মি‘রাজ রজনীতে নবী (সা.)-এর বাহন বুরাকের বিস্ময়কর কাহিনি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১২ ১৮:৫১:২৬
মি‘রাজ রজনীতে নবী (সা.)-এর বাহন বুরাকের বিস্ময়কর কাহিনি
ছবি: সংগৃহীত

বুরাক (আরবি: البُراق) শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ “বারক” (برق) থেকে। এর অর্থ বিদ্যুৎ বা বিজলী। বিদ্যুতের মতোই বুরাকের গতি ছিল অতুলনীয় দ্রুত। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই স্বর্গীয় প্রাণীটিই ছিল সেই বাহন, যার ওপর আরোহন করেছিলেন প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মি‘রাজের রজনীতে।

এই রাতে নবী (সা.) পৃথিবী থেকে আকাশে যাত্রা করেছিলেন, মক্কা থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস (জেরুজালেম), এবং সেখান থেকে ঊর্ধ্বাকাশে আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছেছিলেন। এই অলৌকিক যাত্রার বাহন হিসেবেই বুরাকের নাম ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।

‘বুরাক’ শব্দের তাৎপর্য ও কুরআনিক ইঙ্গিত

“বারক” শব্দটি আল-কুরআনে পাঁচবার উল্লেখ করা হয়েছে। এই আয়াতগুলো পাওয়া যায় সূরা বাকারাহ (১৯ ও ২০ আয়াত), সূরা রা‘দ (১২ আয়াত), সূরা রূম (২৪ আয়াত) এবং সূরা নূর (৪৩ আয়াতে)। প্রতিটি জায়গায় “বারক” শব্দটি আলোর ঝলক বা বিদ্যুতের গতির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

অনেকে মনে করেন, মহানবী (সা.)-এর নাম “মুহাম্মদ”-এ যেমন পাঁচটি বর্ণ আছে, তেমনি “বারক” শব্দটিও পাঁচবার এসেছে এ যেন এক আধ্যাত্মিক ইঙ্গিত। সূরা ইনশিরাহে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন: “আর আমি তোমার যিকিরকে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছি” (সূরা ইনশিরাহ: ৪)।

এ থেকে বোঝা যায়, আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় নবীর সম্মানকে এমনভাবে বর্ধিত করেছেন যে, এমনকি বুরাকের নামের সঙ্গেও রয়েছে সেই ঐশ্বরিক সাদৃশ্য।

বুরাকের আকার-আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য

হাদীস শরীফে বুরাকের চেহারা ও গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়। সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিমে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত- “আমার নিকট বুরাক নিয়ে আসা হলো। বুরাক এক সাদা চতুষ্পদ প্রাণী, গাধার চেয়ে বড় এবং খচ্চর থেকে ছোট। তার দৃষ্টির শেষ সীমায় সে তার পা রাখে।” এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, বুরাকের গতি বিদ্যুতের মতোই দ্রুত। সে যতদূর দেখতে পারে, ততদূর পর্যন্ত এক পদক্ষেপেই পৌঁছে যায়।

বুরাকের গতি ও চলার ধরন

ইসলামী বর্ণনায় বুরাককে বর্ণনা করা হয়েছে এমন এক প্রাণী হিসেবে, যার গতি আলোর গতির কাছাকাছি। অর্থাৎ, তার এক পদক্ষেপ পৃথিবী থেকে আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এই বর্ণনা আধুনিক কালের আলোচনায়ও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, কারণ “বারক” বা বিদ্যুৎ-শব্দটি বুরাকের গতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বুরাকের নামের মধ্যেই আছে সেই গতি ও শক্তির ধারণা যা আল্লাহর সৃষ্টি ক্ষমতারই প্রকাশ।

বুরাকের সৃষ্টি ও অস্তিত্ব সম্পর্কে আলেমদের মত

অনেক ইসলামি পণ্ডিতের মতে, বুরাক কোনো সাধারণ প্রাণী নয়। এটি এক বিশেষ সৃষ্ট প্রাণী, যাকে শুধুমাত্র মি‘রাজের রাতে সৃষ্টি করা হয়েছিল। এই মত অনুসারে, বুরাকের অস্তিত্ব কেবল সেই অলৌকিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত, এবং অন্য কোনো নবী বা রাসূলের জীবনে এর কোনো উল্লেখ নেই। অর্থাৎ, এটি নবী (সা.)-এর জন্যই বিশেষভাবে নির্ধারিত এক ঐশ্বরিক বাহন।

ইমাম সুহাইলীর ব্যাখ্যা ও বুরাকের লজ্জা

ইমাম সুহাইলী (রহ.) তাঁর ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেছেন, যখন নবী (সা.) বুরাকে আরোহণ করতে চাইলেন, তখন বুরাক লজ্জায় সামান্য ইতস্তত করেছিল। তখন ফেরেশতা জিবরাঈল (আঃ) বুরাককে উদ্দেশ্য করে বলেন, “হে বুরাক, তুমি কি জানো, আজ তোমার পিঠে যিনি আরোহণ করবেন, আল্লাহর কাছে তাঁর চেয়ে মর্যাদাবান আর কেউ নেই?”

এই কথা শুনে বুরাক ঘর্মাক্ত হয়ে শান্ত হয়ে যায়। এতে বোঝা যায়, বুরাক কোনো নির্জীব বস্তু নয় বরং এক অনুভূতিশীল ও বুদ্ধিদীপ্ত সত্তা, যা আল্লাহর নির্দেশে নিয়ন্ত্রিত।

মি‘রাজের যাত্রা ও বুরাকের ভূমিকা

নবী করিম (সা.) বুরাকের পিঠে চড়ে প্রথমে মক্কা থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসে যান। সেখানে নবীগণের সঙ্গে নামাজ আদায় করেন, এরপর ঊর্ধ্বলোকে যাত্রা করেন। বায়তুল মুকাদ্দাসে পৌঁছে তিনি বুরাককে সেই খুঁটির সঙ্গে বেঁধেছিলেন, যেখানে পূর্ববর্তী নবীরাও তাঁদের বাহন বেঁধেছিলেন। এটি নবুওতের ঐক্য ও ধারাবাহিকতার প্রতীক হিসেবে ইসলামী ঐতিহ্যে অমর হয়ে আছে।

বুরাকের আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা ও রুহানী প্রতীক

অনেক সুফি ও ইসলামী পণ্ডিত বুরাককে এক ধরনের “আলোর বাহন” হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাদের মতে, বুরাক ছিল সেই নূরের মাধ্যম, যার দ্বারা নবী (সা.)-এর আত্মা ও দেহ উভয়ই আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছেছিল। এ ধারণা অনুযায়ী, বুরাক কেবল এক বাস্তব প্রাণী নয় বরং আত্মার ঊর্ধ্বগতির প্রতীক। এটি মানুষের আধ্যাত্মিক উত্থান ও আল্লাহর নিকটে পৌঁছার প্রতীকী বাহন হিসেবেও দেখা হয়।

‘পাঁচ’ সংখ্যার রহস্য ও মি‘রাজের প্রতীকী তাৎপর্য

মি‘রাজ ও বুরাকের ঘটনাবলিতে “পাঁচ” সংখ্যার এক রহস্যময় সাদৃশ্য রয়েছে। “বারক” শব্দটি কুরআনে পাঁচবার এসেছে। নবী (সা.)-এর নাম “মুহাম্মদ”-এ রয়েছে পাঁচটি বর্ণ। “মি‘রাজ” শব্দেও রয়েছে পাঁচটি অক্ষর।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই মি‘রাজের রাতেই মুসলমানদের ওপর ফরজ করা হয় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। যেন প্রতিটি নামাজই মানুষের জন্য এক এক মি‘রাজ আল্লাহর সঙ্গে আত্মিক যোগাযোগের এক পবিত্র মাধ্যম।

বুরাক ও মি‘রাজ: নবুওতের মহিমা

মি‘রাজ ছিল এমন এক ঘটনা, যা কোনো নবী বা রাসূলের জীবনে আগে কখনও ঘটেনি। তাই বুরাকের উপস্থিতি নবী (সা.)-এর মর্যাদারই প্রতীক। এই যাত্রা ছিল দেহ ও আত্মা উভয়ের মিলিত উত্থান। বুরাক ছিল সেই মাধ্যম, যা নবীকে দুনিয়ার সীমা ছাড়িয়ে আকাশের সীমানা পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছিল।

বুরাক ইসলামী ইতিহাসে এক অলৌকিক নাম। এটি কেবল এক প্রাণী নয়, বরং বিশ্বাস, আধ্যাত্মিকতা এবং নবুওতের গৌরবের প্রতীক। যেমন বিদ্যুৎ মুহূর্তে আকাশ চিরে আলোর রেখা ফেলে, তেমনি বুরাকও সেই “আলোর বাহন” যা মাটির সীমা ভেঙে আকাশের সীমানা ছুঁয়েছিল।

তাই মুসলমানদের কাছে বুরাক শুধু ইতিহাস নয়, বরং ঈমানের অংশ—যা মনে করিয়ে দেয়, আল্লাহর ইচ্ছা হলে অসম্ভবও সম্ভব।


রমজানের তৃতীয় দিনের ইফতার ও নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২১ ০৯:০৭:৪৯
রমজানের তৃতীয় দিনের ইফতার ও নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসের রহমতের দশক চলছে। আজ শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বঙ্গাব্দ ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ এবং হিজরি ০৩ রমজান ১৪৪৭। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য সময়মতো নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে রমজান মাসে ইবাদত-বন্দেগির গুরুত্ব কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা থেকে আজকের দিন ও আগামীকালের ফজরের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিটে।

এরপর আসরের নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ১৯ মিনিটে।

দিনের শেষভাগে মাগরিবের আজান হবে সন্ধ্যা ৬টা ০১ মিনিটে, যা ইবাদতকারীদের জন্য অত্যন্ত প্রতীক্ষিত একটি সময়।

রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এশার নামাজের সময় শুরু হবে ৭টা ১৪ মিনিটে, যার পরপরই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা তারাবিহর নামাজ আদায় করবেন। আগামীকাল রোববার ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৫টা ১৪ মিনিটে।

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে বিকেল ৫টা ৫৭ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয়ের সম্ভাব্য সময় ভোর ৬টা ২৮ মিনিট। সঠিক সময়ে ইবাদত সম্পন্ন করতে এই সময়সূচিটি অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার।

/আশিক


শুক্রবারের পূর্ণ নামাজ সূচি, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২০ ০৯:২৫:৪০
শুক্রবারের পূর্ণ নামাজ সূচি, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আজ শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। বাংলা সন অনুযায়ী ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ০২ রমজান ১৪৪৭। পবিত্র রমজানের দ্বিতীয় দিনে রাজধানী ঢাকা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত হয়েছে জুমা ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি।

আজ জুমার নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিটে। শুক্রবারের জুমা ইসলামে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হওয়ায় মসজিদগুলোতে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ইমামদের খুতবার আগে যথাসময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য মুসল্লিদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিকেল ৪টা ১৯ মিনিটে শুরু হবে আসরের নামাজ। রমজান মাসে রোজাদারদের জন্য এই সময়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ আসরের পর থেকেই ইফতারের প্রস্তুতি শুরু হয়।

আজ মাগরিবের আজান হবে সন্ধ্যা ৬টা ০০ মিনিটে। এ সময়েই রোজাদাররা ইফতার গ্রহণ করবেন। ইসলামি বিধান অনুযায়ী সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে রোজা ভাঙার নির্দেশনা রয়েছে।

এশার নামাজ শুরু হবে রাত ৭টা ১৪ মিনিটে। রমজান মাস হওয়ায় এশার পর তারাবিহ নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা।

আগামীকাল শনিবার ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে। সেহরির সময় নির্ধারণে মুসল্লিদের এই সময়ের আগেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জ্যোতির্বিদ্যা তথ্য অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ঘটবে বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৩১ মিনিটে। এই সময়ের ওপর ভিত্তি করেই নামাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এসব সময় প্রণয়ন করা হয়, যা সাধারণত স্থানীয় পর্যবেক্ষণ ও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের সমন্বয়ে প্রস্তুত করা হয়। মুসল্লিদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে, নিজ নিজ এলাকার মসজিদের ঘোষণার সঙ্গে মিলিয়ে সময় নিশ্চিত করে নেওয়ার জন্য।

রমজানের পবিত্র এই মাসে সময়মতো নামাজ আদায় ও ইবাদতে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আলেম সমাজ।

-রাফসান


আজ পবিত্র ১ রমজান: জেনে নিন আজকের ৫ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ০৯:১১:৩৭
আজ পবিত্র ১ রমজান: জেনে নিন আজকের ৫ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং ইমানের পর এটিই মুমিনের প্রধান ইবাদত। পরকালে সর্বপ্রথম এই ইবাদতেরই হিসাব নেওয়া হবে। বিশেষ করে রমজান মাসে নামাজের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। আজ বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, অর্থাৎ ১ রমজান ১৪৪৭ হিজরির জন্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের একটি সঠিক সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

সময়সূচি অনুযায়ী, আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৩ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ১৯ মিনিটে।

দিনের শেষে মাগরিবের আজান ও ইফতারের সময় নির্ধারিত হয়েছে ৫টা ৫৬ মিনিটে, যার ঠিক এক মিনিট আগে অর্থাৎ ৫টা ৫৫ মিনিটে সূর্য অস্ত যাবে।

রাতের প্রধান ইবাদত এশার নামাজ শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে। এই রমজানে সিয়াম সাধনার পাশাপাশি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতের সাথে আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য। ব্যস্ততার মাঝেও সঠিক সময়ে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আত্মিক শান্তি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব।

আগামীকাল শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (২ রমজান)-এর জন্য সেহরি ও ফজরের সময়সূচিও জানানো হয়েছে।

তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময় ভোর ৫টা ১৩ মিনিট নির্ধারিত করা হয়েছে, আর ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ৫টা ১৪ মিনিটে।

সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে এবং দিনের নফল ইবাদত ইশরাক ও চাশতের সময় শুরু হবে যথাক্রমে ৬টা ৪৬ মিনিট ও সকাল ৭টা ০৬ মিনিটে। পবিত্র এই মাসে সময়মতো ইবাদত পালনই মুমিনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

/আশিক


১৮ ফেব্রুয়ারির নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন আপনার এলাকার ওয়াক্ত

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ০৯:১৪:০৯
১৮ ফেব্রুয়ারির নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন আপনার এলাকার ওয়াক্ত
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং ঈমানের পর এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। পরকালে হাশরের ময়দানে বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব গ্রহণ করা হবে। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও ইসলামে ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজের বিধান রয়েছে, যা মুমিনের আধ্যাত্মিক উন্নতিতে সহায়ক। পার্থিব জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত জরুরি ও বাধ্যতামূলক একটি কর্তব্য।

আজ বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি; বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ০৫ ফাল্গুন ১৪৩২ এবং হিজরি ২৮ শাবান ১৪৪৭। রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সূচি অনুযায়ী, জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিটে এবং আসরের নামাজ শুরু হবে বিকেল ৪টা ১৬ মিনিটে।

মাগরিবের সময় নির্ধারিত হয়েছে সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিটে এবং এশার নামাজ আদায় করা যাবে রাত ৭টা ১১ মিনিট থেকে।

আগামীকালের অর্থাৎ বৃহস্পতিবারের ফজর নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঢাকার সময়ের সাথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নামাজের সময়ের কিছু পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। ঢাকার সময়ের সাথে কিছু জেলায় সময় বিয়োগ করতে হবে, আবার কিছু জেলায় সময় যোগ করতে হবে।

বিয়োগের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের জন্য ০৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ০৬ মিনিট সময় কমিয়ে হিসাব করতে হবে।

অন্যদিকে, সময় যোগ করার ক্ষেত্রে খুলনার জন্য ০৩ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ০৭ মিনিট, রংপুরের জন্য ০৮ মিনিট এবং বরিশালের জন্য ০১ মিনিট বাড়িয়ে নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের নিজ নিজ এলাকার সঠিক সময় জেনে জামাতের সাথে নামাজ আদায়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


সৌদি আরবে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে: প্রথম রোজা বুধবার

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ২১:২০:০৩
সৌদি আরবে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে: প্রথম রোজা বুধবার
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র মাহে রমজানের আগমনে বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মাঝে খুশির জোয়ার বইতে শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সৌদি আরবের আকাশে রমজানের নতুন চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ায় দেশটিতে শাবান মাস ২৯ দিনে শেষ হচ্ছে। এর ফলে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান।

চাঁদ দেখার এই বিশেষ সংবাদটি আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইনসাইড দ্য হারামাইনের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, সৌদি আরবের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি এবং স্থানীয় মানমন্দিরগুলো মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আকাশে রমজান মাসের এক ফালি নতুন চাঁদ দেখার বিষয়ে ইতিবাচক সংকেত দিয়েছে। এর ফলে আগামীকাল বুধবার হবে সৌদিতে পবিত্র রমজানের প্রথম দিন। আজ রাত থেকেই দেশটিতে তারাবির নামাজ শুরু হবে এবং আগামীকাল শেষ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা সাহ্‌রি গ্রহণের মাধ্যমে প্রথম রোজা পালন করবেন।

ভৌগোলিক নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত সৌদি আরবের এক দিন পর বাংলাদেশে রোজা শুরু হয়ে থাকে। তবে আজ সৌদিতে চাঁদ দেখা যাওয়ায় মুসলিম বিশ্বের অন্যতম পবিত্র এই মাসের আমেজ এখন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। আগামীকাল বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠকে বসবে এবং যদি দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়, তবে বৃহস্পতিবার থেকে বাংলাদেশেও রোজা শুরু হবে। সৌদি আরবের এই চাঁদ দেখার সংবাদের পর মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোও একে একে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাচ্ছে।

/আশিক


নামাজ ও সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত সময় জানুন আজ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ০৮:১০:১১
নামাজ ও সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত সময় জানুন আজ
ছবি: সংগৃহীত

আজ মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ এবং হিজরি সনের হিসেবে ২৮ শাবান ১৪৪৭। রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব ও ইসলামিক ফিকহের নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসারে।

আজ জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিটে। বিকেলের আসরের সময় শুরু হবে ৪টা ১৭ মিনিটে। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজ আদায়ের সময় নির্ধারিত হয়েছে সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিটে। রাতের এশার নামাজ শুরু হবে ৭টা ১২ মিনিটে।

আগামীকাল বুধবার ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ঘটবে সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৩১ মিনিটে।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, শাবান মাসের শেষভাগে সময়ের এই পরিবর্তন রমজান আগমনের পূর্বাভাস বহন করে। ফলে নামাজের সময়সূচি নিয়মিত অনুসরণ এবং সঠিক সময়ে ইবাদত পালনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রাজধানীবাসীকে নিজ নিজ এলাকার মসজিদের ঘোষিত সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে, কারণ স্থানীয় পর্যায়ে সময়ের সামান্য তারতম্য হতে পারে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।


মুসলিমদের জন্য রমজান মাসের সূচনা: চাঁদ দেখার নিয়ম ও তারিখ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১৮:৫২:১১
মুসলিমদের জন্য রমজান মাসের সূচনা: চাঁদ দেখার নিয়ম ও তারিখ
ছবি : সংগৃহীত

মক্কা, সৌদি আরব অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন হতে পারে ১৮ বা ১৯ ফেব্রুয়ারি। রমজানের সূচনাটি চাঁদদর্শনের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়, তাই বিভিন্ন দেশে রমজান শুরু হওয়ার তারিখ ভিন্ন হতে পারে। কিছু দেশ চাঁদের অবস্থান গণনা করে সিদ্ধান্ত নিলে, অনেকে স্থানীয় চাঁদদর্শনের ঐতিহ্য অনুসরণ করে ঘোষণা দেয়।

ইসলামী চন্দ্র ক্যালেন্ডারের ভিত্তিতে রমজান মাস শুরু হয়। সৌদি আরবে চাঁদদর্শনের সাক্ষীর ওপর ভিত্তি করে সুপ্রিম কোর্ট চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়। চাঁদ দেখা হলে রমজান শুরু হয় এবং মুসলিমরা পরবর্তী দিন থেকে রোজা পালন শুরু করেন। যদি চাঁদ দেখা না যায়, তবে শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হলে পরের দিন রমজান শুরু হয়।

চাঁদদর্শনের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা হয়

অন্তরাল (Elongation): সূর্য থেকে চাঁদ যথেষ্ট দূরে থাকতে হবে।

উচ্চতা (Altitude): চাঁদ যত বেশি উচ্চতায় থাকবে, তত সহজে দেখা যাবে।

সময় ব্যবধান (Lag time): সূর্যাস্তের পর চাঁদ অস্ত হওয়ার সময় পর্যাপ্ত হতে হবে, সাধারণত ৪৫ মিনিটের বেশি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ

মধ্যপ্রাচ্য: সম্ভবত ১৮ ফেব্রুয়ারি

উত্তর আমেরিকা: ১৮ ফেব্রুয়ারি

ইউরোপ ও তুরস্ক: ১৯ ফেব্রুয়ারি

এশিয়া: ১৯ ফেব্রুয়ারি সম্ভাবনা বেশি

আফ্রিকা ও ওসিওনিয়া: ১৯ ফেব্রুয়ারি

রমজান মাস মুসলিমদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এই মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মুসলিমরা উপবাস পালন করেন এবং খাবার, পানীয়, ধূমপান ও যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকেন। এটি আল্লাহর ভীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা এবং ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ০৯:১২:১৬
আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে
ছবি : সংগৃহীত

আজ সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (৩ ফাল্গুন ১৪৩২ ও ২৭ শাবান ১৪৪৭)। রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোর ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা।

সূচি অনুযায়ী, আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৬ মিনিটে এবং আসরের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ১৭ মিনিটে।

মাগরিবের আজান হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিটে।

দিনের শেষ নামাজ এশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭টা ১১ মিনিটে।

যারা আগামীকালকের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৫টা ১৮ মিনিটে।

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে এবং আগামীকাল মঙ্গলবার সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৩১ মিনিটে। এই সময়সূচিটি মূলত ঢাকা ও এর আশপাশের জেলাগুলোর জন্য প্রযোজ্য।

/আশিক


চোখে দেখেন না, কিন্তু অন্তরে পুরো কোরআন: ১২ বছরের কিশোরীর অবিশ্বাস্য কৃতিত্ব

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ২১:২৪:৫৩
চোখে দেখেন না, কিন্তু অন্তরে পুরো কোরআন: ১২ বছরের কিশোরীর অবিশ্বাস্য কৃতিত্ব
ছবি : সংগৃহীত

মাত্র ১২ বছর বয়সে পবিত্র কোরআনের সম্পূর্ণ হিফজ শেষ করে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সৌদি আরবের এক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী কিশোরী হিবা আল-সাফাদি। তবে তাঁর এই কৃতিত্ব কেবল কোরআন মুখস্থেই সীমাবদ্ধ নয়, একইসঙ্গে তিনি কোরআনের অত্যন্ত জটিল এবং মর্যাদাপূর্ণ ‘সাত কিরাআত’-এ অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেছেন। সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ‘কিং সালমান স্থানীয় কোরআন প্রতিযোগিতার’ ২৭তম আসরে হিবার এই বিস্ময়কর মেধা বিশেষভাবে সবার নজর কাড়ে।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শ্রেণির প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিয়ে হিবা আল-সাফাদি ‘শাতিবিয়্যা’ পদ্ধতিতে পূর্ণ সনদ ও নিখুঁত উচ্চারণের সঙ্গে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছেন। এই বয়সে কোরআনের সাতটি ভিন্ন ভিন্ন এবং স্বীকৃত পঠন শৈলীতে পারদর্শিতা অর্জন করা একটি বিরল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় হিবার এই সাফল্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিযোগিতার মঞ্চে হিবার কোরআন তিলাওয়াত উপস্থিত বিচারক এবং দর্শকদের আবেগপ্রবণ করে তোলে। অন্ধত্ব যে জ্ঞানের পথে কোনো বাধা হতে পারে না, হিবা আল-সাফাদি তাঁর অসামান্য মেধা ও একাগ্রতা দিয়ে সেটিই প্রমাণ করেছেন। ২৭তম কিং সালমান কোরআন প্রতিযোগিতায় তিনি কেবল একটি পুরস্কারই জেতেননি, বরং বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষের হৃদয় জয় করে নিয়েছেন।

পাঠকের মতামত: