Banner

যে আসন থেকে লড়বেন নুরুল হক নুর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১৯ ০৮:০৪:২৭
যে আসন থেকে লড়বেন নুরুল হক নুর
ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালী–৩ (দশমিনা–গলাচিপা) আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় দশমিনা উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আয়োজনে এক জনসভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন। ট্রাক মার্কা নিয়েই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামবেন বলে জানান এবং উপস্থিত জনতার সমর্থন কামনা করেন।

জনসভায় নুর বলেন, সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় সরকার গঠনের কোনো বিকল্প নেই। তার মতে, জাতীয় সরকারই দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পারে এবং একটি কার্যকর রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

তিনি দাবি করেন, দেশ–বিদেশে তার যে পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে পটুয়াখালী–৩ আসনের উন্নয়নই হবে তার মূল লক্ষ্য। দীর্ঘ অবহেলা, যোগাযোগব্যবস্থার দুরবস্থা এবং পিছিয়ে পড়া জনজীবনের উন্নয়নে তিনি একটি সমন্বিত পরিকল্পনা হাতে নিতে চান।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার পরদিন নিজের নির্বাচনী এলাকায় এসে নুর বলেন, এ রায় রাজনৈতিক দলগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে। অতীতের নির্যাতন, গুম, খুন, দখলবাজি ও একনায়কতান্ত্রিক আচরণ আর কোনো দলের মুখোশ হয়ে উঠলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশে আবারও ফ্যাসিবাদের আলামত দেখা যাচ্ছে। কোনো রাজনৈতিক নেতা বা দল যদি ক্ষমতার দাপটে দখলদারিত্ব বা জুলুম চালায়, তাহলে জনগণের আদালতে তাদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না। এ ধরনের পরিস্থিতি রোধ করতে জনগণকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অঞ্চলভিত্তিক কিছু নেতার অতিউৎসাহী অবস্থান জাতীয় ঐক্যকে বিঘ্নিত করছে উল্লেখ করে নুর বলেন, দেশকে আর নতুন সংকটের মুখোমুখি করা যাবে না। সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে ঐকমত্যের নির্বাচনই দেশের জন্য কল্যাণকর। দলগুলোর পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে আসন ভাগাভাগি করলে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথ সুগম হবে বলেও তিনি মত দেন।

নুর ঘোষণা দেন, নির্বাচিত হতে পারলে জামায়াত, বিএনপি, ইসলামী আন্দোলনসহ সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয়ে বসে চর এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। তিনি বলেন, বছরের পর বছর অবহেলার ফলে এলাকার সড়ক–যোগাযোগ, বাজারব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পিছিয়ে পড়েছে। এসব খাতে নবজাগরণ ঘটানোই হবে তার অঙ্গীকার।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক লিয়ার হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মিলন মিয়া। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি মিজান হাওলাদার, জেলা কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ নজরুল ইসলাম লিটু, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু কালামসহ অন্যান্য নেতারা।

-রাফসান


সংসদের বেতন ছাড়া কিছুই নেব না: হাসনাত

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০২ ১৫:০৮:১৫
সংসদের বেতন ছাড়া কিছুই নেব না: হাসনাত
এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে এনসিপির প্রার্থী ও দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং নৈতিক রাজনীতির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, জীবনে কখনো এক কাপ চায়ের টাকাও অনৈতিকভাবে গ্রহণ করেননি এবং নির্বাচিত হলেও সংসদের বেতন ছাড়া কোনো অতিরিক্ত সুবিধা নেবেন না। ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি বা রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের প্রশ্নও ওঠে না বলে তিনি জানান।

শুক্রবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি আরও জানান, হলফনামায় ঘোষিত সম্পদের বাইরে জীবনে কোনো সম্পদ অর্জন করবেন না এবং এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ তার বক্তব্যে প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক ও আর্থিক চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, জনগণ যেন প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের ঋণ, অর্থের উৎস ও আশপাশের লোকজন সম্পর্কে সচেতনভাবে খোঁজ নেয়। তার ভাষায়, মাদক ব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যাদের সখ্য রয়েছে, তারা কখনো জনগণের প্রকৃত কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে না।

তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দেশের গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করাই তার রাজনীতির মূল শিক্ষা। তিনি আল্লাহর কাছে তার জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করেন এবং বলেন, এই আদর্শ থেকেই একটি ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

হাসনাত আরও বলেন, দেবিদ্বারকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত শান্তির জনপদে পরিণত করাই তার প্রধান লক্ষ্য। নির্বাচিত হলে কোনো ধরনের টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি কিংবা দখলদারি বরদাশত করা হবে না। দলের কোনো নেতাকর্মী যদি অনিয়ম বা দুর্নীতিতে জড়িত হয়, তার বিরুদ্ধেও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

বক্তব্যে তিনি প্রয়াত সমাজসংস্কারক শরিফ ওসমান হাদির আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ইনসাফভিত্তিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন হাদি দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নের জন্য আরও বহু দেশপ্রেমিক গড়ে তুলতে হবে।

এ সময় জামায়াত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহীদের ত্যাগের কথাও তুলে ধরেন হাসনাত। তিনি বলেন, আসন ছেড়ে দিয়ে যে রাজনৈতিক উদারতা ও আত্মত্যাগ তিনি দেখিয়েছেন, তা আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ভবিষ্যত পথচলায় তার পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়ার অঙ্গীকারও করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ভোটারদের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ শাপলা কলির পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন। দোয়া মাহফিলে আরও বক্তব্য দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ এবং পৌর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ ফেরদৌস আহমেদ।

-রাফসান


"স্লো পয়জনিং খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে"

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০২ ১৩:৪৭:১৭
"স্লো পয়জনিং খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে"
ছবি: সংগৃহীত

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-এর মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ বিএনপির শীর্ষ নেতারা। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান তার মৃত্যুকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন।

আমানউল্লাহ আমান বলেন, তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় ধরে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না দিয়ে পরিকল্পিতভাবে খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তিনি এ ঘটনাকে ‘স্লো পয়জনিং’ বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন, এটি কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, বরং একটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল।

বিএনপি নেতার বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-এর নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই মৃত্যুর দায় এড়ানোর সুযোগ নেই এবং ভবিষ্যতে এর জন্য জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে বলে তার দাবি। আমান আরও বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন জনগণের কাছে একজন অভিভাবকতুল্য নেতা, যা তিনি সহ্য করতে পারেননি বলেই এমন পরিণতি ঘটানো হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়া ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। আমানের ভাষায়, তার জানাজায় বিপুল মানুষের উপস্থিতি এবং সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা প্রমাণ করে যে তিনি কেবল একটি দলের নেত্রী ছিলেন না, বরং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার মতে, খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অভিভাবকস্বরূপ ব্যক্তিত্ব। তবে তার মৃত্যুকে ঘিরে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট পক্ষ বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

-রাফসান


জানাজার পর কবর জিয়ারতে খালেদা জিয়ার নাতনি জাইমা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০২ ১২:৪১:২২
জানাজার পর কবর জিয়ারতে খালেদা জিয়ার নাতনি জাইমা
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবর জিয়ারত করেছেন তাঁর নাতনি জাইমা রহমানসহ পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যরা। গভীর শোক ও শ্রদ্ধার আবহে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁরা রাজধানীর জিয়া উদ্যানে অবস্থিত সমাধিস্থলে উপস্থিত হন।

পরিবারের সদস্যরা কবর জিয়ারতের সময় মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশ ও জাতির জন্য দোয়া করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দেশ পরিচালনা ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই নেত্রীর প্রয়াণে এখনো শোকাচ্ছন্ন দেশবাসী।

উল্লেখ্য, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান-এর কবরের পাশেই রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়। এর আগে জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন এলাকায় তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। জানাজায় লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এর আগে দীর্ঘ ৩৭ দিন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে খালেদা জিয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ২৩ নভেম্বর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুবরণ করেন, যা দেশের রাজনীতিতে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।

-রাফসান


সাত বছরে মুফতি ফয়জুল করীমের আয় বেড়ে দ্বিগুণ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ২১:১৪:২৪
সাত বছরে মুফতি ফয়জুল করীমের আয় বেড়ে দ্বিগুণ
মুফতি ফয়জুল করীম। ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের গত সাত বছরে আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি তাঁর পরিবারের সম্পদের ঝুলিও হয়েছে বেশ ভারী। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ (সদর) ও বরিশাল-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তাঁর সর্বশেষ হলফনামা ও ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা তুলনা করলে দেখা যায়, এই সময়ের ব্যবধানে তাঁর বার্ষিক আয় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ৫৩ বছর বয়সী এই প্রার্থীর বর্তমানে শিক্ষকতা, মাহফিলের সম্মানী ও অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া বাবদ বার্ষিক আয় ১৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা। অথচ সাত বছর আগে তাঁর বার্ষিক আয় ছিল মাত্র ৭ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ টাকা। বর্তমানে তাঁর নিজের নামে নগদ ৩১ লাখ ১২ হাজার টাকাসহ ৩৩ লক্ষাধিক টাকার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এ ছাড়াও উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বিশাল পরিমাণ জমির মালিকানা রয়েছে তাঁর নামে।

তবে সবচেয়ে বড় চমক লক্ষ্য করা গেছে তাঁর স্ত্রী তাসলিমা আক্তারের সম্পদের হিসাবে। ২০১৮ সালের হলফনামায় স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ না থাকলেও এবার তাঁর নামে ৩ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ দেখানো হয়েছে, যার মধ্যে ১৮৭ ভরি স্বর্ণালংকারও রয়েছে। এ ছাড়াও স্ত্রীর নামে কৃষি ও অকৃষি জমি, বাণিজ্যিক ভবন ও অ্যাপার্টমেন্টসহ মোট ৩ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে। অর্থাৎ গত সাত বছরে মুফতি ফয়জুল করীমের নিজের আয়ের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রীর নামে কয়েক কোটি টাকার নতুন সম্পদ যুক্ত হয়েছে। এমএ পাশ এই ধর্মীয় নেতা ও প্রার্থীর সম্পদের এমন উল্লম্ফন এখন বরিশালের নির্বাচনী আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।


বেগম জিয়ার ঐক্যের পথে চলতে চায় জামায়াত: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ২১:০৭:৩৬
বেগম জিয়ার ঐক্যের পথে চলতে চায় জামায়াত: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণের আভাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন তিনি। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জামায়াত আমির অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, জাতীয় স্বার্থ এবং একটি অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে জামায়াত দেশের সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ডা. শফিকুর রহমান সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং কার্যালয়ে রাখা শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এই আবেগঘন মুহূর্তে তিনি বেগম জিয়ার রাজনৈতিক দর্শনের প্রশংসা করে বলেন—বেগম খালেদা জিয়া দেশের আপামর জনতার মধ্যে ঐক্যের যে মজবুত ভিত্তি তৈরি করে দিয়ে গেছেন, জামায়াতে ইসলামী সেই পথ অনুসরণ করেই আগামীর পথ চলতে চায়। তিনি মনে করেন, একটি সুন্দর ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই।

নির্বাচন-পরবর্তী শাসনব্যবস্থা নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান এক তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, নির্বাচনের পর এবং চূড়ান্তভাবে সরকার গঠনের আগে সকল মিত্র ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে পুনরায় আলোচনার টেবিলে বসবে জামায়াত। তিনি বলেন, "আমরা চাই আগামীতে সবাই মিলেমিশে দেশের স্বার্থে কাজ করতে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বও আমাদের এই ইতিবাচক মনোভাবের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।" মূলত একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠনের মাধ্যমে দেশে দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনাই এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।


শূন্য সম্পদ নিয়ে সাবেক মন্ত্রীর প্রতিপক্ষ তুষার

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ২০:৪০:৪৫
শূন্য সম্পদ নিয়ে সাবেক মন্ত্রীর প্রতিপক্ষ তুষার
সারোয়ার তুষার। ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে এক ব্যতিক্রমী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ তৈরি হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের বিপরীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আনোয়ার হোসাইন তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন। তবে সবার নজর কেড়েছে তুষারের দাখিলকৃত হলফনামা, যেখানে তাঁর কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির উল্লেখ পাওয়া যায়নি।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, সারোয়ার তুষারের সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পাশ। পেশায় নিজেকে একজন লেখক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন তিনি এবং লেখালেখি থেকে তাঁর বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তাঁর কাছে নগদ আছে ৩ লাখ টাকা এবং আয়কর রিটার্নে মোট সম্পদ দেখানো হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। আশ্চর্যজনকভাবে তাঁর নিজের বা পরিবারের নামে কোনো বাড়ি, গাড়ি কিংবা জমিজমার তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। তাঁর নামে কোনো ফৌজদারি মামলাও নেই বলে জানা গেছে।

পলাশ আসনে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ড. আবদুল মঈন খানের বিপরীতে এমন একজন তরুণ ও বিত্তহীন প্রার্থীর লড়াইকে স্থানীয় ভোটাররা বেশ কৌতূহলের সঙ্গেই দেখছেন। এ বিষয়ে সারোয়ার তুষার গণমাধ্যমকে জানান যে, তাঁর হলফনামায় দেওয়া তথ্যের বাইরে লুকানোর মতো কিছুই নেই। তাঁর নিজের বা পরিবারের নামে কোনো সম্পদ নেই এবং লেখক হিসেবে যেটুকু সামর্থ্য আছে, তা নিয়েই তিনি জনগণের অধিকার আদায়ে নির্বাচনী ময়দানে নেমেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিত্তবানের ভিড়ে এই ‘সম্পদহীন’ প্রার্থীর অংশগ্রহণ নির্বাচনে এক নতুন মাত্রার যোগ করল।


ভিপি সাদিক কায়েমকে যে পরামর্শ দিলেন তারেক রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ২০:১৯:২০
ভিপি সাদিক কায়েমকে যে পরামর্শ দিলেন তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক চাঞ্চল্যকর বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ডাকসু প্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলের এই বৈঠকে তারেক রহমান দেশের ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিশেষ পরামর্শ দেন। বৈঠক শেষে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম গণমাধ্যমকে জানান যে, তারেক রহমান বিএনপি, জামায়াতসহ সকল ফ্যাসিবাদবিরোধী দল এবং ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৈঠকের শুরুতে ডাকসু প্রতিনিধি দলটি সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আলোচনায় তারেক রহমান জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী এই সময়ে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্য বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন। ভিপি সাদিক কায়েম উল্লেখ করেন যে, রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকাটা স্বাভাবিক হলেও বাংলাদেশ এবং বিপ্লবের প্রশ্নে কোনো আপস করা চলবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, বিপ্লবের সুফল ঘরে তোলার পরিবর্তে নিজেদের মধ্যে বিভাজন তৈরি হলে দিল্লির তাঁবেদার ও পতিত ফ্যাসিস্টরা পুনরায় ষড়যন্ত্রের সুযোগ পাবে।

সাদিক কায়েম তাঁর বক্তব্যে আরও জানান যে, শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে দেশের মাটি ও মানুষকে ভালোবেসে ‘বাংলাদেশপন্থি’ রাজনীতি এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই হবে আগামী দিনের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলার ব্যাপারে একমত হয়েছে উভয় পক্ষ। বিগত ১৬ বছর ধরে তরুণ প্রজন্ম যে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল, তা ফিরিয়ে দিতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে ছাত্র সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার শপথ নেওয়া হয় এই বৈঠক থেকে। ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ার ঐতিহাসিক সুযোগকে কোনোভাবেই হাতছাড়া না করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ডাকসু নেতারা।


সম্পদের পাহাড়ে ছাত্রনেতা মাসউদ: বাবার চেয়ে ৫ গুণ বিত্তবান ছেলে

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১৮:৪৯:৩০
সম্পদের পাহাড়ে ছাত্রনেতা মাসউদ: বাবার চেয়ে ৫ গুণ বিত্তবান ছেলে
কোলাজ: ইত্তেফাক

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার রাজনীতিতে এখন এক অভাবনীয় দৃশ্যপট তৈরি হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য হওয়ার লড়াইয়ে একই পরিবারের দুই সদস্য—বাবা ও ছেলে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে নেমেছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক এবং জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম ছাত্রনেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ এবং তাঁর বাবা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক পৃথক দল থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তবে তাঁদের দাখিলকৃত হলফনামা পর্যালোচনায় উঠে এসেছে এক চমকপ্রদ তথ্য—সম্পদের বিচারে বাবার চেয়ে ছেলে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি বিত্তবান।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ২৬ বছর বয়সী আব্দুল হান্নান মাসউদ নিজেকে ‘ডিজিল্যান্ড গ্লোবাল’ নামক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৯৮ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৬ টাকা। এর মধ্যে নগদ ৩৫ লাখ ৮৩ হাজার টাকার পাশাপাশি ব্যাংক ব্যালেন্স, স্বর্ণালংকার ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী রয়েছে। অন্যদিকে তাঁর বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেকের মোট সম্পদের পরিমাণ ২০ লাখ ৯৩ হাজার ৬৫১ টাকা। পেশায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এই বাবার সম্পদের তালিকায় নগদ টাকা ও ব্যাংক ব্যালেন্সের পাশাপাশি ১৬৮ শতাংশ কৃষি ও অকৃষি জমি রয়েছে।

সম্পদের এই বিশাল ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আব্দুল হান্নান মাসউদ জানান, ছাত্র অবস্থায় টিউশনি এবং নিজস্ব ব্যবসা থেকে তিনি এই অর্থ উপার্জন করেছেন। এছাড়া গত এক বছরে বিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে পাওয়া প্রচুর ‘গিফট’ তাঁর সম্পদের পরিমাণ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, হলফনামায় তিনি কোনো তথ্য লুকাননি এবং তাঁর আয়ের বিবরণ সম্পূর্ণ সত্য। অন্যদিকে তাঁর বাবা বিষয়টি নিয়ে সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করে বলেন, তিনি তাঁর অর্জিত সম্পত্তির সঠিক বিবরণ দাখিল করেছেন এবং এর বাইরে কোনো কথা বলতে রাজি নন।

উল্লেখ্য যে, গত ২৯ ডিসেম্বর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এই পিতা-পুত্র। আব্দুল হান্নান মাসউদ ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে এনসিপির ব্যানারে এবং তাঁর বাবা আমিরুল ইসলাম ‘একতারা’ প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) হয়ে নির্বাচনী ময়দানে নেমেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর আলোচিত ছাত্রনেতা মাসউদের রাজনৈতিক উত্থান এবং বাবার সঙ্গে তাঁর এই লড়াই হাতিয়ার সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নতুন সমীকরণের জন্ম দিয়েছে।


ইসলামী দলকে ভোট দিতে জনগণ এখন প্রস্তুত: ডা. সৈয়দ তাহের

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১৮:৪৪:১৭
ইসলামী দলকে ভোট দিতে জনগণ এখন প্রস্তুত: ডা. সৈয়দ তাহের
ছবি : সংগৃহীত

একটি সমৃদ্ধ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশের সাধারণ মানুষ এখন ইসলামী রাজনৈতিক শক্তিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে উন্মুখ হয়ে আছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত অফিসে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। কনকাপৈত ইউনিয়ন জামায়াতের স্থানীয় নেতাদের সাথে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক কৌশল নিয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়।

ডা. তাহের তাঁর বক্তব্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণ বিশ্লেষণ করে বলেন—বাংলাদেশের মানুষ এখন মূলত দুটি স্পষ্ট পক্ষে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একদিকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল, আর অন্যদিকে দেশের আপামর জনতা যারা ইসলামী জোটের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা বাস্তবায়ন এবং একটি চাঁদাবাজমুক্ত ও সুশাসিত বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে জনগণ আগামী নির্বাচনে ইসলামী দলগুলোকেই বেছে নিতে মানসিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।

চৌদ্দগ্রামের কনকাপৈত ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তত্ত্বাবধায়ক ভিপি সাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ডা. তাহের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সত্যিকার অর্থেই উৎসবমুখর করে তুলতে হলে দলমত নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ইসলামের সুমহান বার্তা এবং দেশ গড়ার পরিকল্পনা পৌঁছে দিতে হবে। সাধারণ মানুষের মন জয় করার মাধ্যমেই একটি সুন্দর ও ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে তিনি নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করেন।

উক্ত সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন কনকাপৈত ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা হাসান মজুমদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন মজুমদার এবং ইউনিয়ন সেক্রেটারি পেয়ার আহমেদ প্রমুখ। সভায় স্থানীয় সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের সচেতন করার বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত

হুহু করে আবার কমল স্বর্ণের দাম

হুহু করে আবার কমল স্বর্ণের দাম

দেশীয় স্বর্ণবাজারে আবারও দরপতনের খবর এসেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যহ্রাসের ধারাবাহিক প্রভাবে স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স... বিস্তারিত