ব্যাংকিং খাতে মহাসংকট, এক বছরে খেলাপি ঋণ দ্বিগুণ

দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের চাপ অভূতপূর্ব মাত্রায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে বিতরণকৃত মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই হার ২০০০ সালের পর সর্বোচ্চ। অর্থাৎ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ঋণ এখন ব্যাংকগুলোর জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে’ পরিণত হয়েছে।
গত বছরের একই সময়ে খেলাপি ঋণের হার ছিল মাত্র ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এক বছরে খেলাপি ঋণ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়াকে বিশ্লেষকরা ব্যাংকিং খাতে সুশাসনহীনতা ও দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার বড় ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন। তারা বলছেন, দীর্ঘদিনের ‘ঋণখেলাপি সংস্কৃতি’ এখন ব্যাংক খাতকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সেপ্টেম্বর শেষে সমগ্র ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা। জুনে যে পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৮ হাজার ৩৪৫ কোটি, মাত্র তিন মাসেই খেলাপি বেড়েছে ৩৬ হাজার ১৬৯ কোটি টাকা। এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে অর্থনীতিবিদরা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে বিতরণকৃত মোট ঋণ ও অগ্রিমের পরিমাণ ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৩৬ শতাংশই খেলাপি। সাম্প্রতিক সময়ের ইতিহাসে, কোনো ত্রৈমাসিকে এমন ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়নি।
অন্যদিকে প্রকৃত খেলাপির চিত্র আরও উদ্বেগজনক। প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৪ লাখ ১৫ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা, যা প্রকৃত বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ২৬ দশমিক ৪০ শতাংশ। অথচ একই সময়ে প্রকৃত ঋণ বিতরণ বেড়েছে ২৬ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু খেলাপি বেড়েছে ২৭ হাজার কোটি। অর্থাৎ ঋণ যত বৃদ্ধি পাচ্ছে, খেলাপির গতি তার থেকেও বেশি।
রাইট-অফ, পুনঃতফসিল, আদালতে চলমান ঋণ এবং স্থগিত সুদসহ ব্যাংক খাতে মোট ‘ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট’ শিগগিরই ১০ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র স্থগিত সুদের পরিমাণই সেপ্টেম্বর শেষে দাঁড়িয়েছে ৯৮ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুযায়ী, খেলাপি ঋণের সর্বোচ্চ হার ছিল ১৯৯৯ সালে ৪১ দশমিক ১ শতাংশ। এরপর নানা সংস্কার ও নীতিমালার কারণে তা কমে আসে ২০১১ সালে ৬ দশমিক ১ শতাংশে। কিন্তু গত এক দশকে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা খেলাপি এখন আবার সেই পুরনো সংকটের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, “সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুন মেনে খেলাপির হিসাব করার কারণে প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে। ব্যাংকগুলো খেলাপি আদায় করতে না পারায় নতুন বিনিয়োগেও সক্ষমতা হারাচ্ছে।”
তবে ব্যাংক খাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে প্রভিশন সংকট। ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, সেপ্টেম্বর শেষে প্রয়োজনীয় প্রভিশন ছিল ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা। কিন্তু ব্যাংকগুলো সংরক্ষণ করতে পেরেছে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা। ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ২৩১ কোটি টাকা। এই বিশাল ঘাটতি ব্যাংকগুলোর স্থিতিশীলতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই পরিস্থিতির মূল কারণ
- রাজনৈতিক প্রভাবশালী ঋণগ্রহীতাদের দায়মুক্তি
- পুনঃতফসিলের নামে দায় এড়ানোর সুযোগ
- ব্যাংক পরিচালনায় দুর্বল সুশাসন
- ঋণ ঝুঁকি মূল্যায়নে ঘাটতি
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শিথিল তদারকি
তারা বলছেন, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনলে ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট থেকে সাধারণ মানুষের আমানত পর্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের চাপ আরও বেশি।
একজন সিনিয়র অর্থনীতিবিদ মন্তব্য করেন, “এটি কেবল ব্যাংক খাতের সংকট নয়, এটি জাতীয় অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি। খেলাপি ঋণ যত বৃদ্ধি পাবে, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি ততই ব্যাহত হবে।”
ব্যাংকিং খাতের এই অভীষণ অবস্থাকে বিশেষজ্ঞরা ‘অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করছেন। তারা মনে করেন, জরুরি ভিত্তিতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং স্বচ্ছ আর্থিক শৃঙ্খলা ছাড়া এই সংকট কাটানো সম্ভব নয়।
বিশ্ববাজারে রেকর্ড ভাঙা উত্থান: সর্বোচ্চ উচ্চতায় সোনা ও রুপা
ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, মার্কিন ডলারের দরপতন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে মূল্যবান ধাতুর দাম। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৬৩৪ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়ে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। সোনার সমান্তরালে রুপার দামেও দেখা গেছে নজিরবিহীন উল্লম্ফন।
বিনিয়োগকারীদের আস্থায় সোনা ও রুপা বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। এই অনিশ্চয়তার মুখে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সবাই মূল্যবান ধাতুর দিকে ঝুঁকছেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারদরে। এছাড়া বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিও এই দাম বাড়ার পেছনে বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে।
রেকর্ড ভাঙা বাজারদর এদিন স্পট মার্কেটে লেনদেনের এক পর্যায়ে সোনার দাম ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ৫৯১ দশমিক ৪৯ ডলারে অবস্থান নেয়। তবে দিনের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৬৩৪ দশমিক ৩৩ ডলার রেকর্ড করা হয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সোনার ফিউচারও শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৬৪০ দশমিক ৯০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
রুপার বাজারেও এদিন বড় ধরণের পরিবর্তন দেখা গেছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার স্পট সিলভারের দাম ৪ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৯০ ডলারের সীমা অতিক্রম করে। দিনের এক পর্যায়ে এটি ৯০ দশমিক ১১ ডলারে পৌঁছায়। মূল্যবান অন্যান্য ধাতুর মধ্যে প্লাটিনামের দাম ৪ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ হাই রিজ ফিউচার্সের ধাতু লেনদেন বিভাগের পরিচালক ডেভিড মেগার এই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলেছেন, মার্কিন ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) সংক্রান্ত তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে কিছুটা নিরীহ হওয়ায় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ভবিষ্যতে ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক সুদহার কমানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ভোক্তা মূল্যসূচক কম হওয়ায় সুদহার কমার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের স্বর্ণ ও রুপার মতো নিরাপদ সম্পদে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করছে। তাদের ধারণা, চলতি বছরে সুদহার আরও কমলে মূল্যবান এই ধাতুগুলোর দাম আরও কয়েক দফা বাড়তে পারে।
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে আজ মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে ব্যাংক, বিকাশ এবং ক্যাশ রেটের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ব্যাংক রেটে মার্কিন ডলার, ইউরো এবং অস্ট্রেলিয়ার ডলারের দাম কিছুটা কমলেও ব্রিটিশ পাউন্ড এবং মালয়েশিয়ান রিংগিতের দাম বেড়েছে।
প্রবাসী এবং সাধারণ গ্রাহকদের সুবিধার্থে আজকের সর্বশেষ মুদ্রার বিনিময় হার নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো
জনপ্রিয় মুদ্রাসমূহের সর্বশেষ রেট
মার্কিন ১ ডলার: ব্যাংক রেট ১২২.৬২ টাকা (কমেছে), বিকাশ রেট ১২২.৬৫ টাকা এবং ক্যাশ বা নগদ রেট ১২২.৬৫ টাকা।
ব্রিটেনের ১ পাউন্ড: ব্যাংক রেট ১৬৪.৬০ টাকা (বেড়েছে), বিকাশ রেট ১৬১.৪৪ টাকা এবং নগদ রেট ১৬৪.৮১ টাকা।
ইউরোপীয় ১ ইউরো: ব্যাংক রেট ১৪৪.৮৪ টাকা (কমেছে), বিকাশ রেট ১৪৪.৮৪ টাকা এবং নগদ রেট ১৪৪.৮৪ টাকা। (ইতালীয় ইউরোর ক্ষেত্রে ক্যাশ রেট ১৪৩.৯৯ টাকা)।
ভারতীয় ১ রুপি: ব্যাংক রেট ১ টাকা ৩১ পয়সা (কমেছে), বিকাশ রেট ১ টাকা ৩১ পয়সা এবং নগদ রেট ১ টাকা ৩১ পয়সা।
মালয়েশিয়ান ১ রিংগিত: ব্যাংক রেট ৩০.০৭ টাকা (বেড়েছে), বিকাশ রেট ২৯.৭৫ টাকা এবং নগদ রেট ২৯.৭৫ টাকা।
মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রার হার
সৌদির ১ রিয়াল: ব্যাংক রেট ৩২.৫৯ টাকা (অপরিবর্তিত), বিকাশ রেট ৩২.৫৯ টাকা এবং নগদ রেট ৩২.৩৯ টাকা।
ইউ এ ই ১ দিরহাম: ব্যাংক রেট ৩৩.২৯ টাকা (অপরিবর্তিত), বিকাশ রেট ৩৩.২৯ টাকা এবং নগদ রেট ৩৩.২৯ টাকা।
ওমানি ১ রিয়াল: ব্যাংক রেট ৩১৭.০০ টাকা (অপরিবর্তিত), বিকাশ রেট ৩১৭.০০ টাকা এবং নগদ রেট ৩১৭.০০ টাকা।
কাতারি ১ রিয়াল: ব্যাংক রেট ৩৩.৬০ টাকা (বেড়েছে), বিকাশ রেট ৩৩.৬০ টাকা এবং নগদ রেট ৩৩.৬০ টাকা।
কুয়েতি ১ দিনার: ব্যাংক রেট ৩৯৯.৭৯ টাকা (কমেছে), বিকাশ রেট ৩৯৯.৭৯ টাকা এবং নগদ রেট ৩৯৫.৫০ টাকা।
বাহরাইনি ১ দিনার: ব্যাংক রেট ৩২৩.০০ টাকা (কমেছে), বিকাশ রেট ৩২৩.০০ টাকা এবং নগদ রেট ৩২১.৫৭ টাকা।
এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের মুদ্রার হার
সিঙ্গাপুরের ১ ডলার: ব্যাংক রেট ৯৪.৯৩ টাকা (কমেছে), বিকাশ রেট ৯৪.৯৭ টাকা এবং নগদ রেট ৯৪.৫৩ টাকা।
অস্ট্রেলিয়ান ১ ডলার: ব্যাংক রেট ৮২.০১ টাকা (কমেছে), বিকাশ রেট ৮১.৯৭ টাকা এবং নগদ রেট ৮১.০৭ টাকা।
নিউজিল্যান্ডের ১ ডলার: ব্যাংক রেট ৬৯.৫২ টাকা (কমেছে), বিকাশ রেট ৬৯.১৫ টাকা এবং নগদ রেট ৬৬.৭৯ টাকা।
জাপানি ১ ইয়েন: ব্যাংক রেট ০.৭৬৮ পয়সা (কমেছে), বিকাশ রেট ০.৭৬৮ পয়সা এবং নগদ রেট ০.৭৬৮ পয়সা।
চামিজ ১ ইউয়ান: ব্যাংক রেট ১৬.৬৫ টাকা (অপরিবর্তিত), বিকাশ রেট ১৬.৬৫ টাকা এবং নগদ রেট ১৬.৬৫ টাকা।
দক্ষিণ কোরিয়ান ১ ওন: ব্যাংক রেট ০.০৮২৫৬৯৯২ পয়সা (কমেছে), বিকাশ রেট ০.০৮১৯৩৫৩৬ পয়সা এবং নগদ রেট ০.০৮১৯৩৫৩৬ পয়সা।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশের হার
মাল্টিজ ১ লিরি: ব্যাংক রেট ৩৩১.২২ টাকা (অপরিবর্তিত), বিকাশ রেট ৩৩১.২২ টাকা এবং নগদ রেট ৩৩১.২২ টাকা।
কানাডিয়ান ১ ডলার: ব্যাংক রেট ৯১.১৪ টাকা (কমেছে), বিকাশ রেট ৮৭.৫৭ টাকা এবং নগদ রেট ৯১.১৪ টাকা।
সুইজারল্যান্ডের ১ ফ্রেঞ্চ: ব্যাংক রেট ১৪৯.২১ টাকা (কমেছে), বিকাশ রেট ১৪৮.৫৭ টাকা এবং নগদ রেট ১৫০.৩৪ টাকা।
ব্রুনাই ১ ডলার: ব্যাংক রেট ৯৪.১২ টাকা (অপরিবর্তিত), বিকাশ রেট ৯৪.১২ টাকা এবং নগদ রেট ৯৪.১২ টাকা।
দক্ষিণ আফ্রিকান ১ রান্ড: ব্যাংক রেট ৭.৩৬ টাকা (বেড়েছে), বিকাশ রেট ৭.৩৬ টাকা এবং নগদ রেট ৭.৩৬ টাকা।
আন্তর্জাতিক বাজারে মুদ্রার মানের পরিবর্তনের কারণে ব্যাংক এবং খোলা বাজারে এই রেট যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। লেনদেনের আগে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়া জরুরি।
স্বর্ণের বাজারে অগ্নিমূল্য: রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় দাম, দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা
বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর জোরালো প্রত্যাশায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম সব রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের এই অস্বাভাবিক উল্লম্ফনের ফলে স্থানীয় বাজারেও স্বর্ণ ও রুপার দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর জোরালো আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মূলত তিনটি কারণে স্বর্ণের এই ঊর্ধ্বগতি। প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র, ভেনেজুয়েলা ও ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক উত্তেজনা। দ্বিতীয়ত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি। এবং তৃতীয়ত, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীদের ‘নিরাপদ সম্পদ’ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়া। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দাম বেড়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণ ৪৬০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে স্পট গোল্ডের দাম ০.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪,৬০১.৬৩ ডলারে লেনদেন হয়। এর আগে বাজার চলাকালীন এক পর্যায়ে দাম ৪,৬২৯.৯৪ ডলারে উঠেছিল, যা স্বর্ণের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড। অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারি মাসে ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ০.১ শতাংশ কমে ৪,৬১০.৩০ ডলারে থিতু হয়েছে।
অ্যাকটিভট্রেডসের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক রিকার্ডো ইভানজেলিস্তা এই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের সামান্য ঘুরে দাঁড়ানো এবং আসন্ন ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) তথ্যের দিকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক নজর স্বর্ণের দামের ওপর কিছুটা চাপ তৈরি করলেও সামগ্রিক প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী। তিনি মনে করেন, স্বর্ণের দাম ৪,৫০০ ডলারের ওপরে স্থিতিশীল থাকা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বছরের প্রথমার্ধেই দাম ৫,০০০ ডলারের স্তর পরীক্ষা করতে পারে।
বিশ্ববাজারের এই অস্থিরতার পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করবে এমন যেকোনো দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এই কড়া হুঁশিয়ারি বাজারে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি, মঙ্গলবার ভোরে ইউক্রেনে রাশিয়ার চালানো বছরের সবচেয়ে তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে, যেখানে অন্তত চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
নিউইয়র্ক ফেডের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস জানিয়েছেন, নিকট ভবিষ্যতে মুদ্রানীতি পরিবর্তনের তেমন কোনো চাপ নেই। তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ বছর অন্তত দুই দফা সুদহার কমানো হতে পারে। সাধারণত সুদহার কমলে এবং ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা ও দাম—উভয়ই বৃদ্ধি পায়।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার বাজারেও বড় ধরনের তেজিভাব দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম ২.৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮৬.৯৪ ডলারে পৌঁছেছে, যা এর আগের রেকর্ড ৮৭.১৬ ডলারের খুব কাছাকাছি। এছাড়া স্পট প্লাটিনাম ০.৪ শতাংশ বেড়ে ২,৩৫২.৮৯ ডলারে এবং প্যালাডিয়াম ০.৩ শতাংশ বেড়ে ১,৮৪৭.২৫ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
বাজারের এই অস্বাভাবিক অস্থিরতা মোকাবিলায় এবং লেনদেনে পর্যাপ্ত জামানত নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সচেঞ্জ অপারেটর সিএমই গ্রুপ তাদের মার্জিন নির্ধারণের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছে।
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ
দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে এক ধরনের স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বহুল ব্যবহৃত মার্কিন ডলারের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য আজ একই অবস্থানে রয়েছে। ব্যাংক এবং খোলা বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রধান প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।
ডলার, পাউন্ড ও ইউরোর সর্বশেষ দর আজকের মুদ্রাবিনিময় হারের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রতি মার্কিন ডলার কেনা হচ্ছে ১২২ টাকা ৩০ পয়সায় এবং তা বিক্রিও হচ্ছে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে।
অন্যদিকে, ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে কেনা এবং বেচার মূল্যে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। প্রতি পাউন্ড আজ কেনা হচ্ছে ১৬৩ টাকা ৮৭ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ১৬৩ টাকা ৯৭ পয়সায়। ইউরোপের একক মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১৪২ টাকা ৩২ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪২ টাকা ৩৪ পয়সা।
আঞ্চলিক ও অন্যান্য মুদ্রার মান আঞ্চলিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় রুপির মান আজ স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি রুপি কেনা এবং বেচা—উভয় ক্ষেত্রেই ১ টাকা ৩৬ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে। অন্যদিকে, চীনা ইউয়ানের ক্রয়মূল্য ১৭ টাকা ৫৩ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৭ টাকা ৫৪ পয়সা। জাপানিজ ইয়েনের মান আজ ০ টাকা ৭৭ পয়সায় অবস্থান করছে।
সিঙ্গাপুর এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্ষেত্রেও দরের কিছুটা তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। আজ সিঙ্গাপুর ডলার কেনা হচ্ছে ৯৪ টাকা ৯৫ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা ০৩ পয়সায়। অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্রয়মূল্য ৮১ টাকা ৭৫ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৮১ টাকা ৮২ পয়সা।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের এলসি (LC) খোলার ক্ষেত্রে এই বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের বৈশ্বিক বাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে মুদ্রার এই মান পরিবর্তিত হয়ে থাকে।
উচ্চ সুদের চাপে বিনিয়োগহীন বেসরকারি খাত, স্থবিরতা কাটছে না
বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের গতি ক্রমেই শ্লথ হয়ে পড়ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধিতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, টানা ছয় মাস ধরে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের নিচে আটকে আছে। একদিকে ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, অন্যদিকে আমানত ও ঋণের সুদের ব্যবধান বা 'স্প্রেড' অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় নতুন বিনিয়োগে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি শিল্প সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে।
বিনিয়োগ স্থবিরতার চিত্র ও বিশেষজ্ঞ মত সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দেশে নতুন বিনিয়োগ না হলে বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের চাহিদা বাড়ে না। বর্তমান ঋণ প্রবৃদ্ধি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, নতুন শিল্প স্থাপন ও সম্প্রসারণমূলক বিনিয়োগ বর্তমানে খুবই সীমিত।
এই স্থবিরতার আরও একটি বড় সূচক হলো মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির দায় নিষ্পত্তি। চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে এই আমদানির দায় নিষ্পত্তি ১৬ শতাংশের বেশি কমেছে। ব্যাংকারদের মতে, উচ্চ সুদহার, চাহিদার দুর্বলতা এবং নীতিগত ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে উদ্যোক্তারা নতুন ঋণ নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এমনকি বড় শিল্পগ্রুপগুলোর অনেক কারখানা বন্ধ বা আংশিক সক্ষমতায় চলায় নতুন করে অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তাও কমে গেছে।
অস্বাভাবিক স্প্রেড ও ঋণের উচ্চ ব্যয় বাজারভিত্তিক সুদহার ব্যবস্থার সুযোগে ব্যাংকগুলো আমানত ও ঋণের সুদের হারের ব্যবধান বা স্প্রেড অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরে ব্যাংকগুলো গড়ে ৬.৪০ শতাংশ সুদে আমানত নিলেও ঋণ বিতরণ করেছে ১২.১৪ শতাংশ সুদে। এতে গড় স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৫.৭৪ শতাংশ, যা কিছু ব্যাংকের ক্ষেত্রে ৮ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে এই ব্যবধান অত্যন্ত চড়া। যেখানে ভারতে স্প্রেড ৩ শতাংশের মধ্যে এবং ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে ১ থেকে ২ শতাংশের মধ্যে থাকে, সেখানে বাংলাদেশের এই উচ্চ স্প্রেড দেশীয় পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর সম্প্রতি এক সভায় এই স্প্রেড বেড়ে যাওয়াকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে এটি সহনশীল পর্যায়ে নামিয়ে আনার তাগিদ দিয়েছেন।
উদ্যোক্তাদের সংকট ও কর্মসংস্থান ঝুঁকি বর্তমানে দেশে ঋণের সুদহার ১৪ শতাংশের উপরে পৌঁছেছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা (এসএমই), যারা সাধারণত ১০-১১ শতাংশ মুনাফা করেন, তাদের জন্য এই উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগে যারা ৯ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে শিল্প স্থাপন করেছিলেন, তাদের এখন ১৪-১৫ শতাংশ হারে সুদ গুনতে হচ্ছে। এর ফলে অনেকের পক্ষেই ঋণ পরিশোধ করা কঠিন হয়ে পড়ছে এবং তারা খেলাপি হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, “বিনিয়োগ কমে যাওয়াই এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যা। বিনিয়োগ কমলে কর্মসংস্থান কমে এবং বেকারত্ব বাড়ে।” তিনি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে অর্থনৈতিক নীতির কেন্দ্রে আনার ওপর জোর দেন।
ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও নীতিনির্ধারণী প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান মূল্যস্ফীতি মূলত সরবরাহজনিত কাঠামোগত সমস্যার কারণে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু সুদের হার বাড়ানোর নীতি বিনিয়োগকে আরও দুর্বল করে দিতে পারে। নতুন সরকারের জন্য বিনিয়োগের এই স্থবিরতা কাটাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
অর্থনীতিকে সচল রাখতে হলে কৃষি, এসএমই, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্প সুদে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিনিয়োগের স্থবিরতা কাটাতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও বিনিয়োগবান্ধব সুদহার নির্ধারণ করা এখন সময়ের দাবি
আজকের স্বর্ণের দাম: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকায় বিক্রি হবে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
কেন বাড়ল স্বর্ণের দাম বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং স্থানীয় বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বর্ণের এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের নতুন দামের তালিকা নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, আজ থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নিচের হারে কার্যকর হবে
২২ ক্যারেট: ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা।
২১ ক্যারেট: ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা।
১৮ ক্যারেট: ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯০ টাকা।
সনাতন পদ্ধতি: ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকা।
তবে বাজুস স্পষ্ট করেছে যে, স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাকে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি প্রদান করতে হবে। গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরির এই হার কম-বেশি হতে পারে।
রুপার দামও বেড়েছে স্বর্ণের পাশাপাশি আজ থেকে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ৪০৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা।
অন্যান্য মানের রুপার দামও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে
২১ ক্যারেট: ৫ হাজার ৭১৫ টাকা।
১৮ ক্যারেট: ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা।
সনাতন পদ্ধতি: ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা।
স্বর্ণ ও রুপার এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিলেও বাজুস বলছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়েই এই সমন্বয় করা হয়েছে।
স্বর্ণের দামে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ: মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে সোনা
বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দাম আজ সব রেকর্ড ভেঙে এক নতুন ও অকল্পনীয় উচ্চতায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নতুন দর আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে।
স্বর্ণের নতুন দরের বিস্তারিত তালিকা (প্রতি ভরি)
২২ ক্যারেট: ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা (পূর্বের চেয়ে ৪,১৯৯ টাকা বেশি)।
২১ ক্যারেট: ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা।
১৮ ক্যারেট: ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯০ টাকা।
সনাতন পদ্ধতির সোনা: ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকা।
বাজুস আরও জানিয়েছে যে, স্বর্ণের এই নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি (মেকিং চার্জ) যুক্ত করতে হবে। গয়নার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ আরও বেশিও হতে পারে। ফলে এক ভরি ওজনের একটি অলঙ্কার কিনতে ক্রেতাকে এখন প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার কাছাকাছি খরচ করতে হতে পারে।
রুপার দামেও নজিরবিহীন উল্লম্ফন স্বর্ণের আকাশছোঁয়া দামের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। এক লাফে ভরিতে ৪০৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে রুপার দাম।
নতুন দর অনুযায়ী
২২ ক্যারেট রুপা: ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা।
২১ ক্যারেট রুপা: ৫ হাজার ৭১৫ টাকা।
১৮ ক্যারেট রুপা: ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা।
সনাতন পদ্ধতির রুপা: ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা।
বিয়ের ভরা মৌসুমে স্বর্ণ ও রুপার এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচামালের সংকটের কারণে দাম এভাবে বাড়তে বাধ্য হচ্ছে। ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক মূল্যবৃদ্ধি বাংলাদেশের অলঙ্কার শিল্পের জন্য এক বড় ধরণের ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।
রেমিট্যান্সে একের পর এক ম্যাজিক: গত বছরের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেল জানুয়ারি
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম ১১ দিনেই দেশে ১৩৩ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১২ কোটি ১৫ লাখ ডলার। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই ইতিবাচক তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ৭৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার প্রবাসী আয়ের প্রবাহে অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তথ্যমতে, কেবল ১১ জানুয়ারি একদিনেই প্রবাসীরা দেশে ২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ আয়ের অন্যতম নজির। চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত সামগ্রিক প্রবাসী আয়ের হিসাব করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে ১ হাজার ৭৬০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধির হার ২১.৩ শতাংশ। এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে দেশে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল এই অর্থবছরের সর্বোচ্চ এবং দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের বাজারভিত্তিক বিনিময় হার নিশ্চিত করায় প্রবাসীরা উৎসাহিত হচ্ছেন। রেমিট্যান্সের এই উর্ধ্বমুখী ধারা বজায় থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে এবং আমদানি দায় মেটানো সহজ হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, প্রবাসীদের পাঠানো এই ডলারের প্রবাহ জানুয়ারি মাস জুড়ে অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় জাদুর মতো কাজ করবে।
আজকের স্বর্ণের দাম: ১২ জানুয়ারি ২০২৬
আজ সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬। বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী দেশের বাজারে স্বর্ণ এখন ইতিহাসের সবথেকে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। গত শনিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার ফলে এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা খাঁটি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার রাত থেকেই কার্যকর হওয়া এই বর্ধিত মূল্যেই আজ দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে লেনদেন হচ্ছে।
নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, সবচেয়ে উন্নত মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এছাড়া সাধারণ মানুষের পছন্দের অন্যান্য ক্যারেটের দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, যা আগে কয়েক হাজার টাকা কম ছিল। ১৮ ক্যারেটের ক্ষেত্রে প্রতি ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকায়।
তবে স্বর্ণের এই উচ্চমূল্যের সঙ্গে ক্রেতাদের আরও কিছু বাড়তি খরচ যোগ করতে হবে। বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। গহনার নকশা ও মানভেদে এই মজুরি আরও বাড়তে পারে। ফলে এক ভরি গহনা কিনতে ক্রেতার প্রকৃত খরচ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
স্বর্ণের বাজারে উত্তাপ থাকলেও কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে রুপার বাজার। গত ৮ জানুয়ারি রুপার দাম ভরিতে ৩৮৫ টাকা কমানো হয়েছিল, যা আজও বহাল রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৩০৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৫৪৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা বজায় থাকলে স্বর্ণের দাম নিকট ভবিষ্যতে কমার সম্ভাবনা খুবই কম।
পাঠকের মতামত:
- সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি কি রাতের খাবারের সময়েই লুকিয়ে? যা বলছেন পুষ্টিবিদরা
- মহাকাশের নিস্তব্ধতা ভেঙে রঙিন শকওয়েভ: অরিগা নক্ষত্রমণ্ডলে বিরল আবিষ্কার
- মেজাজ খিটখিটে আর অনিদ্রা? চিনির বদলে মধুই হতে পারে আপনার সমাধান
- অন-অ্যারাইভাল ভিসা স্থগিত ঘোষণা
- গণভোটই হবে ফ্যাসিবাদ ঠেকানোর প্রধান হাতিয়ার: আলী রীয়াজ
- বাথরুমে একা থাকলেও কি সতর ঢাকা জরুরি? যা বলছে ইসলাম
- যুদ্ধের মেঘ মধ্যপ্রাচ্যে: ইরান ত্যাগের নির্দেশ দিল একাধিক দেশ
- মাগুরার মানুষের জন্য সাকিবের নতুন বার্তা, ফিরতে চান পুরনো অবস্থানে
- বিগ ব্যাশে অভিষেক আসরেই রিশাদের রেকর্ড শিকার
- গাজা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সরকারের শর্ত: যা বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
- বিশ্ববাজারে রেকর্ড ভাঙা উত্থান: সর্বোচ্চ উচ্চতায় সোনা ও রুপা
- জমি রেজিস্ট্রিতে বড় পরিবর্তন: মুক্তি মিলছে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে
- সিলেট উইমেন্স মেডিকেলে ঠোঁট ও তালু কাটা রোগীদের বিনামূল্যে প্লাস্টিক সার্জারি শুরু
- লুণ্ঠিত অস্ত্রের মুখে কি থমকে যাবে ত্রয়োদশ নির্বাচন? হাইকোর্টে নাটকীয় রিট
- ডিএসই প্রধান বোর্ডে আজকের লেনদেনের বিস্তারিত চিত্র
- ১৪ জানুয়ারি ডিএসইর পূর্ণাঙ্গ শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৪ জানুয়ারি ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৪ জানুয়ারি ডিএসইতে দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- কেন এনসিপি ছাড়লেন, ব্যাখ্যায় ডা. তাসনিম জারা
- ৩১ দফা ও ‘আই হ্যাভ আ প্লান’ ইশতেহারে যুক্ত করছে বিএনপি
- ময়মনসিংহে পুলিশের ওপর হামলা, হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই
- প্রথম বিয়ে জেফারের, দ্বিতীয়বার সংসার রাফসানের
- এক দিনে ৫ কোম্পানি, ডিএসই কারখানা পরিদর্শনে কড়া বার্তা
- কোন ফান্ডে কত টাকা ন্যাভ: এক নজরে সম্পূর্ণ চিত্র
- শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সুখবর দিল ফরচুন শুজ
- আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ
- কোহিনূর কেমিক্যালসের বোনাস ও নগদ লভ্যাংশ বিতরণ
- জেফার বললেন ‘জানি না’, অথচ আমিনবাজারে চলছে বিয়ের রাজকীয় প্রস্তুতি!
- মন্নো অ্যাগ্রোর নগদ লভ্যাংশ বিতরণ
- প্রবাসী'র পক্ষে ব্যারিস্টার নাজির ও মীর্জা আসহাব এর বিমান ও পর্যটন সচিব ও উপদেষ্টার সাথে বৈঠক
- আকাশ থেকে আছড়ে পড়ল বিশালাকার লোহা: থাইল্যান্ডে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যুমিছিল
- কিডনি সুরক্ষায় ভিটামিন ‘সি’ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে মানতে হবে বিশেষ সতর্কতা
- মুদ্রাস্ফীতির কবলে ইরান: ডলারের বিপরীতে রিয়ালের মান ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে
- হোটেল বা ট্রায়াল রুমে লুকানো ক্যামেরা চেনার ৫টি জাদুকরী কৌশল
- বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ঢাকায় ব্রাজিল কিংবদন্তি গিলবার্তো সিলভা
- ওষুধের বাজারে উত্তাপ: কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী বিপণনে লাগাম টানছে সরকার
- স্মার্টফোন এখন আরও হাতের নাগালে: ৪০ হাজার টাকার ফোনে ছাড় ৮ হাজার
- বিসিবি-আইসিসি ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়,কী ঘটেছিল সেদিন
- স্বর্ণের বাজারে অগ্নিমূল্য: রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় দাম, দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা
- টিভিতে আজকের খেলা: বিগ ব্যাশ থেকে বুন্দেসলিগা, চোখ থাকবে যেখানে
- তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে বিদ্রোহী দমনে বড় জয়
- আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- সংকুচিত হয়েছিল পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র: ২০২৪-এর সৌর ঝড় নিয়ে গবেষণায় উদ্বেগ
- শীতকালীন সবজিতে নতুন স্বাদ: জেনে নিন বাঁধাকপি ভর্তার সহজ রেসিপি
- আবারও দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস
- ৫০তম বিসিএস পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব নিয়ম
- ১৫ মেগাসিটির সফর শেষে ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপের স্বর্ণালি ট্রফি
- এসএসসি পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন, চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ
- ৮ জানুয়ারি ডিএসই মেইন বোর্ডের লেনদেন চিত্র
- এক চড়, দশ হাজার টাকা, আর চিরকালের নত মেরুদণ্ড
- বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক সংকেত: মিউচুয়াল ফান্ড বিশ্লেষণ
- ওষুধের দরে বড় চমক! এবার ২৯৫টি ওষুধের দাম বেঁধে দিল অন্তর্বর্তী সরকার
- ডিভিডেন্ড পরিশোধে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তিন প্রতিষ্ঠানের
- ডলারের আধিপত্য ও তেলের নিয়ন্ত্রণ: ট্রাম্পের শুল্কের রাজনীতিতে কাঁপছে বিশ্ববাজার
- শীতে এলপিজির হাহাকার রুখতে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার
- আজ ঢাকায় বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান
- আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
- নবম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিন প্রস্তাব
- কোরআন ও হাদিসে জুমার নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত
- প্রবাসী আয়ের শক্তিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে দেশ: শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ
- দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মাউশির চিঠি, নেপথ্যে কী
- আজকের আবহাওয়া আপডেট: কোথায় কতটা শীত








