এক নজরে ডিএসইতে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক এনএভি

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বন্ধমূলধনী ও উন্মুক্তমূলধনী একাধিক মিউচুয়াল ফান্ডের Net Asset Value (NAV) বা সম্পদমূল্য হালনাগাদ করেছে ফান্ড ম্যানেজার প্রতিষ্ঠানগুলো। ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর সমাপ্ত দিনের কার্যক্রম শেষে ঘোষিত এসব এনএভি থেকে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ ফান্ডের ইউনিটপ্রতি বর্তমান বাজারমূল্যভিত্তিক এনএভি এখনো ফেস ভ্যালু ১০ টাকার নিচে অবস্থান করছে, যদিও কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী।
রিলায়েন্স ওয়ান (RELIANCE1) ফান্ড ৩০ নভেম্বর শেষে প্রতি ইউনিটে বাজারদরভিত্তিক এনএভি দেখিয়েছে ১০ টাকা ৫৬ পয়সা এবং কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১১ টাকা ০৯ পয়সা, যেখানে ফান্ডটির মোট নেট অ্যাসেট দাঁড়িয়েছে ৬৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকার বেশি (বাজারদরে) এবং কস্ট প্রাইসে ৬৭ কোটি ১০ লাখ টাকার বেশি। অন্যদিকে গ্রামীণ টু (GRAMEENS2) ফান্ডটি তুলনামূলকভাবে বড় আকারের, যার মোট নেট অ্যাসেট বাজারদরে ২৮৫১ কোটি টাকার বেশি এবং কস্ট প্রাইসে ১৯০০ কোটিরও বেশি। এই ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ১৫ টাকা ৬৩ পয়সা হলেও কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১০ টাকা ৪২ পয়সা, যা ফেস ভ্যালুর সামান্য ওপরে।
গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড (GLDNJMF) এবং ICB Agrani ফার্স্ট (ICBAGRANI1) উভয় ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক ইউনিটপ্রতি এনএভি ৯ টাকা ৩৬ পয়সা থাকলেও কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি যথাক্রমে ১১ টাকা ০৩ পয়সা এবং ১২ টাকা ২০ পয়সা। ICB Sonali ফার্স্ট (ICBSONALI1) ফান্ডে বাজারদরে প্রতি ইউনিটের এনএভি ৮ টাকা ৩৪ পয়সা, কিন্তু কস্ট প্রাইস ভিত্তিতে তা ১২ টাকা ৪৯ পয়সা, যা বিনিয়োগের প্রাথমিক খরচের তুলনায় শক্তিশালী অন্তর্নিহিত সম্পদচিত্র তুলে ধরছে।
IFIL Islamic মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান (IFILISLMF1) ফান্ডে বাজারদরে প্রতি ইউনিটে এনএভি ৬ টাকা ৯২ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৬৭ পয়সা। PF ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (PF1STMF) এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৭ টাকা ৭৫ পয়সা হলেও কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১২ টাকা ৪৭ পয়সা, যেখানে মোট নেট অ্যাসেট বাজারদরে ৪৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার বেশি। ICB থার্ড এনআরবি (ICB3RDNRB) ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৭ টাকা ৬৪ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১২ টাকা ৬১ পয়সা, মোট নেট অ্যাসেট ৭৬ কোটি ৪৪ লাখ (বাজারদরে) এবং ১২৬ কোটির বেশি (কস্ট প্রাইসে)।
TRUST ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (TRUSTB1MF) ফান্ডটি বড় আকারের, যার মোট নেট অ্যাসেট বাজারদরে ১৯৮৩ কোটি টাকার বেশি ও কস্ট প্রাইসে ৩৪৬৮ কোটির বেশি। এর ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৬ টাকা ৫৩ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৪৩ পয়সা। PRIME ফার্স্ট ICB অ্যাসেট (PRIME1ICBA) ফান্ডের বাজারদরে এনএভি ৭ টাকা ৭২ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১২ টাকা ৯৭ পয়সা, নেট অ্যাসেটও বেড়ে ৭৭ কোটি থেকে ১২৯ কোটির বেশি (কস্ট প্রাইসে)।
POPULAR1MF ফান্ডের ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৭ টাকা ০৪ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৪১ পয়সা, মোট নেট অ্যাসেট বাজারদরে ২১০৪ কোটি টাকার বেশি। PHPMF1 ফান্ডে বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৬ টাকা ৮৮ পয়সা, কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৩৪ পয়সা, যা দীর্ঘমেয়াদে অন্তর্নিহিত সম্পদের শক্তি নির্দেশ করে।
ICBEPMF1S1 এবং IFIC ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড (IFIC1STMF) এর বাজারদরভিত্তিক এনএভি যথাক্রমে ৭ টাকা ৫১ পয়সা ও ৭ টাকা ৪৮ পয়সা; কস্ট প্রাইসে তা ১২ টাকা ৪১ পয়সা ও ১১ টাকা ৬৮ পয়সা। FBFIF ফান্ডটি আকারে সবচেয়ে বড়গুলোর একটি, যার মোট নেট অ্যাসেট বাজারদরে ৫৫৪৫ কোটি টাকার বেশি এবং কস্ট প্রাইসে ৮৮২৬ কোটিরও বেশি; ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৭ টাকা ১৪ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৩৭ পয়সা।
ICB AMCL সেকেন্ড (ICBAMCL2ND) ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ৪৪ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১৩ টাকা ৭০ পয়সা, যা অন্যান্য বেশকিছু ফান্ডের তুলনায় কস্ট প্রাইস ভিত্তিতে উচ্চ। EXIM ফার্স্ট মিউচুয়াল (EXIM1STMF) ফান্ডে বাজারদরে এনএভি ৭ টাকা ২৪ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৫৫ পয়সা, নেট অ্যাসেট বাজারদরে ১০৩৬ কোটি ও কস্ট প্রাইসে ১৬৫৪ কোটির বেশি।
1STPRIMFMF ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ৪০ পয়সা হলেও কস্ট প্রাইসে তা ১৬ টাকা ৭৩ পয়সি, যা তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি স্প্রেড দেখাচ্ছে। EBLNRBMF ও EBL1STMF উভয় ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক এনএভি যথাক্রমে ৬ টাকা ৪৮ পয়সা ও ৬ টাকা ৪৩ পয়সা এবং কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১১ টাকা ৩৩ পয়সা ও ১১ টাকা ৪৯ পয়সা।
ABB1STMF ফান্ডে ইউনিটপ্রতি এনএভি বাজারদরে ৭ টাকা ১৭ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৬০ পয়সা; 1JANATAMF ফান্ডের বাজারদরে এনএভি ৬ টাকা ০৮ পয়সা ও কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৪৩ পয়সা, যেখানে নেট অ্যাসেট কস্ট প্রাইসে ৩৩১৫ কোটির বেশি। CAPMIBBLMF ও CAPMBDBLMF ফান্ডে যথাক্রমে ৭ টাকা ৭৭ পয়সা ও ৮ টাকা ০৯ পয়সা (বাজারদরে) এবং ১১ টাকা ৩৭ পয়সা ও ১০ টাকা ৮৯ পয়সা (কস্ট প্রাইসে) এনএভি রিপোর্ট করা হয়েছে। CAPITECGBF ফান্ডে বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৯ টাকা ৮৬ পয়সা, যা ফেস ভ্যালু ১০ টাকার সামান্য নিচে, তবে কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি ১০ টাকা ৮৭ পয়সা। VAMLRBBF ফান্ডের বাজারদরভিত্তিক এনএভি ৮ টাকা ৬৮ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১১ টাকা ৪৮ পয়সা, আর VAMLBDMF1 ফান্ডে বাজারদরে এনএভি ৮ টাকা ৮৬ পয়সা এবং কস্ট প্রাইসে ১০ টাকা ০১ পয়সা, যা কস্ট প্রাইস ভিত্তিতে ফেস ভ্যালুর সামান্য ওপরে।
সামগ্রিকভাবে দেখা যাচ্ছে, বাজারদরের চাপে অধিকাংশ মিউচুয়াল ফান্ডের এনএভি ফেস ভ্যালুর নিচে থাকলেও কস্ট প্রাইস ভিত্তিক এনএভি এখনো ১০ টাকার উপরে অবস্থান করছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য এই ডেটা ফান্ডগুলোর অন্তর্নিহিত সম্পদ ও সম্ভাব্য পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত বহন করতে পারে, তবে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বাজার পরিস্থিতি ও লিকুইডিটি ভালোভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।
-রাফসান
১৫ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ দেখা গেছে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। দিনশেষে মোট ৩৯৪টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়, যার মধ্যে ৩৬৪টির দর বৃদ্ধি পায়, মাত্র ২৬টির দর কমে এবং ৪টি অপরিবর্তিত থাকে। সংখ্যার বিচারে বাজারে স্পষ্টভাবে ক্রেতা প্রাধান্য লক্ষ্য করা গেছে।
ক্যাটাগরি ভিত্তিক চিত্র
এ ক্যাটাগরিতে ২০৭টি কোম্পানির মধ্যে ১৯১টির দর বেড়েছে, ১৪টির কমেছে এবং ২টি অপরিবর্তিত ছিল। বি ক্যাটাগরিতে ৮১টির মধ্যে ৭৭টি বেড়েছে। জেড ক্যাটাগরিতেও ১০৬টির মধ্যে ৯৬টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩৪টির সবকটির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়। করপোরেট বন্ড খাতে ৪টির মধ্যে ৪টিরই দর কমেছে। সরকারি সিকিউরিটিজে ৩টির মধ্যে ১টির দর বেড়েছে এবং ২টির কমেছে।
লেনদেন ও বাজার মূলধন
দিনভর ২ লাখ ৭৭ হাজার ৩৭৮টি লেনদেন সম্পন্ন হয়। মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৬ কোটি ৪২ লাখের বেশি ইউনিটে। আর্থিক মূল্যমান ছিল প্রায় ১,২৭৫ কোটি টাকারও বেশি।
বাজার মূলধন দিনশেষে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকায়। এর মধ্যে ইক্যুইটি সেগমেন্টের অংশ প্রায় ৩ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় ২ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকা এবং ঋণ সিকিউরিটিজ ৩ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকার বেশি।
ব্লক মার্কেটের চিত্র
ব্লক মার্কেটে ৩৯টি কোম্পানির মোট ৬৪টি লেনদেন সম্পন্ন হয়, যেখানে প্রায় ৩৬ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। লেনদেনের আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় ১২০ কোটি টাকা। ব্লক মার্কেটে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, লাভেলো আইসক্রিম, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এনসিসি ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে।
বাজার বিশ্লেষণ
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা ও নীতিগত ইতিবাচক সংকেত বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংক, বিমা ও বড় মূলধনী শেয়ারে ক্রেতার চাপ বেশি ছিল।
তবে বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, টেকসই ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রাখতে করপোরেট আয় বৃদ্ধি, সুশাসন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর নজরদারি অপরিহার্য।
উল্লেখ্য, এই বাজারসারাংশে দর বৃদ্ধি বা হ্রাস হিসাব করা হয়েছে ক্লোজিং প্রাইসের ভিত্তিতে, যা শেষ ৩০ মিনিটের লেনদেনের ওজনভিত্তিক গড়মূল্যে নির্ধারিত।
-রাফসান
১৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত লেনদেন চিত্র অনুযায়ী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক প্রবণতা থাকলেও কয়েকটি শেয়ারে দরপতন দেখা গেছে। শীর্ষ ১০ লুজার তালিকায় ব্যাংক, টেক্সটাইল, জুট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার স্থান পেয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে সামগ্রিক উত্থানের মাঝেও কিছু বিনিয়োগকারী মুনাফা তুলে নেওয়ায় এ ধরনের সংশোধন ঘটেছে।
সবচেয়ে বেশি দর কমেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি–এর শেয়ারে। আগের দিনের সমাপনী দর ৫২.১ টাকা থেকে কমে ৪৯.৫ টাকায় নেমেছে, যা প্রায় ৪.৯৯ শতাংশ পতন নির্দেশ করে। দিনের সর্বোচ্চ দর ছিল ৫২.৪ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪৬.৯ টাকা।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জিল বাংলা সুগার মিলস, যার শেয়ার ৩.৯৫ শতাংশ কমে ১৩৮.৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা জুট স্পিনার্স প্রায় ৩.৭৮ শতাংশ দর হারিয়ে ২১১.২ টাকায় লেনদেন হয়েছে।
স্পিনিং খাতের এপেক্স স্পিনিং ৩.৬৫ শতাংশ কমে ২২১.৩ টাকায় নেমেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইসলামিক ফাইন্যান্স প্রায় ৩.৬৩ শতাংশ কমে ১০.৬ টাকায় লেনদেন হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা খাতে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ৩.৪৬ শতাংশ দর হারিয়েছে। ব্যাংক খাতে আরও রয়েছে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, যার শেয়ার ২.৮৪ শতাংশ কমেছে।
চিনি শিল্পের শ্যামপুর সুগার মিলস প্রায় ২.৫৮ শতাংশ পতন দেখিয়েছে। এছাড়া অটোমোবাইল খাতের আফতাব অটো ও জ্বালানি খাতের নাভানা সিএনজি যথাক্রমে ১.৫৮ ও ০.৯২ শতাংশ দর কমিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সামগ্রিক সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও কিছু শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি মুনাফা গ্রহণ ও কারিগরি সংশোধনের প্রভাব পড়েছে। দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা নির্ভর করবে করপোরেট ফলাফল, তারল্য পরিস্থিতি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ওপর।
-রাফসান
১৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত লেনদেন তথ্য অনুযায়ী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচনের পর বাজারে ইতিবাচক মনোভাব ও শক্তিশালী ক্রয়চাপের কারণে একাধিক শেয়ার দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
সবচেয়ে বেশি দরবৃদ্ধি হয়েছে ওয়ান ব্যাংক পিএলসি–এর শেয়ারে। আগের দিনের সমাপনী দর ৮.০ টাকা থেকে বেড়ে ৮.৮ টাকায় উঠে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ দরও ছিল ৮.৮ টাকা।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মোন্নো ফ্যাব্রিকস। শেয়ারটির সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ২৪.৫ টাকা, যা আগের ২২.৩ টাকার তুলনায় প্রায় ৯.৮৭ শতাংশ বেশি। তৃতীয় স্থানে থাকা লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স ১৪.২ টাকা থেকে বেড়ে ১৫.৬ টাকায় উঠে প্রায় ৯.৮৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিমা খাতে এশিয়া ইন্স্যুরেন্স প্রায় ৯.৮৪ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। প্রযুক্তি খাতের ড্যাফোডিল কম্পিউটারস ৯.৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে পঞ্চম অবস্থানে।
ব্যাংক খাতে আরও রয়েছে এনআরবি ব্যাংক এবং ঢাকা ব্যাংক, যারা যথাক্রমে প্রায় ৯.৭২ ও ৯.৬৩ শতাংশ দরবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড ১ প্রায় ৯.৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে তালিকায় স্থান পেয়েছে। এছাড়া ভিএফ স্ট্যান্ডার্ড ও ডিএসএসএল যথাক্রমে ৯.৫৬ ও ৯.৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা, ব্যাংকিং খাতে সম্ভাব্য নীতিগত পরিবর্তন এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার পুনরাগমন এই উত্থানের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। তবে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য করপোরেট আয়ের উন্নয়ন ও বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে তারা মন্তব্য করেছেন।
-রফিক
নির্বাচনের পর শেয়ারবাজারে বড় উত্থান, বিনিয়োগকারীর ভিড়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর প্রথম কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে জোরালো উত্থান দেখা গেছে। রোববার লেনদেন শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১০০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। বাজার খোলার প্রথম পাঁচ মিনিটেই অর্ধশতাধিক কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা বা সার্কিট ব্রেকারে পৌঁছে, যা দীর্ঘদিনের স্থবিরতার পর এক নাটকীয় মোড় নির্দেশ করে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া এবং নতুন সরকারের দ্রুত নীতিগত ঘোষণা আসবে—এই প্রত্যাশাই ক্রেতাদের সক্রিয় করেছে। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে টানা কয়েক মাস বাজারে তারল্য সংকট, ডলারচাপ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা বিরাজ করছিল। ফলে অনেকেই অবস্থান ধরে রেখে সাইডলাইনে ছিলেন। ফলাফল ঘোষণার পর তারা নতুন করে শেয়ার সংগ্রহে ঝুঁকেছেন।
লেনদেনের সূচনায় ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা এবং বড় মূলধনী কোম্পানির শেয়ারে ব্যাপক ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা যায়। ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কর্মকর্তারা জানান, বিক্রেতা তুলনামূলক কম থাকায় দর দ্রুত বাড়তে থাকে। অনেকে এই পরিস্থিতিকে ‘রিলিফ র্যালি’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন, অর্থাৎ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কেটে যাওয়ার স্বস্তি থেকেই বাজারে এই তীব্র উল্লম্ফন।
বিশ্লেষকদের মতে, কেবল রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নয়—নতুন সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি, সুদহার নীতিতে পরিবর্তন, ডলারবাজারে স্থিতিশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগের ওপরও বাজারের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে। দ্রুত ও দৃশ্যমান নীতিগত পদক্ষেপ এলে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও কিছুদিন বজায় থাকতে পারে।
তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, টেকসই উত্থানের জন্য করপোরেট আয় বৃদ্ধি, বাজারে স্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর নজরদারি অপরিহার্য। অতীতে স্বল্পমেয়াদি উল্লম্ফনের পর সংশোধনের নজির রয়েছে তাই বিনিয়োগে সচেতনতা প্রয়োজন।
দীর্ঘদিন পর বাজারে ইতিবাচক গতি ফিরে আসায় ক্ষুদ্র ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে। এখন সবার নজর থাকবে আগামী কয়েক সপ্তাহের লেনদেন প্রবণতা এবং সরকারের প্রাথমিক অর্থনৈতিক পদক্ষেপের দিকে।
-রাফসান
শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ: বাজারের ভেতরের আসল চিত্র কী বলছে?
মঙ্গলবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ লেনদেন হয়েছে শক্তিশালী উত্থানের মধ্য দিয়ে। দিনশেষে দেখা যায়, মোট ৩৯২টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়, যার মধ্যে ২৮৮টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, ৬৭টির দর কমেছে এবং ৩৭টি অপরিবর্তিত রয়েছে। সংখ্যাগতভাবে উত্থানকারী শেয়ারের ব্যাপক আধিক্য বাজারে ইতিবাচক মনোভাবের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২০৬টি কোম্পানির মধ্যে ১৪৪টির দর বেড়েছে, যা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ও মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। বি ক্যাটাগরিতে ৮০টির মধ্যে ৫৮টি শেয়ার লাভে ছিল। জেড ক্যাটাগরিতেও উল্লেখযোগ্য সক্রিয়তা দেখা গেছে; ১০৫টির মধ্যে ৮৬টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এন ক্যাটাগরিতে একটি মাত্র শেয়ার লেনদেনে ছিল এবং সেটি অপরিবর্তিত থাকে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতে মোট ৩৪টির মধ্যে ১৯টির দর বেড়েছে, ৪টি কমেছে এবং ১১টি অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ডে সীমিত লেনদেন হলেও দুইটির দর বৃদ্ধি পায়। সরকারি সিকিউরিটিজেও স্বল্প পরিসরে লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে।
লেনদেনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দিনভর মোট ২ লাখ ৬ হাজার ৮৬৬টি ট্রেড সম্পন্ন হয়। প্রায় ৩২ কোটি ৭৩ লাখ শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে এবং মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৯০ কোটি ১৫ লাখ টাকায়। এই উচ্চ লেনদেন মূল্য বাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় উপস্থিতির ইঙ্গিত বহন করে।
দিনশেষে বাজারের মোট মূলধন দাঁড়ায় প্রায় ৭ লাখ ৮ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকায়। এর মধ্যে ইকুইটি সেগমেন্টের অংশ প্রায় ৩ লাখ ৫২ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ড খাত প্রায় ২৪ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা এবং ঋণপত্র খাত প্রায় ৩ লাখ ৫৪ হাজার ১৫২ কোটি টাকার সমপরিমাণ।
ব্লক মার্কেটেও ছিল উল্লেখযোগ্য তৎপরতা। মোট ২৬টি সিকিউরিটিজে ৯০টি লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ২৩৭ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস–এ প্রায় ৮৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এছাড়া এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, ফাইন ফুডস, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ–এর শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য ব্লক লেনদেন হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ব্লক মার্কেটের এই সক্রিয়তা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত দেয়।
ডিএসইতে ক্লোজিং প্রাইস নির্ধারণ করা হয় শেষ ৩০ মিনিটের সব লেনদেনের ওজনভিত্তিক গড় দরের মাধ্যমে। নির্দিষ্ট সময়ে লেনদেন না হলে তার আগের সর্বোচ্চ ২০টি লেনদেনের গড় মূল্য বিবেচনায় নেওয়া হয়। ফলে ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত শেষ লেনদেনমূল্যের সঙ্গে ক্লোজিং প্রাইসের কিছু পার্থক্য থাকতে পারে।
সার্বিকভাবে মঙ্গলবারের বাজারচিত্রে উত্থানকারী শেয়ারের ব্যাপক আধিক্য, উচ্চ লেনদেন এবং সক্রিয় ব্লক ট্রানজ্যাকশন বাজারে আস্থার বার্তা দিয়েছে। বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে স্বল্পমেয়াদে বাজারে ইতিবাচক ধারাবাহিকতা বজায় থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
-রাফসান
ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
মঙ্গলবারের লেনদেনের শেষভাগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে কিছু নির্দিষ্ট খাতে বিক্রির চাপ লক্ষ্য করা গেছে। সামগ্রিক বাজার ইতিবাচক থাকলেও কসমেটিকস, আর্থিক সেবা, বিমা ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের কিছু শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে।
দিনের সর্বোচ্চ দরপতনকারী শেয়ার হিসেবে তালিকার শীর্ষে রয়েছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড। শেয়ারটির দর আগের ৫ টাকা ৪০ পয়সা থেকে কমে ৫ টাকা ১০ পয়সায় নেমেছে, যা প্রায় ৫.৫৬ শতাংশ পতন নির্দেশ করে। দিনভর বিক্রির চাপে শেয়ারটি নিম্নমুখী ছিল।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ন্যাশনাল ফিড মিলস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে কমে ১৪ টাকায় দাঁড়ায়, যা প্রায় ৫.৪১ শতাংশ হ্রাস। কৃষি ও খাদ্য খাতে সাময়িক সংশোধনের ইঙ্গিত হিসেবে এটিকে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা আইসিবি আগ্রানি ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিটদর কমেছে ৪.৬২ শতাংশ। একইভাবে আর্থিক সেবা খাতের উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস–এর শেয়ারদর ৪.৩৮ শতাংশ কমেছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিটদর কমেছে ৪.১৭ শতাংশ। এ থেকে বোঝা যায়, কিছু বিনিয়োগকারী স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ার কৌশল গ্রহণ করেছেন।
দুগ্ধ খাতের মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাস্ট্রিজ–এর শেয়ারদর ৩.৪২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একইভাবে বিমা খাতে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড–এর শেয়ার কমেছে ৩.৩৮ শতাংশ।
তালিকার পরবর্তী স্থানে রয়েছে মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড–এর শেয়ার, যার দর কমেছে ২.৪১ শতাংশ। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে আইসিবি থার্ড এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিটদর ২.৩৩ শতাংশ কমেছে।
শীর্ষ দশের শেষ স্থানে রয়েছে এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড–এর শেয়ার, যা ২.২৭ শতাংশ দরপতনের মাধ্যমে দিন শেষ করেছে।
আজকের দরপতনকারী তালিকায় বিভিন্ন খাতের শেয়ারের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে আর্থিক ও বিমা খাতে বিক্রির চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, এটি স্বাভাবিক বাজার সংশোধনের অংশ হতে পারে। সামগ্রিক সূচকে ইতিবাচক প্রবণতা থাকলেও নির্দিষ্ট শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়া এবং স্বল্পমেয়াদি সমন্বয় দেখা যাচ্ছে।
ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শেষভাগে বাজারে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। বিশেষ করে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের ক্রয়চাপ স্পষ্ট ছিল। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগের দিনের তুলনামূলক দর সংশোধনের পর নতুন করে পজিশন নেওয়ার প্রবণতাই এই উত্থানের পেছনে কাজ করেছে।
দিনের সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার হিসেবে শীর্ষে উঠে এসেছে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। শেয়ারটির দর আগের ১৬ টাকা থেকে বেড়ে ১৭ টাকা ৬০ পয়সায় পৌঁছায়, যা ১০ শতাংশ সর্বোচ্চ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। দিনজুড়ে ধারাবাহিক ক্রয়াদেশ এই উত্থানকে ত্বরান্বিত করেছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শিল্প খাতের শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। শেয়ারটির দর ১৩.৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪.৭০ টাকায় দাঁড়ায়, যা প্রায় ৯.৭০ শতাংশ বৃদ্ধি। তুলনামূলক কম মূল্যের এই শেয়ারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ লক্ষণীয়।
তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি–এর শেয়ারদর বেড়েছে ৯.৬২ শতাংশ। একই সঙ্গে আর্থিক খাতের মিউচুয়াল ফান্ড এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিটদর বৃদ্ধি পেয়েছে ৯.৩৮ শতাংশ।
চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি এবং এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি। এই দুই ব্যাংকের শেয়ার যথাক্রমে ৯.০৯ শতাংশ ও ৮.২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এরপরের স্থানে রয়েছে এবি ব্যাংক পিএলসি–এর শেয়ার, যা ৮.১৬ শতাংশ বেড়েছে। মিউচুয়াল ফান্ড খাতে আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিটদরও ৭.৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
নবম অবস্থানে থাকা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি–এর শেয়ারদর বেড়েছে ৭.৬৪ শতাংশ। আগের দিনের তুলনায় এই উত্থান বিনিয়োগকারীদের পুনরায় আস্থা ফিরে পাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তালিকার শেষ স্থানে রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ড্যাফোডিল কম্পিউটার পিএলসি। শেয়ারটির দর বেড়েছে ৭.২৪ শতাংশ, যা দিনভর সক্রিয় লেনদেনের ফল।
আজকের গেইনার তালিকা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ব্যাংকিং খাতই প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। আর্থিক খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় বাজারে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকে বড় ধরনের নেতিবাচক সংকেত না আসে, তবে স্বল্পমেয়াদে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
-রফিক
১০ ফেব্রুয়ারি আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শেষ হয়েছে তুলনামূলকভাবে সক্রিয় ও বিস্তৃত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে। দিন শেষে মোট ৩৯২টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়, যার মধ্যে ২৮৮টির দর বেড়েছে, ৬৭টির দর কমেছে এবং ৩৭টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। উত্থানকারী শেয়ারের সংখ্যা বেশি হলেও দরপতনকারী শেয়ারের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে, যা বাজারে একটি মিশ্র কিন্তু গতিশীল চিত্র নির্দেশ করে।
ক্যাটাগরি অনুযায়ী বাজার পরিস্থিতি
এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২০৬টি শেয়ারের মধ্যে ১৪৪টির দর বেড়েছে এবং ৩৯টির দর কমেছে। শক্ত মৌলভিত্তির শেয়ারগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় থাকলেও কিছু শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে।
বি ক্যাটাগরিতে মোট ৮০টি শেয়ারের মধ্যে ৫৮টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ক্যাটাগরিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ সক্রিয় ছিল, যদিও ১৫টি শেয়ারে দরপতন বাজারে সতর্কতার ইঙ্গিত দেয়।
জেড ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ১০৫টি শেয়ারের মধ্যে ৮৬টির দর বেড়েছে। তুলনামূলক দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ার হলেও স্বল্পমেয়াদি লাভের প্রত্যাশায় এই ক্যাটাগরিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ লক্ষ করা গেছে।
এন ক্যাটাগরিতে একটি মাত্র শেয়ার লেনদেন হয়েছে এবং সেটির দর অপরিবর্তিত ছিল।
মিউচুয়াল ফান্ড, বন্ড ও সরকারি সিকিউরিটিজ
মিউচুয়াল ফান্ড খাতে আজও ইতিবাচক প্রবণতা বজায় ছিল। লেনদেন হওয়া ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৯টির দর বেড়েছে, ৪টির দর কমেছে এবং ১১টি অপরিবর্তিত রয়েছে। তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মিউচুয়াল ফান্ডে আগ্রহ অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা।
করপোরেট বন্ড বাজারে সীমিত লেনদেন দেখা গেছে। চারটির মধ্যে দুটি বন্ডের দর বেড়েছে, একটি কমেছে এবং একটি অপরিবর্তিত ছিল। সরকারি সিকিউরিটিজে দুটি ইস্যু লেনদেনে অংশ নেয়, যার একটি উত্থান ও একটি দরপতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।
লেনদেনের পরিসংখ্যান
দিন শেষে ডিএসইতে মোট লেনদেনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৮৬৬টি। শেয়ার ও ইউনিট হাতবদলের পরিমাণ ছিল ৩২ কোটি ৭৩ লাখের বেশি। আর্থিক মূল্যে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৭৯০ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা সাম্প্রতিক সময়ের উচ্চ লেনদেনের একটি উদাহরণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
বাজার মূলধনের চিত্র
মঙ্গলবার দিন শেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭,০৮৯ ট্রিলিয়ন টাকা। এর মধ্যে ইকুইটি খাতে প্রায় ৩,৫২৩ ট্রিলিয়ন টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডে প্রায় ২৪.৩ ট্রিলিয়ন টাকা এবং ঋণপত্রে প্রায় ৩,৫৪১ ট্রিলিয়ন টাকার বাজার মূলধন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাজার মূলধনের এই ঊর্ধ্বগতি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ব্লক ট্রানজ্যাকশন: প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেনে তৎপরতা
আজ ব্লক মার্কেটে ছিল উল্লেখযোগ্য তৎপরতা। মোট ২৬টি সিকিউরিটিজে ৯০টি ব্লক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ২৩৭ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।
ব্লক ট্রানজ্যাকশনে এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস ছিল শীর্ষে, যেখানে প্রায় ৮৩ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। পাশাপাশি এশিয়াটিক ল্যাব, ফাইন ফুডস, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা টেক্সটাইল, এমটিবি, আইডিএলসি, ব্র্যাক ব্যাংক এবং গ্রামীণফোনের শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য ব্লক লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব লেনদেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দেয়।
সামগ্রিক মূল্যায়ন
সব মিলিয়ে ১০ ফেব্রুয়ারির বাজারচিত্রে দেখা যায়, উত্থান ও দরপতনের সহাবস্থান থাকলেও লেনদেন ও বাজার মূলধনের বৃদ্ধি বাজারকে একটি শক্ত অবস্থানে রেখেছে। নির্বাচন-পূর্ব সময় হওয়া সত্ত্বেও বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাজারে আস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, বড় কোনো নীতিগত বা বৈশ্বিক নেতিবাচক সংকেত না এলে স্বল্পমেয়াদে বাজারে এই গতিশীলতা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
-রাফসান
১০ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে আজ শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শেষভাগে বাজারে স্পষ্ট ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী তালিকাকে প্রভাবিত করেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগের দিনের দর সংশোধনের পর বিনিয়োগকারীরা নতুন করে অবস্থান নেওয়ায় আজকের এই উত্থান দেখা গেছে।
দিনের সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার হিসেবে তালিকার শীর্ষে উঠে আসে আল–আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির শেয়ার আগের কার্যদিবসের ১৬ টাকা থেকে বেড়ে ১৭ টাকা ৬০ পয়সায় পৌঁছায়, যা সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ দরবৃদ্ধি নির্দেশ করে। ধারাবাহিক ক্রয়চাপ ও স্বল্প সরবরাহ এই উত্থানে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ। শিল্প খাতের এই শেয়ারটি আগের ১৩ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বেড়ে ১৪ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে, প্রায় ৯.৭০ শতাংশ বৃদ্ধির মাধ্যমে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ এই শেয়ারটিকে আবারও আলোচনায় এনেছে।
ব্যাংকিং খাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শেয়ার আইএফআইসি ব্যাংক আজ প্রায় ৯.৬২ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে আর্থিক খাতের মিউচুয়াল ফান্ড এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিটদর বেড়েছে প্রায় ৯.৩৮ শতাংশ, যা ফান্ড খাতে ইতিবাচক মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়।
পঞ্চম স্থানে থাকা প্রিমিয়ার ব্যাংক–এর শেয়ারদর বেড়েছে ৯.০৯ শতাংশ। একই ধারায় এনআরবিসি ব্যাংক–এর শেয়ারও ৮.২০ শতাংশ উত্থান নিয়ে বিনিয়োগকারীদের নজর কেড়েছে।
তালিকার পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে এবি ব্যাংক। ব্যাংকটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৮.১৬ শতাংশ, যা ব্যাংকিং খাতে সামগ্রিক ইতিবাচক প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতে আরও একটি স্কিম আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিটদর বেড়েছে প্রায় ৭.৬৯ শতাংশ। একই দিনে আগের দরপতনের পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ–এর শেয়ার, যা প্রায় ৭.৬৪ শতাংশ বেড়েছে।
শীর্ষ দশের শেষ অবস্থানে রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ড্যাফোডিল কম্পিউটার। কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৭.২৪ শতাংশ, যা দিনভর সক্রিয় লেনদেন ও ক্রয়চাপের ফল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
সামগ্রিকভাবে আজকের শীর্ষ গেইনার তালিকা বিশ্লেষণে স্পষ্ট যে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতই বাজারের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বড় কোনো নেতিবাচক অর্থনৈতিক সংকেত না থাকলে স্বল্পমেয়াদে এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- ড. সাইমুম পারভেজ ও বিএনপির ন্যারেটিভ রূপান্তর: ডিজিটাল রাজনীতির নতুন অধ্যায়
- দেড় বছরের সাধনা ও অধ্যবসায়ের ফল নিয়ে হাজির শায়খ আহমাদুল্লাহ
- খুলনায় খুলল আওয়ামী লীগ অফিস: জানাজানি হতেই রণক্ষেত্র শঙ্খ মার্কেট
- ড. ইউনূস বাংলাদেশে জালেম দের পুনর্বাসন করছেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- চোখে দেখেন না, কিন্তু অন্তরে পুরো কোরআন: ১২ বছরের কিশোরীর অবিশ্বাস্য কৃতিত্ব
- সাকিব-মাশরাফি কি নির্দোষ? হত্যার মামলা নিয়ে ইশরাক হোসেনের চাঞ্চল্যকর বক্তব্য
- শফিকুর রহমানের পর এবার নাহিদের বাসায় বিএনপি প্রধান
- শপথের আগে নয়া মেরুকরণ: শফিকুর রহমানের বাসায় বিএনপি প্রধান
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য তিতাসের বিশেষ সতর্কতা
- কলম্বোয় ফিরল হ্যান্ডশেক বিতর্ক: যুদ্ধের আগে দুই অধিনায়কের ঠান্ডা লড়াই
- তারেক রহমানের শপথে ওম বিড়লা: বন্ধুত্বের নতুন বার্তা দিচ্ছে ভারত
- কৃষক-শ্রমিকদের অসম্মান মানেই আমার বাবাকে অপমান: জামায়াত আমির
- মঞ্জুর দুর্গে জামায়াতের হানা: যে ভুলে কপাল পুড়ল বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীর
- শপথের আগেই বড় বাধা: মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ইসিতে নাসীরুদ্দীন
- নির্বাচনের মাধ্যমে আত্মমর্যাদা ফিরল পুলিশের: প্রেস সচিব
- রাষ্ট্রপতি নাকি সিইসি? শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটালেন আইন উপদেষ্টা
- বয়ান বদলের রাজনীতি: বিএনপির নতুন কমিউনিকেশন স্থাপত্য ও আগামীর শাসনচিন্তা
- আদালতের গ্রিন সিগনাল পেলেই ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ইসি আনোয়ারুল
- রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার
- ১৫ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ১৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ১৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- নির্বাচনের পর শেয়ারবাজারে বড় উত্থান, বিনিয়োগকারীর ভিড়
- নির্বাচন ছিল উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ: ঢাকাকে বড় স্বীকৃতি দিল রাশিয়া
- আজকের মুদ্রার হার: ডলারের বিপরীতে টাকার মান কত? জেনে নিন বিনিময় হার
- কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে ইমরান খানকে
- ২৭ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে গুচ্ছের ভর্তিযুদ্ধ: প্রবেশপত্র সংগ্রহ করবেন যেভাবে
- কালিগঞ্জে শতবর্ষী মাদ্রাসার জমি জোরপূর্বক বিক্রয়ের অভিযোগ, দখলের পায়তারা
- বদলা নাকি দাপট? হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৫টি ব্যক্তিগত দ্বৈরথ কাঁপাবে ক্রিকেটবিশ্ব
- সরকার গঠনের আগেই ঐক্যের বড় বার্তা: আজ শরিকদের মুখোমুখি তারেক রহমান
- ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ
- রমজানে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার গোপন মন্ত্র: পাতে রাখুন এই ৪ ধরনের খাবার
- ভারত-পাকিস্তান হাইভোল্টেজ লড়াই: কেমন হতে পারে দুই দলের চূড়ান্ত একাদশ?
- লোপেরামাইড নাকি ঘরোয়া উপায়? ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী কিছু সমাধান
- সরাসরি গ্লিসারিন ব্যবহারেই বিপদ! ত্বকের সুরক্ষায় জানুন সঠিক নিয়ম
- হিজবুল্লাহর স্থাপনা লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা: দক্ষিণ লেবাননে তুমুল উত্তেজনা
- ব্যক্তিগত মুহূর্ত বেচবেন না বিজয়-রাশমিকা: মোটা অঙ্কের অফার নাকচ
- এমপিদের বেতন-ভাতা কত জানেন
- ২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার নিয়ে প্রস্তুত শায়খ আহমাদুল্লাহ: এবার যুক্ত হচ্ছে বিশেষ উপহার
- কোনো দুর্বলতা দেখানোর সুযোগ নেই: জামায়াত আমির
- আজকের আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ পূর্বাভাস
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- শপথে যে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ
- শপথে থাকছেন কি না মোদি জানা গেল
- রবিবার কেনাকাটায় সতর্কতা জরুরি, বহু মার্কেট বন্ধ আজ
- ঢাকায় আজকের গুরুত্বপূর্ণ সব কর্মসূচি
- মঙ্গলবারই কি শপথ নিচ্ছে নতুন সরকার
- সূর্যাস্ত-সূর্যোদয়সহ আজকের নামাজের সময়সূচী প্রকাশ
- জিন, জাদু, হিংসা ও মানসিক অস্থিরতার প্রতিকার: সূরা নাস
- রক্তাক্ত রাজপথ থেকে এখন সংসদ ভবনে ভিপি নুর
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- ২০০৮–এর পর প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন: গণতন্ত্রের গুণগত মানের এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা
- জুয়েলারি দোকানে যাওয়ার আগে সাবধান: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- স্বর্ণের বাজারে নতুন অস্থিরতা: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন চড়া দাম
- নির্বাচনে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে উদ্বেগ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- ১০ ফেব্রুয়ারি আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন দাম
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- কালিগঞ্জের ফতেপুরে দখলমুক্ত হল দুই দোকান, মালিক পরিবারের হাতে চাবি
- ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের শুভ সূচনা: প্রথম কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে
- এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান
- ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের দাপুটে সূচনা: প্রথম কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে লিড
- রুপা স্থির, তবে কেন অস্থির শুধু সোনা
- ৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার








