শীতে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ ঘরোয়া উপায় জানুন

শীতকালে অনেকের কাছেই মাথাব্যথা এক যন্ত্রণাদায়ক সঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য হাড়কাঁপানো ঠান্ডা বাতাস এবং ডিহাইড্রেশন বড় বিপদ ডেকে আনে। চিকিৎসকদের মতে শীতে তৃষ্ণা কম পাওয়ায় পানি পানের পরিমাণ কমে যায় যা শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করে মাইগ্রেনকে ট্রিগার করে। এছাড়া শীতের দিন ছোট হওয়ায় সূর্যের আলো কম পাওয়া যায় যা শরীরে ভিটামিন ডি’র অভাব ঘটায়। গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন ডি এবং ম্যাগনেশিয়ামের অভাব মাইগ্রেনের অন্যতম প্রধান কারণ।
মাইগ্রেনের যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হলো মাথা ও কান ঢেকে রাখা। বাইরে বের হলে মাফলার, টুপি কিংবা হুডি ব্যবহার করা জরুরি যাতে সরাসরি ঠান্ডা বাতাস স্নায়ুতে আঘাত করতে না পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং খাদ্যতালিকায় ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন—বাদাম, পালংশাক ও কলা রাখা প্রয়োজন। অতিরিক্ত চা বা কফি পানের অভ্যাস সাময়িক আরাম দিলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি মাথাব্যথা বাড়াতে পারে। বিএসএমএমইউ-এর মতো বিশেষায়িত হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা জানান যে শীতে বদ্ধ ঘরে রুম ফ্রেশনার বা ধূপের তীব্র সুগন্ধিও মাইগ্রেনের অন্যতম কারণ হতে পারে।
ঘরোয়া উপায়ে স্বস্তি পেতে আদার রস বা আদার টুকরো পানিতে মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। এছাড়া গরম পানিতে লবণ ও লেবুর রস বা মেন্থল দিয়ে ভাপ নিলে শ্বাসনালী পরিষ্কার হয় এবং মাথাব্যথা দ্রুত কমে। রাতে নির্দিষ্ট সময়ে পর্যাপ্ত ঘুম এবং কম্পিউটার বা টিভির স্ক্রিনে কম সময় কাটানো মাইগ্রেন রোগীদের জন্য বাধ্যতামূলক। কোনো খাবারে বা পরিবেশে ব্যথা বাড়ছে তা নিয়মিত ডায়েরিতে নোট করলে আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেই নিজের সমাধান খুঁজে পেতে পারেন। তবে ব্যথা অসহনীয় হলে এবং ঘরোয়া উপায়ে না কমলে দ্রুত একজন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ বা নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
লোপেরামাইড নাকি ঘরোয়া উপায়? ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী কিছু সমাধান
ডায়রিয়া অনেক সময় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ালেও, সাধারণত ২৪ ঘণ্টার কম সময়ের হালকা ডায়রিয়া নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে দ্রুত স্বস্তি পেতে এবং স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে বিশেষজ্ঞরা কিছু ঘরোয়া ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের কথা বলেন। লোপেরামাইড (Imodium) বা বিসমাথ সাবস্যালিসিলেট (Pepto-Bismol) জাতীয় ওষুধ অন্ত্রের চলাচল ধীর করে সাময়িক উপশম দিতে পারে। তবে যেকোনো ওষুধ সেবনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।
প্রাথমিকভাবে ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করা। এ সময় প্রচুর পানি, চা, আপেলের রস বা ইলেক্ট্রোলাইটসমৃদ্ধ পানীয় পান করতে হবে। চাল সেদ্ধ করা ভাতের মাড় শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে অত্যন্ত কার্যকর। এর পাশাপাশি প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার যেমন দই অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এছাড়াও পেয়ারা পাতার ট্যানিন বা শুকনো আদা হজমশক্তি বাড়াতে এবং ডায়রিয়ার উপসর্গ কমাতে দারুণ কাজ করে।
ডায়রিয়ার সময় খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। এ সময় দুধ, পনির, কফি বা অতিরিক্ত ফাইবারযুক্ত ওটমিল এড়িয়ে চলা উচিত। তার বদলে সাদা ভাত বা আলুর মতো সহজপাচ্য খাবার খাওয়া শরীরের জন্য নিরাপদ। পর্যাপ্ত বিশ্রামের পাশাপাশি পেটে হালকা গরম সেঁক দিলে পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। মনে রাখবেন, ঘরোয়া উপায়গুলো কাজ না করলে এবং লক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
/আশিক
ওষুধ ছাড়াই কমবে টনসিলের যন্ত্রণা: হাতের কাছেই আছে জাদুকরী সমাধান!
প্রকৃতি থেকে শীতের বিদায় আর বসন্তের আগমনের এই সন্ধিক্ষণে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রকোপ। এই সময়ে অনেকেরই গলার ভেতরে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়, বিশেষ করে ঢোক গিলতে গেলে কষ্ট বেড়ে যায়। চিকিৎসকদের মতে, এটি সাধারণত টনসিলের ইনফেকশনের কারণে হয়ে থাকে। যে কোনো বয়সেই এই সমস্যা হানা দিতে পারে। যদিও গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করা জরুরি, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ঘরোয়া উপায়ে এই অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
গলা ব্যথা বা টনসিলের সমস্যায় সবচেয়ে কার্যকর এবং প্রাচীন পদ্ধতি হলো হালকা গরম পানিতে লবণ দিয়ে কুলিকুচি করা। লবণ পানি কেবল সংক্রমণই রোধ করে না, এটি গলার ভেতরের ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করতেও সাহায্য করে। এছাড়া এক কাপ পানিতে আদা কুচি দিয়ে তৈরি আদা চা দিনে অন্তত দুই থেকে তিনবার পান করলে টনসিলের সংক্রমণ বাধাগ্রস্ত হয়। আদায় থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান গলার জ্বালাপোড়া ও ব্যথা কমাতে জাদুর মতো কাজ করে।
চায়ের ক্ষেত্রে গ্রিন টি-র সাথে মধুর মিশ্রণও বেশ উপকারী। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি ক্ষতিকর জীবাণু নির্মূল করে গলার কোষগুলোকে সজীব রাখে। দিনে কয়েকবার এই মধু-মিশ্রিত চা পান করলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং টনসিলের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে এই প্রাকৃতিক সমাধানগুলো হতে পারে আপনার সেরা সুরক্ষা। তাই অসুস্থতা বাড়ার আগেই সতর্ক হওয়া এবং ঘরোয়া এই টিপসগুলো মেনে চলা জরুরি।
মাথাব্যথা মানেই কি ব্রেন টিউমার? জেনে নিন লক্ষণ চেনার বৈজ্ঞানিক উপায়
মাথাব্যথা একটি অত্যন্ত সাধারণ সমস্যা হলেও, অনেক সময় এটি মারাত্মক কোনো রোগের আগাম সতর্কবার্তা হতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী মাথাব্যথা বা ব্যথার অস্বাভাবিক ধরন মস্তিষ্কের টিউমারের লক্ষণ কি না—তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, সব মাথাব্যথা ভয়ের কারণ না হলেও কিছু সুনির্দিষ্ট উপসর্গ দেখা দিলে তা অবহেলা করা ঠিক নয়।
আমেরিকান ব্রেন টিউমার অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, মস্তিষ্কে টিউমার থাকলে মাথাব্যথা হওয়া একটি সাধারণ লক্ষণ। তবে মনে রাখতে হবে, বেশিরভাগ মাথাব্যথাই কাজের চাপ, ঘুম কম হওয়া বা মাইগ্রেনের মতো সাধারণ কারণে হয়ে থাকে। টিউমারের আকার ও অবস্থান যখন মস্তিষ্কের স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে, তখনই মূলত এই বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা শুরু হয়।
ব্রেন টিউমারের মাথাব্যথা চেনার উপায়
চিকিৎসকদের মতে, টিউমারের কারণে হওয়া মাথাব্যথা সাধারণ ব্যথানাশক ওষুধে সচরাচর কমে না। এর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো
১. রাতে তীব্র মাথাব্যথার কারণে হুট করে ঘুম ভেঙে যাওয়া।
২. শোয়া থেকে ওঠা বা শরীরের অবস্থান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ব্যথার তীব্রতা বদলে যাওয়া।
৩. ঘন ঘন মাথাব্যথা নিয়ে ঘুম থেকে ওঠা।
৪. কয়েক দিন বা সপ্তাহ ধরে ব্যথার স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাওয়া।
কখন দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন? বিশেষজ্ঞরা কিছু ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বা বিপদ সংকেতের কথা জানিয়েছেন, যা দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি
মাথাব্যথার সঙ্গে ক্রমাগত বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
শরীরের ভারসাম্য হারানো বা মাথা ঘোরা।
দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে আসা বা হঠাৎ দ্বিগুণ দেখা।
কথা বলতে অসুবিধা হওয়া বা খিঁচুনি শুরু হওয়া।
শরীরের কোনো এক পাশ দুর্বল হয়ে পড়া বা অবশ অনুভূত হওয়া।
ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন বা অকারণে বিভ্রান্ত হওয়া।
চিকিৎসকদের মতে, যদি কারও শরীরে আগে থেকেই ক্যান্সারের ইতিহাস থাকে এবং নতুন করে মাথাব্যথা শুরু হয়, তবে তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত। মনে রাখতে হবে, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব। তাই অস্বাভাবিক মাথাব্যথাকে ‘সাধারণ’ মনে করে চেপে না রেখে সঠিক পরীক্ষা করানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
সূত্র : যশোদা হাসপাতাল
পুরুষের নীরব ঘাতক প্রোস্টেট ক্যানসার: জেনে নিন ক্যানসারের ঝুঁকি এড়ানোর উপায়
চল্লিশোর্ধ্ব পুরুষদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে প্রোস্টেটের সমস্যা একটি অত্যন্ত সাধারণ কিন্তু সংবেদনশীল বিষয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই গ্রন্থির নানাবিধ জটিলতা এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে থাকায় চিকিৎসকরা এ বিষয়ে বাড়তি সচেতনতার পরামর্শ দিচ্ছেন। অনেক সময় সাধারণ উপসর্গ মনে করে অবহেলা করার ফলে সংক্রমণ বেড়ে গিয়ে তা শেষ পর্যন্ত ক্যানসারের রূপ নিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রোস্টেটের সমস্যা মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকে— প্রোস্টেট গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, প্রোস্টেটাইটিস বা সংক্রমণ এবং প্রোস্টেট ক্যানসার। সাধারণত ৫০ বছর পেরোলে ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে কম বয়সী পুরুষদের মধ্যেও প্রোস্টেটের সংক্রমণ দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন যে, ৪০ বছরের পর থেকে নিয়মিত প্রোস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন (PSA) পরীক্ষা এবং আলট্রাসোনোগ্রাফি (USG) করানো জরুরি। এর মাধ্যমে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের মাপ ও কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কি না তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়। প্রয়োজনে হিস্টোপ্যাথোলজিক্যাল পরীক্ষা বা কোলোনোস্কোপিও করাতে হতে পারে।
বয়সভেদে প্রোস্টেটের সমস্যার লক্ষণগুলো ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে
২৫ থেকে ৪০ বছর
ঘনঘন জ্বর আসা, প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালাপোড়া, তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা এবং প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
৪০ থেকে ৬০ বছর
প্রস্রাবের অনিয়ন্ত্রিত বেগ (যা অনেকে ডায়াবেটিস মনে করে ভুল করেন), মূত্রনালিতে বারবার সংক্রমণ এবং প্রস্রাবের সময় অস্বস্তি।
৬০ বছরের ঊর্ধ্ব
রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের বেগ প্রবল থাকলেও ধারা ক্ষীণ হওয়া বা শুরু হতে দেরি হওয়া, প্রস্রাবে রক্ত আসা (হিমাচুরিয়া) এবং কোমর ও তলপেটে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা। এছাড়া এই বয়সে মূত্রথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়।
নতুন মহামারির আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীদের সতর্কতা
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের এক সাম্প্রতিক সতর্কবার্তায় উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—এক সময় বিশ্বজুড়ে ত্রাস সৃষ্টি করা এবং বর্তমানে নির্মূল ঘোষিত প্রাণঘাতী গুটিবসন্ত বা স্মলপক্স আবারও ভবিষ্যতে বৈশ্বিক মহামারির কারণ হয়ে উঠতে পারে। অথবা এই ভাইরাসের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কোনো ভাইরাস সেই শূন্যস্থান দখল করে নিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভ্যারিওলা নামে পরিচিত স্মলপক্স ভাইরাসটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নিবিড় তত্ত্বাবধানে পরিচালিত বৈশ্বিক টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের পর ১৯৮০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে পৃথিবী থেকে নির্মূল ঘোষণা করা হয়। মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ এই মহামারিতে শুধু বিশ শতকেই বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। বর্তমানে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব কেবলমাত্র অতি সীমিত কয়েকটি উচ্চ নিরাপত্তাসম্পন্ন গবেষণাগারে সংরক্ষিত নমুনার মধ্যে সীমাবদ্ধ।
তবে বিজ্ঞানীদের নতুন আশঙ্কার মূলে রয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে এই ভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ থাকা। স্মলপক্স নির্মূল হওয়ার পর কয়েক দশক ধরে এর টিকা দেওয়া বন্ধ থাকায় বর্তমান প্রজন্মের মানুষের শরীরে পক্সজাতীয় ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর ফলে অর্থোপক্সভাইরাস পরিবারভুক্ত অন্যান্য ভাইরাস ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে পরিচিত মাঙ্কিপক্স ছাড়াও তুলনামূলক কম পরিচিত কাউপক্স, বাফালোপক্স ও ক্যামেলপক্সের মতো ভাইরাসগুলো স্মলপক্সের জায়গা দখল করে নতুন বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে বিজ্ঞানীরা এখন থেকেই পক্সজাতীয় ভাইরাসগুলোর ওপর নিবিড় নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক প্রস্তুতি গ্রহণের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন।
পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব ও পুরুষ বন্ধ্যত্ব: গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
অফিসের কাজের চাপ, অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের আসক্তি কিংবা দুশ্চিন্তা—সব মিলিয়ে আধুনিক জীবনে মানুষের ঘুমের সময় আশঙ্কাজনকভাবে কমে আসছে। অনেকেই নিয়মিত রাত জাগছেন এবং গড়ে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার বেশি ঘুমানোর সুযোগ পাচ্ছেন না। চিকিৎসকেরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত ঘুমের এই অভাব কেবল ক্লান্তি নয়, বরং পুরুষের প্রজনন ক্ষমতায় মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের শরীরের ভেতরে একটি নিজস্ব ‘জৈবিক ঘড়ি’ বা সার্কাডিয়ান রিদম থাকে। এই ছন্দ ঠিক থাকলেই শরীরের হরমোন ক্ষরণসহ যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের গবেষণা বলছে, মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে থাকা ‘সুপ্রাকিয়াসম্যাটিক নিউক্লিয়াস’ এই কেন্দ্রীয় ঘড়িটি নিয়ন্ত্রণ করে। যখনই ঘুমের এই চক্রটি বারবার বাধাগ্রস্ত হয়, তখনই শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে শুরু করে।
গবেষকেরা জানান, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সুস্থ থাকার জন্য রাতে গড়ে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম প্রয়োজন। কিন্তু কেউ যদি নিয়মিত মাত্র ৪ ঘণ্টা বা তার কম সময় ঘুমান, তবে তাঁর শরীরে পুরুষের প্রধান হরমোন ‘টেস্টোস্টেরন’-এর মাত্রা দ্রুত কমতে থাকে। এই হরমোনের ঘাটতি সরাসরি শুক্রাণু উৎপাদন ও এর গুণমান কমিয়ে দেয়, যা পরবর্তীকালে পুরুষের বন্ধ্যত্বের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ঘুমের অভাব কেবল হরমোন কমিয়েই ক্ষান্ত হয় না, এটি শরীরে ‘কর্টিসল’ বা স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত কর্টিসল টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণকে আরও বাধাগ্রস্ত করে। এর ফলে ‘অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া’, ইনসোমনিয়া, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ, স্থূলতা, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের মতো জটিল সমস্যা তৈরির পথ প্রশস্ত হয়।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, প্রজনন স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে রাতে টানা ঘুমের বিকল্প নেই। যাঁদের সহজে ঘুম আসতে চায় না, তাঁরা শোয়ার আগে স্ক্রিন টাইম বা মোবাইল ব্যবহার কমানো, নিয়মিত মেডিটেশন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামের মতো স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। সুস্থ জীবনের জন্য জৈবিক ঘড়ির ছন্দে ঘুমানো এখন বিলাসিতা নয়, বরং অপরিহার্য প্রয়োজন।
যে ৫ লক্ষণে বুঝবেন আপনার শরীরে কৃমি রয়েছে
প্রাপ্তবয়স্ক কিংবা শিশু—যে কেউই কৃমির সংক্রমণের শিকার হতে পারেন। আমাদের চারপাশে থ্রেডওয়ার্ম, রাউন্ডওয়ার্ম, হুইপওয়ার্ম ও টেপওয়ার্মের মতো বিভিন্ন ধরনের কৃমি রয়েছে, যা মানবদেহের পুষ্টি শোষণ করে শরীরকে রোগাটে ও দুর্বল করে দেয়। অনেক সময় কৃমির ডিম এতটাই সূক্ষ্ম হয় যে, তা বাতাসের মাধ্যমেও শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
স্বাস্থ্য সচেতনতায় আজ কৃমির সংক্রমণের লক্ষণ, কারণ ও প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
যেভাবে শরীরে কৃমি প্রবেশ করে অপরিষ্কার হাত, দূষিত খাবার ও পানি কৃমি সংক্রমণের প্রধান মাধ্যম। এছাড়া সবজি ভালোভাবে না ধুয়ে রান্না করা, খালি পায়ে মাটিতে হাঁটা, অপরিচ্ছন্ন সুইমিং পুলে গোসল এবং পোষ্য প্রাণীর সংস্পর্শ থেকেও কৃমির লার্ভা ত্বকের মাধ্যমে শরীরে ঢুকতে পারে।
শরীরে কৃমির ক্ষতিকর প্রভাব কৃমি অন্ত্রে অবস্থান করে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান খেয়ে ফেলে। এর ফলে রক্তশূন্যতা, ওজন কমে যাওয়া, হজমে সমস্যা ও বমিভাব দেখা দেয়। জটিল পর্যায়ে কৃমি যকৃত বা ফুসফুসে পৌঁছে সিস্ট তৈরি করতে পারে এবং এমনকি মস্তিষ্কে পৌঁছে স্নায়বিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।
যে ৫ লক্ষণে বুঝবেন আপনার শরীরে কৃমি আছে
১. কৃমি শরীরের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে ওলটপালট করে দেয়। ফলে হঠাৎ ক্ষুধা কমে যাওয়া বা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
২. কোনো বিশেষ কারণ ছাড়াই ওজন কমতে থাকা এবং সবসময় শরীরে অবসাদ বা ক্লান্তি অনুভব করা কৃমি সংক্রমণের অন্যতম লক্ষণ।
৩. মলত্যাগের সময় ছোট সাদা কৃমি দেখা দিলে বুঝতে হবে অন্ত্রে কৃমির বিস্তার ঘটেছে। অনেক সময় এগুলো সূক্ষ্ম হওয়ায় চোখে না-ও পড়তে পারে।
৪. পেটে প্রায়ই মোচড় দেওয়া বা খিঁচুনির মতো ব্যথা হওয়া কৃমির সংকেত হতে পারে। বিশেষ করে খাবার খাওয়ার পরপরই ব্যথা অনুভূত হলে সতর্ক হতে হবে।
৫. কৃমি থেকে নির্গত বিষাক্ত উপাদান রক্তে মিশে গেলে ত্বকে ফুসকুড়ি বা চুলকানি দেখা দেয়। বিশেষ করে রাতে পায়ুপথে চুলকানি হওয়া কৃমি সংক্রমণের একটি বড় লক্ষণ।
সুস্থ থাকতে নিয়মিত হাত ধোয়া, বিশুদ্ধ পানি পান করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পরপর কৃমিনাশক ওষুধ সেবন করা জরুরি।
সুস্থ থাকতে প্রতিদিন কতবার প্রস্রাব স্বাভাবিক? জেনে নিন সঠিক তথ্য
শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাবাহক হলো প্রস্রাব। কিডনির মাধ্যমে রক্ত ফিল্টার হয়ে ইউরিয়া, টক্সিন ও অতিরিক্ত লবণ প্রস্রাবের মাধ্যমেই শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। সাধারণত প্রস্রাবের গন্ধ হালকা হলেও হঠাৎ তীব্র বা অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ অনেক ক্ষেত্রে বড় কোনো শারীরিক সমস্যার সংকেত হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, প্রস্রাবের গন্ধ পরিবর্তনের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো পানিশূন্যতা। শরীরে পানির অভাব হলে প্রস্রাব ঘনীভূত হয় এবং অ্যামোনিয়ার মতো তীব্র গন্ধ তৈরি করে।
খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাপনের ধরনও প্রস্রাবের গন্ধে প্রভাব ফেলে। রসুন, পেঁয়াজ, অতিরিক্ত কফি বা অ্যালকোহল গ্রহণ করলে প্রস্রাবে সাময়িক দুর্গন্ধ হতে পারে। এছাড়া ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স সাপ্লিমেন্ট বা নির্দিষ্ট কিছু অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের ফলে প্রস্রাবের রঙ উজ্জ্বল এবং গন্ধ তীব্র হতে পারে, যা সাধারণত ক্ষতিকর নয়। তবে দুর্গন্ধ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রস্রাবের দুর্গন্ধের সঙ্গে যদি জ্বালাপোড়া, তলপেটে ব্যথা বা জ্বর থাকে, তবে তা ‘ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন’ (ইউটিআই) বা মূত্রনালির সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে। এছাড়া অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকলে প্রস্রাবে গ্লুকোজ বা কিটোনের উপস্থিতির কারণে মিষ্টি বা অ্যাসিডিক গন্ধ হতে পারে। অনেক সময় প্রস্রাবের গন্ধ থেকেই রক্তে শর্করা বৃদ্ধির বিষয়টি প্রথম ধরা পড়ে। লিভারের সমস্যা বা গর্ভাবস্থাতেও এমন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, দিনে ৪ থেকে ৮ বার প্রস্রাব করা স্বাভাবিক। এর চেয়ে কম বা বেশি হওয়া এবং সঙ্গে রঙ পরিবর্তন কিংবা কোমরের পাশে ব্যথা থাকলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কিডনির কার্যকারিতা বা ডায়াবেটিস শনাক্ত করতে চিকিৎসকরা সাধারণত প্রস্রাব পরীক্ষা ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
ব্যথানাশক ওষুধকে ‘না’ বলুন: প্রাকৃতিকভাবে পিরিয়ড পেইন ও মুড সুইং কমানোর উপায়
পিরিয়ডের ব্যথা অনেকের জন্যই মাসের এক দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা। ক্র্যাম্প, পেট ফাঁপা এবং অস্বস্তির কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। এই সমস্যা সমাধানে সাধারণত আমরা ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর করি, তবে ঘরোয়া উপায়ে শরীরকে ভেতর থেকে প্রস্তুত করা গেলে এই যন্ত্রণা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। পুষ্টিবিদদের মতে, বার্লি ও আদার তৈরি একটি বিশেষ উষ্ণ পানীয় এক্ষেত্রে ‘গেম চেঞ্জার’ হতে পারে। এটি কেবল হজমে সহায়তা করে না, বরং শরীরের প্রদাহ কমিয়ে পিরিয়ড পূর্ববর্তী অস্বস্তি মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।
কী কী লাগবে এই পানীয় তৈরিতে? এই জাদুকরী পানীয় তৈরি করতে আপনার হাতের কাছে মাত্র তিনটি উপকরণ থাকলেই চলবে
বার্লি: ১ টেবিল চামচ।
আদা: ১ ইঞ্চি পরিমাণ (কুচি করা)।
পানি: ২ কাপ।
এই পানীয়টি তৈরির ক্ষেত্রে একটি ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—তা হলো বার্লি ভিজিয়ে রাখা। বার্লি দানাগুলো অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা বা সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর সকালে ভেজানো বার্লির সঙ্গে ১ ইঞ্চি আদা কুচি যোগ করে ২ কাপ পানিতে দিয়ে দিন। মিশ্রণটি মাঝারি আঁচে ১০ থেকে ১২ মিনিট ফুটিয়ে নিন যাতে আদা ও বার্লির গুণাগুণ পানিতে মিশে যায়। সবশেষে ছেঁকে নিয়ে হালকা উষ্ণ অবস্থায় পান করুন।
কখন এবং কেন এটি পান করবেন? ঋতুস্রাবের ব্যথার ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে পানীয়টি গ্রহণ করা জরুরি। এটি কোনো তাৎক্ষণিক ম্যাজিক নয় যে ব্যথা শুরু হলে সাথে সাথে কাজ করবে। এটি শরীরকে ভেতর থেকে প্রস্তুত করার একটি প্রক্রিয়া। আপনার মাসিক শুরু হওয়ার অন্তত ১০ থেকে ১৪ দিন আগে থেকে প্রতিদিন ১ কাপ করে এই পানীয় পান করা শুরু করুন। সকালে বা সন্ধ্যায় যেকোনো এক সময় এটি খাওয়া সবচেয়ে ভালো।
বার্লি মূলত অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং ইস্ট্রোজেন হরমোনের অতিরিক্ত নিঃসরণ বা ডিটক্সে সহায়তা করে, যা হরমোনের ভারসাম্য রক্ষার জন্য খুবই জরুরি। অন্যদিকে, আদা প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি হিসেবে কাজ করে যা পেট ফাঁপা, প্রদাহ এবং অলস অনুভূতি কমাতে দারুণ কার্যকর। একসঙ্গে এই দুই উপাদানের মিশ্রণ পিরিয়ডের আগের সেই অস্বস্তিকর সময়টিকে অনেক বেশি সহনীয় করে তোলে। এটি কোনো রাসায়নিক ছাড়াই শরীরকে দেয় ধারাবাহিক ও মৃদু সুরক্ষা।
পাঠকের মতামত:
- প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?
- আবারও স্বর্ণের বাজারে বড় উত্থান
- রমজানে অর্ধশত পরিবারের পাশে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন
- মুরাদনগরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে নির্মাণ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- যমুনা ছাড়ছেন কবে ড. ইউনূস, কোথায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
- ঢাকায় ১০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান ইশরাকের
- শেয়ারবাজারে আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন: অর্থ মন্ত্রী আমীর খসরু
- ২১ ফেব্রুয়ারিতে ডিএমপির সড়ক নির্দেশনা, কোন পথ এড়াবেন
- হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটি হবে লক্ষ্যবস্তু: ইরান
- "আই হ্যাভ এ প্ল্যান" বাস্তবায়ন শুরু
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার: ২০ ফেব্রুয়ারি
- বের হওয়ার আগে জেনে নিন আজ যেসব মার্কেট বন্ধ
- এইচএসসি ২০২৬: ফরম পূরণের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও নীতিমালা প্রকাশ
- শুক্রবারের পূর্ণ নামাজ সূচি, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- রাজধানীতে আজ আবহাওয়ার পূর্বাভাস
- রাজধানীতে আজ আবহাওয়ার পূর্বাভাস
- বাংলাদেশের ম্যাচসহ আজ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন
- এতিমদের মধ্য থেকেই কেউ একদিন প্রধানমন্ত্রী হবে: শফিকুর রহমান
- ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি: দায়িত্বে আছেন যারা
- সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা তোলা চাঁদা নয়: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
- স্বর্ণের বাজারে টানা উত্থান: বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় খবর
- ইফতারের পর ক্লান্ত লাগে? সতেজ থাকার সহজ উপায়গুলো জেনে নিন
- মহাকাশ বিজয়ে ইরান: সফলভাবে উৎক্ষেপিত হলো জাম-এ-জাম ১
- ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত মন্ত্রিসভা, জনস্বার্থ উপেক্ষিত: নাহিদ ইসলাম
- পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসছে
- ১৯ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- রোজার প্রথম দিনেই মুরগি ও সবজির দামে লাগামহীন রাজধানীর বাজার
- ১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ইফতারে যেসব ভুলের কারণে গ্যাস্ট্রিক ও ওজন বাড়ে
- প্রথম রোজার ইফতারে চমক! ঘরেই তৈরি করুন মুচমুচে ও সুস্বাদু চিকেন পাকোড়া
- দুপুরের নির্জনতা ভেঙে হঠাৎ কেঁপে উঠল সিলেট: বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস?
- ১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- নতুন সরকারের প্রতি ট্রাম্পের পূর্ণ আস্থা: অভিনন্দন বার্তায় চাঞ্চল্য
- ভারতীয় ভিসা নিয়ে বড় সুখবর
- জনগণের ট্যাক্সে চলি, জবাবদিহিতা নৈতিক দায়িত্ব: ফখরুল
- স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রী: কুমিল্লা বরুড়াবাসীর স্বপ্ন পূরণ করতে চান জাকারিয়া তাহের
- ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, ধাপে ধাপে পাবে পাঁচ কোটি পরিবার
- রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি, কতদিন বন্ধ থাকবে স্কুল-কলেজ?
- অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন ফখরুল: চাঁদাবাজদের তথ্য দিতে ওয়েবসাইট চালু
- শুল্ক ছাড়ের সুফল নেই: জাহাজ ডুবি ও সিন্ডিকেটে উত্তপ্ত খেজুরের বাজার
- ইফতারে প্রাণ জুড়াতে খেজুরের স্মুদি: ঝটপট তৈরির সহজ উপায়
- শনিবার কি ইরানে হামলা হচ্ছে? পেন্টাগনের সেনা সরানোর খবরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- রোজার ক্লান্তি দূর করবে এক বাটি ফল; ইফতারে কোন কোন ফল রাখবেন?
- কাঁচা না সেদ্ধ? ইফতারের ছোলার পুষ্টিগুণ নিয়ে যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা
- নবম পে-স্কেল কি পিছিয়ে যাচ্ছে? যা বললেন নতুন অর্থমন্ত্রী
- অপরাধী ও দুর্নীতিবাজদের হেদায়েতের দাওয়াত দিয়ে যাবো: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- ভিন্নমত দমন নয়, গণতন্ত্রের স্বার্থে একে স্বাগত জানান: জামায়াত আমির
- জুয়েলারি দোকানে যাওয়ার আগে সাবধান: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার
- চাকরির টাকায় সংসার না চললে ছেড়ে দিন, দুর্নীতির কোনো ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী
- প্রাথমিকে রোজার ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য জানাল অধিদপ্তর
- অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
- বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের অংশবিশেষ
- কালিগঞ্জে শতবর্ষী মাদ্রাসার জমি জোরপূর্বক বিক্রয়ের অভিযোগ, দখলের পায়তারা
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও শপিং মল বন্ধ
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিভাবক হলেন এহসানুল হক মিলন
- আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে
- মঙ্গলবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ বিকেলেই শুরু হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ: বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?








