খামেনিকে চরম হুমকি! ইরানে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১০:৫৫:০০
খামেনিকে চরম হুমকি! ইরানে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পফাইল ছবি: রয়টার্স

ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও সহিংসতা দমনে দেশটির প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষিতে এবার সরাসরি সামরিক হামলার কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ইরান বর্তমানে এক বড় ধরণের সংকটে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে তিনি সেখানে সামরিক হস্তক্ষেপের নির্দেশ দিতে পারেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মানুষ এখন এমন সব শহরের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে যা কয়েক সপ্তাহ আগেও কেউ কল্পনা করতে পারেনি। ট্রাম্পের এই কঠোর হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এল যখন ইরানের ৩১টি প্রদেশের সবকটিতেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই হুমকির বিপরীতে কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে তিনি চলমান বিক্ষোভকে ‘সন্ত্রাসী তৎপরতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, বিদেশি শত্রু—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র—এই বিক্ষোভ উসকে দিয়ে ইরানের জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে। খামেনি সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অভিযুক্ত করে বলেন যে ট্রাম্পের হাত ইরানিদের রক্তে রঞ্জিত এবং বিক্ষোভকারীরা বিদেশি শক্তির ‘ভাড়াটে’ হিসেবে কাজ করছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে যারা জনসম্পদে হামলা চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার অত্যন্ত কঠোর ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে।

বর্তমানে ইরানের পরিস্থিতি অত্যন্ত সংঘাতময় এবং রক্তক্ষয়ী হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ডিসেম্বর বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর ১৪ জন সদস্য এবং ৪৮ জন সাধারণ বিক্ষোভকারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে ইরানের কুর্দি ও বালুচ অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতে উত্তেজনা এখন চরমে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর বেলুচ-অধ্যুষিত জাহেদানে বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিবর্ষণে বেশ কয়েকজন আহত ও নিহতের খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি গোপন রাখতে এবং আন্দোলনকারীদের সমন্বয় রুখতে কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।

ইরানের বর্তমান অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে দেশটির সরকার ও জনগণের মধ্যে এক বিশাল দূরত্ব তৈরি হয়েছে। যদিও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান কিছুটা সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং সরকারের প্রতি জনগণের প্রকৃত অভিযোগ শোনার কথা বলেছেন, কিন্তু প্রশাসনের উচ্চমহলের কঠোর মনোভাবে কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। তেহরানের বহু নাগরিক ইতিমধ্যেই পুলিশ থেকে সতর্কতামূলক বার্তা পেয়েছেন যেন তাঁরা সহিংসতা প্রবণ এলাকাগুলো এড়িয়ে চলেন। বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই ‘গুলি ফর গুলি’ নীতি এবং খামেনির অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ও ভয়াবহ যুদ্ধের সূচনা করতে পারে।


বিশ্বের নজর এখন পাকিস্তানে: অবরুদ্ধ ইসলামাবাদ!

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ১২:৩১:৪১
বিশ্বের নজর এখন পাকিস্তানে: অবরুদ্ধ ইসলামাবাদ!
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে সারা বিশ্বের দৃষ্টি এখন পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের দিকে। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) সেখানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদকে বর্তমানে একটি দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করা হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল যখন ইরানের প্রতিনিধিদলের বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে, তখন থেকেই দেশটিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিমানবন্দরে ইরানের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানাতে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তেহরানের এই শক্তিশালী প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। বিমানবন্দর থেকে প্রতিনিধিদলটি বের হওয়ার পর পাকিস্তানের স্পেশাল সার্ভিস ইউনিট এবং এলিট কমান্ড ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশাল কনভয় তাদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিয়ে গন্তব্যে নিয়ে যায়।

এই আলোচনার গুরুত্ব এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনা করে পাকিস্তান সরকার ইসলামাবাদে দুই দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এছাড়া শহরজুড়ে প্রায় ১০ হাজার অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে কোনো কূটনৈতিক সফরের ক্ষেত্রে বিরল।

বর্তমানে ইসলামাবাদের অতি গুরুত্বপূর্ণ ‘রেড জোন’ এলাকা, যেখানে সরকারি ভবন ও বিভিন্ন দূতাবাস অবস্থিত, তা পুরোপুরি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। বিবিসি জানিয়েছে, গতকাল বিকেল পর্যন্ত রেড জোনে সাংবাদিকদের প্রবেশের সুযোগ থাকলেও এখন সেখানে সব ধরনের যান চলাচল ও সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ।

রেড জোনের সীমানার বাইরে এখন দেশি-বিদেশি অসংখ্য সংবাদকর্মীর ভিড় জমেছে। আল জাজিরার ভাষ্যমতে, এই বৈঠককে সফল করতে পাকিস্তান কোনো ধরনের ত্রুটি রাখতে চাইছে না। তবে আলোচনার টেবিলে দুই পরাশক্তি শেষ পর্যন্ত কতটুকু ছাড় দেবে, তা নিয়েই এখন চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

/আশিক


পাকিস্তানগামী বিমানে শিশুদের ছবি! কী বোঝাতে চাইলেন গালিবাফ?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ১২:১৭:৫৩
পাকিস্তানগামী বিমানে শিশুদের ছবি! কী বোঝাতে চাইলেন গালিবাফ?
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির লক্ষ্য নিয়ে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। ইরানের এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তবে বর্তমানে আলোচনার টেবিলের চেয়েও বেশি চর্চা হচ্ছে গালিবাফের সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করা একটি বিশেষ ছবি নিয়ে।

স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের শেয়ার করা সেই ছবিতে দেখা যায়, তাঁর বিমানে বেশ কিছু আসন খালি রাখা হয়েছে এবং সেই আসনগুলোতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে ইরানের মিনাব এলাকার একটি স্কুলে হামলায় নিহত শিশুদের ছবি ও তাদের ব্যবহৃত কিছু ব্যক্তিগত সরঞ্জাম। ছবির ক্যাপশনে তিনি অত্যন্ত আবেগঘনভাবে লিখেছেন, ‘ফ্লাইটে আমার সঙ্গীরা, মিনাব ১৬৮।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার সময় মিনাব এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, যেখানে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী প্রাণ হারায়। নিহত সেই শিশুদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং বিশ্ববাসীর কাছে তাদের স্মৃতি তুলে ধরতেই গালিবাফ এই প্রতীকী উদ্যোগ নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গালিবাফের এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষ ও নেটিজেনদের একটি বড় অংশ বিষয়টিকে অত্যন্ত মানবিক ও হৃদয়স্পর্শী হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল শোক প্রকাশ নয় বরং শান্তি আলোচনার আগে ইরান যে বেসামরিক হতাহতের বিষয়টি বিশ্ব দরবারে জোরালোভাবে তুলতে চায়, এটি তারই একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বার্তা। ইসলামাবাদে আলোচনা শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে এমন একটি ছবি চুক্তির গতিপ্রকৃতি ও দুই পক্ষের অবস্থানের ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

/আশিক


ইসলামাবাদে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল, শুরু হচ্ছে মূল পর্ব

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ১১:৫১:১৩
ইসলামাবাদে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল, শুরু হচ্ছে মূল পর্ব
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের সব নজর এখন পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের দিকে। আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) সেখানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটাতে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধি দলকে বহনকারী একটি সরকারি বিমান আজ সকালেই ইসলামাবাদে অবতরণ করেছে।

এই শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তাঁর সঙ্গে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। অন্যদিকে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

দুই পক্ষই ইসলামাবাদে পৌঁছালেও তাদের মধ্যে বিদ্যমান ‘অবিশ্বাস’ কাটেনি। গালিবাফ বিমানবন্দরে নেমেই সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “আমাদের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু আমেরিকানদের ওপর আমাদের কোনো আস্থা নেই।”

ইসলামাবাদকে বর্তমানে একটি দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ‘রেড জোন’ এলাকা পুরোপুরি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও যান চলাচল নিষিদ্ধ। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টার বরাদ্দ করা হয়েছে, যেখান থেকে তারা এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

পাকিস্তান ও চীনের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই সংলাপে মূলত ৬ সপ্তাহের যুদ্ধের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা থাকলেও লেবানন পরিস্থিতি ও পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে বড় ধরনের মতবিরোধ বজায় রয়েছে।

/আশিক


ওয়াশিংটনে মুখোমুখি হচ্ছে ইসরায়েল-লেবানন: শান্তির পথে বড় মোড়

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ১১:৩৪:৩৮
ওয়াশিংটনে মুখোমুখি হচ্ছে ইসরায়েল-লেবানন: শান্তির পথে বড় মোড়
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন কূটনৈতিক মোড় দেখা দিয়েছে। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াওয়াদ এবং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটার প্রথমবারের মতো সরাসরি ফোনে কথা বলেছেন।

এই ফোনালাপের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনার একটি আনুষ্ঠানিক পথ তৈরি হলো। এই সংলাপে বৈরুতে থাকা মার্কিন দূত মিশেল ইসাও যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টে এই বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। সেখানে মূলত একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং সরাসরি শান্তি আলোচনার রূপরেখা ও তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে একটি বড় শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তারা লেবানন সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনা শুরু করতে সম্মত হলেও সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি বা আলোচনায় বসবে না। ইসরায়েলের ভাষায়, হিজবুল্লাহ একটি ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ এবং তারা শান্তির পথে প্রধান বাধা।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পুরো অঞ্চল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা এবং হিজবুল্লাহর পাল্টা রকেট নিক্ষেপে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

গত মাসে ইসরায়েলি অভিযান শুরুর পর থেকে লেবাননে ১ হাজার ৭০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গত ৮ এপ্রিল মাত্র ১০ মিনিটের ঝটিকা বিমান হামলায় ৩০৩ জন নিহতের ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক নিন্দার ঝড় তোলে।

প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সাফ জানিয়েছেন, লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেই তারা শান্তি আলোচনায় অংশ নেবে। এখন সবার নজর মঙ্গলবারের ওয়াশিংটন বৈঠকের দিকে, যা এই অঞ্চলের ভাগ্যের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

/আশিক


যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন সমীকরণ: ইরানকে অত্যাধুনিক মিসাইল দিচ্ছে চীন!

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ১১:১৭:৩০
যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন সমীকরণ: ইরানকে অত্যাধুনিক মিসাইল দিচ্ছে চীন!
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই নতুন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একাধিক সূত্রের বরাতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানকে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো অত্যাধুনিক অস্ত্র সরবরাহ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। এই খবর এমন এক সময়ে এলো যখন বেইজিং নিজেকে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অন্যতম মধ্যস্থতাকারী হিসেবে জাহির করছে।

সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চীন ইরানকে কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বা ‘ম্যানপ্যাডস’ (MANPADS) সরবরাহ করতে পারে। এই ধরনের অস্ত্র নিচু দিয়ে উড়া যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার এবং ড্রোনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

গোয়েন্দা সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক চাপ এড়াতে এবং উৎসের গোপনীয়তা বজায় রাখতে এই সরঞ্জামগুলো সরাসরি চীন থেকে না পাঠিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে ইরানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস এই অভিযোগকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, চীন কখনো কোনো সংঘাতমান পক্ষকে অস্ত্র সরবরাহ করে না। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছিলেন যে, ইরানের আকাশে ভূপাতিত একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানে ‘তাপ-অনুসন্ধানী ক্ষেপণাস্ত্র’ দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। ইরানও একটি ‘নতুন’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছে, যা সিএনএন-এর এই দাবিকে আরও জোরালো করে তুলেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, চীন একদিকে নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চায়, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের নিরপেক্ষ ভাবমূর্তিও বজায় রাখতে আগ্রহী।

আগামী মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের কথা রয়েছে। সেখানে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে এই অস্ত্র সরবরাহ এবং ইরান ইস্যুটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক


পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়লেই মিলবে ইরানের সাথে চুক্তি: ট্রাম্প 

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ১০:১৯:৪৫
পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়লেই মিলবে ইরানের সাথে চুক্তি: ট্রাম্প 
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে নিজের অনড় অবস্থানের কথা ফের স্পষ্ট করে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভার্জিনিয়ার শার্লটসভিলের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এক কথায় জানিয়ে দিয়েছেন, একটি ভালো চুক্তির মূল নির্যাস হলো— ‘ইরানের জন্য কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ইরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তির ৯৯ শতাংশ শর্তই হওয়া উচিত দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত রাখা। আলোচনার পরিধি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এই সংলাপ এক দফাতেই শেষ হবে না কি দীর্ঘমেয়াদি হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে কোনো বিকল্প বা ‘ব্যাকআপ’ পরিকল্পনার প্রয়োজন নেই বলে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, তাঁর মতে ইরানে ইতোমধ্যে এক ধরনের ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটে গেছে।

আলাপকালে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি খুব শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে। যদিও তিনি মন্তব্য করেন যে, বর্তমানে জ্বালানি শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই পথটির খুব একটা প্রয়োজন নেই। তবে প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে ইরানের টোল আদায়ের পরিকল্পনার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমরা এমনটা হতে দেবো না।”

- আল-জাজিরা


চাঁদ জয় করে ফিরল ‘আর্টেমিস-২’: প্রশান্ত মহাসাগরে নাসার ঐতিহাসিক অবতরণ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১১ ১০:১১:০০
চাঁদ জয় করে ফিরল ‘আর্টেমিস-২’: প্রশান্ত মহাসাগরে নাসার ঐতিহাসিক অবতরণ
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ আধা শতাব্দীরও বেশি সময় পর চাঁদের পথে মানুষের ঐতিহাসিক সফরের সফল সমাপ্তি ঘটল। নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের চার নভোচারী ১০ দিনের মহাকাশযাত্রা শেষে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নিরাপদে পৃথিবীতে অবতরণ করেছেন। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার কিছু পরে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে মহাকাশযানটি অবতরণ (স্প্ল্যাশ ডাউন) করে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অভিযানে নভোচারীরা প্রায় ৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯২ মাইল পথ পাড়ি দিয়েছেন। তাঁদের বহনকারী ‘ওরিয়ন’ ক্যাপসুলটি চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার মাইল দূর দিয়ে একটি ঐতিহাসিক ‘ফ্লাইবাই’ সম্পন্ন করেছে, যা মহাকাশের এত গভীরে মানুষের এযাবৎকালের সবচেয়ে দূরের সফর হিসেবে রেকর্ড গড়েছে। এর মাধ্যমে ১৯৭০ সালের বিখ্যাত ‘অ্যাপোলো-১৩’ মিশনের রেকর্ড ভেঙে দিল আর্টেমিস-২।

মিশন কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান জানিয়েছেন, তিনিসহ দলের চার নভোচারীই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। এই মিশনের মূল লক্ষ্য ছিল চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মানুষের স্থায়ী ঘাঁটি গড়ার সম্ভাবনা যাচাই করা। আর্টেমিস-২-এর এই অভাবনীয় সাফল্যের ওপর ভিত্তি করেই নাসা ২০২৮ সাল নাগাদ পুনরায় চাঁদের মাটিতে সরাসরি পা রাখার চূড়ান্ত পরিকল্পনা করছে। রিকভারি টিম ইতিমধ্যে সমুদ্র থেকে ক্যাপসুলটি উদ্ধার করে নভোচারীদের নিরাপদে উপকূলে নিয়ে এসেছে।

/আশিক


পর্দার আড়ালে চীনের মাস্টারস্ট্রোক: রক্ষা পেল যুদ্ধবিরতি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১০ ২১:৪০:০৮
পর্দার আড়ালে চীনের মাস্টারস্ট্রোক: রক্ষা পেল যুদ্ধবিরতি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে পর্দার আড়ালে সবচেয়ে বড় ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে চীন। পাকিস্তান ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির মূল ‘গ্যারান্টার’ বা জামিনদার হওয়ার জন্য বেইজিংকে অনুরোধ করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার রাতে যখন যুদ্ধবিরতির আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন চীনের সরাসরি হস্তক্ষেপেই ইরান প্রাথমিক সমঝোতায় রাজি হয়। মূলত পাকিস্তান এই মধ্যস্থতায় মুখ্য ভূমিকা পালন করলেও চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরানকে রাজি করাতে বেইজিংয়ের প্রভাব ছিল অনস্বীকার্য।

ইসলামাবাদের একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন যে, মঙ্গলবার রাতে যুদ্ধবিরতির আশা প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু চীনের সময়োচিত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে, ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে চীন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

ইরান মূলত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে বিশ্বাস করতে পারছে না বলেই এমন একজন শক্তিশালী জামিনদার চাইছে, যার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাব দুই-ই আছে। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার গ্রহণযোগ্যতা পশ্চিমে কম থাকায় চীনই এখন সেরা বিকল্প।

তবে এই শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো বেশ কঠিন। নৌ-চলাচল, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার মতো অত্যন্ত জটিল ও সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে দুই পক্ষকে একমত হতে হবে। পাকিস্তান ইতিমধ্যে এসব বিষয়ে আলোচনার জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠন করেছে।

বেইজিং এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জামিনদার হওয়ার বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু না বললেও পর্দার আড়ালে তারা শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে। তেহরানের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং ইসলামাবাদের ‘অভেদ্য ভ্রাতৃত্বের’ বন্ধু হিসেবে চীন এখন এই সংঘাতের স্থায়ী অবসানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পক্ষ।

যুদ্ধের অবসানে পাকিস্তান ও চীন প্রথমদিন থেকেই নিবিড়ভাবে সমন্বয় করে আসছে। এমনকি যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে চীন ও রাশিয়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত প্রস্তাবে ভেটো দিয়ে ইরানকে বড় ধরনের স্বস্তি দেয়।

তবে লেবানন ইস্যু নিয়ে এখনো বড় মতপার্থক্য রয়ে গেছে। পাকিস্তান ও ইরান দেশটিকে যুদ্ধবিরতিতে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইলেও ইসরায়েল তাতে আপত্তি জানিয়েছে। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য এই সংলাপ অত্যন্ত জটিল হতে যাচ্ছে, যেখানে সফল হতে হলে সব পক্ষকেই বড় ধরনের ছাড় দিতে হবে।

/আশিক


ইরান না কি ইসরায়েল, কে জিতল? ইসরায়েলিদের জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১০ ২১:০৭:৪৩
ইরান না কি ইসরায়েল, কে জিতল? ইসরায়েলিদের জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের সাম্প্রতিক একাধিক জনমত জরিপে উঠে এসেছে এক বিস্ময়কর চিত্র। অধিকাংশ ইসরায়েলি নাগরিক মনে করেন না যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার এই সরাসরি যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জয়লাভ করেছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রকাশিত এই জরিপগুলো প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ‘চূড়ান্ত বিজয়’-এর দাবির বিপরীতে এক বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চ্যানেল থার্টিন, চ্যানেল টুয়েলভ এবং কান ইলেভেন-এর জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২৫ থেকে ৩৩ শতাংশ মানুষ নিজেদের পক্ষকে বিজয়ী মনে করছেন। বিপরীতে একটি বড় অংশ মনে করছে এই যুদ্ধে ইরানই কৌশলগতভাবে জয়ী হয়েছে। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, অর্ধেকেরও বেশি ইসরায়েলি বর্তমানে কার্যকর হওয়া এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির ঘোর বিরোধী। তারা মনে করেন, যুদ্ধ থামিয়ে ইরানকে পুনরায় শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং তেহরানের ওপর চূড়ান্ত আঘাত হানা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।

নির্বাচনী বছরে জনগণের এই মনোভাব নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের ওপর বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে। যেখানে তিনি ‘মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেওয়ার’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেখানে মাত্র ৩৭ শতাংশ নাগরিক মনে করেন যে দেশের কৌশলগত অবস্থান উন্নত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি নিয়ে সাধারণ মানুষের এই অসন্তোষ ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

সূত্র: সিএনএন

পাঠকের মতামত: