মি‘রাজ রজনীতে নবী (সা.)-এর বাহন বুরাকের বিস্ময়কর কাহিনি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১২ ১৮:৫১:২৬
মি‘রাজ রজনীতে নবী (সা.)-এর বাহন বুরাকের বিস্ময়কর কাহিনি
ছবি: সংগৃহীত

বুরাক (আরবি: البُراق) শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ “বারক” (برق) থেকে। এর অর্থ বিদ্যুৎ বা বিজলী। বিদ্যুতের মতোই বুরাকের গতি ছিল অতুলনীয় দ্রুত। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই স্বর্গীয় প্রাণীটিই ছিল সেই বাহন, যার ওপর আরোহন করেছিলেন প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মি‘রাজের রজনীতে।

এই রাতে নবী (সা.) পৃথিবী থেকে আকাশে যাত্রা করেছিলেন, মক্কা থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস (জেরুজালেম), এবং সেখান থেকে ঊর্ধ্বাকাশে আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছেছিলেন। এই অলৌকিক যাত্রার বাহন হিসেবেই বুরাকের নাম ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।

‘বুরাক’ শব্দের তাৎপর্য ও কুরআনিক ইঙ্গিত

“বারক” শব্দটি আল-কুরআনে পাঁচবার উল্লেখ করা হয়েছে। এই আয়াতগুলো পাওয়া যায় সূরা বাকারাহ (১৯ ও ২০ আয়াত), সূরা রা‘দ (১২ আয়াত), সূরা রূম (২৪ আয়াত) এবং সূরা নূর (৪৩ আয়াতে)। প্রতিটি জায়গায় “বারক” শব্দটি আলোর ঝলক বা বিদ্যুতের গতির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

অনেকে মনে করেন, মহানবী (সা.)-এর নাম “মুহাম্মদ”-এ যেমন পাঁচটি বর্ণ আছে, তেমনি “বারক” শব্দটিও পাঁচবার এসেছে এ যেন এক আধ্যাত্মিক ইঙ্গিত। সূরা ইনশিরাহে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন: “আর আমি তোমার যিকিরকে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছি” (সূরা ইনশিরাহ: ৪)।

এ থেকে বোঝা যায়, আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় নবীর সম্মানকে এমনভাবে বর্ধিত করেছেন যে, এমনকি বুরাকের নামের সঙ্গেও রয়েছে সেই ঐশ্বরিক সাদৃশ্য।

বুরাকের আকার-আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য

হাদীস শরীফে বুরাকের চেহারা ও গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়। সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিমে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত- “আমার নিকট বুরাক নিয়ে আসা হলো। বুরাক এক সাদা চতুষ্পদ প্রাণী, গাধার চেয়ে বড় এবং খচ্চর থেকে ছোট। তার দৃষ্টির শেষ সীমায় সে তার পা রাখে।” এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, বুরাকের গতি বিদ্যুতের মতোই দ্রুত। সে যতদূর দেখতে পারে, ততদূর পর্যন্ত এক পদক্ষেপেই পৌঁছে যায়।

বুরাকের গতি ও চলার ধরন

ইসলামী বর্ণনায় বুরাককে বর্ণনা করা হয়েছে এমন এক প্রাণী হিসেবে, যার গতি আলোর গতির কাছাকাছি। অর্থাৎ, তার এক পদক্ষেপ পৃথিবী থেকে আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এই বর্ণনা আধুনিক কালের আলোচনায়ও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, কারণ “বারক” বা বিদ্যুৎ-শব্দটি বুরাকের গতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বুরাকের নামের মধ্যেই আছে সেই গতি ও শক্তির ধারণা যা আল্লাহর সৃষ্টি ক্ষমতারই প্রকাশ।

বুরাকের সৃষ্টি ও অস্তিত্ব সম্পর্কে আলেমদের মত

অনেক ইসলামি পণ্ডিতের মতে, বুরাক কোনো সাধারণ প্রাণী নয়। এটি এক বিশেষ সৃষ্ট প্রাণী, যাকে শুধুমাত্র মি‘রাজের রাতে সৃষ্টি করা হয়েছিল। এই মত অনুসারে, বুরাকের অস্তিত্ব কেবল সেই অলৌকিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত, এবং অন্য কোনো নবী বা রাসূলের জীবনে এর কোনো উল্লেখ নেই। অর্থাৎ, এটি নবী (সা.)-এর জন্যই বিশেষভাবে নির্ধারিত এক ঐশ্বরিক বাহন।

ইমাম সুহাইলীর ব্যাখ্যা ও বুরাকের লজ্জা

ইমাম সুহাইলী (রহ.) তাঁর ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেছেন, যখন নবী (সা.) বুরাকে আরোহণ করতে চাইলেন, তখন বুরাক লজ্জায় সামান্য ইতস্তত করেছিল। তখন ফেরেশতা জিবরাঈল (আঃ) বুরাককে উদ্দেশ্য করে বলেন, “হে বুরাক, তুমি কি জানো, আজ তোমার পিঠে যিনি আরোহণ করবেন, আল্লাহর কাছে তাঁর চেয়ে মর্যাদাবান আর কেউ নেই?”

এই কথা শুনে বুরাক ঘর্মাক্ত হয়ে শান্ত হয়ে যায়। এতে বোঝা যায়, বুরাক কোনো নির্জীব বস্তু নয় বরং এক অনুভূতিশীল ও বুদ্ধিদীপ্ত সত্তা, যা আল্লাহর নির্দেশে নিয়ন্ত্রিত।

মি‘রাজের যাত্রা ও বুরাকের ভূমিকা

নবী করিম (সা.) বুরাকের পিঠে চড়ে প্রথমে মক্কা থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসে যান। সেখানে নবীগণের সঙ্গে নামাজ আদায় করেন, এরপর ঊর্ধ্বলোকে যাত্রা করেন। বায়তুল মুকাদ্দাসে পৌঁছে তিনি বুরাককে সেই খুঁটির সঙ্গে বেঁধেছিলেন, যেখানে পূর্ববর্তী নবীরাও তাঁদের বাহন বেঁধেছিলেন। এটি নবুওতের ঐক্য ও ধারাবাহিকতার প্রতীক হিসেবে ইসলামী ঐতিহ্যে অমর হয়ে আছে।

বুরাকের আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা ও রুহানী প্রতীক

অনেক সুফি ও ইসলামী পণ্ডিত বুরাককে এক ধরনের “আলোর বাহন” হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাদের মতে, বুরাক ছিল সেই নূরের মাধ্যম, যার দ্বারা নবী (সা.)-এর আত্মা ও দেহ উভয়ই আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছেছিল। এ ধারণা অনুযায়ী, বুরাক কেবল এক বাস্তব প্রাণী নয় বরং আত্মার ঊর্ধ্বগতির প্রতীক। এটি মানুষের আধ্যাত্মিক উত্থান ও আল্লাহর নিকটে পৌঁছার প্রতীকী বাহন হিসেবেও দেখা হয়।

‘পাঁচ’ সংখ্যার রহস্য ও মি‘রাজের প্রতীকী তাৎপর্য

মি‘রাজ ও বুরাকের ঘটনাবলিতে “পাঁচ” সংখ্যার এক রহস্যময় সাদৃশ্য রয়েছে। “বারক” শব্দটি কুরআনে পাঁচবার এসেছে। নবী (সা.)-এর নাম “মুহাম্মদ”-এ রয়েছে পাঁচটি বর্ণ। “মি‘রাজ” শব্দেও রয়েছে পাঁচটি অক্ষর।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই মি‘রাজের রাতেই মুসলমানদের ওপর ফরজ করা হয় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। যেন প্রতিটি নামাজই মানুষের জন্য এক এক মি‘রাজ আল্লাহর সঙ্গে আত্মিক যোগাযোগের এক পবিত্র মাধ্যম।

বুরাক ও মি‘রাজ: নবুওতের মহিমা

মি‘রাজ ছিল এমন এক ঘটনা, যা কোনো নবী বা রাসূলের জীবনে আগে কখনও ঘটেনি। তাই বুরাকের উপস্থিতি নবী (সা.)-এর মর্যাদারই প্রতীক। এই যাত্রা ছিল দেহ ও আত্মা উভয়ের মিলিত উত্থান। বুরাক ছিল সেই মাধ্যম, যা নবীকে দুনিয়ার সীমা ছাড়িয়ে আকাশের সীমানা পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছিল।

বুরাক ইসলামী ইতিহাসে এক অলৌকিক নাম। এটি কেবল এক প্রাণী নয়, বরং বিশ্বাস, আধ্যাত্মিকতা এবং নবুওতের গৌরবের প্রতীক। যেমন বিদ্যুৎ মুহূর্তে আকাশ চিরে আলোর রেখা ফেলে, তেমনি বুরাকও সেই “আলোর বাহন” যা মাটির সীমা ভেঙে আকাশের সীমানা ছুঁয়েছিল।

তাই মুসলমানদের কাছে বুরাক শুধু ইতিহাস নয়, বরং ঈমানের অংশ—যা মনে করিয়ে দেয়, আল্লাহর ইচ্ছা হলে অসম্ভবও সম্ভব।


৬ এপ্রিল ২০২৬: সোমবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৬ ১০:১৮:৪০
৬ এপ্রিল ২০২৬: সোমবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের প্রতিটি বিধান ও আমলের মাঝেই লুকিয়ে আছে গভীর যৌক্তিকতা ও সৌন্দর্য। মহান রাব্বুল আলামিন মানুষের জন্য এমন কোনো আমল নির্ধারণ করেননি, যা পালন করা অসম্ভব বা অত্যন্ত কষ্টকর। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্যই ফরজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতের পাশাপাশি ইসলামে কিছু নফল নামাজের বিধানও রয়েছে, যা মুমিনের আত্মিক প্রশান্তি বাড়ায়। তবে জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজটুকু আদায় করে নেওয়া প্রত্যেক মুসলমানের নৈতিক দায়িত্ব।

আজ সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা এবং ১৭ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি। রাজধানী ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি দেওয়া হলো

আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)

আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২:০৬ মিনিটে।

আসরের নামাজ শুরু হবে বিকেল ৪:৩০ মিনিটে।

মাগরিবের আজান ও নামাজের সময় সন্ধ্যা ৬:১৪ মিনিটে।

ইশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭:৩০ মিনিটে।

আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৪:২৯ মিনিটে।

বিভাগীয় শহর অনুযায়ী সময় পরিবর্তন

ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

যারা চট্টগ্রামের বাসিন্দা, তাদের ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

সিলেটের ক্ষেত্রে ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, ঢাকার সময়ের সঙ্গে খুলনার বাসিন্দাদের ৩ মিনিট, রাজশাহীর বাসিন্দাদের ৭ মিনিট, রংপুরের বাসিন্দাদের ৮ মিনিট এবং বরিশালের বাসিন্দাদের ১ মিনিট যোগ করে নিজ নিজ এলাকার সঠিক সময় জেনে নিতে হবে।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়, মুসল্লিদের জন্য জরুরি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৫ ০৮:৪৭:৫০
আজকের নামাজের সময়, মুসল্লিদের জন্য জরুরি
ছবি: সংগৃহীত

রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, যা বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ২২ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ১৬ শাওয়াল ১৪৪৭ এই দিনে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

ধর্মীয় অনুশীলনের সুবিধার্থে নির্ভুল সময় জেনে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনায় দিনের বিভিন্ন ওয়াক্তের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট সূর্যগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে।

আজকের সময়সূচি অনুযায়ী, জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টা ০২ মিনিটে। বিকেলের আসরের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে। সূর্যাস্তের পরপরই মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে এবং রাতের শেষ ফরজ নামাজ এশা শুরু হবে রাত ৭টা ৩২ মিনিটে।

এছাড়া আগামী সোমবারের (৬ এপ্রিল) ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৪টা ২৯ মিনিটে, যা আগাম প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


জেনে নিন আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৪ ০৯:৪৬:২৯
জেনে নিন আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি

ইসলামের প্রতিটি বিধানের মাঝেই আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও শৃঙ্খলা নিহিত রয়েছে। দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝেও সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। আজ শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি (১৫ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি) তারিখের জন্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি হলো

আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)

জোহর: ১২:০৬ মিনিট

আসর: ৪:২৯ মিনিট

মাগরিব: ৬:১৯ মিনিট

এশা: ৭:৩৪ মিনিট

ফজর (আগামীকাল ৫ এপ্রিল): ৪:৩০ মিনিট

বিভাগীয় শহর অনুযায়ী সময়ের পার্থক্য

সময় বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম: -০৫ মিনিট

সিলেট: -০৬ মিনিট

সময় যোগ করতে হবে

খুলনা: +০৩ মিনিট

রাজশাহী: +০৭ মিনিট

রংপুর: +০৮ মিনিট

বরিশাল: +০১ মিনিট

/আশিক


৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৩ ০৯:১৪:৩৮
৩ এপ্রিল: আজকের নামাজের সময়সূচি
ছবি: সংগৃহীত

আজ শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ২০ চৈত্র ১৪৩২ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ১৪ শাওয়াল ১৪৪৭। এই দিনে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় নামাজের সময়সূচি মুসল্লিদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, বিশেষ করে জুমার দিনের কারণে।

আজ জুমার নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে। জুমার দিন হওয়ায় মুসল্লিদের জন্য এটি সপ্তাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জামাত, যেখানে মসজিদগুলোতে ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

এরপর বিকাল ৪টা ২৯ মিনিটে শুরু হবে আসরের নামাজের সময়। দিনের শেষভাগে এই নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে মাগরিবের সময় শুরু হবে, যা সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই আদায় করতে হয়। একই সময়ে আজ ঢাকায় সূর্যাস্তও সংঘটিত হবে, যা নামাজের সময় নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সূচক।

এরপর রাত ৭টা ৩৪ মিনিটে এশার নামাজের সময় শুরু হবে। দিনের শেষ ওয়াক্ত নামাজ হিসেবে এটি মুসলমানদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

আগামী দিনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জানা গেছে, শনিবার ভোরে ফজরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ৩৪ মিনিটে। ফজরের সময়সূচি নির্ধারণে ভোরের প্রথম আলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়।

এছাড়া আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ৫৪ মিনিটে, যা দিনের সূচনা নির্দেশ করে এবং নামাজের সময়সূচির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নামাজ আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই প্রতিদিনের সঠিক সময়সূচি জানা এবং তা অনুসরণ করা মুসল্লিদের জন্য অপরিহার্য।

-সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।


মুমিনের সেরা হাতিয়ার! এই এক শব্দেই ভেঙে পড়ে শয়তানের সব ষড়যন্ত্র

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ১২:১৮:১০
মুমিনের সেরা হাতিয়ার! এই এক শব্দেই ভেঙে পড়ে শয়তানের সব ষড়যন্ত্র
ছবি : সংগৃহীত

‘আল্লাহু আকবার’—অত্যন্ত বরকতপূর্ণ ও শক্তিশালী এই ধ্বনি মুমিনের হৃদয়ে ঈমানি শক্তির সঞ্চার করে। মহান আল্লাহর বড়ত্ব ও মহিমা ঘোষণার এই অমিয় বাণী কেবল একটি বাক্য নয়, বরং আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম। পবিত্র কোরআনের সুরা বনি ইসরাঈলের ১১১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে তাঁর বড়ত্ব ঘোষণা করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই ‘তাকবির’ মুমিনের অন্তরে তাকওয়া, সাহস ও প্রশান্তি জাগ্রত করে এবং যাবতীয় ভয় ও হতাশা দূর করে দেয়।

‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনির একটি বিশেষ প্রভাব হলো এটি শয়তানকে অত্যন্ত দুর্বল ও অসহায় করে তোলে। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, যখন মুয়াজ্জিন আজান দিতে শুরু করেন, তখন শয়তান সেই পবিত্র ধ্বনি সহ্য করতে না পেরে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পালিয়ে যায়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত বুখারি শরিফের একটি হাদিসে বলা হয়েছে, আজানের শব্দ যাতে কানে না যায়, সেজন্য শয়তান বায়ু ত্যাগ করতে করতে বহুদূরে পালিয়ে যায়। আজান শেষ হলে সে আবার ফিরে আসে, কিন্তু ইকামতের সময় আবারও দূরে সরে যায়। মানুষের ইবাদতে বিঘ্ন ঘটানো এবং কুমন্ত্রণা দেওয়াই যার কাজ, আল্লাহর এই মহিমান্বিত ধ্বনির সামনে সে চূড়ান্ত লাঞ্ছনা ও পরাজয় বরণ করে।

আজানের এই ধ্বনি কেবল শয়তানকেই বিতাড়িত করে না, বরং পুরো পরিবেশকে পবিত্র করে এবং গাফেল হৃদয়কে আল্লাহর স্মরণে জাগিয়ে তোলে। যে সমাজে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত আজান ধ্বনিত হয়, সেখানে শয়তানের কুপ্রভাব তুলনামূলক অনেক কম থাকে। ‘আল্লাহু আকবার’ মুমিনকে মনে করিয়ে দেয় যে, এই মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও মহিমান্বিত সত্তা একমাত্র আল্লাহ। ফলে মানুষের অন্তর আল্লাহমুখী হয় এবং শয়তানের সব ষড়যন্ত্র ও কুমন্ত্রণা বালুর বাঁধের মতো ভেঙে পড়ে। এটি যেন মুমিনের জীবনের এমন এক আধ্যাত্মিক বর্ম, যার সামনে অন্ধকার ও অশুভ শক্তি সর্বদা পরাজিত।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আপডেট

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০২ ০৯:২৩:৪৬
আজকের নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আপডেট

ইসলামের প্রতিটি বিধান ও আমলের মাঝেই লুকিয়ে আছে গভীর যৌক্তিকতা এবং অনন্য সৌন্দর্য। মহান আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের জন্য এমন কোনো আমল দেননি যা পালন করা অসম্ভব বা অত্যন্ত কষ্টকর। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্যই ফরজ ইবাদত। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নত নামাজের বাইরেও নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ রয়েছে। তবে জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজটুকু আদায় করে নেওয়া প্রত্যেক মুমিনের একান্ত কর্তব্য।

আজ বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা, ১৩ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি হলো

আজকের নামাজের সময়সূচি

জোহর: ১২.০৬ মিনিট

আসর: ৪.২৯ মিনিট

মাগরিব: ৬.১৭ মিনিট

এশা: ৭.৩২ মিনিট

ফজর (৩ এপ্রিল): ৪.৩৫ মিনিট

ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। নিচের জেলাগুলোর সময়ের সাথে ঢাকার সময় যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিন

বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম ৫ মিনিট এবং সিলেট ৬ মিনিট।

যোগ করতে হবে

খুলনা ৩ মিনিট, রাজশাহী ৭ মিনিট, রংপুর ৮ মিনিট এবং বরিশাল ১ মিনিট।

/আশিক


স্পেনে মুসলিম বিরোধী স্লোগান! সমর্থকদের কড়া জবাব দিলেন ১৮ বছরের ইয়ামাল

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০১ ২২:০৪:৫০
স্পেনে মুসলিম বিরোধী স্লোগান! সমর্থকদের কড়া জবাব দিলেন ১৮ বছরের ইয়ামাল
ছবি : সংগৃহীত

বার্সেলোনার আরসিডিই স্টেডিয়ামে স্পেন ও মিসরের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচে স্প্যানিশ সমর্থকদের ইসলামবিদ্বেষী স্লোগান ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার রাতের এই গোলশূন্য ড্র হওয়া ম্যাচে গ্যালারি থেকে একাধিকবার মুসলিম বিরোধী শোরগোল তোলা হয়।

বিশেষ করে প্রথমার্ধে ‘যে লাফাবে না, সে মুসলিম’—এমন আপত্তিকর স্লোগান দিতে শোনা যায় উগ্র সমর্থকদের। স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ জায়ান্ট স্ক্রিনে সতর্কবার্তা দিয়ে এবং দ্য রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কঠোর নিন্দা জানিয়েও দর্শকদের দমাতে পারেনি।

এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে এবার মুখ খুলেছেন স্পেনের ১৮ বছর বয়সী মুসলিম তারকা ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। বার্সেলোনার এই তরুণ প্রতিভা ইনস্টাগ্রামে এক বার্তায় সমর্থকদের নিজের ধর্মের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

ইয়ামাল লিখেছেন, যদিও এই স্লোগানগুলো প্রতিপক্ষ মিসরকে উদ্দেশ্য করে বলা হচ্ছিল, তবুও একজন মুসলিম হিসেবে এটি তাঁর কাছে অত্যন্ত অসম্মানজনক এবং একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যারা ধর্মকে উপহাস করে তারা আসলে নিজেদের অজ্ঞতা ও বর্ণবাদী মানসিকতাই প্রকাশ করে। ফুটবলকে ঐক্যের প্রতীক উল্লেখ করে তিনি এই ধরনের ঘৃণা ছড়ানো থেকে সমর্থকদের বিরত থাকার অনুরোধ জানান।

ম্যাচটিতে ৮৪ মিনিটে মিসরের হামদি ফাতহি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেও ১০ জনের দলের বিপক্ষে গোল করতে ব্যর্থ হয় লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। তবে মাঠের ফলের চেয়ে গ্যালারির এই বিদ্বেষী আচরণই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই ইসলামবিদ্বেষী স্লোগান নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। লামিনে ইয়ামাল তাঁর বার্তার শেষাংশে সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, ‘বিশ্বকাপে দেখা হবে।’

/আশিক


নফল নামাজসহ আজকের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি এক নজরে

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০১ ০৮:২৩:৫৪
নফল নামাজসহ আজকের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি এক নজরে
ছবি: সংগৃহীত

আজকের দিনের নামাজ ও ইবাদতের সময়সূচি মুসল্লিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দৈনন্দিন জীবনকে শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখতে সহায়তা করে। নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় ইসলামী জীবনব্যবস্থার অন্যতম মূল ভিত্তি।

আজ ফজরের সময় শুরু হয়েছে ভোর ৪টা ৩৫ মিনিটে এবং সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ সকাল ৫টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত তা আদায় করা যাবে। ফজরের পর সূর্যোদয়ের সময় ৫টা ৫১ মিনিট থেকে ৬টা ৬ মিনিট পর্যন্ত নামাজ আদায় নিষিদ্ধ থাকে, যা শরিয়তের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

দুপুরের যুহরের নামাজ শুরু হয়েছে ১২টা ৩ মিনিটে এবং আসরের সময় শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ বিকেল ৪টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত তা আদায় করা সম্ভব। তবে দুপুর ১১টা ৫৭ মিনিট থেকে ১২টা ২ মিনিট পর্যন্ত সময়টিও নিষিদ্ধ সময় হিসেবে গণ্য হয়, যেখানে কোনো নফল নামাজ আদায় করা থেকে বিরত থাকতে হয়।

আসরের নামাজ শুরু হয়েছে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে এবং সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ সন্ধ্যা ৬টা ১৪ মিনিট পর্যন্ত আদায় করা যাবে। সূর্যাস্তের সময় ৫টা ৫৯ মিনিট থেকে ৬টা ১৪ মিনিট পর্যন্ত নামাজ পড়া নিষিদ্ধ, কারণ এই সময় সূর্যের অবস্থান পরিবর্তনের একটি বিশেষ মুহূর্ত।

মাগরিবের নামাজ শুরু হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে এবং এশার সময় শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ রাত ৭টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত তা আদায় করা যাবে। এরপর এশার নামাজ শুরু হয় রাত ৭টা ৩০ মিনিটে এবং তা ফজরের আগ পর্যন্ত আদায় করা যায়।

নফল ইবাদতের ক্ষেত্রেও সময়সূচির গুরুত্ব রয়েছে। তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা যায় গভীর রাতে সাহরির পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত, যা আজ ভোর ৪টা ৩৪ মিনিট পর্যন্ত নির্ধারিত। ইশরাক ও চাশত নামাজ সূর্যোদয়ের পর সকাল ৬টা ৭ মিনিট থেকে শুরু হয়ে দুপুরের পূর্ব পর্যন্ত, অর্থাৎ ১১টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত আদায় করা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নামাজের নির্দিষ্ট সময় মেনে চলা কেবল ধর্মীয় দায়িত্ব নয়, বরং এটি সময় ব্যবস্থাপনার একটি কার্যকর কাঠামো তৈরি করে। এতে ব্যক্তির জীবনে শৃঙ্খলা, মানসিক প্রশান্তি এবং আধ্যাত্মিক উন্নয়ন ঘটে।

সামগ্রিকভাবে, এই সময়সূচি মুসল্লিদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে, যা সঠিক সময়ে ইবাদত পালনের মাধ্যমে একটি সুশৃঙ্খল ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনধারা গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

সূত্রঃ মুসলিম বাংলা


আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩১ ০৮:০০:১৩
আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে
ছবি: সংগৃহীত

আজ মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, যা বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ১৬ চৈত্র ১৪৩২। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য প্রতিদিনের মতো আজও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সময়নিষ্ঠতা ইসলামী জীবনব্যবস্থার একটি মৌলিক উপাদান, এবং নামাজের নির্ধারিত সময় অনুসরণ করা সেই শৃঙ্খলারই প্রতিফলন।

আজকের ফজরের নামাজের সময় শুরু হয়েছে ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হয়েছে সকাল ৫টা ৫১ মিনিটে। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, ফজরের নামাজ সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত আদায় করা যায়, ফলে এই সময়সীমা মুসল্লিদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

জোহরের নামাজ শুরু হয়েছে দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে এবং আসরের সময় শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি আদায় করা যাবে। আজ আসরের নামাজের সময় শুরু হয়েছে বিকেল ৪টা ২৯ মিনিটে, যা দিনের শেষভাগে ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত।

মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে, যা সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই আদায় করতে হয়। এর কিছুক্ষণ পরই এশার নামাজের সময় শুরু হয় রাত ৭টা ৩০ মিনিটে, যা রাতের শেষ নামাজ হিসেবে মুসলমানদের দৈনন্দিন ইবাদতের সমাপ্তি নির্দেশ করে।

এখানে উল্লেখযোগ্য যে, প্রতিটি নামাজের সময়ের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট শেষ সময় বা সীমাও যুক্ত থাকে, যা সময়মতো নামাজ আদায়ের গুরুত্বকে আরও জোরালো করে। যেমন ফজরের শেষ সময় সূর্যোদয়, জোহরের শেষ সময় আসরের শুরু, আসরের শেষ সময় সূর্যাস্ত, মাগরিবের শেষ সময় এশার শুরু এবং এশার নামাজ সাধারণত ফজরের আগ পর্যন্ত আদায় করা যায়।

পাঠকের মতামত: