতির কারণে এই ব্যথার সৃষ্টি হয়। সারাদিন পানি পান না করায় শরীরে ঘাটতি তৈরি হয়ে রক্তনালীর সংকোচন ঘটে, যা মাথাব্যথার অন্যতম কারণ।
আবার যারা নিয়মিত চা বা কফিতে অভ্যস্ত, তারা হঠাৎ তা বন্ধ করলে ‘উইথড্রয়াল’ জনিত সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। এছাড়া দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে গিয়ে মস্তিষ্কে ব্যথার অনুভূতি সৃষ্টি করে, যা মাইগ্রেনের রোগীদের ক্ষেত্রে আরও তীব্র হতে পারে।
তবে সব মাথাব্যথাকে সাধারণ মনে করে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয় বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। যদি মাথাব্যথা অসহনীয় হয়ে ওঠে, ঘাড় শক্ত হয়ে যায়, শরীরের কোনো অংশ অবশ লাগে কিংবা বমি ও জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এই সমস্যা প্রতিরোধের জন্য ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত অল্প অল্প করে বারবার পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। রমজান শুরুর আগে থেকেই চা বা কফির পরিমাণ কমিয়ে আনলে এই ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়।
সেহরিতে প্রোটিন, জটিল শর্করা ও প্রচুর শাকসবজি রাখা উচিত এবং অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। পাশাপাশি নিয়মিত ঘুমের রুটিন ঠিক রাখা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া এবং মানসিক চাপমুক্ত থাকা মাথাব্যথা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সহায়ক। সচেতন খাদ্যাভ্যাস এবং সঠিক জীবনযাপনের মাধ্যমেই রমজানে এই মাথাব্যথা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
/আশিক
ইফতারে যে ভুলগুলো ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
পবিত্র রমজানে দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর ইফতারে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় পুষ্টিবিদরা। তাঁদের মতে, সারাদিন খালি পেটে থাকার পর হঠাৎ করে নির্দিষ্ট কিছু খাবার পাকস্থলীতে গেলে তাৎক্ষণিক অ্যাসিডিটি, তীব্র পেটব্যথা ও বুকে জ্বালাপোড়াসহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। ইফতারের সময় অতিরিক্ত ক্ষুধার্ত থাকা স্বাভাবিক হলেও হুটহাট খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটু অসচেতনতা আপনার হজম প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদী রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা বিশেষ করে ইফতারে সাইট্রাস জাতীয় ফল এবং এর তৈরি অতিরিক্ত ঠান্ডা শরবত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। কমলালেবু বা মুসুম্বির মতো টক জাতীয় ফল খালি পেটে খেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এসব ফলে থাকা ফ্রুক্টোজ হজমপ্রক্রিয়াকে ধীরগতির করে ফেলে। এছাড়া ইফতারের পরপরই চা বা কফি পানের অভ্যাস রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট করার পাশাপাশি অগ্ন্যাশয় ও যকৃতের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। তাই দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর ভারী খাবারের সাথে বা ঠিক পরেই চা-কফি পানের বিষয়ে সাবধান করেছেন চিকিৎসকরা।
বাংলাদেশি ইফতারের চিরচেনা অনুষঙ্গ ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার নিয়েও পুষ্টিবিদদের কড়া সতর্কবার্তা রয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পর তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খেলে গ্যাস, মাথাব্যথা, অবসাদ এমনকি আলসারের মতো সমস্যা হতে পারে। নিয়মিত এমন খাদ্যাভ্যাস স্থূলতা ও অন্ত্রের জটিলতার ঝুঁকি বাড়ায়। এর পরিবর্তে ইফতারে খেজুর, দই, সবজি, ইসবগুলের শরবত এবং সহজপাচ্য পুষ্টিকর খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সঠিক খাদ্যাভ্যাসই পারে রোজাদারকে সুস্থভাবে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনায় সহায়তা করতে।
/আশিক
ইফতারে পানিশূন্যতা দূর করবে জাদুকরী ৭টি শরবত
বর্তমান আবহাওয়ায় রোজা রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শরীরের পানিশূন্যতা রোধ করা। সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের পানির ঘাটতি মেটাতে এবং নিজেকে সুস্থ রাখতে ইফতারে পুষ্টিকর শরবতের কোনো বিকল্প নেই। ডাব ও লেবুপানি, তরমুজের শরবত, তোকমা দানা বা ইসবগুলের ভুসির মতো পানীয় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ইফতারে কৃত্রিম পানীয় বর্জন করে প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি শরবত খেলে ক্লান্তি দূর হয় এবং পিত্তনালীর প্রবাহ সঠিক থাকে। বিশেষ করে পুদিনাপাতা মেশানো তরমুজের শরবত হজমে সহায়তা করে এবং এতে থাকা ইলেক্ট্রোলাইট শরীরের সামঞ্জস্য বজায় রাখে। আবার প্রাকৃতিক মিষ্টিজাতীয় ফল লাল আঙুরের শরবত দ্রুত শক্তির মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের প্রদাহ কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
রোজার সময় অনেকেরই গা বমি বমি ভাব হতে পারে, যা রোধ করতে আদা মেশানো লেবুর শরবত খুবই উপকারী এবং এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।
এছাড়া ভিটামিন সি-তে ভরপুর স্ট্রবেরি ও প্রিবায়োটিক সমৃদ্ধ দইয়ের শরবত অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। হাড়ের সুরক্ষা ও তাৎক্ষণিক শক্তির জন্য কাঠবাদাম ও দুধের মিশ্রণে তৈরি শরবত ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের অভাব পূরণ করে। শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতে এবং শরীরকে দীর্ঘক্ষণ আর্দ্র রাখতে শসার শরবত অনন্য।
অন্যদিকে, যারা ক্যালরি নিয়ে সচেতন তাদের জন্য ভিটামিন সি ও ফাইবার সমৃদ্ধ পেয়ারার শরবত হতে পারে ইফতারের এক ভিন্ন স্বাদের ও স্বাস্থ্যকর সংযোজন। এই প্রতিটি শরবত কেবল তৃষ্ণা মেটায় না, বরং দীর্ঘ উপবাসের পর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সরাসরি অবদান রাখে।
/আশিক
ইফতারে ভাজাপোড়া নয়, স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু চিকেন মোমো হতে পারে সেরা পছন্দ
রোজার দিনে ইফতারের টেবিলে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর সাধারণত আমরা তেলেভাজা ভারী খাবারের প্রতি ঝুঁকে পড়ি, যা অনেক সময় পেটের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করলে বর্তমানে মোমো অনেকের কাছেই একটি জনপ্রিয় ও মুখরোচক বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর এই খাবারটি দ্রুত শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। সবসময় দোকানের ওপর নির্ভর না করে ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরি করা যায় এই মজাদার চিকেন মোমো।
এক কাপ চিকেন কিমা, এক কাপ ময়দা, সামান্য আদা-রসুন ও পেঁয়াজ বাটা, গোলমরিচ গুঁড়ো, সয়া সস, তেল এবং স্বাদমতো লবণ দিয়েই প্রস্তুত করা সম্ভব ভিন্ন স্বাদের এই চমৎকার পদটি যা ইফতারের আয়োজনে আনবে বৈচিত্র্য ও আভিজাত্য।
মজাদার এই মোমো তৈরি করতে প্রথমে ময়দার সঙ্গে সামান্য তেল ও লবণ মিশিয়ে ভালো করে মেখে একটি ডো তৈরি করে এক ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। এরপর একটি প্যানে সামান্য তেল গরম করে তাতে চিকেন কিমার সঙ্গে সব মশলা ও উপকরণ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে পুর তৈরি করে নিতে হবে। কিমা রান্না হয়ে গেলে একটি বাটিতে ঢেলে তা ঠান্ডা হতে দিতে হবে। এরপর আগে থেকে রাখা ময়দার ডো থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে লুচির মতো বেলে নিয়ে তার ভেতরে তৈরি করা কিমার পুর দিয়ে পছন্দমতো মলাট বা ভাঁজ করে মুখ বন্ধ করে দিতে হবে। শেষে চুলায় স্টিমারে পানি দিয়ে তা ফুটে উঠলে মোমোগুলো সাজিয়ে ঢাকনা দিয়ে ১০ থেকে ১২ মিনিট ভাপ দিতে হবে। গরম গরম ভাপানো মোমো পছন্দের সস বা ঝাল চাটনি দিয়ে পরিবেশন করলে ইফতারের ক্লান্তি দূর হয়ে শরীর ও মনে প্রশান্তি ফিরে আসবে।
/আশিক
রোজায় প্রশান্তি জোগাবে স্বাস্থ্যকর খরমুজের শরবত: জেনে নিন তৈরির সহজ উপায়
পবিত্র রমজান মাসে দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকার পর শরীরকে দ্রুত সতেজ ও চনমনে করতে ফলের শরবতের কোনো বিকল্প নেই। ইফতারের টেবিলে সহজে তৈরি করা যায় এমন স্বাস্থ্যকর পানীয়গুলোর মধ্যে খরমুজের শরবত এখন অনেকেরই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। খরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন এ ও সি যা সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এই শরবতটি শরীরের ক্লান্তি দূর করে দ্রুত শক্তি জোগাতেও বেশ সহায়ক। ঘরে থাকা সামান্য কিছু উপকরণ দিয়ে খুব অল্প সময়েই এই সুস্বাদু পানীয়টি প্রস্তুত করা সম্ভব যা ইফতারের আয়োজনে বাড়তি তৃপ্তি যোগাবে।
পুষ্টিকর এই শরবতটি তৈরি করতে প্রয়োজন হবে দুই কাপ ছোট টুকরো করা খরমুজ, দুই কাপ ঠাণ্ডা পানি, স্বাদমতো চিনি, মধু এবং গুঁড়া দুধ। প্রথমে খরমুজের খোসা ছাড়িয়ে এবং ভেতর থেকে বীজ ফেলে দিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে নিতে হবে। এরপর একটি ব্লেন্ডার জারে পরিমাণমতো পানি, খরমুজের টুকরোগুলো, চিনি, গুঁড়া দুধ ও মধু একসাথে নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করতে হবে। মিশ্রণটি একদম মসৃণ হয়ে এলে এটি গ্লাসে ঢেলে নিতে হবে।
ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে পরিবেশনের সময় গ্লাসে পছন্দমতো আইস কিউব বা বরফ কুচি দিয়ে দিলে এর স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। পরিবেশনের সৌন্দর্য বাড়াতে গ্লাসের ওপর খরমুজের ছোট টুকরো বা তাজা পুদিনা পাতা ব্যবহার করা যেতে পারে যা শরবতটিকে আরও আকর্ষণীয় ও সুঘ্রাণযুক্ত করে তুলবে। ইফতারের পাতে এমন একটি স্বাস্থ্যকর পানীয় ক্লান্তি দূর করে রোজাদারকে প্রশান্তি দিতে অনন্য ভূমিকা রাখবে।
/আশিক
রোজায় পানিশূন্যতা বিদায় হবে নিমিষেই: সুস্থ থাকতে মেনে চলুন এই জাদুকরী নিয়ম
পবিত্র রমজান মাসে দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকার ফলে শরীরে পানির অভাব বা পানিশূন্যতা তৈরি হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। তবে কিছু প্রয়োজনীয় বিষয়ে সচেতন থাকলে খুব সহজেই এই শারীরিক অস্বস্তি এড়িয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব। পানিশূন্যতা প্রতিরোধের প্রথম এবং প্রধান উপায় হলো পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান নিশ্চিত করা।
বিশেষ করে সেহরিতে অন্তত এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। শুধু ইফতারের সময় একবারে প্রচুর পানি পান না করে বরং ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত জেগে থাকা পুরো সময়টায় অল্প অল্প করে পানি পান করা বেশি কার্যকর। তবে খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বা খাওয়ার মাঝখানে বেশি পানি পান না করাই ভালো কারণ এতে হজমে সমস্যা তৈরি হতে পারে, তাই খাবার ও পানি পানের মাঝে অন্তত ২০ মিনিট বিরতি রাখা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
শরীরকে ভেতর থেকে সজীব রাখতে পানিসমৃদ্ধ ফল ও সবজি যেমন শসা, লেটুস এবং তরমুজ খাদ্যতালিকায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এর পাশাপাশি ইফতারে ডাবের পানি শরীরের পানির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টিও জোগাবে এবং ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর শরবত, স্যুপ বা স্মুদি শরীরকে দীর্ঘক্ষণ হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করবে।
রোজার সময় কিছু নির্দিষ্ট খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলাও পানিশূন্যতা রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চা, কফি এবং কোমল পানীয় কম পান করাই শ্রেয় কারণ এগুলোতে থাকা ক্যাফেইন প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে শরীর থেকে দ্রুত পানি বের করে দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, প্রক্রিয়াজাত এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে কারণ এসব খাবার তৃষ্ণা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ইফতারে অনেকেরই খুব ঠান্ডা পানীয় পান করার প্রতি আগ্রহ থাকলেও শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যের জন্য হালকা গরম পানি বেশি উপকারী। হালকা গরম পানি দ্রুত হজমে সহায়তা করে এবং শরীরের কোষগুলো ঠান্ডা পানির তুলনায় এই তরল অনেক সহজে শোষণ করতে পারে। এই নিয়মগুলো মেনে চললে পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমিয়ে রমজানের ইবাদতগুলো অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে পালন করা সম্ভব হবে।
/আশিক
ওজন কমাতে চান না কি মেদ ঝরাতে? দই ও ঘোলের গুণাগুণ জেনে নিন
পেট ভালো রাখতে দইয়ের কোনো বিকল্প নেই এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য দইয়ের প্রোবায়োটিক অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে পেট খারাপ হলে বা হজমের সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকেরা অনেক সময় দইয়ের চেয়ে দইয়ের ঘোল খাওয়ার পরামর্শ দেন, যা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে যে আসলে কোনটি বেশি সেরা।
টক দই শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার যা সকালের নাশতায় হোক কিংবা দুপুরের খাবারের পর, এক বাটি খেলে হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। দইয়ের মধ্যে থাকা প্রোবায়োটিক হলো মূলত কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়া যা সরাসরি হজমে সাহায্য করে এবং পেটের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখে। তবে পুষ্টিগুণের বিচারে এবং হজম করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে দই ও ঘোলের উপকারিতা ভিন্ন ভিন্ন মানুষের জন্য ভিন্ন রকম হতে পারে।
সহজপাচ্য হওয়ার দিক থেকে দইয়ের ঘোলের অবস্থান দইয়ের চেয়েও ওপরে এবং যারা নিয়মিত অম্বল বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য ঘোল বেশি উপকারী। দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন বি-১২ থাকে যা হাড় মজবুত করতে এবং পেশি গঠনে সহায়তা করে, তাই শিশুদের হাড় ও দাঁতের গঠনের জন্য দই বেশ কার্যকর। এছাড়া যারা ওজন কমাতে চাইছেন কিন্তু গ্যাস-অম্বলের সমস্যা নেই, তাদের জন্য দই খাওয়া বেশি লাভজনক।
অন্যদিকে বদহজম ও ডিহাইড্রেশন বা জলশূন্যতার সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্য দইয়ের বদলে ঘোলই বেশি যশোযোগ্য। ঘোলে ক্যালরি ও ফ্যাটের পরিমাণ দইয়ের চেয়ে কম থাকায় স্থূলত্ব বা অতিরিক্ত ওজনের মানুষের জন্য ঘোল নিয়মিত খেলে মেদ দ্রুত ঝরবে। বিশেষ করে যাদের ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স বা দুগ্ধজাত খাবারে অ্যালার্জি আছে, তাদের জন্য দইয়ের চেয়ে ঘোল অনেক বেশি নিরাপদ। দীর্ঘ সময় ধরে হাঁপানি বা শ্বাসজনিত সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের দই এড়িয়ে চলা উচিত কারণ দই শ্লেষ্মা বাড়িয়ে দিতে পারে, আর সেক্ষেত্রে দইয়ের বদলে ঘোল খেলে তারা বেশি উপকার পাবেন।
/আশিক
গ্যাসের গন্ধ পেলেই যা করবেন: সিলিন্ডার বিস্ফোরণ এড়াতে জরুরি টিপস
বর্তমানে আমাদের দৈনন্দিন রান্নাবান্নার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার। পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই সিলিন্ডারের ব্যবহার বেড়েছে। তবে যথাযথ সচেতনতার অভাবে প্রায়ই সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটছে। সামান্য কিছু নিয়ম মেনে চললে এবং নিয়মিত তদারকি করলে এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। আপনার ও আপনার পরিবারের সুরক্ষায় এলপিজি ব্যবহারের জরুরি কিছু সতর্কতা নিচে তুলে ধরা হলো
সিলিন্ডার কেনার সময় সতর্কতা
সব সময় অনুমোদিত ডিলার বা পরিবেশকের কাছ থেকে সিলিন্ডার সংগ্রহ করুন। ডেলিভারির সময় অবশ্যই সিলিন্ডারের সিল (Seal) ও সেফটি ক্যাপ পরীক্ষা করে নিন; সিল ভাঙা থাকলে তা গ্রহণ করবেন না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সিলিন্ডারের গায়ে লেখা পরীক্ষার মেয়াদ (DFT) দেখে নেওয়া। মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন সিলিন্ডার লাগানোর পর সাবানের ফেনা দিয়ে লিক পরীক্ষা করুন, কখনোই দিয়াশলাই বা আগুনের শিখা ব্যবহার করবেন না।
রান্নার সময় ও রক্ষণাবেক্ষণ
রান্নাঘর সব সময় পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের উপযোগী রাখুন। চুলার পাশে প্লাস্টিক, কাগজ বা কাপড়ের মতো দাহ্য বস্তু রাখা থেকে বিরত থাকুন। রান্নার সময় ঢিলেঢালা পোশাক এড়িয়ে চলা এবং রান্না শেষে রেগুলেটরের নব বন্ধ করা একটি ভালো অভ্যাস। এছাড়া প্রতিবছর চুলার পাইপ বা সুরক্ষা টিউব পরিবর্তন করা এবং উন্নত মানের (ISI সম্বলিত) রেগুলেটর ও চুলা ব্যবহার করা উচিত। মনে রাখবেন, সিলিন্ডার সব সময় সোজা অবস্থায় খোলা ও শুষ্ক জায়গায় রাখতে হবে।
জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয়
যদি ঘরে গ্যাসের গন্ধ পান, তবে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত রেগুলেটর ও চুলার নব বন্ধ করে দিন। সব দরজা-জানালা খুলে দিন যেন বাতাস চলাচল করতে পারে। সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— গ্যাসের গন্ধ পাওয়া অবস্থায় বিদ্যুতের সুইচ, ফ্যান বা লাইট স্পর্শ করবেন না। কারণ ক্ষুদ্র একটি স্ফুলিঙ্গ থেকেও বড় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। প্রয়োজন হলে ঘর থেকে বেরিয়ে বাইরে গিয়ে মেইন সুইচ বন্ধ করুন এবং দ্রুত ডিস্ট্রিবিউটর বা জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- মার্কিন ঋণের জালে আঘাত হানল ইরান: হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধের নতুন মোড়
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী? এক নজরে দেখে নিন কর্মসূচির তালিকা
- আজ ১৩ রমজান: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়
- হঠাৎ বদলাচ্ছে আবহাওয়া! রাজধানীসহ ৭ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
- তেহরানকে চীনের অভয়বাণী: সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরানকে সব ধরনের সমর্থনের ঘোষণা
- রমজানে পানিশূন্যতা রুখতে জাদুকরী '৪-২-২-২' নিয়ম: পুষ্টিবিদের বিশেষ টিপস
- আরামের যাত্রায় বিঘ্ন ঘটলেই বিপদ! এসি কোচে কড়াকড়ি করছেন রেলমন্ত্রী
- পশ্চিমের সাথে সংলাপ নাকি সংঘাত? হাসান খোমেনির দিকে তাকিয়ে বিশ্বশক্তি
- উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যের মাঝে ৩ প্রভাবশালী দেশের ফোন: প্রবাসীদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
- ইফতারের প্রশান্তি কেড়ে নিচ্ছে মাথাব্যথা? জেনে নিন মুক্তির পূর্ণাঙ্গ গাইড
- জাতীয় সংসদে নতুন টিম: প্রজ্ঞাপনে ৬ হুইপকে রাজকীয় নিয়োগ
- খামেনি হত্যার চরম প্রতিশোধ! এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আঘাত হানল ইরান
- মার্চে রান্নার গ্যাসের দাম কত? বড় সুখবর দিল বিইআরসি
- নারীদের জন্য সুখবর! রাজধানীতে আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- কালিগঞ্জের পল্লীতে আদালতে নিষেধাজ্ঞা মামলা, থানায় জিডি-অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ
- পরিবারের একমাত্র আশার প্রদীপ নিভিয়ে দিল বিদেশের যুদ্ধ
- জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার হওয়ার প্রস্তাব বিএনপির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- রেড ক্রিসেন্টের ভয়াবহ তথ্য: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় ইরানে লাশের মিছিল
- ২ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকা প্রকাশ
- ২ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- আগামী দুই দিন ঢাকাসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
- রুই মাছের ফিশ ফিঙ্গার: ইফতারের আড্ডায় আনবে নতুন চমক
- ইফতারে ভিন্ন স্বাদ: জেনে নিন টমেটো দিয়ে আলুর চপের রেসিপি
- ওয়াশিংটনের সাথে হবে না কোনো বৈঠক: ইরানের নিরাপত্তা প্রধান
- চট্টগ্রাম সমিতি সিলেটের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পথ কি কঠিন হচ্ছে? অভিবাসী ভিসায় নতুন স্থগিতাদেশ
- ইরানি হামলার আশঙ্কায় কাতার: বিস্ফোরণে কাঁপছে রাজধানী দোহা
- ইরানের বিরুদ্ধে এবার কি সরাসরি যুদ্ধে জড়াচ্ছে ফ্রান্স-জার্মানি-যুক্তরাজ্য?
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধস
- খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর হামলা
- স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা; এক বছরে দাম বাড়ল ৬৪ শতাংশ
- সোমবার ঢাকার কোন কোন এলাকার মার্কেট বন্ধ? জেনে নিন তালিকা
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- মৃত্যু গুজব উড়িয়ে দিলেন আহমাদিনেজাদ: নিরাপদ আছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট
- শহীদ বাঘেরি কমপ্লেক্স লণ্ডভণ্ড: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কাঁপছে তেহরান
- আজকের ঢাকা: জ্যাম এড়াতে জেনে নিন কোন এলাকায় কী কর্মসূচি
- আজ ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ১২ রমজানের নামাজের সময়: জেনে নিন পাঁচ ওয়াক্তের সূচি
- বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন
- কালিগঞ্জে সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দীনের বিশাল ইফতার মাহফিল
- তেহরানের ওপর চটল সৌদি আরব: কূটনৈতিক সম্পর্কে চরম টানাপোড়েন
- আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত: কাঁপছে ইসরায়েল
- রমজানে মসজিদুল আকসা বন্ধ করল ইসরায়েল: তারাবি পড়তে পারলেন না হাজারো মুসল্লি
- স্ত্রী হত্যার প্ররোচনা মামলা: প্রধান আসামি অভিনেতা জাহের আলভী
- কালিগঞ্জে ১৬ শতাধিক পরিবারের মাঝে ইঞ্জিনিয়ার মুকুলের ইফতার সামগ্রী বিতরণ
- সংসদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ড. খন্দকার মোশাররফ কুমিল্লার সন্তান
- ইরানে হামলা গ্যাংস্টারসুলভ আগ্রাসন: উত্তর কোরিয়া
- ইফতারে প্রশান্তি পেতে ঝটপট তৈরি করুন স্বাস্থ্যকর ফ্রুট কাস্টার্ড
- অনলাইনে ও মোবাইলে যেভাবে দেখবেন জুনিয়র বৃত্তির ফলাফল
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
- স্বর্ণের দামে ফের রেকর্ড! ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা
- বন্ধকী কূটনীতির দেশে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির স্বপ্ন
- মহাকাশে বিরল মহোৎসব: বাংলাদেশ থেকে এক সারিতে দেখা যাবে ৬ গ্রহ!
- ৫ আগস্টের সেই ৪০ মিনিট! বঙ্গভবনের ভেতর যা ঘটেছিল জানালেন রাষ্ট্রপতি
- স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা; এক বছরে দাম বাড়ল ৬৪ শতাংশ
- ক্ষমতার লড়াইয়ে ইরান: খামেনির আসনে বসতে আইআরজিসি’র চাপ
- ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রস্তুত ১৩ জেলা: উদ্বোধনের তারিখ জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- সাতক্ষীরায় সংরক্ষিত নারী আসন: নেতাকর্মীদের পছন্দের শীর্ষে সেতারা নাসরিন নিশি
- জাকাত ও ফিতরা কত দেবেন? জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ
- আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম! জানুন নতুন মূল্যতালিকা
- কালিগঞ্জে ঘেরের বাসায় আগুন, দখলচেষ্টা ও মাছ লুটের অভিযোগ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
- শহীদ হলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি
- ২ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








